Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

বঙ্গ মিষ্টিকথা 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কলকাতার এক ‘যশস্বী’ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীর বাড়িতে বিয়ে। মিষ্টিই তাঁদের পারিবারিক ব্যবসা। আর তাঁরা মিষ্টি শুধু তৈরি করেন না, আবিষ্কারও করেন। এ বিয়েতে নতুন কিছু হবে না... তা হয় নাকি! বউভাতের ফার্স্ট ব্যাচে সবার কৌতূহল তাই শেষ পাত অভিমুখে। অবশেষে দর্শন মিলল... সন্দেশের পাতুড়ি। মাছের পাতুড়ি শোনা যায়, কিন্তু সন্দেশে! সুকুমার রায় লিখে গিয়েছিলেন, ‘জলযোগে জল খাওয়া শুধু জল নয় তা’... আজ বেঁচে থাকলে নির্ঘাৎ এই সন্দেশের পাতুড়ি নিয়েও চার লাইন লিখে ফেলতেন। যাই হোক, সবাই খেয়ে ধন্য ধন্য করল। তারপর বাড়ি ফিরে গেল। ফলটা দেখা গেল দিন কয়েক পর। যে বাড়িতে বিয়ে ছিল, তাঁদের দোকানে নয়... হুবহু সেই সন্দেশের পাতুড়ির দেখা মিলল পাশের জেলার একটি দোকানে। তাঁরাও বড় ব্যবসায়ী। ছিলেন আত্মীয় হিসেবে নিমন্ত্রিত। কিন্তু পাতুড়ি খেয়ে তাঁর ব্যবসায়িক বুদ্ধি এমন খুলে গেল যে, আত্মীয় হয়ে গেল প্রতিদ্বন্দ্বী। সেই মহান আবিষ্কার বেমালুম নিজের বলে চালিয়ে দিলেন তিনি। মিষ্টির এমনই মাহাত্ম্য। মিষ্টিপিপাসুরা খেয়ে খুশি। আর বানানেওয়ালারা খাইয়ে। তা সে হলই বা আইডিয়া হাইজ্যাক!
মিষ্টি খেতে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁরা এসবের পরোয়া করেন না। কেউ কেউ আছেন, যাঁদের মিষ্টি হলেই হল। এক পেট খাওয়ার পর জল গেলার অবস্থা নেই, কিন্তু শেষ পাতে মিষ্টি চাইই চাই। রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছি এক দূতাবাসের আধিকারিকের সঙ্গে। স্টার্টারে চার রকমের কাবাব, মেন কোর্সে বিরিয়ানি, চাপ... গলা পর্যন্ত ঠেসে দেওয়ার পর যখন প্লেট খালি হল, মনে হচ্ছিল এবার একটু বাইরের হাওয়া দরকার। উনি কিন্তু আনচান করছিলেন। ওয়েটার প্লেট তুলতে এলে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ডেজার্টে কিছু আছে ভাই?’
—‘হ্যাঁ স্যর, ফিরনি আছে।’
—‘বাঃ বাঃ, তিনটে দাও।’
ওয়েটার অর্ডার নিয়ে চলে গেলে প্রশ্ন করলাম, ‘তিনটে কেন?’ বললেন, ‘কেন? তুমি খাবে না?’ অঙ্কটা পরিষ্কার হল না। বললাম, ‘তাহলে তো দু’টো হল...!’ একগাল হেসে বললেন, ‘আরে না, তুমি একটা, আমি দু’টো। বিরিয়ানির উপর ভালো একটা প্রলেপ তো চাই নাকি!’ রাতের খাবারের শেষে তাঁকে চকোলেট হলেও সাপ্লাই দিতে হবে। গরমকালে আম হলে তো কেয়াবাত! তবে সেটা ভালো হিমসাগর... নাহলে বলবেন, ‘ধুস, ল্যাংড়া, ফজলি আবার আম নাকি?’ আর এসবের কিছুই না হলে?... মনে অভাব নিয়ে ঘুম হয়? শোনা যায়, রামমোহন রায় একটা গোটা পাঁঠা খাওয়ার পর এক কেজি মতো রাবড়ি খেয়ে নিতেন। রামমোহন না হোক, এনাকে শুধু মোহনের তকমা তো দেওয়াই যেতে পারে।
কাঁচা মিষ্টি, ভাজা মিষ্টি, রসের মিষ্টি, শুকনো মিষ্টি, জলভরা মিষ্টি, টাটকা মিষ্টি, বাসি মিষ্টি... বলতে গেল হাঁফ ধরে যাবে। কিন্তু মিষ্টিখাইয়েদের রসনার তৃপ্তি হবে না। এক দাদাকে দেখেছি, প্রবল সংযমী। সঙ্কটমোচনের পুজো দিয়ে লাড্ডু পর্যন্ত একটু খুঁটে খান। কিন্তু সত্যিকারের ভালো রসগোল্লা পেলে আর সংযমের তোয়াক্কা নেই। খান দু’য়েক অন্তত। এবং সেটা তিনি কখনওই রস চিপে খাবেন না। অর্থাৎ, ঐতিহ্য তিনি বজায় রেখেছেন। কারণ, অতীতের বিয়েবাড়িতে যাঁরা রসগোল্লার রস ফেলে খেতেন, তাঁদের মোটেই ‘খাইয়ে’ উপাধি দেওয়া হতো না। রস সমেত না হলে আর রসগোল্লা কীসের? দাদা কিন্তু সেই ক্যাটিগরির। তখন অবশ্য অন্য জমানা ছিল। পরিবেশনের ছেলেটি মিষ্টি দিতে এলে বলা হতো, ‘বালতিটা নামিয়ে রেখে যা...’। এবং এই অর্ডার এক-দু’জন নয়, অনেকের থেকেই পাওয়া যেত। ‘কেউ কহে দৈ আন কেহ হাঁকে লুচি’ কেস আর কি! আসলে ক্যালরি মেপে খাওয়ার রেওয়াজটা তখন ছিল না। আর ছিল না ভেজালও। তাই তাঁরা খেতেন। হজমও করতেন। আবার ‘খাইয়ে’রা শুধু মিষ্টি খেয়েই নাম কিনতেন, তা নয়। মাংসও তাঁরা এক বালতিই খেতেন। আর তারপর কিলোখানেকের দইয়ের হাঁড়ি। তাতে ফেলা থাকত কড়াপাকের সন্দেশ। উফ্‌ফ্‌... অমৃতসম। কড়াপাকের সন্দেশ থেকে মনে পড়ল স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের কথা। এক ধামা (বেতের ঝুড়ি) কড়াপাকের সন্দেশ হেলায় খেতে পারতেন আশুতোষবাবু।
আবার যুগান্তরে আসা যাক। কলেজ জমানার এক বান্ধবীর সঙ্গে বেরিয়ে আবিষ্কার করেছিলাম এক অনন্য থিম। এমনিতে সে মিষ্টি খুব একটা খায় না। কিন্তু মন খারাপ হলে অন্য সমীকরণ। সে ছিল তেমনই একদিন। বড্ড মন খারাপ। অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়েও কাজ দিল না। হাল ছেড়ে শেষে বললাম, ‘কী হলে তোর মন খারাপ কাটবে বল তো?’
—‘মিষ্টি খাওয়াবি? তাহলে হবে।’
—‘চল, তাই হোক।’
ভবানীপুরের বড়সড় একটা দোকানে ঢুকে বললাম, ‘কী খাবি বল?’ এবার সে শুরু করল। যেটা দেখে ভালো লাগছে, সেটাই একটা... কখনও দু’টো করে। খাওয়া শেষ করে যখন প্রশান্তির একগাল হাসি দিল, ততক্ষণে বিল হয়েছে ২৬০ টাকা। আজ থেকে প্রায় ১৮ বছর আগের কথা। তখন খুব ভালো মিষ্টি কিন্তু ১০-১২ টাকায় পাওয়া যেত। তাহলেই বুঝুন!
আছেন এক অধ্যাপক বন্ধু। মিষ্টি তাঁর প্যাশন। অ্যাডভেঞ্চার। তিনি রাত দু’টোয় ঘুম ভেঙে উঠে ফ্রিজে অনুসন্ধান চালান... মিষ্টি তাঁর রাখাই থাকে। রাতের জন্য। ছুটির দিনে বউ-ছেলে ঘুমোচ্ছে। তাঁর হঠাৎই মনে পড়েছে নতুন গুড়ের কথা। জামা-প্যান্ট চাপিয়ে সোজা স্টেশন। ট্রেন ধরে বারুইপুর। নতুন গুড়ের মাখা সন্দেশ... বেশিটাই খেলেন। কিছুটা আনলেন বাড়ির জন্য। প্রশ্নমাখা চোখে তাকালে উত্তর, ‘আরে, ভরদুপুরে বাড়ি কেটে পালিয়েছি, কিছু তো উৎকোচ দিতে হবে?’
—‘বউদি এই উৎকোচে খুশি হয়?’
—‘হয়, হয়... সঙ্গগুণ বলেও তো একটা ব্যাপার আছে! আর খুশি না হলেই বা কী, আমি তো আছি!’ পরক্ষণেই কিছু একটা মনে পড়ে গেল তাঁর... ‘আরে শুনেছ, চিনার পার্কের কাছে একটা নাকি দারুণ মিষ্টির দোকান হয়েছে। চলো, একদিন যাই...।’
—‘তা যাওয়া যেতেই পারে। কবে যাবে বলো?’
—‘একদিন দুপুরে চলো!’
—‘দুপুরে?’
—‘হুমম, সেদিন আর লাঞ্চ করব না। ওখানেই যা খাওয়ার খেয়ে নেব। বেশ কয়েক রকম না খেলে সার্টিফিকেট দেব কী করে?’
সত্যিই তো! এমন ভোজনরসিকদের সার্টিফিকেট না পেলে কি আর নতুন দোকান জাতে ওঠে?
বাঙালি মানে লাড্ডু নয়, দরবেশ। বাঙালি মানে বাজার করতে বেরিয়ে থলে বগলে চেপে খান চারেক জিলিপি। বাঙালি মানে নেমন্তন্ন বাড়িতে গিয়ে ১১টার সময় ‘ব্রেকফাস্টে’ ছ’টা অমৃতির পর লাঞ্চে ইলিশ, পাঁঠার মাংস। এই কসমোপলিটন যুগেও। আগের দিনে মরশুম এলেই বাঙালি রোজ পাড়ার দোকানে খোঁজ নিত, ‘ওরে, নলেন এল রে?’ কিংবা মুড়কির মোয়া। ভাজা ভেটকি নাই বা হল। শীতে মোয়া চাই। আর তা যদি কণকচূড় খইয়ের ‘অরিজিনাল’ হয়, তাহলে তো কথাই নেই। আবার সেই বাবুই বড়দিনের আগে দাঁড়াতেন গ্রেট ইস্টার্নের লাইনে। কেককাহিনীর জাত্যাভিমান এখন অবশ্য অতীতেই পড়ে আছে। এই জমানায় কেক তৈরির সাম্রাজ্য বহুবিস্তৃত। তাই আজ আর সেই অর্থে কেকের ব্র্যান্ড খুব একটা দেখা হয় না। একটু ভালো হলেই হল... কিন্তু দু’টুকরো চাই। অন্তত পঁচিশের সকালে। নলেনকেও আমরা ভুলিনি। হ্যাঁ, উৎসাহে ভাটা পড়েছে বইকি। তাও বাড়ির কর্তা যখন অফিস ফেরত প্লাস্টিকের প্যাকেটে নতুন ঝোলা গুড় নিয়ে বাড়ি ফেরেন, গিন্নির মনে পড়ে ছেলেবেলার কথা। ‘আজ তাহলে রাতে রুটি তো?’ প্রশ্নের সঙ্গে উড়ে আসে একচিলতে হাসিও। কর্তার মুখেও যুদ্ধজয়ের এক্সপ্রেশন... ‘চলতে পারে। আর না হলে কাল তো রোববার... সকালে না হয় একটু পাউরুটি নিয়ে আসব!’
সত্যি... বাঙালি রসনা ভুলতে পারবে না। সুকুমার রায়ও না। কবেই না তিনি লিখে গিয়েছেন... ‘কিন্তু সবার চাইতে ভাল—পাউরুটি আর ঝোলা গুড়।’ 
22nd  December, 2019
দেশবন্ধু
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজির একের পর এক অনুগামীকে নিজের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হলেও, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়নি একবিন্দুও। আবার তাঁকেই দীক্ষাগুরু হিসেবে স্থির করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। জন্মের সার্ধশতবর্ষে ফিরে দেখা সেই চিত্তরঞ্জন দাশকে। বিশদ

23rd  February, 2020
পথদ্রষ্টা ফালকে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

‘রাজা হরিশ্চন্দ্র’-এর হাত ধরে পথচলা শুরু হয় প্রথম ভারতীয় পূর্ণাঙ্গ কাহিনীচিত্রের। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গেও ফালকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এ দেশের সিনেমার পথদ্রষ্টাকে ফিরে দেখা। 
বিশদ

16th  February, 2020
ইতিহাসে টালা
দেবাশিস বসু

 ‘টালা’ কলকাতার অন্যতম প্রাচীন উপকণ্ঠ। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জব চার্নক নেমেছিলেন সুতানুটিতে। ১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। অর্থাৎ তিনি সুতানুটিতে ছিলেন জীবনের শেষ আড়াই বছর। তাঁর মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাবর্ণ চৌধুরীদের কাছ থেকে গোবিন্দপুর, কলকাতা ও সুতানুটি গ্রাম তিনটির জমিদারি স্বত্ব কিনে নেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
মহাশ্বেতা 

সন্দীপন বিশ্বাস: ‘সরস্বতী পুজো।’ শব্দ দুটো লিখে ল্যাপটপের কি-বোর্ড থেকে হাতটা সরিয়ে নিল শুভব্রত। চেয়ারে হেলান দিয়ে বাইরে চোখ। রাত এখন গভীর। আর কয়েকদিন পরেই সরস্বতী পুজো। এডিটর একটা লেখা চেয়েছেন। পুজো নিয়ে স্পেশাল এডিশনে ছাপা হবে। সাহিত্যিক হিসেবে শুভর একটা খ্যাতি আছে। 
বিশদ

02nd  February, 2020
শতবর্ষে জনসংযোগ
সমীর গোস্বামী

অনেকে মজা করে বলেন, সেলুনে যিনি হেয়ার স্টাইল ঠিক করেন, তিনি অনেক সময় বিশিষ্ট মানুষের কানেও হাত দিতে পারেন। জনসংযোগ আধিকারিক বা পিআরও’রাও খানিকটা তেমনই। প্রচারের স্বার্থে তাঁরা কেবল সাহসের উপর ভর করে অনেক কিছু করতে পারেন। মনে পড়ছে, বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে কোনও কিছু উদ্বোধনের সময় ফিতে কাটতে দিতাম না। 
বিশদ

26th  January, 2020
অনন্য বিকাশ 

পাহাড়ী স্যান্যাল থেকে উত্তমকুমার সবাই ছিলেন তাঁর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত। হেমেন গুপ্তের ‘৪২’ ছবিতে এক অত্যাচারী পুলিস অফিসারের ভূমিকায় এমন অভিনয় করেছিলেন যে দর্শকাসন থেকে জুতো ছোঁড়া হয়েছিল পর্দা লক্ষ্য করে। এই ঘটনাকে অভিনন্দন হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা বিকাশ রায়কে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু সিনেমায় তাঁর সহ অভিনেতা ও মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।  
বিশদ

19th  January, 2020
যদি এমন হতো! 
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

যদি এমন হতো? সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ এসেছেন, ধনীর আদরের সন্তান; কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব পৃথিবীতে আসেননি। তাহলে নরেন্দ্রনাথ কি স্বামী বিবেকানন্দ হতেন! মেধাবী, সাহসী, শ্রুতিধর এই সুন্দর যুবকটি পিতাকে অনুসরণ করে হয়তো আরও শ্রেষ্ঠ এক আইনজীবী হতেন, ডাকসাইটে ব্যারিস্টার, অথবা সেই ইংরেজযুগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, ঘোড়ায় চাপা ব্রাউন সাহেব— আইসিএস। ক্ষমতা হতো, সমৃদ্ধি হতো।
বিশদ

