Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মৈহর পীঠ, পর্ব-১৫
মৈহর হল মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলা তহশিলের এক প্রসিদ্ধ দেবীস্থান। একান্ন পীঠের অন্তর্গত পীঠ না হলেও উপপীঠ। এখানে সতীর দেহাংশ নয় কণ্ঠহার পড়েছিল। এই পুণ্যভূমিতেই ত্রিকূট পর্বতের চূড়ায়। সতীমাঈ কি হার। তাই থেকেই মাঈহার, মৈহার ও বর্তমানে মৈহর।
রেলওয়ে স্টেশন থেকে ত্রিকূট পর্বতের এই দেবীস্থানের দূরত্ব পাঁচ কিলোমিটার। স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ড থেকে মন্দিরমার্গে যাওয়ার জন্য অটো, টেম্পো, ট্রেকার ও রিকশর অভাব নেই। সারা বছরই এখানে যাত্রীর ভিড় লেগেই থাকে।
এই মহাতীর্থে যাওয়ার জন্য হাওড়ার দিক থেকে উপযুক্ত ট্রেন হল ভায়া এলাহাবাদ মুম্বই মেল। স্টেশনের বাইরে প্রচুর হোটেল ও লজের ব্যবস্থা আছে। আমি অবশ্য হাওড়ার দিক থেকে এখানে আসিনি। এসেছিলাম জব্বলপুর হয়ে। আধারতলি, দেউরি, গোসলপুর, সিহোরা, কাটনি হয়ে মৈহরে।
স্টেশন সংলগ্ন লজে আশ্রয় নিয়ে স্নানাদিকৃত্য সেরে দশ টাকার অটোয় মাতা মন্দির রোডে ত্রিকূট পর্বতের পাদদেশে এলাম। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে এখানে যেন মেলার প্রস্তুতি। মোচাকৃতি সুউচ্চ পর্বত। উচ্চতা ৬০০ ফুট। এই পাহাড়ে ওঠার সিঁড়ির সংখ্যা এক হাজার এক। তবে কিনা দুরারোহ চড়াই। তাই রোপওয়েরও ব্যবস্থা আছে। যাতায়াতের ভাড়া সত্তর টাকা।
ত্রিকূট পাহাড়ের পাদদেশে এক রমণীয় উদ্যানে এসে মন মোহিত হয়ে গেল। উদ্যানের মধ্যস্থলে আছে উন্নত দেবীস্তম্ভ। সেখানেই রয়েছে পরপর সাজানো নবদুর্গার মন্দির। কালো পাথরের এইসব মূর্তিগুলো সত্যই অনবদ্য। এই স্থানটি আদিশক্তি স্থান মন্দির নামে পরিচিত। এই নবদুর্গা হলেন— শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী।
নবদুর্গা দর্শনের পর পর্বতারোহণ। তবে প্রথমেই বলে রাখি দুর্বল ও অশক্ত লোকের পক্ষে পাহাড়ে ওঠার চেষ্টা না করাই ভালো। রোপওয়েই তাঁদের জন্য উপযুক্ত।
পর্বতের উচ্চস্থানে রেলিং ঘেরা সরু সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরে প্রবেশ করতে হয়। আমিও সেইভাবে দর্শন করলাম। তবে কি না দেবীতীর্থ হলেও দেবী এখানে ত্রিগুণাত্মিকা। তিনি অম্বা বা দুর্গা নন। তিনি মহালক্ষ্মী, মহাকালী ও মহাসরস্বতী রূপে বিরাজমান। সরস্বতী বা সারদা নামে পূজিতা।
শোনা যায়, এই তীর্থভূমির পবিত্র স্থানটি দীর্ঘকাল লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিল। মৈহরের রাজা দুর্জন সিং এক রাতে স্থানটি আবিষ্কার করেন। দেবী এক বৃদ্ধার বেশে রাজাকে স্বপ্ন দেন, ‘হে রাজন! আমি আদ্যাশক্তি মা সারদা। আমি কখনও কালী রূপে বিরাজ করে অশুভ শক্তি নাশ করি, কখনও সম্পদের অধিষ্ঠাত্রী মহালক্ষ্মী হই, আবার কখনও বা বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতী রূপে আমি