Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

নয়নাদেবী, পর্ব-১২

শিবালিক পর্বতমালার উত্তমশৃঙ্গে রমণীয় পরিবেশে নয়নাদেবীর অধিষ্ঠান। নয়নাদেবীতে সতীর দুটি নয়নই পতিত হয়েছিল। কিন্তু কোথায় সেই স্থান? সচরাচর কোনও যাত্রীরও যাতায়াত নেই সেখানে। অবশেষে অনেক অনুসন্ধানের পর জানা গেল, উত্তর রেলওয়ের হিরালাইনে সিরহিন্দ থেকে নাঙ্গাল টাউনের একটি শাখা লাইন আছে। সেই লাইনের কিরাতপুর সাহিব ও নাঙ্গাল টাউন মোটর মার্গ দ্বারা যুক্ত। তাই নাঙ্গাল টাউনে গেলেই নয়নাদেবীর পথনির্দেশ পাওয়া যাবে।
২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে আমি বৃন্দাবন, কুরুক্ষেত্র হয়ে চণ্ডীগড়ে এসেছিলাম। সেখান থেকে ভাকরা-নাঙ্গালগামী বাসে আনন্দপুর সাহিব। আনন্দপুর ও কিরাতপুর সাহিব হল শিখদের মহাতীর্থ। নাঙ্গাল ড্যামও এ পথেই।
আমি এখানে শিখদের গুরুদ্বারেই আশ্রয় নিলাম। বিশাল গুরুদ্বার। স্থাপত্যও অনবদ্য। শতদ্রু নদীর বামতীরে এই শহর। কিংবদন্তি এই যে, এখানে বশিষ্ঠমুনি তপস্যা করে গিয়েছেন। এর পিছনে যে রমণীয় গিরিশ্রেণী সেখানেই নয়নাদেবী।
এখানে যে গুরুদ্বারে আমি আছি সেটি একটি টিলার ওপর। গুরু তেগবাহাদুর এই শহরের পত্তন করেন। গুরু গোবিন্দ সিংহ ঔরঙ্গজেবের সঙ্গে যুদ্ধের সময় এখানে বিশ্রাম নিতেন। ১৬৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৫ এপ্রিল তিনি এখানে খালসা ধর্ম প্রবর্তন করেছিলেন পাঁচজন শিখকে নিয়ে। যে চারটি তখ্‌ত তিনি স্থাপন করেছেন তার একটি এখানে। পাশেই কেশগড়ে গুরুর শিষ্যেরা শপথ নিয়ে বলেছিলেন, শরীরের কোনও অংশের কেশ তাঁরা কাটবেন না।
এতদূর যখন এসেছি তখন নাঙ্গাল ড্যামটা না দেখে যাই কেন? আনন্দপুর সাহিব থেকে নাঙ্গালের দূরত্ব চব্বিশ কিমি। সেখান থেকে বারো কিমি দূরে ৭৪০ ফুট উঁচুতে ভাকরা। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের আর কোথাও এত উঁচু ড্যাম নেই। আকাশচুম্বী ইংরেজি ‘ভি’ আকারের এই বাঁধের পাশ দিয়েই নয়নাদেবীর পথ।
আনন্দপুর থেকে নয়নাদেবী পঁয়ত্রিশ কিমির পথ। ঘন ঘন বাসের ব্যবস্থা আছে এখানে। পর দিন খুব সকালেই তাই রওনা হয়ে গেলাম। নয়নাদেবী গিরিশ্রেণীর নয়ন মনোহর রূপ দেখে মন আমার ভরে গেল। জঙ্গলের ভিতর দিয়ে উত্তুঙ্গ গিরিশৃঙ্গে পৌঁছনোর জন্য ঘাটের পর ঘাট পার হয়ে একসময় বহু প্রতীক্ষিত নয়নাদেবীতে পৌঁছলাম। স্থানটি সমুদ্রতল থেকে চার হাজার ফুট উঁচুতে।
এখান থেকে মন্দিরের দূরত্ব অনেকটা। মোচাকৃতি একটি খাড়াই শৃঙ্গ উঠে গেছে আকাশের দিকে মাথা উঁচু করে। মন্দিরে পৌঁছনোর জন্য সম্প্রতি রোপওয়ের ব্যবস্থাও হয়েছে এখানে। আমি অবশ্য পদব্রজেই চললাম। পথের দূরত্ব দু’কিমি।
