Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

নগরকোট কাংড়া, পর্ব-৯
চামুণ্ডা নন্দীকেশ্বর থেকে এবারের দর্শন নগরকোট কাংড়ায়। পথের দূরত্ব মাত্র পঁচিশ কিমি। এ পথে আমি বেশ কয়েকবার এসেছি। প্রথম এসেছি ১৯৬৪ সালে। আমার রাত্রিবাসের স্থল আরও পঁচিশ কিমি দূরে জ্বালামুখীতে।
ধৌলাধার পর্বতের কোলে কাংড়ার বজ্রেশ্বরী মন্দির দেখে বারে বারে আপ্লুত হই আমি। আমার জীবনে প্রথম তুষার মুকুট দেখা মন্দিরের বিপরীতে ধৌলাধারেরই অন্য এক শৃঙ্গ মালিজা পর্বতে। শোনা যায় ইনি সমগ্র অঞ্চলেরই রক্ষাকর্তা। এই পাহাড়ের রাজা ইনি এবং পর্বতরূপী দেবতা।
পুরাণের কথায় জলন্ধর দৈত্যের ‘কান’ থেকেই নাকি কাংড়া নামের উৎপত্তি। পর্বতের উপর নগর। তাই কাংড়ার নাম নগরকোট। কোট শব্দের অর্থ পর্বত। নগরকোট কাংড়ার মহাভারতকালীন প্রাচীন নাম অগর্তপ্রদেশ। পরে রাজা সুশর্মার নামানুসারে নাম হয় সুশর্মাপুর। তবুও কান নামেই পরিচিত ছিল এই স্থান। গুপ্তযুগে এখানে যখন দুর্ভেদ্য এক দুর্গ গড়ে ওঠে তখন থেকেই এর নাম হয় নগরকোট কাংড়া। কান নগরীর উপর গড়। তাই কানগড় থেকে কানগড়া বা কাংড়া।
তীর্থযাত্রীদের কাছে কাংড়ার প্রসিদ্ধি কিন্তু অন্য কারণে। একান্ন সতীপীঠের অন্তর্গত এই পীঠের অধিশ্বরী দেবী হলেন বজ্রেশ্বরী। বিষ্ণু চক্রে খণ্ডিত সতী অঙ্গের বক্ষস্থল (স্তন) এখানেই পতিত হয়েছিল।
এখানকার পরিবেশ বনময় নয়। নগর সৌন্দর্যে নয়নাভিরাম। চারদিকে অসংখ্য দোকানপাট। উন্নতমানের ঘরবাড়ি। দারুণ ব্যস্ত জনপদ। অমৃতসর, পাঠানকোট, বৈজনাথ, ধরমশালা, জ্বালামুখী এমনকী জম্মু হয়ে কাটরার বাসও আসছে এখানে। তাই জনসমাগমের আর অন্ত নেই। অভাব নেই হোটেল ও ধর্মশালার। বাসস্ট্যান্ড থেকে একটু এগলেই সামান্য উচ্চস্থানে দেবীর মন্দির। অনেক দূর থেকেই অবশ্য রম্য মন্দিরের সোনার কলস চোখে পড়ে। পূজা সামগ্রীর দোকানগুলোর পাশ দিয়ে যেখানে মন্দিরমার্গ বাঁদিকে বেঁকে গিয়েছে সেই পথে কয়েক ধাপ সিঁড়ি অতিক্রম করলেই মূল মন্দিরের প্রাঙ্গণ।
মন্দিরের পিছনে সুউচ্চ ধৌলাধার। একপাশে উপত্যকা। প্রথমেই দৃষ্ট হয় একটি চারকোণা মন্দিরের। মন্দিরটি গম্বুজাকৃতি। তারপর আরও দুটি গম্বুজওয়ালা মন্দিরের পর মূল মন্দির। মন্দিরের বিশাল প্রাঙ্গণে মহাবীর, ভৈরোঁ ও অন্যান্য দেবতা। দেবীর ভৈরবের মন্দিরও দেখার মতো। এখানেই ধ্যানুভক্তের একটি চমৎকার মূর্তি স্থাপিত আছে। আর আছে মন্দির প্রকোষ্ঠে তারাদেবীর ছোট্ট মন্দির। মন্দিরের রং সাদা। এই নৈসর্গিক সৌন্দর্যের দেশে সাদা রঙের মন্দির বড়ই শোভাময়। ১৯০৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে এখানকার সবকিছুই প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। শুধু ধ্বংস হয়নি তারাদেবীর মন্দিরটি। কাংড়া মন্দির সংরক্ষণ কমিটি আবার নতুন করে মূল মন্দির সহ অন্যান্য মন্দিরের পুনর্নির্মাণ করেছে।
