Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

সিনেমার রাজনীতি
শাম্ব মণ্ডল

সেদিন পোডিয়ামে উঠেই শ্রোতাদের চমকে দিয়ে একটা ডায়লগ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি: ‘হাও ইজ দ্য জোশ?’ এক মুহূর্ত দেরি না করে শ্রোতাদের মধ্যে থেকে সমস্বরে উত্তর এসেছিল ‘হাই স্যর!’ যিনি ডায়লগটা শ্রোতাদের উদ্দেশে ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি আর কেউ নন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত ২০ জানুয়ারি মুম্বইয়ে ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ইন্ডিয়ান সিনেমা-র উদ্বোধনে দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখেও তখন ‘উরি’র ক্রেজ।
উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক। ২০১৬-র ১৮ সেপ্টেম্বর জম্মু-কাশ্মীরের উরির সেনা ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছিল পাক জঙ্গিরা। ১৯ জন সেনা নিহত হয়েছিল সে দিনের হামলায়। এর বদলা নিতে পাকিস্তানে ঢুকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় সেনা। সেই অপারেশনে বহু জঙ্গিঘাঁটি এবং বেশ কয়েক জন জঙ্গিকে খতম করা হয় বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছিল। আর এই সার্জিকাল স্ট্রাইকের ঘটনাটা হয়েছে নরেন্দ্র মোদির জমানাতেই। যে সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে গর্ববোধ করেন খোদ মোদি। একটা ঘটনা, যা গোটা দেশবাসীর মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছিল। মনে হয়েছিল, আমরাও পারি। বসে বসে মার না খেয়ে পাল্টা দিতে। আদিত্য ধরের ‘উরি’ সেই গল্পটাই বলতে চেয়েছিল। অনেকটাই হলিউডি স্টাইলে। কিন্তু এত সাফল্যের পরও অভিযোগ তাড়া করে চলেছে গোটা সিনেমাটিকে। ভোটের আগে এ দেশে জাতীয়তাবাদ উস্কে দিতে যেমন সার্জিকাল স্ট্রাইক নিয়ে ছবি তৈরির অভিযোগ, আমেরিকাতেও তেমনই ভিয়েতনাম যুদ্ধের পরে মার্কিনদের মনোবল চাঙ্গা করতে ‘র‌্যাম্বো’ সিরিজ তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ একটাই, ভারতীয় সেনাবাহিনীর কৃতিত্বকে একটি সরকারি প্রোপাগান্ডা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
একই অভিযোগে বিদ্ধ ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। একই দিনে দু’টি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’ এবং ‘উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক’। বিজেপি নেতারা দিল্লিতে দু’টি সিনেমার জন্যই ‘প্রচার’ চালাচ্ছিলেন। পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হলে দু’টি ছবি দেখারই অনুরোধ করেছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাদের প্রচারের বাজিই ছিল এই দুই ছবি। যদিও প্রথম দিনের ব্যবসার নিরিখে ফেল করেছিল ‘দি অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার’। অনুপম খের অভিনীত ছবিটিকে ব্যবহার করে কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে ফালাফালা করতে চেয়েছিল বিজেপি। ছবির ট্রেলারে দেখানো হয়েছিল, মনমোহন সিংকে সোনিয়া গান্ধী বলছেন, এত দুর্নীতির মধ্যে রাহুল কী ভাবে দায়িত্ব নেবে? আবার রাহুল কুর্সিতে বসার আগে পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি-প্রক্রিয়াতেও বাধা দিচ্ছেন তিনি। কিন্তু নরেন্দ্র মোদির দলের অনেক নেতাই মনে করছেন, ছবিটি আদ্যন্ত নিরাশাজনক। মনমোহনের চরিত্রকেই সেখানে বড় করে দেখানো হয়েছে। তাতে বিজেপির আখেরে লাভ কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত ‘উরি’-তেই কিছুটা মুখরক্ষা হয়েছিল বিজেপির। একটা ছবিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনমোহন সিংকে সোনিয়া গান্ধীর হাতের পুতুল হিসেবে তুলে ধরা। অন্যটিতে সেনার ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’-এর মাধ্যমে মোদি সরকারের সাফল্য প্রচার করে জাতীয়তাবাদ উস্কে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা জারির সময়কে কেন্দ্র করে গত বছর মধুর ভান্ডারকর তৈরি করেছিলেন ‘ইন্দু সরকার’। তখনও অভিযোগ উঠেছিল, এসব গান্ধী পরিবারকে বিপাকে ফেলতে বিজেপির কৌশল। মধুর ভান্ডারকরের যুক্তি ছিল, গণতন্ত্রে এটা ঠিক নয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত।
