Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে। স্থানটি বিকানির থেকে ৫০ কিমি দূরে। আমি এসেছিলাম পোখরানের দিক থেকে। ইচ্ছে ছিল বিকানির স্টেশনের কাছে মেটা ধর্মশালায় থেকে বিকানির ফোর্ট বা অন্যান্য দর্শনীয় কয়েকটি স্থান সময় পেলে ঘুরে দেখার। সেই সঙ্গে করণীমাতার বিখ্যাত মন্দিরটিও দেখে নেওয়ার।
তবে তা আর হল না। এখানকার ‘নাল এয়ারফোর্সের’ আমারই এক পরিচিতর অনুরোধে বিকানিরে ঢোকার মুখেই মুরলীধর চৌরাহায় ওদের মুরলীধর ব্যামনগরে এলাম। এই রুক্ষ মরুর দেশে এমন নিরাপদ আশ্রয় কে-ই বা ছাড়ে?
ওদের সাহায্য নিয়েই বিকানিরের বেশ কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখলাম। বিকানিরে ফোর্ট ছাড়া দেখবার মতো সেরকম বিশেষ কিছু নেই। তাই দূরের যাত্রীদের কাছে জয়পুর, যোধপুর ও জয়সলমিরের আকর্ষণই সবচেয়ে বেশি। কিন্তু আমার আগমন করণীমাতাকে দর্শনের কারণে।
বিকানিরে দু’দিন থেকে একদিন চললাম এখান থেকে ২৬ কিমি দূরে দেশনোকে করণীমাতার মন্দির দেখতে। এর আগে মরুতীর্থে ওঁমিয়া মাতাকে দর্শন করেছি। এবার এলাম করণীমাতার দর্শনে।
আগেই বলেছি ইনি পৌরাণিক কোনও দেবী নন। স্বপ্নাদিষ্ট এক সাধিকা। সাক্ষাৎ জগদম্বার অবতার বলে মান্য করেন এঁকে। হিংলাজ মাতার পরে চারণ বংশে এর জন্ম। পিতার নাম মেহোজি মাতা দেবল দেবী। একটি ছোট্ট গুহা মন্দিরে এঁর অধিষ্ঠান। এঁরই আশীর্বাদে যোধপুর রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তিনিই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, রাও বিকা আপন প্রচেষ্টায় এক মহান সাম্রাজ্য গড়ে তুলবেন। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী অবশ্যই সফল হয়েছিল। বাস থেকে নেমে মন্দির প্রাঙ্গণে যখন গিয়ে পৌঁছলাম সেখানে তখন অজস্র ভক্ত তীর্থযাত্রীর সমাগমে স্থানটি জমজমাট। চারদিকে প্রচুর দোকানপাট ও প্রসাদি মঙ্গলদ্রব্যের কেনাবেচার স্থান। নানা রকমের সাজানো ডালি ও ফুলমালার সমারোহ সেখানে।
এই সব পার হয়েই একসময় পৌঁছলাম মাতৃমন্দিরে। সে এক দারুণ বিপজ্জনক ব্যাপার। এই মন্দিরে ছোট বড় মাঝারি সাইজের ইঁদুরের এমনই প্রভাব যে স্থির হয়ে দেবীকে দর্শন করাও যায় না। স্থানীয় যাঁরা অভ্যস্ত তাঁদের কথা আলাদা। আমার বা আমাদের মতো দর্শনার্থীর পক্ষে এটা খুবই বিরক্তিকর। অথচ উপায়ও নেই। এখানকার এই নিয়ম। অন্তত কয়েক হাজার হৃষ্টপুষ্ট ও ঘেয়ো ইঁদুর পায়ে পায়ে কখনও বা পায়ের ওপর দিয়েই দৌড়োচ্ছে এখানে। বিগ্রহের গায়ে-মাথায়ও উঠছে। ভক্তরা পুজো দিলে সেই পুজোর দ্রব্যে ইঁদুর মুখ দিলে তবেই নাকি সেটি প্রসাদ বলে বিবেচিত হবে। সে কারণে মানুষজন অটল বিশ্বাসে এবং মাতৃমহিমার মর্যাদা রাখতে ইঁদুরে খাওয়া সেই প্রসাদই সানন্দে গ্রহণ করে মুখে দিচ্ছে।
