Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা। আমি ১৯৯০ সালের ২৪ মে প্রথম বরোদার পথে রওনা হয়েছিলাম। পরে ২০১১ সালের মার্চ মাসে আর একবার।
শহর হিসেবে বরোদা যে খুব একটা বড় তা নয়, তবে ব্যস্ত জনপদ। ইন্দো-সেরাসিনিক স্টাইলের স্থাপত্যই বরোদার বিশেষত্ব। ‘বডোপত্রক’ অর্থাৎ বট পাতা থেকেই এই শহরের নাম বাডোদারা বা ভাদোদারা। ইংরেজরা এর নাম দিয়েছিলেন বরোদা। এখন আবার পুরনো নামেই ফিরে এসেছে এই রাজকীয় ঐতিহ্যমণ্ডিত শহর।
এখন বরোদার কথা থাক। পাওয়াগড়ের কথা বলি। বরোদা থেকে পাওয়াগড়ের দূরত্ব ৪৭ কিমি। পাওয়াগড় পর্বতের পাদদেশে ৫ কিমি আগে চম্পানের গ্রাম। বরোদায় এক রাত কাটিয়ে পরদিন সকালেই স্টেশন সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ড থেকে আমি চম্পানের যাওয়ার বাসে চাপলাম। উত্তর-পূর্ব গুজরাতের পাঁচমহল জেলায় চম্পানের বহু ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত এক প্রাচীন দুর্গ-শহর। শোনা যায়, পাটাই রাওয়াল বংশের শেষ রাজা ভানরাজ চাওড়ার এক সেনাপতির নাম ছিল চাঁপা বা চম্পা। তিনিই এই নগরীর পত্তন করেছিলেন বলে এর নাম হয় চাঁপানের বা চম্পানের। এখানেও দেখার মতো অনেক কিছুই আছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মহম্মদ বেগড়ার অনবদ্য কীর্তি জামি মসজিদটি।
আমি প্রায় ঘণ্টাখানেক এখানে থেকে এখানকার মসজিদ ও খণ্ডহর দেখে একটি ট্রেকার নিয়ে চলে এলাম পাওয়াগড় পর্বতের কোলে ‘মাছি’তে। জায়গাটিকে কেউ মাচি আবার অনেকে মাছিও বলেন। এখান থেকে দেড় কিমি উচ্চতায় পাওয়াগড়ের দেবীস্থান। অত্যন্ত দুর্গম ও খাড়াই পথ। তবে ১৯৮৬ সালে কলকাতার ‘ঊষা ব্লেকো লিমিটেড’ ব্রিটেনের ব্রিটিশ রোপওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সাহায্য নিয়ে মাছি থেকে ৩০০ মিটার উচ্চতায় ৭০০ মিটার লম্বা এখটি রোপওয়ে তৈরি করে দেওয়ায় যাত্রীসাধারণের খুবই সুবিধা হয়েছে।
পাওয়াগড় পর্বতে ১ হাজার ৩২৫ ফিট উঠলে বিশ্বামিত্রী নদীর উৎস দেখা যায়। কিন্তু উড়োনখাটোলায় অর্থাৎ রোপওয়েতে উঠেছি বলে সেই উৎস আমার দেখা হল না।
এবারও আমি এসেছিলাম নবরাত্রির মুখে। তাই এখানে বহু যাত্রীর সমাবেশ দেখতে পেলাম। আমি সেই যাত্রীদলের সঙ্গ নিয়েই পাওয়াগড়ের মহাকালীকে দর্শন করতে চললাম।
যাত্রাপথে দুটি প্রসিদ্ধ তালাও পড়ল। তার একটির নাম দুধিয়া তালাও, অপরটি ছাঁচিয়া তালাও। এ দুটির সম্বন্ধে প্রবাদ এই যে, একবার বিশ্বামিত্র মুনি যখন ধ্যানে মগ্ন সেই সময় তাঁর কামধেনুটি একটি গর্তের মধ্যে পড়ে যায় এবং তাকে গর্ত থেকে তোলবার জন্য বারবার মুনির কাছে আবেদন করতে থাকে। কিন্তু বিশ্বামিত্র তখন এমনই অবস্থার মধ্যে রয়েছেন যে, সেসময় তাঁর আসন ত্যাগ করে উঠে আসবার কোনও উপায় ছিল না। তাই তিনি কামধেনুকে একটু কষ্ট করেই উঠে আসতে বললেন। কামধেনু তখন বিশ্বামিত্রকে শরণ করে দুধে ভরিয়ে দিল গর্তটি। ফলে নিজের দুধে নিজেই ভেসে উঠে আসতে পারল। এই ঘটনার পর থেকেই তালাওয়ের নাম হল দুধিয়া তালাও। আর সেই দুধের ছাঁচ জমা হয়ে আর একটি যে তালাও সৃষ্টি হয়েছিল তার নাম হল ছাঁচিয়া তালাও। এর সুপেয় জলের জন্য অন্য আর এক নাম হল ‘সাস কি তালাও’। তবে পুণ্যার্থীরা এই তীর্থে এলে দুটি তালাওতেই স্নান করেন।
