Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুন্য ভূমির পুন্য ধুলোয়
দেবী ত্রিপুরমালিনী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-১৪

এবার বলি দেবী ত্রিপুরমালিনীর কথা। পীঠ নির্ণয় তন্ত্রে আছে ‘ভীষণা ভৈরবস্তত্র দেবী ত্রিপুরমালিনী’। পাঞ্জাব প্রদেশে এই সতীপীঠ জলন্ধর পীঠ নামে খ্যাত। কিন্তু এই পীঠ সম্বন্ধে নানারকম বিভ্রান্তিকর তথ্য পাওয়ার কারণে এর সঠিক অবস্থান কিছুতেই নির্ণয় করতে পারিনি। অবশেষে কাশীর এক মাতাজির পরামর্শে আমি জলন্ধরে গিয়েই জলন্ধর পীঠের অনুসন্ধান করব এই স্থির করলাম। তাই একদিন বারাণসী থেকেই দুপুর বারোটা পঞ্চাশের বেগমপুরা এক্সপ্রেসে জলন্ধরের পথে রওনা হলাম।
ভাগ্যক্রমে এই ট্রেনে আমার সহযাত্রীদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা বৈষ্ণোদেবী যাত্রী ছিলেন। আমি জলন্ধর পীঠ যাচ্ছি শুনে ওঁদেরই একজন বললেন, ‘জলন্ধর পীঠ দেবী কা মুখ্য পীঠ। লেকিন উধার যাকে দেবীতালাও বোলনা পড়েগি। তব মালুম হো যায়েগি সবকো।’
ব্যস। সেদিন এবং রাতটা বেশ ভালোভাবেই কাটল। পরদিন সকালে জলন্ধর ক্যান্ট থেকে সিটিতে এসে রওনা হলাম দেবী তালাওয়ের পথে। ভাড়া শেয়ারের অটোয় দশ টাকা।
এক বিশাল প্রাচীর ঘেরা অঞ্চলের মধ্যে দেবীতালাও বা জলন্ধর পীঠ। তোরণ পার হলেই প্রকট স্থানে পৌঁছনো যায়। প্রথমেই চোখে পড়ে দেবীতালাও। বিশাল একটি স্বচ্ছ জলের সরোবর। এখানে দেবীর বাম স্তন পতিত হয়েছিল। কালিকাপুরাণে আছে ‘জলন্ধরে স্তনযুগং স্বর্ণহার বিভূষিতম্‌’। দেবী এখানে ত্রিপুরমালিনী। যেখানে দেবীপীঠ সেখানেই ভৈরব। ভৈরবও তাই এখানে বিরাজমান। এই পীঠ হল ষষ্ঠ মহাপীঠ।
জলন্ধর মাহাত্ম্যে আছে, পুরাকালে জলন্ধর নামে এক দৈত্যের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দেবতারা যুদ্ধ ঘোষণা করলে বহুবর্ষ ধরে দেব-দানবের এক তুমুল যুদ্ধ চলতে থাকে। ভগবান বিষ্ণু ও মহাদেবের কপট মায়ায় জলন্ধর যখন জর্জরিত, মরণাপন্ন, তখন দুই দেবতাই জলন্ধর পত্নী বৃন্দার অভিশাপের ভয়ে জলন্ধরকে প্রত্যক্ষ দর্শন দিয়ে বর প্রার্থনা করতে বললেন। জলন্ধর তখন করজোড়ে বলল, ‘হে সর্বশক্তিমান প্রভু, যদিও আপনারা আমায় কপট যুদ্ধে হত্যা করলেন তবুও আমাকে প্রত্যক্ষ দর্শন দেওয়ার ফলে আমার মতো তমোগুণসম্পন্ন ও অহংকারী একজন দৈত্য উদ্ধার প্রাপ্ত হল। তাই অন্তিমকালে আমার প্রার্থনা এই যে, যুদ্ধকালীন সময়ে আমার দেহের যে সমস্ত অংশ এই প্রদেশের বিভিন্নস্থানে পড়েছে সেই সমস্ত অঞ্চল যেন তীর্থের মহিমা পায়। বিভিন্ন দেবদেবীর মঠ মন্দির যেন গড়ে ওঠে এই স্থানকে ঘিরে। স্নান-তর্পণে দেবভক্তগণ যেন অশেষ পুণ্যফল প্রাপ্ত হন। শ্রীবিষ্ণু ও মহাদেব জলন্ধরের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করতে তথাস্তু বলে সেই বরই প্রদান করলেন। তখন থেকেই এই শিবালিক পর্বতমালার প্রদেশে দ্বাদশযোজন ক্ষেত্র জুড়ে চৌষট্টি মন্দির ও নানা তীর্থ গড়ে ওঠে। জলন্ধরের কান যেখানে পড়েছিল বর্তমানে সেই স্থানের নাম কাংড়া। এখানে বজ্রেশ্বরী দেবীর মন্দির আছে। আর জলন্ধরের পৃষ্ঠদেশ যেখানে পড়েছিল লম্বালম্বিভাবে সেই অংশ এবং আশপাশের জনপদ ‘জলন্ধর’ নামেই অভিহিত।