বাসস্ট্যান্ড থেকে মন্দির প্রাঙ্গণ পর্যন্ত যেমনই যাত্রীর ঢল তেমনই দোকানপত্তরের সারি। যাই হোক, মন্দিরে গিয়ে পৌঁছনোর যে অনুভূতি তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। নয়নাদেবী তীর্থের আর এক নাম তারালয়। কেন না দশমহাবিদ্যার তারামন্ত্রে মহিষমর্দিনী রূপে পূজা করা হয় নয়নাদেবীকে। এই পর্বত মণিদ্বীপ নামেও খ্যাত। ব্রহ্মাদি দেবতা ও নারদাদি ঋষিরা এই পর্বতকে প্রদক্ষিণ করেন। আজও এই পর্বতের বিভিন্ন নির্ঝরে অমৃতধারা প্রবাহিত হয়। উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমে মোট সাড়ে বারো যোজন এই তীর্থের সীমা। নয়নাদেবী চণ্ডিকা মূর্তিতে এখানেই মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন।
মহিষাসুরের রাজ্য ছিল নয়নাদেবী শৃঙ্গের দু’যোজন দূরে। যার নাম মহিষপুরী। সেই মহিষপুরী পরবর্তীকালে মাখোবাল নামে পরিচিত হয়। এই স্থানটি বিলাসপুর জেলার অন্তর্গত। শিখদের নবমগুরু তেগবাহাদুর বিলাসপুর নরেশের কাছ থেকে স্থানটি প্রাপ্ত হয়ে এখানে নিজের দুর্গ স্থাপন করেন এবং এর নাম দেন আনন্দগড়। এই আনন্দগড়ই এখন আনন্দপুর সাহিব নামে প্রসিদ্ধ।
মন্দিরে এসে এখানকার লোকজন ও পাণ্ডাদের মধুর ব্যবহারে মন ভরে গেল। পাণ্ডা ছাড়াও এখানে দর্শন হয়। তবুও একজনকে সঙ্গে নিলাম আমি। ভিড়ের সময় যাতে দেবীদর্শনের অসুবিধে না হয় তার জন্য এখানে যাত্রী নিরাপত্তায় রেলিং-এর ব্যবস্থা আছে।
নয়নাদেবীকে দর্শন করে যেন ভাবসমুদ্রে ডুবে গেলাম আমি। সে কী আনন্দ আমার। এখানেও দেবীর পিণ্ডি রূপ। এরপর মন্দির থেকে বেরিয়ে দর্শন করলাম ক্ষেত্রপাল ভৈরবকে। তারপর গণপতি ও হনুমান মন্দির।
এর পরের দ্রষ্টব্য এক সুপ্রাচীন পিপল গাছের নীচে একটি ব্রহ্মপিণ্ডি। সেখানে শ্রাদ্ধশান্তি, মস্তকমুণ্ডন সব কিছুই হয়। এই ব্রহ্মপিণ্ডি বা শিলাটি নাকি অনন্তকালের। এখানে আর এক পবিত্র স্থান আছে যার নাম হবন কুণ্ড। শিখদের দশম গুরু গোবিন্দ সিংহ এখানে সওয়া লাখ মন ঘি দিয়ে যজ্ঞ করে দেবী ভগবতীর কৃপায় একটি খড়্গ প্রাপ্ত হন। সে কারণে শিখদের কাছেও নয়নাদেবীর মান্যতা খুব।
তবে এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হল মহিষরূপী মহিষাসুর যে গুহায় আত্মগোপন করেছিলেন এবং দেবী যেখান থেকে তাঁকে টেনে বের করে নিধন করেন। গুহাটি যেমনই সংকীর্ণ তেমনই সুড়ঙ্গাকৃতি। খুব কষ্ট করে নীচে নামতে হয়। গুহা থেকে বেরনোর পর মন্দির থেকে স্বল্প দূরত্বে ব্রহ্মসরোবর নামে একটি সরোবরের জল মাথায় নেন সবাই। মহিষাসুরকে বধ করে দেবী চণ্ডিকা এখানেই একটি শিলার ওপর তার কপাল ফাটিয়ে ব্রহ্মাকে দেন। ব্রহ্মা সেটিকে স্থাপন করেন বলে এর নাম হয় ব্রহ্মকপালী। এরপরে দেবী সেই সরোবরের জলে স্নান করে ক্রোধ উপশম করেন।
নয়নাদেবীর বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে মাহাত্ম্যপূর্ণ এমন অনেক স্থান আছে যা দর্শন করা সময়ের ব্যাপার।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
19th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

