Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন।
এখানকার বিখ্যাত জয়গ্রীব মাধবের মন্দিরকে নিয়েই হাজোর প্রসিদ্ধি। প্রকৃতির এক সুরম্য স্থানে এই পুণ্যতীর্থ হাজো।
কামরূপে কামাখ্যা দর্শনে এলে এক যাত্রাতেই যাতে জয়গ্রীব মাধবের দর্শন পান যাত্রীরা সে কারণেই দেবী মহিমা প্রকাশের মধ্যে মাধব শরণং।
গুয়াহাটি রেল স্টেশনের কাছ থেকে ব্রহ্মপুত্রের কোল ঘেঁষে মিনিটে মিনিটে যাচ্ছে হাজোর বাস। সেই বাসেই আমি চলেছি মাধবের পুণ্যভূমি দর্শনে। ব্রহ্মপুত্রের উত্তর সেতু পার হয়ে আমিনগাঁওয়ের মাটি ছুঁয়ে বাস বাহনে একসময় হাজোতে এলাম।
স্থানীয় দুর্গামন্দিরের পাশে মস্ত একটি তালাওয়ের ধারে নামলাম বাস থেকে। দু’-একজনকে জিজ্ঞেস করে জানলাম হাজোর মূল আকর্ষণই হল মণিকূট পর্বতের ওপর জয়গ্রীব মাধবের মন্দির। দুর্গা মন্দিরের পাশ দিয়ে তালাওয়ের ধারে ছোট্ট একটি পাহাড়ের ওপর খাড়াই সিঁড়ি বেয়ে উঠলেই মাধবের মন্দির।
আমি কিছুক্ষণ তালাওয়ের ধারে দাঁড়িয়ে মৎস্যক্রীড়া দেখে মণিকূটের পাদদেশে এলাম। এই পর্বতটি দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে একশত বাহু পরিমিত। এখান থেকেই ধাপে ধাপে সিঁড়ি উঠে গেছে মন্দিরের প্রধান প্রবেশপথের দিকে। আমি মাধবের জন্য তুলসীপাতার মালা, ফুল ও এলাচি দানা নিয়ে দর্শনে গেলাম। প্রবাদ, এই মণিকূট পর্বতে এক এক ধাপ উঠলে লক্ষ লক্ষ পাপ টুটে যায়।
যোগিনীতন্ত্রে হাজো বিষ্ণুপুষ্কর নামে উল্লেখিত। হাজো আগে মণিকূট নামেই অভিহিত ছিল। মণিকূট পর্বতে মাধব মন্দির নির্মিত হয়েছিল অষ্টম শতাব্দীতে। একাদশ শতাব্দীর পর অহোম, কোঁচ ও পালবংশের রাজাদের শাসনাধীনে ছিল হাজো। হাজো নামের মধ্যেও অনেকের ধারণা অসমিয়ার ‘হা’ শব্দের অর্থ মাটি। আর ‘গজো’ শব্দের ‘জো’ হচ্ছে পবিত্র ভূমি। এরই সরলীকরণে হাজো। যেহেতু হাজো মুসলমানদেরও এক পবিত্র তীর্থস্থান এবং এখানকার মহিমা মক্কার পোয়া অংশের অর্থাৎ এক-চতুর্থাংশের মতো পবিত্র তাই একে পোয়া মক্কাও বলে।
যাইহোক, আমি পূজার ডালি হাতে নিয়ে খাড়াই বেয়ে মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছলাম। মুগ্ধ হলাম মন্দিরের প্রাকৃতিক অবস্থান দেখে। হিন্দু, মুসলিম ও বৌদ্ধ ধর্মের এমন মিলনভূমি আর কোথাও কিন্তু আমি দেখিনি।
