Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

ট্যালকম পাউডার
জয়তী রায়

ভোরবেলা হাঁটার সময় স্থল পদ্মের গাছটা  মুগ্ধ করে অরিন্দমবাবুকে। লালচে গোলাপি রঙের থোকা থোকা ফুলগুলিকে বুকে করে পাঁচিলের একপাশে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে গাছ।  বাড়িটা নিবারণবাবুর। এই সেদিন মারা গেলেন। বিদেশ থেকে ছেলে এসে ভাড়া দিয়ে গেল বাড়ি। রিটায়ার করার পরে রোজ সকালে এক চক্কর মারেন পাড়ার গলিতে, আর কিছুক্ষণের জন্য দাঁড়ান গাছটার সামনে। 
সেদিন ভোরে এক পশলা বৃষ্টি। জলে ভেজা ভোর । পায়ের নীচে নরম মাটি।  সিক্ত পদ্ম গাছ আজ আরও সুন্দরী, স্নিগ্ধ,পাতা ফুল সুদ্ধু সেও যেন চেয়ে আছে তারই দিকে।  মুগ্ধ অরিন্দমবাবুর দৃষ্টি সরে না । ভেজা পদ্মের পাপড়ি উপর দু-এক ফোঁটা স্থির বৃষ্টির জল যেন প্রথম আদরের নিষিদ্ধ আকর্ষণের মত টলটলে। গোপন আঙ্গুল সেদিকে এগোতেই, পাঁচিলের ওপাশে এক বয়স্কা মহিলার রাগী মুখ খর খর, ‘এই বয়সে ফুল চুরি! লজ্জা করে না!’
অপ্রস্তুতের এক শেষ! অরিন্দমবাবু তোতলাতে লাগলেন। বিশাল পড়াশুনো আর চাকরি করলে কী হবে! ঘাবড়ে গেলে তিনি তুতলে যান। মহিলা আবার ধমকে উঠলেন, ‘তোলাচ্ছেন কেন?’ 
কাঁচুমাচু মুখে অরিন্দমবাবু  উচ্চারণ করলেন এক বেমানান শব্দ, নার্ভাস হলেই যা বেরিয়ে আসে ছোটবেলা থেকে, ‘মা কালীর দিব্যি বলছি, আমি শুধু ছুঁয়ে দেখতে গেছিলাম।’ 
পলকে চুপ হয়ে গেল বাতাস। পদ্মের গাছ সরিয়ে ঝরঝরে হাসি মুখে বৃদ্ধা বললেন, ‘ও মা, অন্তুদা!’
অন্তুদা? কোন মহাসাগরের পার হতে ভেসে এল ওই ডাক! অন্তুদা! বিস্মিত অরিন্দমবাবু,  ফুটন্ত পদ্মের পাশে শীর্ণ মুখটির দিকে তাকিয়ে অস্ফুটে বললেন, ‘কে?’ 
আবার খিল খিল করে হেসে উঠল বয়স্কা মুখ, ‘অন্তুদা গো, আমি রানি। নিশ্চিন্দিপুরের রানি। তুমি এখনও অমন ঘাবড়ে যাও? এই বয়সেও!’ 
চল্লিশ বছর আগের নিশ্চিন্দিপুর, মনের ম্যাপ ছাড়া পৃথিবীর কোথাও যার হদিস পাওয়া যাবে না। সেখান থেকে হঠাৎ যদি  ভেসে আসে এক টুকরো কৈশোর, যেন এক খাম না-খোলা-চিঠি— তখন কেমন আনচান করে বুকের ভিতর? কেমন থমকে যায় বাতাস! হাই প্রেশার, সুগার, প্রতিষ্ঠা, প্লাস্টিক জীবন— সব ভাসিয়ে  উড়িয়ে আলপথের উপর দিয়ে দৌড়ে আসে এক মেয়ে, প্রতিমার পিছনে চালচিত্রের মত খোলা চুল, ধুলোভরা খালি পা, কোঁচর ভরা পাকা কুল। ‘অন্তুদা, কুল খাও। সক্কাল থেকে কেবল পড়া আর পড়া।’
—‘তুই কেন পড়িস না, বাঁদর মেয়ে।’
—‘ধুর। আমি তো বিয়ে করব। তুমি পড়লেই হবে।’
—‘কাকে বিয়ে করবি?’
‘তোমাকে।’  পা দোলাতে দোলাতে, কুল চাটতে চাটতে স্বচ্ছন্দ নির্ভাবনার উত্তর। 
