Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

 ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

২১
ঘরে উপস্থিত সবাই বুঝতে পারলেন নিত্যরঞ্জন ঘোষের শরীরে কোনও অতৃপ্ত, ক্রুদ্ধ আত্মা ভর করেছেন। সেজবাতির আলোটা একটু বাড়িয়ে দিয়ে ডাক্তার রাজকৃষ্ণ মিত্র বললেন, হ্যাঁ, আমরা আপনার সম্পর্কে সবকিছু জানতে চাই। আপনি কে? আপনার নাম কী?
অতি কর্কশ কণ্ঠে নিত্যরঞ্জন বলে উঠলেন, আলোটা কমান। আমার বড় কষ্ট হচ্ছে।
প্যারীচাঁদ মিত্র তাড়াতাড়ি উঠে গিয়ে সেজবাতিটা একদম কমিয়ে দিয়ে নিজের জায়গায় ফিরে এসে বললেন, বলুন আপনার কথা।
নিত্যরঞ্জন কর্কশ স্বরে বললেন, আমার নাম ভোলানাথ মুখোপাধ্যায়। আমার বাড়ি ছিল যশোরে। পাঁচ হাজার টাকার লোভে কয়েকজন দুষ্কৃতী আমাকে নৃশংসভাবে খুন করে। তাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে আর আমার খোওয়া যাওয়া টাকা উদ্ধারের জন্যই আমি পৃথিবীর আশেপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছি। পাঁচ হাজার টাকাটা খুনিরা এই চার্চ লেনের কাছেই হেয়ার স্ট্রিটের একটা বাড়িতে পুঁতে রেখেছিল। তাই আমি এই অঞ্চলেই বেশি ঘোরাঘুরি করি।
পরবর্তীকালে প্যারীচাঁদ মিত্র সেদিনের সেই সন্ধ্যার রোমাহর্ষক বর্ণনা ভাবীকালের জন্য লিখে রেখে গেছেন। তিনি লিখছেন, ‘ভোলানাথ মুখার্জির অশরীরী আত্মা নিত্যরঞ্জন ঘোষের মাধ্যমে তার জীবনকাহিনী বলতে বলতে হঠাৎ থেমে গেল। আবার বলল— এখানে থাকতে আমার আর ভালো লাগছে না— এই স্তরের বেশির ভাগই আমার মত খুন হওয়া কিম্বা গলায় দড়ি দেওয়া সব বিক্ষুব্ধ এবং অভিশপ্ত আত্মা— অন্ধকার ঘরে তার কথাগুলো কেমন কাতর কান্নার মতো শোনাল। আবার বলল, আমার স্ত্রী আমার বছর দুয়েক আগে মারা গিয়েছে। সে দেখতে যেমন সুন্দরী তেমনি তার ধর্মে-কর্মে খুব মতি ছিল। ফলে তার আত্মা থাকে অনেক ওপরের স্তরে। সেইখান থেকে সে ক্রমাগত আমার জন্য প্রার্থনা করছে— হয়তো আমিও কিছুদিন বাদে ওপরের স্তরে তার কাছে চলে যেতে পারব। তবে সে সময় এখনও আসেনি। আমাকে আর কষ্ট দেবেন না— আমি এখন যাই। তার কথা শেষ হতে না হতে খোলা জানলা দিয়ে সাঁ সাঁ করে একটা দমকা বাতাস আছড়ে পড়ল ঘরে। আর সেই নিমগাছটা প্রবল বেগে আন্দোলিত হল। মিডিয়াম নিত্যরঞ্জন ঘোষ লুটিয়ে পড়লেন মেঝের ওপর।’
আর একদিনের কথা। সেদিন চক্রের বৈঠক বসেছে পূর্ণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের বেলগাছিয়ার বাগানবাড়িতে। মিডিয়াম নিত্যরঞ্জনের মাধ্যমে সেদিন যাঁর আত্মা ওই চক্রে এসেছিলেন তাঁর নাম দেবেন্দ্রনাথ তর্করত্ন।
প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রশ্নের উত্তরে দেবেন্দ্রনাথের আত্মা মিডিয়ামের মাধ্যমে কথা বলতে শুরু করলেন। তিনি বললেন, আমার বাড়ি ছিল ব্যারাকপুরে। মাত্র ছ’বছর তিন মাস আগে আমার মৃত্যু হয়।
রাজকৃষ্ণ মিত্র এইসময় জানতে চাইলেন, আপনি এখন কোন স্তরে আছেন?
উত্তরে দেবেন্দ্রনাথ বললেন, আমি এখন যে দ্বিতীয় স্তর থেকে আসছি সেখানকার প্রতিটি আত্মাই পবিত্র আত্মা। সেখানে আমরা সর্বদাই সেই আনন্দময়ের কথা চিন্তা করি এবং তাঁর কথা ভেবেই আমরা মোহিত হয়ে থাকি।
এতক্ষণ চুপ করে বসে রাজকৃষ্ণ মন দিয়ে দেবেন্দ্রনাথের কথা শুনছিলেন। তিনি এবার মুখ খুললেন, বললেন, মহাশয়, আপনি চিরকালই কী এইরকম ঈশ্বরবিশ্বাসী!
এতক্ষণে দুই চক্ষু মুদে, মাথাটা মাটির দিকে ঝুলিয়ে বসেছিলেন নিত্যরঞ্জন। ডাক্তার মিত্রের প্রশ্ন শুনে মিডিয়াম নিত্যরঞ্জন মাথা তুলে তাকালেন তাঁর দিকে। তারপর বললেন, কৈশোর কাল থেকে দেবদ্বিজে আমার খুব ভক্তি ছিল। আমার বয়স যখন আঠারো তখন চাকরির খোঁজে লখনউ গিয়ে এক সন্ন্যাসীর দেখা পেয়েছিলাম। তাঁর কাছেই আমি ‘যোগ’ শিখি। কিন্তু হঠাৎ একদিন আমার গুরুদেব আমায় বললেন, আমার যা ছিল সব কিছু আমি তোমাকে উজাড় করে দিয়েছি। এর বাইরে আমি আর তোমায় কিছুই দিতে পারব না। তবে তোমার আরও অনেক কিছু জানা ও শেখার বাকি আছে। তারজন্য তোমার উপযুক্ত গুরুর প্রয়োজন। এবার তুমি সেই গুরুর সন্ধানে বেরিয়ে পড়। তারপরই তিনি অদৃশ্য হয়ে গেলেন।
গুরুদেবের আদেশে আমি আবার পথে নামলাম। চলে গেলাম বিন্ধ্যগিরিতে। সেখানে আমাকে কৃপা করলেন তিনজন সিদ্ধ যোগী। বেশ আনন্দেই কাটছিল তাঁদের সঙ্গে। কিন্তু এখানেই আমি একদিন অসুস্থ হয়ে পড়লাম। কিছুদিন রোগভোগের পর বুঝতে পারলাম এবার আর সুস্থ হওয়ার আশা নেই। তারপর আমার জীবনে এল সেই অদ্ভুত সকালটি। আমার লখনউয়ের গুরুদেবের আবার দর্শন পেলাম। তিনি আমার রোগশয্যার পাশে বসে আমার ডান হাতখানি সস্নেহে ধরে বললেন, ভয় নেই আমি এসে গেছি, তোমাকে আজ এমন একটা জায়গায় নিয়ে যাব যেখানে লোভ নেই, পাপ নেই। সত্যিই মৃত্যুর পরে এমন জায়গায় এলাম যেখানে পৃথিবীর মতো দিন নেই, রাত নেই। কিন্তু এমন একটা অপরূপ আলোয় চারিদিক ভরে থাকে যাতে মনে হয় যেন এখানে বুঝি অহরহ গোধূলি বিরাজ করছে। আপনাদেরও একদিন সেখানে আসতেই হবে। তবে আজ আর আপনাদের মিডিয়াম আমাকে ধরে রাখতে পারবেন না। এবার আমি যাব। কথা শেষ করেই মিডিয়াম নিত্যরঞ্জন নির্জীবের মতো বসে রইলেন।
কর্মজীবনে বহু সরকারি সংস্থার উচ্চপদে যুক্ত ছিলেন প্যারীচাঁদ মিত্র। প্রবল ব্যস্ততার মধ্যে তাঁর দিন কাটত। তবু তিনি নিয়মিত পরলোকচর্চা করতেন। বলা যেতে পারে, তিনি ওই জগৎটাকে অত্যন্ত ভালোবেসে ফেলেছিলেন। তার প্রমাণ পাওয়া যাবে ২৯. ১২. ১৮৮১ সালের ‘ইণ্ডিয়ান মিরর’-এ চোখ রাখলে। প্যারীচাঁদ মিত্র লিখছেন, ‘আমার স্ত্রীর পরলোকগমনের পর হইতে আমি আধ্যাত্মিকচর্চা করিয়া আসিতেছি। আমার জ্যেষ্ঠপুত্র অমৃতলাল আমাদের পারিবারিক চক্রে বসিয়া পরলোকগত নিজ জনদিগের আত্মার সহিত আলাপ করিয়া থাকেন। একদিন মিঃ এগ্‌঩লিন্টন আমাদের সহিত স্বতন্ত্রভাবে চক্রে বসিয়াছিলেন।’
তবে প্যারীচাঁদের প্রয়াণের পর মিত্রবাড়ির প্রেতচর্চা চালু ছিল কিনা সে খবর আমরা কেউই জানি না!
(ক্রমশ)
28th  July, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ডাকনাম ফড়িং
স্বপন পাল