আমি অবশ্য স্নান না করে দুটি তালাওয়ের জলই মাথায় নিয়ে ৫২ পীঠের অন্যতম পাওয়াগড়ের কালীকে দর্শন করতে চললাম। অনেক সিঁড়ি বেয়ে পর্বতশিখরে আরোহণ করে দেবীকে প্রাণভরে দর্শন করলাম। দেবী এখানে মহাকালী হলেও মূর্তি বস্ত্রাবৃত একটি মুখবিশিষ্ট। দারুণ মহিমান্বিত এই দেবীকে দর্শন করতে কত যাত্রীরই না সমাগম হয়েছে আজ। কত মানুষ, কত পাখি, কত সৌন্দর্য বিরাজ করছে এখানে।
এই পাওয়াগড়েই জন্মেছিলেন অমর সঙ্গীত সাধক বৈজু বাওড়া। তখনকার লোক কাহিনী নিয়ে অনেক গরবা-গীতও রচিত হয়েছে। প্রকৃতির অনবদ্য সৌন্দর্য এখানকার মন্দিরপ্রাঙ্গণ থেকে দেখা যায় সর্বত্র।
যাই হোক, সংকীর্ণ জায়গায় দেবীদর্শনে ধন্য হওয়ার পর যে সব যাত্রীরা নারকেল ভেঙে পুজো দিয়েছিলেন তাঁদেরই দেওয়া প্রসাদ প্রায় সবার কাছ থেকেই পেতে লাগলাম কিছু কিছু।
এই মহাকালী মন্দিরের মাথার উপরই আরও একটু উচ্চস্থানে আছে পিরের স্থান। যা সারা ভারতে আর কোথাও নেই।
মহাকালী মন্দিরটি ১৩০০ খ্রিস্টাব্দে চৌহান বংশের রাজারা নির্মাণ করিয়েছিলেন। পরে মহম্মদ বেগড়ার আমলে সাদনশা নামে এক পিরবাবা এখানে আসেন এবং এই মন্দিরের মাথায় বসবাস করতে থাকেন। হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি এখানে বরাবরই বজায় আছে বলে মন্দিরের পাশাপাশি পিরের স্থানও রয়েছে।
এখানকার এই পর্বতের পাওয়াগড় নামের নেপথ্যে একটি কিংবদন্তি আছে। কথিত আছে, হনুমান যখন বিশল্যকরণীর খোঁজে এসে গন্ধমাদন পর্বতকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখনই পর্বতের সামান্য একটু অংশ এখানে খসে পড়ে। একসেরের এক চতুর্থাংশ অর্থাৎ পউয়া বা পাওয়া। তাই থেকেই এই পর্বতের নাম পাওয়াগড়। এই দেবীস্থানকে ৫১ অথবা বাহান্ন পিঠের অন্তর্গত বলে অনেকে মনে করলেও সতী অঙ্গের কোন অংশটি যে এখানে পড়েছিল, তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেন না। তাই কারও কারও মতে এটি একটি উপপীঠ।
সমুদ্রতল থেকে ২ হাজার ৭২০ ফুট উঁচু এই পাহাড়ের দু’দিকে দুইটি চূড়া। একটিতে মহাকালী এবং অপরটিতে ভদ্রকালী। আমি মহাকালী দর্শনের পর ভদ্রকালী দেখতে গেলাম। তারপর আসন্ন মেলার প্রস্তুতি দেখতে দেখতে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম চারদিকে। ভারতের এই প্রসিদ্ধ দেবীপীঠে এলে তীর্থমহাত্ম্য ও অপূর্ব নৈসর্গিক পরিবেশের গুণে ভরে ওঠে মন। দূরত্বের কারণে ইচ্ছে হলেই তো সেখানে বারবার যাওয়া যায় না, তাই অন্তরেই দেবীর আরাধনা করি।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
25th  August, 2019
 অথৈ সাগর
পর্ব ১৭

