Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২২

শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়। জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের বাজার সরকার। মাসিক বেতন কুড়ি টাকা। ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে তাঁর কেমন লতায়-পাতায় আত্মীয়তা ছিল বলেও শোনা যায়। সামাজিক প্রতিপত্তি ও বংশ কৌলিন্যে গঙ্গোপাধ্যায় পরিবার ঠাকুর পরিবারের সমকক্ষ না হওয়া সত্ত্বেও মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছায় শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয়া কন্যা কাদম্বরী দেবীর সঙ্গে বিবাহ হল মহর্ষির পঞ্চম পুত্র জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের।
কাদম্বরী দেবীর বয়স তখন নয়, এবং সুদর্শন ও নানাবিধ গুণ সম্পন্ন স্বামী জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর সেইসময় সদ্য উনিশের যুবক। বউ হয়ে ঠাকুর পরিবারে জীবন শুরু করলেন কাদম্বরী দেবী। তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র সাতবছরের শিশু। তিনি খেলার সাথী হিসেবে কাছে পেলেন তাঁর নতুনদাদার স্ত্রী নতুন বৌঠানকে। দুই বালক-বালিকার মধ্যে সেদিন যে সুন্দর, পবিত্র সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তা বজায় ছিল আজীবন। তাই নতুন বৌঠানের অকাল মৃত্যুকে একদম মেনে নিতে পারেননি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পরবর্তীকালে তাঁর বিভিন্ন লেখা ও কবিতায় সেই ‘বিষাদ’ বারে বারে উঠে এসেছে। শুধু তাই নয় তাঁর প্ল্যানচেটের আসরে বহুবার এসেছেন নতুন বৌঠান। তবে কোনওবারই রহস্যময়ী কাদম্বরী দেবী নিজ নাম নিজ মুখে প্রকাশ করেননি। তাঁর উপস্থিতি একমাত্র বুঝেছেন রবীন্দ্রনাথ।
ঠাকুর পরিবারের এই বিবাহের খবর ১৮৭০ সালের শ্রাবণ সংখ্যার তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় বেশ গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়েছিল—‘ গত ২৩ আষাঢ়, ব্রাহ্ম সমাজের প্রধান আচার্য শ্রদ্ধাস্পদ শ্রীযুক্ত দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয়ের পঞ্চমপুত্র শ্রীমান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহিত কলিকাতা নিবাসী শ্রীযুক্তবাবু শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয়া কন্যার যথাবিধি ব্রাহ্মধর্মের পদ্ধতি অনুসারে শুভবিবাহ সমারোহপূর্বক সম্পন্ন হইয়া গিয়াছে। বিবাহসভায় বহু সংখ্যক ব্রাহ্ম এবং এতদ্দেশীয় প্রধান প্রধান ব্রাহ্মণ সকল উপস্থিত ছিলেন। দরিদ্রদিগকে প্রচুর তক্ষ্যভোজে পরিতৃপ্ত করিয়া বিস্তর অর্থ প্রদান করাও হইয়াছিল।’
মহর্ষির ইচ্ছায় সম্পন্ন হওয়া এই অসম বিবাহকে কেন্দ্র করে শোনা যায় ঠাকুর পরিবারের অন্দরমহলে তীব্র বিদ্রোহের ঝড় ড়ঠেছিল। মহর্ষির দ্বিতীয় পুত্র বিলেত ফেরত আইসিএস অফিসার সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও তাঁর স্ত্রী জ্ঞানদানন্দিনী এই বিয়ে কোনওদিনই মেনে নেননি। জ্ঞানদানন্দিনী নাকি একথাও বলেছিলেন, বাবামহাশয়ের অন্যায় জেদের কারণেই এই বিয়েটা হল। নতুন মেনে নিল, কোনও প্রতিবাদ পর্যন্ত করল না। কিন্তু এই বিয়েতে কারও মঙ্গল হবে না! নতুনের জীবনটা নষ্ট হয়ে গেল। কোথায় নতুন আর কোথায় ওর বউ!