জ্ঞানদায়িনী হই। এই পর্বতশিখরে আমার অধিষ্ঠান। এখানে আমার কণ্ঠহার পতিত হয়েছে। তা‌ই এই পর্বত আমার প্রিয় স্থান। এই পর্বতে যে গুহা সেই গুহার আশপাশে আমার একটি শিলাময় মূর্তি আছে। ওই মূর্তি যেখানে আছে ঠিক সেখানেই একটি মন্দির ও মন্দিরে আসার জন্য রাস্তা তৈরি করিয়ে দিলে রাজ্যের প্রজারা এখানে এসে আমার পূজা বা আরাধনা করতে পারবে। কেউ ভক্তিভরে আমার শরণ নিলে আমি অবশ্যই তার মনোবাসনা পূর্ণ করব।’
স্বপ্নাদেশ পেয়ে রাজা মন্দির এবং যাতায়াতের পথ তৈরি করিয়ে প্রজাদের কাছে দেবী মহিমা প্রকাশ করলেন। রাজ্য এবং রাজ্যের বাইরে থেকে যাত্রীরা এসে তখন থেকে নিয়মিতভাবে পূজা দিতে লাগলেন মা সারদার।
এখানে মা সারদার প্রাচীন মূর্তির নীচে দেবনাগরী অক্ষরে যে শিলালেখটি আছে তাই থেকে জানা যায় ১৪৯৪ বছর আগে বিক্রম সংবত ৫৫৯ (৪২৪ শকে) চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষে চতুর্দশীর দিন মঙ্গলবারে (ইসবী সন ৫০২) তোরমান হুন শাসনকালে নূপুলদেব দ্বারা মা সারদার এই শিলামূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল।
খাজুরাহোর মন্দির প্রতিষ্ঠারও ৫৫০ বছর আগে এখানেও একটি ছোট্ট মন্দির ছিল। পরবর্তীকালে যা সম্পূর্ণভাবে লয়প্রাপ্ত হয়।
দেবীর চরণতলে আর একটি শিলালেখ আছে। যেটি লম্বায় ১৫ ইঞ্চি এবং চওড়ায় ৩ ইঞ্চি। অপর শিলালেখটি লম্বায় ৩৪ ইঞ্চি ও চওড়ায় ৩১ ইঞ্চি। এই শিলালেখটি তৎকালীন সময়ের সুবিখ্যাত দামোদর পণ্ডিতের। তাঁকে বলা হতো সরস্বতীর বরপুত্র। কলির ব্যাসদেব হিসেবেও গণ্য ছিলেন তিনি।
মৈহরে আসার আগে বেশ কয়েকবার বুন্দেলখণ্ডে চারধারির কাছে মাহোবাতে মহাবীর আলহা ও উদলের প্রভাব শুনে এসেছি। আলহার মর্মর মূর্তিও দেখেছি মাহোবাতে। এখানে এসে শুনলাম সেই আলহা মা সারদার এমনই ভক্ত ছিলেন যে একবার একনাগাড়ে ১২ বছর ধরে এই ত্রিকূট পর্বতে বসে তপস্যা করেন।
মৈহরে দেখার মতো অনেক মন্দির আছে। এর মধ্যে রামমন্দির, চণ্ডী মন্দির, গায়ত্রী মন্দির উল্লেখযোগ্য। সাতনা রোডে ‘বড়ীমাঈ কি শক্তি পীঠ’ও দেখার মতো। তবে আমার কাছে যেটির আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি তা হল সরস্বতীর বরপুত্র আলাউদ্দিন খান সাহেবের বসতবাড়িটি দেখা। মৈহর শহরে হাঁটাপথের দূরত্বে আলাউদ্দিন, আলি আকবর ও পণ্ডিত রবিশংকরের স্মৃতিধন্য, মা সারদার কৃপাধন্য এই বাড়িও এক তীর্থভূমি। মৈহর পীঠের মা সারদার কৃপা পেলে মানুষ বিশ্বজয়ীও হতে পারে। অথচ আশ্চর্য! অনেক তীর্থযাত্রীই এই স্থানটি সম্বন্ধে তেমন অবহিত নন।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: জোড়াবাগান থানার বিপরীতে নিমতলার বিখ্যাত মিত্র বাড়ির এই দুপুরের সময়টা বউদের বড়ই ব্যস্ততার মধ্যে কাটে। এই বাড়ির প্রখ্যাত, রাশভারী শ্বশুরমশাই পুজো সেরে এখনই খেতে বসবেন।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
অমরকণ্টক  পর্ব-১৮