দেবীর নির্দেশের কারণে ইঁদুর মারা এখানে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। স্থানীয়দের ধারণা দেবীর ভক্তদের আত্মাই এখানে ইঁদুরগুলির মধ্যে প্রকট। কোনও কারণে কারও পায়ের চাপে একটি ইঁদুর যদি পিষ্ট হয়ে মারা যায় তবে তাকে সম-পরিমাণ স্বর্ণদান করতেই হবে। না হলে তার রেহাই নেই।
এই মন্দিরে যাত্রী সাধারণের থাকার সুব্যবস্থার জন্য বৃহৎ একটি ধর্মশালাও আছে। প্রতিদিন বহু যাত্রীর সমাগম হয় এখানে। সপ্তদশ শতকে তৈরি এখানকার মন্দিরের তোরণটি এককথায় অসাধারণ।
মরুভূমির এই অঞ্চলে ছোট্ট একটি গুহার মধ্যে করণীমাতার সাধনপীঠ। সেই গুহাকে কেন্দ্র করেই দেশনোকের করণীমাতার সুবিখ্যাত মন্দির। দেশনোক এখন মহাতীর্থ। হবে নাই বা কেন? পৃথিবীতে আর কোথাও তো ‘চুহা মন্দির’ নেই। করণীমাতার এই মহাদেবী হয়ে ওঠার নেপথ্যে যে কাহিনী আছে তা এই—
শিশুকালে নিদ্রিত অবস্থায় কখনও তাঁকে চতুর্ভুজা বা কখনও অষ্টভুজা মূর্তিতে দেখা যেত। কখনও বা তৃতীয় একটি নয়ন ফুটে উঠত ললাট পট্টে। অসুস্থ কোনও মানুষের গায়ে হাত দিলে সে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকেও মুক্তি পেত।
একবার রামদেওড়ার দিক থেকে বেশ কিছু মরুযাত্রী কার্তিক পূর্ণিমার মেলায় কোলায়েতে কপিলমুনির মন্দির দেখতে এলে একদল মরুদস্যু তাদের ধনসম্পদ লুণ্ঠন করতে আসায় তারা মহামায়ার শরণ নেয়। করণীমাতা তখন সিদ্ধ সাধিকা। সেই মুহূর্তে তিনি শ্রীদুর্গার রূপ ধরে ভয়ঙ্করী হয়ে ওঠেন। তারপর বারবার হাতে তালি দিলে মরুভূমির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত সহস্র ইঁদুর এসে নাস্তানাবুদ করে সেই মরুদস্যুদের। দেবী কোনওরকম প্রাণহানি না ঘটিয়ে বিদায় দেন তাদের। এরপর দেবীর সঙ্গ নিয়ে সেই সহস্রাধিক ইঁদুরের দল দেশনোকে এসে আশ্রয় নেয় এই গুহার মধ্যে।
আমার দর্শন শেষ। দর্শন শেষে মন্দির সংলগ্ন দোকানে সামান্য জলযোগের পর রাইরের মরুভূমিতে উটের মিছিল দেখে বিকানিরের দিকে রওনা হলাম। করণীমাতার ক্ষেত্রে এসে অনেকদিনের আশা যেমন পূর্ণ হল তেমনি অভিজ্ঞতাও হল অনেক। বিপদকালে করণী শরণে অনেক বাধাবিপত্তিও দূর হয় এমন ধারণা এই অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
03rd  November, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- নবম কিস্তি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