অখিলেশের চাকরি জীবন থেকে অবসর নেওয়া প্রায় চার বছর হয়ে গেল। তার এই অবসর জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, অবসর সময় কাটানো নিয়ে সময় খুঁজে বের করা। বই বা খবরের কাগজ পড়ে কতটাই বা সময় কাটানো যায়। টিভি অখিলেশ খুব একটা দেখে না। চোখের ওপর চাপ পড়ে। গেল মাসে ডান চোখটায় ছানি অপারেশন হয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
দাভোস, ২৪ জানুয়ারি: ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গণতন্ত্রকে ‘ধ্বংসের মুখে’ ঠেলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দাভোসের ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর মঞ্চ থেকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎপাদন কম থাকায় দাম বাড়ছে হু হু করে। সেকারণেই কুমোরটুলিতে শোলার বদলে সরস্বতী প্রতিমার সাজে ব্যবহার বাড়ছে জরির অলঙ্কারের। মৃৎশিল্পীদের কথায়, প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে যদি প্রতিমা শোলার অলঙ্কারে সাজাতে হয়, তাহলে ঢাকের ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: দক্ষিণবঙ্গ থেকে ভোজ্য তেল নিয়ে এসে কালিয়াচকের ডাঙা এলাকায় একটি গোডাইনে মজুত করেছিল পাচারকারীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই তেল পাচারকারী লরির চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।  ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: সংঘাতের আবহেই কি আগামীকাল রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হতে চলেছেন? সাংবিধানিক রীতি ও সৌজন্যের কারণেই কি তাঁদের দু’জনকে কাল পাশাপাশি দেখা যাবে? ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তুরষ্কে ভূমিকম্প, মাত্রা ৬.৮

 

প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পূর্ব তুরষ্ক। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ...বিশদ

10:43:00 AM

২৬ জানুয়ারি বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত পার্কিং লট
 

২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বন্ধ থাকবে দিল্লি মেট্রোর সমস্ত ...বিশদ

10:40:48 AM

জম্মু ও কাশ্মীরের অবন্তিপোরায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

10:37:58 AM

বিহারের হাজিপুরে পুলিসের গুলিতে হত কুখ্যাত দুষ্কৃতী বাইজু মাহাতো 

10:37:00 AM

ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম, উঃ ভারতে দেরিতে চলছে ২১টি দুরপাল্লার ট্রেন 

10:29:00 AM

করোনা সংক্রমণে চিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ 

10:28:00 AM