মন্দিরে প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে প্রবেশ পথের ডানদিকে এক উন্নতমানের সুবিশাল ধর্মশালা।
যাই হোক, এবার মাতৃমন্দিরের পথে মন্দিরের পাশেই দৃষ্ট হয় উচ্চ বেদিকায় বাঁধানো এক বিশাল অশ্বত্থ গাছ। একে বলা হয় কল্পবৃক্ষ। ধর্মপ্রাণ নরনারীরা এই কল্পবৃক্ষতলে ধূপদীপ ইত্যাদি প্রজ্বলন করেন। অনেকের বিশ্বাস মন্দিরের বাইরে এই কল্পবৃক্ষেই দেবীর অবস্থান। দেবী এখানে সর্বক্ষণ বিরাজ করেন। কেন না এই বিশাল ভূখণ্ড হল জলন্ধরের মাথা। দেবীশক্তি না থাকলে মাথা নড়ে উঠবে। ফলে বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। শুধু তাই নয় কেউ কোনও শুভকামনা নিয়ে এখানে মানত করলে তা বিফলে যায় না।
কল্পবৃক্ষে মাথা ছুঁইয়ে উচ্চ সোপান বেয়ে ওপরে উঠে এখানকার অধিষ্ঠাত্রী দেবী ত্রিপুরমালিনীকে দর্শন করলাম। আমার অনেক দিনের আশা পূর্ণ হল। দেবীর র‌ম্যমূর্তি শ্বেতপাথরের। তাঁর দু’পাশে সিদ্ধিবিনায়ক গণেশ। এই দেবী এখানে বিশ্বমুখী নামেও পরিচিতা। জলন্ধরে বিশ্বমুখী, তারা কিষ্কিন্ধ্যা পর্বতে।
দেবীপীঠ দর্শনের পর মন্দির চত্বরেই দর্শন করলাম দেবীতালাওয়ের পাশে ভৈরবকে। শিবলিঙ্গ ছাড়াও এখানে রয়েছে পীতবর্ণের এক বিশাল ভৈরবমূর্তি। সচরাচর এমন মূর্তি চোখে পড়ে না।
এরপর এলাম এখানকার সিদ্ধসাধক হেমগিরি মহারাজের সমাধি মন্দির দেখতে। সমাধি মন্দির দর্শনের পর পরশুরাম মন্দির। তারও পরে বালাজি মন্দির। আরতির সময় এসেছিলাম। তাই বোঁদে ও অমৃতি প্রসাদ পাওয়া গেল।
এরপর এলাম অমরনাথের গুহায়। সারা ভারতের বহুতীর্থ আমি একাধিকবার দর্শন করলেও অমরনাথে আমি বারবার বাধাপ্রাপ্ত হয়ে যেতে পারিনি। এখন দুধের স্বাদ ঘোলে মেটালাম। এখানকার অমরনাথের গুহামন্দির অনেকটা উচ্চস্থানে। তবু দারুণ উৎসাহ নিয়ে সেখানে গিয়ে দর্শন করে ধন্য হলাম।
এই মন্দিরচত্বরে দেবীতালাওকে ঘিরে অনেক মন্দির আছে। আমি প্রায় সবকটিই দর্শন করে দেবীতলাওতে স্নান করে ধন্য হলাম।
মন্দিরের বাইরেও এই অঞ্চলের কাছে দূরে আরও অনেক মন্দির আছে। তবে আমি আর সে সবের দর্শন না করে বাসস্ট্যান্ডে এসে রওনা দিলাম অমৃতসরের পথে। সেখানে দুর্গিয়ানা মন্দির, স্বর্ণমন্দির ও জালিয়ানওয়ালাবাগ দেখে রাতের ট্রেনে রওনা হব হরিদ্বারের পথে। হর হর গঙ্গে। জয় মা গঙ্গে।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
09th  June, 2019
ভৈরবী মা
সঙ্গীতা দাশগুপ্ত রায়