১২
অভাব অনটন তাঁর পরিবারের নিত্য সঙ্গী তবু পিতা কালাচাঁদ মিত্র আদর করে পুত্রের নাম রাখলেন গন্ধর্বনারায়ণ।১৮৩০ সালে নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে জন্ম হল বাংলার এই অন্যতম কৃতী সন্তানের।  
বিশদ

19th  May, 2019
ব্যাডমিন্টন
মণিদীপ রায় 

সাড়ে আটটার লোকালটা যদি টাইমে আসে তাহলে নির্ঘাত মিস। কোনদিনই অবশ্য আসে না, এটুকুই যা ভরসা। প্লেটে একখানা আস্ত পরোটা, হাতে মেরেকেটে আর পাঁচটা মিনিট। অপর্ণা চায়ের কাপটা আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘এতো দামি গাড়িটা কিনলে বসিয়ে রাখার জন্যে?’ অপর্ণা বেছে বেছে ঠিক এই সময়টাই বের করে তার দাবি দাওয়া পেশ করার জন্য। 
বিশদ

19th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

১১

‘নিশীথ রাক্ষসীর কাহিনী’— সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত এক কাহিনী। এই লেখাটি তিনি শেষ করে যেতে পারেননি। লেখাটি শুরু করে বেশ কিছুটা এগবার পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।  
বিশদ

12th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

চিন্তাপূর্ণী দেবী, পর্ব-১১

গাড়োয়াল হিমালয় ও সংলগ্ন হিমাচল প্রদেশে চিন্তাপূর্ণী দেবীর মান্যতা খুব। কেননা ইনিও নয় দেবীর এক অন্যতমা মহাদেবী। জ্বালামুখী ও কাংড়ার খুব কাছেই চিন্তাপূর্ণী দেবীর স্থান। নগরকোট কাংড়া থেকে চিন্তাপূর্ণীর দূরত্ব ৫০ কিমির মতো।  
বিশদ

12th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

১০
ফেরার পথে আর হেঁটে নয়, গাড়িতে করেই বাড়ি ফিরে এলেন দুই বন্ধু। তারপর নিস্তেজ নার্ভকে সতেজ করার জন্য দু কাপ গরম পানীয় নিয়ে তাঁরা মুখোমুখি বসলেন। তখনও তাঁদের ঘোর পুরোপুরি কাটেনি।  
বিশদ

05th  May, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

জ্বালামুখী, পর্ব-১০

হিঙ্গুলায়া মহাস্থানং জ্বালা মুখ্যাস্তথৈব চ। একান্ন সতীপীঠের অন্তর্গত এই জ্বালামুখীতে আমি প্রথম গিয়েছিলাম তেইশ বছর বয়সে। তারপর তো বিভিন্ন সময়ে কয়েকবার।
এ যাত্রায় কাংড়া দুর্গ দেখার পর এখানে রাত্রিবাস না করে বাসস্ট্যান্ডে এসে পঁচিশ কিমি দূরে জ্বালামুখীতে পৌঁছলাম।
বিশদ

05th  May, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই 
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়


