Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

২৪
বাল্য বন্ধু, খেলার সাথী নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুতে কবি সত্যিই অসহায় হয়ে পড়েছিলেন। বুকভরা অভিমান নিয়ে বৌঠানের এইভাবে চলে যাওয়াটা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়াটা খুব কঠিন ছিল। কত স্মৃতি, কত কবিতা পাঠ, কত গান, কত খুনসুটি— স্মৃতির ঝাঁপি খুলে সেইসব রঙিন দিনগুলি পাখা মেলে যেন উড়ে বেড়াত রবীন্দ্রনাথের চোখের সামনে। তবে তিনি ছিলেন প্রকৃতিতে কঠোর। নিজের মনকে বশে রাখার কায়দাটা তিনি বেশ ভালোভাবেই রপ্ত করতে পেরেছিলেন। তাই পরবর্তীকালে কোনও মৃত্যুতেই তিনি প্রবলভাবে ভেঙে পড়েননি। বরঞ্চ শান্ত মনে তিনি তাঁর পরম প্রিয়জনদের বিদায় জানিয়েছেন।
একটু ফিরে যাই সেই দিনটিতে। ১২৯০ বঙ্গাব্দের (ইংরেজির ১৮৮৩) ২৪ অগ্রহায়ণ। এইদিনেই কবি হাত ধরেছিলেন ভবতারিণী দেবীর। নিজের বিবাহ উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এক অভিনব নিমন্ত্রণ পত্র পাঠালেন তাঁর বন্ধুদের— আগামী রবিবার ২৪ শে অগ্রহায়ণ তারিখে শুভদিনে আমার পরমাত্মীয় শ্রীমান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শুভবিবাহ হইবেক। আপনি তদুপলক্ষে বৈকালে উক্ত দিবসে ৬নং জোড়াসাঁকোস্থ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে উপস্থিত থাকিয়া বিবাহাদি সন্দর্শন করিয়া আমাকে এবং আত্মীয়বর্গকে বাধিত করিবেন। ইতি। অনুগত শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।’
পাত্রীর ডাকনাম ফুলি, ভালোনাম ভবতারিণী। বিয়ের পর স্বামী রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীর আর একটি ডাক নাম পদ্মের সঙ্গে মিলিয়ে রাখলেন মৃণালিনী। শুরু হল তাঁদের দাম্পত্য জীবন।
উনিশ বছরের ছোট্ট দাম্পত্য জীবন আর কিছুক্ষণ বাদেই ছিন্ন হবে। তাহলে আবার ফিরে যাই সেই বিদায়ের ক্ষণটিতে! ১৯০২ সাল। তাঁর অত্যন্ত প্রিয়তমা সাথী ছোটবউ মৃণালিনী দেবী রোগশয্যায় অন্তিম শয়ানে। আর তাঁর ফিরে আসার কোনও আশা নেই। আর কয়েক মুহূর্ত পরেই জীবনের হাত ছেড়ে তিনি চিরতরে পাড়ি জমাবেন ওপারে, যেখান থেকে কোনওদিন আর ফিরে আসা যায় না। কবিগুরু সেদিনও ছিলেন বড়ই শান্ত। মনের ভেতরে প্রবল ঝড় উঠলেও তিনি তা বাইরে প্রকাশ করেননি। তাঁর চোখের সামনেই এই সুন্দর পৃথিবীর বুকে শেষবারের মতো নিঃশ্বাস নিয়ে চির ঘুমের দেশে চলে গিয়েছিলেন তাঁর উনিশ বছরের সুখ-দুঃখের সাথী মৃণালিনী দেবী।
ছোটবউকে অগ্নিশয্যায় সমর্পণ করে তিনি বাড়ি ফিরে চলে গিয়েছিলেন ছাদে, যাওয়ার আগে বলেছিলেন, আমাকে আজ রাতে কেউ ডাকতে যেওনা। তাঁকে সে-রাতে কেউ বিরক্ত করেননি। সারা রাত তিনি ছাদে পায়চারী করেছিলেন, হয়তো সকলের অলক্ষে খোলা আকাশের নীচে স্ত্রীর জন্য ফেলেছিলেন দু ফোঁটা চোখের জল। মৃণালিনী দেবী হয়তো সান্ত্বনা দিতে সেই মুহূর্তে বাতাসে ভর করে ছুঁয়ে গিয়েছিলেন তাঁর প্রিয়তমের শরীর। ভোরে সূর্যদেবকে প্রণাম করে কবি নেমে এসেছিলেন কর্মকোলাহল মুখর জীবনে। তারপর তুলে নিয়েছিলেন আরও গুরুদায়িত্ব, স্ত্রীর অসমাপ্ত কাজ, নাবালক সন্তানদের প্রতিপালন।