শুধু ভূমিকম্প নয়। এই মন্দিরের উপর বহিরাগতদের অবাধ লুণ্ঠন ও ভাঙচুর চলেছে বারে বারে। তবুও দেবী তাঁর সিদ্ধপীঠে আজও বহাল আছেন। আমি এ পথে এলে শ্রদ্ধালুচিত্তে দেবীকে দর্শন করি। সামান্য পূজাও দিই। আবার প্রস্থানও করি। এতেই আমার আনন্দ।
বজ্রেশ্বরীর মন্দির দর্শনের পর অনেকেই যান কাংড়ার দুর্গ দেখতে। আমি অবশ্য একবার মাত্র গিয়েছি। ভারী মনোরম পরিবেশ এই কাংড়া দুর্গের। দূরত্ব সাত কিমি। বাস অথবা অটোতেও এখানে আসা যায়।
বহু প্রাচীন এই দুর্গটি রাজপুত রাজাদের হাতে গড়া। পাতাল ও বাণগঙ্গার মধ্যবর্তী দোয়াবেই এই কাংড়া দুর্গ। দুর্গের অনেক নীচে খরস্রোতা বাণগঙ্গার প্রবাহ দেখা যায়। একাদশ শতকে গজনির সুলতান মামুদ আনন্দপালকে যুদ্ধে পরাজিত করে দুর্গকে দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেন। একটি মন্দির ও রাজপ্রাসাদকে ধ্বংস করে শূন্য করেন রাজকোষ। মন্দিরেও লুণ্ঠন কার্য চালান অবাধে। এরপর চতুর্দশ শতকে ফিরোজ শাহ তুঘলক দুর্গ আক্রমণ করলে রাজারা তাঁর বশ্যতা স্বীকার করে রাজ্য বাঁচালেন। এরও প্রায় দুশো বছর পরে মুঘল সম্রাট আকবর এসে ঝাঁপিয়ে পড়লেন দুর্গের দখল নিতে। কাংড়া আকবরের অধীনে এল।
শুধু অঞ্চলের কয়েকটি দুর্গম জায়গা রইল কয়েকজন রাজপুত সর্দারের হাতে। খবর পেয়ে জাহাঙ্গির এলেন তাঁদের দমন করতে। এখানে এসে প্রথমেই তিনি একটি মসজিদ নির্মাণ করলেন। সেই মসজিদের ধ্বংসাবশেষ আজও এই দুর্গে অবশিষ্ট আছে। দুর্গ যখন অষ্টাদশ শতাব্দীতে আহমদ শাহ দুরানির হাতে তখন জগৎ সিং নামে এক শিখ সর্দার কৌশলে এই দুর্গের দখল নেন। তিনিই কাংড়ার রাজপুত সংসারচাঁদকে এখানকার রাজ সিংহাসনে বসিয়ে দেন। ইনিই ছিলেন কাংড়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত শিল্পরসিক। গল্‌গ঩লের বা গুলের শিল্পীদের নিজ রাজ্যে নিয়ে এসে কাংড়া শৈলীর চিত্রকলাকে দারুণ সমৃদ্ধ করেন। তাঁর উৎসাহে এই শিল্পকলা কুলু, মাণ্ডি, চম্বা এমনকী গাড়োয়ালেও ছড়িয়ে পড়ে।
ধৌলাধারের বুকে এই ঐতিহ্যময় শহরে এলে মনপ্রাণ জুড়িয়ে যায়। হিমালয়ের নয় দেবীর অন্যতমা বজ্রেশ্বরীও তীর্থযাত্রীদের ভক্তির অর্ঘ্য গ্রহণ করে অনেক কৃপা বিতরণ করে থাকেন। (ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
28th  April, 2019
আনলাকি শার্ট
প্রদীপ আচার্য

