Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫১

কাল অনেক রাত পর্যন্ত গানের মজলিশ বসেছিল অনুপ তালাওয়ে। শেষরাতে ঘুমোতে গিয়ে সকালে উঠতে বেশ দেরি করে ফেলেছেন বাদশাহ আকবর। এমনকী তখন শেষ হয়ে গেছে জোহরের নামাজও। দু-দুটো নামাজের সময় পেরিয়ে গেছে দেখে খুব আপশোস হল, চবুতরায় বেরিয়ে দেখলেন যোধাবাঈয়ের মহল থেকে ধীরপায়ে বেরিয়ে যাচ্ছে ফৈজি।
খুব দানাদার জওয়ান আদমি ফৈজি, বাদশাহের তিন আওলাদকে পড়াতে আসে রোজ। সেলিম, মুরাদ-ড্যানিয়েল—তিনজনকে ফারসি পড়ায়, হিন্দি শেখায়।
ফৈজির চলে যাওয়া দেখছেন, হঠাৎ নজর পড়ল একটু দূরে তাঁর জন্য ইন্তেজার করছেন বীরবর। তাঁর পরনে চড়া সবুজ রঙের বেনিয়ান, মাথায় জেল্লাদার হলুদ পাগড়ি। তাঁকে দেখে ইয়াদ হল আজ সকালে তাঁর তসবিরখানায় যাওয়ার কথা।
দেরি না করে বেরিয়ে পড়লেন বীরবরের সঙ্গে। দীর্ঘ চবুতরা পার হয়ে তসবিরখানা। সেখানে তখন এলাহি কাণ্ড। সারা মেঝে জুড়ে ছড়ানো রয়েছে খাগের পাতা, তার উপর ঝুঁকে আছে তসবিরওয়ালারা। সবার হাতেই রং-তুলি। তাদের সামনে বসে এক-একজন খুসনবিশ, হাতে খুবসুরত আখরে লেখা পাতা—তাতে তরজমা-করা কিতাবের এক-একটি অংশ।
খুশনবিশরা ঝুঁকে পড়ে একমনে পড়ে চলেছে কিতাবের কিস্‌সা, সেই কিস্‌সা শুনে তসবিরওয়ালারা এঁকে চলেছেন দৃশ্যটি। সারা কোঠিতে জমা হচ্ছে তসবিরের পর তসবির।
বীরবর আঙুল দিয়ে দেখালেন এককোণে তসবির আঁকা হচ্ছে ‘হামজানামা’র। এই ফারসি পুরাণটি বাদশা হুমায়ুন নতুন করে লেখা শুরু করেছিলেন খুশনবিশদের দিয়ে, অকালে তাঁর এন্তেকাল হলে ভাঙা কুতুবখানার মধ্যে চাপা পড়ে ছিল কিতাবের কাজ, এখন বাদশাহ আকবর সেটিকে নতুন করে লেখাচ্ছেন খুশনবিশদের দিয়ে। শুধু তাই নয়, বারো খণ্ডের এই কিতাবের পাতায়-পাতায় থাকবে কিস্‌সা-অনুযায়ী তসবির। প্রতি খণ্ডে একশো তসবির আঁকার হুকুম দিয়েছেন বাদশাহ আকবর। মোট বারোশো তসবির আঁকছে বারোজন তসবিরওয়ালা।
কোঠির অন্যদিকে তসবির আঁকা হচ্ছে মহাভারতের। মহাভারত এক বিশাল কিস্‌সা, তার কাহানি বহুদিন ধরে তাঁকে পড়ে শুনিয়েছেন বীরবর। সেই কিস্‌সা এখন সংস্কৃত থেকে তরজমা হচ্ছে ফারসিতে। ফারসিতে মহাভারতের নতুন নাম হয়েছে ‘রজমনামা’। তরজমা করছেন এক দানেশমন্দি আদমি নকিব খান। কিন্তু এত বড় কিস্‌সা, একা নকিব খান পেরে উঠছেন না, বীরবর বললেন, জাহাঁপনা, ফৈজিকে বলেছি শান্তিপর্বের তরজমা করতে।
যেমন-যেমন তরজমা হচ্ছে রজমনামা, অমনি খুশনবিশরা লিখে ফেলছে খুবসুরত আখরে, সেই আখর এখন এসেছে তসবিরখানায়, কিস্‌সা অনুযায়ী আঁকা হচ্ছে তসবির।
