Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১
‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব
মৃত্যু-অমৃত করে দান ।
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ...।।’
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ চেয়েছিলেন নিখুঁত শরীরে পৃথিবীকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে। অস্ত্রোপচারে তাঁর প্রবল আপত্তি ছিল। ডাঃ নীলরতন সরকারও তাঁর পক্ষে ছিলেন। ডাঃ সরকার অন্য চিকিৎসকদের বলেছিলেন, ‘দেখুন, রবীন্দ্রনাথকে সাধারণ রোগীর মতো দেখবেন না। তাঁর স্নায়ু, তাঁর শিরা উপশিরা দৈহিক গঠন সবই অসাধারণ। আমাদের ডাক্তারি শাস্ত্রের নির্দেশ রবীন্দ্রনাথের মতো মহাপুরুষের দেহের পক্ষে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।’
কবিও চাননি তাঁর অপারেশন করা হোক। অপারেশন হয়েছিল তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে। তিনি বার বার, হাজার বার বলেছিলেন, ‘শরীরে খুঁত নিয়ে মরতে চাই না। বয়স হয়েছে, বিদায় নেবোই তো, স্বাভাবিকভাবেই সব শেষ হোক, কাঁটা ছেঁড়া কেন?’
তবু অপারেশন হল! ডাক্তার ললিতমোহন ব্যানার্জি কবির অপারেশন করলেন। আর সত্যি হল রবীন্দ্রনাথের কথা। অপারেশনের প্রবল ধকল সহ্য করতে পারল না তাঁর শরীর। কবির প্রিয় ঋতু ছিল বর্ষাকাল, আর তাঁর তিরোধানের দিনটি ছিল বাইশে শ্রাবণ।
পালঙ্কে শুয়ে আছেন আচ্ছন্ন রবীন্দ্রনাথ। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে তাঁর পরিবারের অন্যদের সঙ্গে ছিলেন ডাঃ জ্যোতিষ রায়। সেইসময়, শেষ মুহূর্তে পরিবারের কেউ একজন তাঁর কানের কাছে মুখটি নিয়ে গিয়ে শোনাচ্ছেন ‘শান্তম অদ্বৈতম’ মন্ত্র, তার পাশাপাশি চলছে অবিরাম ব্রহ্মসঙ্গীত। আর এর মাঝেই ডাঃ জ্যোতিষ রায় কবির নাড়ি টিপে ঘোষণা করলেন — ‘সব শেষ’। জীবনের হাত ছেড়ে চিরতরে বিদায় নিলেন আমাদের প্রাণের কবি, মননের কবি, এই পৃথিবীর কবি— বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
পরলোকচর্চায় প্রবল ভাবে বিশ্বাসী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। তাই তাঁর মৃত্যুর কয়েকবছর পরে তিনি এলেন রাজেন্দ্রলাল আচার্যের পরলোক চর্চার আসরে। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৩৫৩ বঙ্গাব্দের ‘দৈনিক মাতৃভূমি’ পত্রিকায় রাজেন্দ্রলাল আচার্য সম্পর্কে প্রতিবেদক লিখছেন,‘রাজেন্দ্রলাল আচার্য বাবু ইতঃপূর্ব্বে— বিশেষ ‘বাঙ্গালীর বল ও বাঙ্গালীর ধর্মগুরু’ নামক ২য় খণ্ডের পুস্তক প্রকাশ করিয়া বঙ্গ সাহিত্যে পরিচিত হইয়াছেন।’ অতএব এটা ধরে নেওয়া যেতে পারেই যে তাঁর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্ব পরিচয় ছিল।
দিনটি ছিল ২৩ ডিসেম্বর ১৯৪৫ সাল। রাজেন্দ্রলাল আচার্য তাঁর ‘মৃত্যুর পরপারে’ গ্রন্থে কবির সঙ্গে তাঁর একান্ত আলাপচারিতার কথা খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি লিখছেন, কবিকে আমি অনুরোধ করে বললাম, আমি একটা বই লিখছি, সেই বইয়ের জন্য আপনার মহাযাত্রার বর্ণনাটি লিখে নিতে চাই।
কবি বললেন, তা বেশ লিখে নাও। কবি বলতে থাকলেন, আর আমিও শুরু করলাম লেখা— আমি কলকাতায় যখন দেহত্যাগ করলুম, তখন দেখলুম যে দেহ থেকে একটা সাদা কুয়াশা যেন বেরিয়ে এল। আমার সেই পরিত্যক্ত দেহ ঘিরে আমার আত্মীয়-পরিজনরা তখন কাঁদছে। আমি তাদের বলার চেষ্টা করলুম, আমি মরিনি, এই তো আমি তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। তারা আমার কোনও কথাই শুনতে পেল না, কাঁদতেই থাকল। তাদের জন্য আমার সেইসময় বড়ই কষ্ট হচ্ছিল। তাই তাদের কথা ভেবে আবার আমি চেষ্টা করলুম আমার সেই পরিত্যক্ত দেহে প্রবেশ করবার। বার বার চেষ্টা করলুম, কিন্তু পারলুম না। সে সময় আমার চেহারাটা ছিল ধোঁয়ার মতো। হাত-পা সবই তখন আমার ছিল, তবে সবটাই ধোঁয়া দিয়ে যেন তৈরি। তখনও পর্যন্ত আমি বুঝতে পারিনি যে আমার মৃত্যু হয়েছে।