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ১৭

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- ষষ্ঠ কিস্তি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

15th  March, 2020
আশীর্বাদ অনন্ত
তপনকুমার দাস

‘মা তুমি?’ দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ানো পরমাকে দেখে চমকে ওঠে অভিজাত। প্রায় দেড় বছর পরে বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো মাকে দেখলে অবাক না হয়ে উপায় কী?  বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৫
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৫

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

08th  March, 2020
দোল
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

এই বাড়িটা তোমার? এত সুন্দর! পথে আসতে-আসতে এর কথাই তুমি বলছিলে আমায়? এই কথা বলে ফেলিনি ঘুরে ঘুরে বাড়িটি দেখতে থাকল।
আহামরি কিছু নয়। খুব সামান্য এক মাটির বাড়ি। ট্যারাবাঁকা। মাথায় টালিখোলা। এদিক-ওদিক ভাঙা-ফাটা। বাড়ির সামনে একটু ফাঁকা জমিন, সেখানে প্রাচীন এক কদমগাছ।   বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- তৃতীয় কিস্তি।  বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৪
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

01st  March, 2020
সংবর্ধনা
বিপুল মজুমদার

‘আমাদের ক্লাবের একটা নিয়ম আছে দাদা। প্রত্যেক বছর ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠানে দু’জনকে আমরা সংবর্ধিত করি। একজন আপনার মতো প্রথিতযশা কেউ, অন্যজন আমাদের এই সুজনপুরের কোনও কৃতী সন্তান। এ বছর উত্তম মণ্ডলকে আমরা বেছে নিয়েছি। ওই কোণের দিকে হলদে জামা পরা যে মানুষটিকে দেখছেন ওই হল উত্তম। 
বিশদ

01st  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বিতীয় কিস্তি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৩
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
গায়ক চারা
সসীমকুমার বাড়ৈ

—স্যার, ও এসেছে।
—কে? মন্দার ফাইল থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল।  বিশদ

23rd  February, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল: করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দু’বছরের বেতন দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা সাংসদ গৌতম গম্ভীর। ট্যুইটারে পূর্ব দিল্লির সাংসদ লিখেছেন, ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি ও মালবাজার: বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি ব্লকের আমগুড়িতে বাইসন ঢুকে পড়ায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্যে ছড়ায়। পরে বনকর্মীরা এসে ঘুমপাড়ানি গুলি করে বাইসনটিকে কাবু করে। বনদপ্তর ...

নয়াদিল্লি, ২ এপ্রিল: করোনার বিস্তার রুখতে দেশজুড়ে লকডাউন কার্যকর করেছে কেন্দ্র। এতে কাজ হারানোর ফলে বহু দুঃস্থ, শ্রমিক ও দিনমজুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা মোকাবিলা করার জন্য রাজ্য সরকারের আপৎকালীন তহবিলে বহু ব্যক্তি, সংগঠন, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান তাদের সামর্থ্যমতো অর্থ সাহায্য করছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

খরচের চাপ এত বেশি থাকবে যে সঞ্চয় তেমন একটা হবে না। কর্মক্ষেত্রে নানা সমস্যা দেখা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৮০: রায়গড় দুর্গে মৃত্যু হল শিবাজির
১৯৫৫: গায়ক হরিহরনের জন্ম
১৯৬২: অভিনেত্রী জয়াপ্রদার জন্ম
২০১০: প্রথম জেনারশনের আই প্যাড বাজারে আনে অ্যাপল 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৬৪ টাকা ৭৬.৩৬ টাকা
পাউন্ড ৭৬.৩৬ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮১.৭৩ টাকা ৮৪.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
01st  April, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) অষ্টমী ৫৫/১৯ রাত্রি ৩/৪১। আর্দ্রা ৩৪/৫০ রাত্রি ৭/২৯। সূ উ ৫/৩৩/১, অ ৫/৪৮/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৮ গতে ১১/১৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৪/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ১০/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৬ গতে ১০/৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/৪ মধ্যে।
১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, অষ্টমী ৪১/১৫/৩৫ রাত্রি ১০/৪/৫৮। আর্দ্রা ২২/৩০/৫২ দিবা ২/৩৫/৫। সূ উ ৫/৩৪/৪৪, অ ৫/৪৮/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৮/১১ গতে ১০/৯/৫৪ মধ্যে।
 ৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়াল 

02-04-2020 - 12:02:29 AM

বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল 

02-04-2020 - 09:45:51 PM

মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সোহিনীর এক লক্ষ 
করোনা মোকাবিলায় রাজ্য সরকারের পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ...বিশদ

02-04-2020 - 08:27:27 PM

দেশে করোনা আক্রান্ত ২৩৩১ জন, মৃত ৭৩: পিটিআই 

02-04-2020 - 07:35:43 PM

রাজ্যে বর্তমানে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ জন, নবান্নে জানালেন  মুখ্যসচিব
বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ করোনা মোকাবিলায় নবান্নে স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ...বিশদ

02-04-2020 - 06:34:00 PM

আজ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমানে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

02-04-2020 - 06:32:00 PM