Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

অক্ষয় হোক এই তৃতীয়া!
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

ভারতবর্ষ সেই দেশ, যে দেশের মানুষ সৃষ্টির আদিতে শুনেছিল স্রষ্টার কণ্ঠস্বর—তোমরা সবাই অমৃতের পুত্র। গড়ে উঠেছিল অপূর্ব এক শান্ত সভ্যতা। পেয়েছিল একটি ধর্ম, যার মূল কথা ছিল জীবনের চারটি স্তম্ভ— ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।
এই ভারতে তোমরা পরিপূর্ণ একটি জীবন বিন্যাস দেখতে পাবে। তপোবনে, শৃঙ্গশিখরে, অরণ্যে, নদীতীরে— একদল সর্বত্যাগী মানুষ অনন্তের সঙ্গে যোগসূত্র রচনা করে জীবন কাটাবেন, আর গৃহীদের উচ্চজীবনের আদর্শের কথা শোনাবেন। ধর্মের সঙ্গে সংসারকে মিলিয়ে দেবেন। হতাশার সঙ্গে বেঁধে দেবেন মহতী আশ্বাসের গাঁটছড়া। দুর্ভাগ্য আমাদের, সেই জীবনছন্দ আমরা ক্রমশই হারিয়ে ফেলছি। এখন শুধু বেঁচে থাকা ছাড়া আর কোনও দায়িত্বই যেন আমাদের নেই।
একসময় সময় ছিল না। কেন ছিল না? তখন এই সৃষ্টি ছিল শূন্য। জীবনের পালা শুরু হয়নি। মজাটা এই, দর্শক না থাকলে পালা জমে না। মানুষ নামক অতি-প্রাণীটিকে আগেই দর্শক মঞ্চে বসান হল। স্রষ্টা শুরু করলেন সৃষ্টি। সময় ভাগ হয়ে গেল তিনটি পর্বে— বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ। পালার শুরুতে একটি ঘণ্টা বাজে। ঘোষক ঘোষণা করেন— যুগ শুরু হল। সেই প্রথম যুগটিকে বলা হয় সত্যযুগ। আর সেদিনের তিথিটি ছিল তৃতীয়া।
পুরাণে তিনটি তৃতীয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রথমটি হল অনন্ত তৃতীয়া, দ্বিতীয়টি হল আর্দ্রানন্দকরী তৃতীয়া, আর তৃতীয়টি হল অক্ষয় তৃতীয়া।
অক্ষয় শব্দের অর্থ যার ক্ষয় নেই। ধন, জন, অর্থ, সম্পদ, যা কিছু সঞ্চিত হবে, তা চিরকালই সঞ্চয়ে থাকবে। পরিণত হবে অক্ষয় এক অধিকারে।
ভগবান বলছেন ঋষিকে— এই তিথিতে দান, হোম, জপ যা কিছু করবে সবই হবে অক্ষয়। বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয় তৃতীয়া তিথিতে যারা উপবাস করে, তারা নিখিল সুকৃত সঞ্চয়ের অক্ষয় ফল প্রাপ্ত হয়। এই তৃতীয়া তিথি কৃত্তিকা নক্ষত্রে অন্বিতা হলে সবিশেষ প্রশস্ত হয়। তখন দান, হোম বা জপ যা কিছু করা যায় সবই অক্ষয় ফলজনক হয়।
ভগবান বলছেন, এই তিথিতে ব্রতকারিণী রমণী সন্ততি ও সুকৃত অক্ষয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ, ব্রতধারিণীর পুত্র-কন্যা সুন্দর দীর্ঘজীবন লাভ করে এবং তাদের কৃত কর্ম প্রশংসিত হয়। অক্ষত শব্দের অর্থ হল আলো চাল। সেই আলো চাল মস্তকে ধারণ করে স্নান করার বিধান, তারপর ভগবান বিষ্ণুর পূজা। নৈবেদ্যে আলো চাল এবং ছাতু দিতে হবে। পূজান্তে প্রসাদ ধারণ। ফল কী হবে! অক্ষয় ফল। যদি কেউ বিধিমতো জীবনে একবারও এই তৃতীয়া ব্রত করেন তাহলে তিনি চিরকালের জন্য ফললাভ করবেন।
শাস্ত্র বলছেন, এই তৃতীয়ায় উপবাস করে যদি কেউ জনার্দনের অর্চনা করেন, তাহলে তিনি রাজসূয় যজ্ঞের ফললাভ করবেন। এই হল আমাদের শাস্ত্রের কথা।