 ‘নিজে রান্নাবান্না পারেন?’ ‘নাহ, একদম আনাড়ি,’ অর্জুন হাসে। ‘তবে তো এ ব্যবস্থাই বেশ। ওনার ফেরার কোনও ঠিক থাকে না। আপনাকে ন’টায় খেতে দেব তো? আর হ্যাঁ, কোনও অসুবিধা হলে বউদি বলে ডাক দেবেন ভাই।’ একটু আন্তরিকতা ছুঁইয়ে দিয়ে যান মহিলা। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
তুলসী চক্রবর্তী

‘ওরে, আমি হলাম গিয়ে হেঁশেলবাড়ির হলুদ। ঝালে-ঝোলে-অম্বলে সবেতেই আছি। হাসতে বললে হাসব, কাঁদতে বললে কাঁদব, নাচতে বললে নাচব, দু’কলি গান গেয়ে দিতে বললে তাও পারব। হলুদ যেমন সব ব্যঞ্জনেই লাগে তেমনই আর কী! কিন্তু হলুদের কি নিজস্ব কোনও স্বাদ আছে? তাই আমার এই অভিনয়কে আমি অভিনয় বলি না গো!
বিশদ

24th  May, 2020
অথৈ সাগর
পর্ব ২৫

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

24th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

17th  May, 2020
অথৈ সাগর 
বারিদবরণ ঘোষ

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

17th  May, 2020
ঠুলি 

শুচিস্মিতা দেব: বসন্তের সকাল। আলো-ছায়া মাখা গাছেদের কচি পাতায় সবুজাভা। দোতলার বারান্দা থেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অবশিষ্ট দু’চার পিস করবীফুল, ডাল টেনে টেনে সফলভাবে পেড়ে ফেলে নিজের কৃতিত্বে বেশ ডগমগ হয়ে উঠলেন নীপা।  
বিশদ

17th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে 
পর্ব-২৩

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- দ্বাদশ কিস্তি। 
বিশদ

10th  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

10th  May, 2020
সুখ চাই 
চিরঞ্জয় চক্রবর্তী 

সুমন আর ভারতীর বিয়ের আজ সাতান্ন বছর পূর্তি। যখন বিয়ে হয়েছিল সুমনের বয়স সাতাশ, ভারতী তেইশ। দেখতে দেখতে ভারতীর আশি, স্বামী-স্ত্রী দুজনেই দীর্ঘদিন সরকারি ভাষায় বরিষ্ঠ নাগরিক।  
বিশদ

10th  May, 2020
আজও তারা জ্বলে
পর্ব-২২ 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তাঁরই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ জহর রায়- একাদশ কিস্তি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
জিরাফের গলা 

রজত ঘোষ: দু’দিন হল পঞ্চায়েত ভোটের রেজাল্ট বেরিয়েছে। আজ একটু পরে তাই বিজয় মিছিল বের করবে বিজয়ী দল। টেবিলের মাঝখানে দিস্তাখানেক লিফলেট। তার ওপর একটা পেপার ওয়েট। রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে গণেশ এতক্ষণ আঙুলের কায়দায় পেপারওয়েটটাকে ঘোরাচ্ছিল।  
বিশদ

