Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

বীরবল

তপন বন্দ্যোপাধ্যায় : কেল্লার ভিতরে গড়ে ওঠা দোতলা হাভেলিটির শানশওকত নিরিখ করছিলেন বীরবর। চবুতরার অনেক কোঠি আর হাভেলির মধ্যে এই হাভেলির যেন অন্য এক জেল্লা। সম্রাট আকবর এই হাভেলিটি তৈয়ার করেছেন বীরবরের জন্য। তার বাইরের ও ভিতরের কারুকাজ চোখ জুড়িয়ে দেয়। কোথাও পারস্যের রীতি, কোনোও হিন্দুস্তানের রীতি মেনে গড়া হয়েছে যা তাজ্জব করে বীরবরকে। বাদশাহের শাহানশাহিতে আরও কত দানেশমন্দ আদমি আছেন, কত তাগদঅলা মনসবদার আছেন, তানসেন ছাড়াও কত আচ্ছে-আচ্ছে গানেওয়ালা আছেন, কত তসবিরওয়ালা আছেন, কত রিস্তেদার—সবাইকে ছাপিয়ে শুধু বীরবরের জন্য বানিয়েছেন এত বড়ো একটা হাভেলি!
সুবা-সুবা উঠে কেল্লার চবুতরায় ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎই আজ একটু বেশি সময় নিয়ে দেখলেন হাভেলিটা। বাদশাহ কয়েকবার তাঁকে বলা সত্ত্বেও তিনি এখনও এখানে রাত্রিবাস করেননি। করবেন কি না এখনও ঠিক করেননি। কাল্পিতে তাঁর বসতবাড়ি ছেড়ে সেই যে বাদশাহের ডাকে চলে এলেন আগ্রায়, তারপর মাত্র একবারই গিয়েছিলেন জেনানা আর লেড়কাকে দেখতে। আগ্রায় ফিরে আসার কিছুকাল পর তাঁর যে একটি লেড়কিও হয়েছে তা খবর পেয়েছিলেন এইমাত্র, সেই লেড়কির মুখ দেখেননি আজও। তার কত উমর হল তা ইয়াদ করতে ভাবনাচিন্তা করতে হয় অনেক।
এখন তাঁকে দেখলে চিনতেও পারবে না সেই লেড়কি। তিনিও চিনতে পারবেন না তাঁকে। দেখেননি কখনও, চেনাচেনি হবে কী করে! তাঁর লেড়কা লালা—সেও কি তাঁকে এখন চিনতে পারবে?
সকালের রোদে ঝিকিয়ে ওঠা হাভেলির লাল পাথরগুলো হঠাৎ বেচইন করে তুলল তাঁকে। বাদশাহ আকবর গোটা হিন্দুস্তানের মালিক, সেই বাদশাহ প্রতি মুহূর্তে তাঁর পরামর্শ চান। কোনও মছলা হলেই তলব করেন তাঁকে, বীরবরজি—
বীরবরের সঙ্গে সারাক্ষণ শাহানশাহি নিয়ে আলোচনা। তবে তাঁর সব কথাই যে বাদশাহ মেনে নেন তা নয়, কিন্তু বীরবরের মসলত চাইই চাই। বীরবর আন্দাজ করেন একজন বাদশাহ—তিনি যত ক্ষমতাধরই হোন না কেন, তাঁরও একজন দোস্ত চাই যাকে অনেক গোপন কথা বলা যায়, যার সঙ্গে অনেক সংকটের বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যায়।
আর সেই বাদশাহকে সঙ্গ দিতে বীরবরের নিজের জীবনের আলাদা কোনও অস্তিত্ব নেই। মাঝেমধ্যে নিজের জেনানার মুখ মনে পড়ে। খুবসুরত সেই আওরতের মনে জমে আছে কত না অভিমান, কত গিল্লা তাঁর বিরুদ্ধে! এখন মাঝেমধ্যে ইচ্ছে হচ্ছে তাদের নিয়ে আসেন, রেখে দেন সিক্রির কেল্লার এই হাভেলিতে।