প্রথম যুগ সত্যযুগ, অর্থাৎ স্রষ্টা সৃষ্টির কাজ সম্পূর্ণ করে পর্দাটি সরিয়ে দিলেন। আর চালু করে দিলেন একটি ঘড়ি। শুরু হল সত্যযুগ। সেই দিনটি ছিল অক্ষয় তৃতীয়া। সময় অক্ষয়। তার শেষ নেই। শুরুটিকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। আর কবির কথায়, শেষ নাহি যার শেষ কথা কে বলবে!
চলতে চলতে আমরা অনেকদূর চলে এসেছি। এইসব যুগের পরিমাপ আমাদের অঙ্কে কোটি কোটি বছরের। সত্যযুগে এসেছিলেন কিছু সাত্ত্বিক মানুষ, তাঁদের মধ্যে হিংসা, দ্বেষ, ঘৃণা— কিছুই ছিল না। তাঁরা ছিলেন প্রকৃতই অমৃতের পুত্র। সেইসময় দেবতারাও পৃথিবীতে আসেননি। একটি গম্ভীরভাবের উপাসনা করা হতো। পদ্ধতিটি ছিল ধ্যান ও ধারণা। সিংহাসন ছিল, কিন্তু রাজা ছিল না। সে ভারি পবিত্র সময়! মানুষের পৃথিবীতে দেবতারা আসতেন না। পাঠাতেন তাঁদের প্রতিনিধিদের। যাঁদের আমরা বলি অবতার। যুগের চাকা ঘুরছে। এসে গেল ত্রেতা। এলেন রামচন্দ্র। মাটি ফুঁড়ে উঠলেন রাবণ। শুরু হয়ে গেল দেবতা ও দানবের লড়াই। দ্বাপরে এলেন শ্রীকৃষ্ণ। সিংহাসনের সংখ্যা বাড়ল। একাধিক রাজা। পরিণতি কুরুক্ষেত্র। সব তোলপাড়। দেখা দিলেন কল্কি। এই কলিকাল কবে শেষ হবে তা জানা নেই! কিন্তু আমরা অক্ষয় তৃতীয়ায় আমাদের হারিয়ে যাওয়া অক্ষয় ধনের সন্ধান করবই, কারণ এইটিই আমাদের সংস্কার।
আমাদের ঋষিরা, আমাদের ধর্মগুরু ও সমাজ সংস্কারকরা মানুষকে একটি শান্ত, সুললিত সভ্যতা দিতে চেয়েছিলেন। একটি মধুর বাস্তব তৈরিই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। তাঁরা আমাদের অদ্ভুত একটা কল্পলোকে নিয়ে যেতে চাইতেন, যেখানে মৃত্যুর বিভীষিকা নেই, আছে জীবনের মধুগীতি। বলতেন, ওই দেখ, ‘মধু বাতা ঋতায়তে মধু ক্ষরন্তি সিন্ধবঃ। মাধ্বীর্নঃ সন্ত্বোষধীঃ...।’
তাঁরা বলতেন, এই পৃথিবীতেই স্বর্গ রচনা করা যায়। মনু মহারাজ এসে আমাদের স্তর বিন্যাস করে জীবনের সময়কে সুর্নিদিষ্ট কয়েকটি ভাগে ভাগ করে দিলেন। ভারতবর্ষকে বলা হয় ‘অজির’ অর্থাৎ স্বর্গের উঠান। বড় সুন্দর ছিল সেই গ্রাম্য জীবন। পল্লীর পথে ধেনু চড়াচ্ছেন বংশীধারী। শ্রীমতী স্নান করে উঠছেন যমুনা থেকে। বৈরাগীর একতারায় আকাশ কাঁপানো ধ্বনি-প্রতিধ্বনি। বারো মাসে তেরো পার্বণ। সবই যেন কল্পনায় একটি সুন্দর জগৎ তৈরির চেষ্টা। বাড়ির উঠানে একটি গর্ত খুঁড়ে জল ঢেলে বলা হল পুণ্যিপুকুর। বড়, ছোট সবাই একত্রিত। প্রতিমুহূর্তে বিরাটকে পাশে রেখে জীবন সংগ্রাম।
চলে যাই-না জনক রাজার মিথিলায়। দেখি না এই অক্ষয় তৃতীয়ায় সমৃদ্ধ নাগরিকরা কী করছেন? বণিকরা তো এসে গেছেন। তাঁরা আলোকিত বিপণীগুলি স্বর্ণশোভায় শোভিত করেছেন। নারীরা তখনও যবন ভয়ে অন্তঃপুরচারিণী হননি। তাঁরা নগর পথের চলমান শোভা। এই তৃতীয়ায় একটি স্বর্ণালঙ্কার সংগ্রহ করলে তা কালে কয়েকটিতে পরিণত হবে। আজ তো গ্রহণের রাত। আজ তো সমৃদ্ধির রাত। আজ তো সঞ্চয়ের রাত। শুধু পুণ্য কেন বিষয়ও তো চাই। দারিদ্রকে আমরা বর্জন করতে চাই। আবার অধিক প্রাচুর্যও আমরা স্বীকার করি না। আমাদের জীবন সেতারে খরচ আর ষড়জ— দু’টি তারই পাশাপাশি অবস্থান করছে। আমাদের নীতিকথায় আছে— কুছ লেনা, কুছ দেনা।
