Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

শতবর্ষে স্রষ্টা 
সন্দীপন বিশ্বাস

সবাই তাঁকে চেনেন ঢুলুদা নামে। পোশাকি নাম অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়। সেই মানুষটির হাত দিয়ে বেরিয়েছিল ‘আহ্বান’, ‘অগ্নীশ্বর’, ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’-এর মতো অমর ছবি। আগামী মঙ্গলবার, ১৮ জুন তাঁর জন্মশতবর্ষ।

মন খারাপ গৌরীর। তাই একদিন সকালে তিনি চলে গেলেন ঢুলুর বাড়ি। তাঁকে দেখেই ঢুলু বলে উঠলেন, ‘আয় গৌরী। কী ব্যাপার, এত সকালে?’
গৌরী বললেন, ‘মনটা খুব খারাপ রে! কাল গিয়েছিলাম শচীন কর্তার বাড়িতে। পুজোর জন্য একটা গান লিখেছিলাম। উনিই লিখতে বলেছিলেন। কিন্তু কাল যখন গিয়ে শোনালাম, উনি বললেন, এবারের গান তো আমার সিলেকশন হয়ে গিয়েছে। ওঁর স্ত্রী মীরাদিই এবার পুজোর গান লিখেছেন। এখন গানটা নিয়ে কী করি বলতো!’
ঢুলু বললেন, ‘গানের কথাটা শোনা তো।’ গান শুনে ঢুলু বললেন, ‘তুই বিকেলে স্টুডি ওয় চলে আয়। ওখানে নচি আসবে। দেখি কথা বলে।’ স্টুডিওয় নচিকেতা ঘোষ গানের কথা শুনে সুর করতে বসে গেলেন। হয়ে গেল সুর। ঢুলু বললেন, ‘এটা আমার ছবিতে ব্যবহার করব।’ সেই গান ছবিতে ব্যবহার হল এবং তা বিখ্যাত হয়ে মানুষের মুখে মুখে ফিরতে লাগল। সেই গানটিই হল ‘না, না, না, আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাব না।’ গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়ের ‘নিশিপদ্ম’ ছবিতে। গানের কথায় ছিল, ‘বুঝলে নটবর..’। সেই জন্য চিত্রনাট্যে ‘নটবর’ নামে একটি চরিত্রের সংযোজনও করা হল। সেটা করেছিলেন জহর রায়। পরে অরবিন্দবাবুর চিত্রনাট্য নিয়ে বলিউডে শক্তি সামন্ত তৈরি করলেন ‘অমর প্রেম’।
বাঙালিকে অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় উপহার দিয়েছেন একগুচ্ছ অসাধারণ সব ছবি। সেখানে যেমন বিনোদন আছে, তেমনই আছে অনুভবের কথাও। বাঙালিয়ানাকে কীভাবে আদ্যোপান্ত ছবিতে আনা যায়, তা ছিল তাঁর নখদর্পণে। ভাবনার গভীরতা এবং সহজাত রসিক মন না থাকলে এমন সব ছবি তৈরি করা সম্ভব নয়। একই মানুষ তৈরি করছেন ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’, ‘মন্ত্রমুগ্ধ’, ‘অজস্র ধন্যবাদ’, ‘কেনারাম বেচারাম’-এর মতো হাসির ছবি। আবার তাঁর হাত দিয়েই বেরিয়ে এসেছে ‘কিছুক্ষণ’, ‘আহ্বান’, ‘অগ্নীশ্বর’, ‘নিশিপদ্ম’, ‘নতুন জীবন’-এর মতো মরমী ছবি। যেন একটি পাখির ভিন্ন অনুভবের দু’টি ডানা। আর দুই ক্ষেত্রেই ঢুলুবাবু সফল।
