Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো। অভাব-অনটন ছিল মতিলালের নিত্যসঙ্গী। যতদিন স্ত্রী ভুবনমোহিনী দেবী জীবিত ছিলেন ততদিন শ্বশুরবাড়ির অনুগ্রহে তাঁদের সংসার তরীটি কোনওমতে চলছিল। কিন্তু স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বপ্নবিলাসী, কল্পনাপ্রবণ এই মানুষটির অবস্থা হয়ে উঠল নিদারুণ। আসলে মতিলালের কোনওদিনই কর্মের প্রতি কোনও রকম টান ছিল না। তিনি ভালোবাসতেন লেখালিখি করতে, আর সময় পেলেই ডুবে যেতেন বইয়ের জগতে। এর ফলে এলাকার মানুষজন তাঁকে মনে করত দুর্বোধ্য, মতিচ্ছন্ন, খ্যাপাটে।
স্ত্রী মারা যাওয়ার পর যা হওয়ার তাই হল। শ্বশুরবাড়ি থেকে তিনি বিতাড়িত হলেন। পাঁচ সন্তানের হাত ধরে তিনি নেমে এলেন পথে। খঞ্জরপুর এলাকায় একটি ছোট্ট খোলার ঘর ভাড়া নিয়ে শুরু হল তাঁদের ‘ভগ্ন সংসার’। তবে স্ত্রীর এই হঠাৎ চলে যাওয়াটা একদমই মেনে নিতে পারেননি মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। লেখা, বইপড়া, স্বপ্নদেখা— সবকিছুই হারিয়ে গেল তাঁর জীবন থেকে। ঘর নয়, তখন তাঁর প্রিয় জগৎ হয়ে উঠল পথ। মতিলাল চট্টোপাধ্যায়ের সেইসময়কার করুণ পরিণতি সম্বন্ধে ‘শরৎ-পরিচয়’-এ সুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন, ‘যতদিন ভুবনমোহিনী বেঁচে ছিলেন ততদিন নিরাশ্রয় হননি। তাঁর মৃত্যুর পরই মতিলাল ছেলেপুলের হাত ধরে গাঙ্গুলীবাড়ী ছেড়ে পথে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।...ভুবনমোহিনীর অভাব তাঁকে বিমূঢ় করে দিয়েছিল। মতিলালের জীবনে সকল সরসতার আদিভূত কারণ ছিলেন তিনি। তারপর কতদিন দেখা গেছে, মতিলাল পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ছেঁড়া চটির উৎক্ষিপ্ত ধুলোয় কোমর পর্যন্ত ধূসর। মাথার চুলগুলোয় জট বাঁধতে শুরু করেছে। পেটে নেই ভাত, হাতে নেই পয়সা। হাত পা নেড়ে বিড় বিড় করে কার সঙ্গে কথা কয়ে কয়লাঘাটের পথে অশ্বত্থতলায় পাগলের মত ঘুরে বেড়াচ্ছেন।’
‘জিন’, পূর্বপুরুষের জিন উত্তরপুরুষে প্রবাহিত হয়। উত্তরাধিকার সূত্রে পুত্র শরৎচন্দ্র পিতার থেকে পেয়েছিলেন লেখার সহজাত প্রতিভা ও যখন-তখন গৃহত্যাগ করার মানসিকতা। পরবর্তীকালে তিনি যখন প্রখ্যাত লেখক সেইসময় তিনি বন্ধুদের কাছে শৈশব, কৈশোরের নিদারুণ কষ্টের কথা বলে বলতেন,‘এমন দিন গেছে যখন ভগবানকে জানাতাম, হে ভগবান আমার কিছুদিনের জন্যে জ্বর করে দাও, তাহলে দু’বেলা খাবার ভাবনা ভাবতে হবে না, উপোস করেই দিন কাটবে।’ আর শোনাতেন তাঁর পিতা মতিলালের ভূত দর্শনের কথা। এই গল্পটি তিনি বহুবার বহুজনকে শুনিয়েছেন।
একবার সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়কে কথাপ্রসঙ্গে তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন— তুমি ভূত মানো কী? তারপর তিনি তাঁকে শুনিয়েছিলেন কাশীতে পিতা মতিলালের ভূত দর্শনের কথা। বেশ রোমাঞ্চকর সে কাহিনী। একবার মতিলাল বেশ কয়েকদিনের জন্য কাশীতে বেড়াতে গেলেন। দিনগুলো চমৎকার কাটছে। বাবা বিশ্বনাথ, মা অন্নপূর্ণার ধাম কাশী। প্রায় প্রতিদিনই তাঁদের দর্শন করে এ ঘাট-সে ঘাটে ঘুরে বেড়ান মতিলাল। একদিন কোনও এক মঠে গিয়ে তাঁর সঙ্গে আলাপ হল এক ভদ্রলোকের। কাশীর বাসিন্দা। কথায় কথায় তিনি বললেন, আমার বাড়িতে প্রতিষ্ঠিত শালগ্রাম রয়েছেন।
আমাদের পরিবারের কোনও এক পূর্বপুরুষ এই শালগ্রাম প্রতিষ্ঠা করেন। এতকাল আমার পিতৃদেব দেবপূজা করতেন। তাঁর মৃত্যুর পর আমার ওপরেই অর্পিত হয়েছে দেবপূজার ভার। কিন্তু সম্প্রতি আমরা একটা বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছি। প্রতি রাতে আমি দেবতার পূজা সাঙ্গ করে, তাঁকে তাঁর খাটে শয়ন করিয়ে মশারি টাঙিয়ে পুজোর ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। বেরনোর সময় ঠাকুর ঘরে আমিই তালাচাবি লাগাই। কারণ বিগ্রহের অঙ্গে বেশকিছু সোনাদানা আছে।
মতিলাল এই কথাগুলি শুনে বললেন, বাঃ বেশ তো। পুজো করেন তাতে সমস্যা কোথায়?
ভদ্রলোক বললেন, সমস্যাটা শুরু হয় রাত এগারোটা-বারোটা নাগাদ। বন্ধ ঠাকুরঘরের ভেতর থেকে তখন ভেসে আসে ঘণ্টার আওয়াজ। একদিন সাহস করে ঘরে ঢুকে দেখি, ঘর লণ্ডভণ্ড। দেবতাকে খাট থেকে নামিয়ে এনে স্থাপন করা হয়েছে তামার টাটে। সামনে আসন পাতা। কোষাকুষিতে জল, দেবতার অঙ্গে লেগে রয়েছে ফুল ও তুলসীপাতা। ঘণ্টাটিও যথাস্থানে রয়েছে। কিন্তু ঘরে কাউকে আমি দেখতে পাইনি। ঘর শূন্য। অথচ সেদিনও আমি পুজো করে বেরনোর সময় সবকিছু যথাস্থানে রেখে এসেছিলাম।
সব শুনে মতিলাল বললেন, আজ তো এখনও আপনি পুজো করেননি। আপনি অনুমতি করলে আমি আপনার পুজোর সময় ওই ঘরে থাকতে চাই।
ভদ্রলোক সানন্দে রাজি হলেন।
যথাসময়ে শুরু হল পুজো। বেশ অনেকক্ষণ ধরেই তিনি পুজো করলেন। আরতির পর দেবতাকে তাঁর খাটে শুইয়ে মশারি টাঙিয়ে ভদ্রলোক মতিলালকে বললেন, চলুন এবার বাইরে যাই।
মতিলাল বললেন, না, আপনি বাইরে যান। আমি এখন এই ঘরে থাকব। রাতে কী হয় তা আমাকে দেখতে হবে। আপনারা নিজেদের ঘরে চলে যান। ঘণ্টার আওয়াজ পেলে নেমে আসবেন।
ভদ্রলোক ঘরের দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে গেলেন।
(ক্রমশ)
ছবি : সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
02nd  June, 2019
মানুষ গড়ার কারিগর
সৌমিত্র চৌধুরী