03rd  May, 2020
অথৈ সাগর 

চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। 
বিশদ

03rd  May, 2020
মাছভাজা
শ্যামলী আচার্য

হিতেন্দ্রনাথ সান্যালের কথা শেষ হল না। হয় না। ওঁর সাতচল্লিশ বছরের প্রাচীন জীবনসঙ্গিনী আজ অবধি কোনও বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহার করতে দেননি। একজন সিনিয়র সিটিজেনের বুকে ব্যথার সামান্য আভাসও তাঁকে বিচলিত করল বলে মনে হল না।
বিশদ

26th  April, 2020
 অথৈ সাগর
পর্ব ২১

 চলতি বছর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশতজন্মবর্ষ। সেই উপলক্ষে মাইলফলক দেখে ইংরেজি সংখ্যা শেখাই হোক বা বিধবা বিবাহ প্রচলনের জন্য তীব্র লড়াই— বিদ্যাসাগরের জীবনের এমনই নানা জানা-অজানা কাহিনী দিয়ে সাজানো এ ধারাবাহিকের ডালি। বিশদ

26th  April, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলিতে পাট চাষের বিকল্প হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই তিল চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। উম-পুনের জেরে সেই তিল ও বাদাম চাষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ায় চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। সরকারি হিসেবেই জেলার তিল চাষের সবটুকু নষ্ট ...

সংবাদদাতা, কালনা: বেঙ্গালুরুতে নার্সিং পড়তে গিয়ে আটকে পড়া কালনার ২০জন পড়ুয়াকে বাসে বাড়ি ফেরানো হল। তাঁদের কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মেডিক্যাল চেক আপের পর ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে স্বস্তিতে পড়ুয়াদের পরিবারের লোকজন।  ...

নয়াদিল্লি, ২৯ মে: আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে চারবার ট্রফি হাতে তুলেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সাফল্যের নিরিখে অনেকেই তাঁকে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে তুলনা করেন। কারণ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাজারে একসঙ্গে তিনটি গাড়ি আনল স্কোডা অটো ইন্ডিয়া। প্রথমটি ‘র‌্যাপিড ১.০ টিএসআই’, যার দাম ৭.৪৯ লক্ষ টাকা থেকে শুরু (এক্স শোরুম)। পেট্রল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যলাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যে অবনতি। কর্মে সাফল্য। ব্যবসায় মন্দাবৃদ্ধি।প্রতিকারঃ আজ হলুদ রঙের পোশাক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪০: জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
১৯৮৭: ভারতের ২৫তম রাজ্যের স্বীকৃতি পেল গোয়া
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৭৯ টাকা ৮৬.২২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৩ টাকা ৯৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৭৩.৮১ টাকা ৭৭.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৩৭/৩৫ রাত্রি ৭/৫৮। মঘা নক্ষত্র ২/৪৭ প্রাতঃ ৬/৩ পরে পূর্বফল্গুনী ৫৯/২৭ রাত্রি ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৪/৫৮। পূর্ব্বফল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে ৬/১৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৪ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে ও ৩/৫৬ গতে ৪/৫৬ মধ্যে।
৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে আজ করোনা পজিটিভ আরও ৪১২ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,৩৫৬

08:19:00 PM

শর্ত সাপেক্ষে সিনেমা, সিরিয়ালের শ্যুটিংয়ে ছাড় দিল রাজ্য 
কেন্দ্র কন্টেইনমেন্ট জোনে ৩০ জুন পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়ে বাকি অংশে ...বিশদ

08:06:44 PM

বিসিসিআই খেলরত্ন ও অর্জুনের জন্য কার কার নাম মনোনিত করল
খেলরত্নের জন্য রহিত শর্মার নাম এবং শিখর ধাওয়ান, ইশান্ত শর্মা ...বিশদ

07:26:27 PM

৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ল লকডাউন 
পঞ্চম দফার লকডাউনের ঘোষণা করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। শনিবার এই ...বিশদ

07:01:00 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়াল 
পাঁচ হাজার ছাড়িয়ে গেল রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার ...বিশদ

06:34:21 PM

লকডাউন ১৫ জুন পর্যন্ত বাড়াল মধ্যপ্রদেশ সরকার 
চতুর্থ দফার লকডাউন শেষের আগেই রাজ্যে পঞ্চম দফার ঘোষণা করে ...বিশদ

06:18:11 PM