26th  January, 2020
দী পা ন্বি তা
বাণীব্রত চক্রবর্তী

পেছন থেকে কে যেন ডাকল। তার নাম ধরে নয়। সমরজিৎ স্পষ্ট শুনেছে, ‘মাস্টারমশাই! একটু থামবেন!’ অফিস থেকে ফিরছিল। বাস থেকে নেমে মিনিট দশেক হাঁটলে তাদের বাড়ি। চার মিনিট হাঁটার পর ডাকটা শুনতে পেয়েছিল। মাস্টারমশাই কেন! সে কলেজ স্ট্রিট পাড়ায় নিউ ওয়েভ পাবলিশিংয়ে কাজ করে। রবিবার সন্ধেবেলায় ময়ূরাক্ষী পল্লিতে দীপান্বিতাকে পড়াতে যায়। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
একনজরে
লুজিওবেলজানা, ২৭ জানুয়ারি (এএফপি): পদত্যাগের কথা ঘোষণা করলেন স্লোভানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মারযান সারেক। সোমবার তিনি নতুন করে নির্বাচনের ডাক দেন। ২০১৮ সালে স্লোভানিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন সারেক। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিল্প ও ব্যবসায় উৎসাহ দিতে সব ক্ষেত্রেই ৯২ শতাংশ ফায়ার লাইসেন্স ফি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ২০১৭ সালের এই ফি খুব বেড়ে গিয়েছিল বলে বেশ কয়েকজন শিল্পপতি ও বণিকসভার প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের ...

সংবাদদাতা, গুসকরা: গোরুর বাঁটে মুখ লাগিয়ে দিব্যি দুধ খাচ্ছে ছাগলের বাচ্চা। এমনই ঘটনা দেখতে সোমবার নিমেষের মধ্যে ভিড় জমে যায় আউশগ্রামের বেরেণ্ডা পঞ্চায়েত এলাকার কুরুম্বার ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট প্রশ্নে ফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএমের সঙ্গে আর কোনও তিক্ততা নয়। তাই আসন্ন আলিপুরদুয়ার পুরভোটে বামফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেস থাকলেও শরিক আরএসপি’র কোনও অসুবিধা নেই।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শিক্ষার জন্য দূরে কোথাও যেতে পারেন। প্রেম-প্রণয়ে নতুন যোগাযোগ হবে। বিবাহের কথাবার্তাও পাকা হতে পারে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৫৬:দ্বিতীয় মোঘল সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যু
১৮৬৫: স্বাধীনতা সংগ্রামী পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রাইয়ের জন্ম
১৮৯৮: ভারতের মাটিতে পা রাখলেন ভগিনী নিবেদিতা
১৯২৫: বিজ্ঞানী রাজা রামান্নার জন্ম
১৯৩০: গায়ক যশরাজের জন্ম
১৯৩৭: গায়িকা সুমন কল্যাণপুরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৫ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৩২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৭৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) তৃতীয়া ৫/৩ দিবা ৮/২২। শতভিষা ৭/৩৪ দিবা ৯/২৩। সূ উ ৬/২১/২১, অ ৫/১৭/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৬ গতে ১১/২২ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৬ গতে ৮/৩৪ মধ্যে।
১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ০/৪৫/৪৫ প্রাতঃ ৬/৪২/৩৩। শতভিষা ৪/৩৯/৩৪ দিবা ৮/১৬/৫। সূ উ ৬/২৪/১৫, অ ৫/১৬/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালবেলা ১/১১/৫৩ গতে ২/৩৩/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৪/৫৬ গতে ৮/৩৩/২৫ মধ্যে।
২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 চন্দননগরে সরস্বতী প্রতিমা কিনে এনে আত্মঘাতী সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র
বুধবার সরস্বতী পুজো। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে গিয়ে আনন্দ করেই সরস্বতী ...বিশদ

03:59:00 PM

ট্যুইটে আক্ষেপ রাজ্যপালের
সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় আমার মনে সম্মানের বিষয়টিই ...বিশদ

02:32:28 PM

এবার ক্যানভাসে সিএএ-র প্রতিবাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

02:16:00 PM

এই প্রথম বারুইপুর আদালতে ফাঁসির নির্দেশ
এই প্রথম ফাঁসির নির্দেশ দিল বারুইপুর আদালত। আজ এই আদালতে ...বিশদ

01:56:00 PM

 শিক্ষকদের জন্য সুখবর মমতার
শিক্ষকদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা রাজ্যের। ট্যু ইট করে সেই ...বিশদ

01:51:21 PM

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে ফিরেই গেলেন রাজ্যপাল 
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে ফিরে গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। ...বিশদ

01:42:00 PM