জনক রাজা ছিলেন এই ভারতের চিরকালের আদর্শ এক রাজা। তিনি একই সঙ্গে দু’টি জীবন যাপন করতেন। একটি ভোগের, অন্যটি যোগের। ব্যাসদেবের পুত্র শুকদেব তাঁর কাছে বেদান্ত শিখতে এসেছিলেন। সেই শুকদেব আবার শাপগ্রস্ত রাজা পরীক্ষিৎকে ভাগবত শোনাবেন, গঙ্গাতীরে, হরিদ্বারে, যেখানে ভারতের সব ঋষিরা সমবেত হবেন। এই হল আমাদের অবতরণের ইতিহাস। এখানে শিশিরবিন্দুর মতো স্রষ্টার করুণা বিন্দু বিন্দু ঝরে পড়ছে অনবরত। এরই মাঝে একটি তারাকে স্পর্শ করে একটি উজ্জ্বল বিন্দু নেমে আসবে আমাদের পোড়খাওয়া জীবনে। সেই বিন্দুটি শোনাবে অক্ষয় জীবনের অমৃত কথা— ওরে ভয় নাই তোর ভয় নাই, ক্ষয় নাই তোর ক্ষয় নাই।
এসব ছেড়ে এখন আসি নিজের স্মৃতিতে। গঙ্গার ধারের একটি শান্ত পল্লী। বেশিরভাগ রাস্তাই কাঁচা। একটি পিচের রাস্তা গঙ্গা থেকে উঠে সোজা চলে গেছে বাজারের দিকে। এপাশে, ওপাশে কলকাতার ধনীদের সুন্দর সুন্দর বাগান বাড়ি, মাটির কাছাকাছি থাকা মানুষের চালা বাড়ি। মধ্যবিত্তদের পল্লী। বড় বড় মাঠ আর তার মাঝেই চাষের জমি। একটি বড় স্কুল। কয়েকটি পাঠশালা। ব্যবসায়ীরাও আছেন। মুদিখানা, ছবি বাঁধাইখানা, মণিহারী ও সোনার দোকান। এরই মাঝে স্বপ্ন নিয়ে বড় হওয়া। সন্ধ্যা নামলে বাদুড়ের ঝাঁক আকাশে ওড়ে। পূর্ণিমার রাতে চালায় বসে লক্ষ্মীপ্যাঁচা ডাকে। জীবন তখন অনেক বেশি কষ্টসহিষ্ণু। মাথার উপর কলের পাখা ঘোরে না, তালপাতার হাতপাখা হাতে হাতে ঘোরে। বৈশাখের উষ্ণ নিঃশ্বাস। গায়ে গায়ে ঘুরে বেড়ায় ম্যালেরিয়ার মশা। কলেরা দেখা দেয় মহামারীর আকারে। বসন্ত আর হাম পালা করে আসে। তবু আমাদের হাসি থামে না। রাতে স্বপ্ন নামে নীল মশারির ভেতরে।
বৈশাখের প্রথম দিনটি সমারোহে পালিত হয়েছে। সেইসময় অক্ষয় তৃতীয়া সীমাবদ্ধ ছিল স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের এলাকায়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন শুভ কাজ সম্পন্ন করার প্রথা ছিল। যেমন দেবালয় প্রতিষ্ঠা, পুষ্করিণী খনন, গৃহপ্রবেশ ইত্যাদি।
গরম পিচের রাস্তার উপরে বালতি বালতি জল ছেটানো হয়েছে। একটা ভাপ বেরচ্ছে। মাটি মাটি গন্ধ। দু’পাশের দোকান আমপাতা আর শোলার ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। দোকানের ভেতরে নতুন রং পড়েছে। তার্পিনের গন্ধ সেইসঙ্গে উগ্র ধুপেরও গন্ধ। দুয়ে মিলে একাকার। চটে মোড়া একটা বরফের চাঁই, একটা ড্রামে দইয়ের সরবত, তাতে আবার লাল রং। ভেতরে ক্যাশবাক্স নিয়ে বসেছেন মালিক। সাবেকি পোশাক— ধুতি আর ফতুয়া। কপালে চন্দনের টিপ। দু’জন কর্মচারী কাউন্টারে। এদিকে বেলা পড়ে আসছে। একটু একটু ভিড় জমবে। যাঁর কাছে যা পাওনা আছে তাঁরা এসে কিছু কিছু দিয়ে যাবেন। কাঠের হাতুড়ি দিয়ে বরফের চাই ভেঙে সরবতের ডাব্বায় ফেলা হবে, ওদিকে কাগজের বাক্সে তিন-চার রকমের মিষ্টি রেডি। দোকানের বাইরে কাঠের চেয়ার। রাত বাড়বে, ভিড় বাড়বে। তারপরে রাস্তা ফাঁকা। বাংলা ক্যালেন্ডার, মিষ্টির প্যাকেট হাতে সবাই বাড়ি ফিরবেন।
গঙ্গার ধারে একটি পল্লীতে বৈষ্ণবদের আখড়া। বিশাল একটা মাঠে বিরাট একটা বটগাছ। তলাটা সিমেন্ট দিয়ে বাঁধানো। বসেছে কীর্তনের আসর। বৈষ্ণবী শিখাদেবী মাঝরাত পর্যন্ত গান গাইবেন। শ্রোতাদের কেউ কেউ ঢুলবেন, কেউ উঠে গিয়ে বিড়ি খেয়ে আসবেন। গঙ্গায় হোর মিলার কোম্পানির স্টিমারটা ঝকঝক করে জল কাটতে কাটতে ভোঁ বাজাতে বাজাতে কলকাতার দিকে চলে যাবে। বড়লোকের বাড়ির ছেলে সনাতন, নেশা-ভাঙ করে মাথাটা গেছে। সে এসে বটতলায় বসবে, কোথা থেকে দুটো কুকুর এসে তার পাশে শুয়ে পড়বে। পার্বতীদি শালপাতার থালায় লুচি, আলুর দম আর বোঁদে নিয়ে গিয়ে তার সামনে রেখে বলবেন, প্রভু সেবা কর। এ-জন্মটা কোনওরকমে পার করে দাও। পরের বার তোমার হিমালয়ে জন্ম হবে।
থানার সিপাইরা এইসময় হরেন সাধুর দোকানে আসবেন। সাধুর সঙ্গে তাঁদের খুব ভালো সম্পর্ক। স্পেশ্যাল খাওয়া-দাওয়া হবে। এরা সারারাত এই রাস্তার দু’ধারের দোকান পাহারা দিয়ে থাকেন।
অক্ষয় তৃতীয়ার মাহাত্ম্যটা আমরা বুঝতে পারতাম রাত বারোটার সময়। কোথা থেকে বিরাট একটা ষাঁড় বেরিয়ে আসত। রাস্তার ধারের প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া দোকানগুলোর সামনে পর্যায়ক্রমে দাঁড়াত, দোকানের মালিকরা মহাদেবের এই বাহনটিকে খুব খাতির করে খাওয়াতেন।
রাত একটা, সেই সময় গঙ্গা-গর্ভ থেকে অদ্ভুত একটা বাতাস বয়ে আসত, জলের গন্ধ, ধুপ-ধুনোর গন্ধ নিয়ে। আর গোটাকতক প্যাঁচা ওই বটগাছটার মাথায় বসে অদ্ভুত কোরাসে ডাকত। শীতলা মন্দিরটি এই অক্ষয় তৃতীয়ার দিনই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। উপবাসী ভক্তরা সন্ধ্যায় প্রসাদ পেয়েছেন। সারাদিন জনসাধারণের মধ্যে খিচুড়ি বিতরণ হয়েছে। শেষ ঘণ্টা বাজিয়ে মন্দির বন্ধ হয়েছে। একদল ক্লান্ত কুকুর এপাশে-ওপাশে শুয়ে আছে। মন্দিরের মাথার পতাকাটি আকাশের তারাদের দিকে তাকিয়ে সেই নক্ষত্রটিকে খুঁজছে— যার নাম কৃত্তিকা।
গঙ্গা আজও প্রবাহিত। ভূমি আজও আছে। প্রকৃতি পূর্বের মতোই ঋতুচক্রে আবর্তিত হচ্ছে। বদলে গিয়েছে মানুষ। শান্ত গ্রাম নবপত্রে উদ্ভাসিত। বৃক্ষরাজি ক্রমশই অদৃশ্য হচ্ছে। ইট, কাঠ, পাথর, লোহা ইত্যাদি সমন্বিত বৃহৎ বৃহৎ অট্টালিকা— চর্তুদিকে কলরোল। জনতার দাপাদাপি। আমাদের পূর্বের শান্ত জীবনযাত্রাকে অশান্ত করে তুলেছে। যে ব্যাধিটি বর্তমানে আমাদের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়েছে তার নাম ক্লান্তি। ক্লান্ত প্রজাশাসন ব্যবস্থা, গণসিংহাসনে ক্লান্ত, বিভ্রান্ত গণদেবতা। এইটিই হল যন্ত্রসভ্যতা ও ভোগবাদের স্বাভাবিক পরিণতি। অতীতের সেই কল্পনা, দূরদৃষ্টি, তৃণাচ্ছাদিত প্রান্তর অবলুপ্ত।
যে গ্রামটির কথা বলছিলাম সেটি এখন শহর। প্রাচীন পল্লীবাসীরা কালের নিয়মে পরকালবাসী। তবু যেটুকু বিশ্বাস আছে তারই জোরে প্রাচীন দেবালয়ে এখনও ঘণ্টা বাজে। মানুষ দেবতাকে প্রণাম করেন, প্রার্থনাও হয়তো করেন। কিন্তু ব্রতগুলির মাহাত্ম্য অনুধাবনের চেষ্টা করেন না।
অক্ষয় তৃতীয়া একটি ব্রত। শুধু পূজা নয়, পালনীয় কিছু কর্তব্যও আছে। এই গ্রীষ্মে চর্তুদিকেই জলের অভাব। এই ব্রতের ব্রতকথায় আছে এই তৃষ্ণার্ত ব্রাহ্মণ এক গৃহীর বাড়িতে এসে জল প্রার্থনা করেছেন— তৃষ্ণার্ত আমি, আমাকে জল দাও। গৃহকর্তা সেই ব্রাহ্মণটিকে জল দিতে অস্বীকার করলেন। তখন তাঁর সহধর্মিণী এসে বললেন, এ কী করলে? ব্রাহ্মণকে কেন জল দিলে না? সেই পত্নী ব্রাহ্মণকে ফিরিয়ে এনে তাঁর তৃষ্ণা নিবারণ করলেন। যথাকালে যমদূত এসে সেই গৃহস্থকে যমালয়ে নিয়ে গেলেন। যমরাজ বললেন, খুঁজে দেখ, এই আগতের কোনও পুণ্যফল আছে কী না?খুঁজে পাওয়া গেল, অক্ষয় তৃতীয়া দিবসে ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায় হোক তৃষ্ণার্তকে জলদান করেছেন। এই পুণ্যের জন্যে সেই গৃহস্থ স্বর্গফল লাভ করলেন। যমরাজ তখন বলছেন, ‘স্নানং দানং তপো হোমঃ স্বাধ্যায়ঃ পিতৃ-তর্পণম। বিষ্ণুপূজা চ বিধিবত্তদক্ষয়মুদাহৃতম।।’
একটি ঘট, সেই ঘটে জল। তারওপর একটি মানুষের হাত এবং এই মানুষটির প্রার্থনা— আমার এই জলপূর্ণ ঘটটি একটি ধর্ম-ঘট। তোমরা কোথায়? ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর! এই ঘটটিতে এবং এই জলে তোমাদের শুভ ইচ্ছা সঞ্চিত থাক— অস্য প্রদানাৎ সফলা মম সন্তু মনোরথাঃ— আমি যতকাল এই পৃথিবীতে জীবনচর্চা করব ততকাল প্রভু তোমরা আমার পথপ্রদর্শক হিসেবে সঙ্গে থেকো। এই দ্যাখ, এই ধর্ম-ঘটে জলদান করতে করতে কী মন্ত্র পাঠ করছি—
‘ওঁ পানীয়ং প্রাণিনাং প্রাণাঃ পানীয়ং পাবনং মহৎ।
পানীয়স্য প্রদানেন প্রীয়তাং মে জনার্দ্দনঃ।।’
জীবন মানেই তৃষ্ণা। শ্রীশ্রীচণ্ডীতে শক্তির কাছে প্রার্থনা— ধনঃ দেহি— আমাকে ধন দাও, যশ দাও, খ্যাতি দাও, প্রভুত্ব করার অধিকার দাও, সর্বরকম ভোগের অধিকার দাও, আরও দাও, আরও দাও। কিন্তু এই চাওয়ার শেষ কোথায়! রবীন্দ্রনাথ তাঁর একটি সঙ্গীতে দুটি শব্দ ব্যবহার করেছিলেন— তৃষ্ণার শান্তি। কোথায় সেই একবিন্দু সেই বারি আছে যা গ্রহণ করলে এই বিপুল বিভ্রান্ত বিশ্বে আমরা ক্ষণকালের শান্তি পেতে পারি! ঋষিরা মৃদু হেসে বললেন, ব্রত ধারণ কর। নিজেকে বেঁধে রাখ সংযমে।
জনপদ এখন জনবহুল। ভোগের পেছনে ধাবমান অশ্বের মতো ক্লান্ত আমাদের জীবন। দিশাহারা আমরা। এই মুহূর্তে আমাদের ফিরে যাওয়া উচিত অতীতে। অনুসন্ধান করে দেখা দরকার— কোথায় সেই সিংহাসন, কোথায় সেই গণপতি, কোথায় সেই ত্রিশক্তি— ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর? জীবনের সঙ্গে জীবন গেঁথে আমরা বিরাট এক জাজিম তৈরি করে চলেছি। আর কখনও কখনও গেয়ে চলেছি সেই বহুশ্রুত গানের একটি লাইন—দেখি মুকুটটাতো পড়ে আছে রাজাই শুধু নেই। হাজার হাজার, কোটি কোটি মানুষ, দাপাদাপি চর্তুদিকে, তবু মনের অলিন্দে আমরা বড় একা। তাহলে! এই শুভদিনে, এই ছোট্ট প্রার্থনাটি করে দেখি না— প্রাণে প্রাণ আসে কী না—
‘ওঁ ইদং ব্রতং ময়া দেব গৃহীতং পুরতস্তব।
নির্ব্বিঘ্নাং সিদ্ধিমাপ্নোতু ত্বৎ- প্রসাদাজনার্দ্দন।।
ওঁ গৃহীতেঽস্মিন্ ব্রতে দেব যদ্যপূর্ণে ত্বহং ম্রিয়ে।
সাঙ্গং ভবতু তৎ সর্ব্বং ত্ব-প্রসাদাৎ কৃপাময়।।’
26th  April, 2020
 লক্ষ্য লাদাখ

  ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি...। দশকের পর দশক ধরে চলতে থাকা সীমান্ত টেনশন মাথাচাড়া দিয়েছে। ফের আগ্রাসী চীন। পিছু হটবে না ভারতও...। বিশদ

31st  May, 2020
লকডাউনের দিনগুলি
ডাঃ শ্যামল চক্রবর্তী

মুখ্যমন্ত্রী দাঁড়িয়ে আছেন গাইনি বাড়ির উল্টোদিকে কার্ডিওলজি বিল্ডিংয়ের সামনে। পাশে পুলিস কমিশনার। খবর পেয়ে দ্রুত ওখানে চলে এলেন হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও ডেপুটি সুপার। মিটার দেড়েক দূরত্ব, করজোড়ে মুখ্যমন্ত্রী... ‘খুব ভালো কাজ করছেন আপনারা।
বিশদ

24th  May, 2020
করোনা কক্ষের ডায়েরি
ডাঃ চন্দ্রাশিস চক্রবর্তী

 গত ১০০ বছরে পৃথিবী এরকম মহামারী দেখেনি। শহরের প্রায় সমস্ত বড় হাসপাতালে এখন করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি। ফলে আউটডোর চলছে গুটিকয়েক রোগী নিয়ে, হাসপাতালের ক্যান্টিন বন্ধ, ভিতরের রাস্তাগুলো ফাঁকা, বাইরে গাড়ির লাইন নেই…।
বিশদ