এই বিয়েতে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ যে খুব অখুশি ছিলেন রবীন্দ্রনাথের এই লেখাটি পড়লে তা একবারও মনে হয় না। তিনি লিখছেন, ‘দিনের শেষে ছাদের উপর পড়ত মাদুর আর তাকিয়া। একটা রুপার রেকাবিতে বেলফুলের গোড়ে মালা ভিজে রুমালে, পিরিচে এক গ্লাস বরফ দেওয়া জল আর বাটিতে ছাঁচি পান। বউঠাকরুন গা ধুয়ে, চুল বেঁধে তৈরি হয়ে বসতেন। গায়ে একখানা পাতলা চাদর উড়িয়ে আসতেন জ্যোতিদাদা, বেহালাতে লাগাতেন ছড়ি, আমি ধরতুম চড়া সুরের গান। গলায় যেটুকু সুর দিয়েছিলেন বিধাতা তখনো তা ফিরিয়ে নেননি। সূর্যডোবা আকাশে ছাদে ছাদে ছড়িয়ে যেত আমার গান। হু হু করে দক্ষিণে বাতাস উঠত দূর সমুদ্র থেকে, তারায় তারায় যেত আকাশ ভরে।’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখার সবথেকে বড় সমালোচক ছিলেন তাঁর বউঠাকরুন। তিনি কবিকে লেখক বলে পাত্তাই দিতেন না। বলতেন, তুমি কোনওকালেই বিহারীলাল চক্রবর্তীর মতো লিখতে পারবে না। এটা নিয়ে বড়ই আক্ষেপ ছিল রবীন্দ্রনাথের। তিনি লিখছেন, ‘বউঠাকরুনের ব্যবহার ছিল উলটো। কোনো কালে আমি যে লিখিয়ে হব, এ তিনি কিছুতেই মানতেন না। কেবলই খোঁটা দিয়ে বলতেন, কোনোকালে বিহারী চক্রবর্তীর মতো লিখতে পারব না। আমি মনমরা হয়ে ভাবতুম তার চেয়ে অনেক নীচের ধাপের মার্কা যদি মিলত তাহলে মেয়েদের সাজ নিয়ে তাঁর খুদে দেওর-কবির অপছন্দ অমন করে উড়িয়ে দিতে তাঁর বাধ সাধত।’
সুখ ক্ষণিকের, সুখ হয় না দীর্ঘস্থায়ী! তাই সময় একদিন কাল থেকে কালান্তরে উড়িয়ে নিয়ে গেল দেওর- বউদির জীবনের সেই সুন্দর, মধুর মুহূর্তগুলিকে। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ক্রমশ ব্যস্ত হয়ে পড়লেন তাঁর নিজের জগতে। পরিবারের ইচ্ছায় রবীন্দ্রনাথ গেলেন বিদেশে। নিঃসঙ্গ কাদম্বরী দেবী বোধহয় তখন থেকেই তলিয়ে যেতে শুরু করলেন অবসাদের চোরাবালিতে। এরপরেই রবীন্দ্রনাথের জীবনে আসবেন মৃণালিনী দেবী। তাঁর অত্যন্ত আদরের ছোটবউ। ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর মৃণালিনী দেবী বউ হয়ে এলেন ঠাকুর পরিবারে। আর তার ঠিক সাড়ে চারমাসের মাথায় ১৮৮৪ সালের ২১ এপ্রিল জীবন থেকে ঝরে গেলেন কাদম্বরী দেবী। তবে তিনি এর আগেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। সেবার অবশ্য তিনি মৃত্যুর অতুলনীয় স্পর্শ পাননি, পেলেন পঁচিশ বছর বয়েসে।
এই অপঘাত মৃত্যু ও কাদম্বরী দেবী প্রসঙ্গে প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় এক সময় কলম ধরেছিলেন। তিনি লিখলেন, ‘এই অসামান্যা নারী ছিলেন যেমন অভিমানিনী, তেমনি সেন্টিমেন্টাল এবং আরো বলিব ইনট্রোভার্ট, সিজোফ্রেনিক। অপরদিকে জ্যোতিরিন্দ্রনাথও দোষক্রটির উর্ধ্বে ছিলেন না। পত্নীর প্রতি মনযোগী থাকিলে তাঁহার নিঃসন্তান জীবনের সঙ্গীহীন শূন্যতা কিছুটা পূরণ হইতে পারিত, তদ্বিষয়ে উদাসীনতাই দেখা যায়। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ যৌবনে নাট্যকার ও অভিনেতার খ্যাতি অর্জন করিয়া রঙ্গমঞ্চের নটনটীদের সহিত ঘনিষ্ঠ হইয়াছিলেন বলিয়া অপবাদ শোনা যায়। জানি না, এইরূপ কোনো সন্দেহের বশবর্তী হইয়া এই অভিমানিনী আত্মহত্যার চেষ্টা করিয়াছিলেন কিনা?’
১৯ এপ্রিল শ্যামা নামের কোনও মহিলার থেকে আফিম সংগ্রহ করে কাদম্বরী দেবী চললেন চিরঘুমের দেশে। তারপর দুদিন অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করে তিনি অবশেষে চিরতরে হারিয়ে গেলেন। কিন্তু এই মৃত্যুতে ভেঙে পড়লেন দুজন মানুষ। জ্যোতিরিন্দ্রনাথ সেদিন মৃতা স্ত্রীকে দেখতে পর্যন্ত যাননি। নিজের ঘরে নিজেকে বন্দি করে রেখেছিলেন। নিজের স্ত্রীর মুখাগ্নি করতেও অস্বীকার করেছিলেন। আর রবীন্দ্রনাথ! তিনি আমৃত্যু পরম মমতায় নিজের হৃদয়ে লালন করেছিলেন তাঁর নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীকে।
(ক্রমশ)
 ছবিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর ও
কাদম্বরী দেবী। 
04th  August, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ডাকনাম ফড়িং
স্বপন পাল