সিনেমায় রাজনীতি নতুন কিছু নয়। আমেরিকায় ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক ছবির পিছনেও নাকি বিরোধীদের মদত ছিল। কিন্তু রাজনীতিতে সিনেমা ভারতের একশ বছরের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই প্রথম। দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট। সব রাজনৈতিক দল নিজেদের প্রচার তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছে। দেশের শাসক দল বিজেপি সর্বদাই হাইটেক প্রচারে বিশ্বাসী। এবার তারা বলিউডকেই প্রচারের অংশ হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে। ট্রেন্ডটা গত বছর থেকেই শুরু হয়েছিল। পরপর বেশ কয়েকটি এমন সিনেমা মুক্তি পেল বা পেতে চলেছে, যার প্রধান বিষয় হল শাসক দলের গুনগান, সরকারি প্রচার বা বিরোধীদের ভূমিকার সমালোচনা। উরি, দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার, থ্যাকারে বা পি এম নরেন্দ্র মোদি। এই সব ক’টি নামের সঙ্গে পরোক্ষে নয়, প্রত্যক্ষে জড়িয়ে বিজেপির নাম। সরাসরি রাজনৈতিক না হলেও নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের ‘স্বচ্ছ ভারত প্রকল্প’-র প্রচার দেখা গিয়েছিল ‘টয়লেট-এক প্রেম কথা’য়।
তবে বিজেপি রূপালী পর্দায় শেষ কামড়টা মারতে চলেছে লোকসভা ভোটের প্রথম দফা শুরুর এক সপ্তাহ আগে। ভোট-মরসুমে দেশের একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে ‘পি এম নরেন্দ্র মোদি’। নাম থেকেই স্পষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনী নিয়ে তৈরি বিজেপির প্রোপাগান্ডামূলক সিনেমা। নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হয়ে যাওয়ার পর কীভাবে এইরকম ছবি মুক্তি পেতে পারে, প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। নির্বাচন কমিশনও বিরোধীদের প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। কিন্তু আইনের বাধা আছে। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়া কোনও সিনেমার প্রদর্শন বন্ধ করা যায় না।
লোকসভা ভোট চলাকালীনই মুক্তি পাবে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’। তাসখন্দে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এই সিনেমা। স্বাভাবিকভাবেই তৎকালীন কংগ্রেস নেতাদের ভূমিকাও আতসকাচের তলায় ফেলা হবে। ইতিমধ্যে মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর ট্রেলার, যেখানে পরতে পরতে রহস্যের হাতছানি। ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যু রহস্যকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর প্লট। ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি। লালবাহাদুর শাস্ত্রী সই করেন ‘তাসখন্দ’ চুক্তি। আর এই সই করার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। যেই মৃত্যুরহস্য আজও জানা যায়নি। কী ছিল সেই মৃত্যু কারণ? বিষক্রিয়ায় মৃত্যু ঘটেছিল তাঁর না হার্ট অ্যাটাকে? না এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও রাজনৈতিক চক্রান্ত? এসব প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি। তাঁর পরিবার তথা গোটা দেশের কাছে গোপন করা হয় লালবাহাদুর শাস্ত্রীর মৃত্যুরহস্য। কেন এবং কীভাবে? এই রহস্যের উন্মোচনই ঘটবে ‘দ্য তাসখন্দ ফাইলস’-এর হাত ধরে। ট্রেলারে অন্তত সেই ইঙ্গিতই মিলেছে।
বলিউডের শাসক দলের প্রতি ভক্তি প্রদর্শন অবশ্য এই প্রথম নয়। জওহরলাল নেহরুর আমলে একাধিক হিন্দি ছবিতে তাঁকে তুলে ধরা হয়েছে। লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ‘জয় জওয়ান, জয় কিষান’ স্লোগান মনোজ কুমারের ‘উপকার’ ছবিতে ব্যবহার করা হয়। সবটাই ভক্তি প্রদর্শন নয়। সমালোচনার সাহসও দেখিয়েছে বলিউড। জরুরি অবস্থার সময় তৈরি ‘কিসসা কুর্সি কা’তে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রবল সমালোচনা করা হয়। গুলজারের ‘আঁধি’ ছবিও ইন্দিরা গান্ধীর জীবনের ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়।
কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে যে ছবিগুলি ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, এ দেশেও কি ক্রমশ রাজনৈতিক প্রচারের মাধ্যম হয়ে উঠছে সিনেমা? কে না জানে, একটা উরিই তো যথেষ্ট একটা দলকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য।
আসলে মোদি জমানায় রূপালী পর্দায়ও ‘রাজনীতির সার্জিকাল স্ট্রাইক’ চলেছে অহরহ!
31st  March, 2019
রাজ সিংহাসন
প্রণবকুমার মিত্র

