Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা। আমি ১৯৯০ সালের ২৪ মে প্রথম বরোদার পথে রওনা হয়েছিলাম। পরে ২০১১ সালের মার্চ মাসে আর একবার।
শহর হিসেবে বরোদা যে খুব একটা বড় তা নয়, তবে ব্যস্ত জনপদ। ইন্দো-সেরাসিনিক স্টাইলের স্থাপত্যই বরোদার বিশেষত্ব। ‘বডোপত্রক’ অর্থাৎ বট পাতা থেকেই এই শহরের নাম বাডোদারা বা ভাদোদারা। ইংরেজরা এর নাম দিয়েছিলেন বরোদা। এখন আবার পুরনো নামেই ফিরে এসেছে এই রাজকীয় ঐতিহ্যমণ্ডিত শহর।
এখন বরোদার কথা থাক। পাওয়াগড়ের কথা বলি। বরোদা থেকে পাওয়াগড়ের দূরত্ব ৪৭ কিমি। পাওয়াগড় পর্বতের পাদদেশে ৫ কিমি আগে চম্পানের গ্রাম। বরোদায় এক রাত কাটিয়ে পরদিন সকালেই স্টেশন সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড থেকে আমি চম্পানের যাওয়ার বাসে চাপলাম। উত্তর-পূর্ব গুজরাতের পাঁচমহল জেলায় চম্পানের বহু ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত এক প্রাচীন দুর্গ-শহর। শোনা যায়, পাটাই রাওয়াল বংশের শেষ রাজা ভানরাজ চাওড়ার এক সেনাপতির নাম ছিল চাঁপা বা চম্পা। তিনিই এই নগরীর পত্তন করেছিলেন বলে এর নাম হয় চাঁপানের বা চম্পানের। এখানেও দেখার মতো অনেক কিছুই আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মহম্মদ বেগড়ার অনবদ্য কীর্তি জামি মসজিদটি।
আমি প্রায় ঘণ্টাখানেক এখানে থেকে এখানকার মসজিদ ও খণ্ডহর দেখে একটি ট্রেকার নিয়ে চলে এলাম পাওয়াগড় পর্বতের কোলে ‘মাছি’তে। জায়গাটিকে কেউ মাচি আবার অনেকে মাছিও বলেন। এখান থেকে দেড় কিমি উচ্চতায় পাওয়াগড়ের দেবীস্থান। অত্যন্ত দুর্গম ও খাড়াই পথ। তবে ১৯৮৬ সালে কলকাতার ‘ঊষা ব্লেকো লিমিটেড’ ব্রিটেনের ব্রিটিশ রোপওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সাহায্য নিয়ে মাছি থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতায় ৭০০ মিটার লম্বা এখটি রোপওয়ে তৈরি করে দেওয়ায় যাত্রীসাধারণের খুবই সুবিধা হয়েছে।
পাওয়াগড় পর্বতে ১ হাজার ৩২৫ ফিট উঠলে বিশ্বামিত্রী নদীর উৎস দেখা যায়। কিন্তু উড়োনখাটোলায় অর্থাৎ রোপওয়েতে উঠেছি বলে সেই উৎস আমার দেখা হল না।
এবারও আমি এসেছিলাম নবরাত্রির মুখে। তাই এখানে বহু যাত্রীর সমাবেশ দেখতে পেলাম। আমি সেই যাত্রীদলের সঙ্গ নিয়েই পাওয়াগড়ের মহাকালীকে দর্শন করতে চললাম।
যাত্রাপথে দুটি প্রসিদ্ধ তালাও পড়ল। তার একটির নাম দুধিয়া তালাও, অপরটি ছাঁচিয়া তালাও। এ দুটির সম্বন্ধে প্রবাদ এই যে, একবার বিশ্বামিত্র মুনি যখন ধ্যানে মগ্ন সেই সময় তাঁর কামধেনুটি একটি গর্তের মধ্যে পড়ে যায় এবং তাকে গর্ত থেকে তোলবার জন্য বারবার মুনির কাছে আবেদন করতে থাকে। কিন্তু বিশ্বামিত্র তখন এমনই অবস্থার মধ্যে রয়েছেন যে, সেসময় তাঁর আসন ত্যাগ করে উঠে আসবার কোনও উপায় ছিল না। তাই তিনি কামধেনুকে একটু কষ্ট করেই উঠে আসতে বললেন। কামধেনু তখন বিশ্বামিত্রকে শরণ করে দুধে ভরিয়ে দিল গর্তটি। ফলে নিজের দুধে নিজেই ভেসে উঠে আসতে পারল। এই ঘটনার পর থেকেই তালাওয়ের নাম হল দুধিয়া তালাও। আর সেই দুধের ছাঁচ জমা হয়ে আর একটি যে তালাও সৃষ্টি হয়েছিল তার নাম হল ছাঁচিয়া তালাও। এর সুপেয় জলের জন্য অন্য আর এক নাম হল ‘সাস কি তালাও’। তবে পুণ্যার্থীরা এই তীর্থে এলে দুটি তালাওতেই স্নান করেন।