তিনটে মানে ঘড়ি ধরে ঠিক তিনটে। রিনি এসে ক্যাব থেকে নামল। মোহরকুঞ্জের সামনে প্রায় মিনিট কুড়ি আগেই এসে দাঁড়িয়েছে অর্জুন। রিনির কড়া হুকুম, ‘আমার দেরি হোক, তুমি দেরি করবে না।’ না। দেরি করেছে অর্জুন, এমন হয়নি কখনও। আর এখন তো দেরি করার প্রশ্নই ওঠে না। লকডাউন উঠে গিয়ে আনলকের পালা। পায়ের বেড়ি কিছুটা আলগা হতেই রিনির ফোনে হুকুমজারি, ‘খুব জরুরি দেখা করো।’ বিশদ

29th  November, 2020
 আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তারই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ছবি বিশ্বাস- প্রথম কিস্তি। বিশদ

29th  November, 2020
সময় ঘড়ি

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত। বিশদ

29th  November, 2020
বন্ধুত্বের রং 

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন বুবুন চট্টোপাধ্যায়।
বিশদ

22nd  November, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তারই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ছায়া দেবী- শেষ কিস্তি। 
বিশদ

22nd  November, 2020
স্বর সন্ধান
বিজলি চক্রবর্তী 

তরতর করে লিফ্ট নীচে নেমে এল। যত তাড়াতাড়ি লিফ্ট ওপরে তোলে তত তাড়াতাড়িই নীচে নামিয়ে আনে। বেসরকারি অফিস। ঠাঁটবাটের অভাব নেই। এই ধরনের সংস্থায় চাকরি পাওয়া সহজ নয়। কিন্তু চাকরি চলে যাওয়া সহজ। চাকরি চলে যাওয়ার কারণটা অনেক সময় খুব স্পষ্ট থাকে না। স্পষ্ট হলেও করবার কিছু থাকে না। সেই কারণে সবাই কিছুটা তটস্থই থাকে। অন্যত্র চাকরি খোঁজার চেষ্টা জারি রাখে। বেটার কোনও অপশন পেলে চলেও যায়। 
বিশদ

22nd  November, 2020
আজও তারা জ্বলে 

 বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তারই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ছায়া দেবী- দশম কিস্তি। বিশদ

15th  November, 2020
আমরি বাঙাল ভাষা

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন ঋতা বসু।  বিশদ

15th  November, 2020
ভৈরবঘণ্টের ভবলীলা
তরুণ চক্রবর্তী

অমাবস্যার নিশুতি রাত, গভীর জঙ্গলে রাত আরও কালি ঢালা। সকাল থেকেই অসময়ের বৃষ্টি কখনও ঝিরঝিরে, কখনও প্রবল হয়ে ঝরেই চলেছে। ঘন জঙ্গলের মধ্যেও এক এক জায়গায় ক’টা চালাঘর। কঞ্চির ওপর মাটি লেপে দেওয়া ঘরগুলোয় চণ্ডালদের বাস। বুনো জানোয়ার আর মানুষের আশ্চর্য এক সহাবস্থান এখানে। বাগে পেলে অবশ্য কেউই কাউকে ছাড়ে না।
বিশদ

15th  November, 2020
আজও তারা জ্বলে 

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তারই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ছায়া দেবী- নবম কিস্তি।  বিশদ

08th  November, 2020
চলার পথে
হ স্তা ক্ষ র 

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন গৌর বৈরাগী।  বিশদ

08th  November, 2020
চাঁদনি
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

এখন পলাশের মাস। তাই ফাগুনে আগুন। তবে সে আগুন মনে নয়, বনে। রঙের আগুন। দিগন্তজোড়া বনে পাহাড়ে শিমুল ও পলাশ লালে লাল। দু’চোখ ভরে সেদিকে তাকালে মনভ্রমরা গুনগুনিয়ে ওঠে। একেবারে নিশিভোরে জনতা এক্সপ্রেস থেকে জশিডিতে নেমেই তমালও কেমন যেন উদাস হয়ে গেল।  বিশদ

08th  November, 2020
জিলাবি

জীবনের প্রধান ও মুখ্য ঘটনাগুলিই কেবল মনে থাকার কথা। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় স্মৃতির অতলে অনেক তুচ্ছ ক্ষুদ্র ঘটনাও কেমন করে বেশ বড় হয়ে জাঁকিয়ে বসে রয়েছে। সাহিত্যিকদের ‘ভবঘুরে’ জীবনের তেমনই নানা ঘটনা উঠে এল কলমের আঁচড়ে। আজ লিখছেন চিরঞ্জয় চক্রবর্তী। বিশদ

01st  November, 2020
আজও তারা জ্বলে

বাংলা ছবির দিকপাল চরিত্রাভিনেতারা একেকটা শৈল্পিক আঁচড়ে বঙ্গজীবনে নিজেদের অমর করে রেখেছেন। অভিনয় ছিল তাঁদের শরীরে, মননে, আত্মায়। তাঁদের জীবনেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেক অমূল্য রতন। তারই খোঁজে সন্দীপ রায়চৌধুরী। আজ ছায়া দেবী- অষ্টম কিস্তি। বিশদ