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: বিন্ধ্যপর্বতের যে অংশটির নাম মেকল বা মৈকল, তীর্থভূমি নর্মদার সেই স্থানই অমরকণ্টক। শুধু তীর্থভূমি নয়, অমরকণ্টক হল সৌন্দর্যের খনি। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনাতীত।  বিশদ

07th  July, 2019
শাল-পিয়ালের চুপকথা 

সুপর্ণা সেনগুপ্ত: পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চল বাগমুণ্ডি। আকাশ যেখানে গল্প করে মেঘের সঙ্গে। ঘন জঙ্গল, পাহাড় আর ঝর্ণা ঘেরা ছোট ছোট গ্রাম, আঁকা থাকে নীল আকাশের ক্যানভাসে। বর্ষায় সেখানে নদীর জল ছাপিয়ে যায়।   বিশদ

07th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয় 

ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়: মধ্যপ্রদেশের গুণা জেলায় সুন্দরী চান্দেরিতে এক বনময় পর্বতের গুহায় দেবী জাগেশ্বরীর অধিষ্ঠান। ইনি শুধু দেবী নন, মহাদেবী। মাত্র ২০০ মিটার উঁচু এই দুর্গ শহরের আকর্ষণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব, দেবী মহিমা ও লোভনীয় চান্দেরি শাড়ির জন্য।  বিশদ

30th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 

অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়: ঋষি এবং তাঁর স্ত্রী খুব ভালো মিডিয়াম— এই কথাটা শুনে শরৎচন্দ্র হাসতে হাসতে ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলেন, তুমি কী করে জানলে তাঁরা খুব ভালো মিডিয়াম?
গিরীন্দ্রনাথ বললেন, আমি এবং আমার বন্ধু রায়সাহেব হরিসাধন মুখোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে প্ল্যানচেটে বসেছিলাম। বিশদ

30th  June, 2019
মোম জোছনা 

সঞ্জয় রায়: ‘হেই, হ্যাট্‌-হ্যাট্‌-হ্যাট্‌, যাঃ যাঃ-যাঃ। উঃ, দ্যাকো দিকিনি উঠোনটা খালি খালি নোংরা করে। অ্যাই, যাঃ-যাঃ-যাঃ।’ কুসুম সক্কালবেলায় হাঁসের দলটাকে উঠোন থেকে তাড়াচ্ছিল। দীননাথ দাওয়ায় বসে কুসুমের ছলকে পড়া যৌবনটাকে জরিপ করছিল।  বিশদ

30th  June, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ জলপা, পর্ব-১৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 মৈহরপীঠ দর্শনের পর সে রাতটা মৈহরেই কাটালাম। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই কাটনিতে। মধ্য রেলওয়ের কাটনি একটি গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশন। এ যাত্রায় আমি ঘরমুখো হব বলেই কাটনিতে এলাম। কেন না এখানে ট্রেন একটু বেশিক্ষণ দাঁড়ায় তাই।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
১৬
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 গিরীন্দ্রনাথ সরকার। সাহিত্যিক হিসেবে তেমন খ্যাতি অর্জন করতে না পারলেও, তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভূপর্যটক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশই তাঁর ঘোরা ছিল। বহুকাল তিনি সরকারি কন্ট্রাক্টর হিসেবে ব্রহ্মদেশে কাজ করেছিলেন। আর এইসময়ই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের।
বিশদ

23rd  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৫
নিস্তব্ধ নির্জন ঘর, দেবতা বিশ্রাম করছেন খাটে। ঘরের এককোণে চুপ করে বসে আছেন মতিলাল। প্রদীপটা তখনও মিটমিট করে জ্বলছে। সময় যেন আর কাটতেই চাইছে না। মাঝে একটু তন্দ্রাচ্ছন্ন মতো হয়ে পড়েছিলেন মতিলাল। সেই রেশ কাটাতে তিনি ঘরের ভেতর পায়চারি করতে শুরু করলেন।  
বিশদ

16th  June, 2019
প্রাণেশদার শান্তিনিকেতন
আশিস ঘোষ 

স্টাফরুমে বসেছিলাম। ঘরের টিউব লাইট খারাপ থাকায় আবছা অন্ধকার। একটু আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। একটু যেন শীত শীত ভাব। অশোক কথা বলছিল। আমাদের কয়েকজনের অফ পিরিয়ড। কোনও তাড়া নেই। আড্ডা বেশ জমে উঠেছে। এমন সময় খবর এল, প্রাণেশবাবু আর নেই। 
বিশদ

16th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।  
বিশদ

09th  June, 2019
পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি।  বিশদ

09th  June, 2019
দাদা, কেমন আছ?
 অমর মিত্র

দাদা, কেমন আছ?
কে বলছ? বীরেন জিজ্ঞেস করে।
দাদা, আমি অনুপ।
কোন অনুপ?
গলার স্বরে বুঝতে পারছ না, বেলঘরিয়ার অনুপ।
ও, মিত্রা সিনেমার অনুপ? বীরেন চিনতে পারে।
 
