Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পর্ব * ১
সন্দীপ রায়চৌধুরী

উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের দ্যুতিতে ভাস্বর। এই লাইনটা বললে হয়তো এক রকম অপমানই করা হয় তাঁদের। কারণ অন্যের আলোয় আলোকিত হওয়ার প্রয়োজন এঁদের কারও কখনও হয়নি। এঁরা নিজেরাই এক একজন কিংবদন্তি। জ্যোতিষ্ক। প্রমথেশ বড়ুয়া, উত্তমকুমার, বিশ্বজিৎ, সুচিত্রা সেন, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সুপ্রিয়াদেবী, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়েদের পাশে এঁরা প্রত্যেকেই দাপিয়ে অভিনয় করে গিয়েছেন দিনের পর দিন। বাংলা ছবির সুমহান ঐতিহ্য গরিমাদীপ্ত হয়েছে এঁদের দৃপ্ত পদচারণায়। ছবি বিশ্বাস, পাহাড়ি সান্যাল, বিকাশ রায়, তুলসী চক্রবর্তী, উৎপল দত্ত, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, জহর রায়, মলিনাদেবী, ছায়াদেবী থেকে শুরু করে চিন্ময় রায়, পার্থ মুখোপাধ্যায় নাম বলে শেষ হবে না। বরং কত নাম বাদ পড়ল তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হতে পারে।
বাংলা ছবির ঐতিহ্য রক্ষার ব্যাটন এখন কালের নিয়মে নবীন প্রজন্মের হাতে। কিন্তু নতুনকে আবাহন করলেও পুরনোকে আমরা অস্বীকার করি কী করে! একটা সময় ছিল যখন গোটা ভারতবর্ষকে পথ দেখিয়েছে বাংলা ছবি। বিভিন্ন সময় কত সব অসাধারণ প্রতিভাধর অভিনেতাদের পেয়েছে এই বাংলার মাটি। শুধু বেঁচে থাকার জন্য তো আর জীবন নয়। বাঙালির জীবনযাত্রা, বাংলার সংস্কৃতি মানুষকে চিনতে শিখিয়েছে। স্নেহ, ভালোবাসা,কর্তব্য, দায়িত্ব মানুষকে ভরিয়ে তোলে। কয়েক দশক আগেও সাহিত্য, সংস্কৃতি, রাজনীতি কী খেলাধুলোয় যে আদশর্বান মানুষের পরিচয় আমরা পেয়েছি, জানতে পেরেছি তাঁদের সম্পর্কে সেইসব মানুষগুলো আজ একে একে হারিয়ে গিয়েছেন। কেউ বা আবার বিস্মৃতির অতলে ডুব দিয়েছেন।
এই ধারাবাহিকে এমন কিছু শিল্পীর কথা, তাঁদের জানা-অজানা ঘটনা তুলে ধরার চেষ্টা করব যা আমাদের সবসময় এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেবে। এঁদের মধ্যে অনেকেই অতি সাধারণ মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও নিজের অক্লান্ত পরিশ্রম, নিষ্ঠা, কঠোর সংগ্রাম, অধ্যাবসায় তিল তিল করে নিজেকে গড়ে তুলেছেন। প্রতিভা তো ছিলই। সেইসঙ্গে নিষ্ঠা আর অধ্যাবসায় এঁরা আমাদের মনের মণিকোঠায় নিজেদের চিরজাগ্রত করে রেখেছেন। এঁদের জীবনের নানা ওঠাপড়ার ধাপগুলো এই লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।
স্বাধীনতার পূর্বে সশস্ত্র বিপ্লবী দলে যোগ দিয়েছিলেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় সারাজীবন কমেডি চরিত্রে অভিনয় করা রবি ঘোষ বাস্তব জীবনে কতটা সিরিয়াস ছিলেন তা জানলে চমকে যেতে হয়। স্টেজে নাচের দলে নাচতে হতো বলে ছোট্ট মলিনা গ্রিনরুমে ঘুমিয়ে পড়তেন। অসিতবরণকে সিনেমা জগতে পরিচয় করে দিয়েছিলেন পাহাড়ি সান্যাল আর শেষজীবনে তাঁরই কিনা কোনও কাজ ছিল না! মদ খাওয়ার জন্য যারা রাস্তার দোকানে চাট খেতে আসতেন তাঁদের এঁটো থালা, ডিশ ধোয়ার কাজ নিয়েছিলেন তুলসী চক্রবর্তী। নৃপতি চট্টোপাধ্যায়কে ছাড়া ‘লুকোচুরি’ ছবির শ্যুটিং করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন কিশোরকুমার। ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে ভানুর চটি বদলানোর দৃশ্য পরবর্তীকালে একটি হিন্দি ছবিতে হুবহু ব্যবহার করেছিলেন প্রখ্যাত কমেডিয়ান কেষ্ট মুখার্জি। এমনই নানা মণি-মানিক্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বাংলা চিত্রজগতের মহাকাশে। এই মহান শিল্পীদের অনেকেই এখন জগৎ সংসারের মায়া কাটিয়ে পরপারে। হয়তো ওখানে গিয়েই তাঁরা নতুন স্টুডিওপাড়া তৈরি করেছেন।