 দরবারে আসছেন মহারাজ। শিঙে, ঢাক, ঢোল, কাঁসর ঘণ্টার বাদ্যি আর তোপের শব্দ সেটাই জানান দিচ্ছে। তারপর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মহারাজ ধীর পায়ে গিয়ে বসলেন রাজ সিংহাসনে। আগেকার দিনে রূপকথার গল্পে এটাই বলা হতো।
বিশদ

08th  December, 2019
আ ম্মা হী ন তামিল রাজনীতি
রূপাঞ্জনা দত্ত

২৪ ফেব্রুয়ারি। তামিলনাড়ুর কাছে এটা একটা বিশেষ দিন। মন্দিরে মন্দিরে উপচে পড়ত ভিড়। সবার একটাই প্রার্থনা, ‘আম্মা নাল্লামাগা ইরঙ্গ’। ‘আপনি ভালো থাকুন’। ওইদিন তিনিও যেতেন মন্দিরে। নিজের জন্মদিনে ভক্তদের ভালোবাসা বিলোতে। সেটাকে অবশ্য ‘পুরাচি থালাইভি’র আশীর্বাদ বলেই গণ্য করত সবাই।   বিশদ

01st  December, 2019
অর্ধশতবর্ষে শ্বেত বিপ্লব 
কল্যাণ বসু

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে...’
রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে ঈশ্বরী পাটনীর কালজয়ী বর প্রার্থনা ছিল এটাই। ‘অন্নপূর্ণা ও ঈশ্বরী পাটনী’র এই অবিস্মরণীয় পংক্তিতে সন্তানের মঙ্গলচিন্তা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সন্তানের মঙ্গলার্যে বিরাট কোনও লোভ না দেখিয়ে শুধুমাত্র দুধ-ভাতের আজীবন জোগান প্রার্থনা করা। সুস্থ-সবল সন্তানের জন্য ভাতের সঙ্গে দুধের অপরিহার্যতার কথাও আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে এই প্রার্থনায়।  
বিশদ

24th  November, 2019
অচেনা অযোধ্যা
সমৃদ্ধ দত্ত

 সরযূ নদীর নয়াঘাটে মাঝেমধ্যেই দেখা যাবে এক টানাপোড়েনের দৃশ্য। গোন্দা জেলার মানকপুর গ্রামের রমাদেবী নিজের মেয়ের সামনে হাতজোড় করে বলছেন, ‘আমাকে ছেড়ে দে রে..আমি কয়েকদিন পর আবার চলে যাব..সত্যি বলছি যাব।’ মেয়ে জানে মায়ের কথার ঠিক নেই। আজ বিশ্বাস করে ছেড়ে দিলে, সত্যিই কবে যাবে, কোনও ঠিক নেই।
বিশদ

17th  November, 2019
বিস্মৃতপ্রায় সুরেন্দ্রনাথ
রজত চক্রবর্তী

কালো পুলিস ভ্যানটা ঢুকতেই উত্তেজিত জনতা যেন তাতে ঝাঁপিয়ে পড়তে চাইছে। আন্দোলনের নেতৃত্বে স্বয়ং ‘বাংলার বাঘ’ আশুতোষ মুখোপাধ্যায়। হবে নাই বা কেন! বাংলার জাত্যাভিমানকে পরিচিতি দিয়েছিলেন পুলিস ভ্যানের ভিতরে বসে থাকা ব্যক্তিটিই। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ তাঁর জন্মদিন। বিশদ

10th  November, 2019
সুরেন্দ্রনাথের সাংবাদিক সত্ত্বা 
ডাঃ শঙ্করকুমার নাথ

১৮৮৩ সালে কলকাতা হাইকোর্ট ‘The Bengalee’ পত্রিকার সম্পাদক সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুদ্রাকার-প্রকাশক রামকুমার দে’র নামে রুল জারি করার নির্দেশ দিল এবং পরের দিন তা কার্যে পরিণত হল। বলা হল— ‘আদালত অবমাননা করার অপরাধে কেন জেলে যাইবেন না, তাহার কারণ প্রদর্শন করুন।’ 
বিশদ

