Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন।
কোলহাপুর থেকেই আমি রওনা দিলাম সৌন্দত্তির পথে। খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে ভবানীমণ্ডপের অদূরে শিবাজি পুতলা থেকে অটো নিয়ে সিটি বাসস্ট্যান্ডে এলাম। প্রচণ্ড ভিড়ের বাসে রওনা দিলাম কর্ণাটকের পর্বতবাসিনীদেবী ইয়েলাম্মাকে দর্শন করতে। সময়টা ১৯৮৮ সাল।
রামদুর্গের পথ ধরে নিপ্পানির পার্বত্য প্রদেশে শঙ্কেশ্বর, হাক্কোড়ি, হওরগী, গোকক হয়ে ঘটপ্রভা নদীর কূলে কূলে ইয়েরগোট্টি, নোল, মানোলী অতিক্রমের পর দশ ঘণ্টারও বেশি সময় জার্নি করে অবশেষে মলপ্রভা নদীর তীরে সৌন্দত্তিতে এলাম। প্রকৃতির যে অনবদ্য রূপ সেখানে আমার দৃষ্টিগোচর হল তা এককথায় অবর্ণনীয়। দু’চারজন ছাড়া বাসযাত্রীদের প্রায় সকলেই নেমে পড়লেন এখানে। আমিও নেমে পড়লাম। বাস ওই দু’চারজন যাত্রীকে নিয়েই চলে গেল পাহাড়ের বাঁক ঘুরে ওপরে সৌন্দত্তি গ্রামে।
আমরা তাহলে এখানে নামলাম কেন? আসলে ভিড়ে ঠাসা এই বাসের প্রায় সব যাত্রীই দেবদাসী। তাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যে আমার ভালোই পরিচয় হয়েছিল। তাঁদেরই নির্দেশে আমি নামলাম। ওঁরা বললেন, এখানকার যোগড়বামি সত্যাম্মা কুণ্ডে স্নান না করে সৌন্দত্তির মন্দিরে প্রবেশ করতে নেই। সৌন্দত্তির অধিষ্ঠাত্রী ৫১ (৫২) পীঠের অন্তর্গত দেবী ইয়েলাম্মা আছেন কোঙ্গরের (পাহাড়ের) উপর। এখানে দেবীর ‘অঙ্গ’ পড়েছিল। তাই পুণ্যকামী নর-নারীরা দেবীপক্ষে, নবরাত্রে এবং বিশেষ বিশেষ দিনে এখানে ছুটে আসেন।
আমি মুগ্ধ চোখে এখানকার দৃশ্যাবলী উপভোগ করতে লাগলাম। মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাতারে কাতারে নর-নারী আসছেন এখানে। একদিকে ঘন নীল মলপ্রভার বিশাল জলধারা, অপরদিকে মরুভূমির মতো ধু-ধু করছে বালি।
তারই কোল ছুঁয়ে সার্কাসের তাঁবুর মতো ঢেউ খেলানো পাহাড়ের সারি। আর আমার পিছনে রঙিন পাথরের সুন্দরী সৌন্দত্তির সিদ্ধাচল পর্বত। মতান্তরে রামগিরি।
যাই হোক, আমার দেবদাসী সহযাত্রীদের সঙ্গে কুণ্ডের কাছাকাছি যেতেই একদল বৃহন্নলা এসে তাদের কোলে নিয়ে নাচ শুরু করে দিল। কেন এমন হল? শুনলাম যাঁরা দেবী ইয়েলাম্মার নির্দেশ অমান্য করে তারাই জন্মান্তরে বৃহন্নলা হয়ে জন্মায়। তাই কৃপাবশত দেবীর নির্দেশানুযায়ী এঁরাই হলেন এই সত্যাম্মা কুণ্ডে স্নান পূজা করানোর একমাত্র অধিকারী। আমার সঙ্গিনী দেবদাসীরা একজন বৃহন্নলা পুরোহিতকে ঠিক করলেন। তাঁরই পৌরোহিত্যে আমরা কুণ্ডস্নানের জন্য এগিয়ে গেলাম। কুণ্ডের ধারে তখন বিগতযৌবনা কয়েকজন দেবদাসী—মাথায় ইয়েলাম্মার প্রতিমূর্তি নিয়ে নাচগান করছেন। আর দলে দলে বালিকা, কিশোরী ও যুবতীরা বসে আছেন স্নানের প্রতীক্ষায়। এঁরা সবাই দেবদাসী হবেন। সত্যাম্মা কুণ্ডে স্নান করে সর্বপাপ মুক্ত হয়ে ‘নিম্মান্না’ করতে হবে। তারপর পদব্রজে অথবা গোযানে যেতে হবে ইয়েলাম্মার মন্দিরে। আগামীকাল মাঘীপূর্ণিমা। খুব ভোর থেকে দেবদাসী করণ শুরু হবে।