দাদা ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)। তাই পারিবারিক সূত্রে তিনি পেয়েছিলেন সহজাত সাহিত্যবোধ। দাদা ডাক্তারি পাস করলেও অরবিন্দবাবুর আর ডাক্তারি পাস করা হয়নি। তাতে হয়তো বাংলা সিনেমা অনেক বেশি উপকৃত ও সমৃদ্ধ হয়েছে। ভালো ছাত্র ছিলেন। ১৯৩৯-এ ম্যাট্রিকে পাস করার পর বনফুল তাঁকে পাঠিয়ে দিলেন শান্তিনিকেতনে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে বনফুলের যোগাযোগ ছিল। বনফুল তাঁর ছোট উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ কবিগুরুকে উৎসর্গ করেছিলেন। সেই কাহিনী নিয়েই অরবিন্দ পরে তৈরি করেছিলেন তাঁর প্রথম ছবি।
শান্তিনিকেতনে তখন প্রিন্সিপাল ছিলেন অনিল চন্দ। তিনি ছিলেন কবিগুরুর সেক্রেটারিও। খুব রসিক মানুষ। একদিন তিনি অরবিন্দকে বললেন, ‘গুরুদেব তোমাকে ডাকছেন।’ সেই সঙ্গে রসিকতা করে বললেন, ‘গুরুদেব কানে একটু কম শোনেন। যা বলবে, চেঁচিয়ে বলবে।’ অরবিন্দ শ্যামলীতে কবিগুরুর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। কবিগুরু তাঁকে বললেন, ‘তুমি কি বলাইয়ের ভাই কানাই নাকি?’ তিনি চিৎকার করে বললেন, ‘আজ্ঞে না, আমি অরবিন্দ।’ গুরুদেব বললেন, ‘ওরে বাবা এ যে দেখি সানাই!’ তারপর উনি বললেন, ‘তুমি বলাইয়ের ভাই হয়ে সায়েন্স পড়ছ! সাহিত্য পড়ো। কাল থেকে আমার সাহিত্যের ক্লাসে আসবে।’
সেই সময় শান্তিনিকেতনে হাতে লেখা একটা ম্যাগাজিন প্রকাশ হতো। তার পুরোধা ছিলেন অরবিন্দবাবু এবং সত্যজিৎ রায়। সেখানে প্রকাশকের জায়গায় নাম লেখা থাকত ‘তুমি’ এবং সম্পাদকের স্থলে নাম লেখা থাকত ‘আমি’। সত্যজিৎও তখন সেখানকার ছাত্র। দু’জনের খুব ভালো সম্পর্ক ছিল শেষ দিন পর্যন্ত। অরবিন্দের নাকটা একটু লম্বা ছিল। সত্যজিৎ রায় তাঁকে নিয়ে একটা কার্টুনও এঁকেছিলেন।
শান্তিনিকেতনে রামকিংকর বেজের অনুপ্রেরণায় তাঁর নাটকের চর্চা শুরু হল। গিরীশ ঘোষ, রবীন্দ্রনাথ, বার্নাড শ’র নাটকের অভিনয় করলেন। রামকিংকরের ‘ত্রিধারা’ নামে একটি নাটকের অভিনয় হল। সেই নাটকে নায়ক ও নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করলেন অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্র।
এরপর বাঁকুড়ায় মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সময়ও নাটকের চর্চা অব্যাহত ছিল। সেখানে নিজের লেখা ‘সরস্বতী’ নাটকে অভিনয় করলেন। সেই নাটক দেখে বাঁকুড়ার তৎকালীন ডিএম অন্নদাশঙ্কর রায় বললেন, ‘ডাক্তারি লাইন তোমার জন্য নয়। তোমার লাইন অন্য।’ কলকাতায় পরীক্ষা দিতে এলেন ১৯৪৪ সালে। সেই সময় রিলিজ করেছে বিমল রায়ের ‘উদয়ের পথে’। সেই ছবি দেখে তিনি মনস্থির করলেন, ছবির জগতে তাঁকে ঢুকতে হবে এবং পরিচালকের সঙ্গে আলাপ করতে হবে। পরিচয় হল। কিন্তু সেখানে কাজের তেমন আশ্বাস মিলল না।
