Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন। তিনি যখন খেতে বসেন, তখন সেই ঘরে দ্বিতীয় কোনও ব্যক্তির থাকার অনুমতি নেই। তাই শ্বশুরমশাই যখন পুজোর ঘরে, তখন বউমারা কাঁঠাল কাঠের পিঁড়ি পেতে খাবার সাজিয়ে রেখে যান।
সেদিনও বউমারা বাটিতে নানা পঞ্চব্যঞ্জন ও থালায় সুগন্ধী চালের ভাত সাজিয়ে এবং কাঁসার গ্লাসে জল ভরে যখন ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তখন এক জা তাঁর বড়জাকে বললেন— দিদি এই ভাতে কী বাবার হবে? না আর একটু দেব? দেখো, ভাত যদি কম পড়ে তবুও তো বাবা আমাদের ডাকবেন না।
বড়জা বললেন, না বাপু, তুই আর একটু ভাত দিয়েই দে। বাবার খাওয়ার সময় যদিও ছোট ঠাকুরঝি ঘরের বাইরে বসে থাকে, কিন্তু তারও তো ঘরে ঢোকার অনুমতি নেই। আর বাবা তাকে ডেকেও তো কোনওদিন বলেননি, যা তো মা, বউমাদের একটু ভাত বা ডাল দিয়ে যেতে বল! ছোটজা হাঁড়ি থেকে থালায় আরও কিছুটা ভাত তুলে দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে গেলেন।
এই দরজা বন্ধ করে শ্বশুরমশাইয়ের খাওয়ার অভ্যাসটা অবশ্য দীর্ঘদিনের নয়। স্ত্রী বিয়োগের পর থেকেই তিনি নতুন এই নিয়মটি চালু করেছেন এবং তাঁর এইভাবে একাকী খাওয়ার জন্য বউমারাও বেশ কষ্ট পান। তাঁদেরও তো ইচ্ছে হয় শ্বশুরমশাইয়ের সেবাযত্ন করার! কিন্তু তাঁদের শ্বশুরমশাইয়ের এক গোঁ— না, আমার খাওয়ার সময় ঘরে কেউ আসবে না। বউরা তাঁদের স্বামীর কাছেও এ নিয়ে অনুযোগ করেছেন। কিন্তু তাতেও কোনও ফল হয়নি। তাঁরাও এ ব্যাপারে স্পিকটি নট।
সেদিন তাঁরা ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরেই শোনা গেল খড়মের খটখট আওয়াজ। দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকলেন এই পরিবারের অতি বিখ্যাত মানুষটি। তারপর মুখ বাড়িয়ে বাইরে বসে থাকা ভাইঝিকে বললেন, তোকে কতদিন বলেছি এখানে এইভাবে কষ্ট করে বসে থাকিস না। আমার কথা কেন শুনিস না বলতো!
ভাইজিও পাকা গিন্নির মতো বললে, জ্যাঠামণি, খেতে খেতে গলায় যদি ভাত আটকে তুমি বিষম খাও তখন কী হবে বলতো! তাই তো আমি বসে থাকি।
জ্যাঠা সশব্দে হেসে খুব যত্ন করে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে আসনে এসে বসলেন। আচমন করলেন। থালার চারপাশে দিলেন জলবেষ্টনী। তারপর মৃদু কণ্ঠে বলে উঠলেন— কই গো তুমি কোথায়? তারপর আর কোনও কথা নয়, শুরু করলেন আহার।
সেদিন তাঁকে খেয়ে উঠেই আবার বেরতে হবে। অন্যদিনের তুলনায় একটু দ্রুতই খাচ্ছিলেন। হঠাৎ পিছন দিক থেকে ভেসে এল এক নারীর কন্ঠস্বর—এ কী তুমি এত তাড়াতাড়ি খাচ্ছ কেন? শরীর খারাপ হয়ে যাবে তো।
প্রবীণ মানুষটি তাঁর ঘাড়টা ঘোরালেন পিছন দিকে। তখন সেখানে ঘটে চলেছে এক অলৌকিক কাণ্ড। আবছা অন্ধকারে ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে এক সুন্দরী মহিলার অবয়ব। পরনে তাঁর লাল গরদের শাড়ি, কপালে সিঁদুরের টিপ , সিঁথিতে চওড়া করে সিঁদুরের প্রলেপ।