এখানকার নিয়মানুযায়ী মেয়েরা কুণ্ড স্নানের পর ওপরে উঠে এলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে পোশাক পরিবর্তন করতে হবে। অনেকে আবার নগ্ন হয়েই স্নান করে পোশাক পরিবর্তন করেন। এখানে পুরুষ-নারী সবাই স্নান করে পাপমুক্ত হয়ে মন্দিরে খাবার খান। কিন্তু সহস্রাধিক লোকের স্নানের ফলে কুণ্ডের যা অবস্থা হল তাতে আর স্নান করার প্রবৃত্তি হল না আমার। শুধু কুণ্ডের জল মাথায় নিলাম। সঙ্গিনী দেবদাসীরা অনেক করে বোঝালেন আমাকে, এত দূর থেকে এসেছেন আপনি, এখানকার নিয়ম রক্ষা করুন, ‘নিম্মান্না’ করুন। নাহলে এই তীর্থে আসার কোনও ফলই হবে না আপনার। আমি হাসিমুখে তাঁদের প্রণাম জানালাম।
এবার ‘নিম্মান্না’র ব্যাপারটা একটু খুলে বলি। নববস্ত্র পরিধানের পর বৃহন্নলারা সবার মুখে নিমপাতা গুঁজে দেবেন। তারপর নিমপাতার গুচ্ছ কোমরের সামনে, পিছনে, দুই পাশে লাগাতে হবে ও হাতে নিমপাতা নিয়ে বৃহন্নলা নাচের তালে তালে সত্যাম্মার মন্দির প্রদক্ষিণ করতে হবে। যেহেতু আমি স্নান করিনি তাই আমাকে দিয়ে ‘নিম্মান্না’ করানো গেল না। তবে দর্শনে বাধা রইল না। তাই দেবী সত্যাম্মা, যোগীনাথেশ্বর, একনাথেশ এবং যোগড়বামি সত্যাম্মাকে দর্শন করে ধন্য হলাম। দর্শন শেষে এবার সৌন্দত্তির তীর্থভূমিতে যাত্রা। যাওয়ার আগে কোলপুরবাসিনী দেবদাসী সঙ্গিনীরা তাঁদের সঙ্গে নিয়ে আনা খাবার কিছু আমাকে খাইয়ে দিলেন। তারপর বললেন, ‘ওপরে কিন্তু দিশা পাবেন না। তাই সঙ্গ ছাড়বেন না আমাদের। আমরা আশ্রয়ের ব্যবস্থা করলে আপনিও রয়ে যাবেন আমাদের সঙ্গে।’ বলে দুটি টাঙ্গা ভাড়া করে পাহাড়ের উচ্চস্থানে ইয়েলাম্মার মন্দির প্রাঙ্গণে রওনা হলাম সকলে। এই পাহাড়ে গোরু টানা টাঙ্গা চলে। টাঙ্গা থেকে যেখানে নামলাম সেখানে তখন লক্ষাধিক নরনারী ও দেবদাসীদের ভিড়। তাই বহু চেষ্টা করেও ওখানে কোনও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা গেল না। অবশেষে নিকটবর্তী থানার সামনে কাঁটা তার দিয়ে ঘেরা বাগানের মাটিতে খোলা আকাশের নীচে শতরঞ্চি বিছিয়ে বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হল। সারারাত এইভাবে এখানেই থাকতে হবে আমাদের। এখানে শুধু আমরা নই আরও অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন।
এইভাবে রাত্রিযাপন করা হল। শেষরাতে দেবদাসীদের কয়েকজন আমাকে বললেন, ‘চলুন বাবুজি, আপনাকে দেবী দর্শন করিয়ে আনি। ভোরে দেবীকরণ শুরু হলে আর এর ধারেকাছেও যেতে পারবেন না।’ অতএব দর্শনে চললাম। সে কী প্রচণ্ড ভিড়! মাঘ মাসের এই রাত্রি শেষেও ঘেমে উঠলাম। অবশেষে খাপটির মধ্যে পৌঁছলাম মন্দিরে। আহামরি মন্দির নয়। তবুও সতীদেহ প্রভাবে এত মান্যতা দেবীর। দেবী এখানে ভয়ঙ্করী। ইনি ইয়েলাম্মা। তাঁর নির্দেশ অমান্য করলে ফল ভালো হয় না। বহুকষ্টে সেই দেবীকে দর্শন করে মনোবাসনা পূর্ণ করলাম। মন্দিরের অন্যপ্রান্তে ব্রাহ্মমুহূর্তের প্রতীক্ষায় শয়ে শয়ে মেয়েরা দেবদাসী হওয়ার জন্য বসে আছে। শুনলাম, দেবদাসী হওয়া মানে দেবীর সঙ্গে—বিবাহের পর আর কোনও পুরুষের সঙ্গে বিবাহ করা যায় না। যারা করে তাদের জীবনের ওপর অভিশাপ নেমে আসে। তাদের স্বামীদের অকালমৃত্যু হয় এবং দেবীগণও জন্মান্তরে বৃহন্নলা হয়ে জন্মায়। এখানকার প্রশাসনের বক্তব্য, এই প্রথার উচ্ছেদ কখনও সম্ভব নয়। অতএব এই প্রথা চলতেই থাকবে। ১৯৮৮ সালে আমি যে বছর গিয়েছিলাম সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী সে বছর মোট তিন হাজারের বেশি মেয়ে দেবদাসী হয়েছিলেন।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
15th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩১

