Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ছায়া
সৌরভ মিত্র 

‘বসে বসে মরবে। ছুটে ছুটে মরবে। ধুঁকতে ধুঁকতে মরবে। লাফিয়ে লাফিয়ে মরবে।...মাত্র দু’টাকা প্যাকেট! ইঁদুরের বংশ নির্বংশ করুন...’
সাইকেলে বাঁধা করুণ লাউডস্পিকার থেকে করুণতর ভাষার বিজ্ঞাপন কানে আসে মনসুরের। বাসস্ট্যান্ড বলতে শতাব্দীপ্রাচীন নিমগাছ, শনিমন্দির, এহেসান শেখের হোটেল আর গাছের গায়ে পেরেকে আঁটা সাইনবোর্ড,—‘এখানে বাস থামিবে’। কে যেন আবার ফাজলামি করে পাশে লিখে রেখেছে ‘না’! তবুও বাস দাঁড়ায়। আর দাঁড়ায় বলেই মৃদুল চাটুজ্জে সাইকেলে ইঁদুরমারা বিষ, চায়না বাম, বিষহরী তেল, বিদ্যুৎমলম, ন্যাপথলিন, সেফ্‌঩টিপিন, চিরুনি, টিপের পাতা, শায়ার দড়ি নিয়ে সকাল সকাল হাজির হয়। আর হাজির হয় বলেই শহরে যাওয়ার দিনগুলোয় মনসুর একটু আগেভাগে বেরয়।—গালমন্দের ছলে দু-চারটি রসিকতা, কিছু প্রাণের কথা।
পরিচয়ের সূত্রটি বেশ কাকতালীয়। ওর ছেলে ফরিদ ছোটবেলায় মাঝেমধ্যেই বায়না জুড়ত, ‘আব্বু চটকল দেখুম।’ বায়না মেটাতে ব্যারাকপুরের মৃদুলদের চটকলে যাওয়া। সেই আলাপ। আজও বন্ধুকে দেখামাত্র মুখে আপনা থেকেই হাসি খেলে যায়,—‘চিল্লিয়ে কানের পোকা খাও কেন হে? তাও যদি দু’টা ভালো কথা বলতা!’
মৃদুল চাটুজ্জে আবার স্বভাব-গায়ক, হাতের চোঙা নামিয়ে দু’কলি গেয়ে ওঠে, ‘মনের কথা বলব কারে, কে আছে সংসারে?/আমি ভাবি তাই, আর না দেখি উপায়, কার মায়ায় বেড়াই ঘুরে...’
মনসুর হাসে, ‘সে না হয় হল। কিন্তু, ব্যাটারির গুঁড়াকে বিষ বলে আর কদ্দিন বেচবা?’
—‘রাখো মিয়াঁ, দুই টাকার প্যাকেট দিয়ে কি বাঘ মারার মতলব কর নাকি! পাঁচটা টাকা খসাও, এমন মাল দিব যে হাতিও কাবু হয়। অবিশ্যি তোমারে দিব না, মাথাপাগলা লোক, নিজেই কখন গিলে বসো! বামুনের ব্যাটা বলে কথা, বন্ধু হত্যা তো করতে পারি না।’
—‘থামো তুমি। একাত্তরের পর যেই আসে সে-ই নাকি বামুনের ব্যাটা! তোমাকে তো কালীতে কাটবে আর আল্লায় পুড়াবে। শালা, ছিলা মইদুল, মওকা বুঝে ‘মিরদুল’ চাটুজ্জে সাজো।’
মৃদুল চাটুজ্জের এই অভিনব ইতিহাস মনসুরের কল্পনাপ্রসূত। দু’জনেই প্রাণ খুলে হাসতে থাকে।
—‘চললা কোথায় মিয়াঁ—বীজ আনতে বুঝি?—কতবার বলি, পাট রেখে ধান ধরো। খরিফে ধান, রবিতে ডাল। বেচলে বেচবা, বিক্রি না হলে খেয়ে তো বাঁচবা। তা না, পাঁচ-ছয়বার লাঙল দাও রে, মই দাও রে, সার দাও রে, কাটো রে, জাঁক দাও রে, পচাও রে, ছাড়াও রে, ধোও রে, দাগ ধরলে আবার তেঁতুলজলে চুবাও রে, শুকাও রে, আঁটি বাঁধো রে... এতকিছু করেও পাইকারের আশায় পেটে গামছা বেঁধে বসে থাকো! ওপারে থাকতে বাপ-কাকাকে তো দেখেছি, চাষের দাপটে চাষা, বলদ-সবারই পাঁজরা গোনা যায়। ওই একখান গান আছে না,—‘আমার সাধ মেটে না লাঙ্গল চষে/হারা হলাম সকল দিশে...!’