ফিল্ম লাইনে কাজ করার অনুমতি দেননি তাঁর বাবা সত্যচরণ মুখোপাধ্যায়ও। কিন্তু তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল রইলেন। একদিন পরিচালক অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ছবিতে সহকারী হিসেবে যুক্ত হলেন। পাশাপাশি চলল লেখার কাজ। কিছুদিনের মধ্যেই বিমল রায়ের আগ্রহে যোগ দিলেন নিউ থিয়েটার্সে। মাইনে দেড়শো টাকা। বিখ্যাত মানুষদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তৈরি হল। একদিন বিমল রায় বম্বে চলে গেলেন। সঙ্গে নিয়ে গেলেন হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়, অসিত সেন, অভি ভট্টাচার্যকে। বিমল রায় চেয়েছিলেন ঢুলুও যাক। কিন্তু নিউ থিয়েটার্স তাঁকে ছাড়তে চায়নি।
এরপর ১৯৫৯ সালে সহকারী থেকে নিজেই হলেন পরিচালক। প্রথম ছবি করলেন ‘কিছুক্ষণ’। কাহিনী বনফুলের। সেই ছবিতেই রবি ঘোষের আবির্ভাব। আমাদের দুর্ভাগ্য সেই ছবি আজ আর পাওয়া যায় না। বনফুলের এই গল্পটি নিয়ে ছবি করতে চেয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়ও। কিন্তু ততদিনে ঢুলুবাবু ছবির কাজ শুরু করে দিয়েছেন। সেই ছবি দেখতে হলে গিয়েছিলেন সত্যজিৎ রায়। দীর্ঘকায় হওয়ায় সিনেমা হলের ছোট স্পেসের চেয়ারে বসতে তাঁর অসুবিধা হতো। তাই হলের দোতলার সিঁড়িতে বসে ‘কিছুক্ষণ’ দেখেছিলেন সত্যজিৎ। কিছুক্ষণ দেখার পর খুব প্রশংসা করেছিলেন। এমনকী ‘অগ্নীশ্বর’ দেখার পর তিনি বলেছিলেন, ‘ঢুলু, তুমি বাংলা ছবিতে একটা বলিষ্ঠ চরিত্র তৈরি করেছো।’
দ্বিতীয় ছবি ‘আহ্বান’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিটি সেলুলয়েডে অন্য মাত্রা পেল। দর্শকদের চোখের জলের দাগে লেখা হল ভালোলাগার শংসাপত্র। কান চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক পেল ‘আহ্বান’। কিন্তু কোনও এক অজ্ঞাত কারণে সেই ছবি কান উৎসবে পাঠানো যায়নি।
‘মৌচাক’ ছবিটি তৈরি হয়েছিল সমরেশ বসুর ‘অবশেষে’ নামের দু’ পাতার একটি গল্প নিয়ে। ছবিটি নিয়ে সেদিন মিটিং ছিল ভরত সমশের জং বাহাদুর রানার গণেশ অ্যভিনিউয়ের অফিসে। রানা সাহেব, সমরেশ বসু এবং ঢুলুবাবুর মিটিং। মিটিংয়ে পৌছতে একটু দেরি হয়েছিল ঢুলুবাবুর। রানা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী ঢুলুবাবু, আপনার গাড়ি কি খারাপ হয়ে গিয়েছিল?’ ঢুলুবাবু বললেন, তাঁর গাড়ি নেই। কথায় কথায় জানা গেল, তিনি তখনও বাড়ি করতে পারেননি। থাকতেন ভাড়া বাড়িতে। এরপর মৌচাকের স্ক্রিপ্ট লেখা হল। বড়ভাইয়ের চরিত্র করার জন্য অফার দেওয়া হল উত্তমকুমারকে। তিনি স্ক্রিপ্ট শুনে বললেন, ‘ঢুলুদা, আপনার জন্য শ্যুটিংয়ে দিন দশেক সময় দিতে পারি।’ সেই ছবি তৈরি হল। ‘বই’ রিলিজ করেছে। প্রথম শো হাউস ফুল। অন্ধকার হলে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন ঢুলুবাবু এবং রানা সাহেব। দুরু দুরু বুক। মানুষ ছবিটা নেবে তো! ছবি শুরু হল। একটু একটু করে সময় এগচ্ছে। বোঝা যাচ্ছে মানুষের ভালোলাগার অভিব্যক্তি। কিছুক্ষণ পরেই শুরু হল মিঠু মুখোপাধ্যায়ের গান। ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি করবই তো’। উল্লাসে ফেটে পড়ল গোটা হল। ঢুলুবাবুর হাত দুটো ধরে টানতে টানতে বাইরে নিয়ে এলেন রানা সাহেব। তারপর তাঁকে জড়িয়ে ধরে বললেন, ‘ঢুলুবাবু, আপনার বই সুপারহিট হয়ে গেছে। এখন আপনি জমি দেখুন, আপনার বাড়ি হয়ে গেছে।’
‘ধন্যি মেয়ে’র কথা আসবেই। অমন হাসির ছবি বাংলায় ক’টা হয়েছে, তা আঙুল গুনেই বলে দেওয়া যাবে। জয়া ভাদুড়ি প্রথম নায়িকার ভূমিকায়। ছবিতে জয়ার প্রথম দিনের শ্যুটিংয়ে ছিল চিন্ময় রায়কে বঁটি নিয়ে তাড়া করার দৃশ্যটি। আজও সকলের মনে আছে সিনটা। সেই শ্যুটিং দেখে উত্তমকুমার অরবিন্দবাবুকে বললেন, ‘ঢুলুদা, চলচ্চিত্র জগৎ আর একটা সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়কে পেয়ে গেল।’
‘ধন্যি মেয়ে’ প্রসঙ্গে আর একটা গল্প চলে আসে। তখন শ্যুটিং চলছে জগৎবল্লভপুরে। সেখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল চণ্ডীমাতা ফিল্মসের মালিক সত্যনারায়ণ খাঁর বাড়িতে। সেখানে একটা ঘরে অরবিন্দবাবু থাকতেন, অন্য ঘরে জয়া ও সাবিত্রী থাকতেন। অন্যান্য ঘরে থাকতেন অন্য শিল্পীরা। একদিন প্রোডাকশন ম্যানেজার এসে দেখলেন ঢুলুবাবু মশারি টাঙাননি। জানা গেল মশারি টাঙানোর দড়ি নেই। সে কথা শুনতে পেয়ে সাবিত্রী এবং জয়া তাঁদের চুল বাঁধার দড়ি ও ফিতে দিয়েছিলেন। তাই দিয়ে ঢুলুবাবুর মশারি টাঙানো হয়েছিল।
উত্তমকুমারের সঙ্গে তাঁর দারুণ সম্পর্ক ছিল। অরবিন্দবাবু সব সময় উত্তমকুমারকে ছক ভেঙে ব্যবহার করেছেন। তাঁর চরিত্র, মেক আপ, অভিনয় নিয়ে নানা রকম এক্সপেরিমেন্ট করেছেন। সে ‘নিশিপদ্ম’ হোক বা ‘মৌচাক’ হোক অথবা ‘অগ্নীশ্বর’। উত্তমকুমারের অভিনয়ের ধারায় অগ্নীশ্বর এক অন্যধারার চরিত্র। যে দরদ দিয়ে অরবিন্দবাবু চরিত্রটিকে তৈরি করেছিলেন, সেই দরদ এবং শ্রদ্ধা দিয়ে উত্তমকুমার তৈরি করলেন চরিত্রটি।
উত্তমকুমারের চশমার উপর দিয়ে তাকানোর বিশেষ ভঙ্গিমাটি নিয়েও হয়েছে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষা। পরিচালক চেয়েছিলেন অন্যরকম একটা লুক আসুক। উত্তমকুমার কয়েকটি করে দেখিয়েছিলেন। তার মধ্য থেকে ওটাই পরিচালকের পছন্দ হয়েছিল।
