Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 পর্ব-২৪ 

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান। তাই বেচারা দুর্গা এখানে বেচরাজি নামে খ্যাত।
মাহেসানা থেকে বেচরাজি যাওয়ার পথে ২৫ কিমি দূরে পড়ে ভারতের আর এক সূর্যমন্দির মধেরা। কোনারকের সূর্যমন্দিরের চেয়েও একশো বছরের প্রাচীন এটি।
বেচরাজিকে দর্শন করার আগে সূর্যমন্দির দর্শন করার লোভ সামলাতে পারলাম না। বাস থেকে নেমে সামান্য হাঁটাপথে যেতেই মাঠের মধ্যিখানে দেখতে পেলাম সেই সুপ্রাচীন সূর্যমন্দির। মন্দিরের অবস্থা খুবই খারাপ। তবে তখন সেখানে পুরোদমে সংস্কারের কাজ চলছে (১৯৯০ সাল)। মন্দিরের ঠিক পিছনদিক দিয়েই বয়ে চলেছে পুষ্পবতী নদী। ১০২৬-২৭ খ্রিস্টাব্দে সোলাঙ্কি রাজ প্রথম ভীবদেব এই সূর্যমন্দির নির্মাণ করিয়েছিলেন। এর ভিতর এবং বাইরের সমস্ত কারুকার্যগুলি এমনভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে যে মনে হল মন্দির নয় মন্দিরের কঙ্কাল দেখছি যেন।
মন্দিরের সামনেই আছে চতুষ্কোণ একটি কুণ্ড। এর নাম সূর্য কুণ্ড। কেউ কেউ রামকুণ্ডও বলেন। মন্দিরের চারপাশে মোট ১০৮ ছোট মন্দিরও আছে। সেগুলিও এখন ধ্বংস দশা প্রাপ্ত।
মধেরার সূর্যমন্দিরটি ৫২ ফুট লম্বা ও ২৬ ফুট চওড়া। এর উপরিভাগ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বহুকাল আগেই। সূর্যমূর্তিও ধ্বংসের সময় থেকেই উধাও। তা হোক বহুচরা দেবীকে দর্শন করতে এসে মধেরার সূর্যমন্দির দর্শনও আমার এক পরম প্রাপ্তি।
সূর্যমন্দির দেখার পর যে দেবীকে দর্শন করবার জন্য এত দূরের পথ এসেছি সেই বহুচরা বা বেচরাজিকে দর্শন করতে চললাম এবার। পথের দূরত্ব ৩৫ কিমি। তখন বাসের ভাড়া ছিল দু’টাকা।
গায়কোয়াড় রাজ্যের অন্তর্গত মাহেসানা নগরের চুরাল গ্রামে বহুচরা দেবীর মন্দির। এই স্থানকে ৫২ পীঠের অন্তর্গত আদ্য সিদ্ধপীঠ হিসেবে মনে করেন অনেকে। এখানে সতীর বাম ও দক্ষিণ তালু, মতান্তরে মুণ্ড পতিত হয়েছিল। আমি অবশ্য ওই ধরনের বিভ্রান্তি বা মতান্তরের মধ্যে নেই। দেবীই আমার কাছে প্রধান।
যাই হোক, বহুচরা বা বেচরাজিতে যখন এসে পৌঁছলাম তখন দেখলাম রীতিমতো মেলা বসে গিয়েছে চারদিকে। এখন তো বাসন্তী নবরাত্রি চলছে। তাই শুধু আমি নই আরও অনেক যাত্রী এসেছেন এখানে। তাদেরই সঙ্গ নিয়ে চললাম। সামান্য কিছু পথ আসতেই পৌঁছে গেলাম মন্দিরে।
কী সুন্দর রম্য মন্দির! নবরাত্রির জন্য নতুন রং করা হয়েছে মন্দিরে। শিশু বৃদ্ধ যুবা ও নারীতে পরিপূর্ণ মন্দির প্রাঙ্গণ। তবে কিনা অত্যধিক যাত্রীর ভিড়ের জন্য এখানে আশ্রয় পাওয়া খুবই দুষ্কর। তাই মাহেসানায় ফিরে যেতেই হবে। যাই হোক আমার ভাগ্য প্রসন্ন বলেই মন্দির কমিটির বদান্যতায় একদিনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা হয়ে গেল।