বন্ধ গেট খুলে এগিয়ে এলো বৃদ্ধা, ‘কী ভালো লাগছে গো।  কেমন আছো তুমি?’
—‘তুই মানে তুমি কী করে, এই পাড়ায়?’ 
‘তুই বলো গো। বয়স হলেও, আমি তো সেই রানি। আমার ছেলে-বউমা  ভাড়া এসেছে। আমি তাদের সঙ্গে। নাতি আছে দু-বছরের।’
জীবন যে পালতোলা নৌকা হয়ে তর তর করে এগোতে পারে— সত্তরের কোঠায় এসে তা অনুভব করে পুলকিত অরিন্দমবাবু। ছেলে বউমার হাতে তাকে তুলে দিয়ে দিব্যি চোখ বুজলেন গিন্নি। তবে বউমা একবারে লক্ষ্মী মেয়ে। রানিকে একদিন আলাপ করিয়ে দিতে হবে বউমার সঙ্গে। আজকাল, রোজ ভোরে, পদ্মগাছের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে রানি। দু’জনে হাঁটতে বেরোন। রানির ছেলে-বউ চাকরি করে। আটটার আগে কেউ ওঠে না। 
—‘তুমি কেমন গ্রাম থেকে চলে এলে, অন্তুদা! আমি অপেক্ষা করেছিলাম। তুমি আর এলেই না।’
—‘আমার আর কে ছিল বল, রানি? পাষণ্ড মামা-মামির অধীনে অনাথ আমি, বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পেয়ে আর দেরি করিনি।’
‘কেউ ছিল না, বলো না!’ বিষাদ মাখানো কৌতুকের স্বরে বলে রানি। ‘আমি ছিলাম। তুমি জানতে । অথচ আর ফিরে এলে না!’
—‘আমি তখন দৌড়ে বেড়াচ্ছি, রানি। একটার পর একটা সিঁড়ি ভাঙছি।’
—‘আর আমি অপেক্ষা করছি। যদি একটা চিঠি অন্তত আসে। পুকুর ধারে সিঁড়ির উপর বসে থাকতাম। ওখান দিয়ে যেত পোস্টমাষ্টার। কেউ এলো না। না চিঠি। না তুমি।’ 
অপরাধীর গলায়  অরিন্দমবাবু বলেন, ‘মাফ করবে না, রানি?’ 
‘ওমা!’  শব্দ করে হেসে ওঠে রানি, ‘তোমার উপর রাগ করে থাকব? তাই কখনও হয়?’ 
দু’জনেই এই মনে-পড়ে মনে-পড়ে খেলার মধ্যে দিয়ে দু’জনকে কত কিছু বলতে চাইছে। রানির দু’চোখে স্বর্গীয় ক্ষমা। অরিন্দমের দুই হাতে অনুশোচনার অর্ঘ্য। গাঢ় শান্ত গলায় অরিন্দম বললেন, ‘কী পাউডার মাখিস বল তো! গন্ধটা খুব মিষ্টি।’
লজ্জার আলোয় রাঙা মুখ নিয়ে রানি বলে, ‘ভালো? গন্ধটা?’
নাক টেনে শ্বাস নিয়ে অরিন্দমবাবু বলেন, ‘ভীষণ মিষ্টি।’
অরিন্দম ব্যানার্জি এলাকার নাম করা লোক। রিটায়ার করার পর, একমাত্র পুত্র আর পত্নীকে নিয়ে নিরালা ছিমছাম এলাকায় বাড়ি করে উঠে আসেন। পুত্র নিজেও বড় চাকুরে। বউমাটিও তাই। হঠাৎ করে পত্নী বিয়োগের শোক অনেকটা সামলে নিয়েছেন, পুত্রবধূটির সুন্দর সাহচর্যে। শ্বশুরকে ছেড়ে বাপের বাড়ি যেতে চায় না সে। অরিন্দম বকুনি দেন । বলেন, ‘বউমা। বাপের বাড়ি না গেলে তোমার বাবা আমার নামে বদনাম করবেন।’ 
—‘কেন বাবা?’ 
—‘তোমার বাবাও তো একলা থাকেন।’
—‘সে ঠিক। ভাই এমন ফট করে আলাদা হয়ে যাবে। ভাবিনি। অত বড় বাড়ি আমাদের। বাবা মাকে গিলতে আসে। মা এত কান্নাকাটি করেন’, বলতে বলতে ভারী হয়ে আসে স্নেহার গলার স্বর।
