Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
আরাসূরীর অম্বাজি, পর্ব-২৩
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

গিরনারের অম্বাজির পর আরাসূরীর অম্বাজিকেও দর্শন করে আসা যাক এবার। রাজস্থানের অর্বুদ শিখরে ৫২ সতীপীঠের অন্তর্গত দেবী অম্বাজি আছেন। অম্বাজিতে আমি আগেও গিয়েছি। এবার বাসন্তী নবরাত্রিতে আরও একবার যাবার মন করলাম। কেন না একই মাতার স্নেহালিঙ্গনে ভারতের সমস্ত সতীপীঠগুলি এখন উৎসবময়। সর্বতীর্থই এখন ধর্মীয় ঐক্যসূত্রে আবদ্ধ। বিশেষ করে গুজরাত প্রদেশে তো মহোৎসব।
মাউন্ট আবুতে তিন-চারবার গেলেও অম্বাজিতে এলাম দু’বার। আবু রোড স্টেশন থেকে অম্বাজির দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। প্রতি বছর বিভিন্ন সময়ে অগণিত তীর্থযাত্রী এই মহাতীর্থে এসে থাকেন। অর্বুদাচল বা অম্বাজি তীর্থের এই অম্বাজির নাম ভারতময় বিখ্যাত।
অনেকেই মাউন্ট আবু দেখার পর অম্বাজিতে গিয়ে সময় নষ্ট করতে চান না। শতকরা আশিজন যদি মাউন্ট আবুতে যান, তো কুড়ি জন অম্বাজিতে আসেন। অথচ স্থানটি শুধু তীর্থভূমি নয়, অতীব রম্যস্থান। এখানে যাতায়াতেরও কোনও অসুবিধা নেই।
আমি অম্বাজিতে এসে আগে যেখানে উঠেছিলাম সেই পুরুষোত্তম ধর্মশালাতেই উঠলাম। এই নবরাত্রির সময়েও মাতৃমহিমায় ঘর পেতে কোনও অসুবিধে হল না আমার।
ধর্মশালায় জিনিস রেখে প্রথমেই চললাম দেবী দর্শনে। দলে দলে যাত্রীরা চলেছেন ‘জয় অম্বে’ ধ্বনি দিয়ে। যাত্রীদের মধ্যে রাজস্থানি এবং গুজরাতিই বেশি। লাল চোলি, নারকেল, ধূপ, সিঁদুর আর ফুলমালা নিয়ে চলেছেন সবাই। ওইরকম একটি ডালি নিয়ে আমিও চললাম। মন্দির খুব কাছেই। সেই পুরনো মন্দির ভেঙে এখন নতুন মন্দির তৈরি হয়েছে। দেবীর অধিষ্ঠানও এখন দোতলায়। যাই হোক, বিশাল মন্দির প্রাঙ্গণের সিঁড়ি ভেঙে দোতলায় উঠে দর্শনের জন্য লাইন দিলাম। ভাগ্য ভালো যে, নবরাত্রি উপলক্ষেও ভিড় বেশি ছিল না। তাই অনায়াসেই দেবীকে দর্শন করলাম। এখানে দেবীর কোনও মূর্তি নেই। দেবী এখানে যন্ত্রে স্থিতা। এদেশে পাণ্ডার উপদ্রব নেই। পূজার ডালি এগিয়ে দিতেই পূজারীরা তা দেবীর যন্ত্রে স্পর্শ করিয়ে ফেরত দিলেন। পূজার প্রসাদ নিয়ে এবার এলাম চাচরে। চাচর হল বিশাল নাটমন্দিরে দেবীর সম্মুখে এক জ্বলন্ত কটাহ। এর অনির্বাণ দীপশিখা কোন সুপ্রাচীনকাল থেকে জ্বলে আসছে তা কেউ জানে না। ভক্তযাত্রীগণ সেই কটাহ মধ্যে সাধ্যমতো ঘি ঢালছেন। দেবী নাকি এতেই প্রসন্না হন। অম্বাজির মন্দির শ্বেত-পাথরের। মন্দিরের সামনে যে বিশাল প্রাঙ্গণ তাকেও চাচর বলা হয়। শারদ ও বাসন্তী নবরাত্রিতে গুজরাতি মেয়েরা এখানে গরবা নাচেন।
মন্দির দর্শন করে এর পিছনে মান সরোবর নামে এক জলাশয় আছে, সেটি দেখতে গেলাম। এর নাম দেবী কুণ্ড। তীর্থযাত্রীরা এই কুণ্ডে স্নান করে দেবীকে দর্শন করতে যান।
মন্দির দর্শনের পর এবার আমি চললাম দেবীর মুখ্য স্থান দর্শন করতে। অম্বাজি ক্ষেত্র থেকে আড়াই কিমি দূরে ছোট্ট একটি পর্বতের উপর দেবীর মুখ্য স্থান। এটি ‘গব্বর’ নামে পরিচিত। এখানে যাওয়ার জন্য শেয়ারের ট্যাক্সি মেলে। আমি এমনই একটি ট্যাক্সি নিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘গব্বরে’ এলাম। দারুণ রমণীয় মনোমুগ্ধকর পার্বত্য পরিবেশ এখানকার। বনময় এই স্থানও যাত্রী সমাগমে জমজমাট। গব্বরে গিয়ে পর্বতারোহণ শুরু করলাম। ছোট্ট পর্বত কিন্তু ভয়ঙ্কর খাড়াই। মোচাকৃতি ও বৃক্ষবিরল। এই পর্বতে আরোহণ দুর্বল ও অশক্ত লোকেদের পক্ষে কষ্টকর। তাই এখানে ডুলির ব্যবস্থাও আছে।
