Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

চিরদিনের সেই গান
শতবর্ষে মান্না দে 
হিমাংশু সিংহ

২৫ ডিসেম্বর ২০০৮। কলকাতার সায়েন্স সিটি প্রেক্ষাগৃহ। একসঙ্গে আসরে প্রবাদপ্রতিম দুই শিল্পী। পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে সম্মানে ভূষিত মান্না দে ও গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। একজনের বয়স ৮৯ অন্য জনের ৭৭। মঞ্চে দুই মহান শিল্পীর শেষ যুগলবন্দি বলা যায়। সেইসঙ্গে, বাংলা গানের এক ঐতিহাসিক কালজয়ী মুহূর্ত। আমরা যারা বাংলা গানের স্বর্ণযুগের পোকা, অথচ বয়স অপেক্ষাকৃত কম হওয়ার কারণে, খুব কাছ থেকে সময়টাকে সেভাবে প্রত্যক্ষ করা হয়ে ওঠেনি, তাদের কাছে অন্তত কিছুটা সেই পুরনো ম্যাজিক উপভোগ করার সুবর্ণ সুযোগ। হঠাৎই গান চলতে চলতে একফাঁকে মান্নাবাবু বলে উঠলেন, এবার চিরদিনের সেই গানটা হবে। বলা মাত্রই শ্রোতাদের মধ্যে সে কী আলোড়ন। নিমেষে যেন ফিরে এল ফেলে আসা হাজারো স্মৃতি আর ফিসফাস, কানাকানি। অবশেষে শুরু হল সেই চিরদিনের গান। পাশে বিশ্বস্ত রাধাকান্ত নন্দী নেই। তাতে কিছু যায় আসেনা, বয়সে নবীন তবলিয়াকে নিয়েই সেই রাতে দাদরা কাহারবা ত্রিতালে আসর মাত হল। শতবর্ষ থেকে মাত্র ১১ বছর দূরে দাঁড়ানো শিল্পীর গলাটা যৌবনের সেই সোনাঝরা দিনগুলির মতো অতটা আর সাথ দিচ্ছিল না। সতেজতাও কম। দমের কষ্ট হওয়াও স্বাভাবিক। তবু শুরু হল চিরদিনের সেই গান। নচিকেতা ঘোষের অনন্য চির অমলিন সৃষ্টি ‘আমায় চিরদিনের সেই গান বলে দাও’। চিরদিনের ছায়াছবির এই গানটি রেকর্ড হয়েছিল কয়েক দশক আগে। কিন্তু, এতদিন পরেও সে গানের আবেশ যেন ফিকে হয়নি একটুও। নিঃসন্দেহে বাংলা ও বাঙালির শ্রেষ্ঠ গানগুলির অন্যতম। বার দুয়েক কথা ভুল হল। আগে পিছে হয়ে গেল সুর। ঘোর বিরক্তিতে মাথায় হাত ঠেকালেন তিনি। পাশ থেকে সন্ধ্যাদেবী অগ্রজ শিল্পীকে ভুলে যাওয়া কথাটা ধরিয়ে দিলেন। এগিয়ে দিলেন কয়েক দশক আগের পুরনো স্বরলিপিটাও। এভাবেই নিজেকে বার দুয়েক সামলে নিয়ে গানের সেই পুরনো সুর আর মেজাজটাকে আঁকড়ে ধরলেন ৯০ ছুঁই ছুঁই শিল্পী। আর ভুলচুক নয়। সেই রোমান্টিক জাদু মাখানো স্বরক্ষেপণ আর তুখোড় দরদি গায়কী তামাম বাঙালির বড় চেনা। বড় কাছের। এভাবেই কখনও অবুঝ প্রেম, দু’জনের মন দেওয়া নেওয়ার অনবদ্য আলাপন চলতে থাকে তাঁর গলায়।
তাঁর গানের সেই প্রাণ জুড়নো প্রসাদ দশকের পর দশক চেটেপুটে আস্বাদন করে যৌবন থেকে কখন প্রৌঢ়ত্বে পৌঁছে গিয়েছি আমরা। চুলে পাক ধরেছে। কিন্তু তবু তাঁর গলায় এখনও ‘রঙ্গিনী কত মন, মন দিতে চায়’, ‘ও আমার মন যমুনার অঙ্গে অঙ্গে ভাব তরঙ্গে কতই খেলা’ বা ‘এই কূলে আমি আর ওই কূলে তুমি’ শুনলে মনের কোণে কী এক অব্যক্ত আবেগ উথলে ওঠে। এক লহমায় বয়সটা কমে আবার কখন যেন নিজের অজান্তে যৌবনে ফিরে যাই। কিংবা বিখ্যাত ‘শঙ্খবেলা’ ছবিতে তিনি যখন গেয়ে ওঠেন ‘কে প্রথম কাছে এসেছি, কে প্রথম ভালোবেসেছি’ (১৯৬৬) তখনও প্রথম যৌবনের দুষ্টুমিষ্টি প্রেমের আবিষ্ট করা গন্ধ গানের পরতে পরতে