Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

সিনেমার রাজনীতি
শাম্ব মণ্ডল

সেদিন পোডিয়ামে উঠেই শ্রোতাদের চমকে দিয়ে একটা ডায়লগ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি: ‘হাও ইজ দ্য জোশ?’ এক মুহূর্ত দেরি না করে শ্রোতাদের মধ্যে থেকে সমস্বরে উত্তর এসেছিল ‘হাই স্যর!’ যিনি ডায়লগটা শ্রোতাদের উদ্দেশে ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি আর কেউ নন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২০ জানুয়ারি মুম্বইয়ে ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইন্ডিয়ান সিনেমা-র উদ্বোধনে দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখেও তখন ‘উরি’র ক্রেজ।
উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক। ২০১৬-র ১৮ সেপ্টেম্বর জম্মু-কাশ্মীরের উরির সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। ১৯ জন সেনা নিহত হয়েছিল সে দিনের হামলায়। এর বদলা নিতে পাকিস্তানে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় সেনা। সেই অপারেশনে বহু জঙ্গিঘাঁটি এবং বেশ কয়েক জন জঙ্গিকে খতম করা হয় বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছিল। আর এই সার্জিকাল স্ট্রাইকের ঘটনাটা হয়েছে নরেন্দ্র মোদির জমানাতেই। যে সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে গর্ববোধ করেন খোদ মোদি। একটা ঘটনা, যা গোটা দেশবাসীর মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিল। মনে হয়েছিল, আমরাও পারি। বসে বসে মার না খেয়ে পাল্টা দিতে। আদিত্য ধরের ‘উরি’ সেই গল্পটাই বলতে চেয়েছিল। অনেকটাই হলিউডি স্টাইলে। কিন্তু এত সাফল্যের পরও অভিযোগ তাড়া করে চলেছে গোটা সিনেমাটিকে। ভোটের আগে এ দেশে জাতীয়তাবাদ উস্কে দিতে যেমন সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে ছবি তৈরির অভিযোগ, আমেরিকাতেও তেমনই ভিয়েতনাম যুদ্ধের পরে মার্কিনদের মনোবল চাঙ্গা করতে ‘র‌্যাম্বো’ সিরিজ তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ একটাই, ভারতীয় সেনাবাহিনীর কৃতিত্বকে একটি সরকারি প্রোপাগান্ডা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
একই অভিযোগে বিদ্ধ ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। একই দিনে দু’টি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ এবং ‘উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক’। বিজেপি নেতারা দিল্লিতে দু’টি সিনেমার জন্যই ‘প্রচার’ চালাচ্ছিলেন। পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হলে দু’টি ছবি দেখারই অনুরোধ করেছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাদের প্রচারের বাজিই ছিল এই দুই ছবি। যদিও প্রথম দিনের ব্যবসার নিরিখে ফেল করেছিল ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। অনুপম খের অভিনীত ছবিটিকে ব্যবহার করে কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে ফালাফালা করতে চেয়েছিল বিজেপি। ছবির ট্রেলারে দেখানো হয়েছিল, মনমোহন সিংকে সোনিয়া গান্ধী বলছেন, এত দুর্নীতির মধ্যে রাহুল কী ভাবে দায়িত্ব নেবে? আবার রাহুল কুর্সিতে বসার আগে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি-প্রক্রিয়াতেও বাধা দিচ্ছেন তিনি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির দলের অনেক নেতাই মনে করছেন, ছবিটি আদ্যন্ত নিরাশাজনক। মনমোহনের চরিত্রকেই সেখানে বড় করে দেখানো হয়েছে। তাতে বিজেপির আখেরে লাভ কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত ‘উরি’-তেই কিছুটা মুখরক্ষা হয়েছিল বিজেপির। একটা ছবিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনমোহন সিংকে সোনিয়া গান্ধীর হাতের পুতুল হিসেবে তুলে ধরা। অন্যটিতে সেনার ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’-এর মাধ্যমে মোদি সরকারের সাফল্য প্রচার করে জাতীয়তাবাদ উস্কে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির সময়কে কেন্দ্র করে গত বছর মধুর ভান্ডারকর তৈরি করেছিলেন ‘ইন্দু সরকার’। তখনও অভিযোগ উঠেছিল, এসব গান্ধী পরিবারকে বিপাকে ফেলতে বিজেপির কৌশল। মধুর ভান্ডারকরের যুক্তি ছিল, গণতন্ত্রে এটা ঠিক নয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত।