পাহাড়ের বেশ কিছুটা উচ্চস্থানে ওঠার পর একটি বিশাল আয়তনের গুহার সামনে এসে দাঁড়ালাম। এই স্থানটির নাম দেবী কি ঝুলা। এখানে পুরোহিত আছেন। পুলিস পাহারাও আছে। একটি সুবৃহৎ পাথরের ফাটলে অনেক যাত্রী কান পাতছেন। কী ব্যাপার? পুরোহিত বললেন, ‘এই ফাটলে কান পাতলে হরগৌরীর কথোপকথন শুনতে পাওয়া যায়।’ ভীষণ কৌতূহল হল আমার। ভিড় একটু কম হলে অনেকক্ষণ কান পেতে রইলাম। কিন্তু না। কোনও শব্দই কানে এল না আমার। হয়তো আমি ভাগ্যবান নই।
এরপর খাড়াই বেয়ে আবার উপরে ওঠা। পথটি খুবই বিপজ্জনক। সেই পথ পার হয়ে আরও এক গুহামন্দিরে ঢুকলাম। ভেবেছিলাম এটাই দেবীর মুখ্যস্থান। কিন্তু পুরোহিতরা বললেন, ‘না। সে স্থান আরও উপরে।’
অতএব আরও উচ্চস্থানে গিরিশৃঙ্গের শীর্ষদেশে পৌঁছলাম। এখানেই দেবী দুর্গা শিবের জন্য সহস্র বছর তপস্যা করেছিলেন। এই সেই মহাপীঠ, যেখানে সতীর অঙ্গ ‘বাঁয়া পের কি অঙ্গুলি গিরা থা’ অর্থাৎ বাঁ-পায়ের আঙুল পড়েছিল। এখানে সামান্য একটু সমতল আছে। তারই একপাশে দেবীর মুখ্যস্থান। সেখানে পুলিস প্রহরায় জোর পুজো-পাঠ চলছে তখন। সেই স্থানের সৌন্দর্যের কোনও তুলনা নেই। ছোট্ট একটি মন্দিরে আছেন অম্বাজি। এখানেও দেবীর সম্মুখে ঘৃত প্রদীপ জ্বলছে। শুধুমাত্র জানা না থাকার কারণে এই রম্যস্থানে এর আগে আসিনি ভেবে মনটা খারাপ হয়ে গেল। তবে দেবীর কৃপায় এ যাত্রায় দর্শন থেকে যে বঞ্চিত হলাম না এই ভেবেই আনন্দে নন্দিত হলাম। এবার অন্য পথে নীচে নামা। অবতরণ কষ্টের নয়। তাই সহজেই নেমে এলাম। পরদিন সকালে চললাম এখান থেকে পাঁচ কিমি দূরে গুজরাত প্রদেশে সরস্বতীর উৎস দেখতে। এখানেও অনুচ্চ একটি পাহাড়ের উপর সরস্বতীর উৎস। সরস্বতী এখানে বেগবতী ও স্রোতস্বিনী। উৎসমুখ থেকে নেমেই সরস্বতী কুণ্ড। ঝর্ণার আকারে বয়ে এসে নদী এখানে গোমুখ কুণ্ডে পড়ছে। এর পাশেই কোটীশ্বরের শিব মন্দির। মন্দিরটি অতি প্রাচীন।
আমি সরস্বতী কুণ্ডে স্নান করার পর বাল্মীকির তপোবনে এলাম। তপোবন কোটীশ্বরের নীচে। শোনা যায়, মহামুনি বাল্মীকি নাকি রামায়ণ রচনার আগে এখানে সরস্বতীর কৃপালাভের আশায় আশ্রম রচনা করে কিছুকাল বসবাস করেন। ফেরার পথে এলাম কুম্ভারিয়াজির মন্দির দেখতে। কী অনবদ্য ভাস্কর্য সেই মন্দিরের। আরও একবার অম্বাজি-দর্শনে না এলে এ সবই আমার অদেখা রয়ে যেত। সেদিনটা ছিল বাসন্তী নবরাত্রির মহাষ্টমী। মন্দির প্রাঙ্গণে লোক যেন ভেঙে পড়েছে। অম্বাজির সন্ধ্যারতির সময় চাচরে এসে বসলাম। তখনই শুরু হল গুজরাতি রমণীদের অনবদ্য গরবা নাচ। নাচের সঙ্গে গান। বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে নৃত্যগীত সমানে চলতে লাগল। নির্মেঘ আকাশে অসংখ্য নক্ষত্র আর নীচে দেবী মন্দিরে ঘৃতদীপালোকে সেই রমণীয় নৃত্যকলা এখানকার পরিবেশটাকে যেন স্বর্গীয় করে তুলল। এবারের যাত্রায় আমারও জন্মান্তর হল। (ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
11th  August, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বিতীয় কিস্তি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৩
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

