Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো। অভাব-অনটন ছিল মতিলালের নিত্যসঙ্গী। যতদিন স্ত্রী ভুবনমোহিনী দেবী জীবিত ছিলেন ততদিন শ্বশুরবাড়ির অনুগ্রহে তাঁদের সংসার তরীটি কোনওমতে চলছিল। কিন্তু স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বপ্নবিলাসী, কল্পনাপ্রবণ এই মানুষটির অবস্থা হয়ে উঠল নিদারুণ। আসলে মতিলালের কোনওদিনই কর্মের প্রতি কোনও রকম টান ছিল না। তিনি ভালোবাসতেন লেখালিখি করতে, আর সময় পেলেই ডুবে যেতেন বইয়ের জগতে। এর ফলে এলাকার মানুষজন তাঁকে মনে করত দুর্বোধ্য, মতিচ্ছন্ন, খ্যাপাটে।
স্ত্রী মারা যাওয়ার পর যা হওয়ার তাই হল। শ্বশুরবাড়ি থেকে তিনি বিতাড়িত হলেন। পাঁচ সন্তানের হাত ধরে তিনি নেমে এলেন পথে। খঞ্জরপুর এলাকায় একটি ছোট্ট খোলার ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু হল তাঁদের ‘ভগ্ন সংসার’। তবে স্ত্রীর এই হঠাৎ চলে যাওয়াটা একদমই মেনে নিতে পারেননি মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। লেখা, বইপড়া, স্বপ্নদেখা— সবকিছুই হারিয়ে গেল তাঁর জীবন থেকে। ঘর নয়, তখন তাঁর প্রিয় জগৎ হয়ে উঠল পথ। মতিলাল চট্টোপাধ্যায়ের সেইসময়কার করুণ পরিণতি সম্বন্ধে ‘শরৎ-পরিচয়’-এ সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘যতদিন ভুবনমোহিনী বেঁচে ছিলেন ততদিন নিরাশ্রয় হননি। তাঁর মৃত্যুর পরই মতিলাল ছেলেপুলের হাত ধরে গাঙ্গুলীবাড়ী ছেড়ে পথে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।...ভুবনমোহিনীর অভাব তাঁকে বিমূঢ় করে দিয়েছিল। মতিলালের জীবনে সকল সরসতার আদিভূত কারণ ছিলেন তিনি। তারপর কতদিন দেখা গেছে, মতিলাল পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ছেঁড়া চটির উৎক্ষিপ্ত ধুলোয় কোমর পর্যন্ত ধূসর। মাথার চুলগুলোয় জট বাঁধতে শুরু করেছে। পেটে নেই ভাত, হাতে নেই পয়সা। হাত পা নেড়ে বিড় বিড় করে কার সঙ্গে কথা কয়ে কয়লাঘাটের পথে অশ্বত্থতলায় পাগলের মত ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
‘জিন’, পূর্বপুরুষের জিন উত্তরপুরুষে প্রবাহিত হয়। উত্তরাধিকার সূত্রে পুত্র শরৎচন্দ্র পিতার থেকে পেয়েছিলেন লেখার সহজাত প্রতিভা ও যখন-তখন গৃহত্যাগ করার মানসিকতা। পরবর্তীকালে তিনি যখন প্রখ্যাত লেখক সেইসময় তিনি বন্ধুদের কাছে শৈশব, কৈশোরের নিদারুণ কষ্টের কথা বলে বলতেন,‘এমন দিন গেছে যখন ভগবানকে জানাতাম, হে ভগবান আমার কিছুদিনের জন্যে জ্বর করে দাও, তাহলে দু’বেলা খাবার ভাবনা ভাবতে হবে না, উপোস করেই দিন কাটবে।’ আর শোনাতেন তাঁর পিতা মতিলালের ভূত দর্শনের কথা। এই গল্পটি তিনি বহুবার বহুজনকে শুনিয়েছেন।
