Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

প্র তি মা র বি ব র্ত ন
সোমনাথ দাস

বর্ষা আর শরৎ এখন মিলেমিশে একাকার। বিশ্ব উষ্ণায়নের কৃপাদৃষ্টিতে শহরবাসীর পক্ষে আর এই দু’টি ঋতুকে আলাদা করা সম্ভব নয়। তবে ভাদ্রের সমাপ্তি এবং আশ্বিনের সূচনা বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে এক অনাবিল আনন্দ। মা দুর্গার আগমনবার্তায় আমাদের হৃদয় নেচে ওঠে। বাঁশ পোঁতা, বাটাম কাটার শব্দ, ত্রিপলের সোঁদা গন্ধ, পটুয়াপাড়ায় কাঠামোয় খড় বাঁধা এবং মাটি মাখার কসরৎ—এই অনুভূতিগুলি এখনও পুজো পাগলদের মধ্যে প্রবলভাবেই রয়েছে। প্যান্ডেল হপিংয়ের প্রধান আকর্ষণ বিভিন্ন রকমের প্রতিমা দর্শন। সে থিমই হোক কিংবা সাবেকি। কোথাও সপরিবারে জগৎজননীকে দেখলে দু’হাত আপনাআপনি মিলে যায়। আবার কোথাও বা স্রষ্টার সৃষ্টি নন্দনতত্ত্বে ভরপুর। প্রতিমার বিবর্তন নিয়েই তাই এই প্রতিবেদন।
গোপেশ্বর পাল
সর্বজনীন পুজোর প্রারম্ভিক পর্বে প্রতিমা হতো একচালার। টানা চোখ, ডাকের সাজই ছিল তার আকর্ষণ। ১৯৩৮ সালে গোপেশ্বর পালের হাত ধরেই চালার সংখ্যা এক থেকে পাঁচ হয়। নেপথ্যে রয়েছে একটি দুর্ঘটনা। কুমোরটুলি সর্বজনীনের মণ্ডপে তখন চলে এসেছে একচালার মা দুর্গা। কিন্তু পঞ্চমীর দিনই ঘটে গেল মহাবিপত্তি। সন্ধ্যায় হঠাৎই মণ্ডপে আগুন লাগে। সব পুড়ে ছাই। অথচ পরের দিনই বোধন। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ছুটে গেলেন শিল্পী গোপেশ্বর পালের কাছে। বললেন, যেভাবে হোক এক রাতের মধ্যে ঠাকুর তৈরি করে দিতেই হবে। ঠিক হল, আলাদা আলাদা করে প্রতিমা গড়া হবে। গোপেশ্বর পাল দুর্গা প্রতিমা গড়লেন। আর অন্যান্য শিল্পীরা গড়লেন লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ। একচালা ভেঙে তৈরি হল পাঁচ চালার ঠাকুর। এক রাতের মধ্যেই সব তৈরি। ষষ্ঠীর দিন মণ্ডপেই তৈরি শেষ হল প্রথম পাঁচ চালার ঠাকুর।
রমেশ পাল
চারের দশকের গোড়ায় ফরিদপুরের পালঙ থেকে কলকাতায় শিল্পের পাঠ নিতে এলেন রমেশচন্দ্র পাল। তিনি দাবি করতেন, প্রতিমার ব্যবসা করতে কলকাতায় আসেননি। কিছু সর্বজনীন কর্তার ভালোবাসার চাপে তাঁকে প্রতিমা গড়তে হতো। পাঁচ ও ছয়ের দশকে কলকাতা দমকল বাহিনীর পুজোর প্রতিমা গড়তেন ভাস্কর রমেশ পাল। দমকল ছাড়াও পার্ক