Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

আগুন বাজার
বীরেশ্বর বেরা

‘এবার তো পটলের দাম ভালোই পাচ্ছেন?’
কিঞ্চিৎ হলদেটে সাদা স্যান্ডো, হাঁটু পর্যন্ত ভাঁজ করে পরা লুঙ্গির উপর গামছা কষে বেঁধে দাঁড়িয়েছিলেন সাদিফুল মোল্লা। বয়সে যুবক। সামনে এক মানুষ সমান উঁচু পটলের স্তূপ। প্রশ্ন শুনে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন তিনি। তাতে কিঞ্চিত শ্লেষ মেশানো। ‘মশাইয়ের কি কলকাতা থেকে আসা হয়েছে?’ মাথা নেড়ে সম্মতি জানানোয় বললেন, ‘এরকম মনে হয়। বাস্তবটা জানেন না বলে এটা মনে হয়েছে।’ কথা বাড়াতে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘কেন? আপনি যে পটল বেচছেন, এমন পটল তো আমরা ৩০-৩২ টাকায় কিনছি!’ গ্রাম্য যুবক তাঁর আপাত-কাঠিন্যের খোলস ছেড়ে সহজ হয়ে গেলেন হঠাৎ। তেলের টিনের উপর চটের বস্তা বেঁধে টুলের মতো বসার জায়গাটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘বসুন তাহলে, বলি। যেটা আপনারা ৩০ টাকায় কিনছেন এক কেজি, সেটার জন্য আমাদের আট টাকা মতো থাকছে। কখনও কখনও আরও কম। সার, কীটনাশকের চড়া দাম, বৃষ্টির কেরামতি ঠেকিয়ে এই যে ফসল তুলে এনেছি, তাতে লাভ খুব সামান্যই।’ বিস্মিত হয়ে বললাম, ‘এতটা ফারাক হয়!’ সাদিফুল বললেন, ‘হয় তো। বড় পার্টি চাটাই পেতে মাল তুলে নিলে দাম বাড়বে। কিন্তু তাতে আমাদের কোনও লাভ হয় না। লাভের গুড় খায় পিঁপড়েতে।’
পটল এখানে একটি উদাহরণমাত্র! শহর, শহরতলি, এমনকী গ্রামাঞ্চলেরও নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত যে দামে সব্জি কিনছে, তার সামান্য অংশই গিয়ে ঢুকছে কৃষকের ভাঁড়ারে। তাই বাজারে দাম বেশি মানে চাষির ঘরেও লক্ষ্মী উপচে পড়ছে—এমন ভাবনা অলীক কল্পনার সামিল। ১০০ টাকার নোট পকেটে নিয়ে ব্যাগভর্তি করে বাজার আনা এখন মাঝারি উপার্জনের শহুরে মধ্যবিত্তের কাছে নস্টালজিয়ারই নামান্তর। এই ভরা বর্ষায়ও ইলিশমাছ আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া হেঁসেলে ঢোকে না! যে আলুপোস্ত এপার বাংলার বাসিন্দাদের কাছে অন্যতম প্রিয় একটি পদ, সেই পোস্তর দাম এমন চোখ রাঙাচ্ছে যে ধারেকাছে যাওয়াই মুশকিল। ভরা বর্ষায় মাছ, সব্জি একটু সস্তা হবে, নিখাদ বাঙালির ভুরিভোজে জমে উঠবে রোববারগুলো—এসব এখন সুখস্মৃতির চর্বিতচর্বণ! ১০০ টাকায় ব্যাগভর্তি তো দূরের কথা, যা কেনা যায়, তাতে এক-দু’বেলার খাওয়া কোনওরকমে সারাও মুশকিল হয়ে পড়েছে। আদা, পেঁয়াজ, ডাল, সর্ষে তেলের ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী দর ভোজনরসিক বাঙালির রসনাতৃপ্তির সাধ আর সাধ্যের মধ্যে ফারাক বাড়াচ্ছে।
সাদিফুলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগরের হাটে। গোপালনগরের হাটের পরিচয়? শিয়ালদহের কোলে মার্কেট পরপর কয়েকটা জুড়ে দিলে গোপালনগরের হাট হয়! ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ছ’-সাত কিলোমিটার দূরে বনগাঁ-চাকদহ রোডের পাশে প্রায় দু’কিলোমিটার জুড়ে এই পাইকারি সব্জি হাটের বিস্তার। যেখানে সব্জির আমদানি কোলে মার্কেটের ১০ গুণও হয়ে যায় কখনও কখনও। কোলে মার্কেটে সব্জির বড় অংশই আসে এই হাট থেকে। কোনও কোনও চাষি যেমন সরাসরি এই ভেন্ডর বা হকারের কাজ করেন, তেমন স্রেফ গোপালনগরের হাটে সব্জি কিনে কোলে মার্কেটে এনে বেচে দেওয়া ব্যবসায়ীরাও আছেন। আবার কোনও কৃষক নিজের ফলানো ফসলের সঙ্গেই আরও বেশ কিছুটা কিনে এনে একসঙ্গে বেচেন কোলে মার্কেট বা ব্রেসব্রিজ-তারাতলা বা ধুলাগড়ের সব্জি বাজারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অংশে সব্জির চাহিদা মেটায় এই তিনটি পাইকারি বাজার। আর এদের সব্জি সরবরাহ করে গোপালনগর, ক্যাওসা, বিথারি, হঠাৎগঞ্জ, করিমপুরের সব্জির হাটগুলি।
মাঠ থেকে কোন পথ ধরে পাড়ার দোকান বা স্থানীয় বাজারে আসে সব্জি? কথা হচ্ছিল শিয়ালদহ কোলে মার্কেটের অন্যতম কর্মকর্তা তথা পশ্চিমবঙ্গ ভেন্ডর’স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কমল দে’র সঙ্গে। প্রায় ৪৫ বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সব্জি হাটগুলোতে যাওয়া-আসা তাঁর। ওঠা-বসা করেন ছোট-মাঝারি-বড় কৃষকের সঙ্গে। অভিজ্ঞতার সঞ্চয় থেকে তিনি জানান, ‘তিন ধরনের ভেন্ডর রয়েছে আমাদের সব্জির লাইনে। গোপালনগর, ক্যাওসা, বিথারি বা করিমপুরের মতো হাটগুলিতে প্রচুর পরিমাণ সব্জি নিয়ে আসেন চাষিরা। তবে সব চাষি তো আর হাটে আসেন না। যাঁরা হাটে বসেন, তাঁরা সব্জি সাত-আট টাকায় বিক্রি করে দেন। সেটাই ১০-১২ টাকা কেজি দরে কুইন্টাল বা টনে বিক্রি হয় গোপালনগরের মতো হাটে। নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অংশে আরেকদল ভেন্ডার আছেন, মাঠ থেকে ২-৫ টন ফসল তুলে ট্রেনে সোজা শিয়ালদহ বা তারাতলা-ব্রেসব্রিজের বাজারে চলে আসেন। তাঁরা একটু বেশি দাম পান। তবে এদের কেরামতিতে বাজারে দামের ওঠানামা নির্ভর করে না। আসল কারণটি ঘটে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিশাল পাইকারি সব্জি হাটগুলিতে। সেখানে এ রাজ্যের পাশাপাশি ভিনরাজ্যের ফড়েরা এক-একদিন কয়েকটন করে সব্জি তুলে নেন রপ্তানির জন্য।’ উচ্ছে, বেগুন, পটল, মূলো—সবই রয়েছে তাঁদের রপ্তানিকৃত সব্জির তালিকায়। তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন কৃষকের সরাসরি ফোনে যোগাযোগ হয়। ধরা যাক, এক বড় ফড়ে ১০ টন ঝিঙে কিনবেন বলে কয়েকজন কৃষককে জানিয়ে দিলেন। তারা এসে ‘চাটাই’ পাতবে হাটে। যেখানে একসঙ্গে এত ঝিঙে কেনা হবে, সেই জায়গাটার নাম চাটাই। কৃষকদের ভাষায়, ‘আজ বিহারী পার্টি চাটাই পাতবে’। কৃষকদের মধ্যে কথাবার্তার এই আদানপ্রদানে তা গোটা এলাকার ঝিঙে উৎপাদনকারীরা জেনে যাবেন। সেদিন হাটে আমদানি হবে বিশাল পরিমাণ ঝিঙে। এতটা পরিমাণ ফসল এককালীন বেচে দিলে চাষির লাভ হল, এক থোকে অনেকটা টাকা হাতে পাওয়া যায়। মহাজনের কাছে ধারদেনা থাকলে শোধ করে দেওয়া যায়। পরবর্তী চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করা যায়।
কিন্তু বাংলার কৃষকের এত সুখ আর কবে সয়েছে! এখানে ঢুকে পড়ে এক ধরনের কৌশল, যা জালিয়াতিও বলা চলে। কিন্তু তা ঠেকানোর বা নিয়ন্ত্রণের কৃৎকৌশল এখনও অজানা। কীরকম ‘জালিয়াতি’? ফোনে কাউকে বলে দিলে বা অন্য কোনওভাবে খবর দিলে দলে দলে কৃষক বড় ফড়ের কাছে এককালীন প্রচুর ফসল বেচে দেওয়ার জন্য তা মাঠ থেকে তুলে নিয়ে হাজির হয়। তারপর আচমকাই ফড়ের চ্যালারা ঘোষণা করে, আজ তারা মাল তুলবে না। লরি আসেনি, মালিক হাসপাতালে বা নানা অজুহাত দেখানো হয়। তখন কৃষকরা পড়ে মহা ফাঁপরে। একদিকে ফসল তুলে নিয়েছেন মাঠ থেকে, অন্যদিকে যার কেনার কথা, সে বেঁকে বসেছে। কমলবাবু বলছিলেন, ‘তখন ওই ফড়ের চ্যালাদের কাছে রীতিমতো কাকুতিমিনতি করতে হয় ফসল কিনে নেওয়ার জন্য। এই সুযোগটা ব্যবহার করে তারা। আট টাকা দরে যে পটল বিক্রি হতে পারত, তা নেমে আসে পাঁচ-ছ’টাকায়। নিরুপায় হয়ে সেই দামেই কোনওরকমে সব্জি বেচে দিয়ে লোকসানের ধাক্কা মাথায় নিয়ে বাড়ি ফিরতে হয় চাষিকে। এ এক অসহায় অবস্থা তাঁদের জন্য।’ এই সব্জি আবার বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাইরের রাজ্যে চালান হয়। ফলে এককালীন এত সব্জি বাইরের রাজ্যে চলে যাওয়ায় স্থানীয় বাজার বা কোলে মার্কেটের মতো সরাসরি এই হাটের উপর নির্ভরশীল বাজারগুলিতে একটা ‘ক্রাইসিস’ তৈরি হয়। দাম বাড়ে এখানেও। তার প্রভাব গিয়ে পড়ে খুচরো বাজারে। তবে কোলে মার্কেট বা তারাতলা বা ধূলাগড়ের বাজার থেকে কিনে নিয়ে যাওয়া সব্জির সঙ্গে বহনের খরচ যোগ করার পর তিন-চার টাকা লাভে তা বিক্রি করাই যায়। কিন্তু এটাই আবার খুচরো বিক্রেতাদের কারণে এক-এক জায়গায় এক-একরকম হয়ে যায়। কলকাতায় জগুবাবুর বাজারে তাই এক দাম, মানিকতলা বাজারে আরেকরকম।
সব মিলিয়ে সব্জির দমের গুঁতোয় মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত বাঙালি হাঁসফাস করলেও, চাষির ঘরের অন্ধকার কাটে না। ক্ষমতাসীনদের আস্ফালন শোনা যায় মাঝে মাঝে—দেশ এগিয়ে যাচ্ছে! এত ঢক্কানিনাদের জন্য বিশ্বাস করতেও ইচ্ছে হয়, সত্যিই এগচ্ছে দেশ। কিন্তু দেশের মানুষ? ‘আমার যারা ফসল ফলাই, যে জেলে মাছ ধরে, তার জীবনে কি আরও একটু বেশি আলো আসবে? নাকি এমন অন্ধকারই রয়ে যাবে?’ প্রশ্ন রেখে যায় গোপালনগরের হাটের কৃষক। প্রশ্ন রেখে যায় সামান্য মাইনেতে সংসার টানতে জেরবার হয়ে যাওয়া গেরস্থও।
............................................
ছবি ও গ্রাফিক্স : সোমনাথ পাল
সহযোগিতায় : স্বাগত মুখোপাধ্যায়
08th  September, 2019
দেশবন্ধু
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজির একের পর এক অনুগামীকে নিজের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হলেও, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়নি একবিন্দুও। আবার তাঁকেই দীক্ষাগুরু হিসেবে স্থির করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। জন্মের সার্ধশতবর্ষে ফিরে দেখা সেই চিত্তরঞ্জন দাশকে। বিশদ

23rd  February, 2020
পথদ্রষ্টা ফালকে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

‘রাজা হরিশ্চন্দ্র’-এর হাত ধরে পথচলা শুরু হয় প্রথম ভারতীয় পূর্ণাঙ্গ কাহিনীচিত্রের। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গেও ফালকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এ দেশের সিনেমার পথদ্রষ্টাকে ফিরে দেখা। 
বিশদ

16th  February, 2020
ইতিহাসে টালা
দেবাশিস বসু

 ‘টালা’ কলকাতার অন্যতম প্রাচীন উপকণ্ঠ। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জব চার্নক নেমেছিলেন সুতানুটিতে। ১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। অর্থাৎ তিনি সুতানুটিতে ছিলেন জীবনের শেষ আড়াই বছর। তাঁর মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাবর্ণ চৌধুরীদের কাছ থেকে গোবিন্দপুর, কলকাতা ও সুতানুটি গ্রাম তিনটির জমিদারি স্বত্ব কিনে নেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
মহাশ্বেতা 

সন্দীপন বিশ্বাস: ‘সরস্বতী পুজো।’ শব্দ দুটো লিখে ল্যাপটপের কি-বোর্ড থেকে হাতটা সরিয়ে নিল শুভব্রত। চেয়ারে হেলান দিয়ে বাইরে চোখ। রাত এখন গভীর। আর কয়েকদিন পরেই সরস্বতী পুজো। এডিটর একটা লেখা চেয়েছেন। পুজো নিয়ে স্পেশাল এডিশনে ছাপা হবে। সাহিত্যিক হিসেবে শুভর একটা খ্যাতি আছে। 
বিশদ

02nd  February, 2020
শতবর্ষে জনসংযোগ
সমীর গোস্বামী

অনেকে মজা করে বলেন, সেলুনে যিনি হেয়ার স্টাইল ঠিক করেন, তিনি অনেক সময় বিশিষ্ট মানুষের কানেও হাত দিতে পারেন। জনসংযোগ আধিকারিক বা পিআরও’রাও খানিকটা তেমনই। প্রচারের স্বার্থে তাঁরা কেবল সাহসের উপর ভর করে অনেক কিছু করতে পারেন। মনে পড়ছে, বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে কোনও কিছু উদ্বোধনের সময় ফিতে কাটতে দিতাম না। 
বিশদ

26th  January, 2020
অনন্য বিকাশ 

পাহাড়ী স্যান্যাল থেকে উত্তমকুমার সবাই ছিলেন তাঁর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত। হেমেন গুপ্তের ‘৪২’ ছবিতে এক অত্যাচারী পুলিস অফিসারের ভূমিকায় এমন অভিনয় করেছিলেন যে দর্শকাসন থেকে জুতো ছোঁড়া হয়েছিল পর্দা লক্ষ্য করে। এই ঘটনাকে অভিনন্দন হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা বিকাশ রায়কে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু সিনেমায় তাঁর সহ অভিনেতা ও মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।  
বিশদ

19th  January, 2020
যদি এমন হতো! 
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

যদি এমন হতো? সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ এসেছেন, ধনীর আদরের সন্তান; কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব পৃথিবীতে আসেননি। তাহলে নরেন্দ্রনাথ কি স্বামী বিবেকানন্দ হতেন! মেধাবী, সাহসী, শ্রুতিধর এই সুন্দর যুবকটি পিতাকে অনুসরণ করে হয়তো আরও শ্রেষ্ঠ এক আইনজীবী হতেন, ডাকসাইটে ব্যারিস্টার, অথবা সেই ইংরেজযুগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, ঘোড়ায় চাপা ব্রাউন সাহেব— আইসিএস। ক্ষমতা হতো, সমৃদ্ধি হতো।
বিশদ

12th  January, 2020
সেলুলয়েডের শতবর্ষে হিচকক 
মৃন্ময় চন্দ

‘Thank you, ….very much indeed’
শতাব্দীর হ্রস্বতম অস্কার বক্তৃতা। আবার এটাও বলা যেতে পারে, মাত্র পাঁচটি শব্দ খরচ করে ‘ধন্যবাদজ্ঞাপন’।
হ্যাঁ, হয়তো অভিমানই রয়েছে এর পিছনে।
বিশদ

05th  January, 2020
ফিরে দেখা
খেলা

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি। 
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
বিনোদন

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
রাজ্য 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।   বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
দেশ-বিদেশ 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
বঙ্গ মিষ্টিকথা 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মিষ্টান্ন ভোজন। যার সঙ্গে জড়িয়ে বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, অ্যাডভেঞ্চার। ডায়েটিংয়ের যুগে আজও বহু বাঙালি ক্যালরির তোয়াক্কা করে না। খাওয়া যতই আজব হোক, মিষ্টি না হলে ভোজ সম্পূর্ণ হয় না যে! 
বিশদ

22nd  December, 2019
সংবিধানের ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত এবং বিশেষ করে আগামীদিনের শাসক কংগ্রেসের সঙ্গে এভাবে চরম তিক্ততার সম্পর্ক করে রেখে পৃথক পাকিস্তান পাওয়ার পর, সেই নতুন দেশের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত? কীভাবে সম্ভাব্য পাকিস্তানের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করা যাবে? কী কী সমস্যা আসতে পারে?  
বিশদ

15th  December, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ২৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): সীমান্তের ওপারে থাকা পরিকাঠামো জঙ্গিরা খোলা ময়দান হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। বালাকোটে প্রত্যাঘাত চালিয়ে জঙ্গিদের সেই বার্তা দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: সম্পত্তি বিবাদে ছোট ভাইকে খুনের ঘটনায় বড় ভাইকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিলেন চুঁচুড়ার ফাস্ট ট্র্যাক (প্রথম) আদালতের বিচারক শুভেন্দু সাহা। গত বৃহস্পতিবার বিচারক বিশ্বনাথ মালিক নামে ওই বিচারাধীন বন্দিকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটের একমাত্র বিনোদনের জায়গা গান্ধীপার্কে অসামাজিক কাজকর্ম বন্ধের দাবিতে শুক্রবার পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি জমা দিল গণতান্ত্রিক নাগরিক মঞ্চ। যদিও স্মারকলিপিতে যাঁরা সই করেছেন তাঁদের অধিকাংশই কংগ্রেস ও সিপিএমের সঙ্গে জড়িত।   ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির মধ্যে কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় মাঝেমধ্যে উদ্বেগ দেখা দেবে। প্রেম-প্রণয়ে শুভাশুভ মিশ্র, মাঝেমধ্যে মতান্তর ঘটবে। বুঝেশুনে চলা দরকার। কর্মে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৬৮ - পোপ দ্বিতীয় পলের জন্ম
১৭১২ - সুইডেনে ২৯ ফেব্রুয়ারির পর ৩০ ফেব্রুয়ারি পালনের সিদ্বান্ত হয়। এর কারণ তারা আগের নিয়মে ফিরতে চেয়েছিল।
১৮৯৬ - ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেসাইয়ের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.২৯ টাকা ৭৩.০০ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩৬ টাকা ৯৪.৬৮ টাকা
ইউরো ৭৭.৮৮ টাকা ৮০.৮৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৬৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ)পঞ্চমী। ভরণী অহোরাত্র ৭/৪৮ দিবা ৯/১০। সূ উ ৬/২/৩৭, অ ৫/৩৫/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৩ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৫ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৩ গতে ১/৫৩ মধ্যে পুনঃ ২/৪৩ গতে ৪/২২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩০ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৪/৮ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/২৯ গতে উদয়াবধি।
১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, ষষ্ঠী, ভরণী ৫৩/২৫/৩২ রাত্রি ৩/২৭/৪৩। সূ উ ৬/৫/৩০, অ ৫/৩৫/১১। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১১ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩১/৪৩ মধ্যে ও ৪/৮/৫৯ গতে ৫/৩৫/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৮/৫৮ মধ্যে ও ৪/৩১/৪২ গতে ৬/৪/৩৭ মধ্যে।
৪ রজব

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মালদহের ইংলিশবাজারে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে ছুরি তিন দুষ্কৃতীর, চাঞ্চল্য 

04:04:32 PM

বাঁকুড়ার জয়পুরে ট্রাক্টরের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু, মৃতদেহ আটকে চলছে বিক্ষোভ 

01:45:04 PM

চার নম্বর ব্রিজে স্কুটিতে ধাক্কা গাড়ির, জখম চালক 

01:19:00 PM

কামারহাটির প্রান্তিক নগরে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন, দমকলের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে 

12:07:00 PM

ঋণ দেওয়ার নামে প্রতারণা, ধৃত ১ 
ঋণ দেওয়া ও তামাদি হওয়া বিমা পুনর্জীবিত করার নাম করে ...বিশদ

11:32:51 AM

মুর অ্যাভেনিউতে বাড়িতে চুরি, ধৃত ১ 
মুর অ্যাভেনিউতে এক আইনজীবীর বাড়িতে চুরির অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার ...বিশদ

10:57:03 AM