‘মরণ রে,
তুঁহুঁ মম শ্যাম সমান ।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট, 
তাপবিমোচন করুণ কোর তব বিশদ

13th  October, 2019
সাত বছরের ফাঁদে
ভগীরথ মিশ্র 

ভর-দুপুরে সদর বাজার দিয়ে হাঁটছিল শুখা।
পান্তু নাগের গোপন ডেরায় যাচ্ছে সে। কেন জানি, খুব জরুরি তলব দিয়েছে পান্তু।
এলাকার মুকুটহীন-সম্রাট রামতনু শিকদারের বাঁ হাত হল পান্তু নাগ। মানুষজন জলশৌচ জাতীয় যাবতীয় নোংরা-ঘাঁটা কাজগুলো তো বাঁ হাত দিয়েই করে। সেই হিসেবে পান্তু রামতনুর বাঁ হাতই।  
বিশদ

13th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

সুকুমার রায়। শিশুসাহিত্যিক ও ভারতীয় সাহিত্যে ‘ননসেন্স রাইম’-এর প্রবর্তক। তিনি একাধারে লেখক, ছড়াকার, শিশুসাহিত্যিক, রম্যরচনাকার, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার ও সম্পাদক। তিনি ছিলেন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর পুত্র।  বিশদ

29th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

একান্ন মহাপীঠের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাপীঠ হল কামাখ্যা। এই মহাতীর্থে সতীর মহামুদ্রা অর্থাৎ যোনিদেশ পতিত হয়েছিল। দেবীর গুপ্ত অঙ্গ পতিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, পর্বতটি নীলবর্ণ ধারণ করে এবং শত যোজন উচ্চ পর্বত ক্রমশ ভূগর্ভে নেমে যেতে থাকে।   বিশদ

29th  September, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

22nd  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি। 
বিশদ

22nd  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৯

বিয়ের বারো বছর বাদে কন্যা সন্তানসম্ভবা হয়েছে জেনে কবি যথেষ্ট আনন্দিত হয়েছিলেন। তিনি তখন আমেরিকায়। তিনি মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনীকে টেলিগ্রাম করে বেলার সাধভক্ষণের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয় তিনি বাড়ির খাজাঞ্চি যদু চট্টোপাধ্যায়কে পাঁচশো টাকা এই কারণে মেজ বৌঠানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেন। 
বিশদ

22nd  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সৌরভ গাঙ্গুলি বোর্ড সভাপতি হওয়ায় খুশির হাওয়া সিএবি’তে। তবে একই সঙ্গে শুরু হয়েছে অঙ্ক কষাও। কারণ, বোর্ড সভাপতি পদে বসতে গেলে সৌরভকে ...