কোঠির সর্বত্র কাজের বহর দেখে বাদশাহ আকবর বেশ তাজ্জব। এরকম এলাহি কাণ্ড ঘটবে তিনি আন্দাজই করতে পারেননি। বীরবর নিচু হয়ে একটি তসবির হাতে তুলে নিয়ে বাড়িয়ে দিলেন বাদশাহের হাতে, বললেন, জাহাঁপনা, মহাভারতের ভীষ্মপর্বের এই তসবিরটা দেখুন। ভীষ্ম শুয়ে আছেন শরশয্যায়, তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে অর্জুন।
তসবিরটা হাতে নিয়ে বাদশাহ অবাক হয়ে দেখছেন ভীষ্মকে। অজস্র তিরের উপর তাঁর শুয়ে থাকা দেখে বিড়঩বিড় করে কী যেন বললেন, শুধু ঠোঁটদুটো নড়ল, তারপর বীরবরকে বললেন, এত তির খেয়েও জিন্দা?
বীরবর হাসলেন, বললেন, জাহাঁপনা, আপনাকে তো বলেইছি ভীষ্মের ইচ্ছামৃত্যুর কথা। তাঁর মর্জি না হলে এন্তেকাল হবে না। এই তসবির এঁকেছে দাসোয়ান।
দাসোয়ান তাঁর বিশাল শরীর নিয়ে দাঁড়িয়ে সামনেই, দাড়িগোঁফে ঝাপসা মুখ। বাদশাহ তাকালেন, কিন্তু তেমন উচ্ছ্বাস ফুটল না মুখে। কেন, নিশ্চয়ই তার একটা কারণ আছে!
পরের মুহূর্তে বীরবর নিচু হয়ে তুলে নিলেন আর একটি তসবির, বললেন, জাহাঁপনা, অর্জুনের সঙ্গে কর্ণের জংয়ের এই তসবির। আপনি জানেন জাহাঁপনা, অর্জুন আর কর্ণ দুজনেই দুধ-শরিক ভাই, কিন্তু দুজনেই দুজনের গালিম—শত্রু। এই তসবির এঁকেছে বাসোয়ান।
বাসোয়ান পাশেই দাঁড়িয়ে। দোহারা চেহারা, গোঁফদাড়ি নেই। দাসোয়ানের মতো জেল্লা নেই তার চেহারায়। তবু কী জানি কেন, বাসোয়ানের আঁকা তসবির দেখে সম্রাট উল্লসিত হয়ে বললেন, কী খুবসুরত তসবির! দুই লড়াকু ভাই যেন জিন্দা দাঁড়িয়ে আছে মোকাবিলা করবে বলে!
সম্রাটের উচ্ছ্বাস দেখে বাসোয়ানের চোখে জেল্লা, খুনশি হয়ে উঠল দাসোয়ানের দুই চোখ। বাদশাহ এসেছেন তসবিরখানায়, সে-খবর পৌঁছে গেছে মকতবখানায়, বদায়ুন অার ফৈজি পৌঁছে গেল সেখানে, দুজনেই কুর্নিশ জানিয়ে বলল, হুজুর, আপনি একবার মকতবখানায় আসবেন না!
—জরুর যাব। বাদশাহ গিয়ে দেখলেন, মকতবখানাতেও এলাহি তরজমা কাণ্ড। একদিকে তরজমা চলছে মহাভারতের, অন্যদিকে হরিবংশের। বীরবরের পিঠে চাপড় মেরে আকবর বললেন, আপনিও একটা বড় জং ফতে করলেন বীরবরজি! এর চেয়ে রিয়াসত ফতে করা অনেক সহজ।
পরের মুহূর্তে খুবসুরত আখরে লেখা একটি কিতাব হাতে নিয়ে বীরবর বললেন, জাহাঁপনা, এই কিতাব ‘লীলাবতী’। তরজমা করলেন ফৈজি।
বাদশাহ উল্টেপাল্টে দেখে নাখোশ হয়ে বললেন, এই কিতাবে কোনও তসবির নেই কেন!
—জাহাঁপনা, এই কিতাবে শুধু অঙ্ক আছে। অঙ্কের কোনও তসবির হয় না।
বাদশাহ একটু অপ্রস্তুত। বীরবর প্রসঙ্গ বদলে বললেন, জাহাঁপনা, আপনার খায়েস রামায়ণও তরজমা হোক। আমরা মকতবখানায় রামায়ণ শুরু করব। কাকে দিয়ে তরজমা করব ভেবে পচ্ছি না!
বদায়ুন এতক্ষণ তার নুরদাড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে শুনছিল বীরবরের কথা, না-পছন্দ কথাগুলো শুনে হঠাৎ বলল, হুজুর, এত সংস্কৃত কিতাব তরজমা করার দানাদার আদমি কোথায়!