ওদিকে বাদশাহ আকবর এখন খুবই ব্যস্ত মেবারের রানার সঙ্গে মোকাবিলায়। তাঁর দূত হিসেবে মানসিংহ গিয়েছিল রানার সঙ্গে দেখা করতে। রাতের ভোজসভায় দাওয়াত জানিয়েও রানা প্রতাপ সিংহ দেখা করেননি মানসিংহের সঙ্গে, উপরন্তু মানসিংহ একজন রাজপুত হয়ে আর এক রাজপুত রানার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে এসেছে বলে অপমান করেছেন। এই সংবাদে বাদশাহ আকবর প্রবল ক্ষুব্ধ হয়ে ফৌজ পাঠালেন প্রতাপ সিংহকে শায়েস্তা করতে। মানসিংহের সঙ্গে জুড়ে দিলেন ঘিয়াসউদ্দিন আলিকে। বদায়ুন তরজমায় ব্যস্ত ছিলেন মকতবখানায়, তিনিও কলম ছেড়ে ফৌজের সঙ্গে গেলেন হাতে তির-ধনু তুলে নিয়ে। এক খতরনাক জংয়ের পর মানসিংহের ফৌজ রাজপুত সৈন্যকে হারিয়ে দিল, কিন্তু পালিয়ে গেলেন প্রতাপ সিংহ।
বাদশাহ আকবর তখন রাগে ফুঁসছেন, বললেন, আমি আন্দাজ করেছিলাম মানসিংহকে মেবার পাঠানো ঠিক হয়নি।
বীরবর খবর পাচ্ছিলেন দু’পক্ষেই কোতল হয়েছে বহু রাজপুত, খুন ঝরেছে বহু, তবু বাদশাহের খুনশি দেখে তাঁকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেন, কেন, জাহাঁপনা?
—বদায়ুন বলছে মানসিংহ নিজে রাজপুত, তার মদতেই পালাতে পেরেছে রানা প্রতাপ সিংহ।
বীরবর অবশ্য খবর পেয়েছেন অন্যরকম। দু’পক্ষেই রাজপুত সেনা দেখে বদায়ুন নাকি বুঝতে পারেননি কে মানসিংহের সৈন্য আর কে প্রতাপ সিংহের সৈন্য! তিনি বেদম তির ছুঁড়েছেন, আর বলেছেন, ‘যে পক্ষই মরুক, রাজপুত তো মরল। তাতে জয় ইসলামেরই।’ এখন আবার বাদশাহের কানে ইন্ধন জোগাচ্ছে মানসিংহের বিরুদ্ধে!
বীরবর মাথা ঠান্ডা রেখে বললেন, জাহাঁপনা, আপনি ঘিয়াসুদ্দিন আলিকে তলব করে খবর নিন। মানসিংহ রাজপুত ঠিকই, কিন্তু আপনি তার ফুফা, তার কাছে ফুফার সম্মান অনেক বেশি।
তবু মাথা নাড়েন বাদশাহ। লড়াইয়ের মাঠ থেকে প্রতাপ সিংহ গায়েব হয়ে গেছে বলে বাদশাহ খুবই নাখোশ। প্রতাপ সিংহ এক লড়াকু রাজপুত। রাজপুতের খুন বড়ো জেদি খুন। তাদের শরীরে শেষ রক্ত বিন্দু থাকা পর্যন্ত তাঁরা রিয়াসত ছাড়বে না!
বাদশাহ আকবর তা হতে দেবেনই বা কেন! তাঁর খায়েস একটি-একটি করে সমস্ত রিয়াসত ফতে করে গোটা হিন্দুস্তান তাঁর তাঁবে নিয়ে আসা। একটি রিয়াসতও যেন তাঁর তাঁবের বাইরে না থাকে।
বাদশাহের এমন নাখোশ হওয়ার দিনগুলিতে একটি চিরকুট এসে পৌঁছল দুঙ্গারপুরের রাজার কাছ থেকে। চিরকুট এলেই বাদশাহ তখনই সেটি তুলে দেন বীরবরের হাতে। চিরকুটটি বীরবর পড়ে খুব তাজ্জব হলেন তা নয়। চিরকুটের বয়ানে লেখা আছে দুঙ্গারপুরের রাজার একটি লেড়কি আছে যার রূপ যেমন খুবসুরত, অনেক গুণেরও অধিকারী। রাজার খুব ইচ্ছে এই লেড়কিটিকে বাদশাহের হারেমে পাঠিয়ে দিতে, তাতে বর্তে যাবে সেই লেড়কির জিন্দেগানি। বাদশাহের সঙ্গে রাজার একটা খাতিরের সম্পর্কও গড়ে উঠবে।