কথাটা ঠিক। এককালের ‘সোনার আঁশ’ এখন আর কদর পায় না। দেশভাগে বেশিরভাগ চটকল পড়ল এপারে আর ভালো জাতের পাটের জমি পড়ল ওপারে। অসমীকরণের প্যাঁচ খুলতে খুলতে রোজই একটা-দুটো করে চটকলের গণেশ ওল্টাতে লাগল। তালা পড়ার পর দলবেঁধে কৌটা নাচিয়ে আর জমানো টাকায় মৃদুলদের ক’দিন চলল। তারপর একে-একে সোনার দুলজোড়া, ব্রোঞ্জের চুড়ি, কাঁসার বাসন, শিশুকাঠের খাট বেচতে বেচতে শেষে ইঁদুরমারা বিষ।
—‘খবর পেয়েছ?—জেলায় শিল্পবিপ্লব হবে।’
—‘তাতে তোমার কোন উপকারটা হবে সেটা বলো। চাষেও হয়েছিল না একবার—ওই তোমার বিপ্লব? হয়েছেটা কী! আঁটি বাঁধা পাট পড়ে পড়ে পচে।’
—‘কী যে বলো মিয়াঁ! কিছুই কি হয়নি?’
—‘এহেসানের আলুপোস্ত হয়েছে। আলুই সার, পোস্ত খুঁজতে পুলিস লাগে।’ মৃদুল হাসে, ‘মাঝেমধ্যে বেশ কথা বলো মিয়াঁ! কিন্তু, গাড়িতে করে লোক এসেছিল গো। এইখানে চা খেতে খেতে কথা বলছিল। নিজের কানে শুনেছি। জমি বুঝে দামের লিস্টি করেছে। দখল নিবে বোধহয়।’
—‘নিজের জমি, চার পুরুষের ভিটা চাইলে দিব নাকি! মগের মুলুক? তেনারা জমির বুঝেন-টা কী? জমি মানে কি শুধু মাটি?
আবার হাসে মৃদুল, ‘তেনাদের আর দোষ কী, জানবে কী করে—পাটগাছের মতো তোমারও শিকড় গজিয়েছে! রেগো না। তেনারা এসেছিলেন মাত্তর। জমি নিয়ার কথা বলেনি। মজা করছিলাম তোমার সঙ্গে।’
মনসুরও হাসে, সে কি আর বুঝি না শ্বশুরের পো, তুমি হলা মিচকা শয়তান!’
.....
গত দশ দিন একনাগাড়ে বৃষ্টি। মাটির দেওয়াল গলে কঞ্চি বেরিয়ে আছে জায়গায় জায়গায়। ঘরের মধ্যেও ফোঁটা ফোঁটা জল পড়ে। মনসুরের জমির ধার ঘেঁষে কালীমন্দির। টালির ছাদ, জল চুঁইয়ে মহাদেবের মুখ গলে গেছে। সন্ধ্যার ভোগ-আরতির প্রস্তুতি নিতে মন্দিরে এসেছিলেন বৃদ্ধ ভট্টাচার্যঠাকুর। আর্তনাদ করে উঠেছিলেন। ভয়ঙ্কর কোনও অমঙ্গলের আশঙ্কায় বিলাপ করে চলেছেন এখনও। আসরের আজান ওঠে। বস্তুর ছায়া তার থেকে দ্বিগুণ হলে আসরের নামাজের সময়। হঠাৎ ভয় লাগে মনসুরের, ‘মানুষের থেকে তার ছায়া দুই-গুণ হওয়া,—এ যে কঠিন কথা, সে ছায়া মানুষ বয় ক্যামনে?’
গত কয়েকদিন ধরে আলোর দেখা নেই। আজান যেন বিষণ্ণ। জাবনা ছেড়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে বলদ দুটি। সবার বুকেই কান্না। আকাশ যেন আরও জোরে কাঁদছে। পাটের চারাগুলির সবে এক মাস। গোড়ায় জল জমলে বাঁচবে না একটিও। আবার বীজ কেনার টাকা নেই ঘরে, বুক কাঁপে। বৃষ্টি তাড়াতে ওঝা ডাকা হয়েছিল। একটা করে বাজ পড়ে আর সে’ব্যাটা একখানা দশহাতি বাঁশ উঁচিয়ে সেদিকে ছোটে, আকাশকে জোর ধমক লাগায়! আরবি, সংস্কৃত, বাংলা মেশানো মন্ত্র ঝাড়ে, তেড়ে গালাগাল করে। এই ঝড়জলের মধ্যেও বেশ লোক হয়েছিল তার কাণ্ড দেখতে। ওঝার সারা গা সপসপে ভেজা। দমে টান পড়েছে, ঠান্ডায় কাঁপছে বেচারা।
