Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

সিনেমার রাজনীতি
শাম্ব মণ্ডল

সেদিন পোডিয়ামে উঠেই শ্রোতাদের চমকে দিয়ে একটা ডায়লগ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি: ‘হাও ইজ দ্য জোশ?’ এক মুহূর্ত দেরি না করে শ্রোতাদের মধ্যে থেকে সমস্বরে উত্তর এসেছিল ‘হাই স্যর!’ যিনি ডায়লগটা শ্রোতাদের উদ্দেশে ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি আর কেউ নন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২০ জানুয়ারি মুম্বইয়ে ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইন্ডিয়ান সিনেমা-র উদ্বোধনে দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখেও তখন ‘উরি’র ক্রেজ।
উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক। ২০১৬-র ১৮ সেপ্টেম্বর জম্মু-কাশ্মীরের উরির সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। ১৯ জন সেনা নিহত হয়েছিল সে দিনের হামলায়। এর বদলা নিতে পাকিস্তানে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় সেনা। সেই অপারেশনে বহু জঙ্গিঘাঁটি এবং বেশ কয়েক জন জঙ্গিকে খতম করা হয় বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছিল। আর এই সার্জিকাল স্ট্রাইকের ঘটনাটা হয়েছে নরেন্দ্র মোদির জমানাতেই। যে সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে গর্ববোধ করেন খোদ মোদি। একটা ঘটনা, যা গোটা দেশবাসীর মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিল। মনে হয়েছিল, আমরাও পারি। বসে বসে মার না খেয়ে পাল্টা দিতে। আদিত্য ধরের ‘উরি’ সেই গল্পটাই বলতে চেয়েছিল। অনেকটাই হলিউডি স্টাইলে। কিন্তু এত সাফল্যের পরও অভিযোগ তাড়া করে চলেছে গোটা সিনেমাটিকে। ভোটের আগে এ দেশে জাতীয়তাবাদ উস্কে দিতে যেমন সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে ছবি তৈরির অভিযোগ, আমেরিকাতেও তেমনই ভিয়েতনাম যুদ্ধের পরে মার্কিনদের মনোবল চাঙ্গা করতে ‘র‌্যাম্বো’ সিরিজ তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ একটাই, ভারতীয় সেনাবাহিনীর কৃতিত্বকে একটি সরকারি প্রোপাগান্ডা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
একই অভিযোগে বিদ্ধ ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। একই দিনে দু’টি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ এবং ‘উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক’। বিজেপি নেতারা দিল্লিতে দু’টি সিনেমার জন্যই ‘প্রচার’ চালাচ্ছিলেন। পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হলে দু’টি ছবি দেখারই অনুরোধ করেছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাদের প্রচারের বাজিই ছিল এই দুই ছবি। যদিও প্রথম দিনের ব্যবসার নিরিখে ফেল করেছিল ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। অনুপম খের অভিনীত ছবিটিকে ব্যবহার করে কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে ফালাফালা করতে চেয়েছিল বিজেপি। ছবির ট্রেলারে দেখানো হয়েছিল, মনমোহন সিংকে সোনিয়া গান্ধী বলছেন, এত দুর্নীতির মধ্যে রাহুল কী ভাবে দায়িত্ব নেবে? আবার রাহুল কুর্সিতে বসার আগে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি-প্রক্রিয়াতেও বাধা দিচ্ছেন তিনি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির দলের অনেক নেতাই মনে করছেন, ছবিটি আদ্যন্ত নিরাশাজনক। মনমোহনের চরিত্রকেই সেখানে বড় করে দেখানো হয়েছে। তাতে বিজেপির আখেরে লাভ কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত ‘উরি’-তেই কিছুটা মুখরক্ষা হয়েছিল বিজেপির। একটা ছবিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনমোহন সিংকে সোনিয়া গান্ধীর হাতের পুতুল হিসেবে তুলে ধরা। অন্যটিতে সেনার ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’-এর মাধ্যমে মোদি সরকারের সাফল্য প্রচার করে জাতীয়তাবাদ উস্কে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির সময়কে কেন্দ্র করে গত বছর মধুর ভান্ডারকর তৈরি করেছিলেন ‘ইন্দু সরকার’। তখনও অভিযোগ উঠেছিল, এসব গান্ধী পরিবারকে বিপাকে ফেলতে বিজেপির কৌশল। মধুর ভান্ডারকরের যুক্তি ছিল, গণতন্ত্রে এটা ঠিক নয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত।