24th  May, 2020
এয়ারলিফট 
সমৃদ্ধ দত্ত

একটা স্তব্ধতা তৈরি হল ঘরে। সন্ধ্যা হয়েছে অনেকক্ষণ। এখন আর বেশি কর্মী নেই। অনেকেই বাড়ি চলে গিয়েছেন। তবু কিছু লাস্ট মিনিট আপডেট করার থাকে। তাই কয়েকজন এখনও রয়েছেন অফিসে। তাঁদেরও ফিরতে হবে।  
বিশদ

17th  May, 2020
রবির মানিক 

শ্রীকান্ত আচার্য: অতীতে কলকাতায় বরাবরই ঠাকুর পরিবার এবং রায়চৌধুরী পরিবার, সব দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল। তা সে জ্ঞানের পরিধি বলুন বা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল—সব ক্ষেত্রেই এই দুই পরিবার উন্নত করেছে বাংলাকে। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৩ সালে।  
বিশদ

10th  May, 2020
অনুরাগের রবি ঠাকুর 

সন্দীপ রায়: বাবার কলাভবনে ভর্তি হওয়া থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে সংযোগটা একরকম তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যদিও আপনারা জানবেন, শৈশবে ওঁর মোটেই শান্তিনিকেতন যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। তবে হ্যাঁ, সেখানে গিয়ে কিন্তু তাঁর অবশ্যই মন পরিবর্তন হয়েছিল। 
বিশদ

10th  May, 2020
‘ছবিটা ভাই ভালো হয়েছে। তবে
চলবে কি না, বলতে পারছি না!’ 

প্রশ্ন: ‘চারুলতা’-র জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেছিলেন?
মাধবী: ছ’বছর বয়স থেকে কাজ করা শুরু করেছিলাম। তারপর নানা পথ পেরিয়ে প্রেমেন্দ্র মিত্রের সঙ্গে কাজ। ‘সাহসিকা’ বলে একটি ছবিতে হিরোইনের ছেলেবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্ধু আমার...
দীপ্তি নাভাল

আমি হতবাক: আমি বাকরুদ্ধ। চিন্টুর চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। তবে অসুস্থতার খবর আগেই পেয়েছিলাম। চিন্টুর মৃত্যুর আগের দিন ইরফানের খবরটা পাই। তখনই মানসিকভাবে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। এর পরপরই খবর আসে যে চিন্টু অসুস্থ। বিশদ

03rd  May, 2020
তোমার স্মৃতিতে...
অমিতাভ বচ্চন

দেওনার কটেজে প্রথম দেখেছিলাম চিন্টুকে। প্রচণ্ড হাসিখুশি, প্রাণবন্ত এক তরুণ। দু’চোখ ভরা দুষ্টুমি। দিনটা আমার কাছে সত্যি বিরল। কারণ, রাজ জি’র বাড়িতে আমন্ত্রণ পাওয়ার মতো সৌভাগ্য আমার তখন খুব একটা হতো না। তারপর থেকে আরও বেশি করে দেখতাম ওকে... আর কে স্টুডিওয়। 
বিশদ

03rd  May, 2020
বিদায়
তিগমাংশু ধুলিয়া

দীর্ঘ ৩৪ বছরের বন্ধুত্ব তাঁদের। ইরফান খানের সঙ্গে জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক-অভিনেতা তিগমাংশু ধুলিয়ার পথ চলা শুরু ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’ র আঙিনা থেকে। এরপর তিগমাংশুর পরিচালনায় হাসিল, চরস, পান সিং তোমার, সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টার রিটার্নস ছাড়া একাধিক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন ইরফান।
বিশদ

03rd  May, 2020
প রি বা র...
সুতপা, বাবিল, অয়ন
সুতপা শিকদার

 পরিবারের পক্ষ থেকে লিখতে বসে একটাই প্রশ্ন বারবার মনে আসছে... কী করে লিখব? এটা কি শুধু আমার পরিবারের ক্ষতি? গোটা দুনিয়াকে দেখছি... সবাই যেন পাথর হয়ে গিয়েছে ও চলে যাওয়ার পর। বিশদ

03rd  May, 2020
কেমন যাবে ১৪২৭
শ্রীশাণ্ডিল্য

  ১৪২৭ সালের সূচনাকালে রাশিচক্রে নবগ্রহের অবস্থান— রবি মেষে, শুক্র বৃষে, রাহু মিথুনে, চন্দ্র ও কেতু ধনুতে, মকরে বৃহস্পতি, শনি, মঙ্গল ও মীনে বুধ। তিথি— কৃষ্ণ সপ্তমী, শিবযোগ,ববকরণ পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র। মেষ থেকে লগ্ন আরম্ভ। বারোটি রাশির নতুন বছরের ভাগ্যবিচার। তাই ‘অন্নগতপ্রাণ’ মানুষের আর্থ-সামাজিক, পারিবারিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বকেই প্রাধান্য দেওয়া হল।
বিশদ

19th  April, 2020
 টি ২০ নয়,
এটা টেস্ট ম্যাচ

পিজি হাসপাতালের লিভার সংক্রান্ত বিদ্যা হেপাটোলজি’র অধ্যাপক। পূর্ব ভারতের সরকারিভাবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের অন্যতম উদ্যোগী মানুষ। পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় তৈরি রাজ্যের একাধিক শীর্ষ কমিটির সদস্য, কো-অর্ডিনেটর। একইসঙ্গে অনেকগুলি দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ অভিজিৎ চৌধুরী। সাক্ষাৎকারে বিশ্বজিৎ দাস।
বিশদ

12th  April, 2020
সামাজিক দূরত্বই ওষুধ
ডাঃ দেবী শেঠি
বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

 ১৯১৮ সালে আমেরিকায় আঘাত হানল ভয়ঙ্কর স্প্যানিশ ফ্লু। ফিলাডেলফিয়া প্রদেশে প্রাণহানি হল হাজার হাজার মানুষের। অথচ, ওই একই মহামারীর প্রকোপে সেন্ট লুইস শহরে প্রাণহানি ঘটল ফিলাডেলফিয়ার তুলনায় অর্ধেক! কারণ ভয়ঙ্কর মহামারীর ওই আতঙ্কের আবহেও, ফিলাডেলফিয়ায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমর্থনে আয়োজিত হয়েছিল বিরাট জন সমাবেশের। বিশদ

12th  April, 2020
একনজরে
 মাদ্রিদ, ১ জুন: করোনার ধাক্কা সামলে স্প্যানিশ লিগের পরিবর্তিত সূচি ঘোষণা করল লিগ কমিটি। ১১ জুন সেভিয়া ডার্বি দিয়ে বন্ধ হওয়া লিগ শুরু হবে। ঘরের মাঠে সেভিয়া মুখোমুখি হবে রিয়াল বেতিসের। ১৩ জুন মাঠে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। ...

  কাঠমাণ্ডু, ১ জুন (পিটিআই): নেপালে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ১১ জন যাত্রী। আহতের সংখ্যা ২২। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আটকে পড়া প্রায় ৩০ জন পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে একটি বাস নেপালের উদ্দেশে রওনা হয়। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা খাতে কেন্দ্রের কাছে ৩০০ কোটি টাকা চাইল শিক্ষা দপ্তর। চিঠি দিয়ে তা জানানো হয়েছে। সুস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্কুলগুলিকে জীবাণুমুক্ত করা থেকে শুরু করে অন্যান্য নানা কাজের জন্যই এই বিপুল অর্থের প্রয়োজন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
জি-৭:মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন ট্রাম্প
 জি-৭:মোদিকে আমন্ত্রণ জানালেন ট্রাম্পআমেরিকায় অনুষ্ঠিত আসন্ন জি-৭ সামিটে যোগ দেওয়ার ...বিশদ

09:40:06 PM

গুজরাতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৪১৫, মৃত ২৯ 
গুজরাতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৪১৫ ...বিশদ

09:03:40 PM

মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২২৮৭, মৃত ১০৩ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ২২৮৭জন। ...বিশদ

08:57:33 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৯৬
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:49:50 PM

স্নান যাত্রায় এবার পুরীতে জারি কার্ফু
করোনা মোকাবিলায় যে কোনও জমায়েতেই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। কিন্তু পুরীর ...বিশদ

07:01:42 PM

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২,৯১১ ও মৃত ৩৭ 
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হল ২,৯১১ জন। মৃত ...বিশদ

06:35:51 PM