01st  November, 2020
একনজরে
সন্ত্রাসে আর্থিক মদত দেওয়ার অভিযোগে জামাত উদ দাওয়ার মুখপাত্র ইয়াহিয়া মুজাহিদকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিল পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাস দমন আদালত। মুজাহিদ ছাড়াও বুধবার জামাতের শীর্ষ নেতা জাফর ইকবালকে ১৫ বছর এবং হাফিজের শ্যালক আব্দুল রহমান মাক্কিকে ছ’মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে লাহোরের ...

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে ভালো ফল করাই এখন লক্ষ্য টিম ইন্ডিয়ার। একদিনের সিরিজের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দলকে আরও শক্তপোক্ত করার চেষ্টা করবেন বলে ...

নয়া কৃষি আইনের প্রয়োগ রাজ্যে রুখে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বাম ও কংগ্রেস। তারা চায় অবিলম্বে বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হোক। আলোচনার মাধ্যমে রাজ্যস্তরে তৈরি করা হোক একটি পাল্টা আইন। ...

রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিজেপি প্রভাবিত সংগঠনের গোষ্ঠী  লড়াই আরও তীব্র হল। বুধবার সরকারি কর্মচারী পরিষদের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে নতুন কমিটি গড়ার কথা ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে সংগঠনের নেতারা জানিয়ে দেন, এতদিন  যে জেলা কমিটিগুলি ছিল তা  ভেঙে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অতি সত্যকথনের জন্য শত্রু বৃদ্ধি। বিদেশে গবেষণা বা কাজকর্মের সুযোগ হতে পারে। সপরিবারে দূরভ্রমণের যোগ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

ভারতীয় নৌ দিবস
১১৩১- পারস্যের কবি ও দার্শনিক ওমর খৈয়ামের মৃত্যু
১৮২৯- সতীদাহ প্রথা রদ করলেন লর্ড বেন্টিঙ্ক
১৮৮৪- ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের জন্ম
১৯১০- ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি আর বেঙ্কটরামনের জন্ম
১৯২৪- মুম্বইয়ে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়ার উদ্বোধন হল
১৯৭৭- ক্রিকেটার অজিত আগরকরের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৯৯ টাকা ৭৪.৭০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.১৫ টাকা ১০০.৫৫ টাকা
ইউরো ৮৭.৯২ টাকা ৯১.১০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০, ০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮, ২১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৩, ৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৩, ৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০, চতুর্থী ৩৪/৫৫ রাত্রি ৮/৪। পুনর্বসু নক্ষত্র ১৮/৫২ দিবা ১/৩৯। সূর্যোদয় ৬/৬/৩, সূর্যাস্ত ৪/৪৭/৩৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৭/৩২ গতে ৯/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/২৭ মধ্যে পুনঃ ৪/২০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/৪৫ গতে ১১/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৬ মধ্যে।
১৮ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০, চতুর্থী রাত্রি ৫/৪৫। পুনর্বসু নক্ষত্র দিবা ১২/২৮। সূর্যোদয় ৬/৭, সূর্যাস্ত ৪/৪৮। অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৭ গতে ২/৫১ মধ্যে ও ৩/২৭ গতে ৪/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৫ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/৩ গতে ৩/৩৮ মধ্যে ও ৪/৩২ গতে ৬/৮ মধ্যে। বারবেলা ৮/৪৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৮ গতে ৯/৪৮ মধ্যে। 
১৮ রবিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: চেন্নাইকে ১-০ গোলে হারাল বেঙ্গালুরু 

09:32:56 PM

আইএসএল: চেন্নাই ০ বেঙ্গালুরু ১ (৫৫ মিনিট) 

08:52:01 PM

ফ্রান্সে বিজয় মালিয়ার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
ফ্রান্সে বিজয় মালিয়ার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি। যার আনুমানিক মূল্য ...বিশদ

07:31:00 PM

প্রথম টি-২০: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১১ রানে জিতল ভারত

05:33:31 PM

পূর্ব মেদিনীপুরের নতুন পুলিস সুপার প্রবীণ প্রকাশ 
মাত্র পাঁচ মাসের ব্যবধানে বদলি হলেন পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিস সুপার ...বিশদ

05:30:18 PM

প্রথম টি-২০: অস্ট্রেলিয়া ১১৩/৪ (১৫ ওভার) 

05:08:30 PM