আমি অবশ্য স্নান না করে দুটি তালাওয়ের জলই মাথায় নিয়ে ৫২ পীঠের অন্যতম পাওয়াগড়ের কালীকে দর্শন করতে চললাম। অনেক সিঁড়ি বেয়ে পর্বতশিখরে আরোহণ করে দেবীকে প্রাণভরে দর্শন করলাম। দেবী এখানে মহাকালী হলেও মূর্তি বস্ত্রাবৃত একটি মুখবিশিষ্ট। দারুণ মহিমান্বিত এই দেবীকে দর্শন করতে কত যাত্রীরই না সমাগম হয়েছে আজ। কত মানুষ, কত পাখি, কত সৌন্দর্য বিরাজ করছে এখানে।
এই পাওয়াগড়েই জন্মেছিলেন অমর সঙ্গীত সাধক বৈজু বাওড়া। তখনকার লোক কাহিনী নিয়ে অনেক গরবা-গীতও রচিত হয়েছে। প্রকৃতির অনবদ্য সৌন্দর্য এখানকার মন্দিরপ্রাঙ্গণ থেকে দেখা যায় সর্বত্র।
যাই হোক, সংকীর্ণ জায়গায় দেবীদর্শনে ধন্য হওয়ার পর যে সব যাত্রীরা নারকেল ভেঙে পুজো দিয়েছিলেন তাঁদেরই দেওয়া প্রসাদ প্রায় সবার কাছ থেকেই পেতে লাগলাম কিছু কিছু।
এই মহাকালী মন্দিরের মাথার উপরই আরও একটু উচ্চস্থানে আছে পিরের স্থান। যা সারা ভারতে আর কোথাও নেই।
মহাকালী মন্দিরটি ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে চৌহান বংশের রাজারা নির্মাণ করিয়েছিলেন। পরে মহম্মদ বেগড়ার আমলে সাদনশা নামে এক পিরবাবা এখানে আসেন এবং এই মন্দিরের মাথায় বসবাস করতে থাকেন। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি এখানে বরাবরই বজায় আছে বলে মন্দিরের পাশাপাশি পিরের স্থানও রয়েছে।
এখানকার এই পর্বতের পাওয়াগড় নামের নেপথ্যে একটি কিংবদন্তি আছে। কথিত আছে, হনুমান যখন বিশল্যকরণীর খোঁজে এসে গন্ধমাদন পর্বতকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই পর্বতের সামান্য একটু অংশ এখানে খসে পড়ে। একসেরের এক চতুর্থাংশ অর্থাৎ পউয়া বা পাওয়া। তাই থেকেই এই পর্বতের নাম পাওয়াগড়। এই দেবীস্থানকে ৫১ অথবা বাহান্ন পিঠের অন্তর্গত বলে অনেকে মনে করলেও সতী অঙ্গের কোন অংশটি যে এখানে পড়েছিল, তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেন না। তাই কারও কারও মতে এটি একটি উপপীঠ।
সমুদ্রতল থেকে ২ হাজার ৭২০ ফুট উঁচু এই পাহাড়ের দু’দিকে দুইটি চূড়া। একটিতে মহাকালী এবং অপরটিতে ভদ্রকালী। আমি মহাকালী দর্শনের পর ভদ্রকালী দেখতে গেলাম। তারপর আসন্ন মেলার প্রস্তুতি দেখতে দেখতে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম চারদিকে। ভারতের এই প্রসিদ্ধ দেবীপীঠে এলে তীর্থমহাত্ম্য ও অপূর্ব নৈসর্গিক পরিবেশের গুণে ভরে ওঠে মন। দূরত্বের কারণে ইচ্ছে হলেই তো সেখানে বারবার যাওয়া যায় না, তাই অন্তরেই দেবীর আরাধনা করি।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
25th  August, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১২
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