পরবর্তী ডাকেই শিশিরকুমার তাঁর প্রাণাধিক প্রিয় পুত্র পয়সকান্তির ছবি বন্ধুকে পাঠিয়ে দিলেন। সেই ছবির সঙ্গে তিনি একটা চিঠিও পাঠালেন। তিনি তাঁর বন্ধুকে লিখেছিলেন, আপনার কথামতো আমি ছবিটা পাঠালাম। 
বিশদ

28th  April, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

নগরকোট কাংড়া, পর্ব-৯
চামুণ্ডা নন্দীকেশ্বর থেকে এবারের দর্শন নগরকোট কাংড়ায়। পথের দূরত্ব মাত্র পঁচিশ কিমি। এ পথে আমি বেশ কয়েকবার এসেছি। প্রথম এসেছি ১৯৬৪ সালে। আমার রাত্রিবাসের স্থল আরও পঁচিশ কিমি দূরে জ্বালামুখীতে। 
বিশদ

28th  April, 2019
 ডেডলাইন
সম্রাজ্ঞী বন্দ্যোপাধ্যায়

একটা অজানা-অচেনা স্টেশনে নেমে পড়ে এইভাবে একটা চায়ের দোকানে ঢুকে পড়া কতটা ঠিক হল কে জানে। ঐত্রেয়ী অন্তত সেই কথাই ভাবছে। এইখানে চিনি ছাড়া লাল চা পাওয়ার জাস্ট কোনও চান্স নেই। সুতরাং একটা দুধ চা-ই বলেছে। দোকানি দিদি আঁচল দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে জিজ্ঞেস করে গেছেন আর কিছু সে খাবে কিনা।
বিশদ

21st  April, 2019
পূণ্য ভূমির পূণ্য ধূলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

জম্মুতে দু’ একটা দিন বিশ্রাম নেওয়ার পর হাতে যদি সময় থাকে তাহলে কলকাতায় না ফিরে আরও এক দেবীতীর্থে অনায়াসেই যাওয়া যেতে পারে। সেই তীর্থভূমি হল চামুণ্ডা ক্ষেত্র। ইনিও হিমালয়ের নয় দেবীর এক অন্যতমা দেবী।
বিশদ

21st  April, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

মৃত ভাইয়ের আত্মার সঙ্গে কথা বলে শিশিরকুমারের বিক্ষুব্ধ মন কিছুটা হলেও শান্ত হয়েছিল এবং এইসময় থেকেই তিনি আরও প্রবল ভাবে মেতে উঠলেন প্রেতচর্চা ও ঈশ্বরের উপাসনায়। আর তখনকার পরিবেশ এবং পরিস্থিতি ছিল প্রেতচর্চার পক্ষে খুবই অনুকূল।
বিশদ

21st  April, 2019
ভাসানের পরে
মৃত্তিকা মাইতি

অশ্রু বসে আছে দুর্গা ঠাকুরের পায়ের কাছে। ফুল-মালাগুলো গুছিয়ে কাঁড়ি করা। পুজো শেষ। আজ ভাসান। একটু পরেই বরণ শুরু হবে। পাড়ার বউরা বরণডালা হাতে অপেক্ষা করছে রুম্পাদের উঠোনে। এটা তাদেরই বাড়ির পুজো। রুম্পার মা আর কাকির বরণ সারা হলে তবেই বাকিরা করতে পারবে।
বিশদ

14th  April, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

এবারে যাওয়া যাক মাতা বৈষ্ণোদেবীর দরবারে। ইনি হলেন হিমালয়ের প্রসিদ্ধ নয় দেবীর অন্যতমা। হাওড়া শিয়ালদহ বা কলকাতা স্টেশন থেকে জম্মু যাওয়ার ট্রেনের অভাব নেই। জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেস বা হিমগিরি এক্সপ্রেস অনেকেরই খুব পছন্দের ট্রেন। বিশদ