সিনেমায় রাজনীতি নতুন কিছু নয়। আমেরিকায় ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক ছবির পিছনেও নাকি বিরোধীদের মদত ছিল। কিন্তু রাজনীতিতে সিনেমা ভারতের একশ বছরের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই প্রথম। দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট। সব রাজনৈতিক দল নিজেদের প্রচার তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছে। দেশের শাসক দল বিজেপি সর্বদাই হাইটেক প্রচারে বিশ্বাসী। এবার তারা বলিউডকেই প্রচারের অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে। ট্রেন্ডটা গত বছর থেকেই শুরু হয়েছিল। পরপর বেশ কয়েকটি এমন সিনেমা মুক্তি পেল বা পেতে চলেছে, যার প্রধান বিষয় হল শাসক দলের গুনগান, সরকারি প্রচার বা বিরোধীদের ভূমিকার সমালোচনা। উরি, দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার, থ্যাকারে বা পি এম নরেন্দ্র মোদি। এই সব ক’টি নামের সঙ্গে পরোক্ষে নয়, প্রত্যক্ষে জড়িয়ে বিজেপির নাম। সরাসরি রাজনৈতিক না হলেও নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘স্বচ্ছ ভারত প্রকল্প’-র প্রচার দেখা গিয়েছিল ‘টয়লেট-এক প্রেম কথা’য়।
তবে বিজেপি রূপালী পর্দায় শেষ কামড়টা মারতে চলেছে লোকসভা ভোটের প্রথম দফা শুরুর এক সপ্তাহ আগে। ভোট-মরসুমে দেশের একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে ‘পি এম নরেন্দ্র মোদি’। নাম থেকেই স্পষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি বিজেপির প্রোপাগান্ডামূলক সিনেমা। নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাওয়ার পর কীভাবে এইরকম ছবি মুক্তি পেতে পারে, প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। নির্বাচন কমিশনও বিরোধীদের প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। কিন্তু আইনের বাধা আছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়া কোনও সিনেমার প্রদর্শন বন্ধ করা যায় না।
লোকসভা ভোট চলাকালীনই মুক্তি পাবে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’। তাসখন্দে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এই সিনেমা। স্বাভাবিকভাবেই তৎকালীন কংগ্রেস নেতাদের ভূমিকাও আতসকাচের তলায় ফেলা হবে। ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর ট্রেলার, যেখানে পরতে পরতে রহস্যের হাতছানি। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু রহস্যকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর প্লট। ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি। লালবাহাদুর শাস্ত্রী সই করেন ‘তাসখন্দ’ চুক্তি। আর এই সই করার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। যেই মৃত্যুরহস্য আজও জানা যায়নি। কী ছিল সেই মৃত্যু কারণ? বিষক্রিয়ায় মৃত্যু ঘটেছিল তাঁর না হার্ট অ্যাটাকে? না এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক চক্রান্ত? এসব প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি। তাঁর পরিবার তথা গোটা দেশের কাছে গোপন করা হয় লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুরহস্য। কেন এবং কীভাবে? এই রহস্যের উন্মোচনই ঘটবে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর হাত ধরে। ট্রেলারে অন্তত সেই ইঙ্গিতই মিলেছে।
বলিউডের শাসক দলের প্রতি ভক্তি প্রদর্শন অবশ্য এই প্রথম নয়। জওহরলাল নেহরুর আমলে একাধিক হিন্দি ছবিতে তাঁকে তুলে ধরা হয়েছে। লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ স্লোগান মনোজ কুমারের ‘উপকার’ ছবিতে ব্যবহার করা হয়। সবটাই ভক্তি প্রদর্শন নয়। সমালোচনার সাহসও দেখিয়েছে বলিউড। জরুরি অবস্থার সময় তৈরি ‘কিসসা কুর্সি কা’তে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রবল সমালোচনা করা হয়। গুলজারের ‘আঁধি’ ছবিও ইন্দিরা গান্ধীর জীবনের ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়।
কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে যে ছবিগুলি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এ দেশেও কি ক্রমশ রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠছে সিনেমা? কে না জানে, একটা উরিই তো যথেষ্ট একটা দলকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য।
আসলে মোদি জমানায় রূপালী পর্দায়ও ‘রাজনীতির সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চলেছে অহরহ!
31st  March, 2019
দ্বিশতবর্ষে শম্ভুনাথ পণ্ডিত
রজত চক্রবর্তী