16th  February, 2020
একাকী ভোরের খোঁজে
কমলেশ রায়

দিন চলে যায় হিসেব মতন, ভোর-দুপুর-বিকেল। কেমন করে ভোর নামে আকাশের ঝাঁক তারা থেকে বা কোথাও অদৃশ্য জ্যোৎস্নায় উঁকিঝুঁকি দিয়ে বা ভোর বলে কিছু নেই। শুধুই দিন গুটোনো একটা অংশের নাম ভোর। গত চার-পাঁচ বছরে কিছুই জানে না দিব্যেন্দু। 
বিশদ

16th  February, 2020
 সোহিনী
আইভি চট্টোপাধ্যায়

এমারজেন্সির ডিউটি ডক্টর ফোন করেছিল, ‘ম্যাম, একবার আসতে হবে।’ এই মুশকিল। ওপিডি করে ওয়ার্ডে রাউন্ডে যাওয়ার কথা। এইসময় আবার এমারজেন্সি? কনসাল্টেশন রুমের বাইরেই অভীক। পেশেন্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা, সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী পেশেন্ট পাঠানো এসব ওর কাজ। অভীককে ডেকে নিল সোহিনী, ‘আর ক’জন আছে?’
বিশদ

09th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১১
বারিদবরণ ঘোষ

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১১

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- শেষ কিস্তি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে 

পর্ব-১০

এছাড়াও বেশ কিছু ছবি ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতাছাড়া হয়েছে। তারমধ্যে কয়েকটি মন্দ ভাগ্যের দরুন। যেমন— নীহাররঞ্জন গুপ্তর একটি গল্প নিয়ে ছবি করা তাঁর বহুদিনের ইচ্ছে ছিল। কিরীটী রায়ের ভূমিকায় প্রদীপ কুমার, নায়িকা সুচিত্রা সেন। ভানুর এই ছবি করা হয়নি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
নতুন মানুষ
বিভাসকুমার সরকার 

অনন্তরামের আজ বড় আনন্দ। কর্তামশাই আসছেন তার বাড়িতে। আবার একা নন, মেয়ে জামাই সুদ্ধ। সকাল থেকে তার ব্যস্ততার অন্ত নেই। এটা আনছে, ওটা সরাচ্ছে। তার সঙ্গে হাঁকডাক। পাড়ার লোকের চোখ ছানাবড়া। সাদাসিধা, শান্তশিষ্ট, লোকটার হল কী! 
বিশদ

02nd  February, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- নবম কিস্তি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

26th  January, 2020
দী পা ন্বি তা
বাণীব্রত চক্রবর্তী

পেছন থেকে কে যেন ডাকল। তার নাম ধরে নয়। সমরজিৎ স্পষ্ট শুনেছে, ‘মাস্টারমশাই! একটু থামবেন!’ অফিস থেকে ফিরছিল। বাস থেকে নেমে মিনিট দশেক হাঁটলে তাদের বাড়ি। চার মিনিট হাঁটার পর ডাকটা শুনতে পেয়েছিল। মাস্টারমশাই কেন! সে কলেজ স্ট্রিট পাড়ায় নিউ ওয়েভ পাবলিশিংয়ে কাজ করে। রবিবার সন্ধেবেলায় ময়ূরাক্ষী পল্লিতে দীপান্বিতাকে পড়াতে যায়। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিরণচন্দ্র মেমোরিয়াল আন্তঃকলেজ টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার প্রথম খেলায় বাগডোগরার কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয় ৬ উইকেটে পরাজিত করে বানারহাট কার্তিক ওঁরাও হিন্দি কলেজকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয়।  ...

বিএনএ, বহরমপুর: প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রঘুনাথগঞ্জের কেওড়াপাড়া এলাকার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওই যুবতী জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।  ...

থানে, ১৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): মহারাষ্ট্রের কল্যাণ ডোম্বিভালি পুরসভার এক বরিষ্ঠ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আর তার ভিত্তিতে সোমবার দুর্নীতি দমন শাখার পক্ষ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বালাসাহেব যাদব পেশায় পুরসভার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়র। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৭৩: জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের জন্ম
১৬৩০: মারাঠারাজ ছত্রপতি শিবাজির জন্ম
১৮৬১: দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রানি রাসমণির মৃত্যু
১৮৯১: দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হল অমৃতবাজার পত্রিকা
১৯১৫ : ভারতীয় রাজনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গোখলের মৃত্যু
১৯৭৮: রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যু
১৯৮৬: কম্পিউটার রিজার্ভেশন ব্যবস্থা চালু করল রেল





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২৪ টাকা ৯৪.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৫.৯২ টাকা ৭৮.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) একাদশী ২২/১১ দিবা ৩/৩। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৫/৩১/৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদায়াবধী। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, একাদশী ২৭/৪২/৫৮ সন্ধ্যা ৫/১৮/৩৯। মূলা ৬/২৭/৫৬ দিবা ৮/৪৮/৩৮। সূ উ ৬/১৩/২৮, অ ৫/২৯/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩১ মধ্যে ও ৯/৫১ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৫১ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/২/৩৫ গতে ১০/২৭/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/২/৩৫ গতে ৪/৩৮/২ মধ্যে।
২৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে দোকানে আগুন 
গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির শ্যামবসুর ...বিশদ

10:39:35 AM

সেভকে বাস দুর্ঘটনা, জখম বেশ কয়েকজন 
শিলিগুড়ি থেকে জয়গাঁ যাওয়ার পথে সেভকের কাছে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী ...বিশদ

10:33:22 AM

বোলপুরে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বোমা উদ্ধার 
বোলপুর থানার অন্তর্গত সিয়ান মুলুক পঞ্চায়েত অফিসের গেটের সামনের রাস্তায় ...বিশদ

10:19:20 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইম। ...বিশদ

10:04:38 AM

বন্দর এলাকায় বাইক দুর্ঘটনায় জখম ২ 

09:41:00 AM

কালীঘাটে গাছ ভেঙে পড়ে জখম যুবক 

09:40:00 AM