Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন।
কোলহাপুর থেকেই আমি রওনা দিলাম সৌন্দত্তির পথে। খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে ভবানীমণ্ডপের অদূরে শিবাজি পুতলা থেকে অটো নিয়ে সিটি বাসস্ট্যান্ডে এলাম। প্রচণ্ড ভিড়ের বাসে রওনা দিলাম কর্ণাটকের পর্বতবাসিনীদেবী ইয়েলাম্মাকে দর্শন করতে। সময়টা ১৯৮৮ সাল।
রামদুর্গের পথ ধরে নিপ্পানির পার্বত্য প্রদেশে শঙ্কেশ্বর, হাক্কোড়ি, হওরগী, গোকক হয়ে ঘটপ্রভা নদীর কূলে কূলে ইয়েরগোট্টি, নোল, মানোলী অতিক্রমের পর দশ ঘণ্টারও বেশি সময় জার্নি করে অবশেষে মলপ্রভা নদীর তীরে সৌন্দত্তিতে এলাম। প্রকৃতির যে অনবদ্য রূপ সেখানে আমার দৃষ্টিগোচর হল তা এককথায় অবর্ণনীয়। দু’চারজন ছাড়া বাসযাত্রীদের প্রায় সকলেই নেমে পড়লেন এখানে। আমিও নেমে পড়লাম। বাস ওই দু’চারজন যাত্রীকে নিয়েই চলে গেল পাহাড়ের বাঁক ঘুরে ওপরে সৌন্দত্তি গ্রামে।
আমরা তাহলে এখানে নামলাম কেন? আসলে ভিড়ে ঠাসা এই বাসের প্রায় সব যাত্রীই দেবদাসী। তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে আমার ভালোই পরিচয় হয়েছিল। তাঁদেরই নির্দেশে আমি নামলাম। ওঁরা বললেন, এখানকার যোগড়বামি সত্যাম্মা কুণ্ডে স্নান না করে সৌন্দত্তির মন্দিরে প্রবেশ করতে নেই। সৌন্দত্তির অধিষ্ঠাত্রী ৫১ (৫২) পীঠের অন্তর্গত দেবী ইয়েলাম্মা আছেন কোঙ্গরের (পাহাড়ের) উপর। এখানে দেবীর ‘অঙ্গ’ পড়েছিল। তাই পুণ্যকামী নর-নারীরা দেবীপক্ষে, নবরাত্রে এবং বিশেষ বিশেষ দিনে এখানে ছুটে আসেন।
আমি মুগ্ধ চোখে এখানকার দৃশ্যাবলী উপভোগ করতে লাগলাম। মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাতারে কাতারে নর-নারী আসছেন এখানে। একদিকে ঘন নীল মলপ্রভার বিশাল জলধারা, অপরদিকে মরুভূমির মতো ধু-ধু করছে বালি।
তারই কোল ছুঁয়ে সার্কাসের তাঁবুর মতো ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি। আর আমার পিছনে রঙিন পাথরের সুন্দরী সৌন্দত্তির সিদ্ধাচল পর্বত। মতান্তরে রামগিরি।
যাই হোক, আমার দেবদাসী সহযাত্রীদের সঙ্গে কুণ্ডের কাছাকাছি যেতেই একদল বৃহন্নলা এসে তাদের কোলে নিয়ে নাচ শুরু করে দিল। কেন এমন হল? শুনলাম যাঁরা দেবী ইয়েলাম্মার নির্দেশ অমান্য করে তারাই জন্মান্তরে বৃহন্নলা হয়ে জন্মায়। তাই কৃপাবশত দেবীর নির্দেশানুযায়ী এঁরাই হলেন এই সত্যাম্মা কুণ্ডে স্নান পূজা করানোর একমাত্র অধিকারী। আমার সঙ্গিনী দেবদাসীরা একজন বৃহন্নলা পুরোহিতকে ঠিক করলেন। তাঁরই পৌরোহিত্যে আমরা কুণ্ডস্নানের জন্য এগিয়ে গেলাম। কুণ্ডের ধারে তখন বিগতযৌবনা কয়েকজন দেবদাসী—মাথায় ইয়েলাম্মার প্রতিমূর্তি নিয়ে নাচগান করছেন। আর দলে দলে বালিকা, কিশোরী ও যুবতীরা বসে আছেন স্নানের প্রতীক্ষায়। এঁরা সবাই দেবদাসী হবেন। সত্যাম্মা কুণ্ডে স্নান করে সর্বপাপ মুক্ত হয়ে ‘নিম্মান্না’ করতে হবে। তারপর পদব্রজে অথবা গোযানে যেতে হবে ইয়েলাম্মার মন্দিরে। আগামীকাল মাঘীপূর্ণিমা। খুব ভোর থেকে দেবদাসী করণ শুরু হবে।
