Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো। অভাব-অনটন ছিল মতিলালের নিত্যসঙ্গী। যতদিন স্ত্রী ভুবনমোহিনী দেবী জীবিত ছিলেন ততদিন শ্বশুরবাড়ির অনুগ্রহে তাঁদের সংসার তরীটি কোনওমতে চলছিল। কিন্তু স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বপ্নবিলাসী, কল্পনাপ্রবণ এই মানুষটির অবস্থা হয়ে উঠল নিদারুণ। আসলে মতিলালের কোনওদিনই কর্মের প্রতি কোনও রকম টান ছিল না। তিনি ভালোবাসতেন লেখালিখি করতে, আর সময় পেলেই ডুবে যেতেন বইয়ের জগতে। এর ফলে এলাকার মানুষজন তাঁকে মনে করত দুর্বোধ্য, মতিচ্ছন্ন, খ্যাপাটে।
স্ত্রী মারা যাওয়ার পর যা হওয়ার তাই হল। শ্বশুরবাড়ি থেকে তিনি বিতাড়িত হলেন। পাঁচ সন্তানের হাত ধরে তিনি নেমে এলেন পথে। খঞ্জরপুর এলাকায় একটি ছোট্ট খোলার ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু হল তাঁদের ‘ভগ্ন সংসার’। তবে স্ত্রীর এই হঠাৎ চলে যাওয়াটা একদমই মেনে নিতে পারেননি মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। লেখা, বইপড়া, স্বপ্নদেখা— সবকিছুই হারিয়ে গেল তাঁর জীবন থেকে। ঘর নয়, তখন তাঁর প্রিয় জগৎ হয়ে উঠল পথ। মতিলাল চট্টোপাধ্যায়ের সেইসময়কার করুণ পরিণতি সম্বন্ধে ‘শরৎ-পরিচয়’-এ সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘যতদিন ভুবনমোহিনী বেঁচে ছিলেন ততদিন নিরাশ্রয় হননি। তাঁর মৃত্যুর পরই মতিলাল ছেলেপুলের হাত ধরে গাঙ্গুলীবাড়ী ছেড়ে পথে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।...ভুবনমোহিনীর অভাব তাঁকে বিমূঢ় করে দিয়েছিল। মতিলালের জীবনে সকল সরসতার আদিভূত কারণ ছিলেন তিনি। তারপর কতদিন দেখা গেছে, মতিলাল পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ছেঁড়া চটির উৎক্ষিপ্ত ধুলোয় কোমর পর্যন্ত ধূসর। মাথার চুলগুলোয় জট বাঁধতে শুরু করেছে। পেটে নেই ভাত, হাতে নেই পয়সা। হাত পা নেড়ে বিড় বিড় করে কার সঙ্গে কথা কয়ে কয়লাঘাটের পথে অশ্বত্থতলায় পাগলের মত ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
‘জিন’, পূর্বপুরুষের জিন উত্তরপুরুষে প্রবাহিত হয়। উত্তরাধিকার সূত্রে পুত্র শরৎচন্দ্র পিতার থেকে পেয়েছিলেন লেখার সহজাত প্রতিভা ও যখন-তখন গৃহত্যাগ করার মানসিকতা। পরবর্তীকালে তিনি যখন প্রখ্যাত লেখক সেইসময় তিনি বন্ধুদের কাছে শৈশব, কৈশোরের নিদারুণ কষ্টের কথা বলে বলতেন,‘এমন দিন গেছে যখন ভগবানকে জানাতাম, হে ভগবান আমার কিছুদিনের জন্যে জ্বর করে দাও, তাহলে দু’বেলা খাবার ভাবনা ভাবতে হবে না, উপোস করেই দিন কাটবে।’ আর শোনাতেন তাঁর পিতা মতিলালের ভূত দর্শনের কথা। এই গল্পটি তিনি বহুবার বহুজনকে শুনিয়েছেন।
একবার সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়কে কথাপ্রসঙ্গে তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন— তুমি ভূত মানো কী? তারপর তিনি তাঁকে শুনিয়েছিলেন কাশীতে পিতা মতিলালের ভূত দর্শনের কথা। বেশ রোমাঞ্চকর সে কাহিনী। একবার মতিলাল বেশ কয়েকদিনের জন্য কাশীতে বেড়াতে গেলেন। দিনগুলো চমৎকার কাটছে। বাবা বিশ্বনাথ, মা অন্নপূর্ণার ধাম কাশী। প্রায় প্রতিদিনই তাঁদের দর্শন করে এ ঘাট-সে ঘাটে ঘুরে বেড়ান মতিলাল। একদিন কোনও এক মঠে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ হল এক ভদ্রলোকের। কাশীর বাসিন্দা। কথায় কথায় তিনি বললেন, আমার বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত শালগ্রাম রয়েছেন।
আমাদের পরিবারের কোনও এক পূর্বপুরুষ এই শালগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন। এতকাল আমার পিতৃদেব দেবপূজা করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর আমার ওপরেই অর্পিত হয়েছে দেবপূজার ভার। কিন্তু সম্প্রতি আমরা একটা বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছি। প্রতি রাতে আমি দেবতার পূজা সাঙ্গ করে, তাঁকে তাঁর খাটে শয়ন করিয়ে মশারি টাঙিয়ে পুজোর ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। বেরনোর সময় ঠাকুর ঘরে আমিই তালাচাবি লাগাই। কারণ বিগ্রহের অঙ্গে বেশকিছু সোনাদানা আছে।
মতিলাল এই কথাগুলি শুনে বললেন, বাঃ বেশ তো। পুজো করেন তাতে সমস্যা কোথায়?
ভদ্রলোক বললেন, সমস্যাটা শুরু হয় রাত এগারোটা-বারোটা নাগাদ। বন্ধ ঠাকুরঘরের ভেতর থেকে তখন ভেসে আসে ঘণ্টার আওয়াজ। একদিন সাহস করে ঘরে ঢুকে দেখি, ঘর লণ্ডভণ্ড। দেবতাকে খাট থেকে নামিয়ে এনে স্থাপন করা হয়েছে তামার টাটে। সামনে আসন পাতা। কোষাকুষিতে জল, দেবতার অঙ্গে লেগে রয়েছে ফুল ও তুলসীপাতা। ঘণ্টাটিও যথাস্থানে রয়েছে। কিন্তু ঘরে কাউকে আমি দেখতে পাইনি। ঘর শূন্য। অথচ সেদিনও আমি পুজো করে বেরনোর সময় সবকিছু যথাস্থানে রেখে এসেছিলাম।
সব শুনে মতিলাল বললেন, আজ তো এখনও আপনি পুজো করেননি। আপনি অনুমতি করলে আমি আপনার পুজোর সময় ওই ঘরে থাকতে চাই।
ভদ্রলোক সানন্দে রাজি হলেন।
যথাসময়ে শুরু হল পুজো। বেশ অনেকক্ষণ ধরেই তিনি পুজো করলেন। আরতির পর দেবতাকে তাঁর খাটে শুইয়ে মশারি টাঙিয়ে ভদ্রলোক মতিলালকে বললেন, চলুন এবার বাইরে যাই।
মতিলাল বললেন, না, আপনি বাইরে যান। আমি এখন এই ঘরে থাকব। রাতে কী হয় তা আমাকে দেখতে হবে। আপনারা নিজেদের ঘরে চলে যান। ঘণ্টার আওয়াজ পেলে নেমে আসবেন।
ভদ্রলোক ঘরের দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে গেলেন।
(ক্রমশ)
ছবি : সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
02nd  June, 2019
তর্পণ
মীনাক্ষী সিংহ

এই মাত্র শ্রাদ্ধকার্য সম্পন্ন হল, শেষ হল প্রথাগত তর্পণ। শেষ হল— না শুরু হল? নিরুচ্চার স্বগত প্রশ্নে বিদ্ধ হল অনুপমের রক্তাক্ত হৃদয়। এই রক্ত কেবল হৃদয়ের ক্ষত উৎসারিত নয়, এ পরম্পরাবাহিত বংশগত রক্ত বন্ধনের উত্তরাধিকার। বিশদ

05th  April, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব ১৮

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- সপ্তম কিস্তি। বিশদ

05th  April, 2020
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।
বিশদ

05th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ১৭

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব ১৭

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- ষষ্ঠ কিস্তি। বিশদ

22nd  March, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- পঞ্চম কিস্তি। 
বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

15th  March, 2020
আশীর্বাদ অনন্ত
তপনকুমার দাস

‘মা তুমি?’ দরজা খুলেই সামনে দাঁড়ানো পরমাকে দেখে চমকে ওঠে অভিজাত। প্রায় দেড় বছর পরে বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো মাকে দেখলে অবাক না হয়ে উপায় কী?  বিশদ

15th  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৫
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৫

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- চতুর্থ কিস্তি। 
বিশদ

08th  March, 2020
দোল
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী

এই বাড়িটা তোমার? এত সুন্দর! পথে আসতে-আসতে এর কথাই তুমি বলছিলে আমায়? এই কথা বলে ফেলিনি ঘুরে ঘুরে বাড়িটি দেখতে থাকল।
আহামরি কিছু নয়। খুব সামান্য এক মাটির বাড়ি। ট্যারাবাঁকা। মাথায় টালিখোলা। এদিক-ওদিক ভাঙা-ফাটা। বাড়ির সামনে একটু ফাঁকা জমিন, সেখানে প্রাচীন এক কদমগাছ।   বিশদ

08th  March, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-১৪

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- তৃতীয় কিস্তি।  বিশদ

01st  March, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব- ১৪
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি।  বিশদ

