Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

২৪
বাল্য বন্ধু, খেলার সাথী নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুতে কবি সত্যিই অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। বুকভরা অভিমান নিয়ে বৌঠানের এইভাবে চলে যাওয়াটা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়াটা খুব কঠিন ছিল। কত স্মৃতি, কত কবিতা পাঠ, কত গান, কত খুনসুটি— স্মৃতির ঝাঁপি খুলে সেইসব রঙিন দিনগুলি পাখা মেলে যেন উড়ে বেড়াত রবীন্দ্রনাথের চোখের সামনে। তবে তিনি ছিলেন প্রকৃতিতে কঠোর। নিজের মনকে বশে রাখার কায়দাটা তিনি বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন। তাই পরবর্তীকালে কোনও মৃত্যুতেই তিনি প্রবলভাবে ভেঙে পড়েননি। বরঞ্চ শান্ত মনে তিনি তাঁর পরম প্রিয়জনদের বিদায় জানিয়েছেন।
একটু ফিরে যাই সেই দিনটিতে। ১২৯০ বঙ্গাব্দের (ইংরেজির ১৮৮৩) ২৪ অগ্রহায়ণ। এইদিনেই কবি হাত ধরেছিলেন ভবতারিণী দেবীর। নিজের বিবাহ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক অভিনব নিমন্ত্রণ পত্র পাঠালেন তাঁর বন্ধুদের— আগামী রবিবার ২৪ শে অগ্রহায়ণ তারিখে শুভদিনে আমার পরমাত্মীয় শ্রীমান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শুভবিবাহ হইবেক। আপনি তদুপলক্ষে বৈকালে উক্ত দিবসে ৬নং জোড়াসাঁকোস্থ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে উপস্থিত থাকিয়া বিবাহাদি সন্দর্শন করিয়া আমাকে এবং আত্মীয়বর্গকে বাধিত করিবেন। ইতি। অনুগত শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।’
পাত্রীর ডাকনাম ফুলি, ভালোনাম ভবতারিণী। বিয়ের পর স্বামী রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীর আর একটি ডাক নাম পদ্মের সঙ্গে মিলিয়ে রাখলেন মৃণালিনী। শুরু হল তাঁদের দাম্পত্য জীবন।
উনিশ বছরের ছোট্ট দাম্পত্য জীবন আর কিছুক্ষণ বাদেই ছিন্ন হবে। তাহলে আবার ফিরে যাই সেই বিদায়ের ক্ষণটিতে! ১৯০২ সাল। তাঁর অত্যন্ত প্রিয়তমা সাথী ছোটবউ মৃণালিনী দেবী রোগশয্যায় অন্তিম শয়ানে। আর তাঁর ফিরে আসার কোনও আশা নেই। আর কয়েক মুহূর্ত পরেই জীবনের হাত ছেড়ে তিনি চিরতরে পাড়ি জমাবেন ওপারে, যেখান থেকে কোনওদিন আর ফিরে আসা যায় না। কবিগুরু সেদিনও ছিলেন বড়ই শান্ত। মনের ভেতরে প্রবল ঝড় উঠলেও তিনি তা বাইরে প্রকাশ করেননি। তাঁর চোখের সামনেই এই সুন্দর পৃথিবীর বুকে শেষবারের মতো নিঃশ্বাস নিয়ে চির ঘুমের দেশে চলে গিয়েছিলেন তাঁর উনিশ বছরের সুখ-দুঃখের সাথী মৃণালিনী দেবী।
ছোটবউকে অগ্নিশয্যায় সমর্পণ করে তিনি বাড়ি ফিরে চলে গিয়েছিলেন ছাদে, যাওয়ার আগে বলেছিলেন, আমাকে আজ রাতে কেউ ডাকতে যেওনা। তাঁকে সে-রাতে কেউ বিরক্ত করেননি। সারা রাত তিনি ছাদে পায়চারী করেছিলেন, হয়তো সকলের অলক্ষে খোলা আকাশের নীচে স্ত্রীর জন্য ফেলেছিলেন দু ফোঁটা চোখের জল। মৃণালিনী দেবী হয়তো সান্ত্বনা দিতে সেই মুহূর্তে বাতাসে ভর করে ছুঁয়ে গিয়েছিলেন তাঁর প্রিয়তমের শরীর। ভোরে সূর্যদেবকে প্রণাম করে কবি নেমে এসেছিলেন কর্মকোলাহল মুখর জীবনে। তারপর তুলে নিয়েছিলেন আরও গুরুদায়িত্ব, স্ত্রীর অসমাপ্ত কাজ, নাবালক সন্তানদের প্রতিপালন।
মৃত্যু মৃণালিনী দেবীকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলেও তিনি কিন্তু স্বামীর কাছছাড়া কখনও হননি। ঘুরে ফিরে তিনি বারেবারে এসেছেন স্বামীর কাছে। মিডিয়ামের মাধ্যমে কথা বলেছেন স্বামীর সঙ্গে। ইতিমধ্যে আরও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। একে একে চলে গিয়েছেন কবিগুরুর তিন সন্তান শমীন্দ্রনাথ, রেণুকা ও মাধুরীলতা।
৫ নভেম্বর ১৯২৯, জোড়াসাঁকোর তেতলার ঘর, উমাদেবীকে নিয়ে কবি বসেছেন পরলোক চর্চায়। হঠাৎ রবীন্দ্রনাথ দেখলেন মিডিয়ামের হাত থরথর করে কাঁপছে। কবি বুঝতে পারলেন ওপারের কোনও অতিথি এসেছেন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে।
‘ কবি জানতে চাইলেন, কে?
— না, বলব না, আমার নাম তুমি বল?
ছোট বৌ নাকি?
— হ্যাঁ।
কেমন আছ?
— যাদের ভালবাসি তারা তো একে একে আমার কাছে এল।
পৃথিবীর সঙ্গে তোমার বন্ধন কি প্রবল আছে?
— আছে বৈ কি! একথা জিজ্ঞেস করো কেন? জানো না কি?
আমার কাজকর্ম সাধনার প্রতি তোমার interest আছে?
— আছে। আমার মন সমস্ত অন্তর থেকে তোমার কল্যাণ কামনা করে।
রথীর কাজে তোমার সম্মতি আছে?
— সে কি আমায় জিজ্ঞাসা করবার! তার কাছে যিনি আছেন, তিনি দেবতার মতো আলো দেখাবেন।’
শুধু একবার নয় নতুন বৌঠানের মতোই মৃণালিনী দেবীও মিডিয়ামের মাধ্যমে স্বামী সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় বারেবারে এসেছেন, গল্প করেছেন। রবীন্দ্রনাথও এই দুই নারীর সঙ্গে কথা বলে যথেষ্ট আনন্দ পেতেন, খুশি হতেন। হয়তো মনের কোণে জমে থাকা শোক কিছুটা হাল্কা হতো।
মৃত্যু বারেবারে আঘাত করেছে কবিকে, ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে অসংখ্য প্রিয়জনকে। আর সেই শোক থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার জন্য তিনি বারেবারে ছুটে গিয়েছেন খোলা আকাশের নীচে তাঁর প্রিয় ছাদটিতে। তাঁর অত্যন্ত প্রিয় নতুন বৌঠানের অকাল মৃত্যুর পরও কবিকে কাটতে হয়েছে বহু বিনিদ্র রাত। খোলা ছাদে তিনি রাতের পর রাত পায়চারি করেছেন। এই মৃত্যুর পর অস্থির রবীন্দ্রনাথ ‘পুষ্পাঞ্জলি’নামক গদ্য কবিতাগুচ্ছে লিখলেন,‘— হে জগতের বিস্মৃত, আমার চিরস্মৃত, আগে তোমাকে যেমন গান শুনাইতাম, এখন তোমাকে তেমন শুনাইতে পারি না কেন? এ-সব লেখা যে আমি তোমার জন্য লিখিতেছি। পাছে তুমি আমার কণ্ঠস্বর ভুলিয়া যাও, অনন্তের পথে চলিতে চলিতে যখন দৈবাৎ তোমাতে আমাতে দেখা হইবে তখন পাছে তুমি আমাকে চিনিতে না পারো, তাই প্রতিদিন তোমাকে স্মরণ করিয়া আমার এই কথাগুলি তোমাকে বলিতেছি, তুমি কি শুনিতেছ না। এমন একদিন আসিবে, যখন এই পৃথিবীতে আমার কথার একটিও কাহারোও মনে থাকিবে না— কিন্তু ইহার একটি-দুটি কথা ভালোবাসিয়া তুমিও কি মনে রাখিবে না! যে-সব লেখা তুমি এত ভালোবাসিয়া শুনিতে, তোমার সঙ্গেই যাহাদের বিশেষ যোগ, একটু আড়াল হইয়াছ বলিয়াই তোমার সঙ্গে তাহাদের কোনো সম্বন্ধ নাই। এত পরিচিত লেখার একটি অক্ষরও মনে থাকিবে না? তুমি কি আর এক দেশে আর এক নতুন কবির কবিতা শুনিতেছ?...’
নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী তাঁর অতি আদরের দেওর, বাল্যসাথী রবীন্দ্রনাথকে কখনও ভুলতে পারবেন না। তিনি ফিরে আসবেন, বারে বারে ফিরবেন, যোগ্য মিডিয়াম উমা দেবীর মাধ্যমে, তাঁর হাত ধরে। (ক্রমশ)
কবি দম্পতির কোলে বেলা।
18th  August, 2019
তর্পণ
মীনাক্ষী সিংহ

এই মাত্র শ্রাদ্ধকার্য সম্পন্ন হল, শেষ হল প্রথাগত তর্পণ। শেষ হল— না শুরু হল? নিরুচ্চার স্বগত প্রশ্নে বিদ্ধ হল অনুপমের রক্তাক্ত হৃদয়। এই রক্ত কেবল হৃদয়ের ক্ষত উৎসারিত নয়, এ পরম্পরাবাহিত বংশগত রক্ত বন্ধনের উত্তরাধিকার। বিশদ

আজও তারা জ্বলে 
পর্ব ১৮

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- সপ্তম কিস্তি। বিশদ

অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।
বিশদ

 অথৈ সাগর
পর্ব ১৭

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ১৭

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- ষষ্ঠ কিস্তি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

15th  March, 2020
আশীর্বাদ অনন্ত
তপনকুমার দাস

‘মা তুমি?’ দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ানো পরমাকে দেখে চমকে ওঠে অভিজাত। প্রায় দেড় বছর পরে বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো মাকে দেখলে অবাক না হয়ে উপায় কী?  বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৫
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৫

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

08th  March, 2020
দোল
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

এই বাড়িটা তোমার? এত সুন্দর! পথে আসতে-আসতে এর কথাই তুমি বলছিলে আমায়? এই কথা বলে ফেলিনি ঘুরে ঘুরে বাড়িটি দেখতে থাকল।
আহামরি কিছু নয়। খুব সামান্য এক মাটির বাড়ি। ট্যারাবাঁকা। মাথায় টালিখোলা। এদিক-ওদিক ভাঙা-ফাটা। বাড়ির সামনে একটু ফাঁকা জমিন, সেখানে প্রাচীন এক কদমগাছ।   বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- তৃতীয় কিস্তি।  বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৪
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

01st  March, 2020
সংবর্ধনা
বিপুল মজুমদার

‘আমাদের ক্লাবের একটা নিয়ম আছে দাদা। প্রত্যেক বছর ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠানে দু’জনকে আমরা সংবর্ধিত করি। একজন আপনার মতো প্রথিতযশা কেউ, অন্যজন আমাদের এই সুজনপুরের কোনও কৃতী সন্তান। এ বছর উত্তম মণ্ডলকে আমরা বেছে নিয়েছি। ওই কোণের দিকে হলদে জামা পরা যে মানুষটিকে দেখছেন ওই হল উত্তম। 
বিশদ

01st  March, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা বিপর্যয়ের জেরে এ রাজ্যের বাসিন্দা প্রায় দু’লক্ষ মানুষ আটকে রয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এদের মধ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা দেড় লাখের কাছাকাছি। ...

সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: করোনায় মৃতদের দেহ দাহ করা হবে স্থানীয় শ্মশানে, এই আশঙ্কায় শ্মশানঘাটের চারদিকের রাস্তা আটকে ঘণ্টা দুয়েক বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে অবরোধ উঠে যায়।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জলের অপচয় বন্ধে বারবার কলকাতা পুর প্রশাসনের তরফে আবেদন-নিবেদন করা হয়েছে। কিন্তু তারপরেও দেখা যাচ্ছে, শহরের বেশ কিছু অংশে জলের অপচয়ের মাত্রা ...

বিএনএ, তমলুক: লকডাউনের মধ্যেই শুক্রবার রাতে চণ্ডীপুর থানার হাঁসচড়ায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের ভল্ট খুলে ৩৪লক্ষ টাকা চুরি করে দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয়। চাবি ব্যাঙ্কে থাকায় দুষ্কৃতীদের ভল্ট ভাঙতে হয়নি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা পড়াশোনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাবে। নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়বে। অতিরিক্ত চিন্তার জন্য উচ্চ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯০৮- রাজনীতিক জগজীবন রামের জন্ম
১৯১৬- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের জন্ম
১৯৩২ - বিশিষ্ট বাঙালী সাহিত্যিক প্রভাতকুমার মুখাপাধ্যায়ের মত্যু
১৯৫৭- কেরলে প্রথম ক্ষমতায় এলেন কমিউনিস্টরা
১৯৯৩- বলিউডের অভিনেত্রী দিব্যা ভারতীর মৃত্যু
২০০০- রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
২০০৭- সাহিত্যিক লীলা মজুমদারের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.২৪ টাকা ৭৬.৯৬ টাকা
পাউন্ড ৯২.৫১ টাকা ৯৫.৮২ টাকা
ইউরো ৮১.০৩ টাকা ৮৪.০৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
04th  April, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ চৈত্র ১৪২৬, ৫ এপ্রিল ২০২০, রবিবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) দ্বাদশী ৩৪/৫০ রাত্রি ৭/২৫। মঘা ২৩/৪০ দিবা ২/৫৭। সূ উ ৫/২৯/১৫, অ ৫/৪৯/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৮ গতে ৯/৩৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ১০/৭ গতে ১/১২ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৬ গতে ২/৩৪ মধ্যে।
২২ চৈত্র ১৪২৬, ৫ এপ্রিল ২০২০, রবিবার, দ্বাদশী ২৫/৩১/০ দিবা ৩/৪৩/১২। মঘা ১৪/৫০/৩৮ দিবা ১১/২৭/৩। সূ উ ৫/৩০/৪৮, অ ৫/৫০/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ১/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২২ গতে ৮/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ১০/৮/২ গতে ১১/৪০/২৭ মধ্যে, কালবেলা ১১/৪০/২৭ গতে ১/১২/৫১ মধ্যে।
 ১১ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজ মহারাষ্ট্রে ১৪৫ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস 

04-04-2020 - 10:09:59 PM

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪৮৮, মৃত ৯৬: পিটিআই 

04-04-2020 - 09:33:16 PM

কোয়ারেন্টাইন সেন্টার খোলা নিয়ে বীরভূমের পাড়ুইয়ের তালিবপুরে গোলমাল, বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ 

04-04-2020 - 09:10:46 PM

গত ২৪ ঘণ্টায় জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯২২ জন
জার্মানিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ...বিশদ

04-04-2020 - 08:37:44 PM

তামিলনাড়ুতে নতুন করে আক্রান্ত ৭৪ জনের মধ্যে ৭৩ জনই যোগ দিয়েছিলেন তবলিগের সভায় 
আজ নতুন করে তামিলনাড়ুতে ৭৪ জনের শরীরে মিলেছে কোভিড-১৯ ভাইরাসের ...বিশদ

04-04-2020 - 08:28:38 PM

করোনা: কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১
কেরলে করোনায় নতুন করে আরও ১১ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

04-04-2020 - 08:23:58 PM