সার্কাস ময়দান, খিদিরপুর যুবক সঙ্ঘ ও একডালিয়ার এভারগ্রিনের প্রতিমায় রূপদান করতেন তিনি। আবার রমেশ পাল কুমোরটুলিতে আসার ঠিক পরেই ঢাকা-বিক্রমপুরের গ্রামের মৃৎশিল্পী রাখালচন্দ্র পাল কুমোরটুলিতে আসেন। প্রাক-স্বাধীনতা যুগ... ১৯৪২-৪৩ সাল। সঙ্গে তাঁর চার ভাই—হরিবল্লভ, গোবিন্দ, নেপাল ও মোহনবাঁশি। সেই সময় সর্বজনীন দুর্গাপুজোয় মারাত্মক জনপ্রিয় ছিল কৃষ্ণনগর-ঘুণীর ঘরানার প্রতিমা। তাই এপার বাংলার এই ঘরানাকে ছাপিয়ে ওপার বাংলার ঢাকা-বিক্রমপুর ঘরানার প্রতিমা জনপ্রিয় হতে প্রচুর সময় লেগে যায়।
অশোক গুপ্ত
১৯৫৬ সালে জগৎ মুখার্জি পার্কের পুজোয় অশোক গুপ্ত নামে এক শিল্পী আর্টের দুর্গা প্রতিমা প্রথম প্রচলন করেন। আর ১৯৭৫ সালে চিত্রকর নীরদ মজুমদারের হাতের ছোঁয়ায় ভবানীপুর বকুলবাগানে আর্টের দুর্গা প্রতিমার এক নতুন অধ্যায় রচিত হয়। পরবর্তীকালে আমরা এই আর্টের প্রতিমাকেই থিমের প্রতিমা হিসেবে চিহ্নিত করেছি।
উত্তর কলকাতার বাগবাজারের জগৎ মুখার্জি পার্কে অশোক গুপ্ত একটু অন্যরকম আর্টের প্রতিমা গড়তেন। তিনি ছিলেন বনেদি বাড়ির (অবিনাশ কবিরাজ বাড়ির) ছেলে। বাড়ির অমতে প্রতিমা বানানোর কাজ শিখতে গিয়ে গৃহত্যাগী হন এবং প্রখ্যাত ভাস্কর সুনীল পালের কাছে আশ্রয় নেন। ১৯৫৯ সালে প্রথমবার কুমোরটুলি থেকে একটি কাঠামো নিয়ে আসার পর তা ভেঙে অশোক গুপ্ত নিজেই প্রতিমা তৈরি শুরু করেন। তবে কিছু কিছু বিষয় তাঁকে বরাবর বিতর্কিত করে তোলে। যেমন সিংহর বদলে তাঁর দুর্গার বাহন ছিল বাঘ। বারবার উনি মা দুর্গার ফর্ম ভেঙ্গে সাধারণ মানুষের সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ১৯৭৮ সালে তিনি থার্মোকলের প্রতিমাও বানান রাজবল্লভ পাড়ায় সারঙ্গ নামক একটি সর্বজনীন দুর্গাপুজোর জন্য। তখনও কিন্তু আমাদের কলকাতার মানুষ থার্মোকলের নাম খুব একটা শোনেননি।
অশোক গুপ্তের জন্যই অস্ত্রবিহীন দুর্গা দেখতে পেয়েছিলেন পুজো অনুরাগীরা। সবকিছুর ব্যবহার প্রতীকী। তাঁর হাতের ছোঁয়ায় থিমের প্রতিমার এক নতুন অধ্যায় রচিত হয়। ইন্ডিয়ান মাইথলজির সঙ্গে পশ্চিমী সংস্কৃতির একটা মেলবন্ধন লক্ষ্য করা যেত তাঁর কাজে, হাইরিলিফ পেন্টিংয়ের সঙ্গে নানারকম রঙের অকল্পনীয় ব্যবহার... যা কি না সেই সময় ভাবাই যেত না। প্রচারবিমুখ শিল্পী অশোক গুপ্তর মনের জোর ও সাহস ছিল মারাত্মক, বাগবাজার সর্বজনীনের জনপ্রিয় সাবেকি দুর্গাপ্রতিমা থেকে মাত্র ৩০০ মিটারের মধ্যে জগৎ মুখার্জি পার্কে থিমের প্রতিমা বানানো চাট্টিখানি কথা নয়! তাও আবার ছয়ের দশকে। অশোক গুপ্ত রবীন্দ্র সঙ্গীতের খুব ভক্ত ছিলেন, তাই প্রতিমা বানানোর সময় সারাদিন চলত দেবব্রত বিশ্বাসের গলায় রবীন্দ্র সঙ্গীতের ক্যাসেট। তিনি যখন প্রতিমা বানাতেন, সত্যজিৎ রায় এসে দিনের পর দিন বসে থাকতেন... শুধু ওঁর কাজ দেখার জন্য।
অলোক সেন ও
মোহনবাঁশি রুদ্র পাল
অলোক সেনের কথা না বললে বিবর্তন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আর্ট কলেজ থেকে পাশ করার পর অলোক সেন সাতের দশকে অন্যরকম আর্টের প্রতিমা গড়তেন। সামাজিক অনাচার, রাজনৈতিক হত্যা, শাসকের অত্যাচার নিয়ে প্রতীকী অসুর গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। মা দুর্গার সন্তান কার্তিক নেই, সেখানে দাঁড়িয়ে সুভাষচন্দ্র বসু। নেতাজির গায়ে পুরোপুরি সামরিক পোশাক। আর সবুজ-রঙা অসুরের বদলে একজন ইংরেজ মিলিটারি। ঠিক এই সময় কলকাতার দুর্গাপুজোতে এক আমূল পরিবর্তন ঘটায় ভবানীপুর বকুলবাগান সর্বজনীন। ১৯৭৫ সালে থিমের প্রতিমা গড়েন চিত্রকর নীরদ মজুমদার। তারপর থেকে কুমোরটুলির চৌহদ্দি ছাড়িয়ে বকুলবাগানের প্রতিমা নির্মাণ এসে পড়ে নামজাদা শিল্পীদের হাতে। বিকাশ ভট্টাচার্য, ইশা মহম্মদ, শানু লাহিড়ি, মীরা মুখোপাধ্যায়ের মতো নামজাদা শিল্পীরা থিমের প্রতিমা গড়েন। বর্তমানে কুমোরটুলি প্রতিমা শিল্পীদের মধ্য সবচেয়ে বেশি যাঁর অবদান, তিনি হলেন বিক্রমপুর ঘরানার কিংবদন্তি শিল্পী মোহনবাঁশি রুদ্র পাল। চারের দশকের শুরুর দিকটায় রাখাল, নেপাল ও মোহনবাঁশি ভাইয়েরা একসঙ্গে ‘রাখাল চন্দ্র পাল এন্ড ব্রাদার্স’-এর ব্যানারে ঠাকুর গড়তেন। এঁদের হাত ধরেই ঢাকা-বিক্রমপুর ঘরানার শিল্প ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে। প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় লেগে যায় ওপার বাংলার এই ঘরানাকে জনপ্রিয় করে তুলতে। আটের দশকের শুরুতে ভাইদের ব্যবসা আলাদা হয়ে যায়, রাখাল, নেপাল পাল ও মোহনবাঁশি পৃথক ব্যানারে প্রতিমা বানানো শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে ঢাকা-বিক্রমপুর ঘরানা সুপরিচিত হতে থাকে। পরপর চার বছর এশিয়ান পেন্টস শারদ সম্মান পুরস্কার পেয়ে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে ওঠে আদি বালিগঞ্জ সর্বজনীন। মোট পাঁচবার তারা এই শারদ সম্মান লাভ করে। আদি বালিগঞ্জ বরাবর একটু অন্য ধাঁচের মণ্ডপ তৈরি করত, আর ওদের প্রতিমা গড়তেন ঢাকা-বিক্রমপুর ঘরানার শিল্পী মোহনবাঁশি রুদ্র পাল। তাঁর সুযোগ্য পুত্র প্রদীপ রুদ্র পালও অনবদ্য শিল্পী। তেলেঙ্গাবাগানের প্রতিমায় তাঁর বিভিন্ন ধরনের কাজ এখনও পুজো-পাগলদের চোখে ভাসে।
সনাতন দিন্দা ও ভবতোষ সুতার
১৯৯৮ এবং ২০০০—এই দু’টি বছরও প্রতিমা বিবর্তনের ইতিহাসে আলাদা জায়গা পাবে। কারণ, সনাতন দিন্দা এবং ভবতোষ সুতারের আবির্ভাব। ‘রুদ্র পাল’ জমানার রমরমার মধ্যেই এই দুই শিল্পী নিজেদের জাত চিনিয়েছেন। হাতিবাগান সর্বজনীনে পথ চলা শুরু হয়েছিল সনাতনের। এর দু’বছর পরে বড়িশার একটি ক্লাবে প্রথম প্রতিমা গড়েন ভবতোষ। বর্তমানে এই দু’জনের সৃষ্টি দেখতে পুজোপ্রেমীরা উপচে পড়েন। প্রথম বছর সনাতন করেছিলেন গণেশজননী। এরপর তাঁকে আর থামতে হয়নি। একাধিক পদ্মের উপর প্রতিমা, কিংবা চম্বাদেবী বহুল প্রশংসিত হয়েছিল। এরপর নলিনী সরকার স্ট্রিট, চেতলা অগ্রণী ও ৯৫ পল্লিতে সনাতনী প্রতিমা উৎকর্ষের অন্যতম উদাহরণ। পাশাপাশি বড়িশার সৃষ্টি এবং নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘ, চেতলা অগ্রণীতে ভবতোষ সুতার বছরের পর বছর ভারতের বিভিন্ন শিল্পকে তাঁর প্রতিমায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ২০০০ সালে হাতিবাগান সর্বজনীনে প্রথম এশিয়ান পেন্টস শারদ সম্মান পান সনাতন দিন্দা। আর চার বছর পরে এককভাবে শ্রেষ্ঠ শিল্পীর পুরস্কারে ভূষিত হন ভবতোষ সুতার।
 লেখক: দুর্গাপুজো গবেষক 
29th  September, 2019
দেশবন্ধু
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজির একের পর এক অনুগামীকে নিজের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হলেও, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়নি একবিন্দুও। আবার তাঁকেই দীক্ষাগুরু হিসেবে স্থির করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। জন্মের সার্ধশতবর্ষে ফিরে দেখা সেই চিত্তরঞ্জন দাশকে। বিশদ