—‘ক্ষান্ত দ্যান বাবা। আল্লার মর্জির সঙ্গে কি মানুষ পারে পাল্লা দিতে! ভিজা কাপুড় ছেড়ে লুঙ্গি-চাদর পরেন। জল তাড়াতে এসে জ্বরে মরবেন দেখি!’
কপালে চিন্তার ভাঁজ গাঢ় হয়। ছেলেবেলায় বাজের শব্দ হলে আম্মি বলত, ‘গোনাহের বিচার। শয়তানের পিঠে কোড়া পড়ছে!’
‘কত গোনাহ্‌ ক঩রেছি আল্লা গো!’ অনুচ্চারে কেঁদে ফেলে মনসুর।
হঠাৎ হাঁকডাকে সংবিৎ ফেরে। কাশীপাড়ার রামু এসেছে ছুটতে ছুটতে, ‘সব্বোনাশ হয়েছে চাচা গো, মৃদুলকাকা বিষ শুঁকেছে!’
মনসুর পড়িমরি করে ছোটে। বিচিত্র সব মানুষ, বিচিত্র তাদের বিপদ! নিজের বাপের থেকে এই নেশা পেয়েছে মৃদুল, রাতের খাওয়ার পর একটান নস্যি। এদিকে সম্প্রতি রাতকানা রোগে ধরেছে মৃদুলের বউ সঙ্গীতাকে। মগরিবের আজান হতেই দু’চোখে পর্দা নামে। হাতের আন্দাজে গেরস্থলি, ভুল করে বিষের প্যাকেট ঢেলে রেখেছিল নস্যির কৌটায়। টান মারতেই নাক-মাথা জ্বলে যায়। কিছুক্ষণ কাটা পাঁঠার মতো তড়পে ঝিম মেরে যায় মানুষটা। মনসুর পৌঁছে দেখে শরীর প্রায় ঠান্ডা, মুখে গ্যাঁজলা। চাষের মুলুক, দূরে দূরে সব বাড়িঘর, ডাকাডাকি করতে গিয়ে আছাড় খেয়েছে সঙ্গীতা, সারা গায়ে কাদা। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে সারাটা সময় মনসুর দোয়া পড়তে থাকে। সঙ্গীতা একবার চেঁচিয়ে কাঁদে, একবার স্বামীর গায়ে-মাথায় হাত বোলায়। ছটফট করতে থাকে পাগলের মতো।
.....
দুই সপ্তাহ পর মৃদুল ঘরে ফিরল মাথাখারাপ হয়ে। খিদে-তেষ্টার বোধও যেন নেই। বাঁশের খুঁটিতে হেলান দিয়ে দাওয়ায় বসে থাকে সর্বক্ষণ। চুপচাপ কী যে দেখে, সে-ই জানে! হাঁ-মুখে মাছি যায়-আসে, কোনও বিকার নেই। কাপড়চোপড়ে করে ভেবলে বসে থাকে এক-একদিন।
আগের মৌলবি ছিলেন জ্ঞানী, নরম স্বভাবের লোক। মসজিদে শরিয়ত-মারফতের বাহাস বসাতেন। কতকিছু জানা যেত। নতুন মৌলবি হুমায়ুন কাদের প্রচণ্ড সাম্প্রদায়িক। হিন্দু-মুসলমানে কোনও কাজিয়াই ছিল না এতদিন। বিরানব্বইয়ের দাঙ্গাতেও গাঁয়ের মন্দির-মসজিদে আঁচড় পড়েনি। সেদিনও ঈদ-বিজয়ায় সিমাই-নাড়ু আসত যেত এ’পাড়া-ও’পাড়ায়। মোল্লা এসেই লোক খ্যাপাতে লাগল। তার ওপরে, কথায় কথায় ফতোয়া। মানুষজনের জান যাওয়ার জোগাড়। এই সেদিন শামিম আলমের বিবির কপালে একশো ঘা ঝাড়ুপেটার বন্দোবস্ত হল।
বড় বেকায়দায় পড়েছে মনসুর। একে চাষ-আবাদ লাটে ওঠার জোগাড়, তার ওপরে মৃদুলের এই দশা!—একা ছাড়তেও ভয়। এদিকে হুমায়ুন কাদেরের জন্য পাড়া-গাঁয়ের অবস্থা খুব জটিল। তবে মনসুরের বিবি রাহেলা দয়ালু মানুষ, কিছুটা তার ভরসাতেই মনসুর ওদের নিয়ে আসে।
