Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয় 
গিরিতীর্থ হিংলাজ, পর্ব-১৯

এবার গিরিতীর্থ হিংলাজে যাওয়া যাক। ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে গুজরাত প্রদেশে হিংলাজ মাতার মন্দির আছে। তবে সে সবের সন্ধান আমার জানা নেই। দৈবকৃপায় আমি যে দুটি স্থানে গিয়ে পড়েছিলাম তারই বর্ণনা দেব।
কৈশোর ও যৌবনের সন্ধিক্ষণে আমি মরুতীর্থ হিংলাজের লেখক অবধূতের ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যে ছিলাম। তাই স্বাভাবিকভাবেই হিংলাজ দর্শনের সুপ্ত বাসনা আমার মনের মধ্যে ছিল। করাচির নাগনাথ আখড়া থেকে লাসাবেলার মরুপ্রান্তর পার হয়ে হিংলাজ যাত্রা আমার সাধ্যাতীত। তাই অন্যভাবে হিংলাজ দর্শন অপ্রত্যাশিতভাবে হয়েই গেল আমার।
কাথিয়াবাড়ের অন্তর্গত পার্বত্য পলিটানা বা পালিতানার সিদ্ধাচলই হল গিরিতীর্থ হিংলাজ। সমুদ্রতল থেকে এর উচ্চতা ২ হাজার ৮৭৭ ফুট। এই সিদ্ধাচলে আছে এক হাজারটি মন্দির। বর্তমানে মন্দিরের সংখ্যা আরও বেড়েছে।
গুজরাত পরিক্রমায় আমি আমেদাবাদ থেকে ভাবনগরের ট্রেনে চেপে শিহর জংশনে এসেছিলাম। সেখান থেকে দু’বগির একটি ট্রেনে পালিতানা। দারুণ সুন্দর পরিবেশ সেখানকার। থাকার জন্য হোটেল, ধর্মশালা কোনও কিছুরই অভাব নেই। জৈনদের বিশ্বাস, এই পুণ্যভূমিতে মন্দির নির্মাণ করলে মহানির্বাণের পথ সুগম হয়।
১৯৮০ সালের কথা। আমি সিদ্ধাচল শিখরে পৌঁছনোর জন্য খুব সকালে রওনা দিয়ে পর্বতারোহণ শুরু করলাম। বেশ কিছুটা উচ্চস্থানে ওঠার পর এক জায়গায় বাঁকের মুখে একটু নির্জন ও প্রশস্ত স্থান দেখে বসে পড়লাম। পাশেই পাহাড়ের গায়ে পাথরে খোদাই করা একটি মন্দিরে রক্তবস্ত্র পরিহিতা এক দেবীমূর্তি রয়েছে দেখলাম। দেবীর সামনে ধূপ জ্বলছে। কিছু ফুল ছড়ানো আছে। গুজরাতি ভাষায় লেখাও আছে কী যেন।
এমন সময় বিশাল বপু এক কাথিয়াবাড়ি যাত্রী লাঠিতে ভর করে সেখানে এসে বসলে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘এখানে ইনি কোন দেবী?’
উনি হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন, ‘হিংলাজ কি হাদো।’
একটু পরেই একজন পূজারিণী এলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করতেই তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ। মরুতীর্থের হিংলাজ এখানে গিরিতীর্থে অধিষ্ঠিতা। আমার অন্তর যেন কেঁপে উঠল। হিংলাজে তো সতীর ব্রহ্মরন্ধ্র পড়েছিল। কিন্তু এখানে? পূজারিণীর মুখে যা শুনলাম তা হল এই —
অতি প্রাচীনকালে করাচির এক বনে হিঙ্গল নামে এক রাক্ষস বাস করত। ওই বন পার হয়ে মরুতীর্থে গমনকারী সমস্ত তীর্থযাত্রীকেই বিনাশ করত সে। একবার ওই রাক্ষস এক সাধুকে আক্রমণ করেছিল। সাধু প্রাণভয়ে ভীত হয়ে কাতরকণ্ঠে দেবী অম্বিকার স্তব করতে লাগলেন। সাধুর স্তবে প্রসন্না হয়ে দেবী আবির্ভূতা হলেন এবং ভয়ঙ্করী মূর্তি ধারণ করে বিনাশ করলেন হিঙ্গলকে। মৃত্যুকালে হিঙ্গল দেবীর কাছে বর প্রার্থনা করেছিল, ‘হে মা অম্বিকে! তোমার হাতে মৃত্যুবরণ করে আমি উদ্ধারপ্রাপ্ত হলাম। আমার অন্তিম কামনা এই যে যেখানে কোনও হিংসা নেই সেই স্থানে তুমি আমার নামে অধিষ্ঠিতা হও। দেবী অম্বিকা তখন থেকেই মরুতীর্থে ও অহিংসার পুণ্যভূমি সিদ্ধাচলে হিংলাজ নামে অধিষ্ঠিতা আছেন।
