Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

২৪
বাল্য বন্ধু, খেলার সাথী নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুতে কবি সত্যিই অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। বুকভরা অভিমান নিয়ে বৌঠানের এইভাবে চলে যাওয়াটা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়াটা খুব কঠিন ছিল। কত স্মৃতি, কত কবিতা পাঠ, কত গান, কত খুনসুটি— স্মৃতির ঝাঁপি খুলে সেইসব রঙিন দিনগুলি পাখা মেলে যেন উড়ে বেড়াত রবীন্দ্রনাথের চোখের সামনে। তবে তিনি ছিলেন প্রকৃতিতে কঠোর। নিজের মনকে বশে রাখার কায়দাটা তিনি বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন। তাই পরবর্তীকালে কোনও মৃত্যুতেই তিনি প্রবলভাবে ভেঙে পড়েননি। বরঞ্চ শান্ত মনে তিনি তাঁর পরম প্রিয়জনদের বিদায় জানিয়েছেন।
একটু ফিরে যাই সেই দিনটিতে। ১২৯০ বঙ্গাব্দের (ইংরেজির ১৮৮৩) ২৪ অগ্রহায়ণ। এইদিনেই কবি হাত ধরেছিলেন ভবতারিণী দেবীর। নিজের বিবাহ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক অভিনব নিমন্ত্রণ পত্র পাঠালেন তাঁর বন্ধুদের— আগামী রবিবার ২৪ শে অগ্রহায়ণ তারিখে শুভদিনে আমার পরমাত্মীয় শ্রীমান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শুভবিবাহ হইবেক। আপনি তদুপলক্ষে বৈকালে উক্ত দিবসে ৬নং জোড়াসাঁকোস্থ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে উপস্থিত থাকিয়া বিবাহাদি সন্দর্শন করিয়া আমাকে এবং আত্মীয়বর্গকে বাধিত করিবেন। ইতি। অনুগত শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।’
পাত্রীর ডাকনাম ফুলি, ভালোনাম ভবতারিণী। বিয়ের পর স্বামী রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীর আর একটি ডাক নাম পদ্মের সঙ্গে মিলিয়ে রাখলেন মৃণালিনী। শুরু হল তাঁদের দাম্পত্য জীবন।
উনিশ বছরের ছোট্ট দাম্পত্য জীবন আর কিছুক্ষণ বাদেই ছিন্ন হবে। তাহলে আবার ফিরে যাই সেই বিদায়ের ক্ষণটিতে! ১৯০২ সাল। তাঁর অত্যন্ত প্রিয়তমা সাথী ছোটবউ মৃণালিনী দেবী রোগশয্যায় অন্তিম শয়ানে। আর তাঁর ফিরে আসার কোনও আশা নেই। আর কয়েক মুহূর্ত পরেই জীবনের হাত ছেড়ে তিনি চিরতরে পাড়ি জমাবেন ওপারে, যেখান থেকে কোনওদিন আর ফিরে আসা যায় না। কবিগুরু সেদিনও ছিলেন বড়ই শান্ত। মনের ভেতরে প্রবল ঝড় উঠলেও তিনি তা বাইরে প্রকাশ করেননি। তাঁর চোখের সামনেই এই সুন্দর পৃথিবীর বুকে শেষবারের মতো নিঃশ্বাস নিয়ে চির ঘুমের দেশে চলে গিয়েছিলেন তাঁর উনিশ বছরের সুখ-দুঃখের সাথী মৃণালিনী দেবী।
ছোটবউকে অগ্নিশয্যায় সমর্পণ করে তিনি বাড়ি ফিরে চলে গিয়েছিলেন ছাদে, যাওয়ার আগে বলেছিলেন, আমাকে আজ রাতে কেউ ডাকতে যেওনা। তাঁকে সে-রাতে কেউ বিরক্ত করেননি। সারা রাত তিনি ছাদে পায়চারী করেছিলেন, হয়তো সকলের অলক্ষে খোলা আকাশের নীচে স্ত্রীর জন্য ফেলেছিলেন দু ফোঁটা চোখের জল। মৃণালিনী দেবী হয়তো সান্ত্বনা দিতে সেই মুহূর্তে বাতাসে ভর করে ছুঁয়ে গিয়েছিলেন তাঁর প্রিয়তমের শরীর। ভোরে সূর্যদেবকে প্রণাম করে কবি নেমে এসেছিলেন কর্মকোলাহল মুখর জীবনে। তারপর তুলে নিয়েছিলেন আরও গুরুদায়িত্ব, স্ত্রীর অসমাপ্ত কাজ, নাবালক সন্তানদের প্রতিপালন।