ঘরে ব্যাগ রেখে দর্শনে বেরলাম। মন্দিরে তখন পুজোপাঠ চলছে। আমি শ্রদ্ধাবনত চিত্তে আমার বহু আকাঙ্ক্ষিত বহুচরা দেবী বা বেচরাজিকে দর্শন করে আমার মনোবাসনা পূর্ণ করলাম। মূল মূর্তি ছোট্ট একটি কালো পাথরের। তাকে ঘিরেই চতুর্ভুজা দেবীর বড় রৌপ্যমূর্তি। ইনি বেচরাজি এবং বহুচরা।
বহুচরা শব্দের অর্থ বিশ্ববাসিনী। বহুচরণ করেন যিনি। ইতি ভূচরা বা পৃথিবী দেবী। সমগ্র গুজরাত প্রদেশে এই দেবীর দারুণ প্রভাব। যদিও এই দেবী দুর্গারই নামান্তর তবুও সাতদিনে তাঁর সাতরকম বাহন হয়। কখনও বাঘ, কখনও হাতি, কখনও ময়ূর ইত্যাদি।
আমি মন্দিরে পুজো দিয়ে দেবী দর্শনের পর সমগ্র এলাকায় ঘুরে বেড়াতে লাগলাম। মন্দিরের বহিরাংশে অসংখ্য নৃত্যরতা রমণীর ভব্যমূর্তি খোদাই করা আছে দেখলাম। মন্দির প্রাঙ্গণের পিছনদিকে আছে একটি রেলিং ঘেরা জায়গায় অনেক তপস্বিনীর মূর্তি। এরই একপাশে দেবীর সারথি নরসিংহ বীরদাতার পবিত্র স্থান। এঁর একটি ছোট্ট মন্দিরও আছে। আছে মান সরোবর। সেখানে ছোট ছোট শিশুদের মুণ্ডন (ন্যাড়া) করা হচ্ছে। তাদের কচি কণ্ঠের কান্নায় তখন কান পাতা দায়। শয়ে শয়ে শিশুর মুণ্ডন। সে এক দেখার মতো দৃশ্য। উত্তরপ্রদেশে শাকম্ভরী শক্তিপীঠের শাকম্ভরী দেবীর মতো এই দেবী শিশুদের রক্ষা করেন। কচ্ছের রান অঞ্চলের আশাপুরা মাতা যেমন অনেকের আশা পূর্ণ করেন, তেমনই এখানকার এই দেবীর কাছে বন্ধ্যা নারীরা সন্তান কামনায় প্রার্থনা করলে তিনি সেই কামনা পূরণ তো করেনই উপরন্তু শিশুদেরও রক্ষা করেন। এই দেবী যেমনই বেচরা তেমনই বহুচরা। প্রতি রজনীতে তিনি আশপাশের গ্রামগুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন। মানুষের দুঃখকষ্ট দূর করেন। বিশেষ করে সর্বক্ষণ শিশুদের রক্ষা করেন তিনি। তাই এই অঞ্চলে প্রবাদ আছে দেবীর কৃপায় এই চুরাল গ্রামে আজ পর্যন্ত অকালমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর কোনও ঘটনা নেই। দেবীর প্রতি এখানকার মানুষের এমনই বিশ্বাস ও ভক্তি যে, পাছে কালের প্রভাবে এই ‘বিশ্বাসে’ চিড় ধরে সেজন্য মেয়েরা গর্ভবতী হলেই তাদের বাপের বাড়ি বা গ্রামের বাইরে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়।
চুরালের বহুচরা তীর্থে এসে অনেক আনন্দ পেলাম আমি। সারাদিন ঘুরে বেড়িয়ে গুজরাতি খানা খেয়ে মনও ভরে গেল। শুনলাম শারদ ও বাসন্তী নবরাত্রে এবং হোলিতে এখানে দারুণ উৎসব হয়। তখন এখানে থাকার জন্য সামান্য একটু জায়গাও মেলে না। আমি অবশ্য দৈবী কৃপায় ঘর পেয়েছি।
আজ রাতে এখানে গরবা নাচ হবে। গুজরাতি রমণীদের চরণছন্দে মেতে উঠবে এখানকার মন্দির প্রাঙ্গণ। আকাশ তারার মালায় সাজবে। নববধূর মতো লাজুক লাজুক মুখ করে তাকিয়ে দেখবে দশমীর চাঁদ। মাথায় গর্ভদীপ নিয়ে সুন্দরী রমণীদের নৃত্যের তালে তালে রাত ভোর হয়ে যাবে। একটি দুটি করে পাখি ডাকবে। জনতার উজান স্রোতে ভেসে ভেসে আমার তরীও একসময় গিয়ে ভিড়বে আহিসোনায় অথবা মাহেসানায়।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল
18th  August, 2019
মানুষ গড়ার কারিগর
সৌমিত্র চৌধুরী

 চোখের জল মুছে বাবা বলল, ‘ঠিক আছে স্যার, আপনার কথা রাখলাম। তবে ঋণ বাড়াব না। ফেল করলে ওর কিন্তু পড়া বন্ধ।’ এত দূর বলে আমাদের পিসিএম থামল। আমার চোখে বিস্ময়। জম স্যার নিজে গেল হাটখোলায়? একটু অবাক হয়েছিলাম সেদিন। কিন্তু কয়েকমাস পরে ক্লাসের সবাইকে, এমনকী গোটা স্কুলকে অবাক করে দেবার মতো ঘটনা ঘটল। অঙ্কে আশি নম্বর পেয়ে বার্ষিক পরীক্ষায় চার নম্বর স্থানটা দখল করেছে প্রদীপ। বিশদ

08th  December, 2019
অথৈ সাগর

 আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

08th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
সন্দীপ রায়চৌধুরী

 ওপার বাংলা থেকে আসা ‘বাঙাল’ ভানুকে শুধু চেহারা দেখেই নাকি ‘জাগরণ’ ছবির জন্য নির্বাচন করেছিলেন বিভূতি চক্রবর্তী। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, ‘আমার ছবিতে দুর্ভিক্ষপীড়িত চিমসে চেহারার একটা চরিত্র আছে, সেটা তুমি করবে।’ বিশদ

08th  December, 2019
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পর্ব * ১
সন্দীপ রায়চৌধুরী

উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের দ্যুতিতে ভাস্বর। এই লাইনটা বললে হয়তো এক রকম অপমানই করা হয় তাঁদের। কারণ অন্যের আলোয় আলোকিত হওয়ার প্রয়োজন এঁদের কারও কখনও হয়নি। এঁরা নিজেরাই এক একজন কিংবদন্তি।   বিশদ

01st  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

01st  December, 2019
ফেসবুকে বনলতা
শুচিস্মিতা দেব 

আমি তপেন বাগচি। পেশাহীন এবং নেশাহীন ছাপোষা মানুষ। পেশার অভাবে নেশা করার হিম্মত হয়নি কখনও। অভিজাত পাড়ায় ঠাকুরদার আমলের দোতলা বাড়িতে বিনা পয়সার বাসস্থান। বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার ঠাকুরদার ল ফার্মের যোগ্য উত্তরাধিকারী।   বিশদ

01st  December, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মহাকালীর কালীমঠ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

পর্ব-৩৭

হিমালয়ের পবিত্র দেবস্থানগুলি বারে বারে পরিব্রজন করলেও গুপ্তকাশীর অদূরে কালীমঠে আর যাওয়াই হয় না। তাই সেবার গৌরীকুণ্ডের পথে ত্রিযুগীনায়ারণ হয়ে গুপ্তকাশীতে এসে রাত্রিবাস করলাম। 
বিশদ

24th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৭

ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র, বিষয় ছিল রসায়ন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলতেন, ‘আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আচারে-ব্যবহারে, ভ্রমণে-পর্যটনে, খাদ্যে-পানীয়ে কালাপাহাড় বলিয়া পরিচিত মহলে আমার অখ্যাতি আছে; তবু আজ অস্বীকার করিতে পারি না, অলৌকিক শ্রেণীর দুইটি ঘটনার আমি সাক্ষী হইয়া আছি। 
বিশদ

24th  November, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অজ্ঞাতপরিচয় এক সাধুর মৃত্যু হল রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। রবিবার রাতে তারাপীঠের শ্মশান থেকে অসুস্থ ওই সাধুকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে তারাপীঠ থানার পুলিস। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।   ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চাঁচলে। এই সপ্তাহেই চাঁচলের খরবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।  ...

তিরুবনন্তপুরম, ৯ ডিসেম্বর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বিরাট কোহলি নিজের ব্যাটিং পজিশন ছেড়ে দিয়েছিলেন শিবম দুবেকে। তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগটা দারুণভাবে কাজে ...

ওয়েলিংটন, ৯ ডিসেম্বর (এএফপি): ছবির মতো সুন্দর হোয়াইট আইল্যান্ড। ভ্রমণের আনন্দে মশগুল পর্যটকের দল। ভরদুপুরে হঠাৎ করে জেগে উঠল আগ্নেয়গিরি। সোমবার নিউজিল্যান্ডের এই ঘটনায় মৃত্যু হল অন্তত পাঁচজনের। জখম ১৮ জন। সরকারি সূত্রে খবর, আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের উদ্ধারের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস,
১৮৭০- ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের জন্ম,
১৮৮৮- শহিদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম,
২০০১- অভিনেতা অশোককুমারের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৭ টাকা ৯৫.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৪ টাকা ৮০.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১১/২৬ দিবা ১০/৪৪। কৃত্তিকা ৫৯/২৯ শেষ রাত্রি ৫/৫৭। সূ উ ৬/৯/৩১, অ ৪/৪৮/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১০/২/৪৮ দিবা ১০/১২/৫। কৃত্তিকা ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৬/১০/৫৮, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৫৩ গতে ২/৯/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/২৬ গতে ৮/৯/৩৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ১২ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
২৪৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:02:02 PM

আইলিগ: ইস্ট বেঙ্গল ৪-১ গোলে হারাল নেরোকাকে 

04:01:36 PM

২৫০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:36:09 PM

গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রারকে হেনস্তার অভিযোগ 
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিপ্লব গিরিকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল। আজ, মঙ্গলবার ...বিশদ

03:30:27 PM

দক্ষিণদাঁড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ৩ দুষ্কৃতী

03:30:00 PM

আজ থেকে ৬ দিন বন্ধ মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি পরিষেবা 
আজ, মঙ্গলবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত দেশজুড়ে বন্ধ থাকবে মোবাইল ...বিশদ

03:22:06 PM