Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে। স্থানটি বিকানির থেকে ৫০ কিমি দূরে। আমি এসেছিলাম পোখরানের দিক থেকে। ইচ্ছে ছিল বিকানির স্টেশনের কাছে মেটা ধর্মশালায় থেকে বিকানির ফোর্ট বা অন্যান্য দর্শনীয় কয়েকটি স্থান সময় পেলে ঘুরে দেখার। সেই সঙ্গে করণীমাতার বিখ্যাত মন্দিরটিও দেখে নেওয়ার।
তবে তা আর হল না। এখানকার ‘নাল এয়ারফোর্সের’ আমারই এক পরিচিতর অনুরোধে বিকানিরে ঢোকার মুখেই মুরলীধর চৌরাহায় ওদের মুরলীধর ব্যামনগরে এলাম। এই রুক্ষ মরুর দেশে এমন নিরাপদ আশ্রয় কে-ই বা ছাড়ে?
ওদের সাহায্য নিয়েই বিকানিরের বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখলাম। বিকানিরে ফোর্ট ছাড়া দেখবার মতো সেরকম বিশেষ কিছু নেই। তাই দূরের যাত্রীদের কাছে জয়পুর, যোধপুর ও জয়সলমিরের আকর্ষণই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আমার আগমন করণীমাতাকে দর্শনের কারণে।
বিকানিরে দু’দিন থেকে একদিন চললাম এখান থেকে ২৬ কিমি দূরে দেশনোকে করণীমাতার মন্দির দেখতে। এর আগে মরুতীর্থে ওঁমিয়া মাতাকে দর্শন করেছি। এবার এলাম করণীমাতার দর্শনে।
আগেই বলেছি ইনি পৌরাণিক কোনও দেবী নন। স্বপ্নাদিষ্ট এক সাধিকা। সাক্ষাৎ জগদম্বার অবতার বলে মান্য করেন এঁকে। হিংলাজ মাতার পরে চারণ বংশে এর জন্ম। পিতার নাম মেহোজি মাতা দেবল দেবী। একটি ছোট্ট গুহা মন্দিরে এঁর অধিষ্ঠান। এঁরই আশীর্বাদে যোধপুর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনিই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, রাও বিকা আপন প্রচেষ্টায় এক মহান সাম্রাজ্য গড়ে তুলবেন। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্যই সফল হয়েছিল। বাস থেকে নেমে মন্দির প্রাঙ্গণে যখন গিয়ে পৌঁছলাম সেখানে তখন অজস্র ভক্ত তীর্থযাত্রীর সমাগমে স্থানটি জমজমাট। চারদিকে প্রচুর দোকানপাট ও প্রসাদি মঙ্গলদ্রব্যের কেনাবেচার স্থান। নানা রকমের সাজানো ডালি ও ফুলমালার সমারোহ সেখানে।
এই সব পার হয়েই একসময় পৌঁছলাম মাতৃমন্দিরে। সে এক দারুণ বিপজ্জনক ব্যাপার। এই মন্দিরে ছোট বড় মাঝারি সাইজের ইঁদুরের এমনই প্রভাব যে স্থির হয়ে দেবীকে দর্শন করাও যায় না। স্থানীয় যাঁরা অভ্যস্ত তাঁদের কথা আলাদা। আমার বা আমাদের মতো দর্শনার্থীর পক্ষে এটা খুবই বিরক্তিকর। অথচ উপায়ও নেই। এখানকার এই নিয়ম। অন্তত কয়েক হাজার হৃষ্টপুষ্ট ও ঘেয়ো ইঁদুর পায়ে পায়ে কখনও বা পায়ের ওপর দিয়েই দৌড়োচ্ছে এখানে। বিগ্রহের গায়ে-মাথায়ও উঠছে। ভক্তরা পুজো দিলে সেই পুজোর দ্রব্যে ইঁদুর মুখ দিলে তবেই নাকি সেটি প্রসাদ বলে বিবেচিত হবে। সে কারণে মানুষজন অটল বিশ্বাসে এবং মাতৃমহিমার মর্যাদা রাখতে ইঁদুরে খাওয়া সেই প্রসাদই সানন্দে গ্রহণ করে মুখে দিচ্ছে।
দেবীর নির্দেশের কারণে ইঁদুর মারা এখানে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। স্থানীয়দের ধারণা দেবীর ভক্তদের আত্মাই এখানে ইঁদুরগুলির মধ্যে প্রকট। কোনও কারণে কারও পায়ের চাপে একটি ইঁদুর যদি পিষ্ট হয়ে মারা যায় তবে তাকে সম-পরিমাণ স্বর্ণদান করতেই হবে। না হলে তার রেহাই নেই।
এই মন্দিরে যাত্রী সাধারণের থাকার সুব্যবস্থার জন্য বৃহৎ একটি ধর্মশালাও আছে। প্রতিদিন বহু যাত্রীর সমাগম হয় এখানে। সপ্তদশ শতকে তৈরি এখানকার মন্দিরের তোরণটি এককথায় অসাধারণ।
মরুভূমির এই অঞ্চলে ছোট্ট একটি গুহার মধ্যে করণীমাতার সাধনপীঠ। সেই গুহাকে কেন্দ্র করেই দেশনোকের করণীমাতার সুবিখ্যাত মন্দির। দেশনোক এখন মহাতীর্থ। হবে নাই বা কেন? পৃথিবীতে আর কোথাও তো ‘চুহা মন্দির’ নেই। করণীমাতার এই মহাদেবী হয়ে ওঠার নেপথ্যে যে কাহিনী আছে তা এই—
শিশুকালে নিদ্রিত অবস্থায় কখনও তাঁকে চতুর্ভুজা বা কখনও অষ্টভুজা মূর্তিতে দেখা যেত। কখনও বা তৃতীয় একটি নয়ন ফুটে উঠত ললাট পট্টে। অসুস্থ কোনও মানুষের গায়ে হাত দিলে সে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকেও মুক্তি পেত।
একবার রামদেওড়ার দিক থেকে বেশ কিছু মরুযাত্রী কার্তিক পূর্ণিমার মেলায় কোলায়েতে কপিলমুনির মন্দির দেখতে এলে একদল মরুদস্যু তাদের ধনসম্পদ লুণ্ঠন করতে আসায় তারা মহামায়ার শরণ নেয়। করণীমাতা তখন সিদ্ধ সাধিকা। সেই মুহূর্তে তিনি শ্রীদুর্গার রূপ ধরে ভয়ঙ্করী হয়ে ওঠেন। তারপর বারবার হাতে তালি দিলে মরুভূমির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত সহস্র ইঁদুর এসে নাস্তানাবুদ করে সেই মরুদস্যুদের। দেবী কোনওরকম প্রাণহানি না ঘটিয়ে বিদায় দেন তাদের। এরপর দেবীর সঙ্গ নিয়ে সেই সহস্রাধিক ইঁদুরের দল দেশনোকে এসে আশ্রয় নেয় এই গুহার মধ্যে।
আমার দর্শন শেষ। দর্শন শেষে মন্দির সংলগ্ন দোকানে সামান্য জলযোগের পর রাইরের মরুভূমিতে উটের মিছিল দেখে বিকানিরের দিকে রওনা হলাম। করণীমাতার ক্ষেত্রে এসে অনেকদিনের আশা যেমন পূর্ণ হল তেমনি অভিজ্ঞতাও হল অনেক। বিপদকালে করণী শরণে অনেক বাধাবিপত্তিও দূর হয় এমন ধারণা এই অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১

‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব বিশদ

13th  October, 2019
সাত বছরের ফাঁদে
ভগীরথ মিশ্র 

ভর-দুপুরে সদর বাজার দিয়ে হাঁটছিল শুখা।
পান্তু নাগের গোপন ডেরায় যাচ্ছে সে। কেন জানি, খুব জরুরি তলব দিয়েছে পান্তু।
এলাকার মুকুটহীন-সম্রাট রামতনু শিকদারের বাঁ হাত হল পান্তু নাগ। মানুষজন জলশৌচ জাতীয় যাবতীয় নোংরা-ঘাঁটা কাজগুলো তো বাঁ হাত দিয়েই করে। সেই হিসেবে পান্তু রামতনুর বাঁ হাতই।  
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

সুকুমার রায়। শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ‘ননসেন্স রাইম’-এর প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র।  বিশদ

29th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

একান্ন মহাপীঠের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাপীঠ হল কামাখ্যা। এই মহাতীর্থে সতীর মহামুদ্রা অর্থাৎ যোনিদেশ পতিত হয়েছিল। দেবীর গুপ্ত অঙ্গ পতিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, পর্বতটি নীলবর্ণ ধারণ করে এবং শত যোজন উচ্চ পর্বত ক্রমশ ভূগর্ভে নেমে যেতে থাকে।   বিশদ

29th  September, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

22nd  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি। 
বিশদ

22nd  September, 2019
একনজরে
রাঁচি, ৭ নভেম্বর (পিটিআই): ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতে এক মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবারের দাবি, না খেতে পেয়ে তিনি মারা গিয়েছেন। যদিও রাজ্য প্রশাসনের তরফে অনাহারে মৃত্যুর ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণীর আসা বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে। সরকারের এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে স্কুলগুলিতে যে অতিরিক্ত ক্লাসরুমের বন্দোবস্ত করতে হবে, তার ...

 ইস্তানবুল, ৭ নভেম্বর (এএফপি): ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীর অনেক ‘হাঁড়ির খবর’ ফাঁস করে দিয়েছে নিহত জঙ্গিনেতা আবু বকর আল বাগদাদির স্ত্রী রানিয়া মাহমুদ। এমনটাই দাবি ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM