Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’
‘না, আমাদের ছেলে সুপর্ণর ক্লাসমেট আদিত্যর কথা বলছি। ফর্সা, ছিপছিপে... চিনতে পারছ?’
স্বভাবসিদ্ধ শান্ত মেজাজে জবাব দিল ঋজু, ‘হ্যাঁ।’
রিনির গলায় উত্তাপ, আবার প্রশ্ন করল, ‘এটা কোন প্রশ্নের উত্তর? তুমি আদিত্যকে ঠিক ঠিক চিনতে পেরেছ অথবা সত্যিই তার বাড়িতে গিয়েছিলে কিনা— কোনটার?’
ঋজু জবাব দিল, ‘তোমার দুটো প্রশ্নের একটাই উত্তর— হ্যাঁ।’
‘তা বেশ! আদিত্যর মা কেয়ার তো মাটিতে পা পড়ে না। পাত্তাই দেয় না কাউকে। ছেলেকে স্কুল থেকে কেয়াই আনতে যায়। সব সময় কেমন যেন একা একা। গার্জেনদের কেউই ওকে দেখতে পারে না। নিজেকে কী না কী একটা ভাবে।’
ঋজু জোরালো বিরোধিতা করল না, ছোট্ট করে বলল, ‘কেয়া বরাবরই একটু চুপচাপ।’
‘চুপচাপ!’ গর্জে উঠল রিনি, ‘দেমাক! দেমাক! ছেলে পড়াশোনায় ভালো। তাই এমন একটা ভাব দেখায় যেন ও নিজেই একটা বিশেষ কিছু! চুপচাপ! কতটুকু জানো ওকে? তুমি না কী যেন একটা! কিচ্ছু বোঝো না। একটা আস্ত নির্বোধ।’
ঋজুর বন্ধু সুমিতের বউ কেয়া। সুমিত-কেয়াকে অনেকদিন থেকেই চেনে, জানে ঋজু। সুমিত-কেয়ার বিয়ের ব্যাপারেও ঋজুর একটা ভূমিকা ছিল। তবু রিনির সঙ্গে তর্ক করল না ঋজু। আসলে অহেতুক তর্ক করা ওর ধাতে নেই। তার ওপর রিনির সঙ্গে বাদানুবাদের পরিণতি কী হতে পারে তা ইদানীং ঋজু বেশ টের পাচ্ছে। তিল হয়ে যাচ্ছে তাল। বিরক্তি বাড়ছে ঋজুর।
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ঋজু পা বাড়াল বসার ঘরের দিকে। গলায় অতিরিক্ত জোর এনে ঋজুকে ডাকল রিনি, ‘অ্যাই শোনো! আচ্ছা, তুমি যে ওখানে গিয়েছিলে তা তো আমাকে একবারও বলোনি। কথাটা আমাকে শুনতে হল দীপ্তর মা হেনার কাছ থেকে। আশ্চর্য!’
থমকে দাঁড়াল ঋজু, জিজ্ঞেস করল, ‘দীপ্তর মা হেনা? হেনা জানল কী করে?’
রিনি বলল, ‘তা তো বলতে পারব না। তবে যেভাবে হোক জেনেছে। তাছাড়া হেনা কোথা থেকে জানল সেটা বড় কথা নাকি আমাকে তোমার না জানানোটা বড় কথা। একটা বাইরের লোক তোমার সম্পর্কে যেটা জানে আমি ঘরের লোক হয়ে সেটা জানতে পারি না। এত গোপনীয়তা কেন, ঋজু?’
‘শোনো রিনি, ব্যাপারটা তেমন কিছুই নয়। রং, তুলি, ক্যানভাস কেনার জন্য কলেজ স্ট্রিট গিয়েছিলাম সেটা জানতে তো?’
‘জানতাম বইকি!’
‘যাওয়ার পথে সুমিতের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল হঠাৎই। কলেজ স্ট্রিট যাচ্ছি শুনে ওর ছেলের কয়েকটা বই এনে দিতে বলল। ওই বইগুলো দেবার জন্যই’—
ঋজুকে থামিয়ে দিয়ে ঝাঁঝিয়ে উঠল রিনি, ‘সে কথা আমাকে জানালে খুব একটা ক্ষতি হতো কি?’
ঋজু খানিকটা স্থির চোখে দেখল রিনিকে, বলল, ‘আসলে সুপর্ণদের ক্লাসের সৌম্যর সায়েন্সের টিউটর ঠিক করে দেওয়ার সময় তুমি এমনভাবে রাগারাগি করেছিলে যে...’
—‘সৌম্যর টিউটর তো? সেটাও তুমি আমাকে না জানিয়েই ঠিক করেছিলে। সেখানেও গোপনীয়তা! কেন? তুমি এরকম করো কেন? ঘরের লোকের কাছে এত কিছু চেপে যাওয়ার কী আছে?’
—‘সত্যি বলতে কী, কোনও কিছুই আমি চেপে যেতে চাই না। কিন্তু এসব ছোট ছোট ব্যাপারে তুমি এমনভাবে রিঅ্যাক্ট করো...’
‘রিঅ্যাক্ট করব না? তোমার কাছে এসব ছোট ছোট ব্যাপার হতে পারে, আমার কাছে নয়। ঠিক ঠিক ঘা খাও, বুঝবে। সেই প্রাইমারি স্কুল থেকে সৌম্যর সঙ্গে সুপর্ণর একটা লড়াই। ওর মা-টাকে তো আমি একেবারেই সহ্য করতে পারি না। সব সময় সুপর্ণর দিকে ট্যারা চোখে তাকায়। বোঝো এসব? খোঁজখবর রাখো?’
অস্বস্তি বাড়ছিল ঋজুর, জানতে চাইল রিনির কাছে, ‘সুপর্ণ কি এখন বাড়িতেই আছে?’
—‘হ্যাঁ, কেন?’
—‘এখন তাহলে এসব থাক না, রিনি। ছেলেটা হয়তো সব শুনছে।’
‘শুনুক। ওর বাবার নির্বুদ্ধিতার কথা জানুক। ওকে অনেক বেশি প্র্যাকটিক্যাল হতে হবে। ওকে তো আর তোমার মতো হতে দেওয়া চলবে না!’
অদৃশ্য একটা থাপ্পড় ঋজুর গালে যেন বসিয়ে দিয়েছে কেউ। ওর নেতিবাচক কোনও স্বভাববৈশিষ্ট্য ছেলের মধ্যে সংক্রামিত হয়ে ছেলের বিস্তর ক্ষতি করতে পারে! পরোক্ষে রিনি সেটাই বোঝাতে চাইছে! স্বয়ং অর্ধাঙ্গিনীর কাছ থেকে আসা এহেন অভিযোগ ঋজুকে রীতিমতো কুঁকড়ে দেয়। ব্যথা দলা পাকিয়ে আশ্রয় নেয় গলায়। বাকরুদ্ধ ঋজু পালিয়ে বাঁচে। অস্থির মেজাজকে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে ওর আশ্রয় এখন রং-তুলি-ক্যানভাস।
ঘটনাচক্রে একটা প্রাইভেট কোম্পানির কেরানি হলেও ঋজুর মধ্যে জন্মগত একটা শিল্পীসত্তা বাস করে। পারিবারিক অবস্থা অনুকূল হলে হয়তো বা ঋজু শিল্পীজীবনকেই বেছে নিত। একঘেঁয়ে দিনযাপনের গ্লানি থেকে মুক্তি পেতে ঋজু ছবি আঁকার অভ্যেসটা এখনও ধরে রেখেছে।
ছেলে সুপর্ণর মধ্যে ঋজুর এই অভ্যেসটা সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ঋজুর চোখে অন্তত তেমন কিছু পড়েনি। ছেলের ওপর নিজের ভাবনাচিন্তাকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতাও ঋজুর মধ্যে নেই। আসলে সুপর্ণর দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে রিনি, ছেলের যে কোনও বিষয়ে ঋজুর ভূমিকা গৌণ। ক্লাস এইটের ছাত্র সুপর্ণর টিউটরের ব্যবস্থা রিনিই করেছে। এর-ওর সঙ্গে আলোচনা করে রিনি ছেলেকে ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করে দিয়েছিল। মা আর ছেলে বছরখানেক দৌড়ঝাঁপ করার পর ক্রিকেট অ্যাকাডেমিকে বিদায় জানিয়েছে। ছেলের ব্যাপারে রিনির নতুন কোনও পরিকল্পনা আছে কি না ঋজুর জানা নেই। সত্যি কথাটা এই যে ছেলের ব্যাপারে সব কিছু রিনিই নিয়ন্ত্রণ করে। সে সুপর্ণকে স্বামীর মতো কেরানি দেখতে চায় না, দেখতে চায় না স্বামীর মতো ‘নির্বোধ ভালোমানুষ’ হিসেবেও।
মাঝে মাঝেই ঋজুর মনে প্রশ্ন জাগে, ছেলের ব্যাপারে কোনও কিছুই তো আমাকে জানিয়ে করো না রিনি! আমি কি কিছুই জানি না, কিছুই বুঝি না? তাহলে আমার কাজকর্ম নিয়ে তোমার এত প্রশ্ন কেন?
প্রশ্ন মনের মধ্যেই থেকে যায়, ঋজুর মুখে ব্যক্ত হয় না। এক পুঞ্জীভূত অভিমান ঋজুকে গ্রাস করে। সময় এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে অভিমান গাঢ়তর হয়। তাহলে একটা বিস্ফোরণের আশঙ্কা ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে কি? মানসিক সংঘাতের ব্যাপারটা সত্যি সত্যিই একদিন চরমে উঠল। ধিক ধিক করতে করতে মনের আগুন শেষমেশ দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল। মৃদুভাষী ঋজুর কণ্ঠস্বর উঠেছে চরমে। রিনি বলবে আর ঋজু শুনে যাবে, বড়জোর দু-একটা ছোটখাট কিছু বলবে— এতদিন এভাবেই অভ্যস্ত ছিল মুখরা রিনি।
আজ স্বামী ঋজুর প্রতি-আক্রমণে, অপ্রত্যাশিত জোরালো প্রতিক্রিয়ায় প্রথমে কিছুটা হতচকিত হয়ে গেল রিনি। কিন্তু স্বভাবসিদ্ধ মেজাজটা ফিরে পেতে দেরি হল না। ঋজুর গলাকে ছাপিয়ে চিৎকার করে উঠল, ‘আমার কোনও কথাই তোমার সহ্য হয় না, তাই না? আর অণিমার কথায় মেজাজ একেবারে ফুরফুরে। ফোনে সে কী কথা! অণিমার প্রতিটা কথা যেন কানে মধু ঢালে। অসভ্য কোথাকার!’
আজ ঋজুও ছাড়বার পাত্র নয়। এতদিনের সুপ্ত আগ্নেয়গিরি লাভা উদ্‌গিরণ শুরু করেছে, ‘অণিমাকে নিয়ে না পড়লে তোমার চলছিল না? অণিমাকে গালমন্দ না করলে তোমার পরিপাকে অসুবিধে হয়, রাতের ঘুম নষ্ট হয়— তাই না? এসব আর সহ্য হয় না। রিনি, এসব বন্ধ করো!’
আগুনে ঘি পড়ল। রিনির গলা আর এক ধাপ চড়ল, ‘বন্ধ করব? চমৎকার! ঘরে বউ রয়েছে, ছেলে রয়েছে। কোথাকার অণিমাকে নিয়ে... লজ্জা করে না তোমার? চুপ করে থাকব আমি? আমার জায়গায় তুমি হলে পারতে?’
গলার ঝাঁঝ বেড়েছে ঋজুরও, ‘আমার কথা ছাড়ো। তুমি তুমিই, আমি আমিই। ভুল করেও তোমার জায়গায় আমি কখনও হতাম না।’ দরদর ঘামছে ঋজু, সারা শরীর কাঁপছে থরথর করে।
এ ঋজুকে রিনি যেন চিনতে পারছে না কিছুতেই। সে কটূক্তির মাত্রাকে চরম থেকে চরমতর পর্যায়ে নিয়ে চলল। ‘ছুটির দিন হলেই বেরিয়ে যাচ্ছে। অণিমাকে নিয়ে কোথায় যাচ্ছ? নির্লজ্জ কোথাকার!’
রিনির ধারণা ছিল ঋজু একটা সময় ভেঙে পড়বেই। কিন্তু রিনির ভুল ভেঙে গেল। রাগে অগ্নিশর্মা ঋজু গটগট করতে করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল। সারাদিন ফিরল না ঋজু। রিনি এবার সত্যিই চিন্তিত হল— লোকটা গেল কোথায়? অণিমার কাছেই?

পর পর দুটো দিন কেটে গেল, ঋজুর দেখা নেই। এই আটচল্লিশটা ঘণ্টা রিনির কাছে এক সুদীর্ঘ সময় মনে হল। মুখরা রিনি কথা বলছে কম, মানসিকভাবে অস্থির বেশি। গুম খেয়ে থাকা সুপর্ণ দু’দিন স্কুলে যায়নি। তেরো বছরের ছেলেটা বড়দের মতো জটিল ব্যাপার অতশত বোঝে না। সে শুধু বুঝেছে বাবা একটা কিছুর জন্য বাড়ি থেকে চলে গেছে, কবে ফিরবে কেউ বলতে পারছে না। ভেতরটা অস্থির হয়ে ওঠে তার। নিজেকেই প্রশ্ন করে সে, ‘বাবা চলে গেল কেন? গেলই বা কোথায়?’
ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন, অফিসের দু’একজন সহকর্মী ছাড়া ঋজুর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার ব্যাপারটা খুব একটা ছড়ানো হয়নি। রিনির বাবা সমীরণবাবুই নিষেধ করেছেন ছড়াতে। মেয়েকে বুঝিয়েছেন, ‘ব্যাপারটা যত ছড়াবে তোর পক্ষে তত বেশি অসম্মানের হবে।’ তবে রিনির দাদা বিনয়ের পরামর্শে থানায় একটা মিসিং ডায়েরি করা হয়েছে।
যারা জেনেছে তারাই অল্পবিস্তর হতবাক হয়েছে। ঋজু কখনও এমনটা করতে পারে, সবাইকে চরম উদ্বেগের মধ্যে রেখে উধাও হয়ে যেতে পারে— এটা তাদের কল্পনারও অতীত। পরিচিতদের বেশিরভাগই কেমন একটা ধন্ধে পড়ে গেছে। বিশেষ করে রিনির মুখ থেকে অণিমার প্রসঙ্গটা শুনে অনেকেই দোলাচল চিত্ত। রিনির মনে বার বার ঘুরে ফিরে একটাই প্রশ্ন ঋজু কি শেষমেশ সত্যিই অণিমার কাছে চলে গেল? এক্সট্রা ম্যারিটাল অ্যাফেয়ার নিয়ে অনেকের কাছেই অনেক কথা শুনেছে রিনি। খবরের কাগজ আর টিভির নিউজে এ ব্যাপারটা প্রায়ই চোখে পড়ে তার। এর জন্যে খুন পর্যন্ত হচ্ছে আজকাল। ভাবতে ভাবতে রিনির ভেরতটা কেঁপে ওঠে। দিনের আলো যে এত ম্যাড়মেড়ে আর রাতের অন্ধকার যে এমন নিকষকালো হতে পারে এটা তার জানা ছিল না।
কেউ কোনও খবর দিতে পারছে না। ঋজুর ফোনটা সুইচড অব। ছেলেটার মুখের দিকে তাকালে অদৃশ্য রক্তক্ষরণ বাড়ে। রিনি অবশ হয়ে যায়। তাকে বিব্রত করে সুপর্ণ হঠাৎই প্রশ্ন করেছে এক সময়— ‘অণিমা কে মা? সে থাকেই বা কোথায়?’

অনেক চেষ্টা করেও রিনি বা ঘনিষ্ঠজনেদের কেউ অণিমার হদিশ পেল না। ঋজু চলে যাওয়ার পর চার চারটে দিন কেটে গেছে। সময় যত গড়িয়েছে বড়দের মনে ঋজু সম্পর্কে বিচিত্র সম্ভাবনা আর আশঙ্কার ভাবনা উঁকি দিয়ে গেছে। আর ছোট্ট সুপর্ণ বড়দের কাছ থেকে তার প্রশ্নের সদুত্তর না পেয়ে মনমরা হয়ে বসে থেকেছে।
সেদিনও সকালে সুপর্ণ ওদের ছোট্ট বসার ঘরের একটা চেয়ারে বসেছিল। মাঝে মাঝেই দেওয়ালে আটকানো বাবার আঁকা ছবিগুলির দিকে তাকাচ্ছিল আর অন্যমনস্ক হয়ে সাত-পাঁচ ভাবছিল। মা রিনি তখন রান্নাঘরে ব্যস্ত। হঠাৎ কলিং বেলের শব্দ।
তাড়াহুড়ো করে দরজা খুলল সুপর্ণ। সামনে দাঁড়িয়ে তার মায়ের বয়সি এক মহিলা আর তাঁরই পাশে সুপর্ণর সমবয়সি একটা মেয়ে।
ভদ্রমহিলা জানতে চাইলেন, ‘এটাই তো ঋজু দত্তর বাড়ি?’ সুপর্ণর উত্তর, ‘হ্যাঁ।’
—‘তুমি কি সুপর্ণ?’
—‘হ্যাঁ।’
—‘মা বাড়িতে নেই?’
—‘আছে।’
কলিংবেলের শব্দ শুনেই রিনি রান্নাঘর থেকে বসার ঘরের দিকে আসছিল। এখন সম্পূর্ণ অচেনা দু’জনের মুখোমুখি ভদ্রমহিলা নিজেই বললেন, ‘আপনি আমাকে চিনবেন না বউদি। আমি ঋজুদার স্কুলজীবনের বন্ধু পল্লবের স্ত্রী। সঙ্গে এটি আমার মেয়ে।’
দু’চোখে অপার কৌতূহল নিয়ে ওদের দিকে তাকাল রিনি। ভদ্রমহিলা আবার শুরু করলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন কানপুরে ছিলাম, বছর খানেক হল কলকাতায় এসেছি। হঠাৎ একদিন কলেজ স্ট্রিটে ঋজুদার সঙ্গে দেখা আর তারপর’—
‘ও, বুঝেছি। কিন্তু এমন একটা দিনে এলেন যে ঋজু’.. ডুকরে কেঁদে উঠল রিনি।
ভদ্রমহিলা আশ্বস্ত করলেন রিনিকে, ‘এমা, আপনি কাঁদছেন কেন বউদি? ঋজুদা ঠিক আছেন, আমাদের বাড়িতেই আছেন।’
ঋজুর সম্পর্কে ছবিটা এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার না হলেও মা আর ছেলের চোখ-মুখের চেহারা একটু একটু করে বদলাতে শুরু করেছে। কাঁপা কাঁপা গলায় রিনি জানতে চাইলে, ‘ঋজু কিছু বলেনি?’
‘বলেছে... ও সব কথা থাক এখন। দু’জনে তৈরি হয়ে নিন, আমাদের সঙ্গে যেতে হবে তো।’
চারদিকে চোখ বুলিয়ে ভদ্রমহিলা বললেন, ‘বাঃ, এসব ঋজুদার আঁকা নিশ্চয়ই। চলুন আমাদের বাড়িতে। দেখবেন আমাদের ড্রয়িংরুমেও ঋজুদার আঁকা ছবি’—
বিস্মিত রিনি, ‘ঋজু এঁকে দিয়েছে আপনাদের?’
‘হ্যাঁ। মাঝে মাঝে ছুটির দিনে আমাদের বাড়ি যান ঋজুদা। ছবি আঁকেন, গল্প করেন। আসলে আমার স্বামী পল্লব ঋজুদার এই গুণটার কথা আগে থেকেই জানত। তাই বন্ধুর কাছে আবদার আর কি! আমার মেয়েটা ঋজুদার কাছ থেকে আঁকার ব্যাপারে কত টিপস নেয়।’
সুপর্ণ এখন অনেক শান্ত। মন দিয়ে মা আর এই হঠাৎ-আসা ভদ্রমহিলার কথা শুনছে। রিনি এখনও জানে না এই মুহূর্তে ঋজুর অবস্থান কী। ভয়ে ভয়ে জানতে চাইল, ‘ঋজু খুব রেগে আছে, তা-ই না?’
ভদ্রমহিলা বললেন, ‘সত্যি বলতে কি বউদি, উনি খুব মনোকষ্টে আছেন। আপনারা গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে।’
রিনি ব্যস্ত হয়ে উঠল এবার, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ যাব দিদি, এখনই তৈরি হয়ে নিচ্ছি।’ খানিক থেমে রিনি বলল, ‘একটা কথা দিদি। আপনার নামটা?’
—‘আমি কেতকী, কেতকী সান্যাল।’ এবার নিজের মেয়ের দিকে ইঙ্গিত করে ভদ্রমহিলা বললেন, ‘ও আমাদের মেয়ে অনিমিষা। সবাই ওকে ছোট্ট করে অনি নামেই ডাকে। আর ঋজুদার কাছে ও আদরের অনি-মা।’ 
15th  September, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ডাকনাম ফড়িং
স্বপন পাল