23rd  February, 2020
পথদ্রষ্টা ফালকে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

‘রাজা হরিশ্চন্দ্র’-এর হাত ধরে পথচলা শুরু হয় প্রথম ভারতীয় পূর্ণাঙ্গ কাহিনীচিত্রের। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গেও ফালকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এ দেশের সিনেমার পথদ্রষ্টাকে ফিরে দেখা। 
বিশদ

16th  February, 2020
ইতিহাসে টালা
দেবাশিস বসু

 ‘টালা’ কলকাতার অন্যতম প্রাচীন উপকণ্ঠ। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জব চার্নক নেমেছিলেন সুতানুটিতে। ১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। অর্থাৎ তিনি সুতানুটিতে ছিলেন জীবনের শেষ আড়াই বছর। তাঁর মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাবর্ণ চৌধুরীদের কাছ থেকে গোবিন্দপুর, কলকাতা ও সুতানুটি গ্রাম তিনটির জমিদারি স্বত্ব কিনে নেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
মহাশ্বেতা 

সন্দীপন বিশ্বাস: ‘সরস্বতী পুজো।’ শব্দ দুটো লিখে ল্যাপটপের কি-বোর্ড থেকে হাতটা সরিয়ে নিল শুভব্রত। চেয়ারে হেলান দিয়ে বাইরে চোখ। রাত এখন গভীর। আর কয়েকদিন পরেই সরস্বতী পুজো। এডিটর একটা লেখা চেয়েছেন। পুজো নিয়ে স্পেশাল এডিশনে ছাপা হবে। সাহিত্যিক হিসেবে শুভর একটা খ্যাতি আছে। 
বিশদ

02nd  February, 2020
শতবর্ষে জনসংযোগ
সমীর গোস্বামী

অনেকে মজা করে বলেন, সেলুনে যিনি হেয়ার স্টাইল ঠিক করেন, তিনি অনেক সময় বিশিষ্ট মানুষের কানেও হাত দিতে পারেন। জনসংযোগ আধিকারিক বা পিআরও’রাও খানিকটা তেমনই। প্রচারের স্বার্থে তাঁরা কেবল সাহসের উপর ভর করে অনেক কিছু করতে পারেন। মনে পড়ছে, বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে কোনও কিছু উদ্বোধনের সময় ফিতে কাটতে দিতাম না। 
বিশদ

26th  January, 2020
অনন্য বিকাশ 

পাহাড়ী স্যান্যাল থেকে উত্তমকুমার সবাই ছিলেন তাঁর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত। হেমেন গুপ্তের ‘৪২’ ছবিতে এক অত্যাচারী পুলিস অফিসারের ভূমিকায় এমন অভিনয় করেছিলেন যে দর্শকাসন থেকে জুতো ছোঁড়া হয়েছিল পর্দা লক্ষ্য করে। এই ঘটনাকে অভিনন্দন হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা বিকাশ রায়কে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু সিনেমায় তাঁর সহ অভিনেতা ও মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।  
বিশদ

19th  January, 2020
যদি এমন হতো! 
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

যদি এমন হতো? সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ এসেছেন, ধনীর আদরের সন্তান; কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব পৃথিবীতে আসেননি। তাহলে নরেন্দ্রনাথ কি স্বামী বিবেকানন্দ হতেন! মেধাবী, সাহসী, শ্রুতিধর এই সুন্দর যুবকটি পিতাকে অনুসরণ করে হয়তো আরও শ্রেষ্ঠ এক আইনজীবী হতেন, ডাকসাইটে ব্যারিস্টার, অথবা সেই ইংরেজযুগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, ঘোড়ায় চাপা ব্রাউন সাহেব— আইসিএস। ক্ষমতা হতো, সমৃদ্ধি হতো।
বিশদ

12th  January, 2020
সেলুলয়েডের শতবর্ষে হিচকক 
মৃন্ময় চন্দ

‘Thank you, ….very much indeed’
শতাব্দীর হ্রস্বতম অস্কার বক্তৃতা। আবার এটাও বলা যেতে পারে, মাত্র পাঁচটি শব্দ খরচ করে ‘ধন্যবাদজ্ঞাপন’।
হ্যাঁ, হয়তো অভিমানই রয়েছে এর পিছনে।
বিশদ

05th  January, 2020
ফিরে দেখা
খেলা

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি। 
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
বিনোদন

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
রাজ্য 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।   বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
দেশ-বিদেশ 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
বঙ্গ মিষ্টিকথা 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মিষ্টান্ন ভোজন। যার সঙ্গে জড়িয়ে বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, অ্যাডভেঞ্চার। ডায়েটিংয়ের যুগে আজও বহু বাঙালি ক্যালরির তোয়াক্কা করে না। খাওয়া যতই আজব হোক, মিষ্টি না হলে ভোজ সম্পূর্ণ হয় না যে! 
বিশদ

22nd  December, 2019
সংবিধানের ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত এবং বিশেষ করে আগামীদিনের শাসক কংগ্রেসের সঙ্গে এভাবে চরম তিক্ততার সম্পর্ক করে রেখে পৃথক পাকিস্তান পাওয়ার পর, সেই নতুন দেশের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত? কীভাবে সম্ভাব্য পাকিস্তানের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করা যাবে? কী কী সমস্যা আসতে পারে?  
বিশদ

