Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

রাজীব ৭৫
মণিশঙ্কর আইয়ার

ছিয়াশি সালের ডিসেম্বর। অঝোরে তুষারপাত হচ্ছে। আমরা যাচ্ছি কাশ্মীর। কিন্তু একটা সময় আর্মি জানাল, আর যাওয়া সম্ভব নয়। এত তুষারপাতে হেলিকপ্টার ওড়ানো যাবে না। তাহলে? যাব কী করে? বাকিরাও বলল, দিল্লি ফিরে চলুন। কিন্তু প্রধাননমন্ত্রী বললেন, তা হয় না। যাব যখন বলেছি যেতে হবে। লোকেরা অপেক্ষা করে থাকবে যে! ঠিক হল, যাওয়া হবে অন রোড। প্রধানমন্ত্রীই ঠিক করলেন। সেই মতো উধমপুর থেকে গাড়িতে শ্রীনগর। প্রধানমন্ত্রী একটা গাড়িতে, আমি একটায়। পিছনে আমাদের লাগেজ। কাগজপত্র। কিন্তু কিছু দূর যাওয়ার পরেই বিরাট ধস। পাহাড় ধসে নেমে এল রাস্তায়। আমরা এগিয়ে গেলেও মালপত্রের গাড়ি রয়ে গেল ধসের ওপারে। পিছনে। কিন্তু আমরা এগিয়ে চললাম। শ্রীনগর পৌঁছতেই প্রধানমন্ত্রীর মুখ প্রসন্ন। শ্রীনগরও তখন খ্রিস্টমাসের পিকচার পোস্টকার্ড! তুষারে ঢেকে গিয়েছে চারপাশ। তার মধ্যে কাশ্মীরি ছেলেমেয়েরা অপেক্ষা করছে। কিন্তু ওই অবস্থায় কী করে যে ওদের মুখে হাসি লেগেছিল, ভেবে আশ্চর্য হয়েছিলাম। একে কনকনে ঠান্ডা। তায় পায়ে জুতো নেই। যা দেখে প্রধানমন্ত্রী অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তবে আমাকে বললেন, ‘মুখে হাসি রাখবে সব সময়। কাশ্মীর যেমন সুন্দর, তেমনই সেখানকার মানুষজন।’ ওদের চাওয়া পাওয়া মন দিয়ে শুনেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দিল্লি ফিরে কাশ্মীরের মানুষের জন্য কী করা যায়, তার পরিকল্পনা করেছিলেন। মানুষের সঙ্গে মিশে তাদের জানা, বোঝার চেষ্টা করতেন রাজীব গান্ধী। এমনই প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বলতেন, যেখানকার মানুষের জন্য কিছু করবে বলে সরকার ভাবে, সবার আগে সেখানকার মানুষের মন বুঝতে হবে। তাদের রায় নিতে হবে। তবেই তাদের ভারত সম্পর্কে ভালোবাসা বাড়বে। এমনই ছিলেন সেদিনের প্রধানমন্ত্রী... রাজীব গান্ধী। অথচ আজকের সময়ে যা ঘটছে, তা নিয়ে আর বাড়তি বলার কিছু নেই। সবাই দেখছেন। বুঝছেন। এই সময়ের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রাজীব সম্পর্কে লিখতে গিয়ে তা‌ই সবার আগে এটাই মনে পড়ছে!
এরকম আরও অনেক ঘটনা আছে। স্রেফ মানুষের মন বোঝার চেষ্টাই নয়। ভারতের সীমান্ত সম্পর্কে কেবল মানচিত্রের রেখায় নয়, প্রান্তিক নাগরি঩কের কাছে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজীব গান্ধী ছিলেন অ্যাথলিট মানসিকতার মানুষ। কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ঠিক হল, যাওয়া হবে মিজোরামের এক্কেবারে শেষ প্রান্ত। টিলাবোঙ্গ। প্লেটোর উপর হেলিকপ্টার দাঁড়িয়ে। আর রাজীব গান্ধী হেঁটে উঠে যাচ্ছেন আরও উঁচুতে। আমি চলেছি ধীরে, কিছুটা পিছনে। সঙ্গে এক মিজো মানুষ। রাজীবকে ওভাবে উঠে যেতে দেখে সেই মিজো মানুষটি জিজ্ঞেস করল, কে ওই ভদ্রলোক? উত্তর দিলাম, প্রাইম মিনিস্টার। বিশ্বাস হল না তাঁর। বললেন, না। উনি কী করে প্রধানমন্ত্রী হবেন। প্রধানমন্ত্রীর তো গোঁফ দেখেছি টিভিতে। এঁর তো নেই!
কথাটা শুনে আমি হাসছি। পরে শুনে হাসছেন রাজীব গান্ধীও। কিন্তু মনে মনে ঠিক করছেন অন্য কিছু। যা জানলাম ফিরতিপথে। হেলিকপ্টারে। বললেন, ওই মিজো মানুষটার কোনও দোষ নেই। উনি তো বাংলাদেশ টিভি দেখেন। তাই (তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি) এরশাদকেই দেখেছেন। টিলাবোঙ্গ বাংলাদেশ সীমান্তে। তাই ওখানে বাংলা টিভি আসে। আমাদের নয়। দিল্লি ফিরেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রককে প্রধানমন্ত্রী অর্ডার দিলেন, মিজোরামে দূরদর্শনের টাওয়ার বসান। এবং সেটা টিলাবোঙ্গেই। ওরা যে ভারতীয়, ভারতের অংশে থাকেন মিজোরা, সেটা ওদের বোঝাতে হবে। হলও তাই। যা দেখে আমি বুঝলাম, কেবল ট্যুরিজম নয়। তারই মধ্যে দিয়ে কীভাবে মানুষের মনে পৌঁছানো যায়।
ভারতের মানুষ, সংস্কৃতি নিয়ে গোটা দেশের নাগরিকদের যুক্ত করায় প্রয়াসী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। বিদেশ মন্ত্রকের আমলা থেকে প্রধানমন্ত্রী অফিসের জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করার সূত্রে কাছ থেকে দেখেছি তাঁকে। পঞ্চায়েতস্তরে গ্রামের মানুষের কাছেও যাবতীয় অধিকার পূরণে উদ্যোগী। আধুনিক ভারত গড়ার কারিগর তো বটেই। কেবল নিত্য সরকারি কাজের সূত্রে যোগাযোগই নয়, একটা সময়ে আমি রাজীব গান্ধীর স্পিচও লিখতাম। আমার ড্রাফট পছন্দ করতেন। তাই এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অনেকের আপত্তি উড়িয়ে আমার লেখাই পড়তেন। আসলে পাঞ্জাবের অপারেশন ব্লু-স্টারের সময় মিসেস গান্ধীকে (ইন্দিরা গান্ধী) যে গোপন রিপোর্ট লিখে দিতাম, স্পেশাল পাবলিসিটি গ্রুপের হয়ে কাজ করতাম, তার কপি উনি রাজীব গান্ধীকে দিতেন। আলোচনা করতেন। আমি যদিও তা জানতামই না। পরে রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে জেনেছি।
তবে সেসব নিজের কথার বাইরে আজ ‘বর্তমান’ কাগজের পাঠকের জন্য অন্য কয়েকটা ঘটনার কথা বলব বলেই ঠিক করেছি। যেখানে অন্য রাজীব গান্ধী রয়েছে। দেশের মানুষই ছিল রাজীব গান্ধীর প্রায়োরিটি। রাজনীতি পরে।
মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের লালথাং হাওলার শপথ গ্রহণে যাওয়া হবে। হঠাৎ রাজীব গান্ধী জানালেন, তিনি অরুণাচলেও যেতে চান। একইদিনে। আমি সঙ্গে সঙ্গে জর্জকে বললাম। ভিনসেন্ট জর্জ, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব। বললাম, কী হবে? জর্জ বলল, প্রধানমন্ত্রী চাইছেন। ব্যবস্থা করতেই হবে। হলও। ইটানগরে একটা জনসভার আয়োজন হল। প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী মঞ্চে বক্তৃতা দিচ্ছেন। আমি সাধারণভাবে যেমন থাকতাম, তেমনই মঞ্চের নীচে একটা কোণে দাঁড়িয়ে শুনছি। কিন্তু এ কী শুনছি! রাজীব গান্ধী ঘোষণা করলেন, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে অরুণাচল হবে সম্পূর্ণ রাজ্য। আমার বিশ্বাসই হচ্ছিল না। এমন ঘোষণা? তাও চীন সফরের আগে! তাই সভার পর ডিব্রুগড় থেকে দিল্লি ফেরার পথে প্রোটোকল ভেঙে আমি প্রধানমন্ত্রীর কেবিনে গেলাম। জানতে চাইলাম, যা স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় বলার কথা, তা আগেভাগেই কেন ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী? তাও চীন যাওয়ার আগে? রাজীব গান্ধী হেসে জবাব দিলেন, মণি, আমরাই যদি নিজেদের না চিনি, বর্ডার না বুঝি, তাহলে চীনকে কী বোঝাব! সীমান্ত সম্পর্কে সাংঘাতিক ওই বোঝাপড়া এবং সঙ্গে কূটনৈতিক বার্তা দেওয়ার বিষয়টি শুনে আমি চুপ করে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, আই স্যালুট ইউ!
উত্তর-পূর্ব সহ সীমান্তের মানুষকে কীভাবে কাছে টানা যায়, কীভাবে মেনল্যান্ডের সঙ্গে নাগরিকদের জোড়া যায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাজীব গান্ধীকে তা বারবার দেখেছি। একের পর এক ঘটনায়। কেবল সরকারি প্রোটোকলে নয়। সেখানকার মানুষের আবেগকে ছুঁয়ে কীভাবে কাজ করতে হয়, তারও সাক্ষী আমি। লাদাখে একটা জায়গা আছে... জাংস্কার ভ্যালি। পদুম গ্রাম। রাজীব গান্ধী ঠিক করলেন সেখানে যাবেন। ব্যবস্থা হল। কিন্তু তুষারপাত হচ্ছে। বরফে ঢেকে গিয়েছে পদুম। বরফের উপর পাতা হয়েছে লোহার মোটা পাত। সেখানেই হেলিকপ্টার নামবে। কিন্তু নামবে কী? হেলিকপ্টারের রোটর ব্লেডের প্রচণ্ড গতির দাপটে সেই পাত উড়ে যাওয়ার উপক্রম। পাইলট জানিয়ে দিল, অসম্ভব। নামা যাবে না। তাই অগত্যা হেলিকপ্টার উড়ে গেল কার্গিলে। খানিকক্ষণ বাদে তুষারপাত কমলে প্রস্তাব দিলাম, ফের একবার চেষ্টা করে দেখি। আমি যাচ্ছি পদুম। তারপর সেখান থেকে পরিস্থিতি জানাব। ফিরে গিয়ে দেখি তখনও প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঠায় উপত্যকার মানুষ দাঁড়িয়ে। আমি এসপিজি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কার্গিলে খবর পাঠালাম। হেলিকপ্টার উড়ে গেল কার্গিল। অপেক্ষমান মানুষকে বললাম, আপনারা দাঁড়ান। ওয়াজিরে আজম অব আ রহে হ্যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে কার্গিল থেকে হেলিকপ্টার আবার এল। প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সঙ্গে ফারুক আবদুল্লা। কিন্তু ফের একই হাল হল। লোহার পাত উড়ে যাওয়ার উপক্রম। এদিকে প্রধানমন্ত্রীও জানিয়ে দিলেন, তিনি নামবেনই। পাইলট মানা করলেন। কিন্তু রাজীব গান্ধী অটল। নামবেন। শেষমেশ মাটি থেকে প্রায় এক ফুট ওপরে হেলিকপ্টার ভেসে রইল। চলন্ত অবস্থায় দরজা খুলে লাফিয়ে নামলেন রাজীব গান্ধী। অনুসরণ করলেন ফারুক। কেবল নেমে মানুষের সঙ্গে কথা বলাই নয়, একইরকম ঝুঁকি নিয়ে ভেসে থাকা হেলিকপ্টারে উঠেওছিলেন রাজীব গান্ধী। বলেছিলেন, দেশের মানুষের জন্য এই সামান্য ঝুঁকিও যদি না নিতে পারি, তাহলে আর কী!
একবার নয়। বারবার ঝুঁকি নিয়েছেন রাজীব গান্ধী। আন্দামান নিকোবরে গ্রেটার নিকোবরে পিগমেলিয়ান পয়েন্টে (এখন যা ইন্দিরা পয়েন্ট) যাবেন। মূল ভূখণ্ড থেকে জায়গাটা প্রায় ৮০ নটিক্যাল মাইল। জায়গাটা ভারতের মূল ভূখণ্ডের চেয়ে সুমাত্রার কাছে। ওখানে অবসরপ্রাপ্ত শিখ সেনাদের একাংশ থাকতেন। রাজীব গান্ধী বললেন, আমি যাব। এসপিজির আপত্তি। মিসেস গান্ধীর হত্যার স্মৃতি রয়েছে। তাই এসপিজি নারাজ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীও জানিয়ে দিলেন, ওরা আমাদেরই দেশের নাগরিক। আমাদের নিজেদের লোক। তাই ওদের কাছে যাবই। ভয় কী?
অথচ এই রাজীবকেই আমি চিনতাম না। রাজীব গান্ধী যে আমার হয়ে কেমব্রিজে ক্যাম্পেন করেছেন, তাও জেনেছি পরে। আমি ইউনিভার্সিটির ছাত্র নির্বাচনে লড়ছি। প্রেসিডেন্ট পদ। যদিও জিততে পারিনি। তবে সেক্রেটারি হয়েছিলাম। ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের কাছে গিয়ে রাজীবের প্রচার ছিল, ভারতীয় একজন প্রেসিডেন্টের পদে লড়ছেন। তাঁকে ভোট দেবেন না? অনেক পরে প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তাঁর জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসেবে পিএমওতে কাজ করার সময় ওই ঘটনার কথা জেনেছিলাম। সেই থেকে আমি রাজীবের প্রতি কৃতজ্ঞ। মজার ব্যাপার হল, স্কুল এবং ইউনিভার্সিটিতে রাজীব আমার জুনিয়র থাকলেও পরে ও আমার কাছে হল ‘স্যার।’ প্রাইম মিনিস্টার। কোনওদিন নাম ধরে ডাকিনি। অলওয়েজ বলেছি স্যার। ও ডাকত মণি বলে। সেটাই স্বাভাবিক। পদ মর্যাদা এবং ব্যক্তিত্বই বড়। বয়স নয়। যদিও আমাদের সম্পর্ক ছিল আন্তরিক।
মনে পড়ছে দুন স্কুলের জুনিয়রকেও। আমার চেয়ে রাজীব ছিল তিন বছরের জুনিয়র। একটা লাজুক ছেলের মুখ ভেসে ওঠে। ঠান্ডা গলায় জিজ্ঞেস করেছিল, ‘আমি কি একটু সাঁতার কাটতে পারি?’ স্কুলে সব ক্লাসেই সাঁতারের সময় ভাগ করা ছিল। সেই সময়ের বাইরে হলে অনুমতি নিতে হতো। আমরা সিনিয়র। ওটা ছিল আমাদের সময়। কিন্তু একজন জুনিয়র এসে সাঁতার কাটতে চাইল। আমার অন্য ক্লাসমেটরা ততটা আগ্রহ দেখাল না। কিন্তু আমি বললাম, ওকে। যাও। অনুমতি আদায় করে সেই ছেলেটির মুখে কী আনন্দ। স্মিত হাসি। আজীবন সেদিনের সেই নিষ্পাপ হাসিটা অটুট ছিল রাজীবের। ৭৫ বছরের জন্মদিনে সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে রাজীব গান্ধীর ছবির দিকে তাকিয়েও দেখলাম, সেই হাসিটা এখনও একইরকম প্রাণবন্ত!
 অনুলিখন: সন্দীপ স্বর্ণকার
25th  August, 2019
লকডাউনের দিনগুলি
ডাঃ শ্যামল চক্রবর্তী

মুখ্যমন্ত্রী দাঁড়িয়ে আছেন গাইনি বাড়ির উল্টোদিকে কার্ডিওলজি বিল্ডিংয়ের সামনে। পাশে পুলিস কমিশনার। খবর পেয়ে দ্রুত ওখানে চলে এলেন হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও ডেপুটি সুপার। মিটার দেড়েক দূরত্ব, করজোড়ে মুখ্যমন্ত্রী... ‘খুব ভালো কাজ করছেন আপনারা।
বিশদ

24th  May, 2020
করোনা কক্ষের ডায়েরি
ডাঃ চন্দ্রাশিস চক্রবর্তী

 গত ১০০ বছরে পৃথিবী এরকম মহামারী দেখেনি। শহরের প্রায় সমস্ত বড় হাসপাতালে এখন করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি। ফলে আউটডোর চলছে গুটিকয়েক রোগী নিয়ে, হাসপাতালের ক্যান্টিন বন্ধ, ভিতরের রাস্তাগুলো ফাঁকা, বাইরে গাড়ির লাইন নেই…।
বিশদ

24th  May, 2020
এয়ারলিফট 
সমৃদ্ধ দত্ত

একটা স্তব্ধতা তৈরি হল ঘরে। সন্ধ্যা হয়েছে অনেকক্ষণ। এখন আর বেশি কর্মী নেই। অনেকেই বাড়ি চলে গিয়েছেন। তবু কিছু লাস্ট মিনিট আপডেট করার থাকে। তাই কয়েকজন এখনও রয়েছেন অফিসে। তাঁদেরও ফিরতে হবে।  
বিশদ

17th  May, 2020
রবির মানিক 

শ্রীকান্ত আচার্য: অতীতে কলকাতায় বরাবরই ঠাকুর পরিবার এবং রায়চৌধুরী পরিবার, সব দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল। তা সে জ্ঞানের পরিধি বলুন বা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল—সব ক্ষেত্রেই এই দুই পরিবার উন্নত করেছে বাংলাকে। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৩ সালে।  
বিশদ

10th  May, 2020
অনুরাগের রবি ঠাকুর 

সন্দীপ রায়: বাবার কলাভবনে ভর্তি হওয়া থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে সংযোগটা একরকম তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যদিও আপনারা জানবেন, শৈশবে ওঁর মোটেই শান্তিনিকেতন যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। তবে হ্যাঁ, সেখানে গিয়ে কিন্তু তাঁর অবশ্যই মন পরিবর্তন হয়েছিল। 
বিশদ

10th  May, 2020
‘ছবিটা ভাই ভালো হয়েছে। তবে
চলবে কি না, বলতে পারছি না!’ 

প্রশ্ন: ‘চারুলতা’-র জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেছিলেন?
মাধবী: ছ’বছর বয়স থেকে কাজ করা শুরু করেছিলাম। তারপর নানা পথ পেরিয়ে প্রেমেন্দ্র মিত্রের সঙ্গে কাজ। ‘সাহসিকা’ বলে একটি ছবিতে হিরোইনের ছেলেবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্ধু আমার...
দীপ্তি নাভাল

আমি হতবাক: আমি বাকরুদ্ধ। চিন্টুর চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। তবে অসুস্থতার খবর আগেই পেয়েছিলাম। চিন্টুর মৃত্যুর আগের দিন ইরফানের খবরটা পাই। তখনই মানসিকভাবে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। এর পরপরই খবর আসে যে চিন্টু অসুস্থ। বিশদ

03rd  May, 2020
তোমার স্মৃতিতে...
অমিতাভ বচ্চন

দেওনার কটেজে প্রথম দেখেছিলাম চিন্টুকে। প্রচণ্ড হাসিখুশি, প্রাণবন্ত এক তরুণ। দু’চোখ ভরা দুষ্টুমি। দিনটা আমার কাছে সত্যি বিরল। কারণ, রাজ জি’র বাড়িতে আমন্ত্রণ পাওয়ার মতো সৌভাগ্য আমার তখন খুব একটা হতো না। তারপর থেকে আরও বেশি করে দেখতাম ওকে... আর কে স্টুডিওয়। 
বিশদ

03rd  May, 2020
বিদায়
তিগমাংশু ধুলিয়া

দীর্ঘ ৩৪ বছরের বন্ধুত্ব তাঁদের। ইরফান খানের সঙ্গে জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক-অভিনেতা তিগমাংশু ধুলিয়ার পথ চলা শুরু ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’ র আঙিনা থেকে। এরপর তিগমাংশুর পরিচালনায় হাসিল, চরস, পান সিং তোমার, সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টার রিটার্নস ছাড়া একাধিক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন ইরফান।
বিশদ

03rd  May, 2020
প রি বা র...
সুতপা, বাবিল, অয়ন
সুতপা শিকদার

 পরিবারের পক্ষ থেকে লিখতে বসে একটাই প্রশ্ন বারবার মনে আসছে... কী করে লিখব? এটা কি শুধু আমার পরিবারের ক্ষতি? গোটা দুনিয়াকে দেখছি... সবাই যেন পাথর হয়ে গিয়েছে ও চলে যাওয়ার পর। বিশদ

03rd  May, 2020
অক্ষয় হোক এই তৃতীয়া!
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

 ভারতবর্ষ সেই দেশ, যে দেশের মানুষ সৃষ্টির আদিতে শুনেছিল স্রষ্টার কণ্ঠস্বর—তোমরা সবাই অমৃতের পুত্র। গড়ে উঠেছিল অপূর্ব এক শান্ত সভ্যতা। পেয়েছিল একটি ধর্ম, যার মূল কথা ছিল জীবনের চারটি স্তম্ভ— ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।
বিশদ

26th  April, 2020
কেমন যাবে ১৪২৭
শ্রীশাণ্ডিল্য

  ১৪২৭ সালের সূচনাকালে রাশিচক্রে নবগ্রহের অবস্থান— রবি মেষে, শুক্র বৃষে, রাহু মিথুনে, চন্দ্র ও কেতু ধনুতে, মকরে বৃহস্পতি, শনি, মঙ্গল ও মীনে বুধ। তিথি— কৃষ্ণ সপ্তমী, শিবযোগ,ববকরণ পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র। মেষ থেকে লগ্ন আরম্ভ। বারোটি রাশির নতুন বছরের ভাগ্যবিচার। তাই ‘অন্নগতপ্রাণ’ মানুষের আর্থ-সামাজিক, পারিবারিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বকেই প্রাধান্য দেওয়া হল।
বিশদ

19th  April, 2020
 টি ২০ নয়,
এটা টেস্ট ম্যাচ

পিজি হাসপাতালের লিভার সংক্রান্ত বিদ্যা হেপাটোলজি’র অধ্যাপক। পূর্ব ভারতের সরকারিভাবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের অন্যতম উদ্যোগী মানুষ। পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় তৈরি রাজ্যের একাধিক শীর্ষ কমিটির সদস্য, কো-অর্ডিনেটর। একইসঙ্গে অনেকগুলি দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ অভিজিৎ চৌধুরী। সাক্ষাৎকারে বিশ্বজিৎ দাস।
বিশদ

12th  April, 2020
সামাজিক দূরত্বই ওষুধ
ডাঃ দেবী শেঠি
বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

 ১৯১৮ সালে আমেরিকায় আঘাত হানল ভয়ঙ্কর স্প্যানিশ ফ্লু। ফিলাডেলফিয়া প্রদেশে প্রাণহানি হল হাজার হাজার মানুষের। অথচ, ওই একই মহামারীর প্রকোপে সেন্ট লুইস শহরে প্রাণহানি ঘটল ফিলাডেলফিয়ার তুলনায় অর্ধেক! কারণ ভয়ঙ্কর মহামারীর ওই আতঙ্কের আবহেও, ফিলাডেলফিয়ায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমর্থনে আয়োজিত হয়েছিল বিরাট জন সমাবেশের। বিশদ

12th  April, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

 কোচি, ২৮ মে: দেশের নামী ক্রীড়াবিদদের সন্তানরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন, এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। কিন্তু ‘ট্র্যাক কুইন’ পিটি ঊষার পুত্র ভিগনেশ উজ্জ্বলও হতে পারতেন অ্যাথলিট। কিন্তু ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সরকারি হিসেবে সুন্দরবনের ৩ হাজার ৯৯১ কিলোমিটার জঙ্গল কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশ বাদাবন ধ্বংস করে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: কোন রাজ্যে কত আক্রান্ত? 
ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ...বিশদ

01:07:45 PM

লকডাউন নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 
লকডাউন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের মতামত শোনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ...বিশদ

12:40:28 PM

শ্রমিক স্পেশাল: নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি রেলমন্ত্রকের
শ্রমিক স্পেশাল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল রেল। বিজ্ঞপ্তিতে বলা ...বিশদ

11:43:49 AM

 ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পড়ুয়াদের আনা হবে: পার্থ
একদিনে সব পড়ুয়া নয়। ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তাদের স্কুলে আনা হবে। স্কুল ...বিশদ

10:13:36 AM

কেরলে আরও এক করোনা রোগীর মৃত্যু
কেরলে মৃত্যু হল আরও এক বৃদ্ধ করোনা রোগীর। বয়স ...বিশদ

10:11:20 AM

প্রয়াত বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি
প্রয়াত বিশ্বের প্রবীণতম ব্যক্তি বব ওয়েটন। বয়স হয়েছিল ১১২ বছর। ...বিশদ

10:07:43 AM