 চোখের জল মুছে বাবা বলল, ‘ঠিক আছে স্যার, আপনার কথা রাখলাম। তবে ঋণ বাড়াব না। ফেল করলে ওর কিন্তু পড়া বন্ধ।’ এত দূর বলে আমাদের পিসিএম থামল। আমার চোখে বিস্ময়। জম স্যার নিজে গেল হাটখোলায়? একটু অবাক হয়েছিলাম সেদিন। কিন্তু কয়েকমাস পরে ক্লাসের সবাইকে, এমনকী গোটা স্কুলকে অবাক করে দেবার মতো ঘটনা ঘটল। অঙ্কে আশি নম্বর পেয়ে বার্ষিক পরীক্ষায় চার নম্বর স্থানটা দখল করেছে প্রদীপ। বিশদ

08th  December, 2019
অথৈ সাগর

 আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

08th  December, 2019
আজও তারা জ্বলে
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়
সন্দীপ রায়চৌধুরী

 ওপার বাংলা থেকে আসা ‘বাঙাল’ ভানুকে শুধু চেহারা দেখেই নাকি ‘জাগরণ’ ছবির জন্য নির্বাচন করেছিলেন বিভূতি চক্রবর্তী। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, ‘আমার ছবিতে দুর্ভিক্ষপীড়িত চিমসে চেহারার একটা চরিত্র আছে, সেটা তুমি করবে।’ বিশদ

08th  December, 2019
ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় পর্ব * ১
সন্দীপ রায়চৌধুরী

উজ্জ্বল জ্যোতিষ্কের দ্যুতিতে ভাস্বর। এই লাইনটা বললে হয়তো এক রকম অপমানই করা হয় তাঁদের। কারণ অন্যের আলোয় আলোকিত হওয়ার প্রয়োজন এঁদের কারও কখনও হয়নি। এঁরা নিজেরাই এক একজন কিংবদন্তি।   বিশদ

