Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্যভূমির পুণ্য ধুলোয়
মরুতীর্থ ও ওশিয়াঁ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 করাচি শহর থেকে ৩০০ কিমি দূরে লাসাবেলার বিস্তীর্ণ ও ভয়াবহ মরুভূমির বুকে হিঙ্গুলা নদীর তীরে যেমন হিংলাজ মাতার গুহা মন্দির, তেমনই রাজস্থানের থর মরুভূমির বুকে যোধপুর থেকে ৬৫ কিমি দূরে হল ওশিয়াঁ মাতার রম্য মন্দির। মরুভূমির বুকে মহাতীর্থ। মরুতীর্থ ওশিয়াঁ।
এই মরুবাসিনী ওশিয়াঁ মাতার কথা শুনেছিলাম জয়পুরের এক ভক্ত তীর্থযাত্রীর মুখে। কিন্তু কেমন করে কীভাবে যাব, তা সঠিকভাবে বুঝিয়ে বলতে না পারায় মনের দিক থেকে তেমন কোনও উৎসাহ পাইনি।
সে বার যোধপুরে গিয়ে মাণ্ডোর উদ্যানে অজিত পোলের পাহাড়ের গা কেটে খোদাই করা কতকগুলি দেবদেবীর মূর্তি দর্শন করে নাগগঙ্গায় এসে জনৈকের মুখে ওশিয়াঁ মাতার স্থানে যাওয়ার পর নির্দেশ পেলাম।
আমি যোধপুরে বার তিনেক গেছি। সস্তার ঠেক হিসেবে ওখানকার সরাইখানায় থাকি। ওশিয়াঁর অবস্থান জানতাম না। এখন তাই পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিলাম ওশিয়াঁয় যাওয়ার।
মাণ্ডোর থেকে ফিরেই পরদিন সকালে চলে এলাম যোধপুর শহরের সরকারি বাসস্ট্যান্ড রায়কাবাগে। এখান থেকেই ওশিয়াঁর বাস ছাড়ে। সকাল সাতটায় বাস ছাড়ল। এই বাসের অধিকাংশ যাত্রীই চলেছেন ওশিয়াঁ মাতার পুজো দিতে। আমিও তাঁদেরই একজন হয়ে গেলাম। শহর ছেড়ে বাস মরুরাজ্যে ‘মথানিয়া’ নামে একটি ছোট্ট জনপদে এসে থামল। এ পথে মরুভূমি ঠিক গোবি, সাহারার মতো নয়। বালিতে মাটির মিশ্রণ আছে। আছে নানারকমের কাঁটাগাছ, ফণিমনসা, আকন্দ ও বাবলাগাছের সমারোহ।
আর আছে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ। যাই হোক, প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাস এসে পৌঁছল ওশিয়াঁয়। ওশিয়াঁ মাতাকে এখানকার লোকেরা বলে সিচ্চাই মাতা।
মরুভূমির মাঝখানে খোলার ঘরের একটি বস্তির সামনে বাস থেকে নেমে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে ওশিয়াঁ মাতার জয়ধ্বনি দিতে দিতে বস্তির ভেতর দিয়েই হাঁটা শুরু করলাম। ওসওয়াল জৈন সম্প্রদায়ের আদি বসতি বলেই জায়গাটার নাম ওশিয়াঁ। স্থানটি আগে উপকেশপত্তনের অন্তর্গত ছিল। যাই হোক, পায়ে পায়ে কিছু পথ যাওয়ার পরই মন্দির মার্গে পৌঁছলাম। সেখানে সারি সারি দোকানগুলোতে পূজা সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। সিঁদুর, নোয়া, শাঁখা, লাল চেলি, ধূপ, নারকেল, এলাচিদানা কত কী।
এখানেই একটি টিলার মতো উচ্চস্থানে ওশিয়াঁ মাতার মন্দির। মরুভূমির মাঝখানে এমন সুরম্য মন্দির দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম। ছোট ছোট বেশ কয়েকটি কারুকার্যমণ্ডিত মণ্ডপ অতিক্রম করে ওপরে উঠতে হয়। খানিক ওঠার পরই প্রকৃত মরুভূমির রূপ দেখে উল্লসিত হলাম। সমুদ্রের তরঙ্গের মতো সীমাহীন বালির স্তর দিগন্তে বিলীন হয়েছে এখানে।
মরুভূমির দৃশ্য দেখার পর দেবী দর্শনে মন দিলাম। আরও কয়েক ধাপ উঠতেই বজরঙ্গবলীর দর্শন পেলাম। এরপর দেবী দর্শন। মূল মন্দিরে শতাধিক স্তম্ভ। গর্ভমন্দিরে ওশিয়াঁ মাতার সঙ্গে ভৈরব, সন্তোষীমাতা ও শীতলা। এছাড়াও মন্দির চত্বরে আছে বেশ কয়েকটি বড় বড় মন্দির। যেমন— অষ্টম দুর্গা, মহাগৌরী, শ্রীশ্রী চণ্ডিকামাতা, রাধাকৃষ্ণ ও আরও অনেক দেবদেবীর মন্দির। এঁদের মাঝখানেই বিরাজ করছেন ওশিয়াঁ মাতা বা সিচ্চাই দেবী।