প্রশ্ন শুনে প্রবীণ মানুষটি বললেন, ও, তুমি এসেছ? কেন তাড়াতাড়ি খাচ্ছি জান! আমি এখন ইউনির্ভাসিটির ফেলো হয়েছি। সেখানে আজ একটু বাদেই মিটিং আছে। সেটা সেরেই আমাকে দৌঁড়তে হবে ডিরোজিও সাহেবের বাড়িতে। সেখানে আবার মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ, রেভারেন্ড কৃষ্ণমোহন, রামতনু লাহিড়ীরা আসবেন।
মহিলা বললেন, সারাটা জীবন তো দেশের ও দশের জন্য খেটে খেটে হাড় কালি করে ফেললে। এবার নিজের দিকে একটু তাকাও!
কর্তামশাই তখন হাসছেন, হাসি থামিয়ে বললেন, তোমার এই শাসনটা সত্যিই আমার খুব ভালো লাগে।
গলার স্বরটা বোধহয় ঘর পেরিয়ে বাইরে পর্যন্ত পৌঁছেছিল। জ্যাঠামণির নিষেধ অমান্য করেই ভাইঝি দরজা খুলে ঘরে ঢুকেই দেখতে পেল লাল গরদের শাড়ি পরা একটা শরীর খুব দ্রুত বাতাসে মিলিয়ে যাচ্ছে। মেয়েটি ভয়ে চিৎকার করে বলে উঠল, তুমি জ্যাঠাইমার সঙ্গে কথা বলছিলে জ্যাঠামণি। তারপরই জ্ঞান হারালো সেই কিশোরী কন্যা।
সেই দুপুরের পর তাঁদের জীবন থেকে ঝরে গেছে অনেক সুন্দর দুপুর। কিন্তু আজকের দুপুরটা কেন এমন থম মেরে আছে! ভোজনরসিক কর্তামশাই খাবারের থালার সামনে কেন চুপ করে বসে আছেন? না করেছেন আচমন, না দিয়েছেন জলবেষ্টনী! এখনও তো বললেন না, কী গো তুমি কোথায়? আসলে তাঁর পরিবারের এক কনিষ্ঠ সদস্যের এখন যায় যায় অবস্থা। পরিবারের সবাই তা নিয়ে খুবই চিন্তিত। ডাক্তারও আশা ছেড়ে দিয়েছেন। তাই প্যারীচাঁদের মুখে আজ খাবার উঠছে না। তিনি পরিবারের অসুস্থ সদস্যটিকে নিয়ে এতটাই চিন্তিত হয়ে রয়েছেন যে মৃতা স্ত্রী কখন পাশে এসে বসেছেন সে খেয়ালও তাঁর নেই।
মহিলা বললেন, কি গো, আজ যে একবারেই কিছু খাচ্ছ না।
—কি করে খাব বল! তুমি নেই! যে বিপদে আমি এখন পড়েছি, তা নিয়ে কার সঙ্গে আলোচনা করব?
—কেন আমার সঙ্গে, আমি তো তোমার পাশে সবসময় আছি।
—তুমি তো জান আমাদের মতির ভারী অসুখ করেছে। কলকাতার কত ডাক্তার দেখালাম।
—কোনও লাভ নেই। তোমার সঙ্গে আমার দেখা হয় এই দুপুরে, তোমার খাওয়ার সময়। আমি যে ওখানে বড় একা। তাই আমিই মতিকে নিতে এসেছি। তোমরা ওকে বাঁচাতে পারবে না। কাল মারা যাবে মতি।
খাওয়া ফেলে লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালেন ‘আলালের ঘরের দুলাল’-এর লেখক টেকচাঁদ ঠাকুর ওরফে প্যারীচাঁদ মিত্র। তিনি চিৎকার করে মৃতা স্ত্রী বামাকালীকে বললেন, না, তুমি ওকে কেড়ে নিও না। আমাকে দয়া করো। এই বলে তিনি মৃতা স্ত্রীর হাত দুটো ধরার জন্য যেই এগলেন অমনি বামাকালী ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেলেন বাতাসে।
পরদিন মারা গেলেন মতি।
(ক্রমশ) 
07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।  বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি।  বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।
বিশদ

02nd  June, 2019
একনজরে
 ম্যাঞ্চেস্টার, ১০ জুলাই: জেমস নিসামের বল যুজবেন্দ্র চাহালের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে উইকেটরক্ষক টম লাথামের দস্তানায় জমা পড়তেই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন বুকে টেনে নিলেন মার্টিন গাপটিলকে। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডোমিসাইল বিতর্কের জল এবার গড়াতে চলেছে আদালতে। এ নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করতে চলেছে নিট পাশ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ। শুক্রবার এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের হতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: পাত্রের বাড়ির দাবিমতো বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে না পারায় বিয়ের সাড়ে ৪ মাসের মধ্যে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম আতিফা খাতুন (১৬)। ...

 কুলগাঁও, ১০ জুলাই (পিটিআই): বছরের অন্য সময়ে যেখানে অনবরত গুলির শব্দ সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে, মঙ্গলবার সেখানেই শোনা গেল শঙ্খধ্বনি, বৈদিক মন্ত্র। দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে তিনটি প্রাচীন মন্দিরে জঙ্গি সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করেই কাশ্মীরি পণ্ডিতরা আয়োজন করলেন যজ্ঞানুষ্ঠান। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আবেগের বশে কোনও কাজ না করাই ভালো। দাম্পত্য জীবনে বনিবনার অভাবে সংসারে অশান্তি বাড়বে। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৮২৩ সালের এই দিনে ভারতের তৈরি প্রথম জাহাজ ডায়না কলকাতা বন্দর থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৮৮৯ সালের এই দিনে অবিভক্ত ভারতের কলকাতায় প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৯২১: মঙ্গোলিয়ায় গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করল লাল ফৌজ
১৯৩০ সালের এই দিনে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ডন ব্রাডম্যান এক দিনে ৩০৯ রান করার রেকর্ড করেন, পরে টেস্ট ম্যাচে তা ৩৩৪ রানের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল।
১৯৫৬: সাহিত্যিক অমিতাভ ঘোষের জন্ম
১৯৬২: প্রথম ট্রান্সআতলান্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু হল
১৯৬৭: সাহিত্যিক ঝুম্পা লাহিড়ির জন্ম
১৯৭২: বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম খেলা ববি ফিশার ও বরিস স্পাসকির মধ্যে শুরু হল
১৯৭৯: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মহাকাশ স্টেশন স্কাইল্যাব পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। সেটিকে ভারত মহাসাগরে ফেলে ধ্বংস করা হয়।
২০০৬: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে ২০৯জনের মৃত্যু
২০১২: আবিষ্কার হল প্লুটোর পঞ্চম উপগ্রহ এস/২০১২ পি ১





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৮৩ টাকা ৬৯.৫২ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৯৪ টাকা ৮৭.০৭ টাকা
ইউরো ৭৫.৪৬ টাকা ৭৮.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৪,৭৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩২,৯৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৪৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দশমী ৫০/০ রাত্রি ১/৩। স্বাতী ২৭/১১ দিবা ৩/৫৫। সূ উ ৫/২/৪৯, অ ৬/২১/১, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১২ মধ্যে পুনঃ ১২/৩ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৩/১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/২ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৬, ১১ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, নবমী ০/১৫/১৭ প্রাতঃ ৫/৮/৪৭ পরে দশমী ৫৬/১২/২১ রাত্রি ৩/৩১/৪০। স্বাতীনক্ষত্র ৩৫/৩৮/১৯ রাত্রি ৭/১৮/৪, সূ উ ৫/২/৪৪, অ ৬/২৩/১০, অমৃতযোগ দিবা ৩/৪২ গতে ৬/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/১২ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪৩/৬ গতে ৬/২৩/১০ মধ্যে, কালবেলা ৩/৩/৩ গতে ৪/৪৩/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৪২/৫৭ গতে ১/২/৫৪ মধ্যে।
৭ জেল্কদ
এই মুহূর্তে
 বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড

09:49:59 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ২১০/২ (৩০ ওভার)

09:41:16 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ১৪৭/২ (২০ ওভার)

08:55:51 PM

বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ড ৫০/০ (১০ ওভার)

08:00:01 PM

 মুচিপাড়া ডাকাতি: একজন কনস্টেবল পলাতক

06:46:00 PM

 বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডকে ২২৪ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া

06:44:41 PM