এভাবেই একের পর এক শিল্পীকে নিয়ে এই ধারাবাহিক এগিয়ে চলবে। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগামী বছর জন্ম শতবর্ষ। তাই এই লেখা শুরু এই মহান শিল্পীর জীবনচরিত দিয়ে। ৮-১০ বয়সে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গুরু’ ছিলেন দীনেশ গুপ্ত। ওই বয়সে ভানু বেশিরভাগ সময়েই দীনেশ গুপ্তর সাইকেলে করে ঘুরতেন। বিপ্লবী বইপত্র, এমনকী টিফিন বক্সে রিভলবার পাচার করতেন। দীনেশ গুপ্তর কথা মতোই ‘খুদে গুপ্তচর’ ভানুর কাজ ছিল ঢাকার সদরঘাট দিয়ে কোন পুলিস, সরকারি কর্মচারী আসছে-যাচ্ছে তার খবরাখবর দেওয়া। এই সদরঘাটেই ভানুর আলাপ ঘোড়ার গাড়ির চালক ‘ঢাকাই কুঠি’দের সঙ্গে। এরপর দীনেশ গুপ্ত মারা যাওয়ার পর ভানু খুব প্রভাবিত হন ‘চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন’-এর ঘটনায়। এই সময় সূর্য সেন, অনন্ত সিংহ, লোকনাথ বলরা ছিলেন তাঁর ধ্যানজ্ঞান। এরপর ‘অনুশীলন পার্টি’র ত্রৈলোক্য মহারাজ, রাধাবল্লভ গোপ, ত্রিদিব চৌধুরীর প্রতিও তাঁর ভয়ানক শ্রদ্ধা ছিল। রাধাবল্লভ গোপের মৃত্যু পর্যন্ত ভানুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ১৯৪১ সালে বিএ পরীক্ষার পর ভানু ঢাকায় কোনও এক ব্রিটিশ ইনফর্মার মার্ডার কেসে জড়িয়ে পড়েন। শেষে কলকাতায় পালিয়ে বোন প্রকৃতিদেবীর বাড়িতে ওঠেন। সেখান থেকেই ভানুকে প্রকৃতিদেবীর স্বামী বাদল গঙ্গোপাধ্যায় ‘আয়রন অ্যান্ড স্টিল কন্ট্রোলার’-এর অফিসে চাকরি দিয়ে দেন। এইসময় ভানু সকাল ৮টায় বেরতেন আর রাত ১০টায় বাড়ি ফিরতেন। সাধারণত ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অফিস করতেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের খেলা থাকলে ২টোয় অফিস থেকে বেরিয়ে গেট ম্যানেজ, ৪টেতে মাঠে। ১৯৪১ থেকে ভানুর লাইফ মেম্বারশিপ নং-২১৩। এখানে ভানুর একজন ‘গুরু’ ছিলেন। তিনি কোনও প্লেয়ার নন, সুরকার শচীন দেব বর্মন। ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখতে রেগুলার আসতেন শচীনকত্তা। সঙ্গে থাকতেন হিমাংশু দত্ত ও মেলোডির মালিক সুশীলবাবু। হাফটাইমে শচীনদেব বর্মনের চীনাবাদাম, চা ও পান। সিগারেটের তদারকির ভার থাকত ভানুর ওপর। এই খেলার একটা মজার ঘটনা শোনালেন ভানুবাবুর ছেলে গৌতম। ‘ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান খেলা হচ্ছে। ইস্টবেঙ্গলে তখন সালে, আপ্পারাও প্রমুখ পঞ্চপাণ্ডব দুর্দান্ত খেলছে। হঠাৎ শচীনদেব বর্মন বলে উঠলেন ‘আহা-হা-কী খেলা। কী সুর, কী লয়, কী ছন্দ যেন ফৈয়াজ খাঁর ঠুমরি। অমনি মোহনবাগানের গ্যালারি থেকে বলে উঠল, ‘ও আর আমাদের খেলাটা বুঝি কিছু না।’ শচীনকত্তা বললেন, ‘আপনাদেরটাও ভালো, তবে সেটা কাঠখোরা, ধ্রুপদ, ধামার।’
শচীনদেব বর্মনের সঙ্গীতের অসম্ভব ভক্ত ছিলেন ভানু। প্রায় সব রেকর্ড ছিল তাঁর সংগ্রহে। ভানুর সঙ্গীত-অজ্ঞতা নিয়ে একটা গল্প আছে। ‘পার্সোনাল অ্যাসিসটেন্ট’ ছবিতে প্রথমে কথা ছিল উত্তমকুমার অভিনয় করবেন। সেই হিসাবে সুরকার নচিকেতা ঘোষ, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গলায় কয়েকটা গান রেকর্ড করে নেন। পরে উত্তমকুমার সেই চরিত্রটা আর করেননি। ভানুকে সেই জায়গায় কাস্ট করা হয়। এই ঘটনায় নচিকেতা ঘোষ বললেন, উত্তমকে ভেবে গানগুলো করলুম। ভানু পার্টটা করছে জানলে, সুরই দিতুম না। আসলে উনি ভেবেছিলেন, উত্তম নেই, ছবি ফ্লপ হবে। এরপর ছবি হিট হলে বললেন, না লিপটা ভানু ভালোই মিলিয়েছে। এরপর শচীনকর্তা পাকাপাকিভাবে বম্বে চলে গেলেন। আর ভানুরও কাজের চাপ বাড়াতে ময়দান যাওয়া কমতে থাকল। (ক্রমশ)
অলংকরণ: সুব্রত মাজী 
01st  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