সন্ধেবেলা সবাই মিলে একসঙ্গে চা খান। দোতালার ব্যালকনিতে চায়ের আসর তাদের পারিবারিক সময়। ধূমায়িত চা, সঙ্গে মুখরোচক আর স্নেহার গলায় গুনগুন গজল। বাড়ির সামনে মাঠ, মাঠ পেরিয়ে নির্জন রাস্তা, শহরতলিতে নেমে আসা সন্ধে— মন ভালো রাখতে পরিবারের সাহচর্যের কথা ভাবতে গিয়ে গলা ধরে আসে তার। ছেলে অরূপ মৃদু ধমক দেয়, ‘বাবা, তোমার চোখের কোল আবার ভিজে উঠেছে।’ 
—‘আরে। রোজ এত দূর থেকে সল্টলেকে অফিস যাস, তবু আমাকে ছেড়ে যাবি না। খারাপ লাগে না?’
—‘আমরা গাড়িতে যাই বাবা। দু’জনের এক অফিস। তুমি বরং সারাদিন একলা থাকো। সেটাই খারাপ লাগে।’ 
—‘কবে ছোট্ট দাদুভাই আসবে আমাদের বাড়ি?’ 
অন্ধকারেও স্নেহার মুখের কালো ছায়া নজর এড়ায় না অরিন্দমবাবুর। বহু প্রশ্ন গলা পর্যন্ত এলেও গিলে নেন। বড্ড চাপা এই আধুনিক প্রজন্ম। নিজে থেকে না বললে জিজ্ঞেস তো করা যায় না। 
ভোরবেলা হাঁটতে হাঁটতে রানিকে বলেন, ‘বুঝি না সমস্যা কোথায়? এখনও একটা বাচ্চা হল না?’ 
—‘অন্তুদা, মাঠের ধারে একটু বসি চলো। হাঁটু ব্যথা।’ 
—‘ডাক্তার দেখাবি না?’ 
—‘আরে! বয়সের ব্যথা। কথায় কথায় অমনি ডাক্তার দেখানো যায় না কি? কবিরাজি তেল আছে আমার।’ 
—‘বয়স আবার কী এমন? বয়স নিয়ে এত মাথা ব্যথা কেন?’ 
খিল খিল করে হেসে ওঠে রানি, ‘বলছ কী গো?’ 
লাজুক চোখে রানির দিকে তাকান অরিন্দমবাবু। সাধারণ সুতির ছাপা শাড়ি। পরিষ্কার টানটান করে বাঁধা চুল। নাতিদীর্ঘ শ্যামলা শরীর। হয়তো বয়স ছাপ ফেলেছে। তার তেমন কিছু মনে হয় না। শরীর জুড়ে ভেসে বেড়ায় ট্যালকম পাউডারের মিষ্টি গন্ধ। আহা! বলে মনে মনে এক নিঃশ্বাস নিয়ে, মাঠের ধারে সবুজ ঘাসে বসলেন। 
—‘হাঁটুর ব্যথাটা চিন্তায় ফেলল, রানি।’ 
—‘অন্তুদা, ওসব ছাড়ো। স্নেহার গল্প বলো। ডাক্তার দেখাতে বললে?’
—‘কই আর? মেয়েটা এত ভালো, রানি। আমাকে কী যত্ন যে করে। নিজের বাবার কাছে পর্যন্ত যায় না।’
—‘মনে আছে, অন্তুদা? রূপসা নদীর পাড়ে বসে গপ্প করতাম দু’জনে। তোমার নিজের কোনও পরিবার নেই। এ নিয়ে কত দুঃখ করতে! আর আজ দেখো কত সুন্দর তোমার ছেলে, বউ। ভগবান আছেন গো।’
অরিন্দমকে ভগবান পরিবার দিয়েছে, এই চিন্তার সুখে আকাশের দিকে তাকিয়ে হাত জোড় করে রানি।
—‘জানিস তো সব। মায়ের গয়নাগুলো  মামি যে কী করল কে জানে! বাড়ির সব কাজ করতে হতো। দয়া করে শুধু পড়াশুনো বন্ধ করেনি।’
—‘সব জানি অন্তুদা। আমার মা তোমাকে খুব ভালোবাসতেন।’ 
—‘তোদের নিটোল পরিবার। গরু, বাছুর, ধান, কলাই, নিকানো দাওয়া, দুধ মুড়ি বাতাসা, তোর ঠাকুমার তালপাতার বাতাস— আমার প্রাণ জুড়িয়ে যেত রে।’ 
‘ঠাম্মা ভারি সুন্দর করে বলতেন, পোলাখান যেন সাক্ষাৎ গোরা কৃষ্ণঠাকুর।’  বলে আবার খিল খিল করে হেসে উঠল রানি। 
—‘হাসলে আজও তোকে সেই তেরো বছরের রানি লাগে রে।’
—‘তোমার মনে আছে?’
—‘সব মনে আছে।’ 
—‘শুধু আমাকে দেওয়া কথাটা ভুলে গেলে, অন্তুদা?’
—‘কলকাতার কলেজের প্রফেসর দত্তের চেষ্টায় স্কলারশিপ পেয়ে আর পিছন ফিরে তাকাইনি। বিদেশে পুরো চাকরগিরি করে পেট চালিয়েছি। মিথ্যে বলব না। সেই সময় আর কিছু খেয়াল ছিল না।’
‘বুঝি।’  মাথা নাড়ল রানি, ‘বুঝি।’ 
—‘আমি অন্যায় করেছি, রানি।’ 
—‘না, না।’ 
তাড়াতাড়ি নিজের হাত দিয়ে ধরে ফেলে অরিন্দমের হাত। ভাগ্যিস ভোর ছ’টায় এদিকে কেউ আসে না। চওড়া কব্জির উপর রানির শীর্ণ হাত— কেউই সরিয়ে নেয় না। ইচ্ছেই করে না। 
‘না, অন্তুদা। নিজেকে দোষ দিও না। এক জায়গায় পড়েছিলাম বলে, তোমাকে ঘিরেই বেঁচে রইলাম। তোমার জীবন তো সেরকম ছিল না। তাছাড়া...’ গলা নামিয়ে ফিস ফিস করে বলে রানি, ‘তাছাড়া ওই সন্ধের পর আর কোনও পুরুষকে স্বামী হিসেবে কীভাবে মানব বলো?’ 
 প্রবল ভূমিকম্পের আঘাতে এক নিমেষে সরে যায় বছর চল্লিশ। দায়িত্ববান স্বামী বাবা শ্বশুরের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে কিশোর অন্তু। চোখের সামনের পর্দা দুলে উঠে ছায়াছবির মত ভেসে ওঠে এক পূর্ণিমার রাত। 
‘রানি!’ আবেগ থরথর গলা অরিন্দমবাবুর।
—‘কিছু বলো না। কিছু বলতে হবে না। বিয়ে হয়েছে আমারও। ঘর করেছি। কোনও ত্রুটি করিনি। এখনও বিধবার সমস্ত আচার মেনে চলছি। তবুও, আমি আর কারও হতে পারিনি, অন্তুদা।’ 
স্তব্ধ হয়ে বসে রইলেন অরিন্দমবাবু। হঠাৎ চকিত হয়ে উঠে চারিদিক তাকিয়ে আঁচল গায়ে টেনে উঠে পড়ে রানি। ——‘যেতে হবে গো ।  নাতি উঠে পড়বে আবার।’ 
—‘তাতে কী হল? ওর মা আছে তো? তুই দেখছি ঘোর সংসারী।’ 
—‘নাতি আমাকে ছাড়া চোখে অন্ধকার। আসি। আবার কাল আসব।’
   অরিন্দম থাকত মামার কাছে। সে সংসার ভরা ছিল নিত্য অপমানে। দশ বছর বয়সে বাবা-মা কলেরায় মারা গেলেন দুই দিন আগে পরে। গাঁয়ে সেইবার মহামারীর আকার নেয় কলেরা। কীভাবে যেন বেঁচে গেল সে। মামা-মামি খবর পেয়ে যখন এল, মা তখনও বেঁচে। এক পোঁটলা গয়না তুলে দেন নিজের ছোট ভাইয়ের হাতে। শেষ শক্তিটুকু নিংড়ে কোনওমতে ফিসফিস করে বলে, ‘খোকা কোনওদিন মাছ ছাড়া ভাত খায়নি রে। লেখা পড়ায় খুব ভালো। ওকে পড়াস।’
পড়াশুনোর অনুমতি মিললেও, মাছ ভাত জুটত কম। বাড়িতে বিনি পয়সার চাকরগিরি করতে হতো। মুক্তির আকাশ বলতে একমাত্র রানি। সচ্ছল পরিবারের মেয়ে। জোর করে কত কিছু খাবার দিত তার আগুন জ্বালা পেটে। দু’জনের নিবিড় নির্ভরতা ফুল হয়ে ফুটল এক পূর্ণিমার রাতে। রূপসার পাড়ে। সেদিন বিকেলে বেদম মেরেছিল মামা। সেইবার জেলার মধ্যে বারো ক্লাসের বোর্ডের পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিল সে। সেটাই কি অপরাধ ছিল? অথচ মামা ছিলেন নিঃসন্তান! তবে? জানে না অরিন্দম।  ইশকুল থেকে ফুল মিষ্টি আর বই দিল। সঙ্গে একরাশ সম্মান। হেডস্যার বিনয়বাবু, হাত রাখলেন মাথায়। 
 —‘অরিন্দম। বাড়িতে তোর অনেক প্রবলেম। আমি জানি । যদি সমস্যা হয়, সোজা চলে আসবি এখানে। আমি দেখব।’ 
   বাড়িতে ফিরে দেখে থম থম করছে পরিবেশ। রেজাল্টের খবর আগেই জানে তারা। কি এক ছুতোয় মামা বেদম মারতে লাগল। হাত থেকে ছিটকে পড়ে গেল ফুল, বই, সার্টিফিকেট। সেদিন প্রথম শরীরে অনুভূত  হল রাগ। অহংকার।  এক ঝটকায় মামার হাত সরিয়ে, সোজা দৌড় লাগাল রূপসার পাড়ে। সন্ধ্যা হয় হয়। হাউ হাউ করে  কাঁদতে ইচ্ছে করছিল। চিৎকার করে করে। সেই সময় সামনে এসে দাঁড়াল রানি। নিজের সব রাগটুকু, সব বিষটুকু ঢেলে দিলেন রানির শরীরে। সেই রূপসার পাড় থেকেই সোজা চলে গেলেন হেড মাষ্টারের বাড়ি। আর পিছন ফিরে তাকাননি।  রানি কিনা সোনার কৌটোয় ভরে রেখেছে সেই রাতকে? 
স্নেহা ডাকল, ‘বাবা, রাত হয়েছে। শুয়ে পড়ুন।’
 পরের দিন ভোরে গুন গুন গান গাইতে গাইতে তৈরি হয়ে বেরলেন। আজকাল দিনগুলি যেন ছোটবেলার শিউলিফুল কুড়োনোর মত নির্ভাবনার। বৃষ্টিভেজা বাতাসে ভেসে বেড়ায় ট্যালকম পাউডারের মিষ্টি গন্ধ।  ফুর্তিতে হাঁটতে হাঁটতে পদ্ম গাছের ধারে এসে থমকে গেলেন, রানি তো নেই! এমন তো হয় না! গত এক মাস ধরে একদিনও এমন হয়নি ! মন খুব খারাপ লাগছে। আশঙ্কা জাগছে। বয়স হয়েছে তো। সাধের পদ্মগাছের দিকে তাকাতেও মন করছে না। সাত পাঁচ ভেবে, বাড়ির গেট খুলেই ফেললেন। গেট দিয়ে একটু এগলেই, একতলা বাড়ির খোলা জানলা দিয়ে, নারী কণ্ঠের চাপা গর্জন ভেসে এল, ‘শয়তান বুড়ি, এই বয়সে এত সাজের শখ তোর?’
পা দুটো আটকে গেছে অরিন্দমবাবুর। শুনতে পেলেন রানির গলা, ‘সাজিনি বউমা। ভোর চারটে উঠে তোমাদের জলখাবার করে হাঁটতে যেতাম, তখন ঘেমো গায়ে তোমার পাউডার দিতাম একটু।’
—‘হাঁটতে যেতিস,  না প্রেম করতে যেতিস? তোর ওই পুরনো প্রেমিকের সঙ্গে? আমার পাউডার চুরি করে গায়ে মেখে! অন্তুদা! ছিঃ! ছিঃ! ছিঃ!’
রানির গলা শোনা যায় না। ধুপধাপ জিনিস ফেলার আওয়াজ ভেসে আসে। কী করবেন অরিন্দম? সেই সতেরো বছরের ভীরু প্রেমিকের মতো পালিয়ে যাবেন? নাকি সত্তরের সাহসী মন নিয়ে বন্ধ দরজা ঠেলে হাত ধরবেন একলা প্রেমিকার?  মৃত্যুর সময় হয়ে এল! এখনও জরুরি সমাজের সার্টিফিকেট?
অলংকরণ: সোমনাথ পাল
04th  November, 2018
বীরবল 
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৪৩

আগ্রার কেল্লা থেকে বেরতেই বীরবল দেখলেন ফটকের সামনে অপেক্ষায় এক তাগড়াই হাতি, তার ফিলবান রহমত খান শরীর ঝুঁকিয়ে বলল আইয়ে হুজুর।
বীরবলের আন্দাজ ছিল তাঁর নির্দিষ্ট ঘোড়া বিজলির পিঠেই চেপে যাবেন সিক্রিতে। এখন জানলেন বাদশাহের হুকুমে তাঁর জন্য বরাদ্দ হয়েছে এক লড়াকু হাতি—যার নাম জয়নাব।
বিশদ

04th  November, 2018
মরু নদী
স্বপন পাল

আজ সকাল থেকেই মনটা খুব একটা ভালো ছিল না বিহানের। কেমন যেন বিক্ষিপ্ত। কিছুটা উদ্‌ভ্রান্তের মতো পথ হাঁটছিল। সূর্যটা পশ্চিম দিকে কিছুটা হেলে পড়েছে। সামনে নিজের ছায়া। এখন তার নিজের ছায়ার দৈর্ঘ্য তার মাপের বাইরে চলে গেছে।
বিশদ

28th  October, 2018
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৪২

শেখ সেলিম চিস্তি যেমন বলেছিলেন, বাদশাহ আকবরের এক আওলাদ পয়দা হল তাঁর রাজপুত আওরতের গর্ভে। রিয়াসতে তখন ঘোর বর্ষা, বাদশাহি সড়কের দু’পাশে অড়হর, ভুট্টা আর বজরার খেতি। সবুজ আর হলুদের মাঝামাঝি সেই সব ফসলের উমর।
বিশদ

28th  October, 2018
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়


 বীরবর তাজ্জব হয়ে বললেন, ‘অনেক অনেক কিতাব তরজমা করতে হবে। তার জন্য চাই বহত সংস্কৃত-জানা পণ্ডিত। বহত ফারসি জানা পণ্ডিত। দেওয়ানের মুখে বিরক্তির ছাপ, বললেন, তরজমা করে কী হবে, বীরবলজি! বিশদ

21st  October, 2018
অনুক্ত 
আইভি চট্টোপাধ্যায়

ঘণ্টা তিন হল দেখা হয়েছে। আর দেখাটা হয়েছে প্রায় চার বছর পর। স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত দেবশ্রী, ‘কতদিন পর তোর সঙ্গে দেখা হল সুবর্ণা!’‘আমি তো আসতেই চাইনি রে, অফিস জোর করে পাঠাল।’ তেমন উচ্ছ্বাস নেই সুবর্ণার গলায়। বিশদ

21st  October, 2018
বলাই এক বালাই
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

‘ওর জন্যে অফিসে আমার প্রোমোশন আটকে আছে। জানো কি করেছে? মিত্তির সাহেবকে এক ঝুড়ি আম দিয়েছে, দুটো কাঁঠাল। আমার না আছে আমবাগান, না আছে কাঁঠাল। থাকার মধ্যে দুটো পেয়ারা গাছ। তা আমি কিন্তু বসে থাকিনি, চারটে বড় সাইজের পেয়ারা পাতা সমেত ভাগ্য দেবতাকে নিবেদন করলুম। ফল হল উল্টো।
বিশদ

14th  October, 2018
বীরবল: পর্ব-৪০
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 চিতোরের, কেল্লায়, সড়কে সড়কে বয়ে গেছে হাজার হাজার সৈন্যের রক্তস্রোত। কেল্লার মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে হাজার হাজার আওরতের শরীর।ক্রোশ ক্রোশ সড়ক উজিয়ে সেই খুন-খারাবির খবর পৌঁছল বীরবরের কানে। খুবই পেরেশানি হচ্ছিল তাঁর।
বিশদ

14th  October, 2018
রেডিও দুর্গা 

সোমনাথ ঘোষাল: খিড়কির জানলা দিয়ে দুপুরের চড়াইগুলো শব্দ করে যাচ্ছে। কার্নিশে শরতের রোদ পায়রার গা ছুঁয়ে আসে, দোয়েলদের বাড়িতে। অর্ঘ্য আর সায়ন তখনও ছাদে মোমবাতি আর জিবিয়ালে লাট দিচ্ছে। সঙ্গে নেড়ি কুকুর ছোট্ট ভুতুম। এখনও আকাশে ঘুড়ি। শরতের মেঘ গুনতে গুনতে আকাশটাও আজ খামখেয়ালি। এই রামদুলাল লেনের একটা গলি বন্ধ। প্যান্ডেল হচ্ছে।   বিশদ

07th  October, 2018
বীরবল 

তপন বন্দ্যোপাধ্যায়: দেওয়ান-ই-খাসের পেল্লাই ঘরের তখ্‌঩তে বেশ ধোপদুরস্ত হয়ে বসে বাদশা আকবর। তাঁর মাথায় রঙিন পাগড়ি, দেখতে অনেকটা ‘দু-পলড়ি’ টোপির মতো, তাতে এত মণিমুক্তো সোনাদানা যে, চোখ ধাঁধিয়ে যায়। বাদশাহের পরনের পোশাকও জেল্লাদার। সোনালি রঙের কারুকাজ করা ঘননীল শেরওয়ানির সঙ্গে সাদা চুস্ত পায়জামা। গলায় সারি সারি হিরে আর মুক্তো দিয়ে গাঁথা হার।  বিশদ

07th  October, 2018
ঠিকের রাঁধুনি 
উদয়চাঁদ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোর সাড়ে তিনটের বনগাঁ লোকালের তীব্র হর্নের আওয়াজে ঘুম ভাঙে সুদীপের। আর এক মুহূর্ত অপেক্ষা নয়। বিছানা থেকে নেমে, দরজার খিল খুলে বাইরে আসে। দেরি হওয়া মানে, পায়খানার লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্টকর অপেক্ষা।
বিশদ

30th  September, 2018
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৩৮

আগ্রার ব্যস্তসমস্ত মাণ্ডি পেরিয়ে খোলা ময়দানে হাতির লড়াই হবে, সেই খবরে আজ সুবা থেকে দলে দলে লোকজন ছুটছে মাণ্ডির ওপাশে—
ভিড়ের মধ্যে এক জওয়ান খসম তার জওয়ানি বিবির হাত ধরে চলেছে হনফন পায়ে। তাদের দুজনকে অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই চেনা যাচ্ছে, কেননা তাদের দুজনেরই পোশাক জেল্লা দিচ্ছে বেশি। 
বিশদ

30th  September, 2018
বর্ষার বন্ধু
বিনতা রায়চৌধুরী

মনামীর জীবনে একটা ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটা বেশ অবাক করা এবং বোধহয় আনন্দেরও। পর পর তিন সপ্তাহেই এক ঘটনা ঘটল। এখন তো বৃষ্টির সময়, যখন-তখন বৃষ্টি আসে। মনামীর একটাও ছাতা নেই। একটাও বলার মানে ওর বাড়িতেই কোনও ছাতা নেই। এ
বিশদ

23rd  September, 2018
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

পর্ব ৩৭
যমুনা নদী দিয়ে আশ্চর্য ছন্দে ভেসে যাচ্ছে একটা নাও, তার নাইয়া গান গাইতে গাইতে চলেছে, বীরবর খেয়াল করে দেখলেন ব্রজভাষার গান, তার কথাগুলি যেমন মন-কাড়া, তেমনই তার সুর। ‘ভালোবাসা এক নীল দরিয়া, তার নেই তল, নেই কূল/ যে মানুষই ঝাঁপ দিয়েছে সব্বার হয় ভুল।’
বিশদ

23rd  September, 2018
গণবিবাহের বিয়ের পিঁড়ি
রতনতনু ঘাটী

সাধুচরণ দণ্ডপাটের রোজগারপাতি তেমন নেই বটে, কিন্তু অনেকদিন ধরে সে মনেপ্রাণে আধুনিক হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর একটা কারণ আছে। যে কারণটা সাধুচরণ কাউকে বলে না। বলা যেতে পারে আধুনিকতা এখন তাকে যেন সারাক্ষণ পিছু ধাওয়া করে বেড়ায়।
বিশদ

16th  September, 2018
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই আলোর উৎসব ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনকে প্রতিফলিত করতে এক বিশেষ সুযোগ এনে দেবে। ...

  সংবাদদাতা, কান্দি: বুধবার গভীর রাতে বড়ঞা থানার কুলি গ্রামে ভস্মীভূত হয় ছ’টি দোকান। খবর পেয়ে কান্দি থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভায়। এই ...

বিএনএ, জলপাইগুড়ি: লোকসভা ভোটের মুখে জলপাইগুড়িতে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল তীব্র হয়ে উঠেছে। দলের জেলা সভাপতিকে সরানোর দাবিতে দলের একাংশের ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই এসটি-এসসি সেলের জেলা সভাপতি বদল নিয়ে দলে জোর চর্চা ছড়িয়েছে। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: গত কয়েক দিন ধরে চন্দননগর কর্পোরেশনের কয়েকটি ওয়ার্ডে জ্বরের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জ্বরে আক্রান্তদের মধ্যে ২৫ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে গত এক সপ্তাহে মোট ছ’জনের রক্তে ডেঙ্গুর জীবাণু মিলেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 
এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM