Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

পুজোর ফুলের যন্ত্রণা
বিশ্বজিৎ মাইতি

হাওড়া‑খড়্গপুর রেলওয়ে শাখার বালিচক স্টেশন। মার্চ মাসের এক শুক্রবারের সকালে বেশ কয়েকজনকে ধরেছেন টিটি। বিনা টিকিটে ট্রেন সফর। তাঁদের মধ্যে এক যুবকের হাতে গোটা চারেক বস্তা। হাতে একগুচ্ছ ব্যাগ। গাল ভর্তি দাড়ি। উসকো-খুসকো চুল। পরনে নানান দাগে ভর্তি জামা ও হাফপ্যান্ট। করুণ চোখে আচমকাই নিজের মানিব্যাগ টিটির মুখের সামনে দেখিয়ে ধরা গলায় বলল, ‘স্যার একটা টাকাও নেই। পুরো শরীর চেক করে দেখুন...। পুরনো টিকিট আছে গোটা কয়েক। জেলে ভরুন, না হয় ক্ষমা করে ছেড়ে দিন।’ থমথমে মুখে কিছু সময় চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকলেন টিটি। এরপর ঘাড় নাড়লেন। নিঃশব্দ অনুমতি। স্টেশনের বাইরে বটগাছের তলায় আনমনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন সজল জানা... সেই টিকিটহীন যুবক। কিছুক্ষণ পর পাশের দোকান থেকে ৩০ টাকা ধার নিলেন। কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘দাদা, টিটি কি পরিচিত নাকি? কী করেন? পিক পকেট হয়েছে?’ নানান প্রশ্নে কিছু সময় চুপ করে বললেন, ‘সুদে টাকা ধার নিয়ে ফুল লাগিয়েছিলাম বিঘে দু’য়েক জমিতে। পরপর দু’দিন ফুল বিক্রিই হল না। রূপনারায়ণের জলে ফেলে দিয়ে আসতে বাধ্য হলাম। রাত দেড়টায় বাড়ি থেকে ৬০ কেজি ফুল নিয়ে বেরিয়েছিলাম। বাড়ি ফেরার টাকা পর্যন্ত হল না।’ কিছুক্ষণ চুপ। ফের ধরা গলায় বলেন, ‘এখন ফুল চাষের জন্য কীটনাশক, ছেলের ওষুধ কোথা থেকে নিই বলুন তো? এর থেকে টিটি জেলে ভরে দিলেই শান্তি পেতাম!’
শুধু সজলবাবু নন, পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং, পিংলা, পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার বহু চাষিকেই বছরের বিভিন্ন সময় এমন সঙ্কটের মুখে পড়তে হয়। রাস্তার ধারে, নদী কিংবা খালে এত যত্নের কুইন্টাল কুইন্টাল ফুল ফেলে দিতে হয় বাড়ি ফেরার আগে। একবুক শূন্যতা... পরের দিনের খাবাবের টাকার চিন্তা সঙ্গী হয় নিত্যদিন। অথচ, পাড়ার মোড়ের দোকানে ১০ টাকা দিলে গোটা কয়েক ফুল ও বেলপাতা ধরিয়ে দেয়। গাঁদাফুলের একটা মাঝারি সাইজের মালার দাম নেয় কোথাও দশ টাকা, কোথাও পনেরো টাকা। সামনেই শারদীয়া উৎসব। পদ্ম ছাড়া মায়ের আরাধনার কথা ভাবাই যায় না। পুজোর দিনগুলিতে ওই পদ্ম প্রতি পিস ২০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হয়। ফুল আজ ব্যবসা। বড় ব্যবসা। প্রচুর টাকার লেনদেন। যার কণামাত্র পৌঁছয় না সজল জানাদের কাছে।
এর শিকড়টা রয়েছে খানিকটা অতীতের পথে। আসলে কয়েক দশক আগেও বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ আমাদের রাজ্যে সেইভাবে হতো না। বাড়ির সামনের বাগানে লাগানো গাছের ফুল দিয়েই হতো দেবসেবা। ভোররাতে ওই ফুল তুলে কিছু মানুষ শহরের বিভিন্ন বাজারে বসতেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উৎসব-অনুষ্ঠানে ফুলের ব্যবহার বাড়তে শুরু করে গ্রাম থেকে শহরে। আর সেই বাজার ধরতেই ব্যবসায়ীদের