23rd  February, 2020
গায়ক চারা
সসীমকুমার বাড়ৈ

—স্যার, ও এসেছে।
—কে? মন্দার ফাইল থেকে মুখ তুলে জিজ্ঞেস করল।  বিশদ

23rd  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- প্রথম কিস্তি।
বিশদ

16th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১২
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

16th  February, 2020
একাকী ভোরের খোঁজে
কমলেশ রায়

দিন চলে যায় হিসেব মতন, ভোর-দুপুর-বিকেল। কেমন করে ভোর নামে আকাশের ঝাঁক তারা থেকে বা কোথাও অদৃশ্য জ্যোৎস্নায় উঁকিঝুঁকি দিয়ে বা ভোর বলে কিছু নেই। শুধুই দিন গুটোনো একটা অংশের নাম ভোর। গত চার-পাঁচ বছরে কিছুই জানে না দিব্যেন্দু। 
বিশদ

16th  February, 2020
 সোহিনী
আইভি চট্টোপাধ্যায়

এমারজেন্সির ডিউটি ডক্টর ফোন করেছিল, ‘ম্যাম, একবার আসতে হবে।’ এই মুশকিল। ওপিডি করে ওয়ার্ডে রাউন্ডে যাওয়ার কথা। এইসময় আবার এমারজেন্সি? কনসাল্টেশন রুমের বাইরেই অভীক। পেশেন্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা, সিরিয়াল নম্বর অনুযায়ী পেশেন্ট পাঠানো এসব ওর কাজ। অভীককে ডেকে নিল সোহিনী, ‘আর ক’জন আছে?’
বিশদ