যখন আর পরিত্যক্ত শরীরে ফেরা গেল না তখন আমি একটু বিরক্তই হয়ে পড়লাম। আর এমন সময় দেখলাম আমার চারপাশে কয়েকজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের শরীর থেকে জ্যোতি বেরচ্ছিল। তাঁদেরই একজন আমাকে মধুর কণ্ঠে হাসতে হাসতে বললেন, কবি আপনি তো আর বেঁচে নেই, আপনার মৃত্যু হয়েছে।
আমি বললুম, কখন আমার মৃত্যু হল!
তিনি হাসতে হাসতে বললেন, আমাদের সঙ্গে এবার চলুন, সত্যিই আপনার মৃত্যু হয়েছে। এখানে থেকে কোনও লাভ নেই। বৃথাই কষ্ট পাবেন।
আমি বললাম, আমায় কোথায় নিয়ে যাবেন?
তিনি বললেন, চলুন কোনও ভয় নেই। আপনার জন্য যে স্থান নির্দিষ্ট আছে, আমরা আপনাকে সেখানেই নিয়ে যাব।
বললাম, চলুন তাহলে।
শুরু হল আমাদের পথ চলা। তাঁরা আমাকে এক ঘন কুয়াশাপূর্ণ স্থান দিয়ে নিয়ে চললেন সামনের দিকে। দীর্ঘ সে যাত্রা। একসময় আমি তাঁদের বললাম, দেখুন আমার শরীর বড়ই অবসন্ন হয়ে পড়েছে। আর যে আমি হাঁটতে পারছি না।
তখন তাঁদের মধ্যে থেকে একজন বললেন, আর আপনাকে কষ্ট করতে হবে না। এই কুয়াশাচ্ছন্ন পথের শেষ হবে সামনে। ওই দেখুন সামনেই আলো দেখা যাচ্ছে। আর একটু কষ্ট করুন।
আমি খুব ধীরে ধীরে হাঁটতে শুরু করলুম। একটুখানি গিয়েই দেখি চারিদিকে বেশ আলো জ্বলছে— যেন চাঁদের আলো— কিংবা তার চেয়েও যেন জোর আলো।
আমি তাঁদের বললুম, আমি তো আর চলতে পারছি না। এইখানে একটু জিরিয়ে নিই। এই বলে সেখানেই বসে পড়লুম এবং পরক্ষণেই শুয়ে পড়লুম সেই ভূমির ওপর। শুতে শুতেই এমন ঘুম এল যে আর কিছুই জানি না। কদিন ঘুমিয়ে ছিলুম তা বলতে পারব না। একদিন আমার ঘুম ভাঙতেই দেখি আমার পিতা আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁকে দেখে আমি তাড়াতাড়ি উঠে প্রণাম করলাম। তিনি বললেন, রবি, ভয় নেই, আয় আমার সঙ্গে। আমি তোকে নিতে এসেছি।
আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলুম, সত্যিই কি আমি মারা গিয়েছি?
তিনি হেসে বললেন, সত্যিই তুই মারা গিয়েছিস রবি। এখন তোর নতুন জীবন আরম্ভ হয়েছে। এ শুধু ও-পার আর এ-পার। এরই নাম মৃত্যু।
আমি বললাম, এর জন্য তবে মানুষের এত ভয় কীসের?
তিনি বললেন, কিছু ভয় নেই। লোকে জানে না তাই ভয়ে মরে। চল না দেখবি চল।
বাবার পাশাপাশি আমিও হাঁটতে শুরু করলাম।
মৃত্যুর প্রবল হানাদারিতে কবির জীবন থেকে নানাসময়ে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছেন তাঁর বহু প্রিয়জন। তাই বোধহয় মৃত্যুকে তিনি আর ভয় পেতেন না। বরঞ্চ ভালোবাসতেন, গভীর মমত্ববোধ ছিল মরণের প্রতি। তাই তিনি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন এই অনবদ্য কবিতাটি—
‘মৃত্যুও অজ্ঞাত মোর। আজি তার তরে
ক্ষণে ক্ষণে শিহরিয়া কাঁপিতেছি ডরে।
সংসারে বিদায় দিতে, আঁখি ছলছলি
জীবন আঁকড়ি ধরি আপনার বলি
দুই ভুজে।
ওরে মূঢ়, জীবন সংসার
কে করিয়া রেখেছিল এত আপনার
জনম-মুহূর্ত হতে তোমার অজ্ঞাতে,
তোমার ইচ্ছার পূর্বে? মৃত্যুর প্রভাতে
সেই অচেনার মুখ হেরিবি আবার
মুহূর্তে চেনার মতো। জীবন আমার
এত ভালোবাসি বলে হয়েছে প্রত্যয়,
মৃত্যুরে এমনি ভালো বাসিব নিশ্চয়।
স্তন হতে তুলে নিলে কাঁদে শিশু ডরে,
মুহূর্তে আশ্বাস পায় গিয়ে স্তনান্তরে।’
(ক্রমশ)
অলংকরণ: চন্দন পাল 
13th  October, 2019
স্বপ্নসঙ্গী 