01st  December, 2019
ফেসবুকে বনলতা
শুচিস্মিতা দেব 

আমি তপেন বাগচি। পেশাহীন এবং নেশাহীন ছাপোষা মানুষ। পেশার অভাবে নেশা করার হিম্মত হয়নি কখনও। অভিজাত পাড়ায় ঠাকুরদার আমলের দোতলা বাড়িতে বিনা পয়সার বাসস্থান। বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার ঠাকুরদার ল ফার্মের যোগ্য উত্তরাধিকারী।   বিশদ

01st  December, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মহাকালীর কালীমঠ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

পর্ব-৩৭

হিমালয়ের পবিত্র দেবস্থানগুলি বারে বারে পরিব্রজন করলেও গুপ্তকাশীর অদূরে কালীমঠে আর যাওয়াই হয় না। তাই সেবার গৌরীকুণ্ডের পথে ত্রিযুগীনায়ারণ হয়ে গুপ্তকাশীতে এসে রাত্রিবাস করলাম। 
বিশদ

24th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৭

ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র, বিষয় ছিল রসায়ন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলতেন, ‘আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আচারে-ব্যবহারে, ভ্রমণে-পর্যটনে, খাদ্যে-পানীয়ে কালাপাহাড় বলিয়া পরিচিত মহলে আমার অখ্যাতি আছে; তবু আজ অস্বীকার করিতে পারি না, অলৌকিক শ্রেণীর দুইটি ঘটনার আমি সাক্ষী হইয়া আছি। 
বিশদ

24th  November, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
একনজরে
 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ভাইঝির উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল খুড়তুতো জেঠার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে শ্যামপুর থানার খাড়ুবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মরশাল গ্রামে। ...

বিশ্বজিৎ মাইতি, বারাসত, বিএনএ: বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত চাষিকে ক্ষতিপূরণ দিতে নতুন সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পৈতৃক সম্পত্তির রেকর্ড না থাকলেও ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার ...

বিএনএ, মালদহ: রোগীকে পরীক্ষার নাম করে তার শ্লীলতাহানির অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসকের খোঁজ মিলল না বৃহস্পতিবারেও। ইংলিশবাজার শহরে তার চেম্বারটিও বন্ধ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এব্যাপারে মালদহ মহিলা থানা একটি মামলা দায়ের করেছে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।  ...

 ইসলামাবাদ, ৫ ডিসেম্বর (পিটিআই): পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিল পাকিস্তানের আদালত। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে এমনটাই জানা গিয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ক্লান্তি। প্রিয়জনের বিপদগামিতায় অশান্তি ও মানহানির আশঙ্কা। সাংসারিক ক্ষেত্রে মতানৈক্য এড়িয়ে চলা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৩: জার্মান দার্শনিক ম্যাক্সমুলারের জন্ম
১৮৫৩: ঐতিহাসিক ও শিক্ষাবিদ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৫৬: দলিত আন্দোলনের নেতা ভীমরাওজি রামাজি আম্বেদকরের মৃত্যু
১৯৮৫: ক্রিকেটার আর পি সিংয়ের জন্ম
১৯৯২: অযোধ্যার বিতর্কিত সৌধ ধ্বংস
২০১৬ - তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৯২ টাকা ৭৩.০৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৬২ টাকা ৯৬.০৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৪২ টাকা ৮১.১৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,২৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী অহোরাত্র। উত্তরভাদ্রপদ ৪২/৬ রাত্রি ১০/৫৭। সূ উ ৬/৬/৫৩, অ ৪/৪৭/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৫৮/২৮/৪৯ শেষরাত্রি ৫/৩১/৫০। উত্তরভাদ্রপদ ৪১/৪৫/৪১ রাত্রি ১০/৫০/৩৪, সূ উ ৬/৮/১৮, অ ৪/৪৮/২৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৯ মধ্যে, কালবেলা ১০/৮/২০ গতে ১১/২৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৮/২২ গতে ৯/৪৮/২১ মধ্যে।
৮ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজের প্রথম টি-২০ জিতল ভারত

10:31:05 PM

 প্রথম টি২০: ভারত ১৭৭/২ (১৬ ওভার)

10:13:22 PM

প্রথম টি২০: ভারত ৮৯/১ (১০ ওভার) 

09:34:38 PM

প্রথম টি২০: ভারতকে ২০৮ রানের টার্গেট দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ 

08:34:59 PM

প্রথম টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৪৪/৩ (১৫ ওভার) 

08:09:22 PM

প্রথম টি২০: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০১/২ (১০ ওভার) 

07:47:55 PM