12th  January, 2020
সেলুলয়েডের শতবর্ষে হিচকক 
মৃন্ময় চন্দ

‘Thank you, ….very much indeed’
শতাব্দীর হ্রস্বতম অস্কার বক্তৃতা। আবার এটাও বলা যেতে পারে, মাত্র পাঁচটি শব্দ খরচ করে ‘ধন্যবাদজ্ঞাপন’।
হ্যাঁ, হয়তো অভিমানই রয়েছে এর পিছনে।
বিশদ

05th  January, 2020
ফিরে দেখা
খেলা

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি। 
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
বিনোদন

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
রাজ্য 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।   বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
দেশ-বিদেশ 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
সংবিধানের ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত এবং বিশেষ করে আগামীদিনের শাসক কংগ্রেসের সঙ্গে এভাবে চরম তিক্ততার সম্পর্ক করে রেখে পৃথক পাকিস্তান পাওয়ার পর, সেই নতুন দেশের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত? কীভাবে সম্ভাব্য পাকিস্তানের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করা যাবে? কী কী সমস্যা আসতে পারে?  
বিশদ

15th  December, 2019
রাজ সিংহাসন
প্রণবকুমার মিত্র

 দরবারে আসছেন মহারাজ। শিঙে, ঢাক, ঢোল, কাঁসর ঘণ্টার বাদ্যি আর তোপের শব্দ সেটাই জানান দিচ্ছে। তারপর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মহারাজ ধীর পায়ে গিয়ে বসলেন রাজ সিংহাসনে। আগেকার দিনে রূপকথার গল্পে এটাই বলা হতো।
বিশদ

08th  December, 2019
একনজরে
 রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ২৬ ফেব্রুয়ারি: সুয়েলা ব্রাভেরমান। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ক্যাবিনেটে রদবদলের পর চলতি মাসের শুরুতে ব্রিটেনের প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে নিযুক্ত হন এই এমপি। অবশেষে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। ...

 কোটা, ২৬ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা রাজস্থানে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতু থেকে বরযাত্রী বোঝাই বাস নদীতে পড়ল। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২৪ জনের। গুরুতর জখম ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: সরকারি আইটিআই প্রতিষ্ঠানে পঠনপাঠন লাটে ওঠার অভিযোগ তুলে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখাল পড়ুয়ারা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানার জমালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রামজীবনপুর আইটিআইতে।   ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী আর্থিক বছর থেকে বিভিন্ন প্রশাসনিক খরচের বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে দপ্তরগুলিকে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে না। তাই দপ্তরগুলিকে বরাদ্দ টাকা যথাযথভাবে ও নিয়ম মেনে খরচ করার পরামর্শ দিয়েছে অর্থদপ্তর। দপ্তরগুলির আর্থিক পরামর্শদাতাদের সঙ্গে অর্থদপ্তরের বৈঠকের পর এই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০২- ফরাসি লেখক ভিক্টর হুগোর জন্ম
১৯০৮- লেখিকা লীলা মজুমদারের জন্ম
১৯৩১- স্বাধীনতা সংগ্রামী চন্দ্রশেখর আজাদের মৃত্যু
১৯৩৬- চিত্র পরিচালক মনমোহন দেশাইয়ের জন্ম
২০১২- কিংবদন্তি ফুটবলার শৈলেন মান্নার মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮৯ টাকা ৭২.৫৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.৫৯ টাকা ৯৪.৮৮ টাকা
ইউরো ৭৬.৪৯ টাকা ৭৯.৪১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী অহোরাত্র। রেবতী ৪৭/৪০ রাত্রি ১/৮। সূ উ ৬/৪/১৪, অ ৫/৩৫/২, অমৃতযোগ রাত্রি ১/৫ গতে ৩/৩৫ বারবেলা ২/৪২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪৯ গতে ১/৩৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী, রেবতী ৪২/২৩/২২ রাত্রি ১১/৪/৩৪। সূ উ ৬/৭/১৩, অ ৫/৩৪/৯। অমৃতযোগ দিবা ১/০ গতে ৩/২৮ মধ্যে। কালবেলা ২/৪২/২৫ গতে ৪/৮/১৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৫০/৪১ গতে ১/২৪/৪৯ মধ্যে। 
২ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

03:39:45 PM

পুরভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ রাজ্যপাল 
পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরমধ্যেই রাজ্য ...বিশদ

01:25:00 PM

লেকটাউনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত শ্রমিক 

01:10:00 PM