সিনেমায় রাজনীতি নতুন কিছু নয়। আমেরিকায় ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক ছবির পিছনেও নাকি বিরোধীদের মদত ছিল। কিন্তু রাজনীতিতে সিনেমা ভারতের একশ বছরের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই প্রথম। দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট। সব রাজনৈতিক দল নিজেদের প্রচার তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছে। দেশের শাসক দল বিজেপি সর্বদাই হাইটেক প্রচারে বিশ্বাসী। এবার তারা বলিউডকেই প্রচারের অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে। ট্রেন্ডটা গত বছর থেকেই শুরু হয়েছিল। পরপর বেশ কয়েকটি এমন সিনেমা মুক্তি পেল বা পেতে চলেছে, যার প্রধান বিষয় হল শাসক দলের গুনগান, সরকারি প্রচার বা বিরোধীদের ভূমিকার সমালোচনা। উরি, দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার, থ্যাকারে বা পি এম নরেন্দ্র মোদি। এই সব ক’টি নামের সঙ্গে পরোক্ষে নয়, প্রত্যক্ষে জড়িয়ে বিজেপির নাম। সরাসরি রাজনৈতিক না হলেও নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘স্বচ্ছ ভারত প্রকল্প’-র প্রচার দেখা গিয়েছিল ‘টয়লেট-এক প্রেম কথা’য়।
তবে বিজেপি রূপালী পর্দায় শেষ কামড়টা মারতে চলেছে লোকসভা ভোটের প্রথম দফা শুরুর এক সপ্তাহ আগে। ভোট-মরসুমে দেশের একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে ‘পি এম নরেন্দ্র মোদি’। নাম থেকেই স্পষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি বিজেপির প্রোপাগান্ডামূলক সিনেমা। নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাওয়ার পর কীভাবে এইরকম ছবি মুক্তি পেতে পারে, প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। নির্বাচন কমিশনও বিরোধীদের প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। কিন্তু আইনের বাধা আছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়া কোনও সিনেমার প্রদর্শন বন্ধ করা যায় না।
লোকসভা ভোট চলাকালীনই মুক্তি পাবে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’। তাসখন্দে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এই সিনেমা। স্বাভাবিকভাবেই তৎকালীন কংগ্রেস নেতাদের ভূমিকাও আতসকাচের তলায় ফেলা হবে। ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর ট্রেলার, যেখানে পরতে পরতে রহস্যের হাতছানি। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু রহস্যকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর প্লট। ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি। লালবাহাদুর শাস্ত্রী সই করেন ‘তাসখন্দ’ চুক্তি। আর এই সই করার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। যেই মৃত্যুরহস্য আজও জানা যায়নি। কী ছিল সেই মৃত্যু কারণ? বিষক্রিয়ায় মৃত্যু ঘটেছিল তাঁর না হার্ট অ্যাটাকে? না এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক চক্রান্ত? এসব প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি। তাঁর পরিবার তথা গোটা দেশের কাছে গোপন করা হয় লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুরহস্য। কেন এবং কীভাবে? এই রহস্যের উন্মোচনই ঘটবে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর হাত ধরে। ট্রেলারে অন্তত সেই ইঙ্গিতই মিলেছে।
বলিউডের শাসক দলের প্রতি ভক্তি প্রদর্শন অবশ্য এই প্রথম নয়। জওহরলাল নেহরুর আমলে একাধিক হিন্দি ছবিতে তাঁকে তুলে ধরা হয়েছে। লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ স্লোগান মনোজ কুমারের ‘উপকার’ ছবিতে ব্যবহার করা হয়। সবটাই ভক্তি প্রদর্শন নয়। সমালোচনার সাহসও দেখিয়েছে বলিউড। জরুরি অবস্থার সময় তৈরি ‘কিসসা কুর্সি কা’তে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রবল সমালোচনা করা হয়। গুলজারের ‘আঁধি’ ছবিও ইন্দিরা গান্ধীর জীবনের ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়।
কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে যে ছবিগুলি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এ দেশেও কি ক্রমশ রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠছে সিনেমা? কে না জানে, একটা উরিই তো যথেষ্ট একটা দলকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য।
আসলে মোদি জমানায় রূপালী পর্দায়ও ‘রাজনীতির সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চলেছে অহরহ!
31st  March, 2019
মাতৃরূপেণ...
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বিধাননগর স্টেশন থেকে লাইন ধরে দমদমের দিকে নাক বরাবর খানিকটা হাঁটাপথ। পথ আর কই! এ তো রেললাইন! এখানে হাঁটতে মানা। তাও হাঁটে লোকে। এটাই শর্টকাট। তারপর ডানদিকের ঢাল ধরে নেমে যায়। খুচখাচ কয়েকটা কারখানার পথ মেলে এখানেই। দু’টো বস্তি পেরিয়ে বাঁয়ে ঘুরলে দেখা যায় ওই গেটটা। বন্ধ... কোনওরকমে একটা মানুষ গলে যেতে পারে, এমন একটা ফুটো শুধু রয়েছে। তার সামনেই প্লাস্টিকের চেয়ার পেতে বসে আছেন বিধুবাবু। বিধুশেখর বিশ্বাস। চেয়ারটার রং কোনও এক কালে লাল ছিল। এখন তার ছোঁয়া বেঁচেবর্তে আছে।  বিশদ