এবার ওশিয়াঁ মাতার কাহিনী প্রসঙ্গে কিছু বলা যাক— উপকেশপত্তনের অধীশ্বর ছিলেন উৎপলদেব। তাঁর আরাধ্যা দেবী ছিলেন চামুণ্ডা। তাঁর রাজত্বকালে জৈন তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথের ষষ্ঠতম স্থলাভিষিক্ত আচার্য রত্নগর্ভ একবার পাঁচশত শিষ্য নিয়ে হঠাৎ উপকেশপত্তনে উপস্থিত হলেন এবং নগরের বাইরে লুণাদ্রী পল্লিতে অবস্থান ও সাধনভজনের পর আচার্যের কয়েকজন শিষ্য ভিক্ষার্থে নগরে গেলেন। কিন্তু গেলে কী হবে? শূন্য হাতেই ফিরে আসতে হল সকলকে। কেন না উপকেশপত্তনের সবাই তন্ত্রাচারে অভ্যস্ত বলে আমিষভোজী। ওদিকে জৈন সম্প্রদায় নিরামিষাশী বলে আহার না পাওয়ার কারণে ফিরে এলেন। রত্নপ্রভর পার্শ্বচর উপাধ্যায় বীরধবল তখনই সেই স্থান ত্যাগের পরামর্শ দিলেন সকলকে। স্থান ত্যাগের সিদ্ধান্ত যখন পাকা নগরীর অধিষ্ঠাত্রী দেবী চামুণ্ডা সে রাতে রত্নপ্রভকে স্বপ্নাদেশ দিয়ে চাতুর্মাস্য করার নির্দেশ দিলেন। জৈন সম্প্রদায় অবশ্য হিন্দু দেবীর এই স্বপ্নাদেশ অমান্য করলেন না।
এর ঠিক কয়েকদিন পরেই উৎপলদেবের জামাতা সর্পাঘাতে মারা গেলেন। মৃতদেহ যখন শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল দেবী চামুণ্ডা এক সন্ন্যাসীর বেশে শ্মশানযাত্রীদের সামনে এসে বললেন, ‘একি! এই জীবন্ত মানুষটাকে তোমরা শ্মশানে নিয়ে যাচ্ছ? ছিঃ।’ বলেই অন্তর্হিত হলেন। সবাই তখন সৎকার ফেলে হন্যে হয়ে খুঁজতে লাগলেন সন্ন্যাসীকে। এমন সময় হঠাৎই গিয়ে পড়লেন রত্নপ্রভর আশ্রমে। তাঁকে দর্শনমাত্রেই চিনতে পারলেন সবাই। ইনিই তো সেই সন্ন্যাসী। সবাই তাই লুটিয়ে পড়লেন রত্নপ্রভর চরণে। এমন সময় দৈববাণী হল, ‘রত্নপ্রভর পাদোদক সিঞ্চন করলে মৃত ব্যক্তি তাঁর প্রাণ ফিরে পাবেন।’ বলা বাহুল্য রত্নপ্রভর চরণ ধোয়া জল মুখে দিতেই প্রাণ ফিরে পেলেন জামাতা। রাজাদেশে সেই থেকে উপকেশপত্তনে ‘জৈনং জয়তী শাসনং’ প্রচলিত হল।
রত্নগর্ভর চাতুর্মাস্য পূর্তির তখনও অল্প কয়েকদিন বাকি। এমন সময় এক বিস্ময়কর ঘটনার মধ্যে দিয়ে ভগবান মহাবীরের একটি মূর্তিও আবিষ্কৃত হল। ঘটনাটি এই—
উৎপলদেবের মন্ত্রীর একটি দুগ্ধবতী গাভী ছিল। কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছিল সেই গাভীটি যখন চরভূমি থেকে ফিরে আসে তখন সে সম্পূর্ণ দুগ্ধহীন। এই দেখে তার রাখাল একদিন গাভীটিকে নজরে রেখে দেখে গাভীটি চরভূমির একটু উচ্চস্থানে গিয়ে দাঁড়ায় এবং সেখানেই আপনা থেকেই তার সমস্ত দুধ নিঃসৃত হয়। এই ব্যাপারটা মন্ত্রীকে জানালে তিনি লোকজন দিয়ে সেই স্থানে খনন করাতেই বালির ভেতর থেকে এক অপূর্ব মহাবীর মূর্তি আবিষ্কার হল। রত্নপ্রভ সেই মূর্তি মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করলেন। এখানকার দেবী চামুণ্ডাই মহাবীর মন্দিরের অধিষ্ঠাতা এমন ঘোষণাও করলেন তিনি। দেবীর স্বপ্নাদেশে রত্নপ্রভর অভীষ্ট পূর্ণ হওয়ায় দেবীর নাম হল সাচ্চাই দেবী। কালক্রমে সেই সাচ্চাই দেবী এখন সিচ্চাই মাতাতে পরিণত হয়েছেন। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর চাতুর্মাস্য শেষ হলে রত্নপ্রভ বিদায় নিলেন। দর্শন শেষে আমারও এখন বিদায় নেওয়ার পালা। এই থর মরুর বুকে হিন্দু ও জৈন ধর্মের এমন সহাবস্থান সত্যই বিস্ময়কর।
(ক্রমশ)
28th  July, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ডাকনাম ফড়িং
স্বপন পাল