উদয়চাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায়: ট্রেনটা প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি করে ঢুকল গোমো স্টেশনে। বাতানুকূল কামরা থেকে নেমে আসে তন্বী পিয়ালি। ভিড় এড়িয়ে, সঙ্গের চাকা লাগানো ব্যাগটা নিয়ে একটু সরে এসে, উদ্বিগ্ন চোখে দু’দিকে তাকায়। একটা সাধারণ পোশাক পরা যুবক পিয়ালির সামনে এসে বলে, আপনি মুখার্জি স্যারের ফরেস্ট বাংলোয় যাবেন তো?
পিয়ালি ভ্রু কুঁচকে বলে, কে তুমি?  বিশদ

31st  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

পথে চলতে চলতে বহু মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে তুলসীর। বহু পেশার মানুষ দেখেছেন। তাই যে কোনও চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অভিজ্ঞতার ঝাঁপি উপুড় করে দিতেন। নিজের দেখা মানুষের ছাঁচে ফেলে গড়ে তুলতেন চরিত্রটি। তাই তাঁর অভিনয় ওরকম স্বাভাবিক মনে হতো।
বিশদ

31st  May, 2020
ভৈরবী মা
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়

 ‘নিজে রান্নাবান্না পারেন?’ ‘নাহ, একদম আনাড়ি,’ অর্জুন হাসে। ‘তবে তো এ ব্যবস্থাই বেশ। ওনার ফেরার কোনও ঠিক থাকে না। আপনাকে ন’টায় খেতে দেব তো? আর হ্যাঁ, কোনও অসুবিধা হলে বউদি বলে ডাক দেবেন ভাই।’ একটু আন্তরিকতা ছুঁইয়ে দিয়ে যান মহিলা। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

‘ওরে, আমি হলাম গিয়ে হেঁশেলবাড়ির হলুদ। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আছি। হাসতে বললে হাসব, কাঁদতে বললে কাঁদব, নাচতে বললে নাচব, দু’কলি গান গেয়ে দিতে বললে তাও পারব। হলুদ যেমন সব ব্যঞ্জনেই লাগে তেমনই আর কী! কিন্তু হলুদের কি নিজস্ব কোনও স্বাদ আছে? তাই আমার এই অভিনয়কে আমি অভিনয় বলি না গো!
বিশদ

24th  May, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২৫

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
একনজরে
বেজিং, ৪ জুন (পিটিআই): চীনে একটি প্রাথমিক স্কুলে ছুরিকাহত হলেন পড়ুয়া ও শিক্ষক মিলিয়ে কমপক্ষে ৪০ জন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ গুয়াংজি প্রদেশের ওঝাউ শহরের একটি সরকারি স্কুলে ওই ঘটনা ঘটেছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১ আগস্ট ভারতে খুলছে ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো। আন্তঃরাজ্য ছাড়পত্রও শুরু হবে একই দিনে। বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সচিব কুশল দাস এই কথা জানিয়ে বলেছেন, ‘৯ জুন ভারতে ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডো খোলার কথা ছিল। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনার দাপটে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরা পেশাদার ব্যক্তিদের জীবিকার সংস্থান করে দিতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এঁদের জন্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে নিয়োগকারী সংস্থা, রাজ্য সরকার এবং বণিকসভাগুলিকে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে আচমকা লকডাউন শুরু হওয়ায় বিভিন্ন রা঩জ্যে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষ আটকে পড়েছিলেন। এখন প্রতিদিন সেই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম

04th  June, 2020


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৪ টাকা ৭৬.৪৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.১৩ টাকা ৯৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৩.২২ টাকা ৮৬.৩১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ৪৯/২৮ রাত্রি ১২/৪২। অনুরাধা নক্ষত্র ২৯/৩১ অপঃ ৪/৪৪। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৩২। অমৃতযোগ দিবা ১২/১ গতে ২/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২২ মধ্যে পুনক্ষ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ১/১। অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৬ গতে ২/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ১১/৩৬ মধ্যে কালরাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/১৬ মধ্যে।
১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লি মেট্রো রেলের ২০ জন কর্মী করোনা আক্রান্ত 
দিল্লি মেট্রোর ২০ জন কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সেখানকার মেট্রো ...বিশদ

11:21:52 AM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

11:13:14 AM

বিশ্ব পরিবেশ দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 
আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস। সেই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ট্যুইটারে ...বিশদ

10:46:00 AM

কলেজ স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল দোতলা বাড়ি 
কলেজ স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল একটি দোতলা বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে আজ ...বিশদ

10:37:19 AM

বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬,৯৮,৬২০ 
গোটা বিশ্বে এখন করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৬৬ লক্ষ ৯৮ ...বিশদ

09:37:03 AM

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯,৮৫১, মৃত ২৭৩
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৮৫১ ...বিশদ

09:29:00 AM