অখিলেশের চাকরি জীবন থেকে অবসর নেওয়া প্রায় চার বছর হয়ে গেল। তার এই অবসর জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, অবসর সময় কাটানো নিয়ে সময় খুঁজে বের করা। বই বা খবরের কাগজ পড়ে কতটাই বা সময় কাটানো যায়। টিভি অখিলেশ খুব একটা দেখে না। চোখের ওপর চাপ পড়ে। গেল মাসে ডান চোখটায় ছানি অপারেশন হয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
 পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: মানবধর্ম সবথেকে বড় ধর্ম। আপনারা যদি মানুষকে সঠিকভাবে সেবা করতে পারেন, তাহলে এর থেকে বড় কাজ আর হবে না। মঙ্গলবার সকালে উলুবেড়িয়া ...

 বিএনএ, বারাকপুর: বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে আরও একটি জুট মিল বন্ধ হয়ে গেল। মঙ্গলবার সকালে টিটাগড়ের এম্পায়ার জুট মিল কর্তৃপক্ষ সাসপেনশন অব ওয়ার্কের নোটিস ঝুলিয়ে দেয়। এতে কাজ হারালেন প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। মিল বন্ধের প্রতিবাদে এদিন বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। ...

 নয়াদিল্লি, ২১ জানুয়ারি (পিটিআই): শিরোমণি অকালি দল সরে গেলেও দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেছে জেডিইউ। সোমবারই সেই ঘোষণা হয়েছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন, এনআরসি ...

সংবাদদাতা, ইংলিশবাজার: রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়ে প্রচারের হাতিয়ার এখন ছাত্র-যুব উৎসব। জনস্বার্থে রাজ্য সরকার যেসব কর্মসূচি নিয়েছে সেসব নিয়ে অনুষ্ঠান পরিবেশন করে এই উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা। মালদহ জেলাও তার ব্যতিক্রম নয়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৬: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের মৃত্যু
১৯০০ - টেলিপ্রিন্টার ও মাইক্রোফেনের উদ্ভাবক ডেভিট এ্যাডওয়ার্ড হিউজ।
১৯০১: রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু
১৯২৭ - প্রথমবারের মতো বেতারে ফুটবল খেলার ধারাবিবরণী প্রচার।
১৯৭২: অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৬ টাকা ৭২.০৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.২৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৪ টাকা ৮০.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৪৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ত্রয়োদশী ৪৮/৩৬ রাত্রি ১/৪৯। মূলা ৪৪/৫৩ রাত্রি ১২/২০। সূ উ ৬/২২/৩৮, অ ৫/১৩/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২ গতে ৪/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ত্রয়োদশী ৮৯/২৭/৪৪ রাত্রী ২/১৩/৯। মূলা ৪৬/৪২/৪৪ রাত্রি ১/৭/৯। সূ উ ৬/২৬/৩, অ ৫/১১/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/০ গতে ৪/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৫ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ২/০ গতে ৬/২৬ মধ্যে। কালবেলা ৯/৭/২৭ গতে ১০/২৮/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৭/২৭ গতে ৪/৪৬/৪৫ মধ্যে।
 ২৬ জমাদিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  হাসপাতালে কবি শঙ্খ ঘোষ
বিশিষ্ট কবি শঙ্খ ঘোষ অসুস্থ। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে মুকুন্দপুরে ইএম ...বিশদ

21-01-2020 - 06:39:05 PM

  হাসপাতালে পিকে ব্যানার্জি
হাসপাতালে ভর্তি হলেন কিংবদন্তী ফুটবলার প্রদীপ কুমার ব্যানার্জি। আজ ...বিশদ

21-01-2020 - 05:01:50 PM


এনআরসি-র প্রতিবাদে পথে নামল এনআরএস মেডিক্যাল হাসপাতালের পড়ুয়ারা ...বিশদ

21-01-2020 - 05:00:00 PM

ইস্ট বেঙ্গল কোচের পদত্যাগ
টানা তিনটি ম্যাচে হারের পর পদত্যাগ করলেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ ...বিশদ

21-01-2020 - 04:35:48 PM

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানোর অভিযোগে অপর্ণা সেনকে আইনি নোটিস  
সোশ্যাল মিডিয়ায় সিএএ সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর খবর ছড়ানোর অভিযোগে অভিনেত্রী তথা ...বিশদ

21-01-2020 - 04:20:42 PM

২০৫ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

21-01-2020 - 04:04:33 PM