Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা। আমি ১৯৯০ সালের ২৪ মে প্রথম বরোদার পথে রওনা হয়েছিলাম। পরে ২০১১ সালের মার্চ মাসে আর একবার।
শহর হিসেবে বরোদা যে খুব একটা বড় তা নয়, তবে ব্যস্ত জনপদ। ইন্দো-সেরাসিনিক স্টাইলের স্থাপত্যই বরোদার বিশেষত্ব। ‘বডোপত্রক’ অর্থাৎ বট পাতা থেকেই এই শহরের নাম বাডোদারা বা ভাদোদারা। ইংরেজরা এর নাম দিয়েছিলেন বরোদা। এখন আবার পুরনো নামেই ফিরে এসেছে এই রাজকীয় ঐতিহ্যমণ্ডিত শহর।
এখন বরোদার কথা থাক। পাওয়াগড়ের কথা বলি। বরোদা থেকে পাওয়াগড়ের দূরত্ব ৪৭ কিমি। পাওয়াগড় পর্বতের পাদদেশে ৫ কিমি আগে চম্পানের গ্রাম। বরোদায় এক রাত কাটিয়ে পরদিন সকালেই স্টেশন সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড থেকে আমি চম্পানের যাওয়ার বাসে চাপলাম। উত্তর-পূর্ব গুজরাতের পাঁচমহল জেলায় চম্পানের বহু ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত এক প্রাচীন দুর্গ-শহর। শোনা যায়, পাটাই রাওয়াল বংশের শেষ রাজা ভানরাজ চাওড়ার এক সেনাপতির নাম ছিল চাঁপা বা চম্পা। তিনিই এই নগরীর পত্তন করেছিলেন বলে এর নাম হয় চাঁপানের বা চম্পানের। এখানেও দেখার মতো অনেক কিছুই আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মহম্মদ বেগড়ার অনবদ্য কীর্তি জামি মসজিদটি।
আমি প্রায় ঘণ্টাখানেক এখানে থেকে এখানকার মসজিদ ও খণ্ডহর দেখে একটি ট্রেকার নিয়ে চলে এলাম পাওয়াগড় পর্বতের কোলে ‘মাছি’তে। জায়গাটিকে কেউ মাচি আবার অনেকে মাছিও বলেন। এখান থেকে দেড় কিমি উচ্চতায় পাওয়াগড়ের দেবীস্থান। অত্যন্ত দুর্গম ও খাড়াই পথ। তবে ১৯৮৬ সালে কলকাতার ‘ঊষা ব্লেকো লিমিটেড’ ব্রিটেনের ব্রিটিশ রোপওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সাহায্য নিয়ে মাছি থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতায় ৭০০ মিটার লম্বা এখটি রোপওয়ে তৈরি করে দেওয়ায় যাত্রীসাধারণের খুবই সুবিধা হয়েছে।
পাওয়াগড় পর্বতে ১ হাজার ৩২৫ ফিট উঠলে বিশ্বামিত্রী নদীর উৎস দেখা যায়। কিন্তু উড়োনখাটোলায় অর্থাৎ রোপওয়েতে উঠেছি বলে সেই উৎস আমার দেখা হল না।
এবারও আমি এসেছিলাম নবরাত্রির মুখে। তাই এখানে বহু যাত্রীর সমাবেশ দেখতে পেলাম। আমি সেই যাত্রীদলের সঙ্গ নিয়েই পাওয়াগড়ের মহাকালীকে দর্শন করতে চললাম।
যাত্রাপথে দুটি প্রসিদ্ধ তালাও পড়ল। তার একটির নাম দুধিয়া তালাও, অপরটি ছাঁচিয়া তালাও। এ দুটির সম্বন্ধে প্রবাদ এই যে, একবার বিশ্বামিত্র মুনি যখন ধ্যানে মগ্ন সেই সময় তাঁর কামধেনুটি একটি গর্তের মধ্যে পড়ে যায় এবং তাকে গর্ত থেকে তোলবার জন্য বারবার মুনির কাছে আবেদন করতে থাকে। কিন্তু বিশ্বামিত্র তখন এমনই অবস্থার মধ্যে রয়েছেন যে, সেসময় তাঁর আসন ত্যাগ করে উঠে আসবার কোনও উপায় ছিল না। তাই তিনি কামধেনুকে একটু কষ্ট করেই উঠে আসতে বললেন। কামধেনু তখন বিশ্বামিত্রকে শরণ করে দুধে ভরিয়ে দিল গর্তটি। ফলে নিজের দুধে নিজেই ভেসে উঠে আসতে পারল। এই ঘটনার পর থেকেই তালাওয়ের নাম হল দুধিয়া তালাও। আর সেই দুধের ছাঁচ জমা হয়ে আর একটি যে তালাও সৃষ্টি হয়েছিল তার নাম হল ছাঁচিয়া তালাও। এর সুপেয় জলের জন্য অন্য আর এক নাম হল ‘সাস কি তালাও’। তবে পুণ্যার্থীরা এই তীর্থে এলে দুটি তালাওতেই স্নান করেন।