এখানকার নিয়মানুযায়ী মেয়েরা কুণ্ড স্নানের পর ওপরে উঠে এলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে পোশাক পরিবর্তন করতে হবে। অনেকে আবার নগ্ন হয়েই স্নান করে পোশাক পরিবর্তন করেন। এখানে পুরুষ-নারী সবাই স্নান করে পাপমুক্ত হয়ে মন্দিরে খাবার খান। কিন্তু সহস্রাধিক লোকের স্নানের ফলে কুণ্ডের যা অবস্থা হল তাতে আর স্নান করার প্রবৃত্তি হল না আমার। শুধু কুণ্ডের জল মাথায় নিলাম। সঙ্গিনী দেবদাসীরা অনেক করে বোঝালেন আমাকে, এত দূর থেকে এসেছেন আপনি, এখানকার নিয়ম রক্ষা করুন, ‘নিম্মান্না’ করুন। নাহলে এই তীর্থে আসার কোনও ফলই হবে না আপনার। আমি হাসিমুখে তাঁদের প্রণাম জানালাম।
এবার ‘নিম্মান্না’র ব্যাপারটা একটু খুলে বলি। নববস্ত্র পরিধানের পর বৃহন্নলারা সবার মুখে নিমপাতা গুঁজে দেবেন। তারপর নিমপাতার গুচ্ছ কোমরের সামনে, পিছনে, দুই পাশে লাগাতে হবে ও হাতে নিমপাতা নিয়ে বৃহন্নলা নাচের তালে তালে সত্যাম্মার মন্দির প্রদক্ষিণ করতে হবে। যেহেতু আমি স্নান করিনি তাই আমাকে দিয়ে ‘নিম্মান্না’ করানো গেল না। তবে দর্শনে বাধা রইল না। তাই দেবী সত্যাম্মা, যোগীনাথেশ্বর, একনাথেশ এবং যোগড়বামি সত্যাম্মাকে দর্শন করে ধন্য হলাম। দর্শন শেষে এবার সৌন্দত্তির তীর্থভূমিতে যাত্রা। যাওয়ার আগে কোলপুরবাসিনী দেবদাসী সঙ্গিনীরা তাঁদের সঙ্গে নিয়ে আনা খাবার কিছু আমাকে খাইয়ে দিলেন। তারপর বললেন, ‘ওপরে কিন্তু দিশা পাবেন না। তাই সঙ্গ ছাড়বেন না আমাদের। আমরা আশ্রয়ের ব্যবস্থা করলে আপনিও রয়ে যাবেন আমাদের সঙ্গে।’ বলে দুটি টাঙ্গা ভাড়া করে পাহাড়ের উচ্চস্থানে ইয়েলাম্মার মন্দির প্রাঙ্গণে রওনা হলাম সকলে। এই পাহাড়ে গোরু টানা টাঙ্গা চলে। টাঙ্গা থেকে যেখানে নামলাম সেখানে তখন লক্ষাধিক নরনারী ও দেবদাসীদের ভিড়। তাই বহু চেষ্টা করেও ওখানে কোনও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা গেল না। অবশেষে নিকটবর্তী থানার সামনে কাঁটা তার দিয়ে ঘেরা বাগানের মাটিতে খোলা আকাশের নীচে শতরঞ্চি বিছিয়ে বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হল। সারারাত এইভাবে এখানেই থাকতে হবে আমাদের। এখানে শুধু আমরা নই আরও অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন।
এইভাবে রাত্রিযাপন করা হল। শেষরাতে দেবদাসীদের কয়েকজন আমাকে বললেন, ‘চলুন বাবুজি, আপনাকে দেবী দর্শন করিয়ে আনি। ভোরে দেবীকরণ শুরু হলে আর এর ধারেকাছেও যেতে পারবেন না।’ অতএব দর্শনে চললাম। সে কী প্রচণ্ড ভিড়! মাঘ মাসের এই রাত্রি শেষেও ঘেমে উঠলাম। অবশেষে খাপটির মধ্যে পৌঁছলাম মন্দিরে। আহামরি মন্দির নয়। তবুও সতীদেহ প্রভাবে এত মান্যতা দেবীর। দেবী এখানে ভয়ঙ্করী। ইনি ইয়েলাম্মা। তাঁর নির্দেশ অমান্য করলে ফল ভালো হয় না। বহুকষ্টে সেই দেবীকে দর্শন করে মনোবাসনা পূর্ণ করলাম। মন্দিরের অন্যপ্রান্তে ব্রাহ্মমুহূর্তের প্রতীক্ষায় শয়ে শয়ে মেয়েরা দেবদাসী হওয়ার জন্য বসে আছে। শুনলাম, দেবদাসী হওয়া মানে দেবীর সঙ্গে—বিবাহের পর আর কোনও পুরুষের সঙ্গে বিবাহ করা যায় না। যারা করে তাদের জীবনের ওপর অভিশাপ নেমে আসে। তাদের স্বামীদের অকালমৃত্যু হয় এবং দেবীগণও জন্মান্তরে বৃহন্নলা হয়ে জন্মায়। এখানকার প্রশাসনের বক্তব্য, এই প্রথার উচ্ছেদ কখনও সম্ভব নয়। অতএব এই প্রথা চলতেই থাকবে। ১৯৮৮ সালে আমি যে বছর গিয়েছিলাম সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী সে বছর মোট তিন হাজারের বেশি মেয়ে দেবদাসী হয়েছিলেন।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
15th  September, 2019
 মার্কেনের ঘোড়া
পাপিয়া ভট্টাচার্য