কিন্তু, পরদিনই ডাক এল কাদেরের।
—‘তুই যে কাফেরকে ঘরে তুলেছিস!’
—‘বন্ধু মানুষ, বিপদে পড়েছে। তারে দেখা তো ইসলামে...’
—‘দ্যাখেন ভাইসব, আস্পদ্দা দ্যাখেন, এক চাষা কিনা হাজি হুমায়ুন কাদেরকে ধর্ম শিখায়!’
চারপাশে গুঞ্জন ওঠে। মনসুরের কাছেই ছিল শামিম আলম। সেদিন ঝাঁটার ঘা খেয়ে এখনও চিৎ হয়ে শুতে পারে না তার বিবি। গোনাহ্‌ কী হয়েছিল সবটা মাথায় ঢোকে না। সাজা যখন পেয়েছে, কিছু একটা হয়েছিল তো বটেই। সে মনসুরের কানে ফিসফিস করে বলে, ‘মৌলবির সঙ্গে বাহাস কোরো না। এনারে চটায়ে গেরামে কি থাকতে পারবা?’
এদিকে হুমায়ুন মোল্লা আর একখানা হাঁক ছাড়ে, ‘বলেন, ভাইসব, কুনওদিন কুনও হিন্দু কুনও মুসলমানকে ঘরে তুলেছে? একশো গেরাম ঘুরেও দেখতি পারবেন না। মুসলমানের ছুঁয়ায় তাদের যদি এত ঘেন্না, তাদের দোস্ত বলে বুকে টানব ক্যানে! এবার বলেন, এ গোনাহ্‌ করেছে কি না?’
ভিড়ের মধ্যে থেকে একজন চেঁচিয়ে ওঠে, ‘জি হাঁ।’
হুমায়ুন মোল্লা একজনের কথাকেই বেমালুম সবার কথা হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়। ঘর থেকে কাফের তাড়াও নয়তো জরিমানা নগদ বিশ হাজার।
—কোথায় পাব? চাষ অবধি পড়েনি এ’বছর।
—যদ্দিন জরিমানা দিতে না পারিস, জমির কাগজ জমা রাখ। ভাতে মরবি না। চাষও করতে পারবি। তদ্দিন শুধু ছ’আনা ফসলের মালিক হবে মসজিদ। মোল্লা সেয়ানা ঘুঘু। খুব ভালো করেই জানে,—দশ আনা ফসল বেচে মনসুর এই বছরে জরিমানা শুধতে পারবে না। এলাকায় কারখানাবাবুরা মাপজোক করে গেছে। এ’জমি বাদে এ’চত্বরে কারখানা হওয়া অসম্ভব। মওকা বুঝে ‘মসজিদের জমি’, ‘ওয়াকফ্‌ সম্পত্তি’, ‘হাত দিলে গোলমাল বাঁধবে’—বলে বেশ মোটা টাকা হাতানো যাবে।
.....
আজান মিলিয়ে যেতেই ঝিঁঝি আর ব্যাঙের ডাক স্পষ্ট হয়। দাওয়ার খুঁটে হেলান দিয়ে বসে আছে মৃদুল। পাশে তার রাতকানা বউ। বলদ দুটির আজ কোনও সাড়াশব্দ নেই। দুপুরের জাবনা এখনও অবধি মুখে তোলেনি। মনসুর মাথায় গায়ে হাত বোলায়, ‘খা ব্যাটা, মনমরা কেন? সব গেলেও পরিচয় যায়নি রে বাপ!’
চার বছর আগে ঠিক এমনধারা বৃষ্টিই নেমেছিল। উঠোন, জমি, পুকুর, সব একাকার। বলদ দুটো সারাদিন-সারারাত জলের মধ্যেই বসে-গড়ায়, ফরিদ একটা খেটো বাঁশ নিয়ে নালার মুখটা খোঁচাতে লাগল। হঠাৎ হাতে কুলকাঁটা বেঁধার মতো যন্ত্রণা! ভেবেছিল গরম দুধ আর হরকোচের শিকড় বেটে খাওয়ালেই সব ঠিক। কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যেই সবকিছু শেষ।