20th  September, 2020
দ্বিশত শরতে ‘সিদ্ধপুরুষ’
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

দু’শো বছর আগে ‘আবির্ভাব’ হয়েছিল তাঁর। বিদ্যার সাগর তিনি। করুণার মহাসমুদ্র তিনি। ঈশ্বর ছিল তাঁর মানবজগৎ, ঈশ্বর ছিল তাঁর কর্ম। কর্মেই তিনি ‘সিদ্ধপুরুষ’। চিরন্তন প্রণম্য তিনি। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
বিশদ

13th  September, 2020
অ প রি হা র্য
সৌগত রায়

সালটা ১৯৭৪। কিছুটা ধন্দেই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাই আলোচনার জন্য ডেকেছিলেন প্রণবদাকে। অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী। পদের দিক থেকে সুপ্রিম পাওয়ারফুল হয়তো নন, কিন্তু আস্থাভাজন। ইন্দিরা জানতেন, বাস্তবটা একমাত্র উনিই বলতে পারবেন। আর পারবেন কাজটা করতে। ট্যাক্স আইন ফাঁকি দেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার করতে হবে দুই মহারানিকে। একজন জয়পুরের গায়ত্রী দেবী।   বিশদ

06th  September, 2020
মাস্টার নেগোশিয়েটর প্রণবদা
পি চিদম্বরম

সঠিক মনে করতে পারছি না যে প্রণবদার সঙ্গে আমার কবে এবং কীভাবে প্রথম দেখা হল। কোনও নির্দিষ্ট ইভেন্ট হলে মনে পড়ত। আসলে প্রণবদা মোটামুটি ১৯৭৫ সাল থেকেই তাঁর রাজনীতির জীবনে এবং জাতীয় স্তরে পরিচিত হয়ে গিয়েছিলেন। কারণ, তিনি ততদিনে হয়েছিলেন অর্থমন্ত্রকের একজন জুনিয়র মন্ত্রী। কিন্তু সেভাবে দেখতে গেলে তরুণ রাষ্ট্রমন্ত্রী হলেও সেটা ছিল স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর এবং যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।   বিশদ

06th  September, 2020
চালকহীন কংগ্রেস 
সমৃদ্ধ দত্ত

অসহযোগ আন্দোলন স্তিমিত। এখন আর আইনসভা বয়কট করার কারণ কী? প্রশ্ন তুললেন চিত্তরঞ্জন দাশ। ১৯২২ সালে কংগ্রেসের গয়া অধিবেশনে। উপস্থিত প্রতিনিধিরা একটু চমকে গেলেন। প্রাথমিকভাবে। 
বিশদ

30th  August, 2020
ভানু ১০০
শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়

শুধু কমেডিয়ানের পরিধিতে বেঁধে রাখা যায় না তাঁকে। পূর্ণাঙ্গ অভিনেতা তিনি। প্রত্যেকটা শটে অনন্য। মেধাবি ছাত্র হয়েও বেছে নিয়েছিলেন বিনোদনের জগৎকে। আজও টিভির পর্দায় তাঁকে দেখতে পেলে আটকে যায় রিমোট। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী বুধবার তাঁর শতবর্ষ।
বিশদ

23rd  August, 2020
অদ্বিতীয়
সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়

 প্রত্যেকের জীবনেই একটা মুহূর্ত আসে। গড়পড়তা জীবনধারাকে বদলে দেওয়ার মুহূর্ত। জীবনের খোলনোলচে বদলে দেওয়ার বাঁকে এসে দাঁড়াই আমরা। কারও ক্ষেত্রে ঘটনাগুলো ঘটে যায় আপনা থেকেই। তবে আমার মতো সৌভাগ্যবতীদের জন্য ঈশ্বর তৈরি রাখেন তাঁর দূতকে। আমার জীবনে সেই দেবদূত ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিশদ

23rd  August, 2020
ফিকে হয়নি আজও...
আশা ভোঁসলে

প্রথম আলাপ। প্রথম দেখা একজন খাঁটি গায়ককে। পারফর্মার ছিলেন না রফি সাব। নিজেকে পারফর্মার বলতেনও না। ধ্যান, জ্ঞান, জীবন... সবটাই জড়িয়ে ছিল গান। তাঁর কণ্ঠ...।
বিশদ

09th  August, 2020
অজানা রফি

 ফিল ইন দ্য ব্ল্যাঙ্কস’ ভূমিকাতেই যাত্রা শুরু ফিকুর। বিনা মাইকেই। অধৈর্য শ্রোতারা ক্রমশ শান্ত হলেন। সেই ফকির বাবার কাওয়ালিতেই বাজিমাত ছোট্ট ছেলেটির। বিশদ

09th  August, 2020
ফিরে দেখা ব্যোমকেশ 

আবীর চট্টোপাধ্যায়: সত্যের প্রতি নিষ্ঠা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা। এই দু’টোর কম্বিনেশনের নাম সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী। এমন কোনও মানুষ সামনে থাকলে ভালো লাগে। নাই বা হলেন তিনি রক্তমাংসের কেউ। তাঁকে দেখে, তাঁকে ‘পড়ে’ মনে হয়, যদি এমনটা হতে পারতাম... যদি এভাবে কেউ গাইড করত! এই আশ্রয়টাই হয়ে উঠেছে ব্যোমকেশ। 
বিশদ

02nd  August, 2020
হাতে খড়ি ধুতি পরায় 

দূরদর্শনে বাসু চট্টোপাধ্যায়ের সেই সিরিয়ালে যেন বইয়ের পাতা থেকে উঠে এসেছিলেন ব্যোমকেশ। সেই বাঙালিয়ানা, সেই সংসারী অথচ ক্ষুরধার মস্তিষ্কের ছিপছিপে চেহারার চিরকালীন চরিত্র। ‘ব্যোমকেশ’ রজিত কাপুর এখনও দর্শকের চোখে অমলিন। আলাপচারিতায় অন্বেষা দত্ত।
বিশদ