‘এখন বাজে বারোটা চল্লিশ, আর তুমি বলছ যে তুমি এরপর লাইটহাউসে যাবে আর সব দেখে ফিরবে, তাও হেঁটে?’ ড্রিক একটা লাল বল লোফালুফি করতে করতে বলল। গাঢ় নীল শার্টের উপর একটা লাল জ্যাকেট আর কোমরের নীচে একটা নীল স্ট্রাইপ দেওয়া বড় গাউনের মত পোশাক পরা রূপবান ড্রিককে দেখে মনে হচ্ছে ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে আসা কোনও রাজবংশীয় কিশোর।
বিশদ

12th  July, 2020
 আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ৩১

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। সপ্তম কিস্তি।
বিশদ

12th  July, 2020
চলার পথে
অপমানেও গৌরব

 জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন বাণীব্রত চক্রবর্তী ।
বিশদ

12th  July, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। ষষ্ঠ কিস্তি।
বিশদ

05th  July, 2020
দু’জন  

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন ভগীরথ মিশ্র।
বিশদ

05th  July, 2020
সিনেমার মতো
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শিলিগুড়িতে সেটল করতে একটু সময় লাগছে শাশ্বতর। শাশ্বত মুখার্জি। কলকাতার বনেদি বাড়ির পরিবেশে মানুষ হওয়াটা কোথাও কোথাও একটু অসুবিধাজনকও বটে। মজ্জায় মজ্জায় মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা।  বিশদ

05th  July, 2020
ফেয়ার-ওয়েল
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়
(১)

 নাইন-বি এর ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে ধীরপায়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে চললেন অলকানন্দা রায়চৌধুরী, ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষিকা ‘অলকা দি’। গতকাল রাত থেকেই হাঁটুর ব্যথাটা আবার চাগাড় দিয়েছে, পা মুড়তে বেশ কষ্ট হচ্ছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে মনের ভিতর যে ব্যথাটা জমে রয়েছে তার কাছে এই হাঁটুর ব্যথাটা তো একেবারেই তুচ্ছ। রেলিং ধরে ধীরে ধীরে একতলার দিকে নামতে শুরু করলেন অলকা।
বিশদ

28th  June, 2020
চলার পথে
ফ্রেদরিকের চিঠি

 জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন অমর মিত্র। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৯

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। পঞ্চম কিস্তি। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৮

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। চতুর্থ কিস্তি।
বিশদ

14th  June, 2020
নিলডাউন

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।  বিশদ

14th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। তৃতীয় কিস্তি। 
বিশদ

07th  June, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

07th  June, 2020
স্বপ্নসঙ্গী 

উদয়চাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায়: ট্রেনটা প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি করে ঢুকল গোমো স্টেশনে। বাতানুকূল কামরা থেকে নেমে আসে তন্বী পিয়ালি। ভিড় এড়িয়ে, সঙ্গের চাকা লাগানো ব্যাগটা নিয়ে একটু সরে এসে, উদ্বিগ্ন চোখে দু’দিকে তাকায়। একটা সাধারণ পোশাক পরা যুবক পিয়ালির সামনে এসে বলে, আপনি মুখার্জি স্যারের ফরেস্ট বাংলোয় যাবেন তো?
পিয়ালি ভ্রু কুঁচকে বলে, কে তুমি?  বিশদ

31st  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ ও স্বসহায়ক দলগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হাঁস ও মুরগির বাচ্চা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের এক মাসের খাবারও কিনে দেবে ...

  নয়াদিল্লি: ফের বাড়ল ডিজেলের দাম। দু’সপ্তাহ আগে দিল্লিতে প্রথমবার ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল। রবিবার তা প্রতি লিটারে ১৬ পয়সা বেড়ে ৮১ ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...

মাদ্রিদ: রিয়াল মাদ্রিদের লিগ জয় কার্যত নিশ্চিত। অঘটন না ঘটলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই খেতাব জিতবে জিনেদিন জিদান-ব্রিগেড। লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM