Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

বিদায়
তিগমাংশু ধুলিয়া

দীর্ঘ ৩৪ বছরের বন্ধুত্ব তাঁদের। ইরফান খানের সঙ্গে জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক-অভিনেতা তিগমাংশু ধুলিয়ার পথ চলা শুরু ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’র আঙিনা থেকে। এরপর তিগমাংশুর পরিচালনায় হাসিল, চরস, পান সিং তোমার, সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টার রিটার্নস ছাড়া একাধিক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন ইরফান। ৩৪ বছরের এই সফরে তিগমাংশুকে কখনও তিনি অভিভাবকের মত শাসন করেছেন, পরম স্নেহ দিয়েছেন। আবার কখনও বা বড় দাদা, বন্ধু হিসেবে বুক দিয়ে আগলেছেন। পথ দেখিয়েছেন মেন্টর হিসেবেও। এমনই ছিল তাঁদের সম্পর্কের রসায়ন। প্রায় চার দশকের এই সফরের কথা বলতে বলতে আবেগে বুঝে আসছিল তিগমাংশুর গলা। আজ তিনি সর্বহারা, নিঃস্ব।

 এনএসডি-র আঙিনা
১৯৮৬ সালে এনএসডিতে পড়তে আসি। ওখানেই প্রথম দেখি ইরফানকে। ওর থেকে এক ক্লাস জুনিয়র ছিলাম। ইরফান তখন মুখচোরা এক মানুষ। কারও সঙ্গে খুব একটা কথাবার্তা বলত না। একদমই মিশুকে নয়। হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধু। ইরফানের স্ত্রী সুতাপা তখন থেকেই ওর পাশে। আমাদের হস্টেলে সবথেকে অগোছাল ছিল ইরফানের রুম। প্রথম যখন অভিনয়ের ক্ষমতা দেখলাম, তখন থেকেই আমি ওর ফ্যান। সেটা ছিল আমাদের কলেজের একটা নাটক। ম্যাক্সিম গোর্কির ‘দ্য লোয়:র ডেপথস’। মনে হয়েছিল, ওর মধ্যে আলাদা কিছু আছে। সেই থেকে আমাদের বন্ধুত্বের পথ চলা শুরু।

 অভিন্ন আমরা
আমরা দু’জনেই ফিল্ম পাগল। চিন্তাভাবনা, পছন্দ-অপছন্দ, দৃষ্টিকোণ
সবই এক। ইরফানের একটা বড় গুণ যে, ওর জানার ইচ্ছে প্রবল। সব বিষয়ে অদম্য কৌতূহল। আর তার জন্য প্রচুর পড়াশোনা করত। সেই সময় আমাদের প্রিয় অভিনেতা ছিল আল পাচিনো, রবার্ট প্যাটিনসন...। এনএসডির এক বছরে ইরফানের অনেক ভালো কাজের স্বাক্ষী ছিলাম। তবে ওর অভিনীত একটা নাটক আজও ভুলতে পারি না। ইরফান এনএসডি থেকে পাশ করে বেরনোর পরের... ‘লাল ঘাস পে নীলে ঘোড়ে’ নাটকে লেনিনের চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেছিল। এরপর ইরফানের প্রচুর নামডাক হয়। এর মধ্যেই আসে মীরা নায়ারের ‘সালাম বোম্বে’ ছবিতে কাজের ডাক।

 এই সফর
ইরফান মুম্বই যাওয়ার কিছু বছর পর আমিও ওখানে যাই। একসঙ্গে শুরু হয় আমাদের লড়াই। আমরা সারাদিন একসঙ্গে কাটাতাম, সিনেমা নিয়ে আড্ডা মারতাম। ধীরে ধীরে ইরফানকে উচ্চতায় উঠতে দেখি। অভিনেতা ইরফানের মধ্যে অনেক বদল আসে। প্রতিদিন ও নিজেকে আরও পরিণত করেছে।

 মানুষ ইরফান
মানুষ ইরফান একই ছিল। জয়পুর থেকে আসা সেই সাধারণ ছেলেটা আজ অসাধারণ হয়ে উঠলেও ওর মধ্যে কোনও পরিবর্তন আসেনি। আর ইরফানের এই গুণটাই ওকে সকলের থেকে আলাদা করেছে। সাফল্যের ভারে ও কখনও নুইয়ে পড়েনি। বরং আরও শিক্ষা নিয়েছে। ছোট শহর থেকে আসা অনেকেরই মাথায় সাফল্যকে চড়ে বসতে দেখেছি। এরপর কোথাও তারা হারিয়ে






গিয়েছে। কিন্তু ইরফান ছিল সত্যি ব্যতিক্রমী। ও সাফল্যকে খুব সুন্দর সামলাতে পারত। ইরফান মনে করত, ওর অভিনয় সফর এই সবে শুরু হল। হলিউডেও ও অনেক কাজ করেছে। তারপরও ওর প্রতিনিয়ত শেখার ইচ্ছেয় এতটুকু ঘাটতি হয়নি। এত বড় স্টার, তাও পা সবসময় মাটিতে। অসম্ভব বিনয়ী,
জ্ঞানী, হাসিখুশি, প্রাণবন্ত, বিন্দাস টাইপের মানুষ। সেন্স অব হিউমারও ছিল দুর্দান্ত।
 অন্য জগত
ফিল্ম ছাড়া ক্রিকেট, ওয়াইল্ড লাইফ, পরিবেশ এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভালবাসত ইরফান। রাজনীতি নিয়েও আগ্রহ ছিল। আর ভালোবাসত বেড়াতে। বিশেষ করে জঙ্গলে...। আমরা একসঙ্গে অনেকবার জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কে গিয়েছি। তবে সিনেমার পরে ওর সবচেয়ে প্রিয় বিষয় ছিল ক্রিকেট। চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন লন্ডনে ছিল। ইরফান তখন নিজের কাছে ফোন সবসময় রাখত না। সুতপার সঙ্গে আমার স্ত্রী-র দারুণ বন্ধুত্ব। আমি ওর থেকেই সব খবরাখবর পেতাম। তবে লন্ডনে থাকতে আমার সঙ্গে যতবার কথা হয়েছে, বিষয় ছিল শুধুই ক্রিকেট। ভারতের ইংল্যান্ড সফর কত কী বলত! লর্ডসে গিয়ে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ম্যাচ দেখেছিল। মারাত্মক উত্তেজিত ছিল ব্যাপারটা নিয়ে। আমাকে ফোনে ইরফান সেই ম্যাচটা প্রায় পুরো কমেন্ট্রি করেছিল। সৌখিন




ছিল খাওয়াদাওয়ায়। কোনওদিনই বেশি খেতে পারত না। তবে যাই খেত, শর্ত একটাই... স্বাদ মুখে লেগে থাকতে হবে। নিজে রান্নাও করত দারুণ! ওর ‘ইয়াকনি পোলাও’ আজও ভুলতে পারিনি। ভালো ঘুড়িও ওড়াতে পারত।
 সম্পর্কের রসায়ন
আমাদের সম্পর্কটা ছিল ভারি অদ্ভুত। আমি ওকে কখনও বাবা হিসেবে পেয়েছি, আবার কখনও বড় দাদার মতো। কখনও মেন্টর হয়ে পথ দেখিয়েছে। আমার সবচেয়ে প্রিয় এবং কাছের বন্ধু ইরফানই। এই এক জীবনে ওর থেকে স্বাদ পেয়েছি সব সম্পর্কের।
 জাদুকর ইরফান
আমার পরম সৌভাগ্য যে ইরফানের মত অভিনেতাকে নিয়ে আমি প্রচুর কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমার মতো অন্য কেউ ওর সঙ্গে এত কাজ করেননি। সবসময় আমার চেষ্টা থাকত, ওর উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যাওয়ার। এমনকী
লেখক হিসেবেও আমাকে অনেক ভাবনাচিন্তা করতে হতো। ইরফান যে
দৃশ্যে আছে, তার মধ্যে নতুন কিছু জুড়তে হতো। জানতাম, ও-ই পারবে সেই দৃশ্যটাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে। যখন যে চরিত্রে অভিনয় করত, ডুবে থাকত তাতেই। অত্যন্ত বুঝদার অভিনেতা ছিল ইরফান। এক একটা চরিত্র ওর অভিনয়ের গুণেই জীবন্ত হয়ে উঠত। পুরো চিত্রনাট্য পড়ার পরই ও ছবি করতে রাজি হতো। সত্যি বলতে ইরফান ছিল অভিনয় জগতের জাদুকর। ওর মত অভিনেতা অনেক দশকে একটা জন্মায়।
 বিদায় বন্ধু
আমার মননে, সৃষ্টিতে চিরকাল জীবন্ত হয়ে থাকবে আমার প্রাণের ইরফান। শেষবেলায় আমাদের কোনও কথা হয়নি। হাসপাতালে গিয়ে দেখি হাসিখুশি, প্রাণবন্ত সেই মানুষটা অচৈতন্য অবস্থায় বিছানায় শুয়ে। আরও কত কথা অবলা থেকে গেল। আরও কত সৃষ্টির উল্লাসে মেতে ওঠা বাকি। আরও কত পথ চলা রয়ে গেল বাকি... জীবনের সফরসঙ্গী হয়ে।
 অনুলিখন: দেবারতি ভট্টাচার্য
03rd  May, 2020
নেতাজি সুভাষের সেবাশ্রম
জয়ন্ত চৌধুরী

নির্জন দুপুর। বঙ্গভূমি থেকে নির্বাসিত কারারুদ্ধ সুভাষ। বার্মার মান্দালয় জেল তাঁর কাছে তখন জীবন উপলব্ধির একান্ত সাধনপীঠ। বহু ত্যাগ ব্রতী দেশপ্রেমিক কারাজীবন অতিবাহিত করেছেন বার্মার কারাগারে। আর এই জেলে বসেই একদিন পেলেন তাঁর রাজনৈতিক সমর্পণের কাণ্ডারী দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের প্রয়াণবার্তা। বিশদ

24th  January, 2021
অবিলম্বে ওই তথাকথিত চিতাভস্ম
ফেলে দেওয়া হবে না কেন?
 বরুণ সেনগুপ্ত

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী ঘটা করে উদযা঩পিত হল। কিন্তু এই মহান দেশনায়কের অন্তর্ধান রহস্য আজও উদ্ঘাটিত হল না। ২০০৫ সালের ৫ ডিসেম্বর থেকে ২০০৬ সালের ১১ জানুয়ারি ২৮টি কিস্তিতে প্রকাশিত ‘বর্তমান’ সম্পাদক বরুণ সেনগুপ্তর লেখাটি এ প্রসঙ্গে আজও প্রাসঙ্গিক। তুলে ধরা হল সেই লেখার নির্বাচিত অংশ—
বিশদ

24th  January, 2021
নোবেল, পেনরোজ, 
বং কানেকশন
মৃন্ময় চন্দ

অবিশ্বাস্য, পদার্থবিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কারে বং কানেকশন! আইনস্টাইনের জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি বা আপেক্ষিকতাবাদের সূত্রেই হকিং-পেনরোজ ব্ল্যাকহোলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মহাবিশ্বে অজস্র গ্রহাণুর বর্ণিল ঝিকিমিকির মধ্যে মূর্তিমান বেমানান ‘ব্ল্যাকহোল’, জীবনের শেষদিন পর্যন্ত এমনটাই মনে করতেন আইনস্টাইন। বিশদ

17th  January, 2021
কোট-প্যান্ট 
পরা সন্ন্যাসী

অনেকেই জানতে চান, কার নির্দেশে গৈরিক সন্ন্যাসীরা কোট-প্যান্ট-টাই পরা সন্ন্যাসী হলেন? সহজ উত্তর, এর পিছনে রয়েছে স্বয়ং স্বামীজির সবুজ সঙ্কেত। সন্ন্যাসীদের কেন এই বেশবাস? লিখছেন শংকর। বিশদ

10th  January, 2021
আমার সন্তান যেন থাকে
ভ্যাকসিন  ভাতে
সুন্দর মুখোপাধ্যায়

দু’হাজার কুড়ি বিদায় নিয়েছে, দুর্যোগও যেন শেষ হতে চলল। তবে এ ব্যাপারটা হোল-ওয়ার্ল্ডে সবচেয়ে আগে বুঝেছে বরানগরের বিল্টু। তার প্রেমিকা মিতা পুরো বছরটা ঝুলিয়ে রেখে একেবারে বছর শেষে বাড়ির অমতে বিয়েতে মত দিয়েছে। এই সুবর্ণসুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়, বিল্টুও করেনি। বিশদ

03rd  January, 2021
 কলকাতার গর্বের চার্চ
 ​​​​​​শান্তনু বসু

১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট। সুতানুটির ঘাটে জাহাজ ভেড়ালেন জোব চার্নক। কলকাতা, সুতানুটি ও গোবিন্দপুর এই তিনটি গ্রাম নিয়ে গড়ে উঠল ইংরেজদের বাণিজ্যঘাঁটি। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী হিসেবে অবশ্য ইংরেজরাই কলকাতায় প্রথম নয়, তাদের আগে বসতি স্থাপন করেছিল আর্মেনিয়ান ও পর্তুগিজরা। বিশদ

27th  December, 2020
দেশবন্ধু ১৫০
রজত চক্রবর্তী

১৮৯৭। কলকাতা সরগরম। বিশেষ করে শিক্ষিত সমাজে কিছুদিন ধরেই আলোচনা তুঙ্গে। চারিদিকে ছি ছি পড়ে গিয়েছে! ব্রাহ্ম সমাজের মাথারা আলোচনায় বসেছেন। কারণ, বরদানাথ হালদার ও ভুবনমোহন দাশ সমাজের অগ্রগণ্য দুই মানুষ জড়িয়ে গিয়েছেন এই ঘটনায়। বরদানাথ হালদার বিক্রমপুরের নওগাঁ গ্রামের বাসিন্দা আর ভুবনমোহন দাশ কলকাতার। বরদানাথ হালদারের আর্থিক অবস্থা ভালো হলেও ঋণগ্রস্ত ভুবনমোহন দাশের অর্থনৈতিক অবস্থা জর্জরিত। বিশদ

20th  December, 2020
লৌহপুরুষ
সমৃদ্ধ দত্ত

মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের প্রয়াণদিবস। ৭০ বছর হয়ে গেল তিনি আর নেই। কিন্তু স্বাধীনতা-উত্তর ভারতের অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁর অবদান আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি সত্যিই এদেশের এক ও একমাত্র আয়রনম্যান।
বিশদ

13th  December, 2020
সিটিজেন বনাম 
সিনিয়র সিটিজেন
শংকর

আগামীকাল, ৭ ডিসেম্বর আমার জন্মদিন, কিন্তু আজ তো ৬ ডিসেম্বর, জোর করে বলা যায় না আমি এইট্টি সেভেন নট আউট হতে চলেছি আগামী কাল। নানা অনিশ্চয়তা নিয়ে এখনকার দিনকাল। তার সঙ্গে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার, যাদের ধরবার জন্য নবাগত একটি ভাইরাস নাকি বিশেষ আগ্রহী। দেখা যাচ্ছে, মানুষ থেকে জীবাণু পর্যন্ত কেউই নিজের জোরে রাজত্ব চালাতে আগ্রহী নয়, তাই বাংলা ভাষাতেও ‘কো-মরবিডিটি’ বলে একটা ইংরেজি শব্দের বেআইনি অনুপ্রবেশ ঘটল।  বিশদ

06th  December, 2020
অবিশ্বাস্য
রাতুল ঘোষ

পার্থিব জীবন থেকে মুক্তি মিললেও ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা অমর হয়ে থাকবেন। অন্তত এই গ্রহে যতদিন ফুটবল খেলা বেঁচে থাকবে। খ্যাতি-অখ্যাতির নেপথ্যে তাঁর এই চিরপ্রস্থানে ব্যথিত, শোকস্তব্ধ ফুটবল দুনিয়া। ফিফা আয়োজিত ফুটবলপ্রেমীদের গরিষ্ঠাংশের ভোটে মারাদোনা বিংশ শতাব্দীর সেরা ফুটবলারের সম্মান যৌথভাবে পেয়েছিলেন ফুটবল সম্রাট পেলের সঙ্গে ভাগাভাগি করে। বিশদ

29th  November, 2020
হেমন্তের দুর্গা 
সুখেন বিশ্বাস

মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের স্বপ্নে পাওয়া জগদ্ধাত্রী। এই পুজো এখন আর কৃষ্ণনগর বা চন্দননগরে সীমাবদ্ধ নেই। ছড়িয়ে গিয়েছে বাংলার সর্বত্র। হেমন্তকালের শুক্লা কার্তিকের নবমীতিথিতে তাই বাংলায় নতুন করে দেখা যায় শরতের রোদ্দুর। আকাশবাণীর প্রভাতী অনুষ্ঠান বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ‘আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোকমঞ্জীর’ নেই... তবু প্রবাসীরা ঘরে ফেরে। দুর্গাপুজোর মতোই নতুন পোশাকে মানুষ বেরিয়ে পড়ে ঠাকুর দেখতে।  
বিশদ

22nd  November, 2020
শ্যামাসংগীত...
আলাদা একটা অধ্যায়
শ্রীকান্ত আচার্য্য

 ছোটবেলা থেকেই শ্যামাসংগীতে আমার বিশেষ আকর্ষণ ছিল। সেটা পান্নালাল ভট্টাচার্যের গান শুনেই। বাড়িতে রেকর্ড ছিল। ‘দোষ কারও নয় গো মা...’ পাগল করা একটা গান, দাশরথি রায়ের অপূর্ব লিরিক। পুজোআচ্চা বা মন্দিরে যাওয়া, এসবে আমি নেই ঠিকই... কিন্তু ভক্তিগীতি বরাবর ভালো লাগে। শ্যামাসংগীত আমাদের বাংলা গানের ইতিহাসে পৃথক একটা অধ্যায় বলা যেতে পারে। এই গান ঘিরে যে সাহিত্য-সম্পদ তৈরি হয়েছে, তা অমূল্য। বিশদ

15th  November, 2020
একবার দেখা দিলি না মা... 

 আর দশ বছর পরই তাঁর জন্মশতবর্ষ। বাঙালি তাঁকে মনের মণিকোঠায় কতটা রেখেছে, বলবে সময়ের দলিল। কিন্তু একটা বিষয়ে সকলেই একমত... ফুল ছাড়া যেমন পুজো হয় না, পান্নালাল ভট্টাচার্যের শান্ত-মিঠে কণ্ঠ ছাড়া মা কালীর আরাধনাও যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বহু সাধক-কণ্ঠে মায়ের গান শুনেও পান্নালালের সেই আর্তি খুঁজে পেয়েছেন, এমনটা হলফ কেউ বলতে পারেন না। মায়ের পায়ের জবা হয়ে ফুটে ওঠা পান্নালাল ভট্টাচার্যকে সেদিন ভুলে থাকে, সাধ্য কার! পান্নালালের চেয়ে আট বছরের বড়, তাঁর মেজদা ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য। তাঁরই ছেলে দীপঙ্কর ভট্টাচার্য... পান্নালালের ভাইপো। যিনি গর্ব করে বলতেই পারেন, তাঁর বাবা-কাকার মতো শিল্পী আগামী দু’শো বছরে আর আসবে না এ বাংলায়। বলতেই পারেন, কালীপুজোর নির্ঘণ্ট মানে জবাফুল, বেলপাতা আর পান্নালালের গান। এই অমূল্য রত্নকে কাছ থেকে দেখা ভাইপো দীপঙ্কর ভট্টাচার্যর স্মৃতিচারণায় উঠে এলেন এক অন্য সাধক। শুনলেন অন্বেষা দত্ত। বিশদ

15th  November, 2020
মোদির মিশন বিহার
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি রেকর্ড গড়তে ভালোবাসেন। যে কোনও একটি সাফল্যকেই তাঁর অনুগামী ও দল রেকর্ড হিসেবে প্রচার করে এবং বিশ্বাসও করে। রেকর্ড করতে কে না ভালোবাসে? তাই এটা কোনও অন্যায় নয়। অপার জনপ্রিয়তা, অপরিসীম ক্যারিশমা, দল ও সরকারের উপর একচ্ছত্র অথরিটি।   বিশদ

08th  November, 2020
একনজরে
সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে রবিবার রাতে দুঃসাহসিক ডাকাতি হল দুর্গাপুরে। রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে নিরাপত্তারক্ষীকে ঘরে বন্দি করে সশস্ত্র ডাকাত ...

করোনার টিকা নিয়ে কোনওরকম গুজব ছড়ালে কড়া শাস্তি পেতে হবে। এমনই নিদান দিল কেন্দ্র। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে ভিত্তিহীন কিংবা বিভ্রান্তিকর খবর ...

ফুটবলার হিসেবে জিতেছিলেন একাধিক ট্রফি। স্বপ্ন ছিল, চেলসি কোচের পদেও সাফল্যের সেই ধারাবহিকতা বজায় রাখবেন। তবে মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই কোচের পদ থেকে ছাঁটাই হলেন ...

রেলমন্ত্রী থাকাকালীন শহরে একাধিক মেট্রো প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এক দশকের বেশি সময় কেটে গেলেও কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং অপ্রতুল বাজেট বরাদ্দের জেরে তার ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার, ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

সাধারণতন্ত্র দিবস
১৮৪১: আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং দখল করল ব্রিটিশরা
১৯৩০: পরাধীন ভারতে এই দিনটিকে ‘পূর্ণ স্বরাজ দিবস’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫০: লাগু হল ভারতের সংবিধান। রাষ্ট্রপতি পদে রাজেন্দ্র প্রসাদ দায়িত্ব গ্রহণ করে সূচনা করলেন গণতন্ত্রের।
১৯৫৪: রাজনীতিবিদ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু
১৯৬৫- হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র
১৯৬৯ - বাঙালি ধর্মসংস্কারক অনুকূলচন্দ্র ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯২: পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা থেকে রাশিয়া বিরত হবে বলে জানালেন বরিস ইয়েলৎসেন
২০০১: গুজরাতের ভুজে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হল প্রায় ২০ হাজার মানুষের
২০০৪: আফগানিস্তানের নয়া সংবিধানে স্বাক্ষর করলেন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই
২০১৮ - অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৬ টাকা ৭৩.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৩২ টাকা ১০১.৭৬ টাকা
ইউরো ৮৭.৩১ টাকা ৯০.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী ৪৫/৮ রাত্রি ১২/২৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৫৫ রাত্রি ১/৫৬। সূর্যোদয় ৬/২১/৫৮, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২২ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী রাত্রি ১১/১৮। মৃগশিরা নক্ষত্র ১/২৫। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৪৯ মধ্যে ও ১১/২৫ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৯ গতে ৪/৩৮ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছুটি
আজ, মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি দেশের ৭২তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এই ঐতিহাসিক ...বিশদ

02:00:00 AM

পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন শিল্পী নারায়ণ দেবনাথ

25-01-2021 - 10:00:53 PM

পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন মৌমা দাস

25-01-2021 - 09:55:01 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ও চেন্নাই এফসি-র ম্যাচটি ১:১ গোলে ড্র

25-01-2021 - 09:43:06 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১ (২১ মিনিট) -চেন্নাই এফসি ১ (৭৬ মিনিট)

25-01-2021 - 09:24:17 PM

অসুস্থ সমবায় মন্ত্রী  অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

25-01-2021 - 04:22:06 PM