Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 পর্ব-২৪ 

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান। তাই বেচারা দুর্গা এখানে বেচরাজি নামে খ্যাত।
মাহেসানা থেকে বেচরাজি যাওয়ার পথে ২৫ কিমি দূরে পড়ে ভারতের আর এক সূর্যমন্দির মধেরা। কোনারকের সূর্যমন্দিরের চেয়েও একশো বছরের প্রাচীন এটি।
বেচরাজিকে দর্শন করার আগে সূর্যমন্দির দর্শন করার লোভ সামলাতে পারলাম না। বাস থেকে নেমে সামান্য হাঁটাপথে যেতেই মাঠের মধ্যিখানে দেখতে পেলাম সেই সুপ্রাচীন সূর্যমন্দির। মন্দিরের অবস্থা খুবই খারাপ। তবে তখন সেখানে পুরোদমে সংস্কারের কাজ চলছে (১৯৯০ সাল)। মন্দিরের ঠিক পিছনদিক দিয়েই বয়ে চলেছে পুষ্পবতী নদী। ১০২৬-২৭ খ্রিস্টাব্দে সোলাঙ্কি রাজ প্রথম ভীবদেব এই সূর্যমন্দির নির্মাণ করিয়েছিলেন। এর ভিতর এবং বাইরের সমস্ত কারুকার্যগুলি এমনভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে যে মনে হল মন্দির নয় মন্দিরের কঙ্কাল দেখছি যেন।
মন্দিরের সামনেই আছে চতুষ্কোণ একটি কুণ্ড। এর নাম সূর্য কুণ্ড। কেউ কেউ রামকুণ্ডও বলেন। মন্দিরের চারপাশে মোট ১০৮ ছোট মন্দিরও আছে। সেগুলিও এখন ধ্বংস দশা প্রাপ্ত।
মধেরার সূর্যমন্দিরটি ৫২ ফুট লম্বা ও ২৬ ফুট চওড়া। এর উপরিভাগ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বহুকাল আগেই। সূর্যমূর্তিও ধ্বংসের সময় থেকেই উধাও। তা হোক বহুচরা দেবীকে দর্শন করতে এসে মধেরার সূর্যমন্দির দর্শনও আমার এক পরম প্রাপ্তি।
সূর্যমন্দির দেখার পর যে দেবীকে দর্শন করবার জন্য এত দূরের পথ এসেছি সেই বহুচরা বা বেচরাজিকে দর্শন করতে চললাম এবার। পথের দূরত্ব ৩৫ কিমি। তখন বাসের ভাড়া ছিল দু’টাকা।
গায়কোয়াড় রাজ্যের অন্তর্গত মাহেসানা নগরের চুরাল গ্রামে বহুচরা দেবীর মন্দির। এই স্থানকে ৫২ পীঠের অন্তর্গত আদ্য সিদ্ধপীঠ হিসেবে মনে করেন অনেকে। এখানে সতীর বাম ও দক্ষিণ তালু, মতান্তরে মুণ্ড পতিত হয়েছিল। আমি অবশ্য ওই ধরনের বিভ্রান্তি বা মতান্তরের মধ্যে নেই। দেবীই আমার কাছে প্রধান।
যাই হোক, বহুচরা বা বেচরাজিতে যখন এসে পৌঁছলাম তখন দেখলাম রীতিমতো মেলা বসে গিয়েছে চারদিকে। এখন তো বাসন্তী নবরাত্রি চলছে। তাই শুধু আমি নই আরও অনেক যাত্রী এসেছেন এখানে। তাদেরই সঙ্গ নিয়ে চললাম। সামান্য কিছু পথ আসতেই পৌঁছে গেলাম মন্দিরে।
কী সুন্দর রম্য মন্দির! নবরাত্রির জন্য নতুন রং করা হয়েছে মন্দিরে। শিশু বৃদ্ধ যুবা ও নারীতে পরিপূর্ণ মন্দির প্রাঙ্গণ। তবে কিনা অত্যধিক যাত্রীর ভিড়ের জন্য এখানে আশ্রয় পাওয়া খুবই দুষ্কর। তাই মাহেসানায় ফিরে যেতেই হবে। যাই হোক আমার ভাগ্য প্রসন্ন বলেই মন্দির কমিটির বদান্যতায় একদিনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা হয়ে গেল।
ঘরে ব্যাগ রেখে দর্শনে বেরলাম। মন্দিরে তখন পুজোপাঠ চলছে। আমি শ্রদ্ধাবনত চিত্তে আমার বহু আকাঙ্ক্ষিত বহুচরা দেবী বা বেচরাজিকে দর্শন করে আমার মনোবাসনা পূর্ণ করলাম। মূল মূর্তি ছোট্ট একটি কালো পাথরের। তাকে ঘিরেই চতুর্ভুজা দেবীর বড় রৌপ্যমূর্তি। ইনি বেচরাজি এবং বহুচরা।
বহুচরা শব্দের অর্থ বিশ্ববাসিনী। বহুচরণ করেন যিনি। ইতি ভূচরা বা পৃথিবী দেবী। সমগ্র গুজরাত প্রদেশে এই দেবীর দারুণ প্রভাব। যদিও এই দেবী দুর্গারই নামান্তর তবুও সাতদিনে তাঁর সাতরকম বাহন হয়। কখনও বাঘ, কখনও হাতি, কখনও ময়ূর ইত্যাদি।
আমি মন্দিরে পুজো দিয়ে দেবী দর্শনের পর সমগ্র এলাকায় ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। মন্দিরের বহিরাংশে অসংখ্য নৃত্যরতা রমণীর ভব্যমূর্তি খোদাই করা আছে দেখলাম। মন্দির প্রাঙ্গণের পিছনদিকে আছে একটি রেলিং ঘেরা জায়গায় অনেক তপস্বিনীর মূর্তি। এরই একপাশে দেবীর সারথি নরসিংহ বীরদাতার পবিত্র স্থান। এঁর একটি ছোট্ট মন্দিরও আছে। আছে মান সরোবর। সেখানে ছোট ছোট শিশুদের মুণ্ডন (ন্যাড়া) করা হচ্ছে। তাদের কচি কণ্ঠের কান্নায় তখন কান পাতা দায়। শয়ে শয়ে শিশুর মুণ্ডন। সে এক দেখার মতো দৃশ্য। উত্তরপ্রদেশে শাকম্ভরী শক্তিপীঠের শাকম্ভরী দেবীর মতো এই দেবী শিশুদের রক্ষা করেন। কচ্ছের রান অঞ্চলের আশাপুরা মাতা যেমন অনেকের আশা পূর্ণ করেন, তেমনই এখানকার এই দেবীর কাছে বন্ধ্যা নারীরা সন্তান কামনায় প্রার্থনা করলে তিনি সেই কামনা পূরণ তো করেনই উপরন্তু শিশুদেরও রক্ষা করেন। এই দেবী যেমনই বেচরা তেমনই বহুচরা। প্রতি রজনীতে তিনি আশপাশের গ্রামগুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন। মানুষের দুঃখকষ্ট দূর করেন। বিশেষ করে সর্বক্ষণ শিশুদের রক্ষা করেন তিনি। তাই এই অঞ্চলে প্রবাদ আছে দেবীর কৃপায় এই চুরাল গ্রামে আজ পর্যন্ত অকালমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর কোনও ঘটনা নেই। দেবীর প্রতি এখানকার মানুষের এমনই বিশ্বাস ও ভক্তি যে, পাছে কালের প্রভাবে এই ‘বিশ্বাসে’ চিড় ধরে সেজন্য মেয়েরা গর্ভবতী হলেই তাদের বাপের বাড়ি বা গ্রামের বাইরে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়।
চুরালের বহুচরা তীর্থে এসে অনেক আনন্দ পেলাম আমি। সারাদিন ঘুরে বেড়িয়ে গুজরাতি খানা খেয়ে মনও ভরে গেল। শুনলাম শারদ ও বাসন্তী নবরাত্রে এবং হোলিতে এখানে দারুণ উৎসব হয়। তখন এখানে থাকার জন্য সামান্য একটু জায়গাও মেলে না। আমি অবশ্য দৈবী কৃপায় ঘর পেয়েছি।
আজ রাতে এখানে গরবা নাচ হবে। গুজরাতি রমণীদের চরণছন্দে মেতে উঠবে এখানকার মন্দির প্রাঙ্গণ। আকাশ তারার মালায় সাজবে। নববধূর মতো লাজুক লাজুক মুখ করে তাকিয়ে দেখবে দশমীর চাঁদ। মাথায় গর্ভদীপ নিয়ে সুন্দরী রমণীদের নৃত্যের তালে তালে রাত ভোর হয়ে যাবে। একটি দুটি করে পাখি ডাকবে। জনতার উজান স্রোতে ভেসে ভেসে আমার তরীও একসময় গিয়ে ভিড়বে আহিসোনায় অথবা মাহেসানায়।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল
18th  August, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১২
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

16th  February, 2020
একাকী ভোরের খোঁজে
কমলেশ রায়

দিন চলে যায় হিসেব মতন, ভোর-দুপুর-বিকেল। কেমন করে ভোর নামে আকাশের ঝাঁক তারা থেকে বা কোথাও অদৃশ্য জ্যোৎস্নায় উঁকিঝুঁকি দিয়ে বা ভোর বলে কিছু নেই। শুধুই দিন গুটোনো একটা অংশের নাম ভোর। গত চার-পাঁচ বছরে কিছুই জানে না দিব্যেন্দু। 
বিশদ

16th  February, 2020
 সোহিনী
আইভি চট্টোপাধ্যায়

এমারজেন্সির ডিউটি ডক্টর ফোন করেছিল, ‘ম্যাম, একবার আসতে হবে।’ এই মুশকিল। ওপিডি করে ওয়ার্ডে রাউন্ডে যাওয়ার কথা। এইসময় আবার এমারজেন্সি? কনসাল্টেশন রুমের বাইরেই অভীক। পেশেন্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা, সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী পেশেন্ট পাঠানো এসব ওর কাজ। অভীককে ডেকে নিল সোহিনী, ‘আর ক’জন আছে?’
বিশদ

09th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১১
বারিদবরণ ঘোষ

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১১

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- শেষ কিস্তি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে 

পর্ব-১০

এছাড়াও বেশ কিছু ছবি ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতাছাড়া হয়েছে। তারমধ্যে কয়েকটি মন্দ ভাগ্যের দরুন। যেমন— নীহাররঞ্জন গুপ্তর একটি গল্প নিয়ে ছবি করা তাঁর বহুদিনের ইচ্ছে ছিল। কিরীটী রায়ের ভূমিকায় প্রদীপ কুমার, নায়িকা সুচিত্রা সেন। ভানুর এই ছবি করা হয়নি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
নতুন মানুষ
বিভাসকুমার সরকার 

অনন্তরামের আজ বড় আনন্দ। কর্তামশাই আসছেন তার বাড়িতে। আবার একা নন, মেয়ে জামাই সুদ্ধ। সকাল থেকে তার ব্যস্ততার অন্ত নেই। এটা আনছে, ওটা সরাচ্ছে। তার সঙ্গে হাঁকডাক। পাড়ার লোকের চোখ ছানাবড়া। সাদাসিধা, শান্তশিষ্ট, লোকটার হল কী! 
বিশদ

02nd  February, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- নবম কিস্তি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

26th  January, 2020
দী পা ন্বি তা
বাণীব্রত চক্রবর্তী

পেছন থেকে কে যেন ডাকল। তার নাম ধরে নয়। সমরজিৎ স্পষ্ট শুনেছে, ‘মাস্টারমশাই! একটু থামবেন!’ অফিস থেকে ফিরছিল। বাস থেকে নেমে মিনিট দশেক হাঁটলে তাদের বাড়ি। চার মিনিট হাঁটার পর ডাকটা শুনতে পেয়েছিল। মাস্টারমশাই কেন! সে কলেজ স্ট্রিট পাড়ায় নিউ ওয়েভ পাবলিশিংয়ে কাজ করে। রবিবার সন্ধেবেলায় ময়ূরাক্ষী পল্লিতে দীপান্বিতাকে পড়াতে যায়। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
একনজরে
সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তার মধ্যে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর ক্লারিকাল পদ এবং প্রায় সাত বছর পর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হবে। তার লিখিত পরীক্ষার জন্য এই প্রথম একটি বাইরের এজেন্সিকে দায়িত্ব দিল ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিরণচন্দ্র মেমোরিয়াল আন্তঃকলেজ টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার প্রথম খেলায় বাগডোগরার কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয় ৬ উইকেটে পরাজিত করে বানারহাট কার্তিক ওঁরাও হিন্দি কলেজকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয়।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সংগঠনকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ উপাচার্য। তাঁর এই ভূমিকার প্রতিবাদ জানিয়েছে অধ্যাপক সংগঠন অ্যাবুটা। এই মর্মে তারা উপাচার্যকে প্রতিবাদপত্রও পাঠিয়েছে। ...

 করাচি, ১৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পাকিস্তানের করাচিতে রহস্যময় বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৪ জনের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বহু মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে করাচির প্রশাসন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৭৩: জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের জন্ম
১৬৩০: মারাঠারাজ ছত্রপতি শিবাজির জন্ম
১৮৬১: দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রানি রাসমণির মৃত্যু
১৮৯১: দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হল অমৃতবাজার পত্রিকা
১৯১৫ : ভারতীয় রাজনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গোখলের মৃত্যু
১৯৭৮: রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যু
১৯৮৬: কম্পিউটার রিজার্ভেশন ব্যবস্থা চালু করল রেল





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২৪ টাকা ৯৪.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৫.৯২ টাকা ৭৮.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) একাদশী ২২/১১ দিবা ৩/৩। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৫/৩১/৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদায়াবধী। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, একাদশী ২৭/৪২/৫৮ সন্ধ্যা ৫/১৮/৩৯। মূলা ৬/২৭/৫৬ দিবা ৮/৪৮/৩৮। সূ উ ৬/১৩/২৮, অ ৫/২৯/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩১ মধ্যে ও ৯/৫১ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৫১ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/২/৩৫ গতে ১০/২৭/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/২/৩৫ গতে ৪/৩৮/২ মধ্যে।
২৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপিতে দোকানে আগুন 
গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপির শ্যামবসুর ...বিশদ

10:39:35 AM

সেভকে বাস দুর্ঘটনা, জখম বেশ কয়েকজন 
শিলিগুড়ি থেকে জয়গাঁ যাওয়ার পথে সেভকের কাছে দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী ...বিশদ

10:33:22 AM

বোলপুরে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে বোমা উদ্ধার 
বোলপুর থানার অন্তর্গত সিয়ান মুলুক পঞ্চায়েত অফিসের গেটের সামনের রাস্তায় ...বিশদ

10:19:20 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইম। ...বিশদ

10:04:38 AM

বন্দর এলাকায় বাইক দুর্ঘটনায় জখম ২ 

09:41:00 AM

কালীঘাটে গাছ ভেঙে পড়ে জখম যুবক 

09:40:00 AM