হিন্দু পাড়ায় শাঁখের ফুঁ পড়ে। কুপি হাতে গোয়ালঘরে ঢোকে রাহেলা। শিখা কেঁপে কেঁপে উঠছে। সেই ভেজা-স্যাঁতস্যাঁতে সন্ধেয় ঝিঁঝির ডাক, শাঁখ-আজানের শব্দ—সব যেন মিলেমিশে এক হয়ে যাচ্ছিল। এক ফাঁকে রাহেলা বলল, ‘ঘরে দিন-পনেরোর বেশি চাল-আটা নাই। কিছু একটা ব্যবস্থা করো। না হলে যে...।’
সে’কথা মনসুরের অজানা নয়। প্রায় প্রত্যেকটা বছরই জমির চারাগাছ দেখিয়ে হাত পাততে হয় পাইকার-মহাজনদের কাছে। কয়েক-কুইন্ট্যাল ‘আগাম’ পাট বন্ধকি থাকে। ফুল ধরার সময় পাটের আঁশ হয় সবচেয়ে উন্নত জাতের, কিন্তু তখন ফলন বড়ই কম। চুকোতে আটআনা গাছই কাটা পড়ে। কিন্তু এবার? কবে চাষ পড়বে—আল্লাই জানে। যদিও বা গতি কিছু হয়, ছ’আনা খাবে হুমায়ুন মোল্লা। বাকি দু’আনা ফসলে চার-চারটে পেট! পাইকার-মহাজনরা তো আর খয়রাতির আসর বসায়নি, বাকি জমিটুকুও যাবে। তখন জান থাকে, না পরিচয়?
.....
রসুইঘর থেকে টুকরো টুকরো কথা কানে আসে, ‘সম্বরা-ডালই বেশি ভাল্লাগে।...জানো, আব্বা পাঁচফোড়ন দ্যালেই রাগ করত। হিন্দু-হিন্দু গন্ধ লাগে নাকি!’ ওরা দু’জন হাসছিল। অবাক লাগে মনসুরের। এরা কত সহজে কান্না গিলতে পারে! এত বছরেও এই সহজ-সরল মেয়ে মানুষের রহস্য ধরা গেল না।
হাতের আন্দাজে রুটি বেলছে সঙ্গীতা। রাহেলা সেঁকছে। উনুন থেকে চাটু সরলেই দুটি দীর্ঘ ছায়া গড়িয়ে পড়ছে প্রায়-অন্ধকার দাওয়ায়। সব ভুলে আবার সেই চিন্তাটি মনসুরের মাথায় ঘুরপাক খায়,—মানুষের থেকে তার ছায়া দুই-গুণ সে’ছায়া মানুষ বয় ক্যামনে? দিন-রাতও আসলে আলো-ছায়ারই খেলা। মাঝদুপুরে ওর মতো জোয়ান মরদও ওইটুকুন আর দিনের শেষে দেড়-হাতি পোলাপান-ও লম্বায় তালগাছ! কিন্তু, আসল কোনটা? কেনই বা ছায়া মেপে আল্লাহ-কে ডাকায় নিয়ম?’ কাছেপিঠে কোথাও প্রচণ্ড শব্দে বাজ পড়ে, হঠাৎ চোখ ঝলসানো আলো!
—‘তিনি’ই যে আলো। তাঁর সামনে মানুষের ছায়াটুকুই পড়ে যে।
চমকে ওঠে মনসুর। ওর মনের কথা মৃদুল শুনে ফেলেছে নাকি!
রান্না শেষ নিভু-নিভু আঁচে রাহেলাদের ছায়া দাওয়া ছাড়িয়ে দেওয়াল ছুঁয়েছে। তখন মিলেমিশে এক। মনসুর প্রবল বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে!
.....
মাস-খানেক পর বাসস্ট্যান্ড আবার সেই লজঝড়ে সাইকেল। চিরুনি সেফ্‌঩টিপিন, বিদ্যুৎমলম, ইঁদুরমারা বিষ। লাউডস্পিকারের করুণ শব্দ, ‘...বসে বসে মরবে। ছুটে ছুটে মরবে। ধুঁকতে ধুঁকতে মরবে।’
নিমগাছের একটা ডালে বাজ পড়েছিল। করাতের ঘ্যাস্‌-ঘ্যাস্‌ শব্দ। এহেসান শেখের হোটেলে রান্না নামে। ভাজা মাছ আর ‘হিন্দু’-ডালের গন্ধ। বাসের সময় হয়েছে, রাস্তায় অনেক মানুষের ছায়া।
...এতক্ষণ চেঁচিয়ে গলা ধরে গেছে মনসুরের। 
30th  December, 2018
বন্ধুত্ব 
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

দাসোয়ান খুদকুশি করেছেন শুনে ‌কেল্লার বাইরে বিশাল জমায়েত। মাসুদ খাঁ বলল, হুজুর, দাওনা হয়ে গিয়েছিল তসবিরওয়ালা।
দাওনা, মানে পাগল! দাসোয়ানের কথা কিছু কানে এসেছিল বীরবরের।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা।
বিশদ

03rd  February, 2019
বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস 

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

03rd  February, 2019
মাঠরাখা
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

আলোটা ভাসতে ভাসতে আঁকড়গোড়ে, ভাড়ালগোড়ে, জিওল নালার মাঠ ঘুরে চক্কর দিয়ে মাঝের-দাঁড়ার মাঠে এসে মিলিয়ে গেল। মেঘগুলোকে নীচে ফেলে চাঁদটা অনেকটা ওপরে উঠে এসেছিল। 
বিশদ

20th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৪

সন্ধের নিরিবিলি সময়ে তসবিরখানা থেকে বেরিয়ে দাসোয়ান কোথায় চলেছেন কীরকম আলুথালু মুখে দেখে ধন্দে পড়লেন বীরবর।
বেশ কয়েকদিন ধরে খুব বেতাব দেখাচ্ছে তসবিওয়ালাকে। তসবিরখানায় বসে থাকেন চুপচাপ, তুলিতে রং মাখিয়েও তা খাগের কাগজে মাখাতে ভুলে যাচ্ছেন, কেউ গায়ে হাত দিয়ে নাড়া দিলে থতমত খেয়ে ঝুঁকে পড়ছেন কাগজের উপর। 
বিশদ

20th  January, 2019
কাকের বাসায় ভালোবাসা 
অমিত ভট্টাচার্য

যদিও গল্পটা পুষ্পদির মুখ থেকে পুরোপুরি শোনা হয়নি, তবে কিছুটা চাক্ষুষ দেখার সুযোগ হয়েছিল।
একদিন হঠাৎ সে হাজির হয়েছিল আমার বাড়ি। আমি তখন বাইরে।
স্ত্রীকে জিগ্যেস করে, ‘আচ্ছা বউদি, দাদা নাকি গপ্প নেকে?’
 
বিশদ

13th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৩

ফতেপুর সিক্রির কেল্লার উপর শামের অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল মগরিবের নামাজ-আস্‌সালাতো খয়রুম মিনন্‌ নওম— বীরবর যাচ্ছিলেন অনুপ তালাওয়ের দিকে, নামাজের আওয়াজ কানে আসার মুহূর্তে থেমে রইলেন যেখানে ছিলেন।  
বিশদ

13th  January, 2019
ছবি ও অস্কার গল্প
ঋষি গৌতম

ছবি ও অস্কা দুই বন্ধু। অস্কা ভাবুক। সে আকাশ-পাতাল অনেক কিছু ভেবে দেখে। ছবি অতশত ভাবে না। কী নিয়ে যে ভাববে সেটাই ভেবে পায় না। কিন্তু অস্কা ভাবে। অনেক রাতে আকাশে চাঁদ দেখলে অস্কার মনে হয় একখানা জিরো পাওয়ারের টুনিবাল্ব জ্বলছে। ভগবান সেই টুনিবাল্ব জ্বেলে ঘুমোচ্ছে।  
বিশদ

06th  January, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫২

সুবাহ্‌ কাল বাদশা আকবরের পছন্দের সময়। ফজরের আলো ফোটার আগে তিনি অলিন্দে গিয়ে ইন্তেজার করেন কখন আসমানের পুব কোণে উদয় হবে সূর্যের। আজও অপেক্ষা করছিলেন, অপেক্ষার শেষে চোখ মেলে দেখলেন লাল সূর্যের লাফিয়ে দিগন্তের সীমানা পার হয়ে উঠে আসা।
বিশদ

06th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫১

কাল অনেক রাত পর্যন্ত গানের মজলিশ বসেছিল অনুপ তালাওয়ে। শেষরাতে ঘুমোতে গিয়ে সকালে উঠতে বেশ দেরি করে ফেলেছেন বাদশাহ আকবর। এমনকী তখন শেষ হয়ে গেছে জোহরের নামাজও। দু-দুটো নামাজের সময় পেরিয়ে গেছে দেখে খুব আপশোস হল, চবুতরায় বেরিয়ে দেখলেন যোধাবাঈয়ের মহল থেকে ধীরপায়ে বেরিয়ে যাচ্ছে ফৈজি। 
বিশদ

30th  December, 2018
দুর্গার দয়ামায়া

প্রদীপ আচার্য : ‘এটা তুমি কী কল্লা দুগ্গা? কোথায় ব্যাকগিয়ার মারবা, তা না, গাড়ি একেবারে টপগিয়ারে! এখন মাঝপথে বেরেক ফেল হলে তুমি পারবা সামলাতে? আমার নিজেরই পান্তায় নুন জোটে না। সেই আমার মা বলে না? আপনা নাই জাগা, কুত্তা আনে বাঘা। জাগা নেই, বাসা নাই। একটা ঘরের মধ্যে শোয়াবো কোথায় আর গেলাবোই বা কী?’
বিশদ

23rd  December, 2018
বীরবল

তপন বন্দ্যোপাধ্যায় : কেল্লার ভিতরে গড়ে ওঠা দোতলা হাভেলিটির শানশওকত নিরিখ করছিলেন বীরবর। চবুতরার অনেক কোঠি আর হাভেলির মধ্যে এই হাভেলির যেন অন্য এক জেল্লা। সম্রাট আকবর এই হাভেলিটি তৈয়ার করেছেন বীরবরের জন্য। তার বাইরের ও ভিতরের কারুকাজ চোখ জুড়িয়ে দেয়।
বিশদ

23rd  December, 2018
যতীন মাস্টারের পাঠশালা
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী 

এই বলে দাদু উপর দিকে হাত তুলল অমনি ইস্কুলবাড়ির টালির চাল থেকে শুকনো পাতারা খড়খড় করে চাল বেয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে নীচে পড়তে থাকল। ছাঁচতলা ভরে গেল। মুখ উঁচু করে দেখি, সেই তিনটি শালিক চালের মগডালে বসে আছে। ওদের যাবতীয় ঝগড়া রান্নাঘরের চালে। এখানে ওরা বন্ধু। 
বিশদ

16th  December, 2018
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আই লিগে মোহন বাগানের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আর কোনও সম্ভাবনাই নেই। তবে খেতাব নির্ধারণে মোহন বাগান বড় ভূমিকা নিতে পারে। চেন্নাই সিটি এফসি সোমবার ড্র করেছে। তাদের খেলা বাকি শিলং লাজং (১৮ ফেব্রুয়ারি),মোহন বাগান (২৪ ফেব্রুয়ারি), চার্চিল ...

 বিএনএ, বহরমপুর: এবার মুর্শিদাবাদ জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮২হাজার ২২৮জন। এরমধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। আজ, মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা নির্বিঘ্নে করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা পুলিস ও প্রশাসন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লোকসভা ভোটের মুখে শাসক আর বিরোধীদের মধ্যে এবার ঢুকে পড়ল ‘মেট্রো চ্যানেল’ রাজনীতি। বিজেপির বক্তব্য, ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাথর তোলার ফলে বিপন্ন বন্যপ্রাণ। পরিবেশ প্রেমীদের দাবি, বন্যপ্রাণ রক্ষার স্বার্থে দ্রুত তিস্তা নদী থেকে বালি পাথর তোলা বন্ধ করতে হবে। যদিও প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ডুয়ার্সের তিস্তা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার জন্য স্থান পরিবর্তন হতে পারে। গবেষণামূলক কাজে সাফল্য আসবে। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ সংবাদ পেতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস
১৮০৯: বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের জন্ম
১৮০৯: আব্রাহাম লিংকনের জন্ম
১৮৭১: ভারতবন্ধু দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজের জন্ম
১৯১৯: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯২০: অভিনেতা প্রাণের জন্ম
১৯৬১ - বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী অতুলচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৫২ টাকা ৯৩.৭৮ টাকা
ইউরো ৭৯.২৫ টাকা ৮২.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১, দিবা ৩/৫৫। ভরণী ৩৯/৫০ রাত্রি ১০/১১। সূ উ ৬/১৪/৩৬, অ ৫/২৭/১৮, অমৃতযোগ দিবা, ৮/২৯ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/১২ গতে ৪/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫১ গতে ১১/২৫  মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৪২  মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৮ গতে ৯/২  মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৩৯, মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩৯ মধ্যে।
২৮ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১১/১৩/৪৭। ভরণীনক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৫/২৩, সূ উ ৬/১৬/১, অ ৫/২৫/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯/৫৬ থেকে ১০/৪৩/৫০ মধ্যে ও ১২/৫৭/৪৫ থেকে ২/২৭/১ মধ্যে ও ৩/১১/৩৯ থেকে ৪/৪০/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৬/৫৬ মধ্যে ও ৮/৫১/১ থেকে ১১/২৫/৭ মধ্যে ও ১/৫৯/১২ থেকে ৩/৪১/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩৯/৪৩ থেকে ৯/৩/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১৪/২৯ থেকে ২/৩৮/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১/৫২ থেকে ৮/৩৮/১১ মধ্যে।
৬ জমাদিয়স সানি
এই মুহূর্তে
চ্যানেল বাছাই: সময় বাড়ল ৩১ মার্চ পর্যন্ত
নতুন নিয়মে চ্যানেল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া যাঁদের সম্পূর্ণ হয়নি, সেই দর্শকদের ...বিশদ

10:15:02 PM

পোখরানের কাছে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার প্রশিক্ষণ প্রদানকারী মিগ-২৭ বিমান, অক্ষত পাইলট 

07:30:55 PM

নিউ টাউনে নাবালকের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ
নাবালক ছেলের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। গতকাল ...বিশদ

04:49:00 PM

বিজেপি অগণতান্ত্রিক দল: মমতা 
এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির ...বিশদ

04:34:14 PM

২৪১ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:53:39 PM

প্রয়াত ইংল্যান্ডের কিংবদন্তী গোলকিপার গর্ডন ব্যাঙ্কস 

03:51:00 PM