চিরকুটের বয়ান পড়ে শোনাতে বাদশাহের চোখে নুরের ছটা, ঠোঁটের কোণে চোরাহাসি, গোঁফে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন, ইয়ে তো বহুত খুশি কি বাত, বীরবরজি। আপনি কালই দুঙ্গারপুরে চলে যান। ওই লেড়কিকে আমার চাই।
বাদশাহের কথা মানেই হুকুম। বীরবর অবাক হয়ে ভাবছিলেন হাজার কোঠি তৈয়ার হয়েছে হারেমে, সেই হারেমে এখন জায়গার অকুলান। বাদশাহ কারিগরকে হুকুম দিয়েছেন আরও হাজার কোঠি বানাতে। হর রোজ একজন না একজন আওরত এসে পৌঁছচ্ছে হারেমে। হারেমের দারোগারা তাদের জায়গা করে দিতে হিমশিম খাচ্ছে। শুধু জায়গা করে দেওয়াই তো নয়, তাদের ভরণ-পোষণের সব ব্যবস্থাও করতে হচ্ছে।
বীরবর এও ভাবছিলেন একজন বাদশাহের ঠিক কত বিবি হলে তাঁর শরীরের খিদে মেটে! সিক্রির কেল্লায় রানিদের কোঠির একটু দূরে বাদশাহমহল, সেখানে বাদশাহ একাই থাকেন রাতে। অনেকটা রাত হলে, বাইরের কোলাহল নিভে এলে, বীরবর খেয়াল করেছেন হারেম থেকে সারা শরীর ঢেকেঢুকে কোনও দারোগার পিছুপিছু বাদশাহ মহলের দিকে চলেছে এক আওরত। সেই আওরতের নাম জানে না কেউ, কোন রিয়াসত থেকে এসেছিল তাও মনে নেই কারও, বাদশাহ আকবর হয়তো সেই একদিনই দেখবেন তাকে, হয়তো জানবেন তার নামধাম, জানবেন তার শরীর, রাত ফুরোলে সে আবার কাপড়ের পুঁটুলি হয়ে ফিরে যাবে হারেমে। বাদশাহ ভুলেও যাবেন তার কথা। হয়তো হারেমে বহু আওরত আছে যারা কোনও দিনই ডাক পেল না বাদশাহমহলে।
এর মধ্যে এক ঘোর দুপুরে যমুনার তীরে এক ঝাঁকড়া আমগাছের ছায়ায় বীরবর আবিষ্কার করলেন এক আশ্চর্য দৃশ্য। এক খুবসুরত আওরত পা ছড়িয়ে বুক চিতিয়ে বসে আছে ঘাসের উপর, তার হাতদুটো পিছনের ঘাসে ভর দিয়ে।
তার সামনে বসে এক তসবিরওয়ালা, মুখ নিচু করে এঁকে চলেছে সামনের খাগের কাগজে। নিশ্চয় আওরতটির তসবির। তসবিরওলাকে চিনলেন তিনি—দাসোয়ান।
বীরবর দূর থেকে দেখছেন বুঁদ হয়ে, হঠাৎ তার পাশে এসে দাঁড়ায় এক জওয়ান, মুখে ঝাপসা দাড়িগোঁফ, অনেক কষ্টে চিনলেন তাঁকে—মাসুদ খান। আরে তুমি, মাসুদ, কোথায় থাকো এখন?
আগ্রা থেকে সিক্রি আসার পর মাসুদ খানকে আর দেখেননি বীরবর। শুনেছিলেন তাকে আগ্রায় অন্য কাজে বহাল করেছেন মির আতিস। আর সাবিনাকে নিয়ে এসেছেন রানি রূপমতী।
মাসুদ বলল, হুজুর, সাবিনা একা সিক্রি চলে এসে খুব কষ্টে ছিল। তারপর রানিআম্মাকে বলে আমাকে নিয়ে এসে আবার হারেমের পাহারায় বহাল করেছে।
বীরবর অবাক হয়ে বললেন, এখানেও তুমি হারেমে?
—হ্যাঁ, হুজুর। কিন্তু সাবিনা বলেছে আমি যেন কোনও আওরতের সঙ্গে বেচাল কিছু না করি। তা হলে সবাইকে বলে দেবে আমি খোজা নই। সঙ্গে সঙ্গে কোতল করে দেবে আমাকে।
বীরবল হাসছিলেন মনে মনে। সাবিনা সত্যিই ভালোবাসে মাসুদকে। তাই সাবধান করে দিয়েছে যাতে মাসুদ অন্য কোনও সম্পর্কে জড়িয়ে না পড়ে! কিন্তু মাসুদ কি হারেমের কামার্ত আওরতদের শহ্‌ওয়াত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে পারছে!
মাসুদ হঠাৎ বলল, হুজুর, একটা কিস্‌সা হয়েছে।
—কী কিস্‌সা? বীরবর কৌতূহলী। কেল্লায় কত কী ঘটে, তার সব হদিশ পৌঁছয় না তাঁর কাছে।
—হুজুর, ওই যে দেখছেন তসবিরওয়ালা, জানদাররা ওকে বলে ‘শের কা ওয়ালেদ’, গায়ে শেরের চেয়েও বেশি তাগদ। হারেমের ওই আওরতের তসবির আঁকছেন রোজ।
‘শের-কা-ওয়ালেদ’ শব্দটা নতুন তাঁর কানে। কিন্তু তার পরের খবরটা বেশ তাজ্জব করল বীরবরকে।
—হুজুর, মাঝেমাঝে তসবিরওয়ালা ওই আওরতের কোঠিতে রাতের বেলা কাটিয়ে আবার সুবা-সুবা চলে যান কোঠি ছেড়ে। হারেমে এই নিয়ে জোর কানাকানি চলছে। বাদশাহের সর-জানদার খবরটা জেনে ফেলে জিজ্ঞাসা করেছিল হারেমের দারোগাকে। দারোগার নাম লুৎফা। লুৎফা তো কেঁপে অস্থির। সর-জানদারের হাত ধরে বলেছে কথাটা যেন বাইরে না রটে যায়!
বীরবর বুঝলেন এই খবর বাদশাহের কানে গেলে কিছু একটা ভয়ংকর ঘটে যেতে পারে। কিন্তু আওরতদেরই বা দোষ কোথায়! তারা বরাতজোরে বা বরাতদোষে বাদশাহের বিবি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাদশাহের ছোঁয়া পায়ই না বলা যায়। কী হিল্লা হবে তাদের!
বীরবর প্রসঙ্গ বদলে বললেন, সামির খবর জানো? সিক্রিতে আসার পর তাকে আর দেখতে পাইনি। তাকে বোধহয় সিক্রিতে আর বহাল করেনি!
—না, হুজুর। আপনি তো জানেন মির আতিস হুজুর মাঝেমাঝে সামির বিবিকে রাতে ডেকে পাঠাত। তারপর একদিন গায়েব করে দিয়েছে সেই খুবসুরত জেনানাকে। বিবিকে খুঁজে খুঁজে সে এখন পাগল হয়ে গেছে। তারপর একদিন কোথায় বেপাত্তা হয়ে গেল তা কেউ জানে না!
বীরবর খুব অবাক হলেন তা নয়। শাহানশাহিতে কোনও খুবসুরত আওরত থাকলে তার প্রথম অধিকার বাদশাহের। বাদশাহের চোখের বাইরে কেউ রয়ে গেলে তাকে লুটেপুটে নেবে অন্য আমির-উমরাহরা। কোনও সহিস, কোনও পিলবান, কোনও পাইক, কোনও জানদার-সিলদারদের তাতে অধিকার নেই। তারা পাবে সব ঝড়তিপড়তি আওরত।
এক ঘোর শীতের দিনে বাদশাহ আকবর ঠিক করলেন শাহানশাহির টাঁকশাল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। এতকাল এ-দেশের চার টাঁকশালের দায়িত্বে ছিলেন চার চৌধুরী। কিন্তু চৌধুরীদের জহিন বিষয়ে তিনি বরাবরই নাখোশ। টোডরমল এ-বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন তাঁকে। অতএব টোডরমল ও খাজা শাহ মনসুরকে নিয়ে বসে বেশ কিছু আলোচনার পর বদলে দিলেন টাঁকশালের শাসনব্যবস্থা।
বাদশাহের আব্বা হুমায়ুনের দোস্ত শিরাজের ‘শির-ইন-কলম’ খাজা আবদুস সামাদকে বরাবরই খাতির করেন বাদশাহ আকবর। তিনি শুধু একজন ভালো তসবিরওয়ালা বা খুশনবিশই নন, একজন দানাদার আদমিও। তাঁর উপরই দায়িত্ব দিলেন গোটা শাহানশাহির টাঁকশাল দেখভাল করার। পাঁচ প্রদেশের পাঁচটা টাঁকশালের দায়িত্ব দিলেন পাঁচ হোমরাচোমরাকে—বঙ্গালের জন্য টোডরমল, লাহোরের জন্য মুজফফর খান, জৌনপুরের জন্য খাজা শাহ মনসুর, আহমেদাবাদের জন্য খাজা ইমাদুদ্দিন ও পাটনার জন্য আসফ খান।
ক’দিন হালকা মেজাজে থাকার মধ্যে বাদশাহ আকবরের কাছে হঠাৎ খবর এল জলন্ধরে কিছু আফগান এসে ঘাঁটি গেড়েছে, তারা জুলুম করছে সেখানকার বাসিন্দাদের উপর। এও খবর পেলেন আফগানরা কেউ পরিচয় দেয় বণিক হিসেবে, কেউ বলে চাষি। কিন্তু তাদের মতলব ভালো নয়।
বাদশাহ তলব করলেন বীরবরকে, বীরবরজি, আফগানদের জুলুম আর সহ্য করা যাচ্ছে না! বীরবর বললেন, জাহাঁপনা, আফগানরা কোনও দিনই চাঘতাইদের স্বস্তি দেয়নি।
আপনার দাদা-আব্বার আব্বা বাবর কাবুল-কান্দাহার-সমরখন্দ ছেড়ে হিন্দুস্তানে এসেছিলেন আফগানদের জুলুমের হাত থেকে রেহাই পেতে। আপনার আব্বা হুমায়ুনকেও তারা হিন্দুস্তান ছাড়া করেছিল। আপনাকেও আজ পর্যন্ত নিশ্চিন্তে শাহানশাহি চালাতে দিচ্ছে না। এখনই আফগানদের এক-একটা ছোট দল করে ছড়িয়ে দিন এক-একটা রিয়াসতে। একজায়গায় থাকতে দিলেই—
—সহি বাত। বাদশাহ প্রথমে ডাকলেন টোডরমলকে, বললেন, বদমাসদের সবাইকে এক জায়গায় থাকতে দেবে না। ছোট-ছোট দল করে চলে যাক অন্য-অন্য জায়গায়।
টোডরমল রওয়ানা দেওয়ার পর বীরবর বললেন, জাহাঁপনা, আমি নিজেও জলন্ধর যেতে চাই।
—আপনি যাবেন! খুব খতরনাক কিন্তু ওরা। ঠিক আছে, যান। আমির-উমরাহরা বলছে বীরবরজি কোনও জংয়ে যায় না, শুধু বাদশাহের পাশে-পাশে থাকে, বাদশাহের সঙ্গে মজাক করা ছাড়া তার কোনও এলেম নেই—
বলে হা হা করে শব্দ করে হাসলেন। হাসলে মুখটা কীরকম অদ্ভুত দেখায়। হাসি থামিয়ে বললেন, সৈয়দ মুজফফরকেও সঙ্গে নিয়ে যান। দূর থেকে দেখুন আফগানদের, খেয়াল রাখুন কাদের উপর জুলুম করছে! মিশকিনদের সঙ্গে মিশতে থাকুন। আর হ্যাঁ তাড়াতাড়ি চলে আসবেন।
—তাই হবে, জাহাঁপনা।
বীরবর খেয়াল করছিলেন বাদশাহ তাকে একটুও চোখের আড়াল করতে চান না!
(ক্রমশ)
23rd  December, 2018
বন্ধুত্ব 
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

দাসোয়ান খুদকুশি করেছেন শুনে ‌কেল্লার বাইরে বিশাল জমায়েত। মাসুদ খাঁ বলল, হুজুর, দাওনা হয়ে গিয়েছিল তসবিরওয়ালা।
দাওনা, মানে পাগল! দাসোয়ানের কথা কিছু কানে এসেছিল বীরবরের।  বিশদ

10th  February, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা।
বিশদ

03rd  February, 2019
বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস 

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

03rd  February, 2019
মাঠরাখা
হামিরউদ্দিন মিদ্যা 

আলোটা ভাসতে ভাসতে আঁকড়গোড়ে, ভাড়ালগোড়ে, জিওল নালার মাঠ ঘুরে চক্কর দিয়ে মাঝের-দাঁড়ার মাঠে এসে মিলিয়ে গেল। মেঘগুলোকে নীচে ফেলে চাঁদটা অনেকটা ওপরে উঠে এসেছিল। 
বিশদ

20th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৪

সন্ধের নিরিবিলি সময়ে তসবিরখানা থেকে বেরিয়ে দাসোয়ান কোথায় চলেছেন কীরকম আলুথালু মুখে দেখে ধন্দে পড়লেন বীরবর।
বেশ কয়েকদিন ধরে খুব বেতাব দেখাচ্ছে তসবিওয়ালাকে। তসবিরখানায় বসে থাকেন চুপচাপ, তুলিতে রং মাখিয়েও তা খাগের কাগজে মাখাতে ভুলে যাচ্ছেন, কেউ গায়ে হাত দিয়ে নাড়া দিলে থতমত খেয়ে ঝুঁকে পড়ছেন কাগজের উপর। 
বিশদ

20th  January, 2019
কাকের বাসায় ভালোবাসা 
অমিত ভট্টাচার্য

যদিও গল্পটা পুষ্পদির মুখ থেকে পুরোপুরি শোনা হয়নি, তবে কিছুটা চাক্ষুষ দেখার সুযোগ হয়েছিল।
একদিন হঠাৎ সে হাজির হয়েছিল আমার বাড়ি। আমি তখন বাইরে।
স্ত্রীকে জিগ্যেস করে, ‘আচ্ছা বউদি, দাদা নাকি গপ্প নেকে?’
 
বিশদ

13th  January, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫৩

ফতেপুর সিক্রির কেল্লার উপর শামের অন্ধকার নেমে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে গেল মগরিবের নামাজ-আস্‌সালাতো খয়রুম মিনন্‌ নওম— বীরবর যাচ্ছিলেন অনুপ তালাওয়ের দিকে, নামাজের আওয়াজ কানে আসার মুহূর্তে থেমে রইলেন যেখানে ছিলেন।  
বিশদ

13th  January, 2019
ছবি ও অস্কার গল্প
ঋষি গৌতম

ছবি ও অস্কা দুই বন্ধু। অস্কা ভাবুক। সে আকাশ-পাতাল অনেক কিছু ভেবে দেখে। ছবি অতশত ভাবে না। কী নিয়ে যে ভাববে সেটাই ভেবে পায় না। কিন্তু অস্কা ভাবে। অনেক রাতে আকাশে চাঁদ দেখলে অস্কার মনে হয় একখানা জিরো পাওয়ারের টুনিবাল্ব জ্বলছে। ভগবান সেই টুনিবাল্ব জ্বেলে ঘুমোচ্ছে।  
বিশদ

06th  January, 2019
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫২

সুবাহ্‌ কাল বাদশা আকবরের পছন্দের সময়। ফজরের আলো ফোটার আগে তিনি অলিন্দে গিয়ে ইন্তেজার করেন কখন আসমানের পুব কোণে উদয় হবে সূর্যের। আজও অপেক্ষা করছিলেন, অপেক্ষার শেষে চোখ মেলে দেখলেন লাল সূর্যের লাফিয়ে দিগন্তের সীমানা পার হয়ে উঠে আসা।
বিশদ

06th  January, 2019
ছায়া
সৌরভ মিত্র 

‘বসে বসে মরবে। ছুটে ছুটে মরবে। ধুঁকতে ধুঁকতে মরবে। লাফিয়ে লাফিয়ে মরবে।...মাত্র দু’টাকা প্যাকেট! ইঁদুরের বংশ নির্বংশ করুন...’
সাইকেলে বাঁধা করুণ লাউডস্পিকার থেকে করুণতর ভাষার বিজ্ঞাপন কানে আসে মনসুরের। 
বিশদ

30th  December, 2018
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৫১

কাল অনেক রাত পর্যন্ত গানের মজলিশ বসেছিল অনুপ তালাওয়ে। শেষরাতে ঘুমোতে গিয়ে সকালে উঠতে বেশ দেরি করে ফেলেছেন বাদশাহ আকবর। এমনকী তখন শেষ হয়ে গেছে জোহরের নামাজও। দু-দুটো নামাজের সময় পেরিয়ে গেছে দেখে খুব আপশোস হল, চবুতরায় বেরিয়ে দেখলেন যোধাবাঈয়ের মহল থেকে ধীরপায়ে বেরিয়ে যাচ্ছে ফৈজি। 
বিশদ

30th  December, 2018
দুর্গার দয়ামায়া

প্রদীপ আচার্য : ‘এটা তুমি কী কল্লা দুগ্গা? কোথায় ব্যাকগিয়ার মারবা, তা না, গাড়ি একেবারে টপগিয়ারে! এখন মাঝপথে বেরেক ফেল হলে তুমি পারবা সামলাতে? আমার নিজেরই পান্তায় নুন জোটে না। সেই আমার মা বলে না? আপনা নাই জাগা, কুত্তা আনে বাঘা। জাগা নেই, বাসা নাই। একটা ঘরের মধ্যে শোয়াবো কোথায় আর গেলাবোই বা কী?’
বিশদ

23rd  December, 2018
যতীন মাস্টারের পাঠশালা
অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী 

এই বলে দাদু উপর দিকে হাত তুলল অমনি ইস্কুলবাড়ির টালির চাল থেকে শুকনো পাতারা খড়খড় করে চাল বেয়ে গড়িয়ে গড়িয়ে নীচে পড়তে থাকল। ছাঁচতলা ভরে গেল। মুখ উঁচু করে দেখি, সেই তিনটি শালিক চালের মগডালে বসে আছে। ওদের যাবতীয় ঝগড়া রান্নাঘরের চালে। এখানে ওরা বন্ধু। 
বিশদ

16th  December, 2018
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মজুরি বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবিকে সামনে রেখে এবার লোকসভা ভোটের মুখে রাজ্যে চটকল শিল্পে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দিল বাম ও দক্ষিণপন্থী ২১টি শ্রমিক সংগঠন। আগামী ১ মার্চ থেকে রাজ্যের তামাম চটকলগুলিতে এই ধর্মঘট শুরু হবে বলে ...

 লখনউ, ১১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): জাতীয় স্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তা ‘চৌকিদারে’র জন্যই উপেক্ষিত হচ্ছে। রাফাল ইস্যুতে সোমবার প্রধানমন্ত্রীকে এভাবেই নিশানা করলেন বসপা সুপ্রিমো মায়াবতী। এক সর্বভারতীয় দৈনিকের রিপোর্টে ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের রাফাল চুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের হস্তক্ষেপের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ...

সংবাদদাতা, মালবাজার: তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাথর তোলার ফলে বিপন্ন বন্যপ্রাণ। পরিবেশ প্রেমীদের দাবি, বন্যপ্রাণ রক্ষার স্বার্থে দ্রুত তিস্তা নদী থেকে বালি পাথর তোলা বন্ধ করতে হবে। যদিও প্রশাসন দ্রুত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ডুয়ার্সের তিস্তা ...

 বিএনএ, বহরমপুর: এবার মুর্শিদাবাদ জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৮২হাজার ২২৮জন। এরমধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা বেশি। আজ, মঙ্গলবার থেকে পরীক্ষা নির্বিঘ্নে করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা পুলিস ও প্রশাসন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার জন্য স্থান পরিবর্তন হতে পারে। গবেষণামূলক কাজে সাফল্য আসবে। কর্মপ্রার্থীরা কোনও শুভ সংবাদ পেতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ডারউইন দিবস
১৮০৯: বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইনের জন্ম
১৮০৯: আব্রাহাম লিংকনের জন্ম
১৮৭১: ভারতবন্ধু দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজের জন্ম
১৯১৯: কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯২০: অভিনেতা প্রাণের জন্ম
১৯৬১ - বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী অতুলচন্দ্র গুপ্তর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৫২ টাকা ৯৩.৭৮ টাকা
ইউরো ৭৯.২৫ টাকা ৮২.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৩,৪৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,৭৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩২,২৩৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪০,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪০,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ২৪/১১, দিবা ৩/৫৫। ভরণী ৩৯/৫০ রাত্রি ১০/১১। সূ উ ৬/১৪/৩৬, অ ৫/২৭/১৮, অমৃতযোগ দিবা, ৮/২৯ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৭ মধ্যে পুনঃ ৩/১২ গতে ৪/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৫১ গতে ১১/২৫  মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৪২  মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৮ গতে ৯/২  মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৩৯, মধ্যে, কালরাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৩৯ মধ্যে।
২৮ মাঘ ১৪২৫, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, মঙ্গলবার, সপ্তমী ১১/১৩/৪৭। ভরণীনক্ষত্র সন্ধ্যা ৫/৫৫/২৩, সূ উ ৬/১৬/১, অ ৫/২৫/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৯/৫৬ থেকে ১০/৪৩/৫০ মধ্যে ও ১২/৫৭/৪৫ থেকে ২/২৭/১ মধ্যে ও ৩/১১/৩৯ থেকে ৪/৪০/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৬/৫৬ মধ্যে ও ৮/৫১/১ থেকে ১১/২৫/৭ মধ্যে ও ১/৫৯/১২ থেকে ৩/৪১/৫৬ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩৯/৪৩ থেকে ৯/৩/২৪ মধ্যে, কালবেলা ১/১৪/২৯ থেকে ২/৩৮/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/১/৫২ থেকে ৮/৩৮/১১ মধ্যে।
৬ জমাদিয়স সানি
এই মুহূর্তে
চ্যানেল বাছাই: সময় বাড়ল ৩১ মার্চ পর্যন্ত
নতুন নিয়মে চ্যানেল বাছাইয়ের প্রক্রিয়া যাঁদের সম্পূর্ণ হয়নি, সেই দর্শকদের ...বিশদ

10:15:02 PM

পোখরানের কাছে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার প্রশিক্ষণ প্রদানকারী মিগ-২৭ বিমান, অক্ষত পাইলট 

07:30:55 PM

নিউ টাউনে নাবালকের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ
নাবালক ছেলের বিরুদ্ধে মাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। গতকাল ...বিশদ

04:49:00 PM

বিজেপি অগণতান্ত্রিক দল: মমতা 
এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির ...বিশদ

04:34:14 PM

২৪১ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:53:39 PM

প্রয়াত ইংল্যান্ডের কিংবদন্তী গোলকিপার গর্ডন ব্যাঙ্কস 

03:51:00 PM