অখিলেশের চাকরি জীবন থেকে অবসর নেওয়া প্রায় চার বছর হয়ে গেল। তার এই অবসর জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, অবসর সময় কাটানো নিয়ে সময় খুঁজে বের করা। বই বা খবরের কাগজ পড়ে কতটাই বা সময় কাটানো যায়। টিভি অখিলেশ খুব একটা দেখে না। চোখের ওপর চাপ পড়ে। গেল মাসে ডান চোখটায় ছানি অপারেশন হয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরের শুরুতেই ফের বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন মালিক সংগঠনের নেতারা। একাধিক সংগঠন এ নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে। কয়েকটি সংগঠন আবার আরও এগিয়ে পরিবহণ দপ্তরে চিঠিও দিয়েছে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে।   ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: দক্ষিণবঙ্গ থেকে ভোজ্য তেল নিয়ে এসে কালিয়াচকের ডাঙা এলাকায় একটি গোডাইনে মজুত করেছিল পাচারকারীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই তেল পাচারকারী লরির চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।  ...

অকল্যান্ড, ২৪ জানুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে একদিনের সিরিজ জেতার পর ভারতের আত্মবিশ্বাস যে অনেকটাই বেড়েছে তার প্রমাণ মিলল শুক্রবার। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের প্রথম ...

সংবাদদাতা, কান্দি: বৃহস্পতিবার রাতে খবর পেয়ে বড়ঞা থানার শ্রীরামপুর গ্রাম থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম সাদ্দাম শেখ। ওই গ্রামেই তার বাড়ি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
চীনা নববর্ষ পালিত হচ্ছে মধ্য কলকাতার টেরিটি বাজার এলাকায়

11:36:00 AM

বাগুইআটিতে জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫ 

11:36:00 AM

বেলেঘাটায় বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২  

11:35:00 AM

তুরষ্কে ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৮

 

প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব তুরষ্ক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ...বিশদ

10:43:00 AM

২৬ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত পার্কিং লট
 

২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত ...বিশদ

10:40:48 AM

জম্মু ও কাশ্মীরের অবন্তিপোরায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

10:37:58 AM