মৃত্যু মৃণালিনী দেবীকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলেও তিনি কিন্তু স্বামীর কাছছাড়া কখনও হননি। ঘুরে ফিরে তিনি বারেবারে এসেছেন স্বামীর কাছে। মিডিয়ামের মাধ্যমে কথা বলেছেন স্বামীর সঙ্গে। ইতিমধ্যে আরও মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। একে একে চলে গিয়েছেন কবিগুরুর তিন সন্তান শমীন্দ্রনাথ, রেণুকা ও মাধুরীলতা।
৫ নভেম্বর ১৯২৯, জোড়াসাঁকোর তেতলার ঘর, উমাদেবীকে নিয়ে কবি বসেছেন পরলোক চর্চায়। হঠাৎ রবীন্দ্রনাথ দেখলেন মিডিয়ামের হাত থরথর করে কাঁপছে। কবি বুঝতে পারলেন ওপারের কোনও অতিথি এসেছেন তাঁর সঙ্গে কথা বলতে।
‘ কবি জানতে চাইলেন, কে?
— না, বলব না, আমার নাম তুমি বল?
ছোট বৌ নাকি?
— হ্যাঁ।
কেমন আছ?
— যাদের ভালবাসি তারা তো একে একে আমার কাছে এল।
পৃথিবীর সঙ্গে তোমার বন্ধন কি প্রবল আছে?
— আছে বৈ কি! একথা জিজ্ঞেস করো কেন? জানো না কি?
আমার কাজকর্ম সাধনার প্রতি তোমার interest আছে?
— আছে। আমার মন সমস্ত অন্তর থেকে তোমার কল্যাণ কামনা করে।
রথীর কাজে তোমার সম্মতি আছে?
— সে কি আমায় জিজ্ঞাসা করবার! তার কাছে যিনি আছেন, তিনি দেবতার মতো আলো দেখাবেন।’
শুধু একবার নয় নতুন বৌঠানের মতোই মৃণালিনী দেবীও মিডিয়ামের মাধ্যমে স্বামী সান্নিধ্য পাওয়ার আশায় বারেবারে এসেছেন, গল্প করেছেন। রবীন্দ্রনাথও এই দুই নারীর সঙ্গে কথা বলে যথেষ্ট আনন্দ পেতেন, খুশি হতেন। হয়তো মনের কোণে জমে থাকা শোক কিছুটা হাল্কা হতো।
মৃত্যু বারেবারে আঘাত করেছে কবিকে, ছিনিয়ে নিয়ে গিয়েছে অসংখ্য প্রিয়জনকে। আর সেই শোক থেকে নিষ্ক্রান্ত হওয়ার জন্য তিনি বারেবারে ছুটে গিয়েছেন খোলা আকাশের নীচে তাঁর প্রিয় ছাদটিতে। তাঁর অত্যন্ত প্রিয় নতুন বৌঠানের অকাল মৃত্যুর পরও কবিকে কাটতে হয়েছে বহু বিনিদ্র রাত। খোলা ছাদে তিনি রাতের পর রাত পায়চারি করেছেন। এই মৃত্যুর পর অস্থির রবীন্দ্রনাথ ‘পুষ্পাঞ্জলি’নামক গদ্য কবিতাগুচ্ছে লিখলেন,‘— হে জগতের বিস্মৃত, আমার চিরস্মৃত, আগে তোমাকে যেমন গান শুনাইতাম, এখন তোমাকে তেমন শুনাইতে পারি না কেন? এ-সব লেখা যে আমি তোমার জন্য লিখিতেছি। পাছে তুমি আমার কণ্ঠস্বর ভুলিয়া যাও, অনন্তের পথে চলিতে চলিতে যখন দৈবাৎ তোমাতে আমাতে দেখা হইবে তখন পাছে তুমি আমাকে চিনিতে না পারো, তাই প্রতিদিন তোমাকে স্মরণ করিয়া আমার এই কথাগুলি তোমাকে বলিতেছি, তুমি কি শুনিতেছ না। এমন একদিন আসিবে, যখন এই পৃথিবীতে আমার কথার একটিও কাহারোও মনে থাকিবে না— কিন্তু ইহার একটি-দুটি কথা ভালোবাসিয়া তুমিও কি মনে রাখিবে না! যে-সব লেখা তুমি এত ভালোবাসিয়া শুনিতে, তোমার সঙ্গেই যাহাদের বিশেষ যোগ, একটু আড়াল হইয়াছ বলিয়াই তোমার সঙ্গে তাহাদের কোনো সম্বন্ধ নাই। এত পরিচিত লেখার একটি অক্ষরও মনে থাকিবে না? তুমি কি আর এক দেশে আর এক নতুন কবির কবিতা শুনিতেছ?...’
নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী তাঁর অতি আদরের দেওর, বাল্যসাথী রবীন্দ্রনাথকে কখনও ভুলতে পারবেন না। তিনি ফিরে আসবেন, বারে বারে ফিরবেন, যোগ্য মিডিয়াম উমা দেবীর মাধ্যমে, তাঁর হাত ধরে। (ক্রমশ)
কবি দম্পতির কোলে বেলা।
18th  August, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বিতীয় কিস্তি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৩
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
গায়ক চারা
সসীমকুমার বাড়ৈ

—স্যার, ও এসেছে।
—কে? মন্দার ফাইল থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল।  বিশদ

23rd  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১২
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

16th  February, 2020
একাকী ভোরের খোঁজে
কমলেশ রায়

দিন চলে যায় হিসেব মতন, ভোর-দুপুর-বিকেল। কেমন করে ভোর নামে আকাশের ঝাঁক তারা থেকে বা কোথাও অদৃশ্য জ্যোৎস্নায় উঁকিঝুঁকি দিয়ে বা ভোর বলে কিছু নেই। শুধুই দিন গুটোনো একটা অংশের নাম ভোর। গত চার-পাঁচ বছরে কিছুই জানে না দিব্যেন্দু। 
বিশদ

16th  February, 2020
 সোহিনী
আইভি চট্টোপাধ্যায়

এমারজেন্সির ডিউটি ডক্টর ফোন করেছিল, ‘ম্যাম, একবার আসতে হবে।’ এই মুশকিল। ওপিডি করে ওয়ার্ডে রাউন্ডে যাওয়ার কথা। এইসময় আবার এমারজেন্সি? কনসাল্টেশন রুমের বাইরেই অভীক। পেশেন্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা, সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী পেশেন্ট পাঠানো এসব ওর কাজ। অভীককে ডেকে নিল সোহিনী, ‘আর ক’জন আছে?’
বিশদ

09th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১১
বারিদবরণ ঘোষ

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১১

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- শেষ কিস্তি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে 

পর্ব-১০

এছাড়াও বেশ কিছু ছবি ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতাছাড়া হয়েছে। তারমধ্যে কয়েকটি মন্দ ভাগ্যের দরুন। যেমন— নীহাররঞ্জন গুপ্তর একটি গল্প নিয়ে ছবি করা তাঁর বহুদিনের ইচ্ছে ছিল। কিরীটী রায়ের ভূমিকায় প্রদীপ কুমার, নায়িকা সুচিত্রা সেন। ভানুর এই ছবি করা হয়নি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
নতুন মানুষ
বিভাসকুমার সরকার 

অনন্তরামের আজ বড় আনন্দ। কর্তামশাই আসছেন তার বাড়িতে। আবার একা নন, মেয়ে জামাই সুদ্ধ। সকাল থেকে তার ব্যস্ততার অন্ত নেই। এটা আনছে, ওটা সরাচ্ছে। তার সঙ্গে হাঁকডাক। পাড়ার লোকের চোখ ছানাবড়া। সাদাসিধা, শান্তশিষ্ট, লোকটার হল কী! 
বিশদ

02nd  February, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- নবম কিস্তি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

26th  January, 2020
একনজরে
মুম্বই, ২৭ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে বিশেষ এনআইএ আদালতে হাজিরা দিলেন বিজেপি এমপি প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর। এদিন দুপুর ১টা নাগাদ ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির মধ্যে কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটার পুরসভা এলাকায় লোকসভা ভোটে ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পুরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত ওয়ার্ডেই শাসক দল তৃণমূলের থেকে এগিয়ে ছিল বিজেপি।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নেটে ব্যাট করতে ঢোকার আগে বাংলার ক্যাপ্টেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ একটা কাগজ ভিডিও অ্যানালিস্টের হাতে তুলে দিয়ে বললেন, ‘চোখ বুলিয়ে নাও। পরে এই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মযোগে বিলম্ব ঘটবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মযোগ আছে। ব্যবসায় যোগ দেওয়া যেতে পারে। কোনও বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
১৮২৭: আমেরিকায় প্রথম বাণিজ্যিক রেলপথ চালু হয়
১৮৪৪: বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব গিরিশচন্দ্র ঘোষের জন্ম
১৮৮৩: ভারতে প্রথম টেলিগ্রাফ চালু হয়
১৯২৮: ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন-এর ‘রামন এফেক্ট’ আবিষ্কার
১৯৩৬: জওহরলাল-পত্নী কমলা নেহরুর মৃত্যু
১৯৪৪: সঙ্গীতকার রবীন্দ্র জৈনের জন্ম
১৯৪৮ - ব্রিটিশ সৈন্যদের শেষ দল ভারত ত্যাগ করে
১৯৫১: ক্রিকেটার কারসন ঘাউড়ির জন্ম
১৯৬৩: ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৬ টাকা ৯৪.২৩ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৯ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী। অশ্বিনী ৫৪/৫৮ রাত্রি ৪/৩। সূ উ ৬/৩/২৭, অ ৫/৩৫/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে বারবেলা ৮/৫৬ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২ গতে ১০/১৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী, অশ্বিনী ৪৮/১৯/৪৪ রাত্রি ১/২৬/১৫। সূ উ ৬/৬/২১, অ ৫/৩৪/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ৪/৫ গতে ৫/৩৫ মধ্যে
এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৪/২৮ গতে ১১/৫০/৩০
মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২/৩৫ গতে ১০/১৬/৩৩ মধ্যে। 
মোসলেম: ৩ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

27-02-2020 - 07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

27-02-2020 - 06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

27-02-2020 - 04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

27-02-2020 - 03:39:45 PM

পুরভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ রাজ্যপাল 
পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরমধ্যেই রাজ্য ...বিশদ

27-02-2020 - 01:25:00 PM

লেকটাউনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত শ্রমিক 

27-02-2020 - 01:10:00 PM