Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

জল সঙ্কট 

কল্যাণ বসু: দুধ সাদা ধুতি পাঞ্জাবি, মাথায় নেহরু টুপি, গলায় মালা ঝুলিয়ে মন্ত্রী দু’হাত জোড় করে হাসিমুখে মঞ্চের দিকে যাচ্ছেন। চারদিকে জয়ধ্বনি, হাততালি। মঞ্চে উঠে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে মন্ত্রী বলতে শুরু করেছেন সবে। ‘আমি অবশ্যই এই গ্রামে জল এনে দেব, এ আমার অঙ্গীকার...’। ঠিক তখনই জনগণের মধ্যে থেকে এক তরুণ পাঁচ বছর আগের নির্বাচনী প্রচারে করা মন্ত্রীর একই প্রতিশ্রুতির রেকর্ডিংটা চালিয়ে দেয়। মঞ্চে নেতার তখন কাঁচুমাচু অবস্থা। রেকর্ডিং বন্ধ করার অনুনয়-বিনয়। ছোকরা তখন বলে ওঠে, ‘মন্ত্রীমশাই, গ্রামে থাকি বলে বুদ্ধু বানাবেন না।’ এরপর মোবাইল রেকর্ডিংটা হাতে নিয়ে মুচকি হেসে সে মাথা দোলাতে থাকে আর ব্যাকগ্রাউন্ডে চালু হয়ে যায় কোম্পানির সেই বিখ্যাত ব্র্যান্ড স্লোগান—‘নো উল্লু বানাউয়িং, নো উল্লু বানাউয়িং।’
বেশ কয়েক বছর আগে এক বিখ্যাত মোবাইল সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানির হয়ে অভিষেক বচ্চনের প্রায় আধ মিনিটের এই বিজ্ঞাপনটি জলকে জড়িয়ে সমাজ-রাজনীতির একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক উন্মোচিত করেছিল। স্বাধীনতার ৭১ বছর পার করেও দেশের অধিকাংশ মানুষ নিরাপদ পানীয় জল থেকে বঞ্চিত।
তৃষ্ণা মেটাতে ও শারীরবৃত্তীয় আবশ্যকতার বিচারে ‘জলের অপর নাম জীবন’। এই আপ্তবাক্যটির যথার্থতা যেমন তর্কাতীত, তেমনই জলকে কেন্দ্র করেই আবার দুনিয়াজুড়ে দু’ভাবে জীবনসঙ্কট তৈরি হয়েছে। এক, দূষণের কারণে জীবনস্বরূপ জল হয়ে উঠেছে জীবনহানির অন্যতম কারণ। ফি বছর ৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ জলঘটিত রোগে বিশ্বজুড়ে প্রাণ হারায়, যার মধ্যে প্রতি ৮ সেকেন্ডে একজন শিশু। শুধুমাত্র ডায়ারিয়া বা পেট খারাপের কারণে বিশ্বে গড়ে বার্ষিক মৃত্যু প্রায় ৩৩ লক্ষ। দুই, জলের দাবি বা সংগ্রহকে ঘিরে ঘনিয়ে ওঠা যুদ্ধংদেহি পরিস্থিতি। বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটায় পাল্লা দিয়ে জলের চাহিদা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকল বিবাদের সম্ভাবনাও। বিশ্বব্যাঙ্কের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাইল সেরেজেলডিন শোনালেন চরম আশঙ্কার কথা, ‘পরবর্তী বিশ্বযুদ্ধটি হবে জলকে ঘিরেই।’ জলের জন্য বিশ্বযুদ্ধ! অতিরঞ্জিত মনে হলে জেনে রাখুন, দুনিয়াজুড়ে যাঁরা জলের জন্য বিভিন্ন মাপের লড়াই লড়ছেন তাঁদের জলযোদ্ধা (ওয়াটার ওয়ারিয়রস) বলে অভিহিত করা হচ্ছে। যুদ্ধের মতো সেইসব সংগ্রামের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকছে নানা হানাহানি। এই হানাহানি প্রত্যক্ষ করেছে ভারতও। ২০০৫ সালে। জলের দাবিতে আন্দোলনকারীদের উপর বিজেপিশাসিত রাজস্থান সরকারের পুলিস গুলি চালিয়েছিল। দু’টি ঘটনায় মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়। প্রথমটি ঘটে শ্রীগঙ্গানগর জেলায়। মৃত্যু হয়েছিল ৬ জনের। দ্বিতীয় ঘটনাটি টঙ্ক শহর থেকে ১৪ কিমি দূরে সোহেলা গ্রামে। সেখানে মৃত ৫ জনের মধ্যে অনিতা গুজুর নামে ৪৫ বছরের এক গর্ভবতী মহিলাও ছিলেন। বছর চারেক আগে মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলায় সরকারি কল থেকে জল সংগ্রহের সময় কাড়াকাড়ির কারণে খুন হতে হয় এক মহিলাকে। জলের জন্য এও কি যুদ্ধ নয়?
তবে এই জল সংক্রান্ত লড়াইয়ে মেয়েদের কথা না বললে তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। নারীর মর্যাদায়ন ও ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রচুর গালভরা কথা, কুম্ভীরাশ্রু মোচন দেখা গেলেও, জল সংগ্রহকে ঘিরে যে বিপুল নারীশক্তির অপচয় হয়, অমর্যাদা হয় সে দিকটা অন্ধকারেই থাকে। মেয়েদের এই জল সংগ্রহকে প্রথম জীবনে কাব্যিক দৃষ্টিতে (‘দুই বিঘা জমি’র উপেনের চোখ দিয়ে) দেখে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘বুকভরা মধু বঙ্গের বধূ জল লয়ে যায় ঘরে—/ মা বলিতে প্রাণ করে আনচান, চোখে আসে জল ভরে।’ কিন্তু ৪১ বছর বাদে সেই তিনিই রূঢ় গদ্যে জানালেন, ‘যে জলকষ্ট সমস্ত দেশকে অভিভূত করেছে তার সবচেয়ে প্রবল দুঃখ মেয়েদের ভোগ করতে হয়। মাতৃভূমির মাতৃত্ব প্রধানত আছে তার জলে—তাই মন্ত্রে আছে: আপো অস্মান মাতরঃ শুদ্ধয়ন্তু। জল মায়ের মতো আমাদের পবিত্র করুক। জলাভাবে দেশে যেমন মাতৃত্বের ক্ষতি হয়, সেই ক্ষতি মেয়েদের দেয় বেদনা।’ গনগনে রোদ মাথায় নিয়ে তপ্ত বালির উপর দিয়ে বারংবার মাইলের পর মাইল হেঁটে মেয়েদের জল সংগ্রহের দৃশ্য দেখে রবীন্দ্রনাথ এই কষ্টকে এক বক্তৃতায় ‘মরণদশা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তারপর ৮২ বছর অতিক্রান্ত। মেয়েদের এই জলকষ্ট কতটা দূর হল? উত্তর হল, ভারতে জল সংগ্রহকে কেন্দ্র করে নারী দুর্দশার চিত্র বিশ্বের দরবারে মাথা হেঁট করে দেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট। ঘটনাটি হল—মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড এলাকার একাধিক জেলায় পানীয় জলের সঙ্কট বহু বছরের। টিকমগড় জেলার লিধোরা গ্রামে এই সমস্যা নিয়ে বলতে গিয়ে জেলার সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট গ্রামবাসীদের উদ্দেশে বলেন, ‘জাতারা ব্লকের বায়িরবার গ্রামের মধ্যে দিয়ে যেতে গিয়ে কয়েকদিন আগে দেখলাম রাত দু’টোর সময় মহিলারা উঠে জল আনতে যাচ্ছে। এই সমস্যার সমাধানে তিনটে বিয়ে করা যায়। একটা বউ সন্তান জন্ম দেওয়া ও প্রতিপালনের জন্য আর জল আনার জন্য বাকি দুই বউ। গরিবদের ক্ষেত্রে এটা অসম্ভব হলেও, বড়লোকরা এটা করতেই পারেন।’ শুনতে খারাপ লাগলেও, পরিবারের জল সংগ্রহের জন্য মেয়েদের দুর্ভোগ এমন পর্যায়েই। শুধু মধ্যপ্রদেশ কেন, মহারাষ্ট্রেও এক কাহিনী। মুম্বই থেকে ১৪০ কিমি দূরে দেঙ্গনমাল গ্রামের শ’খানেক পরিবারের অনেকেই একাধিক বউ পালন করেন জল সংগ্রহের জন্য। এরকমই একজন ৬৬ বছর বয়সি সখারাম ভগত। সোজাসাপ্টা মন্তব্য, ‘বউকে বাচ্চা সামলাতে হতো। জল আনতে তো কাউকে দরকার! তাই ফের বিয়ে করলাম। দ্বিতীয় স্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় আবার বিয়ে করতে হল।’
শুধু কি জল সংগ্রহ করে দেওয়ার জন্য বউ? না। মনে পড়ে মতি নন্দীর লেখা গল্প ‘জলের ঘূর্ণি ও বক বক শব্দ’-এর কথা। বহু পরিবারের বাস এমন বাড়িতে থাকেন বিশ্বনাথ ও তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা। বারোয়ারি টাইম কলে কর্পোরেশনের জল আসা বন্ধ থাকে একদিন। পূর্ণিমা পাশের বস্তিতে জল সংগ্রহ করতে গিয়ে বেইজ্জত হন, বস্তির মহিলারা তাঁকে শাড়ি খুলে, ব্লাউজ ছিঁড়ে মাটিতে ফেলে হেনস্তা করে। অবশেষে ভাড়া বাড়ির কলে জল এলে পূর্ণিমা পাগলের মতো ঘরের প্রায় সব কিছুতে জল ভরে রাখে ফের জল বন্ধের আশঙ্কায়। কত জলসঞ্চয় দরকার জানতে বিশ্বনাথ প্রায়োন্মাদ স্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, ‘তোমার টার্গেট কত?’ পূর্ণিমা জবাবে বলেন, ‘আমার টার্গেট নেই।’ এই ‘টার্গেট’ শব্দটা গভীর ব্যঞ্জনাময় হয় গল্পের পরিসমাপ্তিতে।
তথ্য বলছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ ভারতে। অথচ জলের ব্যবহার মাত্র ৪ শতাংশ। ১০০ কোটি মানুষ এদেশে জলাভাবে আছেন, যার মধ্যে ৬০ কোটির অবস্থা শোচনীয়। জলের গুণমান সূচকের নিরিখে ভারত ১২২টি দেশের মধ্যে ১২০তম অবস্থানে। ২০১৩-২০১৮ সালে এদেশে জলবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৭ কোটি মানুষ, যা ইংল্যান্ডের জনসংখ্যার প্রায় সমান। ওই পাঁচ বছরে মারা গিয়েছিলেন ১০ হাজার ৭৩৮ জন, যার মধ্যে পেট খারাপেই ৬৫১৪ জন! ২০১৬ সালে ইন্ডিয়া স্পেন্ডের রিপোর্ট বলছে, জলবাহিত রোগে ভারতে ৭ কোটি ৩০ লক্ষ কর্মদিবস নষ্ট হয়।
তবে দেশবাসীকে যথেষ্ট পরিমাণে পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহের লড়াইয়ে ভারত চুপ করে বসে আছে ভাবলে ভুল করা হবে। আমাদের স্বতন্ত্র জলসম্পদ মন্ত্রক আছে, জল কমিশন আছে, একাধিক মন্ত্রী ও সচিব আছেন, জাতীয় জলনীতি আছে, জল নিয়ে বাজেট বরাদ্দ আছে। ছিল ‘হু’-এর মিশন ‘ওয়াটার ফর অল বাই ১৯৯০’, ‘হেল্থ ফর অল বাই ২০০০’, রাষ্ট্রসঙ্ঘের ‘ইন্টারন্যাশনাল ড্রিংকিং ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন ডিকেড’ (১৯৮১-১৯৯০), মিলিয়ন ডেভেলপমেন্ট গোলের অন্তর্গত ‘ওয়াটার ফর লাইফ ডিকেড’ (২০০৫-২০১৫)। সর্বোপরি এবছর বিশ্ব জলদিবস (২২ মার্চ) ২৫ বছর অতিক্রম করেছে। এবছরে দিনটির থিম ছিল ‘সকলের জন্য জল।’ কিন্তু বাস্তবটা কী? বিশ্বখ্যাত সংস্থা ‘ওয়াটার এইড’ তাদের সর্বশেষ সমীক্ষায় জানিয়েছে, ভারত যখন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের ভোট উৎসবে মেতেছিল, তখন বিশ্বের সবথেকে বেশি সংখ্যক পানীয় জল বঞ্চিত মানুষ (১৬ কোটি ৩১ লক্ষ) এই দেশেই। এহেন কাকতালীয় সমাপতন কপালে ভাঁজ ফেলার মতোই বটে!  
07th  July, 2019
বাহন কথা 
রজত চক্রবর্তী

আকাশে সোনার থালার মতো চাঁদ। বাড়িতে বাড়িতে দোরগোড়া থেকে লতানে ধানের শিষ। এঁকে বেঁকে চলে গিয়েছে চৌকাঠ ডিঙিয়ে, ডাইনিংয়ের পাশ দিয়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে... এমনকী সিঁড়ির পাশ দিয়েও উঠেছে দোতলায়। ধানের শিষের পাশে পাশে ছোট্ট ছোট্ট সুন্দর পায়ের ছাপ।  
বিশদ

13th  October, 2019
প্র তি মা র বি ব র্ত ন
সোমনাথ দাস

বর্ষা আর শরৎ এখন মিলেমিশে একাকার। বিশ্ব উষ্ণায়নের কৃপাদৃষ্টিতে শহরবাসীর পক্ষে আর এই দু’টি ঋতুকে আলাদা করা সম্ভব নয়। তবে ভাদ্রের সমাপ্তি এবং আশ্বিনের সূচনা বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে এক অনাবিল আনন্দ। মা দুর্গার আগমনবার্তায় আমাদের হৃদয় নেচে ওঠে।   বিশদ

29th  September, 2019
পুজোর ফুলের যন্ত্রণা
বিশ্বজিৎ মাইতি

 বিশ্বজিৎ মাইতি: হাওড়া‑খড়্গপুর রেলওয়ে শাখার বালিচক স্টেশন। মার্চ মাসের এক শুক্রবারের সকালে বেশ কয়েকজনকে ধরেছেন টিটি। বিনা টিকিটে ট্রেন সফর। তাঁদের মধ্যে এক যুবকের হাতে গোটা চারেক বস্তা। হাতে একগুচ্ছ ব্যাগ। গাল ভর্তি দাড়ি। উসকো-খুসকো চুল। পরনে নানান দাগে ভর্তি জামা ও হাফপ্যান্ট। করুণ চোখে আচমকাই নিজের মানিব্যাগ টিটির মুখের সামনে দেখিয়ে ধরা গলায় বলল, ‘স্যার একটা টাকাও নেই। পুরো শরীর চেক করে দেখুন...।
বিশদ

22nd  September, 2019
ভো-কাট্টা

বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোটা সমার্থক হয়ে গিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশজোড়া ঘুড়ির আলপনা। অসংখ্য ঘুড়ির ভেলায় যেন স্বপ্ন ভাসে। বহু কৈশোর আর যৌবনের মাঞ্জায় লেগে আছে ঘুড়ি ওড়ানোর স্মৃতি। যে ছেলেটা কোনওদিন সকাল দেখেনি, সেও বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে সূর্য ওঠার আগেই ঘুড়ি-লাটাই নিয়ে ছাদে উঠে যায়।  
বিশদ

15th  September, 2019
নির্মাণশিল্পী বিশ্বকর্মা
সন্দীপন বিশ্বাস

জরাসন্ধ তখন প্রবল প্রতাপান্বিত। বারবার মথুরা আক্রমণ করছিলেন। কিন্তু সপ্তদশ প্রচেষ্টাতেও মথুরা জয় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই ফের তিনি মথুরা আক্রমণের প্রস্তুতি নিতে লাগলেন। কৃষ্ণ অবশ্য জানতেন জরাসন্ধ কিছুতেই মথুরা জয় করতে পারবেন না।
বিশদ

15th  September, 2019
আগুন বাজার
বীরেশ্বর বেরা

 ‘কেন? আপনি যে পটল বেচছেন, এমন পটল তো আমরা ৩০-৩২ টাকায় কিনছি!’ গ্রাম্য যুবক তাঁর আপাত-কাঠিন্যের খোলস ছেড়ে সহজ হয়ে গেলেন হঠাৎ। তেলের টিনের উপর চটের বস্তা বেঁধে টুলের মতো বসার জায়গাটা এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘বসুন তাহলে, বলি। বিশদ

08th  September, 2019
সমাপ্তি
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর প্রকাশিত রচনাবলীর খণ্ড সংখ্যা ৯০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এ পর্যন্ত জওহরলাল নেহরুর লেখা নিয়ে প্রকাশিত যত রচনা আছে, তা প্রায় ৫০ খণ্ড অতিক্রান্ত। বাবাসাহেব আম্বেদকরের সারা জীবনের যাবতীয় রচনা সমন্বিত করে এখনও পর্যন্ত ১৬টি খণ্ডসংবলিত রচনাবলী প্রকাশ পেয়েছে। 
বিশদ

01st  September, 2019
রাজীব ৭৫
মণিশঙ্কর আইয়ার

 ছিয়াশি সালের ডিসেম্বর। অঝোরে তুষারপাত হচ্ছে। আমরা যাচ্ছি কাশ্মীর। কিন্তু একটা সময় আর্মি জানাল, আর যাওয়া সম্ভব নয়। এত তুষারপাতে হেলিকপ্টার ওড়ানো যাবে না। তাহলে? যাব কী করে? বাকিরাও বলল, দিল্লি ফিরে চলুন। কিন্তু প্রধাননমন্ত্রী বললেন, তা হয় না। যাব যখন বলেছি যেতে হবে। লোকেরা অপেক্ষা করে থাকবে যে!
বিশদ

25th  August, 2019
শতবর্ষে  সারাভাই
মৃন্ময় চন্দ

চন্দ্রযান-২’র সাফল্যে গর্বিত ভারত। অভিজাত মহাকাশ ক্লাবের সদস্যদেশগুলির সঙ্গে ভারত আজ এক পংক্তিতে। মহাকাশ গবেষণায় ভারতের ঈর্ষণীয় সাফল্যের রূপকার নিঃসন্দেহে ক্ষণজন্মা বিরল প্রতিভাধর মিতভাষী এক বিজ্ঞানী—বিক্রম সারাভাই। একার হাতে যিনি গড়ে দিয়ে গেছেন ভারতের বিপুলা মহাকাশ সাম্রাজ্য। ১২ই আগস্ট ছিল তাঁর জন্মশতবার্ষিকী। বিশদ

18th  August, 2019
জয় জওয়ান

ঝুঁকি শব্দটি যখনই উল্লেখ করা হয়, তখনই তার সঙ্গে আবশ্যিকভাবে যুদ্ধের বিষয়টি এসে পড়ে। কিন্তু শুধু যুদ্ধে নয়, ঝুঁকি রয়েছে প্রশিক্ষণ পর্বেও। একজন যুদ্ধবিমানের পাইলটকে নানাভাবে তৈরি হতে হয়। আকাশপথে সেই প্রশিক্ষণ যখন শুরু হয়, তখন প্রতিটি স্তরেই ঝুঁকি থাকে। সেগুলো অতিক্রম করে সাফল্য পাওয়াই একজন পাইলটের কাছে চ্যালেঞ্জ। বিশদ

11th  August, 2019
জাতীয়তাবাদ ও রবিঠাকুর 
সমৃদ্ধ দত্ত

জাতীয়তাবাদের সংজ্ঞা তাঁর কাছে আলাদা। বিশ্বাস করতেন, গ্রামই ভারতের চেতনা। সম্পদ। তাই শুধু ইংরেজ বিরোধিতা নয়, রবিঠাকুরের লক্ষ্য ছিল ভারতের উন্নয়ন। ভারতবাসীর উন্নয়ন। তাঁদের স্বনির্ভর করে তোলা। অন্যরকম তাঁর স্বদেশপ্রেম। আরও এক ২২ শ্রাবণের আগে স্মরণ এই অন্য রবীন্দ্রনাথকে। 
বিশদ

04th  August, 2019
গণহত্যার সাক্ষী
মৃণালকান্তি দাস

এ এক হিবাকুশার গল্প। পারমাণবিক বোমা হামলার পর হিরোশিমা ও নাগাসাকির যারা বেঁচে গিয়েছিলেন, তাদের বলা হয় হিবাকুশা। তাঁরা কেউই হিবাকুশা হতে চাননি, চেয়েছিলেন আর দশজন স্বাভাবিক মানুষের মতোই সুন্দর একটা জীবন কাটাতে। কিন্তু ‘ফ্যাট ম্যান’ ও ‘লিটল বয়’ নামে দুটি অভিশাপ তছনছ করে দিয়েছিল তাঁদের সাজানো সংসার, সাজানো স্বপ্ন সহ সবকিছু। তেমনই একজন হিবাকুশা সাচিকো ইয়াসুই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কেড়ে নিয়েছিল তার সর্বস্ব...।
বিশদ

28th  July, 2019
বদলের একুশ
জয়ন্ত চৌধুরী

 একুশে জুলাই। শহিদ স্মরণ। তৃণমূলের বাৎসরিক শহিদ তর্পণ। গত আড়াই দশকের বেশি সময় ধরে এটাই চল। ঝড়-জল-বৃষ্টি-বন্যা সবই অপ্রতিরোধ্য একুশের আবেগের কাছে। তাই কেন একুশ, এই প্রশ্নের চাইতে অনেক বেশি জায়গা দখল করে রয়েছে এই দিনকে ঘিরে বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস।
বিশদ

21st  July, 2019
অচেনা কাশ্মীর
ফিরদৌস হাসান

 ২০১৪ সালের পর এই প্রথম এত তুষারপাত হয়েছে উপত্যকায়। সাদায় মুখ ঢেকেছিল ভূস্বর্গ। আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাল্লা দিয়েছিল পর্যটনও। বরফঢাকা উপত্যকার নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ কে-ই বা হাতছাড়া করতে চায়! তাই তো জানুয়ারিতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কোলাহলে উপত্যকা গমগম করছিল।
বিশদ

14th  July, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইয়োনো গ্রাহকদের জন্য ‘গ্রিন রিওয়ার্ড পয়েন্ট’ চালু করল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। এসবিআই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে যে ‘ইয়োনো এসবিআই গ্রিন ফান্ড’-এর তদারকি হয়, সেখানেই ওই গ্রিন রিওয়ার্ড পয়েন্টগুলিকে কাজে লাগানোর জন্য গ্রাহকদের আর্জি জানিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট মিটিংয়ে যোগ দিতে যাদবপুরে যাচ্ছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। তা নিয়ে যেমন চাপা উত্তেজনা রয়েছে, তেমনই কর্তৃপক্ষের একটু চিন্তাও রয়েছে। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অতিবৃষ্টি ও বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতিতে চাষে ক্ষতি সামাল দিতে রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্ত ব্লকগুলিতে বিকল্প চাষের জন্য বীজ বিলি করার সিদ্ধান্ত নিল কৃষি দপ্তর।  ...

 নয়াদিল্লি, ১৭ অক্টোবর: সরকার অর্থনীতির আসল রোগটাই ধরতে পারেনি। শুধু কারও উপর দোষ চাপাতে চাইছে। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রে ভোট প্রচারে এসে মোদি সরকার এবং তাঁর অর্থমন্ত্রীকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর ও গবেষণামূলক বিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে, ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। ভ্রমণ যোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজের মৃত্যু
১৯১৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের জন্ম
১৯৩১: গ্রামাফোনের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসনের মৃত্যু
১৯৪০: টলিউড অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা ওমপুরীর জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬১ টাকা ৭২.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৯৯ টাকা ৯৩.২৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৭ টাকা ৮০.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, চতুর্থী ৪/৩৮ দিবা ৭/২৯। রোহিণী ২৮/৪১ অপঃ ৪/৫৯। সূ উ ৫/৩৭/৪৪, অ ৫/৬/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১৩ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, পঞ্চমী ৫৮/২৯/৫১ শেষরাত্রি ৫/২/১০। রোহিণী ২৫/৩৩/৪৮ দিবা ৩/৫১/৪৫, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৭/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩১ মধ্যে ও ৭/১৫ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪১ মধ্যে ও ২/২৫ গতে ৫/৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৬ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১২ মধ্যে ও ৪/৩ গতে ৫/৩৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০/৩৪ গতে ৯/৫৬/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৬/৪৪ গতে ১১/২২/৫৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১৫/১৪ গতে ৯/৪৯/৪ মধ্যে।
 ১৮ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হাওড়া স্টেশনের সাবওয়ে থেকে চুরি যাওয়া প্রচুর মোবাইল ফোন উদ্ধার, ধৃত ১ 

11:22:19 AM

দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি পদে এসএ বোবদের নাম প্রস্তাব করলেন বিদায়ী প্রাধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ 

11:08:43 AM

আজ শুভমুক্তি
লাল কাপ্তান: নবদীপ সিং পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, পিভিআর, ...বিশদ

11:00:00 AM

কোচবিহারের মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ 
কোচবিহারের পাতলাখাওয়ায় মৃত তৃণমূল কর্মী মাজিরউদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিজনদের ...বিশদ

10:54:00 AM

বারুইপুরে দম্পতির দেহ উদ্ধার 
বারুইপুরের জয়াতলায় বাড়ি থেকে এক দম্পতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। ...বিশদ

10:29:53 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, শুক্রবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইমের ...বিশদ

10:09:02 AM