‘অগ্নীশ্বর’ নিয়ে খুব টেনশনে ছিলেন উত্তমকুমারও। রোমান্টিক অভিনয়ের ইমেজ ভেঙে যে অভিনয় করলেন, সেই অভিনয়ের গ্রহণযোগ্যতা কেমন হবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছিল টেনশন। যেদিন ছবিটি রিলিজ করল, সেদিন রাত ১১টা নাগাদ উত্তমকুমার ফোন করলেন অরবিন্দকে। বললেন, ‘ঢুলুদা, খুব চিন্তা ছিল। মনে হচ্ছিল বিরাট একটা পরীক্ষা দিয়েছি। আজ রেজাল্ট বের হল। অনেক জায়গা থেকে ফোন পেয়েছি। মনে হচ্ছে উতরে গেলাম। আপনি আমার অভিনয় জীবনকে দীর্ঘায়ু করলেন।’ উত্তরে ঢুলুবাবু বললেন, ‘তুমি আসাধারণ অভিনয় করেছ। ওই অভিনয় না হলে আমার ছবিটা মানুষ নিত না।’ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের সাক্ষী থাকল সেই রাত।
ঢুলুবাবু এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘নিউ থিয়েটার্সের মালিক বীরেন সরকার আমাদের বলেছিলেন, ছবি করবে সুরসিক ভদ্রলোকেদের জন্য। তাঁরা যাতে ছবি দেখে তৃপ্ত হন। এবং সেই ছবি দেখে যাতে ছোটলোকেরাও ভদ্রলোক হয়ে হল থেকে বেরিয়ে আসে।’ এই পরিচ্ছন্নতা, আবেগ ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে ছিল তাঁর ছবির মধ্যে। কিন্তু তা কখনও স্লোগানের মতো প্রকট হয়ে ওঠেনি। বাঙালি জীবনের ছোট ছোট দুঃখ, ভালোলাগা, সংঘাত, মজা উঠে এসেছে তাঁর ছবিতে। অনুভবের মধ্য দিয়ে সেই ভাবনাগুলো কখন যেন আমাদের আত্মীয় হয়ে উঠেছে। তাঁর চরিত্রগুলো তো আমাদের ঘরের ছেলেমেয়ে, বাবা-মা, মামা, কাকা, ভাইপো। এইসব গল্প আমাদের ঘরের, পাড়ার বা পাশের ঘরের প্রতিবেশীর গল্প। তাই তাদের আমরা ভুলতে পারি না। আজও টিভিতে ‘ধন্যি মেয়ে’, ‘মৌচাক’, ‘অগ্নীশ্বর’ দেখালে পরিবারের সদস্যরা সব কাজ ফেলে একসঙ্গে বসে সেই ছবি দেখেন। যুগ বদলেছে, ভাবনা বদলেছে, সিনেমা অনেক বেশি আধুনিক হয়েছে, ক্যামেরার কারিকুরি বেড়েছে। কিন্তু তাঁর ছবিকে ঘিরে ভালোলাগার সেই উত্তরাধিকার আজও বাঙালি বহন করে চলেছে। কেননা তাঁর ছবিতে টেকনিক চাতুর্য নেই, আছে আত্মার সঙ্গে আত্মিক সম্পর্ক। তাই চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর পরেও তা চিরনতুন মনে হয়। কোনওদিন তিনি তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য পুরস্কার পাননি। কিন্তু বাঙালি আজও সেই ভালোলাগার পুরস্কার তাঁকে সশ্রদ্ধ মননে দিয়ে চলেছে।
একদিন তিনি কুঁদঘাটের বাজারে চাল কিনতে গিয়েছেন। দশ কিলো চাল কিনে রিকশ করে বাড়ি ফিরলেন। রিকশওয়ালাকে ভাড়া দিতে গেলে তিনি বলেছিলেন, ‘বাবু, আমি আপনাকে চিনি। কাল পূর্ণয় আপনার অগ্নীশ্বর সিনেমা দেখেছি। আমি উত্তমকুমারের ভক্ত। ওই ছবি দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। আমি পয়সা নিতে পারব না।’ অরবিন্দবাবু তাঁকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, ‘এটাই আমার সবথেকে বড় পুরস্কার’।