উৎসাহে ছয়ের দশক থেকে গ্রাম বাংলার উঁচু ধানের জমিতে ফুলচাষের সূত্রপাত। বর্তমানে গাঁদা, রজনীগন্ধা, গোলাপ, অপরাজিতা, দোপাটি, চন্দ্রমল্লিক, জবা, গ্ল্যাডিওলাস, করণ, জারবেরাল আস্টার, ডালিয়া, বেল, জুঁই চাষ হচ্ছে। এছাড়া হচ্ছে অ্যাসপেরাস, বটলব্রাস, ঘোড়াপামের মতো নানান বাহারি পাতাও। এক সময় অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলা ফুলচাষে রাজ্যে প্রথম ছিল। এখন রাজ্যে প্রথম নদীয়া, দ্বিতীয় পূর্ব মেদিনীপুর, তৃতীয় পশ্চিম মেদিনীপুর, চতুর্থ স্থানে হাওড়া জেলা। পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট স্টেশন সংলগ্ন ফুলবাজার, ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দেউলিয়া ফুল বাজার ও পাঁশকুড়ার সরকারি ফুল বাজার ছাড়াও ছোটখাটো বেশ কয়েকটি ফুল বাজার রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর বা হাওড়ায় তেমন কোনও ফুলের বাজার নেই। এছাড়া নদীয়ার বীরনগর, তাহেরপুর, বাদকুল্লা, মাঝেরগ্রামে বড় ফুল বাজার বসে। রাতভর জেগে প্রথমে সাইকেল, তারপর বাস ও ট্রেনে চেপে বাজারে ফুল আনেন চাষিরা। এইসব বাজার থেকে ফুলের বড় অংশ আসে কলকাতার মল্লিকঘাট ফুল বাজারে। মল্লিকঘাট থেকে একাধিক হাত হয়ে ওই ফুল পাড়ার বাজারে পৌঁছয়। ফুলের দামের বিষয়টি ঠিক হয় অন্যান্য কৃষিপণ্যের মতোই। বিয়ে বা পুজোর মরশুম ছাড়া চাষিকে চোখের জল ফেলে ফুল বেচতে হয়। এ বছর বৃষ্টির জন্য সিংহভাগ চাষির ফুল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেই ক্ষত মেরামতের আগেই এসেছে পুজোর মরশুম। সেকারণে কোলাঘাট ও পাঁশকুড়ার ফুল বাজারে এখন কেজিপ্রতি গাঁদা বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। তিন ফুট লম্বা ২০টি গাঁদার মালার দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। কেজি প্রতি রজনীগন্ধা ৩০০ টাকা, বেল ৩২০ টাকা, জুঁই ৪০০ টাকা, দোপাটি ৩০ টাকা, অপরাজিতা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক হাজার জবা ফুলের দাম ২৫ টাকা, প্রতি পিস গোলাপ ২ টাকা। আর পদ্ম এখন বিকোচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা প্রতি পিস।
দেবদেবীর পুজোর দিন বিশেষে ফুলের চাহিদা বাড়ে-কমে। কালীপুজোয় জবা ফুল, শনি পুজোয় নীল অপরাজিতা, মহাদেবের পুজোয় আকন্দ, সাদা ধুতরা ফুল ও ফল, সরস্বতী পুজোয় গাঁদা সহ বিভিন্ন ধরনের হলুদ ফুল, দুর্গাপুজো ও লক্ষ্মীপুজোয় পদ্ম। চাষিরাও এই সমীকরণ মাথায় রেখেই চাষ করেন। ফুলের চাষ অন্য যে কোনও চাষের তুলনায় অনেক কঠিন। আমরা কথায় কথায় বলি, ফুলের মতো জীবন। সত্যিই তাই। সামান্য জল জমলেই বেশিরভাগ ফুল গাছ নষ্ট হয়ে যায়। পোকা ও রোগের উপদ্রব থেকে গাছকে বাঁচাতে দিনভর ফুল জমিতে পড়ে থাকতে হয়। গাঁদার মতো বেশ কিছু ফুল প্রতিদিন তুলতে হয়। ফুলের দাম থাকুক বা না থাকুক...। কারণ, ফুল না তুললে নতুন কুঁড়ি আসে না। অথচ সম্পূর্ণভাবে ব্যবসায়ী নিয়ন্ত্রিত বাজারে দাম ওঠাপড়ার কোনও স্থিরতাই নেই। গতকাল যে ফুল ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, আজ তা ২ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হতে পারে। এই ফাটকা কাঁধে নিয়েই চাষজমিতে যেতে হয় তাঁদের।
কথা হচ্ছিল নারায়ণচন্দ্র নায়কের সঙ্গে। সারা বাংলা ফুল চাষি ও ফুল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক। বললেন, ‘রাজ্যের ফুল চাষ আজও ফুল ব্যবসায়ী ও ওষুধ ব্যবসায়ীরা কন্ট্রোল করে। ঢাল তরোয়ালহীন হর্টিকালচার দপ্তরের কর্মকাণ্ডের সুফল সিংহভাগ চাষিই পায় না। রাজ্যের শতকরা ৯৮ ভাগ বাজারের কোনও পরিকাঠামো নেই। বর্ষায় গোড়ালি সমান জল ও কাদার উপর ফুল রেখে বিক্রি করতে হয় চাষিদের। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকা চাষিদের জন্য কারও কোনও ভাবনা নেই। ফুল থেকে উপজাত সামগ্রী তৈরির কোনও ব্যবস্থা নেই। রজনীগন্ধা থেকে সুগন্ধি তৈরি হলে, গাঁদা থেকে আবির ও রং হলে প্রতিদিন বাজারের ফুলের দাম ওঠা‑পড়ার কেরামতি আটকে যেত। বিকল্প ব্যবস্থা নেই বলেই বছরের বিভিন্ন সময় ফুল ফেলে দিতে বাধ্য হন চাষিরা। কয়েক দশক আগে ইংল্যান্ড সহ বিদেশে ফুল পাঠানোর ব্যবস্থা ছিল। এখন সব বন্ধ। কেন্দ্রীয় সরকার কৃষি পণ্য হিসেবে ফুলকে স্বীকৃতি না দেওয়ায় কৃষিবিমার সুযোগ নেই। ক্ষতিপূরণও জোটে না চাষিদের। চাষের জন্য কৃষি ঋণও মেলে না। আসলে ফুল চাষ ও চাষিদের উন্নয়ন নিয়ে পরিকল্পনা নেওয়ার সময় বোধহয় কোনও শাসকেরই নেই।’
ফুলের দামই একমাত্র সমস্যা নয়। গোলাপের সৌরভে বিমোহিত হলেও, আমরা অনেকেই জানি না গোলাপের কাঁটায় চাষির রক্তাক্ত হওয়ার কাহিনী। দেবী দুর্গার পায়ে পদ্ম অঞ্জলি দিই ঠিকই, কিন্তু আমরা জানতে পারি না পদ্ম পুকুর বা নয়ানজুলিতে থাকা পদ্ম তুলতে গিয়ে খরিশের ছোবলে কতজন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন। আমরা জানতেই পারি না, প্রতিদিন ভোররাতে জাতীয় সড়কের উপরে বসা ফুল বাজারে ফুল আনার সময় কত চাষি ট্রাকের ধাক্কায় মারা গিয়েছেন, স্টেশন লাগোয়া ফুল বাজারে ফুলের বস্তা নিয়ে লাইন পারাপারের সময় কতজন ফুলচাষি ট্রেনে কাটা পড়েছেন। কত রঙিন স্বপ্ন প্রতিদিন ট্রাকের তলায় ও ট্রেনের চাকায় কাটা পড়ছে, পিষে যাচ্ছে... তার কোনও ইয়ত্তা নেই। তারপরও তাঁরা স্বপ্ন দেখেন ফুলচাষের সঠিক দামটা অন্তত পাওয়ার। সারা বছর চোখের জল ফেলার পর পুজোর মরশুমে অন্তত একটু বেশি টাকায় বিক্রির... যা অন্তত বাজার দরের ধারেকাছে থাকে। তাহলে ছেলেমেয়েগুলোর জন্য হয়তো একটা নতুন জামা হবে। হয়তো মায়ের জন্য একটা শাড়ি হবে...। সাপ‑লুডোর মারপ্যাঁচ খেলতে খেলতে ক্লান্ত চাষি প্রায়শই প্রশ্ন তোলেন, কবে এই স্বপ্ন সত্যি হবে!
22nd  September, 2019
দেশবন্ধু
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজির একের পর এক অনুগামীকে নিজের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হলেও, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়নি একবিন্দুও। আবার তাঁকেই দীক্ষাগুরু হিসেবে স্থির করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। জন্মের সার্ধশতবর্ষে ফিরে দেখা সেই চিত্তরঞ্জন দাশকে। বিশদ