অখিলেশের চাকরি জীবন থেকে অবসর নেওয়া প্রায় চার বছর হয়ে গেল। তার এই অবসর জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, অবসর সময় কাটানো নিয়ে সময় খুঁজে বের করা। বই বা খবরের কাগজ পড়ে কতটাই বা সময় কাটানো যায়। টিভি অখিলেশ খুব একটা দেখে না। চোখের ওপর চাপ পড়ে। গেল মাসে ডান চোখটায় ছানি অপারেশন হয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎপাদন কম থাকায় দাম বাড়ছে হু হু করে। সেকারণেই কুমোরটুলিতে শোলার বদলে সরস্বতী প্রতিমার সাজে ব্যবহার বাড়ছে জরির অলঙ্কারের। মৃৎশিল্পীদের কথায়, প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে যদি প্রতিমা শোলার অলঙ্কারে সাজাতে হয়, তাহলে ঢাকের ...

মুম্বই, ২৪ জানুয়ারি (পিটিআই): বিধানসভা নির্বাচনের সময় মহারাষ্ট্রের অবিজেপি নেতাদের ফোন ট্যাপ করা হয়েছিল। সরকারি পরিকাঠামোর অপব্যবহার করে এই কাজ করেছিল তৎকালীন বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার এমনই অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্রের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। এই কাণ্ডে তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে।  ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: দক্ষিণবঙ্গ থেকে ভোজ্য তেল নিয়ে এসে কালিয়াচকের ডাঙা এলাকায় একটি গোডাইনে মজুত করেছিল পাচারকারীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই তেল পাচারকারী লরির চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরের শুরুতেই ফের বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন মালিক সংগঠনের নেতারা। একাধিক সংগঠন এ নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে। কয়েকটি সংগঠন আবার আরও এগিয়ে পরিবহণ দপ্তরে চিঠিও দিয়েছে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তুরষ্কে ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৮

 

প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব তুরষ্ক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ...বিশদ

10:43:00 AM

২৬ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত পার্কিং লট
 

২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত ...বিশদ

10:40:48 AM

জম্মু ও কাশ্মীরের অবন্তিপোরায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

10:37:58 AM

বিহারের হাজিপুরে পুলিসের গুলিতে হত কুখ্যাত দুষ্কৃতী বাইজু মাহাতো 

10:37:00 AM

ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম, উঃ ভারতে দেরিতে চলছে ২১টি দুরপাল্লার ট্রেন 

10:29:00 AM

করোনা সংক্রমণে চিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ 

10:28:00 AM