বীরবর হঠাৎ বললেন, জাহাঁপনা, বদায়ুন খুব বুজুর্গ আদমি। আপনি বদায়ুনকেই বলুন না রামায়ণ তরজমা করতে।
বদায়ুন কিছু বলার আগেই বাদশাহ বলে উঠলেন, সহি বাত। বদায়ুন তরজমা করবে রামায়ণ।
বদায়ুন এতটাই তাজ্জব হয়ে গেল কোনও কথাই ফুটল না তার মুখে। বীরবরের দিকে তাকিয়ে রইল দু’চোখে আগুন মাখিয়ে। পারলে ভস্ম করে দেয়। কিন্তু বাদশাহের মুখ থেকে একবার হুকুম বেরিয়ে গেলে আর ফেরানো যায় না।
হুকুম জারি করেই বাদশাহ চললেন কুতুবখানার দিকে। ঢুকে দেখলেন কোঠির এককোণে একমনে কী সব লিখে চলেছেন এক দানাদার জওয়ান আবুল ফজল। বাদশাহের দিকে নজরই পড়েনি! খেয়াল হতে লাফিয়ে উঠে কুর্নিশ জানায়। বীরবর নিচু স্বরে বললেন, জাহাঁপনা, ফজল লিখছে আপনার জীবনী—আকবরনামা। এই কিতাব শেষ হলে তা হবে হিন্দুস্তানের এক ফখর।
বাদশাহ জানেন আবুল ফজল সুবাহ থেকে শাম পর্যন্ত লিখে চলেছে তাঁর জীবনকথা। মাঝেমধ্যে খাগের পাতা হাতে নিয়ে এই নও-জওয়ান তাঁর অবসরের মুহূর্তে আসে, পায়ের কাছে বসে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জিজ্ঞাসা করে তাঁর জীবনের ঘটনাগুলো। তাজ্জব এই যে, ফেলে আসা জীবনের প্রতিটি লহমা ইয়াদ করতে পারেন বাদশাহ। তিনি অনর্গল বলতে থাকেন ক্রোশের পর ক্রোশ ঘোড়া ছুটিয়ে যাওয়ার কথা, তাঁর জং ফতে করার কথা। ফজল দ্রুত আঙুলে লিখে নেয় সেগুলো। কয়েকদিন আগে কিছু পাতা নিয়ে এসে পড়ে শোনাল, বাদশাহ তাজ্জব হয়ে শুনলেন লেখাটা। তিনি আর কতটুকু বলেছেন! তাঁর চেয়ে খুবসুরত করে লিখছে নও-জওয়ান ফজল। কী তার ভাষা, কী তার বর্ণনা! বীরবর হঠাৎ বললেন, জাহাঁপনা, আপনার শাহানশাহির শ্রেষ্ঠ রত্ন এই জওয়ান।
রত্ন শব্দটা বেশ দিল দিয়ে আন্দাজ করলেন সম্রাট আকবর, তারপর বললেন, বীরবরজি, আমার শাহানশাহিতে কি শুধু এই একটাই রত্ন! কুতুবখানায়, তসবিরখানায়, মকতবখানায়—সব এক-একজন রত্ন। চলুন, বীরবরজি, আজ মগরিবের নামাজের পর ইবাদতখানায় জোর সওয়াল হবে ইসলাম নিয়ে। তার আগে দেওয়ান-ই-আমে ইন্তেজার করছে কয়েকজন প্রজা, তাদের আর্জি শুনতে হবে।
দেওয়ান-ই-আমের তখ্‌঩তে বসে হররোজ প্রজাদের আর্জি শোনা তাঁর একটা বড় কাজ। তাঁর শাহেনশাহিতে রোজ কী ঘটছে তার একটা হদিশ পান মনসবদারদের কাছ থেকে, আমির-উমরাহদের কাছ থেকে, বক্‌঩শিদের কাছ থেকে। কিন্তু সরাসরি প্রজাদের সঙ্গে মুলাকাত করে তাদের আর্জি শুনলে অনেক বেশি ওয়াকিফ হওয়া যায় কোন রিয়াসতে কী ঘটছে!
সন্ধের পর ইবাদতখানায় ঢুকে দেখলেন কোঠিভর্তি মোল্লা। জমায়েত হয়েছে শেখ, সৈয়দ, উলেমারা ছাড়াও তাঁর শাহেনশাহির কিছু আমির-উমরাহ। ইবাদতখানায় কারা থাকবেন সে-বিষয়ে বাদশাহ হুকুম জানিয়ে দিয়েছেন ইবাদতখানার ফটকে থাকা মির বকশিকে। কোঠির ভিতরটা তখন সরগরম। তাঁদের মধ্যে বিতরণ করা হল দামি আতর। গুজরাত ফতে করার পর বাদশাহ ইসলাম সম্পর্কিত কিছু কিতাব নিয়ে এসেছিলেন ইতিমাদ খান গুজরাতির কোঠি থেকে, সেগুলিও বিতরণ করলেন মোল্লাদের মধ্যে। বদায়ুন নিজের জায়গা থেকে উঠে এসে প্রায় ছিনিয়ে নিলেন একটা কিতাব। সেই কিতাব ‘মশকুতু-উল-আনোয়ার’-এর একটি খণ্ড ‘আনোয়ার-উল-মশকুত’। খুব দামি কিতাব হাতে পেয়ে বদায়ুনকে বেশ খোশ দেখাচ্ছিল, তাবে তাঁর ছিনিয়ে নেওয়াটা মোটেই পছন্দ করলেন না সম্রাট।
আলোচনার শুরুতেই কে কোথায় বসবে তা নিয়ে তুমুল তকরার চলছে নিজেদের মধ্যে। বাদশাহ ভেবেছিলেন তাঁরা নিজেরাই মিটিয়ে ফেলতে পারবেন সমস্যাটা, কিন্তু তর্ক ক্রমে বেড়েই চলেছে দেখে বীরবরকে পাঠালেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে।
বদায়ুনের দবদবা একটু বেশি বলে কোশিশ করছিল সমস্যাটা মেটাতে, তার মধ্যে বীরবরকে দেখে বেশ নাখোশ হয়ে বলল, তুমি তো একটা হিঁদু, মোল্লাদের মধ্যে তুমি কেন? এখানে তাবির হবে ইসলাম নিয়ে!
বীরবরের ঠোঁটে চোরাহাসি, বললেন, জাহাঁপনার হুকুম। জাহাঁপনা যা বলবেন, তাই করব। আমাকে চিতায় পোড়ানোর সময় যদি আগুন কম পড়ে, জাহাঁপনা হুকুম করলে আমি চিতা থেকে উঠে এসে কাঠ ঢেলে দেব চিতায়।
বদায়ুন তখন টকবগ করে ফুটছেন। আজ সকালেই তাঁর মতো কাঠমোল্লাকে ফারসিতে রামায়ণ তরজমা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বীরবরই বাদশাহকে উস্কেছে!
বীরবর ফিরে এসে বললেন, জাহাঁপনা, চার কিসিমের মোল্লাকে একজায়গায় বসালে এরকম বিপত্তি ঘটবে।
বিষয়টা আন্দাজ করেছিলেন বাদাশাহ, হুকুম জারি করে বললেন, আমির-উমরাহ যারা এসেছে, তারা বসবে পুবদিকে, সৈয়দরা বসবে পশ্চিমে, উলেমারা বসবে দক্ষিণে আর শেখরা বসবে উত্তরে।
বাদশাহের হুকুম জারি হওয়ামাত্র এক লহমায় মিটে গেল বসার জায়গার সমস্যা। কিন্তু সমস্যা কি তাতে আদৌ মিটল! চার মোল্লার চার মত। আর সুন্নি-শিয়া একজায়গায় হলে তো—
শিয়া-সুন্নির কোঁদল তো ওয়াকিফ আছেন আকবর। তাঁর আব্বা হুমায়ুন ছিলেন গোঁড়া সুন্নি, কিন্তু তাঁর বিবি, আকবরের আম্মা পারস্যের শিয়া। আকবরের যখন জন্ম হয়, হুমায়ুন তাঁর বিবিকে এক হিন্দু রাজার কাছে রেখে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কাবুল-কান্দাহার হয়ে পারস্যের দিকে। আকবর ছিলেন কিছুদিন সেই হিন্দু রাজার প্রাসাদে। আকবরের শিক্ষক আব্দুল লতিফের ফয়েজ ছিল ধর্মবিষয়ে। এতটাই উদার ছিলেন যে, পারস্যের শিয়া হয়েও লতিফকে বলা হতো সুন্নি-ঘেঁষা। তাঁর কাছেই আকবর শিখেছিলেন ‘সুলহ্‌-ই-কুল’—সর্বব্যাপী শান্তির বাণী। আকবরের উমর যখন কুড়ি, হঠাৎ একদিন নিজের ভিতর উপলব্ধি করেছিলেন এক আধ্যাত্মিক অনুভূতি। তখন থেকেই আল্লাকে জানতে তাঁর খায়েস। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, মেনে চলেন ইসলামের রীতিনীতি। আল্লা তাঁকে এত বড় শাহানশাহি দিয়েছেন বলে হররোজ ফজরের আলো-ফোটার আগেই আল্লাকে স্মরণ করেন, মুখে উচ্চারণ করেন, ‘ইয়া হু’, ‘ইয়া হাদি’। প্রতিবার জং ফতে করার পর, কিংবা কোনও আওলাদ হলে পায়দলে আজমির গিয়ে শেখ মইনুদ্দিন চিস্তির দরগায় দোয়া মেঙেছেন।
আর কী আশ্চর্য, এখন তাঁকে মোকাবিলা করতে হচ্ছে মোল্লাদের তকরার!
তর্কবিতর্কে গড়িয়ে যাচ্ছে ‘পহর’, ক্রমে রাত ভারী হয়ে আসে, চিল্লাচ্ছে সুন্নিরাই বেশি। সুলতানপুরের এক দানাদার সুন্নি—মোল্লা আবদুল্লা, যাঁকে মখদুম-উল-মুলক বলা হয়, তাঁর সঙ্গে গরমাগরম তকরার চলছে কেল্লার সদর-সুদর শেখ আবদুল নবির। দুজনেই জাহির করছেন দানেশমন্দি, কিন্তু একই ইসলামের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ জাহির করে জটিল করে তুলছেন ইবাদতখানার হাওয়া। অনেকটা রাত হলে বাদশাহ আকবর বেচইন হয়ে বলে ওঠেন, ব্যস, ব্যস, আজ এই পর্যন্ত থাক।
বাদশাহর হুকুম হলে থামতেই হয়, কিন্তু বাইরে বেরিয়েও একে অপরের উপর তড়পে যাচ্ছেন। তাদের তকরার শুনে বাদশাহ বললেন বীরবরকে, সত্যিই তাজ্জব কি বাত। সবাই বুজুর্গ আদমি। কিন্তু বাতচিত, তকরার শুনে আন্দাজ হয় নাওয়াকিফ—মূর্খ।
পরের দিন আবার শুরু হয় তকরার। প্রত্যেকেই ইসলাম নিয়ে বলছেন, অথচ একে অপরের বিপরীত মত পোষণ করেন, কেউ কারও যুক্তি মানেন না। বাদশাহ শুনতে চাইছেন মন দিয়ে, কিন্তু একই সঙ্গে সবাই বলতে চাইছেন বলে কারও কথাই শোনা যাচ্ছে না। বীরবর বাদশাহের কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বললেন, জাহাঁপনা, আপনি ওঁদের কাছে গিয়ে দাঁড়ান, তবেই শোর কমবে। একজন-একজন করে বলুক আপনাকে।
আকবর গম্ভীর মুখে তখ্‌ত ঩থেকে নেমে কোঠির মাঝখানে গিয়ে দাঁড়াতে সবাই চুপ। বাদশাহ বললেন, শোর না-করে একজন-একজন করে বলুন, ইসলাম বলতে কে, কী বোঝেন?
একজন বলতে শুরু করেন, তাঁর কথা শুরু না-হতেই আর একজন চেঁচিয়ে বললেন, ‘গলদ, গলদ বলছে জাহাঁপনা।’ তাতে প্রথমজন কথা থামিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইলেন অন্যজনের ওপর।
বেলাগাম হয়ে গেল তাঁদের কথাবার্তা। ঠেলাঠেলিতে বাদশাহের গায়েও লেগে গেল একজনের হাত, বাদশাহ চোখ লাল করে বললেন, এতনা খতর হতে থাকলে বন্ধ করে দেব ইবাদতখানা। আপনারা আগে শরাফত শিখে আসুন।
সেদিনকার মতো তাবির বন্ধ, পরের দিন মোল্লারা আরও মারমুখী হয়ে উঠলে বাদশাহ হুকুম দিলেন, ইসলামের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে লড়াই চলবে না! কাল থেকে ইবাদতখানা বন্ধ।
(ক্রমশ) 
30th  December, 2018
বন্ধুত্ব 
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

দাসোয়ান খুদকুশি করেছেন শুনে ‌কেল্লার বাইরে বিশাল জমায়েত। মাসুদ খাঁ বলল, হুজুর, দাওনা হয়ে গিয়েছিল তসবিরওয়ালা।
দাওনা, মানে পাগল! দাসোয়ানের কথা কিছু কানে এসেছিল বীরবরের।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা।
বিশদ

03rd  February, 2019
বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস 

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

03rd  February, 2019
মাঠরাখা
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

আলোটা ভাসতে ভাসতে আঁকড়গোড়ে, ভাড়ালগোড়ে, জিওল নালার মাঠ ঘুরে চক্কর দিয়ে মাঝের-দাঁড়ার মাঠে এসে মিলিয়ে গেল। মেঘগুলোকে নীচে ফেলে চাঁদটা অনেকটা ওপরে উঠে এসেছিল। 
বিশদ

20th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৪

সন্ধের নিরিবিলি সময়ে তসবিরখানা থেকে বেরিয়ে দাসোয়ান কোথায় চলেছেন কীরকম আলুথালু মুখে দেখে ধন্দে পড়লেন বীরবর।
বেশ কয়েকদিন ধরে খুব বেতাব দেখাচ্ছে তসবিওয়ালাকে। তসবিরখানায় বসে থাকেন চুপচাপ, তুলিতে রং মাখিয়েও তা খাগের কাগজে মাখাতে ভুলে যাচ্ছেন, কেউ গায়ে হাত দিয়ে নাড়া দিলে থতমত খেয়ে ঝুঁকে পড়ছেন কাগজের উপর। 
বিশদ

20th  January, 2019
কাকের বাসায় ভালোবাসা 
অমিত ভট্টাচার্য

যদিও গল্পটা পুষ্পদির মুখ থেকে পুরোপুরি শোনা হয়নি, তবে কিছুটা চাক্ষুষ দেখার সুযোগ হয়েছিল।
একদিন হঠাৎ সে হাজির হয়েছিল আমার বাড়ি। আমি তখন বাইরে।
স্ত্রীকে জিগ্যেস করে, ‘আচ্ছা বউদি, দাদা নাকি গপ্প নেকে?’
 
বিশদ

13th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৩

ফতেপুর সিক্রির কেল্লার উপর শামের অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল মগরিবের নামাজ-আস্‌সালাতো খয়রুম মিনন্‌ নওম— বীরবর যাচ্ছিলেন অনুপ তালাওয়ের দিকে, নামাজের আওয়াজ কানে আসার মুহূর্তে থেমে রইলেন যেখানে ছিলেন।  
বিশদ

13th  January, 2019
ছবি ও অস্কার গল্প
ঋষি গৌতম

ছবি ও অস্কা দুই বন্ধু। অস্কা ভাবুক। সে আকাশ-পাতাল অনেক কিছু ভেবে দেখে। ছবি অতশত ভাবে না। কী নিয়ে যে ভাববে সেটাই ভেবে পায় না। কিন্তু অস্কা ভাবে। অনেক রাতে আকাশে চাঁদ দেখলে অস্কার মনে হয় একখানা জিরো পাওয়ারের টুনিবাল্ব জ্বলছে। ভগবান সেই টুনিবাল্ব জ্বেলে ঘুমোচ্ছে।  
বিশদ

06th  January, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫২

সুবাহ্‌ কাল বাদশা আকবরের পছন্দের সময়। ফজরের আলো ফোটার আগে তিনি অলিন্দে গিয়ে ইন্তেজার করেন কখন আসমানের পুব কোণে উদয় হবে সূর্যের। আজও অপেক্ষা করছিলেন, অপেক্ষার শেষে চোখ মেলে দেখলেন লাল সূর্যের লাফিয়ে দিগন্তের সীমানা পার হয়ে উঠে আসা।
বিশদ

06th  January, 2019
ছায়া
সৌরভ মিত্র 

‘বসে বসে মরবে। ছুটে ছুটে মরবে। ধুঁকতে ধুঁকতে মরবে। লাফিয়ে লাফিয়ে মরবে।...মাত্র দু’টাকা প্যাকেট! ইঁদুরের বংশ নির্বংশ করুন...’
সাইকেলে বাঁধা করুণ লাউডস্পিকার থেকে করুণতর ভাষার বিজ্ঞাপন কানে আসে মনসুরের। 
বিশদ

30th  December, 2018
দুর্গার দয়ামায়া

প্রদীপ আচার্য : ‘এটা তুমি কী কল্লা দুগ্গা? কোথায় ব্যাকগিয়ার মারবা, তা না, গাড়ি একেবারে টপগিয়ারে! এখন মাঝপথে বেরেক ফেল হলে তুমি পারবা সামলাতে? আমার নিজেরই পান্তায় নুন জোটে না। সেই আমার মা বলে না? আপনা নাই জাগা, কুত্তা আনে বাঘা। জাগা নেই, বাসা নাই। একটা ঘরের মধ্যে শোয়াবো কোথায় আর গেলাবোই বা কী?’
বিশদ

23rd  December, 2018
বীরবল

তপন বন্দ্যোপাধ্যায় : কেল্লার ভিতরে গড়ে ওঠা দোতলা হাভেলিটির শানশওকত নিরিখ করছিলেন বীরবর। চবুতরার অনেক কোঠি আর হাভেলির মধ্যে এই হাভেলির যেন অন্য এক জেল্লা। সম্রাট আকবর এই হাভেলিটি তৈয়ার করেছেন বীরবরের জন্য। তার বাইরের ও ভিতরের কারুকাজ চোখ জুড়িয়ে দেয়।
বিশদ

23rd  December, 2018
যতীন মাস্টারের পাঠশালা
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী 

এই বলে দাদু উপর দিকে হাত তুলল অমনি ইস্কুলবাড়ির টালির চাল থেকে শুকনো পাতারা খড়খড় করে চাল বেয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে নীচে পড়তে থাকল। ছাঁচতলা ভরে গেল। মুখ উঁচু করে দেখি, সেই তিনটি শালিক চালের মগডালে বসে আছে। ওদের যাবতীয় ঝগড়া রান্নাঘরের চালে। এখানে ওরা বন্ধু। 
বিশদ

16th  December, 2018
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আই লিগে মোহন বাগানের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আর কোনও সম্ভাবনাই নেই। তবে খেতাব নির্ধারণে মোহন বাগান বড় ভূমিকা নিতে পারে। চেন্নাই সিটি এফসি সোমবার ড্র করেছে। তাদের খেলা বাকি শিলং লাজং (১৮ ফেব্রুয়ারি),মোহন বাগান (২৪ ফেব্রুয়ারি), চার্চিল ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মজুরি বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে এবার লোকসভা ভোটের মুখে রাজ্যে চটকল শিল্পে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিল বাম ও দক্ষিণপন্থী ২১টি শ্রমিক সংগঠন। আগামী ১ মার্চ থেকে রাজ্যের তামাম চটকলগুলিতে এই ধর্মঘট শুরু হবে বলে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লোকসভা ভোটের মুখে শাসক আর বিরোধীদের মধ্যে এবার ঢুকে পড়ল ‘মেট্রো চ্যানেল’ রাজনীতি। বিজেপির বক্তব্য, ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে ...

 বেজিং, ১১ ফেব্রুয়ারি (এএফপি): চীন এবং আমেরিকার বাণিজ্য বিরোধ না মিটলে বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ঝড় বয়ে যাবে বলে রবিবারই সতর্ক করেছে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (আইএমএফ)। এরপরেই চীনের সঙ্গে বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা শুরু করল আমেরিকা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার জন্য স্থান পরিবর্তন হতে পারে। গবেষণামূলক কাজে সাফল্য আসবে। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ সংবাদ পেতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস
১৮০৯: বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের জন্ম
১৮০৯: আব্রাহাম লিংকনের জন্ম
১৮৭১: ভারতবন্ধু দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজের জন্ম
১৯১৯: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯২০: অভিনেতা প্রাণের জন্ম
১৯৬১ - বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী অতুলচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৫২ টাকা ৯৩.৭৮ টাকা
ইউরো ৭৯.২৫ টাকা ৮২.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১, দিবা ৩/৫৫। ভরণী ৩৯/৫০ রাত্রি ১০/১১। সূ উ ৬/১৪/৩৬, অ ৫/২৭/১৮, অমৃতযোগ দিবা, ৮/২৯ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/১২ গতে ৪/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫১ গতে ১১/২৫  মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৪২  মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৮ গতে ৯/২  মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৩৯, মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩৯ মধ্যে।
২৮ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১১/১৩/৪৭। ভরণীনক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৫/২৩, সূ উ ৬/১৬/১, অ ৫/২৫/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯/৫৬ থেকে ১০/৪৩/৫০ মধ্যে ও ১২/৫৭/৪৫ থেকে ২/২৭/১ মধ্যে ও ৩/১১/৩৯ থেকে ৪/৪০/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৬/৫৬ মধ্যে ও ৮/৫১/১ থেকে ১১/২৫/৭ মধ্যে ও ১/৫৯/১২ থেকে ৩/৪১/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩৯/৪৩ থেকে ৯/৩/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১৪/২৯ থেকে ২/৩৮/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১/৫২ থেকে ৮/৩৮/১১ মধ্যে।
৬ জমাদিয়স সানি
এই মুহূর্তে
চ্যানেল বাছাই: সময় বাড়ল ৩১ মার্চ পর্যন্ত
নতুন নিয়মে চ্যানেল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া যাঁদের সম্পূর্ণ হয়নি, সেই দর্শকদের ...বিশদ

10:15:02 PM

পোখরানের কাছে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার প্রশিক্ষণ প্রদানকারী মিগ-২৭ বিমান, অক্ষত পাইলট 

07:30:55 PM

নিউ টাউনে নাবালকের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ
নাবালক ছেলের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। গতকাল ...বিশদ

04:49:00 PM

বিজেপি অগণতান্ত্রিক দল: মমতা 
এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির ...বিশদ

04:34:14 PM

২৪১ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:53:39 PM

প্রয়াত ইংল্যান্ডের কিংবদন্তী গোলকিপার গর্ডন ব্যাঙ্কস 

03:51:00 PM