আমি অবশ্য স্নান না করে দুটি তালাওয়ের জলই মাথায় নিয়ে ৫২ পীঠের অন্যতম পাওয়াগড়ের কালীকে দর্শন করতে চললাম। অনেক সিঁড়ি বেয়ে পর্বতশিখরে আরোহণ করে দেবীকে প্রাণভরে দর্শন করলাম। দেবী এখানে মহাকালী হলেও মূর্তি বস্ত্রাবৃত একটি মুখবিশিষ্ট। দারুণ মহিমান্বিত এই দেবীকে দর্শন করতে কত যাত্রীরই না সমাগম হয়েছে আজ। কত মানুষ, কত পাখি, কত সৌন্দর্য বিরাজ করছে এখানে।
এই পাওয়াগড়েই জন্মেছিলেন অমর সঙ্গীত সাধক বৈজু বাওড়া। তখনকার লোক কাহিনী নিয়ে অনেক গরবা-গীতও রচিত হয়েছে। প্রকৃতির অনবদ্য সৌন্দর্য এখানকার মন্দিরপ্রাঙ্গণ থেকে দেখা যায় সর্বত্র।
যাই হোক, সংকীর্ণ জায়গায় দেবীদর্শনে ধন্য হওয়ার পর যে সব যাত্রীরা নারকেল ভেঙে পুজো দিয়েছিলেন তাঁদেরই দেওয়া প্রসাদ প্রায় সবার কাছ থেকেই পেতে লাগলাম কিছু কিছু।
এই মহাকালী মন্দিরের মাথার উপরই আরও একটু উচ্চস্থানে আছে পিরের স্থান। যা সারা ভারতে আর কোথাও নেই।
মহাকালী মন্দিরটি ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে চৌহান বংশের রাজারা নির্মাণ করিয়েছিলেন। পরে মহম্মদ বেগড়ার আমলে সাদনশা নামে এক পিরবাবা এখানে আসেন এবং এই মন্দিরের মাথায় বসবাস করতে থাকেন। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি এখানে বরাবরই বজায় আছে বলে মন্দিরের পাশাপাশি পিরের স্থানও রয়েছে।
এখানকার এই পর্বতের পাওয়াগড় নামের নেপথ্যে একটি কিংবদন্তি আছে। কথিত আছে, হনুমান যখন বিশল্যকরণীর খোঁজে এসে গন্ধমাদন পর্বতকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই পর্বতের সামান্য একটু অংশ এখানে খসে পড়ে। একসেরের এক চতুর্থাংশ অর্থাৎ পউয়া বা পাওয়া। তাই থেকেই এই পর্বতের নাম পাওয়াগড়। এই দেবীস্থানকে ৫১ অথবা বাহান্ন পিঠের অন্তর্গত বলে অনেকে মনে করলেও সতী অঙ্গের কোন অংশটি যে এখানে পড়েছিল, তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেন না। তাই কারও কারও মতে এটি একটি উপপীঠ।
সমুদ্রতল থেকে ২ হাজার ৭২০ ফুট উঁচু এই পাহাড়ের দু’দিকে দুইটি চূড়া। একটিতে মহাকালী এবং অপরটিতে ভদ্রকালী। আমি মহাকালী দর্শনের পর ভদ্রকালী দেখতে গেলাম। তারপর আসন্ন মেলার প্রস্তুতি দেখতে দেখতে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম চারদিকে। ভারতের এই প্রসিদ্ধ দেবীপীঠে এলে তীর্থমহাত্ম্য ও অপূর্ব নৈসর্গিক পরিবেশের গুণে ভরে ওঠে মন। দূরত্বের কারণে ইচ্ছে হলেই তো সেখানে বারবার যাওয়া যায় না, তাই অন্তরেই দেবীর আরাধনা করি।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
25th  August, 2019
মানুষ গড়ার কারিগর
সৌমিত্র চৌধুরী