তাঁর ছবির একটা বড় সার্থক বিষয় ছিল গান। বহু সুপারহিট গানের স্রষ্টা তিনি। সেই সব গানের জন্য অসাধারণ সিকোয়েন্সও তৈরি করেছিলেন। তিনি মনে করতেন গান সেই কাহিনীর থেকে বিচ্ছিন্ন কোনও বিষয় নয়, গানও সেই কাহিনীর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। গান বাদ গেলেই যেন মনে হয় ছবির অঙ্গহানি হল। তাই গান নিয়ে অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষাও করেছেন। ‘নতুন জীবন’ ছবিতে তিনি ঠিক করেছিলেন একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত ব্যবহার করবেন। কিন্তু গৌরীপ্রসন্নর লেখা ‘এমন আমি ঘর বেঁধেছি’ গানের কথা শুনে ঠিক করলেন, রবীন্দ্রসঙ্গীত নয়, এটাই ব্যবহার করবেন। একটা সিকোয়েন্সের জন্য বিভিন্ন জনকে দিয়ে গান লেখাতেন। তার মধ্যে যেটা সেরা মনে হতো, সেটাই ব্যবহার করতেন। যেমন ‘ধন্যি মেয়ে’র ‘এ ব্যথা কী যে ব্যথা বোঝে কি আনজনে’ গানটি। তিন চারজন প্রতিষ্ঠিত গীতিকার এই সিকোয়েন্সের জন্য গান লিখেছিলেন। শেষে তিনি পছন্দ করেছিলেন প্রণব রায়ের কথা। আবার ছবির সুরকার সিলেক্ট করার ক্ষেত্রেও তিনি পা ফেলতেন একেবারে মেপে। আগের ছবিতে কোনও সুরকারের তৈরি গান হিট হয়েছে মানেই তাঁকে পরের ছবিতে ডাকবেন, এমন তিনি ছিলেন না। নচিকেতা ঘোষ, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, পবিত্র চট্টোপাধ্যায়, রাজেন সরকার, নীতা সেন সহ অনেকেই তাঁর ছবিতে সুর দিয়েছেন। ‘মৌচাক’ ছবিতে সুর দেওয়া নিয়ে প্রথমে সলিল চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি। সেই ছবিতে সুরারোপ করলেন নচিকেতা ঘোষ। সুপারহিট হল গান। ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’ সেই সময় বোল্ড ধরনের গান বলেই মনে করা হতো।
তাঁর ছবির গান মিশে গিয়েছে বাঙালির মননে। বহু বিখ্যাত গান তিনি দিয়ে গিয়েছেন বাঙালিকে। ‘আহ্বান’ ছবিতে পঙ্কজ মল্লিক ছিলেন সঙ্গীত পরিচালক। সেই ছবিতে কাজ করার জন্য তিনি কোনও পারিশ্রমিক নেননি।
দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর অরবিন্দ জড়িয়ে ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে। যতদিন পর্যন্ত তাঁর ছবিগুলি দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে, ততদিন পর্যন্ত বাঙালি লাফিং এক্সারসাইজ করার সুযোগ পাবে। সেলুলয়েডেই বেঁচে থাকবেন সকলের প্রিয় ঢুলুবাবু।
ছবি: অনিকা মুখোপাধ্যায়ের সৌজন্যে
গ্রাফিক্স  সোমনাথ পাল
সহযোগিতাগ  স্বাগত মুখোপাধ্যায় 
16th  June, 2019
দেশবন্ধু
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজির একের পর এক অনুগামীকে নিজের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হলেও, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়নি একবিন্দুও। আবার তাঁকেই দীক্ষাগুরু হিসেবে স্থির করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। জন্মের সার্ধশতবর্ষে ফিরে দেখা সেই চিত্তরঞ্জন দাশকে। বিশদ

23rd  February, 2020
পথদ্রষ্টা ফালকে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

‘রাজা হরিশ্চন্দ্র’-এর হাত ধরে পথচলা শুরু হয় প্রথম ভারতীয় পূর্ণাঙ্গ কাহিনীচিত্রের। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গেও ফালকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এ দেশের সিনেমার পথদ্রষ্টাকে ফিরে দেখা। 
বিশদ

16th  February, 2020
ইতিহাসে টালা
দেবাশিস বসু

 ‘টালা’ কলকাতার অন্যতম প্রাচীন উপকণ্ঠ। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জব চার্নক নেমেছিলেন সুতানুটিতে। ১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। অর্থাৎ তিনি সুতানুটিতে ছিলেন জীবনের শেষ আড়াই বছর। তাঁর মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাবর্ণ চৌধুরীদের কাছ থেকে গোবিন্দপুর, কলকাতা ও সুতানুটি গ্রাম তিনটির জমিদারি স্বত্ব কিনে নেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
মহাশ্বেতা 

সন্দীপন বিশ্বাস: ‘সরস্বতী পুজো।’ শব্দ দুটো লিখে ল্যাপটপের কি-বোর্ড থেকে হাতটা সরিয়ে নিল শুভব্রত। চেয়ারে হেলান দিয়ে বাইরে চোখ। রাত এখন গভীর। আর কয়েকদিন পরেই সরস্বতী পুজো। এডিটর একটা লেখা চেয়েছেন। পুজো নিয়ে স্পেশাল এডিশনে ছাপা হবে। সাহিত্যিক হিসেবে শুভর একটা খ্যাতি আছে। 
বিশদ

02nd  February, 2020
শতবর্ষে জনসংযোগ
সমীর গোস্বামী

অনেকে মজা করে বলেন, সেলুনে যিনি হেয়ার স্টাইল ঠিক করেন, তিনি অনেক সময় বিশিষ্ট মানুষের কানেও হাত দিতে পারেন। জনসংযোগ আধিকারিক বা পিআরও’রাও খানিকটা তেমনই। প্রচারের স্বার্থে তাঁরা কেবল সাহসের উপর ভর করে অনেক কিছু করতে পারেন। মনে পড়ছে, বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে কোনও কিছু উদ্বোধনের সময় ফিতে কাটতে দিতাম না। 
বিশদ

26th  January, 2020
অনন্য বিকাশ 

পাহাড়ী স্যান্যাল থেকে উত্তমকুমার সবাই ছিলেন তাঁর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত। হেমেন গুপ্তের ‘৪২’ ছবিতে এক অত্যাচারী পুলিস অফিসারের ভূমিকায় এমন অভিনয় করেছিলেন যে দর্শকাসন থেকে জুতো ছোঁড়া হয়েছিল পর্দা লক্ষ্য করে। এই ঘটনাকে অভিনন্দন হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা বিকাশ রায়কে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু সিনেমায় তাঁর সহ অভিনেতা ও মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।  
বিশদ

19th  January, 2020
যদি এমন হতো! 
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

যদি এমন হতো? সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ এসেছেন, ধনীর আদরের সন্তান; কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব পৃথিবীতে আসেননি। তাহলে নরেন্দ্রনাথ কি স্বামী বিবেকানন্দ হতেন! মেধাবী, সাহসী, শ্রুতিধর এই সুন্দর যুবকটি পিতাকে অনুসরণ করে হয়তো আরও শ্রেষ্ঠ এক আইনজীবী হতেন, ডাকসাইটে ব্যারিস্টার, অথবা সেই ইংরেজযুগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, ঘোড়ায় চাপা ব্রাউন সাহেব— আইসিএস। ক্ষমতা হতো, সমৃদ্ধি হতো।
বিশদ

12th  January, 2020
সেলুলয়েডের শতবর্ষে হিচকক 
মৃন্ময় চন্দ

‘Thank you, ….very much indeed’
শতাব্দীর হ্রস্বতম অস্কার বক্তৃতা। আবার এটাও বলা যেতে পারে, মাত্র পাঁচটি শব্দ খরচ করে ‘ধন্যবাদজ্ঞাপন’।
হ্যাঁ, হয়তো অভিমানই রয়েছে এর পিছনে।
বিশদ

05th  January, 2020
ফিরে দেখা
খেলা

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি। 
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
বিনোদন

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
রাজ্য 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।   বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
দেশ-বিদেশ 