23rd  February, 2020
পথদ্রষ্টা ফালকে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

‘রাজা হরিশ্চন্দ্র’-এর হাত ধরে পথচলা শুরু হয় প্রথম ভারতীয় পূর্ণাঙ্গ কাহিনীচিত্রের। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গেও ফালকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এ দেশের সিনেমার পথদ্রষ্টাকে ফিরে দেখা। 
বিশদ

16th  February, 2020
ইতিহাসে টালা
দেবাশিস বসু

 ‘টালা’ কলকাতার অন্যতম প্রাচীন উপকণ্ঠ। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জব চার্নক নেমেছিলেন সুতানুটিতে। ১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। অর্থাৎ তিনি সুতানুটিতে ছিলেন জীবনের শেষ আড়াই বছর। তাঁর মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাবর্ণ চৌধুরীদের কাছ থেকে গোবিন্দপুর, কলকাতা ও সুতানুটি গ্রাম তিনটির জমিদারি স্বত্ব কিনে নেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
মহাশ্বেতা 

সন্দীপন বিশ্বাস: ‘সরস্বতী পুজো।’ শব্দ দুটো লিখে ল্যাপটপের কি-বোর্ড থেকে হাতটা সরিয়ে নিল শুভব্রত। চেয়ারে হেলান দিয়ে বাইরে চোখ। রাত এখন গভীর। আর কয়েকদিন পরেই সরস্বতী পুজো। এডিটর একটা লেখা চেয়েছেন। পুজো নিয়ে স্পেশাল এডিশনে ছাপা হবে। সাহিত্যিক হিসেবে শুভর একটা খ্যাতি আছে। 
বিশদ

02nd  February, 2020
শতবর্ষে জনসংযোগ
সমীর গোস্বামী

অনেকে মজা করে বলেন, সেলুনে যিনি হেয়ার স্টাইল ঠিক করেন, তিনি অনেক সময় বিশিষ্ট মানুষের কানেও হাত দিতে পারেন। জনসংযোগ আধিকারিক বা পিআরও’রাও খানিকটা তেমনই। প্রচারের স্বার্থে তাঁরা কেবল সাহসের উপর ভর করে অনেক কিছু করতে পারেন। মনে পড়ছে, বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে কোনও কিছু উদ্বোধনের সময় ফিতে কাটতে দিতাম না। 
বিশদ

26th  January, 2020
অনন্য বিকাশ 

পাহাড়ী স্যান্যাল থেকে উত্তমকুমার সবাই ছিলেন তাঁর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত। হেমেন গুপ্তের ‘৪২’ ছবিতে এক অত্যাচারী পুলিস অফিসারের ভূমিকায় এমন অভিনয় করেছিলেন যে দর্শকাসন থেকে জুতো ছোঁড়া হয়েছিল পর্দা লক্ষ্য করে। এই ঘটনাকে অভিনন্দন হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা বিকাশ রায়কে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু সিনেমায় তাঁর সহ অভিনেতা ও মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।  
বিশদ

19th  January, 2020
যদি এমন হতো! 
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

যদি এমন হতো? সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ এসেছেন, ধনীর আদরের সন্তান; কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব পৃথিবীতে আসেননি। তাহলে নরেন্দ্রনাথ কি স্বামী বিবেকানন্দ হতেন! মেধাবী, সাহসী, শ্রুতিধর এই সুন্দর যুবকটি পিতাকে অনুসরণ করে হয়তো আরও শ্রেষ্ঠ এক আইনজীবী হতেন, ডাকসাইটে ব্যারিস্টার, অথবা সেই ইংরেজযুগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, ঘোড়ায় চাপা ব্রাউন সাহেব— আইসিএস। ক্ষমতা হতো, সমৃদ্ধি হতো।
বিশদ

12th  January, 2020
সেলুলয়েডের শতবর্ষে হিচকক 
মৃন্ময় চন্দ

‘Thank you, ….very much indeed’
শতাব্দীর হ্রস্বতম অস্কার বক্তৃতা। আবার এটাও বলা যেতে পারে, মাত্র পাঁচটি শব্দ খরচ করে ‘ধন্যবাদজ্ঞাপন’।
হ্যাঁ, হয়তো অভিমানই রয়েছে এর পিছনে।
বিশদ

05th  January, 2020
ফিরে দেখা
খেলা

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি। 
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
বিনোদন