01st  December, 2019
অথৈ সাগর
বারিদবরণ ঘোষ

আগামী বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। তার প্রাক্কালে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

01st  December, 2019
ফেসবুকে বনলতা
শুচিস্মিতা দেব 

আমি তপেন বাগচি। পেশাহীন এবং নেশাহীন ছাপোষা মানুষ। পেশার অভাবে নেশা করার হিম্মত হয়নি কখনও। অভিজাত পাড়ায় ঠাকুরদার আমলের দোতলা বাড়িতে বিনা পয়সার বাসস্থান। বাবা ছিলেন ব্যারিস্টার ঠাকুরদার ল ফার্মের যোগ্য উত্তরাধিকারী।   বিশদ

01st  December, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মহাকালীর কালীমঠ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

পর্ব-৩৭

হিমালয়ের পবিত্র দেবস্থানগুলি বারে বারে পরিব্রজন করলেও গুপ্তকাশীর অদূরে কালীমঠে আর যাওয়াই হয় না। তাই সেবার গৌরীকুণ্ডের পথে ত্রিযুগীনায়ারণ হয়ে গুপ্তকাশীতে এসে রাত্রিবাস করলাম। 
বিশদ

24th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৭

ছিলেন বিজ্ঞানের ছাত্র, বিষয় ছিল রসায়ন। তিনি নিজের সম্পর্কে বলতেন, ‘আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আচারে-ব্যবহারে, ভ্রমণে-পর্যটনে, খাদ্যে-পানীয়ে কালাপাহাড় বলিয়া পরিচিত মহলে আমার অখ্যাতি আছে; তবু আজ অস্বীকার করিতে পারি না, অলৌকিক শ্রেণীর দুইটি ঘটনার আমি সাক্ষী হইয়া আছি। 
বিশদ

24th  November, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
পানাজি, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): গোয়ায় বসবাসকারী পর্তুগিজ পাসপোর্টধারীদের উপর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের কোনও প্রভাব পড়বে না। শুক্রবার গোয়ার এনআরআই কমিশনের পক্ষ থেকে এই কথা জানানো হয়েছে।  ...

সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: পূর্বস্থলীর বাঁশদহ বিলেও এবার পরিযায়ী পাখিদের আগমন শুরু হয়েছে। ওই বিলের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কচুরিপানার উপর পরিযায়ী পাখিদের বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, চার থেকে পাঁচটি প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে এসেছে।  ...

 কোচি, ১৩ ডিসেম্বর: শুক্রবার আইএসএলের অ্যাওয়ে ম্যাচে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে ড্র করল জামশেদপুর এফসি। এদিন কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে জামশেদপুরকে এগিয়ে দেন পিটি। ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শুক্রবার মাথাভাঙা-১ ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের গেন্দুগুড়িতে ১০০ দিনের কাজে মাটির রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন শ্রমিকরা প্রায় এককিমি রাস্তার কাজ শুরু করেন।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৪: অভিনেতা ও পরিচালক রাজ কাপুরের জন্ম
১৯৩১: কুমিল্লায় বিপ্লবী শান্তি ঘোষ ও সুনীতি চৌধুরি ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেনসকে হত্যা করেন
১৯৩৪: পরিচালক শ্যাম বেনেগালের জন্ম
১৯৫৩: ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় বিজয় অমৃতরাজের জন্ম
১৯৫৭: হাওড়া এবং ব্যান্ডেলের মধ্যে প্রথম চালু হল বৈদ্যুতিক ট্রেন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৬/২৯ দিবা ৮/৪৭। পুনর্বসু ৫৭/৮ শেষরাত্রি ৫/৩। সূ উ ৬/১১/৫৯, অ ৪/৪৯/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৮/৪৯/১৯ দিবা ৯/৪৫/২৯। আর্দ্রা ২/৫১/২২ দিবা ৭/২২/১৮, সূ উ ৬/১৩/৪৫, অ ৪/৫০/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ৯/৫২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৪৬ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৩/১৮ মধ্যে ও ৩/৩০/৩৭ গতে ৪/৫০/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০/৩৭ মধ্যে ও ৪/৩৩/১৮ গতে ৬/১৪/২৯ মধ্যে। 
১৬ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের একাধিক জায়গায় পথ অবরোধ 

11:57:00 AM

কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বিক্ষোভকারীদের ইটের ঘায়ে জখম হাওড়া সিটি পুলিসের ডিসি সাউথ জোন 

11:38:53 AM

মুরারইতে রেল অবরোধের জেরে বাঁশলৈ স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়েছে ডাউন শতাব্দী এক্সপ্রেস 

11:26:10 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুরারইতে রেল ও পথ অবরোধ

10:59:00 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে অবরোধ

10:45:00 AM

সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ট্রেন অবরোধ 
সকাল থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে চলছে ...বিশদ

10:35:00 AM