অনুভব করা যায়। এমন অনবদ্য ডুয়েট বাংলা গানে বড় কমই আছে। এভাবেই ‘ললিতা গো ওকে আজ চলে যেতে বল না’ থেকে ‘সুন্দরী গো দোহাই দোহাই মান কোরো না’ নিঃসন্দেহে তাঁর গলায় সমান অনন্য। আবার তাঁর গানে ভর করেই আমরা পৌঁছে যাই ভক্তি মেশানো শেষ জীবনের আর্তিমাখা উপলব্ধিতে, যা তাঁর গলায় জীবন্ত হয়ে বড় সহজে আপামর বাঙালির হৃদয় ছুঁয়ে যায়। পরতে পরতে বাঙালির আবেগকে ধারণ করা এবং গানের মাধ্যমে শুরু থেকে শেষ বাঙালিয়ানার জয়গান গাওয়া তাই মান্না দে-র গানের চিরকালীন বৈশিষ্ট্য। যার জন্য প্রয়াণের ছ’বছর পরও তিনি সাধারণ শ্রোতার কাছে এতটা জনপ্রিয়। এখনও তাঁর গান শুনলে মনে হয় তিনি কোথাও যাননি, বহাল তবিয়তে খুব কাছাকাছি কোথাও তাঁর হৃদয়ের গান সাধনায় ব্যস্ত। তাঁর গানে ধ্রুপদী গানের ওস্তাদি আছে। সুরের অসম্ভব ঝঙ্কার আছে, কিন্তু, তা বলে সুর তাল লয়ের জটিলতা দিয়ে সাধারণ শ্রোতার ধৈর্যচ্যুতি ঘটানো নৈব নৈব চ। গান নিয়ে অযথা পাণ্ডিত্য কালোয়াতি দেখানোর তুলনায় সঙ্গীতকে শ্রোতার মনের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়াই ছিল আজীবন মান্নাবাবুর সবচেয়ে বড় ইউএসপি। বাংলা গানের পাশাপাশি হিন্দি গানেও তাঁর সমান বিচরণ অবাক করে। এমনকী, বিবাহসূত্রে দক্ষিণ ভারতীয় সুলোচনা দেবীর সঙ্গে আবদ্ধ হওয়ার সুবাদে দক্ষিণ ভারতীয় গানেও তিনি যথেষ্ট সাবলীল ছিলেন। আজ যখন একটু অন্যরকম বাংলা গান নিয়ে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে তখনও তাঁর দুটি গান সময়ের বিচারে ভয়ঙ্কর প্রাসঙ্গিক। ‘জীবনে কী পাব না ভুলেছি সে ভাবনা’ আর ‘হয়তো তোমারই জন্য, হয়েছি প্রেমে যে বন্য’ শুনলে বোঝা যায় সময়ের চেয়েও কখনও কখনও এই মহান শিল্পীর গান দ্রুত ছুটেছে। হিন্দি সঙ্গীতের জগতে তাঁর ছিল অবাধ বিচরণ কাকার হাত ধরে। তাঁর আশীর্বাদেই প্রবোধ চন্দ্র দে থেকে মান্না দে-তে উত্তরণ এই মহান শিল্পীর। ‘ওই মহা সিন্ধুর ওপার থেকে’, ‘স্বপন যদি মধুর এমন’ এবং ‘অন্ধকারের অন্তরেতে অশ্রুবাদল ঝরে’ — পরিণত বয়সে কাকার এই তিন কালজয়ী গান গেয়ে তিনি সার্থক গুরুদক্ষিণা দিয়েছিলেন। সেইসঙ্গে সমৃদ্ধ করেছিলেন নিজেকেও। পরে একে একে সলিল চৌধুরী, শচীন দেব বর্মন, শচীনপুত্র পঞ্চম, রাজকাপুর, কল্যাণজি আনন্দজি, শঙ্কর-জয়কিষাণ, কাকে ছেড়ে কার নাম বলব? সবার সুরেই তিনি অবলীলায় মুম্বই মাতিয়েছেন। মুম্বইতে ১৯৪২ সাল থেকে কাজ শুরু করলেও ১৯৫৩-তে ‘দো বিঘা জমিন’ ছবিতে সাফল্যের পর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এরপর একে একে — ‘শ্রী ৪২০’, ‘মেরা নাম জোকার’, ‘আনন্দ’। পরপর হিন্দি গানে মান্নাবাবুর সাফল্যের এক একটা মাইলস্টোন। ১৯৬৪ সালে রাহুল দেব বর্মন তাঁকে পশ্চিমি সুরে ‘আও ট্যুইস্ট করে’ বলে একটি গান গাওয়ান। সেটিও অসম্ভব জনপ্রিয় হয়।
আবার সেই তিনিই যখন মেজাজ বদলে অবলীলায় গেয়ে ওঠেন ‘আমি নিরালায় বসে গেঁথেছি আমার স্মরণবীণ’, ‘এই তো সেদিন তুমি আমারে বোঝালে আমার অবুঝ বেদনা’ বা পুলকবাবুর রচনা ‘তুমি অনেক যত্ন করে আমায় দুঃখ দিতে চেয়েছ’ তখন কেমন যেন মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে এক অদ্ভুত অন্ধকার বিষাদে ডুব দেয়। কিংবা তাঁর গলায় শোনা আর এক ক্ল্যাসিক ‘মার স্নেহ কাকে বলে জানি না, বাবার মমতা কী বুঝতে না বুঝতে এ বিরাট পৃথিবীকে........ সে আমার ছোট বোন’ শুনলেই একটা আটপৌরে মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের যত্নে সাজানো উঠোনটাকে দেখতে পাই, যা ক্রমেই আমাদের থেকে অনেক দূরে সরে গিয়ে আজ আমাদের বড্ড একা করে দিচ্ছে। আবার ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ শুনতে শুনতে প্রত্যেক বাঙালি তাঁর আশপাশের অমল, সুজাতা, মইদুলদের মতো স্বপ্নভঙ্গ হওয়া মানুষদের খুঁজে নেয় তার চারপাশেরই চেনা বৃত্তে। জীবনের চলার পথে এরকম হাজার সম্ভাবনার মৃত্যু আমরা দেখে চলেছি প্রতিনিয়ত, মান্নাবাবুর গানে যেন তারই প্রতিধ্বনি। এভাবেই তাঁর গানে মূর্ত হয় মানবিক সম্পর্কের চড়াই উতরাই পেরনো এক গড় বাঙালির নির্ভেজাল প্রেমিক সত্তা থেকে অভিমান ভরা বিরহ। হাজারো সাফল্য-ব্যর্থতা পার হয়ে জীবনের শেষ প্রান্তে মায়ের মন্দিরে একটু বসার জায়গা পাওয়ার আকুল আর্তি। কখনও আবার সেই শিল্পীর গলাতেই ‘আমি দু’চোখ ভরে ভুবন দেখি, মায়ের দেখা পাই না, আমি হাজার গান তো গেয়ে বেড়াই মায়ের গান তো গাই না’ বলে বুকফাটা আক্ষেপ বেরিয়ে আসে। বাঙালি জীবনের সব ঋতুর সব অনুভবের মশলা মজুদ তার গানে। আসলে গানের মাধ্যমে যৌবনকে ফিরিয়ে দেওয়া এবং চাওয়া পাওয়ার অদ্ভুত আবর্তের মন কাড়া রসায়নটাই বাঙালি জীবনে শিল্পী মান্না দে-র গানের সবচেয়ে বড় প্রভাব বলে আমার বিশ্বাস। কিছুতেই যেন শিল্পীর বয়স বাড়ে না। বোঝাই যায়না দশকের পর দশক বাঙালির মনোরঞ্জন করে তিনি সত্যি কখন আপামর সঙ্গীতপিপাসুকে কাঁদিয়ে নিজেই সকলের অজান্তে বিদায় নিয়েছেন। নাকি তাঁর এ চলে যাওয়া শুধুই চোখের, মনের ভুল। সত্যি হয়ত আগের মতোই তিনি এখনও একইরকমভাবে পরপারে গিয়েও অজানা কোনও সুরলোকে তাঁর পছন্দের হারমোনিয়ামটা সামনে ধরে সুর সাধনায় মগ্ন। একের পর এক গান গেয়ে চলেছেন হারমোনিয়াম না থামিয়ে। পাশে কোনও ওস্তাদ তবলিয়া। তবু খুঁতখুঁতে শিল্পী বারবার মাথা ঝাঁকাচ্ছেন ঠেকাটা ঠিকমতো হচ্ছে না বলে। এভাবেই তাঁর গান চিরদিন এক যৌবনোচ্ছ্বল মেজাজি আপাদমস্তক বাঙালির ছবিকেই তুলে ধরে, তাই এই শতবর্ষেও তিনি তরতাজা যুবক হয়েই আমাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় উজ্জ্বল। নব্বই বছরের আশপাশেও জন্মদিনে তাঁকে এই শহরে অনুষ্ঠান করতে দেখা গিয়েছে সুঠাম শরীরে। গান শুরুর আগে বাল্যবয়সে শরীরচর্চা ও কুস্তির আখড়ায় তাঁর হাতেখড়ি হয়েছিল। সেই শরীরচর্চার ছাপ তাঁর মধ্যে শেষদিন পর্যন্ত দেখা গিয়েছে। গোয়াবাগানে গোবর পালওয়ানের আখড়ায় তাঁর নিয়মিত কুস্তি শিক্ষা চলত। স্কটিশচার্চ কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশোনার ফাঁকেই ময়দানের খেলার মাঠও তাঁকে টানত। পরে গান গাওয়ার সুবাদেই তিনি হয়ে ওঠেন বিখ্যাত সুরকার শচীন দেব বর্মনের অত্যন্ত কাছের। তাঁদের সেই সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ঈর্ষণীয়। ফুটবল মাঠে ইস্টবেঙ্গল সমর্থক শচীনকর্তাকে নিয়ে ছুটে যাওয়া ও খুনসুটি ছিল তাঁর অত্যন্ত প্রিয় আড্ডার বিষয়। বাঙালির ফুটবলের সঙ্গে নিবিড় যোগের অসামান্য উৎসব তার ‘সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল’ গানটিতে। যা আজও গড় বাঙালির কাছে ফুটবল মাঠের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবেই পরিচিত।
গানের কথা আর বক্তব্যের শালীনতার ব্যাপারে তিনি কতটা সংবেদনশীল ছিলেন তার একটা আন্দাজ পাওয়া যায় একটি ঘটনায়। তাঁর অত্যন্ত স্নেহের শিল্পী কবিতা কৃষ্ণমূর্তি একবার মান্নাবাবুর বাড়িতে এসে বললেন একটা গান তাঁর গলায় খুব হিট হয়েছে। মান্নাবাবু জানতে চাইলেন গানটা কী? কবিতা গেয়ে শোনাতেই মান্নাবাবু রেগে গেলেন। গানটা ছিল ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত’। ক্ষুব্ধ মান্নাবাবু বললেন তুমি নিজে মহিলা হয়ে আর একজন মহিলাকে ‘চিজ’ বলে সম্বোধন করছ! আত্মজীবনীতে শিল্পী লিখেছেন, তাঁর তিরস্কারে কবিতা দেবী সেদিন কেঁদে ফেললেও পরে মান্নাবাবুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গিয়েছিল। আত্মজীবনীতে শিল্পী লিখছেনও সেই কথা।
স্ত্রী সুলোচনা দেবীর সঙ্গে মান্না দে-র প্রেম কিন্তু একটি অসম্ভব জনপ্রিয় রবীন্দ্রসঙ্গীতকে ঘিরে। একটি অনুষ্ঠানে দু’জনের গানটি একসঙ্গে গাওয়ার কথা ছিল। ‘আমি তোমারও সঙ্গে বেঁধেছি আমারও প্রাণ সুরের বাঁধনে’। সেই গানের রিহার্সালেই সম্পর্কের শুরু। তারপর কখন সুরের বাঁধন জীবনের বাঁধনে পরিণত হল তা ইতিহাস। লতা মঙ্গেশকর ও কিশোর কুমারের সঙ্গে মান্নাবাবুর ডুয়েট গানের কথা আজ স্মরণ না-করলেই নয়। কিশোরের সঙ্গে ‘চতুর নার’ আর ‘ইয়ে দোস্তি হাম নেহি তোড়েঙ্গে’। লতাজির সঙ্গে ‘প্যার হুয়া ইকরার হুয়া’। এরপর প্রায় পাঁচ দশক এই অনন্য সাধারণ শিল্পীর স্টিয়ারিং ধরা ছিল সুলুদেবীর হাতেই। সেই গানের মণিমুক্তোর সম্ভারের মধ্যে দুটি গানের উল্লেখ এখানে না-করলেই নয়। ‘লাগা চুনরি মে দাগ’ আর ‘বাজেরে পাওলিয়া। মুম্বইয়ে নিজের মনের মতো একটা বাড়ি করেছিলেন। নাম ‘আনন্দন’। জমি দেখা থেকে বাড়ির নকশা সবই হয়েছিল স্ত্রী সুলোচনা দেবীর নিখুঁত পরিকল্পনায়। দু’জনেরই নজর ছিল যাতে মিউজিক রুমটা বড় হয়, মনের মতো হয়। যেখানে বসে একমনে নিভৃতে সঙ্গীতসাধনায় ডুবে থাকতে পারবেন তিনি। হয়েও ছিল তাই। অনেক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী ওই বাড়ি। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সেই বাড়ি ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে ফিরতে হয় তাঁকে। নিজের প্রাণের চেয়েও আপন ‘আনন্দন’ ছেড়ে আসা শিল্পীকে ভয়ঙ্কর আহত করেছিল। সে-কথা তিনি লিখেও গিয়েছেন। সেই জায়গায় আজ সুউচ্চ অট্টালিকা। কত মধুর গানের স্মৃতি চাপা পড়ে আছে তার নীচে তা কে জানে! বেঙ্গালুরুতেই ২০১২ সালে শিল্পী-পত্নী সুলোচনা দেবী কঠিন অসুখে মারা যান। তাঁর প্রয়াণের পর মান্নাবাবুর শরীরও ভেঙে পড়ে। এর পরের বছরই অগণিত মন্ত্রমুগ্ধ শ্রোতা ও ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে ইহলোক ছেড়ে শিল্পী ‘সুরলোকে’ যাত্রা করেন। সম্ভবত হেমন্তকুমার, কিশোর কুমারকে ছেড়ে দিলে বাংলার আর কোনও শিল্পী জাতীয় স্তরে এতটা সুনাম ও প্রতিষ্ঠা অর্জন করতে পারেননি। আজ তাঁর প্রয়াণের ছ’বছর পর যখন তাঁর জীবনের জলসাঘরে প্রবেশের শতবর্ষ পালিত হচ্ছে তখনও তিনি আমাদের স্মৃতিতে একইরকম জীবন্ত ও প্রাসঙ্গিক।
জীবনের জলসাঘরে মান্না দে-র প্রবেশ ১ মে ১৯১৯ সালে। শুধু দেশ তখনও স্বাধীনতা পায়নি তাই নয়, ভয়ঙ্কর জালিয়ানওয়ালাবাগ গণহত্যার মাত্র ১৮ দিন পর সেই উত্তাল সময়ে শিল্পীর জন্ম। তাঁর মাতা-পিতার নাম মহামায়া দে ও পূর্ণচন্দ্র দে। কিন্তু, সঙ্গীতে তাঁকে নিয়ে আসা এবং পূর্ণাঙ্গ একজন শিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার কাজ করেছেন তাঁর স্বনামধন্য কাকা কৃষ্ণচন্দ্র দে। মূলত কাকার উৎসাহ আর সহযোগিতার জোরেই ১৯৪২-এ মান্নাবাবুর মুম্বই পাড়ি। সেইসঙ্গে খুলে গেল ভারতীয় সঙ্গীতের দরজা, যা তাঁকে একজন পূর্ণ শিল্পী হতে সাহায্য করেছে। ভরিয়ে দিয়েছে অভিজ্ঞতার ঝুলি। মুম্বই তাঁকে প্রতিষ্ঠা দিয়েছে। একজন সর্বভারতীয় শিল্পী হিসেবে মহম্মদ রফি, কিশোর কুমার, লতা, আশা, মুকেশদের সঙ্গে একাসনে বসিয়েছে। একজন বাঙালি শিল্পী হিসেবে এ বড় কম কথা নয়। তাঁরই সমসাময়িক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ও ছিলেন অত্যন্ত সুরেলা সোনাঝরা রোমান্টিক কণ্ঠের অধিকারী। কে বড় ছিলেন তা নিয়ে এখনও চর্চা চললেও এভাবে দুই কালজয়ী শিল্পীর তুলনা টানা অসমীচীন। যতদিন বাংলা গান থাকবে, মান্না দে আমাদের হৃদয়ে অক্ষয় হয়ে থাকবেন।
মান্নাবাবু যে মাপের শিল্পী, মৃত্যুর পর তাঁকে আমরা সেই যোগ্য সম্মান কিন্তু দিতে পারিনি। তাঁর অন্ত্যেষ্টিও হয়েছে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে — ভক্তদের ফাঁকি দিয়ে। তাই এই শতবর্ষে মান্না দে-কে নিয়ে, তাঁর গান নিয়ে একটি ট্রাস্ট গড়ে গবেষণা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা আবশ্যক। না-হলে পরের প্রজন্ম এই বিশাল ইতিহাস জানা থেকে বঞ্চিত থেকে যাবে। সেইসঙ্গে বিডন স্ট্রিট থেকে হেঁদোর মোড়ের মধ্যে তাঁর একটি আবক্ষ মূর্তি বসিয়ে ওই রাস্তাটির নাম রাখা হোক মান্না দে সরণি। এ-ব্যাপারে কলকাতা পুরসভা তথা রাজ্য সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। বঙ্গদেশে সহসা তাঁর মতো শিল্পীর দেখা মিলবে না। মেলেনি আজও। এত শিল্পী উঠে আসছেন, তাঁদের সাঙ্গীতিক প্রতিভা, গানের শিক্ষা এবং তালিম অসাধারণ। কিন্তু কেউই মান্না দে-র সমকক্ষ হতে পারেননি। মুম্বইতে রাজ-করা যাকে বলে, মান্নাবাবুর পর দাপটের সঙ্গে আর কোন বাঙালি কণ্ঠ কি তা পেরেছে? তাই এই শতবর্ষের প্রাকমূহূর্তে তাঁকে আমার শতকোটি প্রণাম।  
28th  April, 2019
লকডাউনের দিনগুলি
ডাঃ শ্যামল চক্রবর্তী

মুখ্যমন্ত্রী দাঁড়িয়ে আছেন গাইনি বাড়ির উল্টোদিকে কার্ডিওলজি বিল্ডিংয়ের সামনে। পাশে পুলিস কমিশনার। খবর পেয়ে দ্রুত ওখানে চলে এলেন হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট ও ডেপুটি সুপার। মিটার দেড়েক দূরত্ব, করজোড়ে মুখ্যমন্ত্রী... ‘খুব ভালো কাজ করছেন আপনারা।
বিশদ

24th  May, 2020
করোনা কক্ষের ডায়েরি
ডাঃ চন্দ্রাশিস চক্রবর্তী

 গত ১০০ বছরে পৃথিবী এরকম মহামারী দেখেনি। শহরের প্রায় সমস্ত বড় হাসপাতালে এখন করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি। ফলে আউটডোর চলছে গুটিকয়েক রোগী নিয়ে, হাসপাতালের ক্যান্টিন বন্ধ, ভিতরের রাস্তাগুলো ফাঁকা, বাইরে গাড়ির লাইন নেই…।
বিশদ

24th  May, 2020
এয়ারলিফট 
সমৃদ্ধ দত্ত

একটা স্তব্ধতা তৈরি হল ঘরে। সন্ধ্যা হয়েছে অনেকক্ষণ। এখন আর বেশি কর্মী নেই। অনেকেই বাড়ি চলে গিয়েছেন। তবু কিছু লাস্ট মিনিট আপডেট করার থাকে। তাই কয়েকজন এখনও রয়েছেন অফিসে। তাঁদেরও ফিরতে হবে।  
বিশদ

17th  May, 2020
রবির মানিক 

শ্রীকান্ত আচার্য: অতীতে কলকাতায় বরাবরই ঠাকুর পরিবার এবং রায়চৌধুরী পরিবার, সব দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল। তা সে জ্ঞানের পরিধি বলুন বা সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল—সব ক্ষেত্রেই এই দুই পরিবার উন্নত করেছে বাংলাকে। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৩ সালে।  
বিশদ

10th  May, 2020
অনুরাগের রবি ঠাকুর 

সন্দীপ রায়: বাবার কলাভবনে ভর্তি হওয়া থেকেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে সংযোগটা একরকম তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যদিও আপনারা জানবেন, শৈশবে ওঁর মোটেই শান্তিনিকেতন যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। তবে হ্যাঁ, সেখানে গিয়ে কিন্তু তাঁর অবশ্যই মন পরিবর্তন হয়েছিল। 
বিশদ

10th  May, 2020
‘ছবিটা ভাই ভালো হয়েছে। তবে
চলবে কি না, বলতে পারছি না!’ 

প্রশ্ন: ‘চারুলতা’-র জন্য নিজেকে কীভাবে তৈরি করেছিলেন?
মাধবী: ছ’বছর বয়স থেকে কাজ করা শুরু করেছিলাম। তারপর নানা পথ পেরিয়ে প্রেমেন্দ্র মিত্রের সঙ্গে কাজ। ‘সাহসিকা’ বলে একটি ছবিতে হিরোইনের ছেলেবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। 
বিশদ

10th  May, 2020
বন্ধু আমার...
দীপ্তি নাভাল

আমি হতবাক: আমি বাকরুদ্ধ। চিন্টুর চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। তবে অসুস্থতার খবর আগেই পেয়েছিলাম। চিন্টুর মৃত্যুর আগের দিন ইরফানের খবরটা পাই। তখনই মানসিকভাবে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। এর পরপরই খবর আসে যে চিন্টু অসুস্থ। বিশদ

03rd  May, 2020
তোমার স্মৃতিতে...
অমিতাভ বচ্চন

দেওনার কটেজে প্রথম দেখেছিলাম চিন্টুকে। প্রচণ্ড হাসিখুশি, প্রাণবন্ত এক তরুণ। দু’চোখ ভরা দুষ্টুমি। দিনটা আমার কাছে সত্যি বিরল। কারণ, রাজ জি’র বাড়িতে আমন্ত্রণ পাওয়ার মতো সৌভাগ্য আমার তখন খুব একটা হতো না। তারপর থেকে আরও বেশি করে দেখতাম ওকে... আর কে স্টুডিওয়। 
বিশদ

03rd  May, 2020
বিদায়
তিগমাংশু ধুলিয়া

দীর্ঘ ৩৪ বছরের বন্ধুত্ব তাঁদের। ইরফান খানের সঙ্গে জাতীয় পুরস্কারজয়ী পরিচালক-অভিনেতা তিগমাংশু ধুলিয়ার পথ চলা শুরু ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’ র আঙিনা থেকে। এরপর তিগমাংশুর পরিচালনায় হাসিল, চরস, পান সিং তোমার, সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টার রিটার্নস ছাড়া একাধিক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে কাজ করেছেন ইরফান।
বিশদ

03rd  May, 2020
প রি বা র...
সুতপা, বাবিল, অয়ন
সুতপা শিকদার

 পরিবারের পক্ষ থেকে লিখতে বসে একটাই প্রশ্ন বারবার মনে আসছে... কী করে লিখব? এটা কি শুধু আমার পরিবারের ক্ষতি? গোটা দুনিয়াকে দেখছি... সবাই যেন পাথর হয়ে গিয়েছে ও চলে যাওয়ার পর। বিশদ

03rd  May, 2020
অক্ষয় হোক এই তৃতীয়া!
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

 ভারতবর্ষ সেই দেশ, যে দেশের মানুষ সৃষ্টির আদিতে শুনেছিল স্রষ্টার কণ্ঠস্বর—তোমরা সবাই অমৃতের পুত্র। গড়ে উঠেছিল অপূর্ব এক শান্ত সভ্যতা। পেয়েছিল একটি ধর্ম, যার মূল কথা ছিল জীবনের চারটি স্তম্ভ— ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ।
বিশদ

26th  April, 2020
কেমন যাবে ১৪২৭
শ্রীশাণ্ডিল্য

  ১৪২৭ সালের সূচনাকালে রাশিচক্রে নবগ্রহের অবস্থান— রবি মেষে, শুক্র বৃষে, রাহু মিথুনে, চন্দ্র ও কেতু ধনুতে, মকরে বৃহস্পতি, শনি, মঙ্গল ও মীনে বুধ। তিথি— কৃষ্ণ সপ্তমী, শিবযোগ,ববকরণ পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র। মেষ থেকে লগ্ন আরম্ভ। বারোটি রাশির নতুন বছরের ভাগ্যবিচার। তাই ‘অন্নগতপ্রাণ’ মানুষের আর্থ-সামাজিক, পারিবারিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বকেই প্রাধান্য দেওয়া হল।
বিশদ

19th  April, 2020
 টি ২০ নয়,
এটা টেস্ট ম্যাচ

পিজি হাসপাতালের লিভার সংক্রান্ত বিদ্যা হেপাটোলজি’র অধ্যাপক। পূর্ব ভারতের সরকারিভাবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের অন্যতম উদ্যোগী মানুষ। পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় তৈরি রাজ্যের একাধিক শীর্ষ কমিটির সদস্য, কো-অর্ডিনেটর। একইসঙ্গে অনেকগুলি দায়িত্ব পালন করছেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ অভিজিৎ চৌধুরী। সাক্ষাৎকারে বিশ্বজিৎ দাস।
বিশদ

12th  April, 2020
সামাজিক দূরত্বই ওষুধ
ডাঃ দেবী শেঠি
বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

 ১৯১৮ সালে আমেরিকায় আঘাত হানল ভয়ঙ্কর স্প্যানিশ ফ্লু। ফিলাডেলফিয়া প্রদেশে প্রাণহানি হল হাজার হাজার মানুষের। অথচ, ওই একই মহামারীর প্রকোপে সেন্ট লুইস শহরে প্রাণহানি ঘটল ফিলাডেলফিয়ার তুলনায় অর্ধেক! কারণ ভয়ঙ্কর মহামারীর ওই আতঙ্কের আবহেও, ফিলাডেলফিয়ায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমর্থনে আয়োজিত হয়েছিল বিরাট জন সমাবেশের। বিশদ

12th  April, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২৪ মে: স্যানিটাইজার, মাস্ক এবং গ্লাভসের কালোবাজারি হচ্ছে বলে অভিযোগ পেয়ে রাজ্যগুলিকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্র। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে এন -৯৫ মাস্ককে চিহ্নিত করার পরেও বেশ কিছু জায়গায় অত্যধিক দামে তা বিক্রি হচ্ছে বলেই অভিযোগ।  ...

নয়াদিল্লি, ২৪ মে (পিটিআই): সরকারের ঘোষণা করা পদক্ষেপের সুবিধা নিয়ে দেশে বিনিয়োগ করুন। এবং ভারতকে ‘আত্মনির্ভর’ করে তুলুন। দেশের শিল্পপতিদের প্রতি এমনই আর্জি জানালেন অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনের দানবীয় তাণ্ডবে বসিরহাট মহকুমায় নদীবাঁধ ভেঙে নোনা জলে প্লাবিত হয়েছে কয়েক হাজার একর চাষযোগ্য জমি। ওইসব জমিতে ফের কবে চাষ শুরু করা যাবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উবেছে বিভিন্ন ব্লকের ভুক্তভোগী কৃষকদের।   ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৯৪ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,০৬৩ 

24-05-2020 - 08:32:24 PM

রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছুঁল 
বাংলায় করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছুঁল। রবিবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের ...বিশদ

24-05-2020 - 08:01:41 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়াল 
মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে গেল। রবিবার সে ...বিশদ

24-05-2020 - 07:51:19 PM

তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ৭৬৫, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,২৭৭

24-05-2020 - 06:50:03 PM

মুম্বইতে আগামীকাল থেকে চালু হবে বিমান পরিষেবা, জানালেন মন্ত্রী নবাব মালিক 
আগামীকাল থেকে মুম্বই থেকে ৫০টি বিমান ওঠানামা করবে। পরে ধীরে ...বিশদ

24-05-2020 - 06:45:09 PM

করোনা: বাংলাদেশে একদিনে আক্রান্ত ১৫৩২ জন
 

বাংলাদেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ১৫৩২ জন। মৃত্যু ...বিশদ

24-05-2020 - 06:38:31 PM