 আজ থেকে দু’শো বছর আগে, ১৮২০ সালে জন্মেছিলেন শম্ভুনাথ। কাশ্মীরি পণ্ডিত পূর্বপুরুষদের আদি বাসস্থান ছিল লখনউ। শম্ভুনাথের বাবা সদাশিব পণ্ডিত ভাগ্যান্বেষণে চলে এসেছিলেন কলকাতায়। কলকাতায় শম্ভুনাথের জন্ম হলেও তাঁর কৈশোর কেটেছে লখনউয়ে। সেখানে তাঁর পড়াশোনা শুরু। বিশদ

22nd  March, 2020
বা ঙা লি র বঙ্গবন্ধু
মৃণালকান্তি দাস

তিনি বাঙালিকে শুধু বাঙালি জাতীয়তাবাদে ঐক্যবদ্ধ করেননি, বাঙালির আর্থিক, সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য তাঁদের প্রস্তুত করেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই জন্ম হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের। শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলার আপামর জনতা তাঁকে অভিহিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু নামে। জন্মশতবর্ষে ফিরে দেখা তাঁর জীবন সংগ্রামকে।  বিশদ

15th  March, 2020
সমান অধিকারের দিন 

সমানাধিকার। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এটাই হোক একমাত্র লক্ষ্য। যেখানে প্রত্যেক নারীকে যথাযোগ্য সম্মান দেওয়ার জন্য থাকবে না আলাদা কোনও দিন। শিক্ষা, সচেতনতার মাধ্যমে দূর হোক বৈষম্য 
বিশদ

08th  March, 2020
উদ্বোধন ১২১
স্বামী শিবার্চনানন্দ

১৮৯৯ সালের জানুয়ারি মাসে পথচলা শুরু ‘উদ্বোধন’-এর। স্বামী বিবেকানন্দের প্রবল উৎসাহ আর পরামর্শে দিনরাত এক করে এই পত্রিকা সম্পাদনার দায়িত্ব সামলেছিলেন স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ। পেরিয়ে গিয়েছে ১২১টি বছর। এখনও বাঙালির মননে অমলিন রামকৃষ্ণ দর্শনকে জনমানসে ছড়িয়ে দেওয়ার এই অনন্য প্রয়াস।  বিশদ

01st  March, 2020
দেশবন্ধু
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজির একের পর এক অনুগামীকে নিজের দিকে টেনে আনতে সক্ষম হলেও, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়নি একবিন্দুও। আবার তাঁকেই দীক্ষাগুরু হিসেবে স্থির করেছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু। জন্মের সার্ধশতবর্ষে ফিরে দেখা সেই চিত্তরঞ্জন দাশকে। বিশদ

23rd  February, 2020
পথদ্রষ্টা ফালকে
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

‘রাজা হরিশ্চন্দ্র’-এর হাত ধরে পথচলা শুরু হয় প্রথম ভারতীয় পূর্ণাঙ্গ কাহিনীচিত্রের। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গেও ফালকের নাম অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এ দেশের সিনেমার পথদ্রষ্টাকে ফিরে দেখা। 
বিশদ

16th  February, 2020
ইতিহাসে টালা
দেবাশিস বসু

 ‘টালা’ কলকাতার অন্যতম প্রাচীন উপকণ্ঠ। ১৬৯০ সালের ২৪ আগস্ট জব চার্নক নেমেছিলেন সুতানুটিতে। ১৬৯৩ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি মারা যান। অর্থাৎ তিনি সুতানুটিতে ছিলেন জীবনের শেষ আড়াই বছর। তাঁর মৃত্যুর প্রায় পাঁচ বছর পরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সাবর্ণ চৌধুরীদের কাছ থেকে গোবিন্দপুর, কলকাতা ও সুতানুটি গ্রাম তিনটির জমিদারি স্বত্ব কিনে নেয়।
বিশদ

09th  February, 2020
মহাশ্বেতা 

সন্দীপন বিশ্বাস: ‘সরস্বতী পুজো।’ শব্দ দুটো লিখে ল্যাপটপের কি-বোর্ড থেকে হাতটা সরিয়ে নিল শুভব্রত। চেয়ারে হেলান দিয়ে বাইরে চোখ। রাত এখন গভীর। আর কয়েকদিন পরেই সরস্বতী পুজো। এডিটর একটা লেখা চেয়েছেন। পুজো নিয়ে স্পেশাল এডিশনে ছাপা হবে। সাহিত্যিক হিসেবে শুভর একটা খ্যাতি আছে। 
বিশদ

02nd  February, 2020
শতবর্ষে জনসংযোগ
সমীর গোস্বামী

অনেকে মজা করে বলেন, সেলুনে যিনি হেয়ার স্টাইল ঠিক করেন, তিনি অনেক সময় বিশিষ্ট মানুষের কানেও হাত দিতে পারেন। জনসংযোগ আধিকারিক বা পিআরও’রাও খানিকটা তেমনই। প্রচারের স্বার্থে তাঁরা কেবল সাহসের উপর ভর করে অনেক কিছু করতে পারেন। মনে পড়ছে, বহু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা গণ্যমান্য ব্যক্তিকে কোনও কিছু উদ্বোধনের সময় ফিতে কাটতে দিতাম না। 
বিশদ

26th  January, 2020
অনন্য বিকাশ 

পাহাড়ী স্যান্যাল থেকে উত্তমকুমার সবাই ছিলেন তাঁর অভিনয়ের গুণমুগ্ধ ভক্ত। হেমেন গুপ্তের ‘৪২’ ছবিতে এক অত্যাচারী পুলিস অফিসারের ভূমিকায় এমন অভিনয় করেছিলেন যে দর্শকাসন থেকে জুতো ছোঁড়া হয়েছিল পর্দা লক্ষ্য করে। এই ঘটনাকে অভিনন্দন হিসেবেই গ্রহণ করেছিলেন তিনি। সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা বিকাশ রায়কে নিয়ে লিখেছেন বেশ কিছু সিনেমায় তাঁর সহ অভিনেতা ও মণীন্দ্রচন্দ্র কলেজের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক ডঃ শঙ্কর ঘোষ।  
বিশদ

19th  January, 2020
যদি এমন হতো! 
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

যদি এমন হতো? সিমুলিয়ার দত্ত পরিবারে নরেন্দ্রনাথ এসেছেন, ধনীর আদরের সন্তান; কিন্তু শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব পৃথিবীতে আসেননি। তাহলে নরেন্দ্রনাথ কি স্বামী বিবেকানন্দ হতেন! মেধাবী, সাহসী, শ্রুতিধর এই সুন্দর যুবকটি পিতাকে অনুসরণ করে হয়তো আরও শ্রেষ্ঠ এক আইনজীবী হতেন, ডাকসাইটে ব্যারিস্টার, অথবা সেই ইংরেজযুগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী, ঘোড়ায় চাপা ব্রাউন সাহেব— আইসিএস। ক্ষমতা হতো, সমৃদ্ধি হতো।
বিশদ

12th  January, 2020
সেলুলয়েডের শতবর্ষে হিচকক 
মৃন্ময় চন্দ

‘Thank you, ….very much indeed’
শতাব্দীর হ্রস্বতম অস্কার বক্তৃতা। আবার এটাও বলা যেতে পারে, মাত্র পাঁচটি শব্দ খরচ করে ‘ধন্যবাদজ্ঞাপন’।
হ্যাঁ, হয়তো অভিমানই রয়েছে এর পিছনে।
বিশদ

05th  January, 2020
ফিরে দেখা
খেলা

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি। 
বিশদ

29th  December, 2019
ফিরে দেখা
বিনোদন

আর তিনদিন পরেই নতুন বছর। স্বাগত ২০২০। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে পুরনো বছরকেও। তাই ২০১৯ সালের বেশকিছু স্মরণীয় ঘটনার সংকলন নিয়ে চলতি বছরের সালতামামি।  
বিশদ

29th  December, 2019
একনজরে
 রূপাঞ্জনা দত্ত, লন্ডন, ২৯ মার্চ: করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যে ভারতে আটকে পড়া কয়েক হাজার ব্রিটিশ নাগরিকদের দেশে ফেরাতে বিদেশমন্ত্রী ডমিনিক রাবের কাছে আর্জি জানালেন লন্ডন অ্যাসেম্বলির সদস্য নবীন শাহ। ...