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
বঙ্গ মিষ্টিকথা 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মিষ্টান্ন ভোজন। যার সঙ্গে জড়িয়ে বাঙালির আবেগ, অনুভূতি, অ্যাডভেঞ্চার। ডায়েটিংয়ের যুগে আজও বহু বাঙালি ক্যালরির তোয়াক্কা করে না। খাওয়া যতই আজব হোক, মিষ্টি না হলে ভোজ সম্পূর্ণ হয় না যে! 
বিশদ

22nd  December, 2019
সংবিধানের ৭০
সমৃদ্ধ দত্ত

ভারত এবং বিশেষ করে আগামীদিনের শাসক কংগ্রেসের সঙ্গে এভাবে চরম তিক্ততার সম্পর্ক করে রেখে পৃথক পাকিস্তান পাওয়ার পর, সেই নতুন দেশের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত? কীভাবে সম্ভাব্য পাকিস্তানের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করা যাবে? কী কী সমস্যা আসতে পারে?  
বিশদ

15th  December, 2019
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির মধ্যে কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর।  ...

লাহোর, ২৭ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): সিংহের ডেরায় ঘাস কাটতে গিয়ে বেঘোরে প্রাণ গেল এক কিশোরের। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের লাহোর সাফারি পার্কে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিলাল নামে ১৭ বছরের ওই কিশোর গত দু’দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নেটে ব্যাট করতে ঢোকার আগে বাংলার ক্যাপ্টেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ একটা কাগজ ভিডিও অ্যানালিস্টের হাতে তুলে দিয়ে বললেন, ‘চোখ বুলিয়ে নাও। পরে এই ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটার পুরসভা এলাকায় লোকসভা ভোটে ভালো ফল করেছিল বিজেপি। পুরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি বাদ দিয়ে বাকি সমস্ত ওয়ার্ডেই শাসক দল তৃণমূলের থেকে এগিয়ে ছিল বিজেপি।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মযোগে বিলম্ব ঘটবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মযোগ আছে। ব্যবসায় যোগ দেওয়া যেতে পারে। কোনও বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
১৮২৭: আমেরিকায় প্রথম বাণিজ্যিক রেলপথ চালু হয়
১৮৪৪: বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব গিরিশচন্দ্র ঘোষের জন্ম
১৮৮৩: ভারতে প্রথম টেলিগ্রাফ চালু হয়
১৯২৮: ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন-এর ‘রামন এফেক্ট’ আবিষ্কার
১৯৩৬: জওহরলাল-পত্নী কমলা নেহরুর মৃত্যু
১৯৪৪: সঙ্গীতকার রবীন্দ্র জৈনের জন্ম
১৯৪৮ - ব্রিটিশ সৈন্যদের শেষ দল ভারত ত্যাগ করে
১৯৫১: ক্রিকেটার কারসন ঘাউড়ির জন্ম
১৯৬৩: ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৬ টাকা ৯৪.২৩ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৯ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী। অশ্বিনী ৫৪/৫৮ রাত্রি ৪/৩। সূ উ ৬/৩/২৭, অ ৫/৩৫/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে বারবেলা ৮/৫৬ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২ গতে ১০/১৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী, অশ্বিনী ৪৮/১৯/৪৪ রাত্রি ১/২৬/১৫। সূ উ ৬/৬/২১, অ ৫/৩৪/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ৪/৫ গতে ৫/৩৫ মধ্যে
এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৪/২৮ গতে ১১/৫০/৩০
মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২/৩৫ গতে ১০/১৬/৩৩ মধ্যে। 
মোসলেম: ৩ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মধ্যাহ্নভোজে নবীন পট্টনায়কের বাড়িতে অমিত-মমতা-নীতিশরা 
ইস্টার্ন জোনাল কাউন্সিলের বৈঠক শেষে মধ্যাহ্নভোজে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের ...বিশদ

03:51:00 PM

১৫০২ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:13:22 PM

দিল্লি হিংসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪২ 

03:09:23 PM

১৪৫৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

03:04:02 PM

হলদিয়ায় এসপি অফিস ঘেরাও বিজেপির 
হলদিয়ায় মা ও মেয়েকে পুড়িয়ে মারার প্রতিবাদে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ...বিশদ

03:04:00 PM

নবি মুম্বইতে নাবালিকা ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক 

02:19:40 PM