লোকমুখে শুনলাম এই পর্বতের গভীর জঙ্গলে অতীতে উর্ব নামে এক ঋষি তপস্যা করতেন। সেই সময় জয়গ্রীব নামে এক দানব খুব অত্যাচার করত ঋষির ওপর। ঋষি তাই বিষ্ণুর শরণ নিলে বিষ্ণু এসে যুদ্ধ করেন জয়গ্রীবের সঙ্গে। সেই যুদ্ধে জয়গ্রীব নিহত হলে বিষ্ণু জয়গ্রীব মাধব নাম নিয়ে শিলারূপ ধারণ করে এখানে বিরাজ করতে থাকেন।
আরও একটি কাহিনী প্রচলিত আছে এখানে। সেটি হল শ্রীবিষ্ণু অনন্তশয়নে থাকা অবস্থায় ব্রহ্মা এবং তাঁর নাভিকমলে বসে সৃষ্টি চিন্তা করার সময় মধু ও কৈটভ নামে দুই দানব তাঁর বেদ চারখানি চুরি করে নিয়ে পালায়। ব্রহ্মার ধ্যান ভঙ্গ হলে তিনি সে কথা বিষ্ণুকে জানান। বিষ্ণু তখন ধ্যানযোগে সব জেনে জয়গ্রীব দানবের রূপ ধরে এই পর্বত থেকে বেদ চারখানি উদ্ধার করেন। বিষ্ণু জয়গ্রীব রূপ ধারণ করেছিলেন বলেই এখানকার বিগ্রহের নাম হয় জয়গ্রীব জনার্দন বা জয়গ্রীব মাধব।
মাধব মন্দিরের কাছেই আছে ধনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী লক্ষ্মীর মন্দির।
প্রথমেই আমি মাধব মন্দিরে পুজো দিলাম। বিগ্রহ দর্শনে এমনই অভিভূত হলাম যে তা বলবার সাধ্য আমার নেই। পূজারী ব্রাহ্মণ অনেক মন্ত্রধ্বনিতে পূজা করিয়ে ভাবাবেশে আপ্লুত করলেন আমাকে। আমার নিয়ে যাওয়া তুলসী মালা বিগ্রহের গলায় পরিয়ে অন্যের মালা বিগ্রহের গলা থেকে নিয়ে প্রসাদ হিসেবে আমাকে দিলেন। তারপর যা বললেন, তা দারুণ চমকপ্রদ। উনি বললেন, ‘আপনি শ্রীক্ষেত্রে গেছেন কখনও জগন্নাথ দর্শনে?’ বললাম, ‘বহুবার।’
‘এখানে এই যে জয়গ্রীব মাধবকে দেখলেন এই মূর্তি সেই একই উপাদানে গড়া।’
জানতে চাইলাম, ‘কীরকম!’
উনি বললেন, ‘পুরীর জগন্নাথ দেবের মূর্তি নির্মাণ সম্বন্ধে যে কাহিনী প্রচলিত আছে এই কাহিনী তার সম্পূর্ণ বিপরীত। শ্রীক্ষেত্রে জগন্নাথের মূর্তি যে উপাদানে সৃষ্টি হয়েছিল জয়গ্রীব মাধবের মূর্তিও সেই একই উপাদানে নির্মিত। সেকালে ওড়িশার রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন তীর্থস্থান হিসেবে ওড়িশার কোনও অঞ্চলকে প্রসিদ্ধ করার জন্য এবং সেখানে দেবমূর্তি প্রতিষ্ঠাকল্পে এক যজ্ঞ করেন। যজ্ঞ সমাপনান্তে এক রাতে ইষ্টচিন্তা করে