এরপর আর একবার হিংলাজ মাতার দর্শন পেলাম ২০১২ সালে ভুজ থেকে নারায়ণ সরোবরে যাওয়ার পথে মাতা নো মঢ়-এ। এখানে আশাপুরা মাতার মন্দির আছে। সেই মন্দির দর্শন করতে গিয়ে হিংলাজ দর্শন হয়ে গেল। স্থানটি কচ্ছের রন অঞ্চলের মরুময় প্রান্তরে। সুন্দর তোরণ বিশিষ্ট রম্য মন্দির। সিদ্ধাচলের সেই মন্দিরের চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়।
ভাবাবেগে আপ্লুত হয়েই আমি মন্দিরে প্রবেশ করলাম। এখানকার যিনি পূজারী তাঁর হাতে যৎসামান্য প্রণামী দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ‘পণ্ডিতজি, লাসাবেলার মরুভূমির মা কচ্ছের এই মরুভূমিতে এলেন কী করে?’
পণ্ডিতজি বললেন, ‘তাহলে শুনুন, কচ্ছের এক শাসক মহারাও দ্বিতীয় দেশলজি একবার হিংলাজ যাত্রা করবেন বলে লোকজন সহ এখানে এসেছিলেন। তা এখানকার পীঠাধীশ তখন রাজাবাবা। তিনি মহারাওকে বললেন, ‘মহারাজ, বর্তমান সময়ে রাজ্যের পরিস্থিতি কী তা আপনি জানেন। অতএব এই সময় আপনার বিদেশযাত্রা না করাই ভালো।’
দেশলজি পীঠাধীশের কথা অমান্য করলেন না, ব্যথিত হৃদয়ে যাত্রা স্থগিত করে রয়েই গেলেন। সে রাতে মহারাও স্বপ্নে দর্শন পেলেন দেবীর, হিংলাজ মাতা তাঁকে দর্শন দিয়ে বললেন, ‘আমার অদর্শনে তুমি কাতর হয়েছ তা বুঝতেই পারছি। সে জন্য তোমাকে দর্শন দেব বলে আমি এখানকার পাহাড় চূড়ায় অবস্থান করছি।
তুমি কাল প্রত্যুষে গিরিশিখরে এলেই আমার দর্শন পাবে। তোমারই কারণে ওখানে আমি অধিষ্ঠিতা হব। ওই গিরিচূড়ায় এলে তুমি পাশাপাশি দুটি শিলা দেখতে পাবে। সেই শিলা দুটি আমারই শিলাময় রূপ। ওই শিলা দিয়ে তুমি আমার দুটি মূর্তি নির্মাণ করবে। তার একটি প্রতিষ্ঠা করবে ওই পাহাড়ের মাথায়। অন্যটি এখানে আশাপুরা মন্দিরের কাছে, যে সমস্ত যাত্রী পাহাড়ে উঠতে পারবে না তারা নীচেই আমাকে দর্শন করবে। আমি দু’জায়গাতেই স্বমহিমায় বিরাজ করব।’
স্বপ্ন দর্শন করেই মহারাও ভোরের আলো ফুটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের মাথায় উঠে পাশাপাশি দুটি শিলা দর্শন করলেন। তাঁর আদেশে ভাস্কররা সেই পাথর কুঁদে তৈরি করলেন হিংলাজ মাতার মূর্তি। দেবীর নির্দেশ মতো সেই পর্বতের উপরে ও নীচে দুটি রম্য মন্দির নির্মাণ করিয়ে হিংলাজ মাতার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করলেন। এখন শত শত যাত্রী যাঁরা লাসাবেলার মরুতীর্থে যেতে পারেন না, তাঁরা কচ্ছের মরুতীর্থেই হিংলাজ মাতাকে দর্শন করেন।
কাহিনী শুনে দেবীপ্রণাম সেরে পাহাড়ওয়ালি হিংলাজ মাতাকে দর্শন করতে চললাম। কচ্ছের মরুপ্রান্তরে এ এক অন্য অভিজ্ঞতা। সঙ্গে গাড়ি ছিল, তাই অসুবিধে হল না। না হলে গিরিশিখরে উঠতে অনেকগুলো সিঁড়ি অতিক্রম করতে হতো। মন্দিরের দ্বার তখন বন্ধ ছিল। তবে লোহার গরাদের ফাঁক দিয়ে দেবীকে দর্শন করলাম। এরপর এখানকার মরুময় প্রান্তরের রুক্ষ রূপ দেখে এগিয়ে চললাম নারায়ণ সরোবরের দিকে। (ক্রমশ)
14th  July, 2019
 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- অষ্টম কিস্তি।
বিশদ

19th  January, 2020
 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

19th  January, 2020
নজরদার
সঞ্জয় রায়

—‘হ্যাঁ গো চাঁপার মা, এই তো সেদিনই তেল আনালাম। এর মধ্যেই শেষ?’
—‘ও মা অত্তগুলো নোকের রান্না, তা তেল লাগবে নাকো।’ 
বিশদ

19th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়- সপ্তম কিস্তি। 
বিশদ

12th  January, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

বিদ্যাসাগর মশায় কলকাতায় এলেন। বাবা ঠাকুরদাস বুঝতে পেরেছিলেন গাঁয়ের টোলে পড়িয়ে ছেলের কোনও ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। কলকাতার একটা ছাপের দরকার। সব দেশেই সব সমাজে পরামর্শদাতার অভাব হয় না। এমন করে তাঁরা কথা বলেন যে, সেই বিষয়ে তাঁর চেয়ে দিগ্‌গজ পণ্ডিত আর নেই।  
বিশদ

12th  January, 2020
হেঁড়ল
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

ধর! ধর! ধর!ছাগল নিয়েছে রে! হেঁড়লে ছাগল নিয়েছে!
সবেমাত্র খাওয়া-দাওয়া করে সারাদিন খেতে-খামারে খেটে আসা ক্লান্ত মানুষগুলো শুয়েছে, ঠিক তখনই বাগদিপাড়া থেকে সমস্বরে হইচই করে মাঠে নেমে এল কয়েকজন। হাতে টর্চ, লাঠি, কেউবা খালি হাতেই বেরিয়ে এসে ইঁটের টুকরো, শুকনো ঢিল তুলে নিয়েছে হাতে।  
বিশদ

12th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ষষ্ঠ কিস্তি।

 
বিশদ

05th  January, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

জগতে কোন মা কবে ছেলের কাছে এমনধারা গয়না চেয়েছিলেন— আমাদের জানা নেই। এই গয়না চুরি হয় না, এই গয়না সবাই মিলে ভাগ করে নিতে পারে, এই গয়না কারও একার হয় না— দেশের সম্পদ হয়। 
বিশদ

05th  January, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

29th  December, 2019
অথৈ সাগর 

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

29th  December, 2019
হিসেব-নিকেশ
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায় 

অটোরিকশর পিছনের সিটে, দু’জনের মাঝখানে বসে, প্যাচপ্যাচে গরমে ঘেমেনেয়ে একেবারে কাহিল অবস্থা হচ্ছে বিমলবাবুর। অতি কষ্টে প্যান্টের পকেট থেকে রুমালটা বের করে, মুখের ওপর জমে থাকা ঘামের বিন্দুগুলি মুছে নিয়ে, বিমলবাবু আবার একবার হাতঘড়ির দিকে দেখলেন।  বিশদ

29th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়-চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

22nd  December, 2019
ডাকনাম ফড়িং
স্বপন পাল

অখিলেশের চাকরি জীবন থেকে অবসর নেওয়া প্রায় চার বছর হয়ে গেল। তার এই অবসর জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখা দিয়েছে, অবসর সময় কাটানো নিয়ে সময় খুঁজে বের করা। বই বা খবরের কাগজ পড়ে কতটাই বা সময় কাটানো যায়। টিভি অখিলেশ খুব একটা দেখে না। চোখের ওপর চাপ পড়ে। গেল মাসে ডান চোখটায় ছানি অপারেশন হয়েছে। 
বিশদ

22nd  December, 2019
একনজরে
জীবানন্দ বসু, কলকাতা: সংঘাতের আবহেই কি আগামীকাল রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হতে চলেছেন? সাংবিধানিক রীতি ও সৌজন্যের কারণেই কি তাঁদের দু’জনকে কাল পাশাপাশি দেখা যাবে? ...

দাভোস, ২৪ জানুয়ারি: ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গণতন্ত্রকে ‘ধ্বংসের মুখে’ ঠেলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দাভোসের ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর মঞ্চ থেকে ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: দক্ষিণবঙ্গ থেকে ভোজ্য তেল নিয়ে এসে কালিয়াচকের ডাঙা এলাকায় একটি গোডাইনে মজুত করেছিল পাচারকারীরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই তেল পাচারকারী লরির চালক ও খালাসিকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: বৃহস্পতিবার রাতে খবর পেয়ে বড়ঞা থানার শ্রীরামপুর গ্রাম থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম সাদ্দাম শেখ। ওই গ্রামেই তার বাড়ি।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কম, উঃ ভারতে দেরিতে চলছে ২১টি দুরপাল্লার ট্রেন 

10:29:00 AM

করোনা সংক্রমণে চিনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪১ 

10:28:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
 

আজ, শনিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:27:00 AM

টালা ব্রিজ ভাঙার বিজ্ঞপ্তি জারি হল, বন্ধ হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকে
 

টালা ব্রিজ ভাঙার বিজ্ঞপ্তি জারি হল শুক্রবার। ৩১ জানুয়ারি রাত ...বিশদ

10:21:33 AM

বেলুড় স্টেশনে আগুন, আতঙ্কিত যাত্রীরা
 

শুক্রবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল বেলুড় স্টেশনে। এদিন সকাল ৯টায় স্টেশনের ...বিশদ

10:21:02 AM

সরকারের প্রত্যক্ষ কর আদায় কমতে পারে, মনে করছেন আধিকারিকরা 
বৃদ্ধির হার তলানিতে। মুদ্রাস্ফীতিও মাথাচাড়া দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কমতে পারে ...বিশদ

10:10:07 AM