Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
আমার সঙ্গে সামান্য মালপত্তর সহ যে কিটব্যাগটা থাকে সেটি রেলের ক্লোকরুমে রেখে এলাম।
এখানে যে রেলকর্মচারী ছিলেন তিনি বেশ সদালাপী। আমার ব্যাগ জমা নিয়ে বললেন, ‘কাটনিতে কোথায় এসেছিলেন? এখানে কোনও আত্মীয় আছে নাকি?’
আমি তখন আমার কথা বললাম। ‘বহু তীর্থ দর্শন করলেও মৈহরপীঠ বাকি ছিল। তাই মৈহর মাতাকে দর্শন করে ট্রেন ধরার সুবিধার জন্য এখানে এসেছি।’
উনি দু’হাত জোড় করে কপালে ঠেকিয়ে বললেন, ‘আপনি আসেননি। এখানকার মা-ই আপনাকে কৃপা করে টেনে নিয়ে এসেছেন। এই কাটনিতেই সিদ্ধপীঠে বিরাজ করছেন জলপা দেবী। কেউ কেউ জালোয়া বা জলবাও বলেন। ইনি হলেন ত্রিগুণাত্মিকা দেবী। এখন আপনি আর এদিক-সেদিক না করে এখনকার জাগ্রতা মাতাকে দর্শন করে আসুন।’
আমি উল্লসিত হয়ে বললাম, ‘নিশ্চয়ই যাব। এটাই তো আমার কাজ। জলপা দেবীর মন্দির এখান থেকে কতদূর? যাবই বা কীভাবে?’
‘স্টেশনের বাইরে গিয়ে একটা অটো অথবা রিকশ নিন। মাত্র দু’ কিলোমিটার পথ।’
মুহূর্তমাত্র দেরি না করে বাইরে এসে এক কাপ চা খেয়ে সেই দোকান থেকে পথ নির্দেশ নিয়ে হাঁটা শুরু করলাম। দু’ কিমি পথের জন্য কোনও পরিবহনেরই দরকার হয় না আমার।
নতুন এক দেবী তীর্থ দেখার আনন্দে মন আমার দারুণভাবে উন্মুখ হয়ে উঠেছে। ভাগ্যে কাটনিতে এসেছিলাম।
কিছুদূর আসার পর প্রশস্ত রাজপথের উপর একটি মন্দিরকে ঘিরে অনেক জনসমাগম দেখে ভাবলাম এই বোধহয় জলপা মাতার স্থান। তবে মন্দিরে বিগ্রহ দর্শন করে ভুল ভাঙল। এই মন্দির হল দক্ষিণমুখী বড়ে হনুমানের মন্দির। ইনি হলেন এখানকার রক্ষক। সর্বজনের সংকটমোচনের জন্য ইনি সদা জাগ্রত।
মন্দিরে প্রণাম জানিয়ে আরও খানিক যাওয়ার পর এলাম লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরে। সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আরতি দর্শন করে আর এক রম্য মন্দিরে এলাম। এটি সাঁই মন্দির। শিরডি সাঁইবাবার শ্বেতপাথরের পূর্ণাবয়ব মূর্তি দর্শন করে মন ভরে গেল। এই মন্দিরেরই বিপরীত দিকের গলিতে নবনির্মিত একটি কালীমন্দির অতিক্রম করলেই জলপা দেবীর স্থান।
একটি তোরণ পার হয়ে প্রথমেই এলাম ভৈরব মন্দিরে। জাগ্রত ভৈরবকে দর্শনের পর জলপা মন্দিরে। হিমালয় ভ্রমণের সময় চম্বাতে রাভী নদীর তীরে জলপা ভবানীর মন্দির ও বিগ্রহ দেখেছিলাম। সেই দেবী হলেন চণ্ডী। কিন্তু এখানকার যিনি অধিষ্ঠাত্রী তিনি কে?
অনেকখানি পাঁচিল ঘেরা জায়গা জুড়ে জলপা দেবীর মন্দির। মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্ত দর্শনার্থীদের সংখ্যাও অনেক। তবে বেশিরভাগই মেয়ে। একপাশে বিশাল একটি বটবৃক্ষের নীচে অনেক দেব-দেবীর মূর্তি। সেখানেও জল ঢালা, সিঁদুর লেপা ও পুজো-আচ্চা চলছে। আমি সেখানে মাথা ছুঁইয়ে মূল মন্দিরে এলাম। মন্দিরটি বেশ খোলামেলা। ঘিঞ্জি নয়। সেখানে আছেন পরপর তিন দেবী। মন্দিরের সেবায়েতকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘পণ্ডিতজি, এঁদের মধ্যে জলপা মাতা কোনটি?’
সেবায়েত বললেন, ‘মাঝেরটি। এখানে ত্রিগুণাত্মিকা দেবী, মহাকালী, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতী। তবে মহাসরস্বতী এখানে মধ্যস্থলে। এই দেবী এখানে পিণ্ডরূপা নন। মূর্তিমতী।’
আমি অনিমেষ নয়নে জলপা দেবীকে দর্শন করে বললাম, ‘এই দেবী কি একান্ন পীঠের অন্তর্গত কোনও দেবী?’
‘না। এটি কোনও পীঠ বা উপপীঠ নয়। এটি হল সিদ্ধপীঠ।’
জলপা দেবী দর্শনের পর মন্দির প্রাঙ্গণে প্রাচীরের গায়ে বহু দেবদেবীর মূর্তি খোদাই করা আছে দেখলাম। পুণ্যার্থী ভক্ত মহিলারা এঁদের সবাইকে ক্লান্তিবিহীনভাবে পুষ্পচন্দন, আলোচালসহ জলসিঞ্চন করছেন দেখলাম। এই দেবীরা কেউ ভয়ঙ্করী, কেউ সৌমাতিসৌম্য, কেউ বরাহমুখী, কেউ অশ্বমুখী, কেউ বা সারমেয়মুখী। ধন্দে পড়লাম। এঁরা কোন দেবী? অনুসন্ধানে জানলাম এই সব মূর্তি হল চৌষট্টি যোগিনীর। এঁরা মন্দির বেষ্টন করে জলপা দেবীকে রক্ষা করছেন।
এখানকারই একজন সেবায়েতের মুখে শুনলাম এই কাটনি শহর বা সিদ্ধপীঠ একসময় ছিল ভয়ঙ্কর মহারণ্যে ভরা ও শ্বাপদ সংকুলে পরিণত। কিছু ভীল ও শবর শ্রেণীর মানুষের বসবাস ছিল এখানে। এমনকী কোনও জলাশয়েরও চিহ্ন ছিল না। রামায়ণের যুগে ব্রহ্মর্ষি জাবালি এই মহারণ্যে কঠোর তপস্যা করেন। তাঁরই তপোপ্রভাবে এই স্থান সিদ্ধপীঠে রূপান্তরিত হয়।
রামায়ণ পরবর্তী যুগেরও অনেক পরে এই মহারণ্যে হঠাৎ আবির্ভাব হয় এক দিব্যজ্যোতিসম্পন্ন যোগীর। বর্তমান মন্দির প্রাঙ্গণে যে গাছটি আছে (প্রাচীন গাছটি নেই) সেখানে বসে তিনি কঠোর সাধনা শুরু করেন। এমনই সাধনা যে তিনি ছিলেন ক্ষুধা তৃষ্ণা রহিত। বনবাসী ভীলরা তাঁর সামনে কোনও ফল মূলাদি রেখে গেলেও তিনি তা গ্রহণ করতেন না।
এমন যখন অবস্থা তখন একরাতে এক অতীব সুন্দরী রমণী নানাবিধ অন্নব্যঞ্জন ও পরমান্ন এনে তাঁর তপোভঙ্গ করালেন। তারপর যোগীর মনোরঞ্জনের জন্য নানারকম ছলাকলায় নৃত্যগীতাদির দ্বারা তাঁর চিত্তবৈকল্য আনার চেষ্টা করলেন। এমনকী এও বললেন, ‘হে যোগীবর! শরীরের ধর্ম পালন না করে শরীরকে কষ্ট দিয়ে সিদ্ধিলাভ করা যায় না। অতএব তুমি প্রসাদ গ্রহণ করো।’ যোগীবর প্রসাদ গ্রহণ করলেন কিন্তু ছলাকলায় মজলেন না।
এইভাবে চৌষট্টি রমণীর ছলনায় চৌষট্টি রজনী অতিক্রান্ত হলে তাঁরা সবাই দিব্য শরীরে দেখা দিয়ে সাধককে বললেন, ‘আর তোমাকে সাধনা করতে হবে না যোগীবর। তুমি সিদ্ধিলাভ করেছ।’
যোগীবর বললেন, ‘আপনাদের পরিচয়?’
‘আমরা এখানকার দেবীর সহচরী। দেবী ত্রিগুণাত্মিকা। মহাকালী, মহাসরস্বতী ও মহালক্ষ্মী। ত্রিশক্তির ধারিকা হয়েও তিনি একাঙ্গী। এই বনভূমে এক রমণীয় সরোবরে দেবীর অধিষ্ঠান। দেবী কখনও উগ্রচণ্ডী, কখনও অশুভনাশিনী, জ্ঞানদায়িনী। আমরা এই চৌষট্টি যোগিনী সব সময় দেবীকে পাহারা দিই। রক্ষা করি। দেবীর প্রকাশ ব্রহ্ম হতে। দেবীর সহচরী আমরা। আসুন আপনি আমাদের সঙ্গে। আমরা দেবীকে দর্শন করিয়ে আনি।’
চৌষট্টি যোগিনীর সঙ্গে সরোবরের তীরে আসতেই শ্বেতশুভ্রা হংসবাহনা দেবীর দর্শন পেলেন সাধক।
দেবীর মহিমা প্রকট হল। জল থেকে উৎপত্তি বলে দেবীর নাম হল জালোয়া, জলবা বা জলপা। সাধকের কৃপায় এই স্থান সিদ্ধপীঠে পরিণত হল।
(ক্রমশ)
23rd  June, 2019
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। ষষ্ঠ কিস্তি।
বিশদ

05th  July, 2020
দু’জন  

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন ভগীরথ মিশ্র।
বিশদ

05th  July, 2020
সিনেমার মতো
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়

শিলিগুড়িতে সেটল করতে একটু সময় লাগছে শাশ্বতর। শাশ্বত মুখার্জি। কলকাতার বনেদি বাড়ির পরিবেশে মানুষ হওয়াটা কোথাও কোথাও একটু অসুবিধাজনকও বটে। মজ্জায় মজ্জায় মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা।  বিশদ

05th  July, 2020
ফেয়ার-ওয়েল
অঞ্জনা চট্টোপাধ্যায়
(১)

 নাইন-বি এর ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে ধীরপায়ে সিঁড়ির দিকে এগিয়ে চললেন অলকানন্দা রায়চৌধুরী, ছাত্রীদের প্রিয় শিক্ষিকা ‘অলকা দি’। গতকাল রাত থেকেই হাঁটুর ব্যথাটা আবার চাগাড় দিয়েছে, পা মুড়তে বেশ কষ্ট হচ্ছে। তবে গত কয়েকদিন ধরে মনের ভিতর যে ব্যথাটা জমে রয়েছে তার কাছে এই হাঁটুর ব্যথাটা তো একেবারেই তুচ্ছ। রেলিং ধরে ধীরে ধীরে একতলার দিকে নামতে শুরু করলেন অলকা।
বিশদ

28th  June, 2020
চলার পথে
ফ্রেদরিকের চিঠি

 জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন অমর মিত্র। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৯

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। পঞ্চম কিস্তি। বিশদ

28th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব- ২৮

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। চতুর্থ কিস্তি।
বিশদ

14th  June, 2020
নিলডাউন

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।  বিশদ

14th  June, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ তুলসী চক্রবর্তী। তৃতীয় কিস্তি। 
বিশদ

07th  June, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

07th  June, 2020
স্বপ্নসঙ্গী 

উদয়চাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায়: ট্রেনটা প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরি করে ঢুকল গোমো স্টেশনে। বাতানুকূল কামরা থেকে নেমে আসে তন্বী পিয়ালি। ভিড় এড়িয়ে, সঙ্গের চাকা লাগানো ব্যাগটা নিয়ে একটু সরে এসে, উদ্বিগ্ন চোখে দু’দিকে তাকায়। একটা সাধারণ পোশাক পরা যুবক পিয়ালির সামনে এসে বলে, আপনি মুখার্জি স্যারের ফরেস্ট বাংলোয় যাবেন তো?
পিয়ালি ভ্রু কুঁচকে বলে, কে তুমি?  বিশদ

31st  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

পথে চলতে চলতে বহু মানুষের সঙ্গে আলাপ হয়েছে তুলসীর। বহু পেশার মানুষ দেখেছেন। তাই যে কোনও চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে অভিজ্ঞতার ঝাঁপি উপুড় করে দিতেন। নিজের দেখা মানুষের ছাঁচে ফেলে গড়ে তুলতেন চরিত্রটি। তাই তাঁর অভিনয় ওরকম স্বাভাবিক মনে হতো।
বিশদ

31st  May, 2020
ভৈরবী মা
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়

 ‘নিজে রান্নাবান্না পারেন?’ ‘নাহ, একদম আনাড়ি,’ অর্জুন হাসে। ‘তবে তো এ ব্যবস্থাই বেশ। ওনার ফেরার কোনও ঠিক থাকে না। আপনাকে ন’টায় খেতে দেব তো? আর হ্যাঁ, কোনও অসুবিধা হলে বউদি বলে ডাক দেবেন ভাই।’ একটু আন্তরিকতা ছুঁইয়ে দিয়ে যান মহিলা। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

‘ওরে, আমি হলাম গিয়ে হেঁশেলবাড়ির হলুদ। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আছি। হাসতে বললে হাসব, কাঁদতে বললে কাঁদব, নাচতে বললে নাচব, দু’কলি গান গেয়ে দিতে বললে তাও পারব। হলুদ যেমন সব ব্যঞ্জনেই লাগে তেমনই আর কী! কিন্তু হলুদের কি নিজস্ব কোনও স্বাদ আছে? তাই আমার এই অভিনয়কে আমি অভিনয় বলি না গো!
বিশদ

24th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ট্রেন বন্ধ। শিয়ালদহ খাঁ খাঁ করছে। স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ব্যবসায়ীরা কার্যত মাছি তাড়াচ্ছেন। এশিয়ার ব্যস্ততম স্টেশনের আশপাশের লজ, হোটেল, গেস্ট হাউসগুলির সদর ...

বার্সেলোনা: খেতাবের দৌড়ে পিছিয়ে পড়েও লড়াই জারি বার্সেলোনার। বুধবার ক্যাম্প ন্যু’য়ে লুই সুয়ারেজের করা একমাত্র গোলে কাতালন ডার্বিতে এস্প্যানিয়লকে পরাস্ত করল কিকে সেতিয়েন-ব্রিগেড। এই জয়ের ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভুয়ো ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে টাকা ফেরাতে ব্লক লেভেল টাস্ক ফোর্স (বিএলটিএফ) তৈরি করল জেলা প্রশাসন। গত ৭জুলাই জেলাশাসক পার্থ ঘোষ এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মিউচুয়াল ফান্ড সংস্থাগুলির সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান বা ‘সিপ’ বাবদ আদায় কমল জুন মাসে। গত মাসে গোটা দেশে সিপ-এ বিনিয়োগ হয়েছে ৭ হাজার ৯২৭ কোটি টাকা। অথচ তার আগের মাসে, অর্থাৎ মে মাসে বিনিয়োগ হয়েছিল ৮ হাজার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে করোনায় আক্রান্ত ৫৯৬ জন বন্দী ও ১৬৭ কর্মী
মহারাষ্ট্রের জেলগুলিতে এ পর্যন্ত মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৯৬ জন ...বিশদ

09:50:03 AM

করোনা:ফের রেকর্ড, দেশে একদিনে আক্রান্ত ২৬,৫০৬
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ...বিশদ

09:35:40 AM

 শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন এখন সপ্তাহে ২ দিন
আগামী ১৩ জুলাই থেকে শিয়ালদহ-ভুবনেশ্বর স্পেশাল ট্রেন সপ্তাহে তিনদিনের বদলে ...বিশদ

09:20:11 AM

কন্টেইনমেন্ট জোনে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ 
কন্টেইনমেন্ট জোনে বিভিন্ন আবাসন, বাড়ি কিংবা পাড়ার বাসিন্দাদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ ...বিশদ

09:00:19 AM

ফের রেকর্ড আমেরিকায়, একদিনে আক্রান্ত ৬৫ হাজারেরও বেশি
করোনা আক্রান্ত নিয়ে ফের রেকর্ড আমেরিকায়। গত ২৪ ঘণ্টায় মার্কিন ...বিশদ

08:55:18 AM

আজ আইসিএসই, আইএসসির ফল
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার দুপুর ৩টেয় প্রকাশিত হতে চলেছে ...বিশদ

08:43:37 AM