 চোখের জল মুছে বাবা বলল, ‘ঠিক আছে স্যার, আপনার কথা রাখলাম। তবে ঋণ বাড়াব না। ফেল করলে ওর কিন্তু পড়া বন্ধ।’ এত দূর বলে আমাদের পিসিএম থামল। আমার চোখে বিস্ময়। জম স্যার নিজে গেল হাটখোলায়? একটু অবাক হয়েছিলাম সেদিন। কিন্তু কয়েকমাস পরে ক্লাসের সবাইকে, এমনকী গোটা স্কুলকে অবাক করে দেবার মতো ঘটনা ঘটল। অঙ্কে আশি নম্বর পেয়ে বার্ষিক পরীক্ষায় চার নম্বর স্থানটা দখল করেছে প্রদীপ। বিশদ

08th  December, 2019
অথৈ সাগর

 আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

08th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
সন্দীপ রায়চৌধুরী

 ওপার বাংলা থেকে আসা ‘বাঙাল’ ভানুকে শুধু চেহারা দেখেই নাকি ‘জাগরণ’ ছবির জন্য নির্বাচন করেছিলেন বিভূতি চক্রবর্তী। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, ‘আমার ছবিতে দুর্ভিক্ষপীড়িত চিমসে চেহারার একটা চরিত্র আছে, সেটা তুমি করবে।’ বিশদ

08th  December, 2019
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পর্ব * ১
সন্দীপ রায়চৌধুরী

উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের দ্যুতিতে ভাস্বর। এই লাইনটা বললে হয়তো এক রকম অপমানই করা হয় তাঁদের। কারণ অন্যের আলোয় আলোকিত হওয়ার প্রয়োজন এঁদের কারও কখনও হয়নি। এঁরা নিজেরাই এক একজন কিংবদন্তি।   বিশদ

01st  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

01st  December, 2019
ফেসবুকে বনলতা
শুচিস্মিতা দেব 

আমি তপেন বাগচি। পেশাহীন এবং নেশাহীন ছাপোষা মানুষ। পেশার অভাবে নেশা করার হিম্মত হয়নি কখনও। অভিজাত পাড়ায় ঠাকুরদার আমলের দোতলা বাড়িতে বিনা পয়সার বাসস্থান। বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার ঠাকুরদার ল ফার্মের যোগ্য উত্তরাধিকারী।   বিশদ

01st  December, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মহাকালীর কালীমঠ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

পর্ব-৩৭

হিমালয়ের পবিত্র দেবস্থানগুলি বারে বারে পরিব্রজন করলেও গুপ্তকাশীর অদূরে কালীমঠে আর যাওয়াই হয় না। তাই সেবার গৌরীকুণ্ডের পথে ত্রিযুগীনায়ারণ হয়ে গুপ্তকাশীতে এসে রাত্রিবাস করলাম। 
বিশদ

24th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৭

ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র, বিষয় ছিল রসায়ন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলতেন, ‘আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আচারে-ব্যবহারে, ভ্রমণে-পর্যটনে, খাদ্যে-পানীয়ে কালাপাহাড় বলিয়া পরিচিত মহলে আমার অখ্যাতি আছে; তবু আজ অস্বীকার করিতে পারি না, অলৌকিক শ্রেণীর দুইটি ঘটনার আমি সাক্ষী হইয়া আছি। 
বিশদ

24th  November, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: স্কুলের কাছে ‘প্রায়র পারমিশন’ (পিপি) এসে পৌঁছনোর আগেই শিক্ষক পদপ্রার্থীদের হাতে তা চলে আসছে। আর তার প্রতিলিপি নিয়েই স্কুলে যোগ দিতে চলে আসছেন শিক্ষকরা। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ঘটনা ঘটছে। বদলির আবেদন করা শিক্ষকদের হাতে এই পিপি ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অজ্ঞাতপরিচয় এক সাধুর মৃত্যু হল রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। রবিবার রাতে তারাপীঠের শ্মশান থেকে অসুস্থ ওই সাধুকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে তারাপীঠ থানার পুলিস। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।   ...

তিরুবনন্তপুরম, ৯ ডিসেম্বর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বিরাট কোহলি নিজের ব্যাটিং পজিশন ছেড়ে দিয়েছিলেন শিবম দুবেকে। তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগটা দারুণভাবে কাজে ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চাঁচলে। এই সপ্তাহেই চাঁচলের খরবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস,
১৮৭০- ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের জন্ম,
১৮৮৮- শহিদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম,
২০০১- অভিনেতা অশোককুমারের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৭ টাকা ৯৫.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৪ টাকা ৮০.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১১/২৬ দিবা ১০/৪৪। কৃত্তিকা ৫৯/২৯ শেষ রাত্রি ৫/৫৭। সূ উ ৬/৯/৩১, অ ৪/৪৮/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১০/২/৪৮ দিবা ১০/১২/৫। কৃত্তিকা ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৬/১০/৫৮, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৫৩ গতে ২/৯/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/২৬ গতে ৮/৯/৩৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ১২ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারকে হেনস্তার অভিযোগ 
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

03:30:27 PM

দক্ষিণদাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩ দুষ্কৃতী 

03:30:00 PM

আজ থেকে ৬ দিন বন্ধ মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি পরিষেবা 
আজ, মঙ্গলবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত দেশজুড়ে বন্ধ থাকবে মোবাইল ...বিশদ

03:22:06 PM

বয়স ভাঁড়িয়ে বিপাকে ইস্ট বেঙ্গল  
বেশি বয়সের ফুটবলার খেলানোর অভিযোগে অনূর্ধ্ব ১৫ আই লিগ থেকে ...বিশদ

03:05:11 PM

মন্তেশ্বরে স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী 

03:04:00 PM

আচার্য তথা রাজ্যপালের ক্ষমতা খর্ব, বিধানসভায় বিধি পেশ 
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে আচার্য তথা রাজ্যপালের ক্ষমতা খর্ব করার জন্য আজ ...বিশদ

01:59:00 PM