বিশদ

09th  June, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১৪

কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পিতা মতিলাল চট্টোপাধ্যায়। ভাগ্যদেবী কোনওদিনই এই মানুষটির প্রতি বিন্দুমাত্র সদয় ছিলেন না। চিরকালই তিনি তাঁর কৃপা-করুণা লাভে বঞ্চিত থেকেছেন। ফলস্বরূপ তাঁর পরিবার পরিজনকে যথেষ্ট সঙ্কটের মধ্যেই দিন কাটাতে হতো।
বিশদ

02nd  June, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার প্রয়াত হলেন পাঁচ ও ছয়ের দশকে বাংলার অন্যতম সেরা লেগ স্পিনার সৌমেন কুণ্ডু (৭৭)। গত পাঁচ দিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন তিনি। সৌমেন কুণ্ডু বাংলা ও রেলের হয়ে রনজি ট্রফি খেলেছেন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার প্রতিবাদ জানাতে দিল্লিতে বিধায়কদের সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল পাঠানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প সংস্থা বিক্রি করে দেওয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের পরিবর্তনের দাবিতে আনা একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় পরিষদীয়মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই ...

  সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে ইসলামপুর পুরসভার বিভিন্ন এলাকা জলমগ্ন হয়ে যায়। এদিন দুপুরের পর বৃষ্টি কমলেও আকাশ মেঘলাই ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: ডাক্তারের গাফিলতিতে রোগীর মৃত্যু হয়েছে, এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার রোগীর বাড়ির লোকজন বিক্ষোভ দেখালেন পাণ্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। অবিলম্বে ডাক্তারকে গ্রেপ্তার করতে হবে বলে তাঁরা দাবি করেন। পরে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেশি বন্ধু-বান্ধব রাখা ঠিক হবে না। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য আসবে। বিবাহযোগ আছে। কর্ম পরিবেশ পরিবর্তন হতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৩: কলকাতা বন্দর থেকে ছাড়ল ভারত নির্মিত প্রথম বাষ্পচালিত জাহাজ ‘ডায়না’
১৯০০:অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯০৪: চিলির নোবেলজয়ী কবি পাবলো নেরুদার জন্ম
১৯০৯: চিত্র পরিচালক বিমল রায়ের জন্ম
১৯৬৫: ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জরেকরের জন্ম
১৯৭২: গুগলের কর্ণধার সুন্দর পিচাইয়ের জন্ম
১৯৯১: ফুটবলার হামেস রডরিগেজের জন্ম
১৯৯৭: পাকিস্তানি শিক্ষা আন্দোলনকর্মী মালালা ইউসুফজাইয়ের জন্ম
১৯৯৯: অভিনেতা রাজেন্দ্রকুমারের মৃত্যু
২০১২: কুস্তিগীর ও অভিনেতা দারা সিংয়ের মূত্যু
২০১৩: অভিনেতা প্রাণের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৭.৫৫ টাকা ৬৯.২৪ টাকা
পাউন্ড ৮৪.১০ টাকা ৮৭.২৪ টাকা
ইউরো ৭৫.৬৬ টাকা ৭৮.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৫,২০৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৩,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৩,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ আষা‌ঢ় ১৪২৬, ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ৪৮/৪০ রাত্রি ১২/৩১। বিশাখা ২৭/১৪ দিবা ৩/৫৭। সূ উ ৫/৩/১৩, অ ৬/২০/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৬ আষাঢ় ১৪২৬, ১২ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ৫৩/৮/৩৭ রাত্রি ২/১৮/৩৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৪/৮/৪১ সন্ধ্যা ৬/৪২/৩৪, সূ উ ৫/৩/৬, অ ৬/২৩/৬, অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৩/৬ গতে ১০/৩/৬ মধ্যে, কালবেলা ১০/৩/৬ গতে ১১/৪৩/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৩/৬ গতে ১০/২৩/৬ মধ্যে।
৮ জেল্কদ
এই মুহূর্তে
রাজাবাজারে গুলি চালনার ঘটনায় ধৃত ১ 

06:47:00 PM

চৌবাগা খালে বাস উল্টে জখম বেশ কয়েকজন 

06:32:34 PM

মুর্শিদাবাদের প্রদীপপাড়ায় তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীকে গুলি করে খুন

04:06:59 PM

৮৭ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:59:16 PM

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ মেনে এনইএফটি, আরটিজিএস, আইএমপিএস-এর চার্জ প্রত্যাহার করল এসবিআই 

03:16:50 PM

দিল্লিতে বান্ধবীকে ছুরি মারার অভিযোগ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে

02:54:00 PM