01st  March, 2020
সংবর্ধনা
বিপুল মজুমদার

‘আমাদের ক্লাবের একটা নিয়ম আছে দাদা। প্রত্যেক বছর ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠানে দু’জনকে আমরা সংবর্ধিত করি। একজন আপনার মতো প্রথিতযশা কেউ, অন্যজন আমাদের এই সুজনপুরের কোনও কৃতী সন্তান। এ বছর উত্তম মণ্ডলকে আমরা বেছে নিয়েছি। ওই কোণের দিকে হলদে জামা পরা যে মানুষটিকে দেখছেন ওই হল উত্তম। 
বিশদ

01st  March, 2020
একনজরে
 কিয়েভ (ইউক্রেন), ৭ এপ্রিল (এপি): করোনা আতঙ্কের মধ্যে চেরনোবিল পরমাণু কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়া নিয়ে ইউক্রেনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পরমাণু কেন্দ্র লাগোয়া জঙ্গলে দাবানল লেগে যাওয়ার এই বিপত্তি তৈরি হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, তপন: রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক অমল রায় করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দশ হাজার টাকা দান করলেন। সোমবার তপনের বিডিও সি তামাংয়ের হাতে চেকটি তুলে দিয়েছেন অমলবাবু।  ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি ডেঙ্গু দমনেরও প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। করোনার প্রকোপের মধ্যে ডেঙ্গু যাতে নতুন করে মাথাব্যথার কারণ না হয়, সে ব্যাপারে সোমবারই প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: করোনা কেন্দ্রিক লকডাউনের জেরে গত কয়েকদিনে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাপন অনেকটাই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পর্যাপ্ত খাদ্য-রসদের অভাবই যে তার অন্যতম কারণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৭: বাংলার নবাব আলীবর্দী খাঁ মারা যান।
১৭৫৯: ব্রিটিশ বাহিনী ভারতের মাদ্রাজ দখল করে।
১৮৫৭: বারাকপুরে সিপাহি বিদ্রোহের নায়ক মঙ্গল পাণ্ডের ফাঁসি
১৮৯৪: সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯০২: কলকাতায় মূক ও বধির বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৯: দিল্লির সেন্ট্রাল অ্যাসেম্বলিতে বোমা ছুঁড়ে ধরা পড়লেন ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত
১৯৫০: ভারত পাক চুক্তি স্বাক্ষর করলেন লিয়াকত-নেহরু
১৯৫০: বিপ্লবী হেমচন্দ্র কানুনগোর মৃত্যু
১৯৭৩: স্পেনের চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসোর মৃত্যু
১৯৭৬: ফুটবলার গোষ্ঠপালের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০৯ টাকা ৭৬.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৫৭ টাকা ৯৪.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৬৮ টাকা ৮৩.৭২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৪ চৈত্র ১৪২৬, ৭ এপ্রিল ২০২০, মঙ্গলবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) চতুর্দশী ১৬/২৬ দিবা ১২/২। উত্তরফাল্গুনী ৯/৩০ দিবা ৯/১৫। সূ উ ৫/২৭/২৬, অ ৫/৫০/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৭ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৫/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৩৫ গতে ৩/৮ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।
২৪ চৈত্র ১৪২৬, ৭ এপ্রিল ২০২০, মঙ্গলবার, চতুর্দশী ১৩/৫৮/১৪ দিবা ১১/৪/৯। উত্তরফাল্গুনী ৭/১০/১০ দিবা ৮/২০/৫৫। সূ উ ৫/২৮/৫১, অ ৫/৫০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৪ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে ২/৩২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৭ মধ্যে ও ৮/৫৬ গতে ১১/১৫ মধ্যে ও ১/৩৩ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/১/৩৬ গতে ৮/৩৪/২২ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৩৮ গতে ২/৪৫/২৩ মধ্যে।
১৩ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পঃমেদিনীপুরে মোবাইলের দোকান থেকে উদ্ধার বেআইনি শব্দবাজি
পশ্চিম মেদিনীপুরের একটি মোবাইল দোকান থেকে উদ্ধার হল প্রচুর পরিমাণে ...বিশদ

02:21:32 PM

করোনা: নতুন করে হরিয়ানায় আক্রান্ত ১১
পাঞ্জাবের হরিয়ানায় নতুন করে আরও ১১ জনের শরীরে মিলল কোভিড-১৯ ...বিশদ

02:13:29 PM

পঃ মেদিনীপুরের ডেবরায় মোবাইলের দোকান থেকে উদ্ধার প্রচুর শব্দবাজি, গ্রেপ্তার ১ 

01:53:55 PM

করোনা চিকিৎসায় এবার ইন্টানেট চালিত রোবট !
করোনায় আক্রান্তদের সেবায় এবার ব্যবহার করা যেতে পারে রোবট। এমনটাই ...বিশদ

01:46:52 PM

দঃ দিল্লির তুঘলকাবাদে জীবানুনাশক স্প্রে করল পুরসভা 

01:35:00 PM

করোনা: রাশিয়ায় নতুন করে আক্রান্ত ১১৭৫ জন 

01:31:43 PM