মৃত্যু মৃণালিনী দেবীকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলেও তিনি কিন্তু স্বামীর কাছছাড়া কখনও হননি। ঘুরে ফিরে তিনি বারেবারে এসেছেন স্বামীর কাছে। মিডিয়ামের মাধ্যমে কথা বলেছেন স্বামীর সঙ্গে। ইতিমধ্যে আরও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। একে একে চলে গিয়েছেন কবিগুরুর তিন সন্তান শমীন্দ্রনাথ, রেণুকা ও মাধুরীলতা।
৫ নভেম্বর ১৯২৯, জোড়াসাঁকোর তেতলার ঘর, উমাদেবীকে নিয়ে কবি বসেছেন পরলোক চর্চায়। হঠাৎ রবীন্দ্রনাথ দেখলেন মিডিয়ামের হাত থরথর করে কাঁপছে। কবি বুঝতে পারলেন ওপারের কোনও অতিথি এসেছেন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে।
‘ কবি জানতে চাইলেন, কে?
— না, বলব না, আমার নাম তুমি বল?
ছোট বৌ নাকি?
— হ্যাঁ।
কেমন আছ?
— যাদের ভালবাসি তারা তো একে একে আমার কাছে এল।
পৃথিবীর সঙ্গে তোমার বন্ধন কি প্রবল আছে?
— আছে বৈ কি! একথা জিজ্ঞেস করো কেন? জানো না কি?
আমার কাজকর্ম সাধনার প্রতি তোমার interest আছে?
— আছে। আমার মন সমস্ত অন্তর থেকে তোমার কল্যাণ কামনা করে।
রথীর কাজে তোমার সম্মতি আছে?
— সে কি আমায় জিজ্ঞাসা করবার! তার কাছে যিনি আছেন, তিনি দেবতার মতো আলো দেখাবেন।’
শুধু একবার নয় নতুন বৌঠানের মতোই মৃণালিনী দেবীও মিডিয়ামের মাধ্যমে স্বামী সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় বারেবারে এসেছেন, গল্প করেছেন। রবীন্দ্রনাথও এই দুই নারীর সঙ্গে কথা বলে যথেষ্ট আনন্দ পেতেন, খুশি হতেন। হয়তো মনের কোণে জমে থাকা শোক কিছুটা হাল্কা হতো।
মৃত্যু বারেবারে আঘাত করেছে কবিকে, ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে অসংখ্য প্রিয়জনকে। আর সেই শোক থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার জন্য তিনি বারেবারে ছুটে গিয়েছেন খোলা আকাশের নীচে তাঁর প্রিয় ছাদটিতে। তাঁর অত্যন্ত প্রিয় নতুন বৌঠানের অকাল মৃত্যুর পরও কবিকে কাটতে হয়েছে বহু বিনিদ্র রাত। খোলা ছাদে তিনি রাতের পর রাত পায়চারি করেছেন। এই মৃত্যুর পর অস্থির রবীন্দ্রনাথ ‘পুষ্পাঞ্জলি’নামক গদ্য কবিতাগুচ্ছে লিখলেন,‘— হে জগতের বিস্মৃত, আমার চিরস্মৃত, আগে তোমাকে যেমন গান শুনাইতাম, এখন তোমাকে তেমন শুনাইতে পারি না কেন? এ-সব লেখা যে আমি তোমার জন্য লিখিতেছি। পাছে তুমি আমার কণ্ঠস্বর ভুলিয়া যাও, অনন্তের পথে চলিতে চলিতে যখন দৈবাৎ তোমাতে আমাতে দেখা হইবে তখন পাছে তুমি আমাকে চিনিতে না পারো, তাই প্রতিদিন তোমাকে স্মরণ করিয়া আমার এই কথাগুলি তোমাকে বলিতেছি, তুমি কি শুনিতেছ না। এমন একদিন আসিবে, যখন এই পৃথিবীতে আমার কথার একটিও কাহারোও মনে থাকিবে না— কিন্তু ইহার একটি-দুটি কথা ভালোবাসিয়া তুমিও কি মনে রাখিবে না! যে-সব লেখা তুমি এত ভালোবাসিয়া শুনিতে, তোমার সঙ্গেই যাহাদের বিশেষ যোগ, একটু আড়াল হইয়াছ বলিয়াই তোমার সঙ্গে তাহাদের কোনো সম্বন্ধ নাই। এত পরিচিত লেখার একটি অক্ষরও মনে থাকিবে না? তুমি কি আর এক দেশে আর এক নতুন কবির কবিতা শুনিতেছ?...’
নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী তাঁর অতি আদরের দেওর, বাল্যসাথী রবীন্দ্রনাথকে কখনও ভুলতে পারবেন না। তিনি ফিরে আসবেন, বারে বারে ফিরবেন, যোগ্য মিডিয়াম উমা দেবীর মাধ্যমে, তাঁর হাত ধরে। (ক্রমশ)
কবি দম্পতির কোলে বেলা।
18th  August, 2019
মানুষ গড়ার কারিগর
সৌমিত্র চৌধুরী