 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ২৯ মার্চ: করোনার জেরে রেলের প্রায় দেড় কোটি পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়েই বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন উঠে গেল। এনটিপিসির (নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটিগরিস) প্রায় ৩৫ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ পরীক্ষা কবে হবে, সেই ব্যাপারে সঠিক উত্তর দিতে পারছে না রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডও ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা প্রতিরোধে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রতিদিন চার লক্ষ বোতল পানীয় জল সরবরাহ করছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর (পিএইচই)। মুখ্যমন্ত্রী ...

বিএনএ, বহরমপুর: বাংলাদেশেও করোনার দাপট শুরু হয়ে যাওয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করল বিএসএফ। বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব এলাকায় কাঁটাতার নেই সেখানে জওয়ানরা কার্যত ত্রিস্তরীয় ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায়ে যুক্ত হলে এই মুহূর্তে খুব একটা ভালো যাবে না। প্রেম প্রণয়ে বাধা। কারও সাথে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব চিকিৎসক দিবস
১৮৯৯ - বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯১৯: রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক গান্ধীজির
১৯৪৫: অস্ট্রিয়াকে আক্রমণ করল সোভিয়েত ইউনিয়ন
১৯৫৬- বাংলা ভাষার রূপকথার বিশিষ্ট রচয়িতা ও সংগ্রাহক দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদারের মৃত্যু
১৯৫৬: পরমাণু পরীক্ষা করল সোভিয়েত ইউনিয়ন
১৯৬৫- বাঙালি সাহিত্যিক সতীনাথ ভাদুড়ীর মৃত্যু
১৯৭৯ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট জ্যাজ্ সঙ্গীত শিল্পী, পিয়ানো বাদক এবং অভিনেত্রী নোরা জোন্সের জন্ম
১৯৮১: ওয়াশিংটন ডিসি’র এক হোটেলের বাইরে জন হিঙ্কলে নামে এক ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগনকে গুলি করেন
১৯৮৬ - স্প্যানিশ ফুটবল খেলোয়াড় সার্জিও র্যামোসের জন্ম
২০০২- বিশিষ্ট কবি ও গীতিকার আনন্দ বক্সীর মৃত্যু
২০১৩ - মার্কিন কবি ও শিক্ষাবিদ ড্যানিয়েল হফম্যানের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৫৯ টাকা ৭৫.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৬০ টাকা ৯২.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৮৪ টাকা ৮৩.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
28th  March, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৬ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ মার্চ ২০২০, সোমবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) ষষ্ঠী ৫৪/১১ রাত্রি ৩/১৫। রোহিণী ২৯/১৭ অপঃ ৫/১৮। সূ উ ৫/৩৪/৫৩, অ ৫/৪৭/৩১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ১০/২৭ গতে ১/৫৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/১৭ গতে ২/২৫ মধ্যে, বারবেলা ৭/৭ গতে ৮/৩৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪৪ গতে ৪/১৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৪০ মধ্যে।
১৬ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ মার্চ ২০২০, সোমবার, ষষ্ঠী ৪২/৪৭/৫১ রাত্রি ১০/৪৩/৫১। রোহিণী ১৯/৫৮/২৮ দিবা ১/৩৬/৬। সূ উ ৫/৩৬/৪৩, অ ৫/৪৭/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে ও ১০/২৪ গতে ১২/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৭ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ও ১১/১৫ গতে ২/২০ মধ্যে। কালবেলা ৭/৮/৬ গতে ৮/৩৯/২৮ মধ্যে।
৫ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনার জেরে আর্থিক বছর শুরু কবে, জানুন  
করোনার জেরে আর্থিক বছর পরিবর্তন করল কেন্দ্র। ১ এপ্রিলের বদলে ...বিশদ

10:26:50 PM

তারাপীঠ মন্দিরের জেনারেটর রুমে আগুন, অকুস্থলে দমকলের ১টি ইঞ্জিন 

09:12:28 PM

করোনা: দিল্লিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯৭ 

09:08:28 PM

 করোনা: রাজ্যে আক্রান্ত আরও ২

09:00:11 PM

লকডাউনে প্রতিদিন দুপুর ১২টা-৪টে পর্যন্ত খোলা থাকবে মিষ্টির দোকান: মমতা 

07:37:30 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে মৃত্যু হল এক আক্রান্তের 

06:09:30 PM