Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। অসাধারণ সুন্দরী এই কন্যাকে ঠাকুর পরিবারের সকলেই খুব ভালোবাসতেন। লেখার হাতটিও ছিল ভারি চমৎকার।
১৯০১ সালে নিজের কন্যা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীকে লিখলেন, ‘কাল সমস্তক্ষণ বেলার শৈশবস্মৃতি আমার মনে পড়ছিল। তাকে কত যত্নে আমি নিজের হাতে মানুষ করেছিলুম। তখন সে তাকিয়াগুলোর মধ্যে আবদ্ধ হয়ে কি রকম দৌরাত্ম্য করত। সমবয়সী ছোট ছেলে পেলেই কি রকম হুংকার দিয়ে তার উপর গিয়ে পড়ত, কি রকম লোভী অথচ ভালোমানুষ ছিল— আমি ওকে নিজে পার্কস্ট্রীটের বাড়িতে স্নান করিয়ে দিতুম। দারজিলিঙে রাত্রে উঠিয়ে উঠিয়ে দুধ গরম করে খাওয়াতুম।’
দিদিকে যে বাবা তাদের থেকে একটু বেশি স্নেহ করেন তা কবির অন্যান্য পুত্রকন্যারাও বেশ ভালোভাবেই বুঝতে পারতেন এবং তা নিয়ে তাদের মধ্যে কোনও ক্ষোভ বা বেদনা ছিল না। পরবর্তীকালে রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘পিতৃস্মৃতি’ গ্রন্থে লিখছেন, ‘ আর-সব ছেলেমেয়েদের চেয়ে বাবা দিদিকে বেশি ভালোবাসতেন। আমরা সেটা খুবই জানতুম, কিন্তু তার জন্য কোনোদিন ঈর্ষা বোধ করিনি, কেন না আমরাও সকলে দিদিকে অত্যন্ত ভালোবাসতুম এবং মানতুম। দিদির বুদ্ধি যে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি তা মানতে আমাদের লজ্জাবোধ হত না। তিনি অপরূপ সুন্দরী ছিলেন ছেলেবেলা থেকেই। সেইজন্য বাড়ির সকলের কাছ থেকে প্রচুর আদর পেতেন, সকলের প্রিয় ছিলেন। শিলাইদহে আমাদের যখন পড়াশুনা আরম্ভ হল, দিদি আমাদের ছাড়িয়ে অনেক এগিয়ে যেতে লাগলেন। বাবা তাঁকে নিজে পৃথক করে পড়াতে শুরু করলেন। তখন থেকেই বুঝেছিলেন দিদির লেখবার বেশ ক্ষমতা আছে। বাবা তাঁকে উৎসাহ দেওয়াতে তিনি কয়েকটা গল্পও লিখেছিলেন।’
মাধবীলতার অন্যতম লেখাগুলি হল— ‘সুরো’, ‘মামা ভাগ্নী’, ‘সৎপাত্র’, ‘দ্বীপনিবাস’, ‘অনাদৃতা’, ‘চোর’,‘ চামরুর গল্প’, ‘মাধুরীলতার গল্প’। তাঁর লেখা সবুজপত্র ছাড়াও ভারতী ও বঙ্গদর্শন (নবপর্যায়) পত্রিকাতেও প্রকাশিত হতো। ১৩২২ সালে সবুজপত্রের শ্রাবণ সংখ্যায় প্রকাশিত হল তাঁর ‘অনাদৃতা’ গল্পটি—‘দুইটি কন্যা ও তিনটি পুত্রের ভার স্বামীর হাতে সঁপিয়া দিয়া হরমণি যখন চির অবসর গ্রহণ করিল, নীলু বড় ফাঁপড়ে পড়িয়া গেল। সে বেচারা ছাপাখানায় কাজ করিত, বেতন যাহা পাইত মাসে মাসে স্ত্রীর হাতে দিয়া নিশ্চিন্ত থাকিত, সামান্য ২০ টাকায় কি করিয়া এতগুলি প্রাণীর ভরণপোষণ সম্ভব তাহা তাহাকে একদিনও ভাবিতে হয় নাই । প্রত্যহ নিয়মিত ৯ । ১০ টার সময় সে ডাক দিত, “বড় বৌ, ভাত বাড়, আমি নাইতে যাচ্ছি ।” স্নান সারিয়া যেখানে হর পাখা হাতে ভাত আগলাইয়া মাছি তাড়াইতেছে সেখানে বসিয়া গিয়া সপাসপ্ নাকে মুখে ভাত গুঁজিয়া পানটি হাতে লইয়া আপিসের দিকে চলিয়া যাইত । নীলুর খাওয়ার কোন কষ্ট ছিল না, মাছটি তরকারীটি যে সময়কার যা পাওয়া যাইত, নীলুর পাতে পড়িতই পড়িত, পরিবারের সকলেই তাহার মত রাজভোগে আছে সে বিষয়ে তাহার কোন সন্দেহ ছিল না এবং মধ্যে মধ্যে স্ত্রীলোকের যে আহার সম্বন্ধে অতিরিক্ত লোভ আছে এবং সেটা যে অত্যন্ত নিন্দনীয় সে কথা চাণক্যের শ্লোক মিশাইয়া স্ত্রীকে বুঝাইয়া দিত.......’।
তবে লেখার ব্যাপারে মাধুরীলতা দেবীর খুব একটা উৎসাহ ছিল না। আর এই কারণে রবীন্দ্রনাথ যথেষ্ট দুঃখ পেতেন। তাই প্রশান্ত মহলানবীশকে একটি চিঠিতে মাধুরীলতার রচনাশক্তি সম্বন্ধে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন –‘ওর ক্ষমতা ছিল... কিন্তু লিখত না।’
কবির বড় আদরের এই প্রাণের কন্যা মাধুরীলতার সঙ্গে বিবাহ হল নতুন বৌঠানের প্রিয় কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর পুত্র মজফফরপুরের উকিল শরৎচন্দ্র চক্রবর্তীর।
মেয়েকে তার শ্বশুরবাড়িতে রেখে শান্তিনিকেতনে ফিরে রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীকে একটি পত্রে লিখলেন, ‘ভাই ছুটি, বেলাকে রেখে এলুম। তোমরা দূরে থেকে যতটা কল্পনা করছ ততটা নয়— বেলা সেখানে বেশ প্রসন্ন মনেই আছে— নতুন জীবনযাত্রা তার যে বেশ ভালোই লাগছে তার আর সন্দেহ নেই। এখন আমরা তার পক্ষে আর প্রয়োজনীয় নই। আমি ভেবে দেখলুম, বিবাহের পরে অন্তত কিছুকাল বাপমায়ের সংসর্গ থেকে দূরে থেকে সম্পূর্ণভাবে স্বামীর সঙ্গে মিলিত হবার অবাধ অবসর মেয়েদের দরকার। বাপ মা এই মিলনের মাঝখানে থাকলে তার ব্যাঘাত ঘটে।’
বিয়ের পর রবীন্দ্রনাথ তাঁর বড় জামাইকে ব্যারিস্টারি পড়তে বিলেতে পাঠালেন। বিলেত থেকে ফিরে আসার পর তাঁরা উঠেছিলেন জোড়াসাঁকোর ঠাকুর বাড়িতেই। তবে এই সুখ মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হল না। শরৎচন্দ্রের সঙ্গে খটামটি শুরু হল তাঁর ছোট ভায়রাভাই নগেন্দ্রনাথের।
রবীন্দ্রনাথের এই অকর্মণ্য ছোট জামাইটির আচার আচরণ মোটেই সুবিধার ছিল না। তিনি ছিলেন উদ্ধত ও অহংকারী প্রকৃতির মানুষ। শুধু শরৎচন্দ্র নন, তাঁর ব্যবহারে কবি-বন্ধুরাও বারেবারে ব্যথা পেয়েছেন।
তবে এই অশান্তির বীজ কবি নিজের হাতেই বপন করেছিলেন তাঁর পরিবারের ভূমিতে। আবার বিদেশে যাবেন রবীন্দ্রনাথ। তিনি যাত্রার পূর্বে জমিদারি, আদি ব্রাহ্মসমাজ, তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ও জোড়াসাঁকো বাড়ির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব দিয়ে যান ছোটজামাই নগেন্দ্রনাথের হাতে। শরৎচন্দ্র মুখে কিছু না বললেও শ্বশুরমশাইয়ের এহেন ব্যবহারে মনে হয়তো বড়ই আঘাত পেয়েছিলেন।
সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটল একদিন, ভয়ঙ্কর ভাবে। সকালের খবরের কাগজ কোন জামাতার ঘরে আগে দেওয়া হবে তাই নিয়েই শুরু হল মনোমালিন্য। ক্ষুব্ধ এবং বিরক্ত শরৎচন্দ্র চক্রবর্তী অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর হাত ধরে পথে নামলেন। জোঁড়াসাঁকোর বাড়ি ছেড়ে তাঁরা গিয়ে উঠলেন ২৭/১ ডিহি শ্রীরামপুরের ভাড়া বাড়িতে।
সামান্য কাগজ নিয়ে এতবড় অশান্তি? পরবর্তী কালে কেউ কেউ হেমলতা দেবীর জবানিতে জানিয়েছেন, নগেন্দ্রনাথ খরচ কমানোর নামে ভায়রাভাই শরৎকুমারের জন্য নির্দিষ্ট স্টেটসম্যান কাগজ বন্ধ করে দেন। সংবাদপত্রের অনুরক্ত পাঠক শরৎকুমার এতে যার-পর নাই অপমানিত বোধ করেন। তারপর কলহের সংক্রমণ।
এই বিবাদ সৃষ্টি করল এক বিশ্রী পরিস্থিতির। দুই বোনের মধ্যে কথা বলা এবং মুখ দেখাদেখি ও বন্ধ হয়ে গেল। তাতেও বিন্দুমাত্র দমলেন না উদ্ধত, ক্ষমতালোভী, অহংকারী নগেন্দ্রনাথ। আর বেলা! তিনি নিজেকে ধীরে ধীরে সরিয়ে নিলেন পিতার বৃহৎ বৃত্ত থেকে। (ক্রমশ)
 ছবিতে রথীন্দ্রনাথ, মাধুরীলতা, মীরা ও রেণুকা।
অলংকরণ: চন্দন পাল 
15th  September, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ডাকনাম ফড়িং
স্বপন পাল

অখিলেশের চাকরি জীবন থেকে অবসর নেওয়া প্রায় চার বছর হয়ে গেল। তার এই অবসর জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, অবসর সময় কাটানো নিয়ে সময় খুঁজে বের করা। বই বা খবরের কাগজ পড়ে কতটাই বা সময় কাটানো যায়। টিভি অখিলেশ খুব একটা দেখে না। চোখের ওপর চাপ পড়ে। গেল মাসে ডান চোখটায় ছানি অপারেশন হয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ‘দলের লোকেরা দাদাকে মেরেছে, শিবু ফোন করে দাদাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পনা করে খুন করেছে।’ মঙ্গলবার সকালে এই দাবি করলেন বাগনানের বাইনানের তৃণমূলের ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২১ জানুয়ারি (পিটিআই): শুধু ভারত নয়, বেকারত্ব বাড়ছে গোটা বিশ্বেই। এদেশে বেকারত্বের হার বৃদ্ধির অভিযোগকে মান্যতা দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু বিশ্বে বেকারদের সংখ্যা যে ...

সংবাদদাতা, ইংলিশবাজার: রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে প্রচারের হাতিয়ার এখন ছাত্র-যুব উৎসব। জনস্বার্থে রাজ্য সরকার যেসব কর্মসূচি নিয়েছে সেসব নিয়ে অনুষ্ঠান পরিবেশন করে এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা। মালদহ জেলাও তার ব্যতিক্রম নয়।  ...

বিএনএ, বহরমপুর: কান্দিতে তৃণমূলের দক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নেতার অভাবে নতুন করে ঘর গোছাচ্ছে কংগ্রেস। মঙ্গলবার ফের কান্দি এলাকার ৩০ জন তৃণমূলের স্থানীয় নেতা এবং কর্মী কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ২০১০ সাল থেকে রাজ্যের শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৬: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের মৃত্যু
১৯০০ - টেলিপ্রিন্টার ও মাইক্রোফেনের উদ্ভাবক ডেভিট এ্যাডওয়ার্ড হিউজ।
১৯০১: রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু
১৯২৭ - প্রথমবারের মতো বেতারে ফুটবল খেলার ধারাবিবরণী প্রচার।
১৯৭২: অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৬ টাকা ৭২.০৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.২৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৪ টাকা ৮০.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৪৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ত্রয়োদশী ৪৮/৩৬ রাত্রি ১/৪৯। মূলা ৪৪/৫৩ রাত্রি ১২/২০। সূ উ ৬/২২/৩৮, অ ৫/১৩/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২ গতে ৪/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ত্রয়োদশী ৮৯/২৭/৪৪ রাত্রী ২/১৩/৯। মূলা ৪৬/৪২/৪৪ রাত্রি ১/৭/৯। সূ উ ৬/২৬/৩, অ ৫/১১/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/০ গতে ৪/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৫ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ২/০ গতে ৬/২৬ মধ্যে। কালবেলা ৯/৭/২৭ গতে ১০/২৮/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৭/২৭ গতে ৪/৪৬/৪৫ মধ্যে।
 ২৬ জমাদিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  হাসপাতালে কবি শঙ্খ ঘোষ
বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষ অসুস্থ। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে মুকুন্দপুরে ইএম ...বিশদ

21-01-2020 - 06:39:05 PM

  হাসপাতালে পিকে ব্যানার্জি
হাসপাতালে ভর্তি হলেন কিংবদন্তী ফুটবলার প্রদীপ কুমার ব্যানার্জি। আজ ...বিশদ

21-01-2020 - 05:01:50 PM


এনআরসি-র প্রতিবাদে পথে নামল এনআরএস মেডিক্যাল হাসপাতালের পড়ুয়ারা ...বিশদ

21-01-2020 - 05:00:00 PM

ইস্ট বেঙ্গল কোচের পদত্যাগ
টানা তিনটি ম্যাচে হারের পর পদত্যাগ করলেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ ...বিশদ

21-01-2020 - 04:35:48 PM

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানোর অভিযোগে অপর্ণা সেনকে আইনি নোটিস  
সোশ্যাল মিডিয়ায় সিএএ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী তথা ...বিশদ

21-01-2020 - 04:20:42 PM

২০৫ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

21-01-2020 - 04:04:33 PM