 ইসলামাবাদ, ১৪ অক্টোবর (পিটিআই): জঙ্গি গোষ্ঠীদের মদত এবং আর্থিক দুর্নীতি রুখতে পদক্ষেপ সন্তোষজনক না হলে পাকিস্তানকে কালো তালিকাভুক্ত করতে পারে এফএটিএফ। ক্রমশ সেই সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠছে। একইসঙ্গে কালো তালিকাভুক্ত হতে পারে ইরান এবং উত্তর কোরিয়া। ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: জনপ্রিয়তা বাড়ছে রাজ্যের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির। কারণ, গত তিন বছরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সেগুলিতে পড়ুয়া ভর্তিও হয়েছে। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বলছে, কয়েক গুণ বেশি ছাত্রছাত্রী রাজ্যের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভর্তি হয়েছেন। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সোমবার সকালে একেবারে দিনের আলোয় মাদারিহাট ব্লক সদর সংলগ্ন জাতীয় সড়ক ও রেল লাইন সংলগ্ন এলাকায় দাপিয়ে বেড়াল একটি দাঁতাল হাতি। হাতিটির ডান চোখটি কানা।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

গুরুজনের চিকিৎসায় বহু ব্যয়। ক্রোধ দমন করা উচিত। নানাভাবে অর্থ আগমনের সুযোগ। সহকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতধোয়া দিবস
১৫৪২: মোগল সম্রাট আকবরের জন্ম
১৯৩১: বিজ্ঞানী ও ভারতের একাদশ রাষ্ট্রপতি ডঃ এ পি জে আবদুল কালামের জন্ম
১৯৪৬: অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম  

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.১৪ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৭৬ টাকা ৯০.৯৭ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৩ টাকা ৭৯.৭০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৯৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৯৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭, ৫১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫, ৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫, ৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, দ্বিতীয়া অহোরাত্র। অশ্বিনী ১৭/১৪ দিবা ১২/৩০। সূ উ ৫/৩৬/২৯, অ ৫/৮/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৯ গতে ১০/৫৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ৯/১৮ গতে ১১/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/৪ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৯ গতে ২/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪১ গতে ৮/১৫ মধ্যে।
২৭ আশ্বিন ১৪২৬, ১৫ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, দ্বিতীয়া ৫৭/৩৩/৪৮ শেষরাত্রি ৪/৩৮/২৩। অশ্বিনী ১৭/৪৮/৫৩ দিবা ১২/৪৪/২৫, সূ উ ৫/৩৬/৫২, অ ৫/১০/১২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩০ মধ্যে ও ৭/১৪ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/২১ মধ্যে ও ৯/১২ গতে ১১/৪৬ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ৩/১১ মধ্যে ও ৪/৫৪ গতে ৫/৩৭ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩/৩২ গতে ৮/৩০/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৫০/১২ গতে ২/১৬/৫২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৪৩/৩২ গতে ৮/১৬/৫২ মধ্যে।
১৫ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কার্নিভালে সম্মানহানির অভিযোগ রাজ্যপালের 
কার্নিভাল নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। ...বিশদ

04:36:31 PM

মন্তেশ্বরে বাস-বাইক মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ৩ 
বাইক ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ। আজ দুপুর ২টো নাগাদ ...বিশদ

04:36:00 PM

কেতুগ্রামে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পুলিস কর্মীর বিরুদ্ধে 
পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে গৃহবধূকে হুমকি দিয়ে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ উঠল ...বিশদ

03:58:12 PM

৪০০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

03:39:36 PM

নারদ কাণ্ড: ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আইপিএস মির্জার জেল হেফাজত

03:34:00 PM

দঃ দিনাজপুরে মৎস্যজীবীদের জালে উঠল নরকঙ্কাল
দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডি থানার কঙ্কন দীঘিতে মাছ ধরতে গিয়ে মৎস্যজীবীদের ...বিশদ

01:41:00 PM