15th  December, 2019
একনজরে
 বিএনএ, চুঁচুড়া: সম্পত্তি বিবাদে ছোট ভাইকে খুনের ঘটনায় বড় ভাইকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিলেন চুঁচুড়ার ফাস্ট ট্র্যাক (প্রথম) আদালতের বিচারক শুভেন্দু সাহা। গত বৃহস্পতিবার বিচারক বিশ্বনাথ মালিক নামে ওই বিচারাধীন বন্দিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: জোর নেই সংগঠনের। ইসলামপুর পুরসভার বিরুদ্ধে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব তাই এখনও পর্যন্ত কোনও আন্দোলনই সংগঠিত করতে পারল না। এদিকে দোরগোড়ায় পুরভোট।   ...

 জেনিভা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পাকিস্তানের মাটিকে নাশকতা ছড়াতে ব্যবহার করা এবং সন্ত্রাসে আর্থিক মদতের প্রসঙ্গে ফের ইসলামাবাদকে সতর্ক করল ভারত। তাও আবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের একমাত্র বিনোদনের জায়গা গান্ধীপার্কে অসামাজিক কাজকর্ম বন্ধের দাবিতে শুক্রবার পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি জমা দিল গণতান্ত্রিক নাগরিক মঞ্চ। যদিও স্মারকলিপিতে যাঁরা সই করেছেন তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ও সিপিএমের সঙ্গে জড়িত।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় মাঝেমধ্যে উদ্বেগ দেখা দেবে। প্রেম-প্রণয়ে শুভাশুভ মিশ্র, মাঝেমধ্যে মতান্তর ঘটবে। বুঝেশুনে চলা দরকার। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৬৮ - পোপ দ্বিতীয় পলের জন্ম
১৭১২ - সুইডেনে ২৯ ফেব্রুয়ারির পর ৩০ ফেব্রুয়ারি পালনের সিদ্বান্ত হয়। এর কারণ তারা আগের নিয়মে ফিরতে চেয়েছিল।
১৮৯৬ - ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেসাইয়ের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩৬ টাকা ৯৪.৬৮ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৮ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ)পঞ্চমী। ভরণী অহোরাত্র ৭/৪৮ দিবা ৯/১০। সূ উ ৬/২/৩৭, অ ৫/৩৫/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৩ গতে ১/৫৩ মধ্যে পুনঃ ২/৪৩ গতে ৪/২২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৪/৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৯ গতে উদয়াবধি।
১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, ষষ্ঠী, ভরণী ৫৩/২৫/৩২ রাত্রি ৩/২৭/৪৩। সূ উ ৬/৫/৩০, অ ৫/৩৫/১১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১১ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩১/৪৩ মধ্যে ও ৪/৮/৫৯ গতে ৫/৩৫/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৮/৫৮ মধ্যে ও ৪/৩১/৪২ গতে ৬/৪/৩৭ মধ্যে।
৪ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহের ইংলিশবাজারে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে ছুরি তিন দুষ্কৃতীর, চাঞ্চল্য 

04:04:32 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু, মৃতদেহ আটকে চলছে বিক্ষোভ 

01:45:04 PM

চার নম্বর ব্রিজে স্কুটিতে ধাক্কা গাড়ির, জখম চালক 

01:19:00 PM

কামারহাটির প্রান্তিক নগরে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন, দমকলের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে 

12:07:00 PM

ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, ধৃত ১ 
ঋণ দেওয়া ও তামাদি হওয়া বিমা পুনর্জীবিত করার নাম করে ...বিশদ

11:32:51 AM

মুর অ্যাভেনিউতে বাড়িতে চুরি, ধৃত ১ 
মুর অ্যাভেনিউতে এক আইনজীবীর বাড়িতে চুরির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার ...বিশদ

10:57:03 AM