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
রাজ্য 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।   বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
দেশ-বিদেশ 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
বঙ্গ মিষ্টিকথা 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মিষ্টান্ন ভোজন। যার সঙ্গে জড়িয়ে বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, অ্যাডভেঞ্চার। ডায়েটিংয়ের যুগে আজও বহু বাঙালি ক্যালরির তোয়াক্কা করে না। খাওয়া যতই আজব হোক, মিষ্টি না হলে ভোজ সম্পূর্ণ হয় না যে! 
বিশদ

22nd  December, 2019
সংবিধানের ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত এবং বিশেষ করে আগামীদিনের শাসক কংগ্রেসের সঙ্গে এভাবে চরম তিক্ততার সম্পর্ক করে রেখে পৃথক পাকিস্তান পাওয়ার পর, সেই নতুন দেশের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত? কীভাবে সম্ভাব্য পাকিস্তানের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করা যাবে? কী কী সমস্যা আসতে পারে?  
বিশদ

15th  December, 2019
একনজরে
 জেনিভা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পাকিস্তানের মাটিকে নাশকতা ছড়াতে ব্যবহার করা এবং সন্ত্রাসে আর্থিক মদতের প্রসঙ্গে ফের ইসলামাবাদকে সতর্ক করল ভারত। তাও আবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের একমাত্র বিনোদনের জায়গা গান্ধীপার্কে অসামাজিক কাজকর্ম বন্ধের দাবিতে শুক্রবার পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি জমা দিল গণতান্ত্রিক নাগরিক মঞ্চ। যদিও স্মারকলিপিতে যাঁরা সই করেছেন তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ও সিপিএমের সঙ্গে জড়িত।   ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: সম্পত্তি বিবাদে ছোট ভাইকে খুনের ঘটনায় বড় ভাইকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিলেন চুঁচুড়ার ফাস্ট ট্র্যাক (প্রথম) আদালতের বিচারক শুভেন্দু সাহা। গত বৃহস্পতিবার বিচারক বিশ্বনাথ মালিক নামে ওই বিচারাধীন বন্দিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ...

 কৌশিক ঘোষ, কলকাতা: আধার সংযুক্তিকরণ সহ রেশন ব্যবস্থার সংস্কারে রাজ্য সরকারের কাজের প্রশংসা করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় মাঝেমধ্যে উদ্বেগ দেখা দেবে। প্রেম-প্রণয়ে শুভাশুভ মিশ্র, মাঝেমধ্যে মতান্তর ঘটবে। বুঝেশুনে চলা দরকার। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৬৮ - পোপ দ্বিতীয় পলের জন্ম
১৭১২ - সুইডেনে ২৯ ফেব্রুয়ারির পর ৩০ ফেব্রুয়ারি পালনের সিদ্বান্ত হয়। এর কারণ তারা আগের নিয়মে ফিরতে চেয়েছিল।
১৮৯৬ - ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেসাইয়ের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩৬ টাকা ৯৪.৬৮ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৮ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ)পঞ্চমী। ভরণী অহোরাত্র ৭/৪৮ দিবা ৯/১০। সূ উ ৬/২/৩৭, অ ৫/৩৫/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৩ গতে ১/৫৩ মধ্যে পুনঃ ২/৪৩ গতে ৪/২২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৪/৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৯ গতে উদয়াবধি।
১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, ষষ্ঠী, ভরণী ৫৩/২৫/৩২ রাত্রি ৩/২৭/৪৩। সূ উ ৬/৫/৩০, অ ৫/৩৫/১১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১১ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩১/৪৩ মধ্যে ও ৪/৮/৫৯ গতে ৫/৩৫/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৮/৫৮ মধ্যে ও ৪/৩১/৪২ গতে ৬/৪/৩৭ মধ্যে।
৪ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহের ইংলিশবাজারে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে ছুরি তিন দুষ্কৃতীর, চাঞ্চল্য 

04:04:32 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু, মৃতদেহ আটকে চলছে বিক্ষোভ 

01:45:04 PM

চার নম্বর ব্রিজে স্কুটিতে ধাক্কা গাড়ির, জখম চালক 

01:19:00 PM

কামারহাটির প্রান্তিক নগরে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন, দমকলের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে 

12:07:00 PM

ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, ধৃত ১ 
ঋণ দেওয়া ও তামাদি হওয়া বিমা পুনর্জীবিত করার নাম করে ...বিশদ

11:32:51 AM

মুর অ্যাভেনিউতে বাড়িতে চুরি, ধৃত ১ 
মুর অ্যাভেনিউতে এক আইনজীবীর বাড়িতে চুরির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার ...বিশদ

10:57:03 AM