 চোখের জল মুছে বাবা বলল, ‘ঠিক আছে স্যার, আপনার কথা রাখলাম। তবে ঋণ বাড়াব না। ফেল করলে ওর কিন্তু পড়া বন্ধ।’ এত দূর বলে আমাদের পিসিএম থামল। আমার চোখে বিস্ময়। জম স্যার নিজে গেল হাটখোলায়? একটু অবাক হয়েছিলাম সেদিন। কিন্তু কয়েকমাস পরে ক্লাসের সবাইকে, এমনকী গোটা স্কুলকে অবাক করে দেবার মতো ঘটনা ঘটল। অঙ্কে আশি নম্বর পেয়ে বার্ষিক পরীক্ষায় চার নম্বর স্থানটা দখল করেছে প্রদীপ। বিশদ

08th  December, 2019
অথৈ সাগর

 আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

08th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
সন্দীপ রায়চৌধুরী

 ওপার বাংলা থেকে আসা ‘বাঙাল’ ভানুকে শুধু চেহারা দেখেই নাকি ‘জাগরণ’ ছবির জন্য নির্বাচন করেছিলেন বিভূতি চক্রবর্তী। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, ‘আমার ছবিতে দুর্ভিক্ষপীড়িত চিমসে চেহারার একটা চরিত্র আছে, সেটা তুমি করবে।’ বিশদ

08th  December, 2019
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পর্ব * ১
সন্দীপ রায়চৌধুরী

উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের দ্যুতিতে ভাস্বর। এই লাইনটা বললে হয়তো এক রকম অপমানই করা হয় তাঁদের। কারণ অন্যের আলোয় আলোকিত হওয়ার প্রয়োজন এঁদের কারও কখনও হয়নি। এঁরা নিজেরাই এক একজন কিংবদন্তি।   বিশদ

01st  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

01st  December, 2019
ফেসবুকে বনলতা
শুচিস্মিতা দেব 

আমি তপেন বাগচি। পেশাহীন এবং নেশাহীন ছাপোষা মানুষ। পেশার অভাবে নেশা করার হিম্মত হয়নি কখনও। অভিজাত পাড়ায় ঠাকুরদার আমলের দোতলা বাড়িতে বিনা পয়সার বাসস্থান। বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার ঠাকুরদার ল ফার্মের যোগ্য উত্তরাধিকারী।   বিশদ

01st  December, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মহাকালীর কালীমঠ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

পর্ব-৩৭

হিমালয়ের পবিত্র দেবস্থানগুলি বারে বারে পরিব্রজন করলেও গুপ্তকাশীর অদূরে কালীমঠে আর যাওয়াই হয় না। তাই সেবার গৌরীকুণ্ডের পথে ত্রিযুগীনায়ারণ হয়ে গুপ্তকাশীতে এসে রাত্রিবাস করলাম। 
বিশদ

24th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৭

ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র, বিষয় ছিল রসায়ন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলতেন, ‘আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আচারে-ব্যবহারে, ভ্রমণে-পর্যটনে, খাদ্যে-পানীয়ে কালাপাহাড় বলিয়া পরিচিত মহলে আমার অখ্যাতি আছে; তবু আজ অস্বীকার করিতে পারি না, অলৌকিক শ্রেণীর দুইটি ঘটনার আমি সাক্ষী হইয়া আছি। 
বিশদ

24th  November, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...

পাটনা, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) সমর্থন না করায় ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছেন জেডিইউয়ের সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। তবে তা সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড়ই থাকলেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ওই বিলের মাধ্যমে সরকার ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ...

ওয়াশিংটন ও লাহোর, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): হাফিজ সইদ নিয়ে পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াল আমেরিকা। জামাত-উদ-দাওয়া (জেইউডি) প্রধান সইদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুক ইসলামাবাদ। ২০০৮ মুম্বই হামলার মূলচক্রীর সাজা নিয়ে পাকিস্তানকে এমনই নির্দেশ দিল আমেরিকা।  ...

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

12-12-2019 - 08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

12-12-2019 - 04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

12-12-2019 - 04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

12-12-2019 - 04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12-12-2019 - 04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

12-12-2019 - 04:00:00 PM