14th  April, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 মহাত্মা শিশিরকুমার ঘোষ। ১৮৪০ সালে যশোর জেলার মাগুরা (অমৃতবাজার) গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। কলকাতা কলুটোলা ব্রাঞ্চ স্কুল (বর্তমান হেয়ার স্কুল) থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কিছুকাল প্রেসিডেন্সি কলেজেও পড়াশুনা করেন। এরপর তিনি আবার ফিরে যান নিজের গ্রাম পুলুয়ামাগুরায়।
বিশদ

14th  April, 2019
একনজরে
 কাজল মণ্ডল  ইসলামপুর, সংবাদদাতা: ইসলামপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হতেই জয় নিশ্চিত বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী আবদুল করিম চৌধুরী। ভোটগ্রহণ হয়েছে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে চরম বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপের হুঁশিয়ারি, ২৩ মে ভোটের ফল বেরনোর পর শাসকদলের দুষ্কৃতীরা হিংসা ছড়ালে তার ভয়ঙ্কর পরিণামের জন্য তৈরি ...

ঢাকা: বাংলাদেশ থেকে প্রায় ছয় মাস আগে ইউরোপ যাত্রা করেন সিলেটের বিলাল। তিনজনের সঙ্গে নানা দেশ ঘুরে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি যাওয়ার পর আরও ৮০ বাংলাদেশির ...

 সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: ইস্ট ইন্ডিয়ানিনজা স্পোর্টস মিটে অংশ নিয়ে অন্যান্য রাজ্যগুলির খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিযোগিতার আসরে নেমে আলিপুরদুয়ার জেলার১৬ জন প্রতিযোগী সোনার পদক, ১০জন প্রতিযোগী রুপার পদক এবং ৪জন প্রতিযোগী ব্রোঞ্জ পদক জিতে নিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যারা বিদ্যার্থী তাদের মানসিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাবে। নানা বিষয়ে খুঁতখুঁতে ভাব জাগবে। গোপন প্রেম থাকলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩৫: কবি বিহারীলাল চক্রবর্তীর জন্ম
১৯২১: নোবেলজয়ী সোভিয়েত বিজ্ঞানী আন্দ্রে শাখারভের জন্ম
১৯৯১: ভারতের ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৮৮ টাকা ৯০.১১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৬ টাকা ৭৮.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,০৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০,৮৭৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,১৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,২৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫১/৪৭ রাত্রি ১/৪১। মূলা ৫৬/২৩ রাত্রি ৩/৩১। সূ উ ৪/৫৮/১২, অ ৬/৮/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৯/২২ গতে ১১/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে ৪/২২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৫ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৭ গতে ৮/১৬ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩০ গতে ৮/৫০ মধ্যে।
৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২১ মে ২০১৯, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ৫২/৪৪/৩৭ রাত্রি ২/৩/৪০। মূলানক্ষত্র ৫৮/১১/৫৫ শেষরাত্রি ৪/১৪/৩৫, সূ উ ৪/৫৭/৪৯, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২২ গতে ১২/২ মধ্যে ও ৩/৩৬ গতে ৪/৩০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫৮ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৪ মধ্যে, বারবেলা ৬/৩৬/৫১ গতে ৮/১৫/৫৩ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৫৯ গতে ২/৫২/১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩১/৩ গতে ৮/৫২/১ মধ্যে।
১৫ রমজান
এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের প্রথম সৌগতকে সাহায্যের আশ্বাস পার্থর
আজ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণার পর প্রথম স্থানাধিকারী সৌগত দাসকে ফোন ...বিশদ

04:54:19 PM

১২৮১০ হাওড়া-মুম্বই (সিএসএমটি) মেল আজ রাত ৮টার বদলে রাত ৯:১৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে 

03:53:16 PM

মাধ্যমিকে অকৃতকার্য হওয়ায় পূঃ বর্ধমানের গোপালপুরে আত্মঘাতী ছাত্রী  

03:34:10 PM

খড়্গপুরের আইটিআইয়ের কাছে যুবককে গুলি করে খুন

03:31:00 PM

সোপিয়ানে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই 

03:21:02 PM

৫০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:05:01 PM