স্বপ্ন দেখলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে বলছেন, ‘আমি তোমার তপস্যায় সন্তুষ্ট হয়েছি। কাল ভোরে তুমি একখানি কুঠার হাতে নীলাচলে সমুদ্রতীরে একাকী গমন করবে। সেখানে এক নামহীন অদ্ভুত বৃক্ষ দেখতে পাবে। সেই বৃক্ষটিকে স্বহস্তে সপ্তখণ্ডে ভাগ করবে। মূল খণ্ড দিয়েই আমার মূর্তি নির্মাণ করে বিধিমতো প্রতিষ্ঠা করবে যথাস্থানে।’ স্বপ্নভঙ্গে রাজা অতি প্রত্যুষে কুঠার হাতে একাই চললেন সমুদ্রতীরে। গিয়েই দেখতে পেলেন সেই নামহীন মহান তরু।
স্বপ্নের নির্দেশমতো রাজা সেই কল্পদ্রুমকে সাত খণ্ডে ছেদন করলেন এবং মূল খণ্ড দিয়েই নির্মাণ করলেন শ্রীজগন্নাথদেবের মূর্তি। বলভদ্রদেব ও সুভদ্রার মূর্তিও তৈরি হল আরও দুই খণ্ডে। চতুর্থ খণ্ডটির দ্বারা কাশ্মীরে আদিত্য বিগ্রহের প্রতিষ্ঠা করলেন। পঞ্চম খণ্ডটি নিলেন শুক্রাচার্য। তাই দিয়ে তিনি শেণ্যদিত্য ভগবানের বিগ্রহ স্থাপন করলেন। পরে দেবগুরু বৃহস্পতি ওই বিগ্রহকে শিলামূর্তিতে রূপান্তরিত করে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। ষষ্ঠখণ্ডটি বরুণদেব নিয়ে এলেন কামরূপে। তার এক ভাগ, মলয়গিরিতে এবং ঊর্ধ্বভাগ এই মণিকূট পর্বতে মাধবমূর্তি রূপে প্রতিষ্ঠা করলেন। সপ্তম খণ্ডটি নিলেন কুবের। সেই খণ্ড দ্বারা তিনি নান্দীশ ভগবানের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করলেন। মূর্তিটি উত্তর লখিমপুরে বিরাজিত। ইনি মৎস্যাক্ষ মাধব নামে অভিহিত।
পুরোহিতের মুখে এই অভিনব কাহিনী শুনে ধন্য হলাম।
পরে আরও শুনলাম, এক শ্রেণীর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মতে, গৌতম বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণ এখানেই হয়েছিল। তাঁদের মতে কুশীনগর অন্য কোথাও নয়, এই হাজোতেই। হাজোর নাম তখন ছিল কুশবৈ। এই কুশবৈই কুশীনগর। গৌতমবুদ্ধ এখানেই সশিষ্য মদনাচল পর্বতে দক্ষিণমুখী হয়ে বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। এবং তাঁর দেহটি শিষ্যরা মদনাচল পর্বত থেকে নিয়ে এসে মণিকূট পর্বতেই দাহ করেন। (ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
13th  October, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১

‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব বিশদ

13th  October, 2019
একনজরে
অভিজিৎ চক্রবর্তী, পূর্বস্থলী, সংবাদদাতা: মন্তেশ্বরের দেনুড় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নকশি কাঁথা এবার ভিন রাজ্যে বিপণনের জন্য উদ্যোগী হল ব্লক প্রশাসন। সম্প্রতি, দিল্লির একটি মার্কেটিং সংস্থার এজেন্ট দেনুড়ের মৌসা, গালাতুন, ধেনুয়া গ্রামে এসে গৃহবধূদের হাতের তৈরি নকশি কাঁথা দেখেন।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের পঁচিশ বছর উপলক্ষে বড় অনুষ্ঠান করার উদ্যোগ নিচ্ছে কমিশন। যদিও কর্মীদের পেনশন, পদোন্নতি এখনও না হওয়ায় তাঁরা ওই অনুষ্ঠান বয়কট করতে পারেন। ...

 কলম্বো, ২১ নভেম্বর (পিটিআই): শ্রীলঙ্কার নয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বৃহস্পতিবার শপথ নিলেন মহিন্দা রাজাপাকসে। কয়েকদিন আগেই তাঁর ভাই গোতাবায়া রাজাপাকসে সে দেশের নয়া রাষ্ট্রপতি পদে শপথগ্রহণ ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প শুরু হল।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় শুভ ফল। ব্যবসায় শুভ। প্রেম-ভালোবাসায় মনোমালিন্য। মেজাজ বর্জন করা উচিত। শেয়ার বা ফাটকায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪ -রবার্ট ক্লাইভের মৃত্যু
১৮৫৬ - বিধবা বিবাহ আইনের প্রেক্ষাপটে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয় যে, বিধবা বিবাহ করলে বরকে এক হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে
১৮৭৭ - টমাস আলফা এডিসন গ্রামোফোন যন্ত্র আবিস্কার করেন
১৯৩৯: রাজনীতিক মুলায়ম সিং যাদবের জন্ম
১৯৬৩: টেক্সাসে খুন হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। হামলায় গুরুতর আহত হন টেস্কাসের গভর্নর জন কোনালি’ও। সন্দেহভাজন লি হার্ভে অসওয়াল্ডকে ধরা হল দু’দিন পর পুলিসি হেপাজতে তাকে গুলি করে হত্যা করে জ্যাক রুবি।
১৯৬৭: টেনিস তারকা বরিস বেকারের জন্ম
১৯৭০: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মারভান আত্তাপাত্তুর জন্ম
১৯৮৬: ট্রেভর বারবিককে হারিয়ে বক্সিংয়ের ইতিহাসে তরুণতম হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হলেন মাইক টাইসন
১৯৮৬: দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবন্ধী অ্যাথলিট অস্কার পিস্টোরিয়াসের জন্ম
১৯৮৭ - সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের মৃত্যু
১৯৯৫: প্রকাশিত হল কম্পিউটার ইমেজ দিয়ে তৈরি প্রথম ফিচারধর্মী ছবি ‘টয় স্টোরি’
২০০৩: বাগদাদে ডি এইচ এল এক্সপ্রেস নামক পণ্যবাহী বিমানে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত হানে জঙ্গিরা। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই হামলায় বিমানটির বাঁদিকে পাখা ক্ষতিগ্রস্তগ্রস্ত হয়। জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় সেটি





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৪ টাকা ৭৩.৪১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭২ টাকা ৯৫.১০ টাকা
ইউরো ৭৭.৭১ টাকা ৮১.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৭/৪০ দিবা ৯/২। উত্তরফাল্গুনী ২৬/৪৯ অপঃ ৪/৪১। সূ উ ৫/৫৭/২৪, অ ৪/৪৭/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৭/২৪ গতে ৯/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/২০ মধ্যে পুনঃ ৪/১৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪০ গতে ১১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৪ মধ্যে।
৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ২/১৯/৪১ দিবা ৫/৫৬/১৯ পরে একাদশী ৫৬/২৭/৪২ শেষরাত্রি ৪/৩৪/৪১। উত্তরফাল্গুনী ২৩/৫৫/৪৯ দিবা ৩/৩৩/৫৬, সূ উ ৫/৫৯/৩৬, অ ৪/৪৭/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে ও ৭/৩৫ গতে ৯/৪২ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৩ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ৩/২৯ মধ্যে ও ৪/২৩ গতে ৫/৫৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪১/৩৪ গতে ১০/২/৩৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/২/৩৩ গতে ১১/২৩/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৩১ গতে ৯/৪৪/৩২ মধ্যে।
২৪ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, শুক্রবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:14:13 AM

৬৭ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

09:40:14 AM

  ৮৬টি ‘আদর্শ’ স্টেশনে পরিকাঠামোর কাজ শেষ
দেশজুড়ে ১,২৫৩টি স্টেশনকে ‘আদর্শ’ স্টেশন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বেছে ...বিশদ

09:34:48 AM

 বিদ্যাসাগর কলেজে আজ-কাল অবস্থান শিক্ষাকর্মীদের
আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার অবস্থানে বসবেন বিদ্যাসাগর কলেজের শিক্ষাকর্মীরা। ...বিশদ

09:12:07 AM

কানাডা সরকারে প্রথম হিন্দু মহিলা মন্ত্রী
এই প্রথমবার এক হিন্দু মহিলা মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভূক্ত হলেন কানাডার ...বিশদ

08:58:24 AM

রেলওয়ের ‘এক টাকার ক্লিনিক’-এ সন্তান প্রসব করলেন তরুণী
রেলের ‘এক টাকার ক্লিনিক’-এ সন্তানপ্রসব করলেন ১৮ বছরের এক তরুণী। ...বিশদ

08:47:03 AM