02nd  August, 2020
স্যার এডমুন্ড হিলারি
চন্দ্রনাথ দাস

বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো ১০১ বছর। তেনজিং নোরগের সঙ্গে প্রথমবার পা রেখেছিলেন পৃথিবীর শীর্ষে। মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের জন্য স্যার এডমুন্ড হিলারিকে মনে রেখেছে এই দুনিয়া। কিন্তু শুধু এক্সপ্লোরার নন, তিনি ছিলেন মাটির খুব কাছাকাছি থাকা এক মানুষ। এভারেস্ট অঞ্চলের প্রতিটা গ্রাম, জনপদের মনে তিনি থেকে গিয়েছেন তাঁদের শিক্ষার, উন্নতির সোপান হিসেবে। শতবর্ষ পার করে ফিরে দেখা সেই ব্যক্তিত্বকে।
বিশদ

26th  July, 2020
করোনা ভ্যাকসিনের পথে
সাফল্যের অপেক্ষায়
ডঃ সমীরণ পান্ডা

ল্যাটিন শব্দ ভ্যাক্কা (vacca) মানে গোরু। আর আঠেরোশো শতাব্দীতে মানুষকে স্মল পক্স বা বসন্ত রোগের থাবা থেকে বাঁচানোর জন্য গোরুর বসন্ত রোগের গুটি থেকে যে প্রতিষেধক ইঞ্জেকশন বানানো হয়েছিল, সেই প্রয়াসের মধ্যেই জন্ম হয় ‘ভ্যাকসিন’ শব্দটির। 
বিশদ

19th  July, 2020
করোনা ভ্যাকসিনের পথে
আগামী বছরের আগে নয়

ডঃ শেখর চক্রবর্তী : এক ভয়াবহ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা...। বিশ্বব্যাপী মহামারী। যা আগাম ঠেকানোর কোনও পথ আমাদের হাতে নেই। আর তাই চেষ্টা চলছে। বিশ্বজুড়ে। থেমে নেই কোনও দেশ। আমরাও না। কিন্তু দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করে ভ্যাকসিন তৈরি? অসম্ভব। একেবারেই ভিত্তিহীন এবং বাজে কথা। 
বিশদ

19th  July, 2020
একনজরে
রোম: ইতালিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন রাফায়েল নাদাল। তবে ফাইনালে উঠেছেন নোভাক জকোভিচ। এর আগে রোমের এই টুর্নামেন্টে ন’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্প্যানিশ তারকা নাদাল।   ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সঙ্গে নিতে হবে বিপ্লব মিত্রকে। কলকাতায় বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফ থেকে জেলা নেতৃত্বকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিইএসসির অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল জোড়াসাঁকো থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোহাম্মদ সুলেমান। বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সিইএসসির জাল রসিদ।   ...

নয়াদিল্লি: রবিবার ডিজেলের দাম ফের কমল দেশজুড়ে। এই নিয়ে গত চার দিনে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি প্রায় ১ টাকা হ্রাস পেল। এদিন দিল্লিতে ডিজেলের দাম ২৪ পয়সা কমে হয়েছে ৭১ টাকা ৫৮ পয়সা।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নতুন আইন কৃষকদের স্বাধীনতা দেবে: প্রধানমন্ত্রী 

01:18:31 PM

যেখানে ফসলের দাম বেশি সেখানেই বিক্রি করতে পারবেন কৃষকরা: প্রধানমন্ত্রী 

01:14:21 PM

এই আইন কৃষক মাণ্ডির বিরুদ্ধে নয়: প্রধানমন্ত্রী 

01:13:46 PM

ফসল বিক্রির উপর কর লাগবে না: প্রধানমন্ত্রী 

01:12:19 PM

৮ সাংসদকে সাসপেন্ডের তীব্র প্রতিবাদ মমতার 
কৃষি বিল নিয়ে প্রতিবাদে মুখর হওয়ায় ডেরেক ও’ব্রায়ান, দোলা সেন ...বিশদ

12:26:02 PM

অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে খুনের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে 
অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল কিশোরী। তাই নিয়ে বচসা চলাকালীন কাঠের আঘাতে ...বিশদ

12:08:51 PM