09th  February, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১১
বারিদবরণ ঘোষ

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১১

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- শেষ কিস্তি।
বিশদ

09th  February, 2020
আজও তারা জ্বলে 

পর্ব-১০

এছাড়াও বেশ কিছু ছবি ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতাছাড়া হয়েছে। তারমধ্যে কয়েকটি মন্দ ভাগ্যের দরুন। যেমন— নীহাররঞ্জন গুপ্তর একটি গল্প নিয়ে ছবি করা তাঁর বহুদিনের ইচ্ছে ছিল। কিরীটী রায়ের ভূমিকায় প্রদীপ কুমার, নায়িকা সুচিত্রা সেন। ভানুর এই ছবি করা হয়নি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

02nd  February, 2020
নতুন মানুষ
বিভাসকুমার সরকার 

অনন্তরামের আজ বড় আনন্দ। কর্তামশাই আসছেন তার বাড়িতে। আবার একা নন, মেয়ে জামাই সুদ্ধ। সকাল থেকে তার ব্যস্ততার অন্ত নেই। এটা আনছে, ওটা সরাচ্ছে। তার সঙ্গে হাঁকডাক। পাড়ার লোকের চোখ ছানাবড়া। সাদাসিধা, শান্তশিষ্ট, লোকটার হল কী! 
বিশদ

02nd  February, 2020
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- নবম কিস্তি। 
বিশদ

26th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

26th  January, 2020
একনজরে
 কোটা, ২৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা রাজস্থানে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে বরযাত্রী বোঝাই বাস নদীতে পড়ল। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৪ জনের। গুরুতর জখম ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী আর্থিক বছর থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক খরচের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে দপ্তরগুলিকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে না। তাই দপ্তরগুলিকে বরাদ্দ টাকা যথাযথভাবে ও নিয়ম মেনে খরচ করার পরামর্শ দিয়েছে অর্থদপ্তর। দপ্তরগুলির আর্থিক পরামর্শদাতাদের সঙ্গে অর্থদপ্তরের বৈঠকের পর এই ...

বিএনএ, আসানসোল: বেসরকারি গ্যাস কোম্পানির নিরাপত্তারক্ষী ছাঁটাই নিয়ে ক্রমশ জটিলতা বাড়ছে আসানসোলে। কোম্পানি থেকে ২৯জনকে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে অনশন শুরু করেছেন ছাঁটাই হওয়া নিরাপত্তারক্ষীরা।   ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে, সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগোর জন্ম
১৯০৮- লেখিকা লীলা মজুমদারের জন্ম
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
১৯৩৬- চিত্র পরিচালক মনমোহন দেশাইয়ের জন্ম
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৯ টাকা ৭২.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৫৯ টাকা ৯৪.৮৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৪৯ টাকা ৭৯.৪১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী অহোরাত্র। রেবতী ৪৭/৪০ রাত্রি ১/৮। সূ উ ৬/৪/১৪, অ ৫/৩৫/২, অমৃতযোগ রাত্রি ১/৫ গতে ৩/৩৫ বারবেলা ২/৪২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/৩৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী, রেবতী ৪২/২৩/২২ রাত্রি ১১/৪/৩৪। সূ উ ৬/৭/১৩, অ ৫/৩৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। কালবেলা ২/৪২/২৫ গতে ৪/৮/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০/৪১ গতে ১/২৪/৪৯ মধ্যে। 
২ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

03:39:45 PM

পুরভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ রাজ্যপাল 
পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরমধ্যেই রাজ্য ...বিশদ

01:25:00 PM

লেকটাউনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত শ্রমিক 

01:10:00 PM