একবার সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়কে কথাপ্রসঙ্গে তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন— তুমি ভূত মানো কী? তারপর তিনি তাঁকে শুনিয়েছিলেন কাশীতে পিতা মতিলালের ভূত দর্শনের কথা। বেশ রোমাঞ্চকর সে কাহিনী। একবার মতিলাল বেশ কয়েকদিনের জন্য কাশীতে বেড়াতে গেলেন। দিনগুলো চমৎকার কাটছে। বাবা বিশ্বনাথ, মা অন্নপূর্ণার ধাম কাশী। প্রায় প্রতিদিনই তাঁদের দর্শন করে এ ঘাট-সে ঘাটে ঘুরে বেড়ান মতিলাল। একদিন কোনও এক মঠে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ হল এক ভদ্রলোকের। কাশীর বাসিন্দা। কথায় কথায় তিনি বললেন, আমার বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত শালগ্রাম রয়েছেন।
আমাদের পরিবারের কোনও এক পূর্বপুরুষ এই শালগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন। এতকাল আমার পিতৃদেব দেবপূজা করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর আমার ওপরেই অর্পিত হয়েছে দেবপূজার ভার। কিন্তু সম্প্রতি আমরা একটা বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছি। প্রতি রাতে আমি দেবতার পূজা সাঙ্গ করে, তাঁকে তাঁর খাটে শয়ন করিয়ে মশারি টাঙিয়ে পুজোর ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। বেরনোর সময় ঠাকুর ঘরে আমিই তালাচাবি লাগাই। কারণ বিগ্রহের অঙ্গে বেশকিছু সোনাদানা আছে।
মতিলাল এই কথাগুলি শুনে বললেন, বাঃ বেশ তো। পুজো করেন তাতে সমস্যা কোথায়?
ভদ্রলোক বললেন, সমস্যাটা শুরু হয় রাত এগারোটা-বারোটা নাগাদ। বন্ধ ঠাকুরঘরের ভেতর থেকে তখন ভেসে আসে ঘণ্টার আওয়াজ। একদিন সাহস করে ঘরে ঢুকে দেখি, ঘর লণ্ডভণ্ড। দেবতাকে খাট থেকে নামিয়ে এনে স্থাপন করা হয়েছে তামার টাটে। সামনে আসন পাতা। কোষাকুষিতে জল, দেবতার অঙ্গে লেগে রয়েছে ফুল ও তুলসীপাতা। ঘণ্টাটিও যথাস্থানে রয়েছে। কিন্তু ঘরে কাউকে আমি দেখতে পাইনি। ঘর শূন্য। অথচ সেদিনও আমি পুজো করে বেরনোর সময় সবকিছু যথাস্থানে রেখে এসেছিলাম।
সব শুনে মতিলাল বললেন, আজ তো এখনও আপনি পুজো করেননি। আপনি অনুমতি করলে আমি আপনার পুজোর সময় ওই ঘরে থাকতে চাই।
ভদ্রলোক সানন্দে রাজি হলেন।
যথাসময়ে শুরু হল পুজো। বেশ অনেকক্ষণ ধরেই তিনি পুজো করলেন। আরতির পর দেবতাকে তাঁর খাটে শুইয়ে মশারি টাঙিয়ে ভদ্রলোক মতিলালকে বললেন, চলুন এবার বাইরে যাই।
মতিলাল বললেন, না, আপনি বাইরে যান। আমি এখন এই ঘরে থাকব। রাতে কী হয় তা আমাকে দেখতে হবে। আপনারা নিজেদের ঘরে চলে যান। ঘণ্টার আওয়াজ পেলে নেমে আসবেন।
ভদ্রলোক ঘরের দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে গেলেন।
(ক্রমশ)
ছবি : সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
02nd  June, 2019
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। ষষ্ঠ কিস্তি।
বিশদ

05th  July, 2020
দু’জন  

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন ভগীরথ মিশ্র।
বিশদ

05th  July, 2020
সিনেমার মতো
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শিলিগুড়িতে সেটল করতে একটু সময় লাগছে শাশ্বতর। শাশ্বত মুখার্জি। কলকাতার বনেদি বাড়ির পরিবেশে মানুষ হওয়াটা কোথাও কোথাও একটু অসুবিধাজনকও বটে। মজ্জায় মজ্জায় মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা।  বিশদ

05th  July, 2020
ফেয়ার-ওয়েল
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়
(১)

 নাইন-বি এর ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে ধীরপায়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে চললেন অলকানন্দা রায়চৌধুরী, ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষিকা ‘অলকা দি’। গতকাল রাত থেকেই হাঁটুর ব্যথাটা আবার চাগাড় দিয়েছে, পা মুড়তে বেশ কষ্ট হচ্ছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে মনের ভিতর যে ব্যথাটা জমে রয়েছে তার কাছে এই হাঁটুর ব্যথাটা তো একেবারেই তুচ্ছ। রেলিং ধরে ধীরে ধীরে একতলার দিকে নামতে শুরু করলেন অলকা।
বিশদ

28th  June, 2020
চলার পথে
ফ্রেদরিকের চিঠি

 জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন অমর মিত্র। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৯

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। পঞ্চম কিস্তি। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৮

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। চতুর্থ কিস্তি।
বিশদ

14th  June, 2020
নিলডাউন

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।  বিশদ

14th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। তৃতীয় কিস্তি। 
বিশদ

07th  June, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

07th  June, 2020
স্বপ্নসঙ্গী 

উদয়চাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায়: ট্রেনটা প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি করে ঢুকল গোমো স্টেশনে। বাতানুকূল কামরা থেকে নেমে আসে তন্বী পিয়ালি। ভিড় এড়িয়ে, সঙ্গের চাকা লাগানো ব্যাগটা নিয়ে একটু সরে এসে, উদ্বিগ্ন চোখে দু’দিকে তাকায়। একটা সাধারণ পোশাক পরা যুবক পিয়ালির সামনে এসে বলে, আপনি মুখার্জি স্যারের ফরেস্ট বাংলোয় যাবেন তো?
পিয়ালি ভ্রু কুঁচকে বলে, কে তুমি?  বিশদ

31st  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

পথে চলতে চলতে বহু মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে তুলসীর। বহু পেশার মানুষ দেখেছেন। তাই যে কোনও চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অভিজ্ঞতার ঝাঁপি উপুড় করে দিতেন। নিজের দেখা মানুষের ছাঁচে ফেলে গড়ে তুলতেন চরিত্রটি। তাই তাঁর অভিনয় ওরকম স্বাভাবিক মনে হতো।
বিশদ

31st  May, 2020
ভৈরবী মা
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়

 ‘নিজে রান্নাবান্না পারেন?’ ‘নাহ, একদম আনাড়ি,’ অর্জুন হাসে। ‘তবে তো এ ব্যবস্থাই বেশ। ওনার ফেরার কোনও ঠিক থাকে না। আপনাকে ন’টায় খেতে দেব তো? আর হ্যাঁ, কোনও অসুবিধা হলে বউদি বলে ডাক দেবেন ভাই।’ একটু আন্তরিকতা ছুঁইয়ে দিয়ে যান মহিলা। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

‘ওরে, আমি হলাম গিয়ে হেঁশেলবাড়ির হলুদ। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আছি। হাসতে বললে হাসব, কাঁদতে বললে কাঁদব, নাচতে বললে নাচব, দু’কলি গান গেয়ে দিতে বললে তাও পারব। হলুদ যেমন সব ব্যঞ্জনেই লাগে তেমনই আর কী! কিন্তু হলুদের কি নিজস্ব কোনও স্বাদ আছে? তাই আমার এই অভিনয়কে আমি অভিনয় বলি না গো!
বিশদ

24th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা ‘সিপ’ বাবদ আদায় কমল জুন মাসে। গত মাসে গোটা দেশে সিপ-এ বিনিয়োগ হয়েছে ৭ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা। অথচ তার আগের মাসে, অর্থাৎ মে মাসে বিনিয়োগ হয়েছিল ৮ হাজার ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে টাকা ফেরাতে ব্লক লেভেল টাস্ক ফোর্স (বিএলটিএফ) তৈরি করল জেলা প্রশাসন। গত ৭জুলাই জেলাশাসক পার্থ ঘোষ এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আগেই করোনাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বালুরঘাট শহরের বাইকের একটি শোরুমের এক কর্মী। এবার সেই শোরুমের আরও এক কর্মী এবং সেখানে আসা এক ক্রেতার করোনা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে করোনায় আক্রান্ত ৫৯৬ জন বন্দী ও ১৬৭ কর্মী
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে এ পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৬ জন ...বিশদ

09:42:00 AM

করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৬,৫০৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

09:35:40 AM

 শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন এখন সপ্তাহে ২ দিন
আগামী ১৩ জুলাই থেকে শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন সপ্তাহে তিনদিনের বদলে ...বিশদ

09:20:11 AM

কন্টেইনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ 
কন্টেইনমেন্ট জোনে বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি কিংবা পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ...বিশদ

09:00:19 AM

ফের রেকর্ড আমেরিকায়, একদিনে আক্রান্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি
করোনা আক্রান্ত নিয়ে ফের রেকর্ড আমেরিকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ...বিশদ

08:55:18 AM

আজ আইসিএসই, আইএসসির ফল
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার দুপুর ৩টেয় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:43:37 AM