10th  November, 2019
আরাধনা ৫০
সমৃদ্ধ দত্ত

 রবি শর্মার বাড়িতে গুরু দত্ত এসেছেন। প্রায় মধ্যরাত। এত রাতে কী ব্যাপার? রবি শর্মা চোখে জিজ্ঞাসু দৃষ্টি। গুরু দত্ত বললেন, ‘রবি আমি একটা গান চা‌ই। একটি মানুষ অনেক রাত পর্যন্ত মুশায়রার আসর থেকে বাড়ি ফিরেছে। তার সবেমাত্র বিয়ে হয়েছে। অপূর্ব সুন্দরী স্ত্রী। সেই মেয়েটি স্বামীর জন্য অপেক্ষা করে করে একসময় ঘুমিয়ে পড়েছে। স্বামী ভদ্রলোক বাড়ি ফিরে দেখছেন স্ত্রী গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন।
বিশদ

03rd  November, 2019
ডাকাত কালী
সুভাষচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

 কয়েকশো বছর আগের কাহিনী। তখন এখানে চারপাশে ঘন জঙ্গল। বহু জায়গায় সূর্যালোক পর্যন্ত পৌঁছত না। ছিল একাধিক হিংস্র পশুও। পাশেই সরস্বতী নদীর অববাহিকা। সেখানে বহু ডাকাতের বসবাস ছিল। বাংলার বিখ্যাত রঘু ও গগন ডাকাতও এই পথ দিয়ে ডাকাতি করতে যেতেন।
বিশদ

27th  October, 2019
মননে, শিক্ষায় পুরোপুরি বাঙালি

সুইডিশ অ্যাকাডেমি ঘোষণাটা করার পর কিছু সময়ের অপেক্ষা। আগুনের মতো খবরটা ছড়িয়ে গিয়েছিল গোটা দেশে... একজন বাঙালি, একজন ভারতীয় আরও একবার জগৎসভায় দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। অমর্ত্য সেনের পর অর্থনীতিতে নোবেল পাচ্ছেন তিনি। বিশদ

20th  October, 2019
অর্থনীতিতে নীতি
অনির্বাণ মুখোপাধ্যায়

 লেখাটা শুরু করা যেতে পারে আমার ছাত্রজীবনে রাশিবিজ্ঞানের ক্লাসে শোনা একটা গল্প দিয়ে। কোনও একসময় ইংল্যান্ডের স্কুলশিক্ষা দপ্তর ঠিক করেছিল, স্কুলের বাচ্চাদের দুধ খাইয়ে দেখবে তাদের স্বাস্থ্যের উপর তার কোনও সুপ্রভাব পড়ে কি না। সেইমতো স্কুলগুলিতে কোনও একটি ক্লাসের অর্ধেক বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো হয় এবং বাকিদের তা দেওয়া হয়নি। বিশদ

20th  October, 2019
বাহন কথা 
রজত চক্রবর্তী

আকাশে সোনার থালার মতো চাঁদ। বাড়িতে বাড়িতে দোরগোড়া থেকে লতানে ধানের শিষ। এঁকে বেঁকে চলে গিয়েছে চৌকাঠ ডিঙিয়ে, ডাইনিংয়ের পাশ দিয়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে... এমনকী সিঁড়ির পাশ দিয়েও উঠেছে দোতলায়। ধানের শিষের পাশে পাশে ছোট্ট ছোট্ট সুন্দর পায়ের ছাপ।  
বিশদ

13th  October, 2019
প্র তি মা র বি ব র্ত ন
সোমনাথ দাস

বর্ষা আর শরৎ এখন মিলেমিশে একাকার। বিশ্ব উষ্ণায়নের কৃপাদৃষ্টিতে শহরবাসীর পক্ষে আর এই দু’টি ঋতুকে আলাদা করা সম্ভব নয়। তবে ভাদ্রের সমাপ্তি এবং আশ্বিনের সূচনা বাঙালির জীবনে নিয়ে আসে এক অনাবিল আনন্দ। মা দুর্গার আগমনবার্তায় আমাদের হৃদয় নেচে ওঠে।   বিশদ

29th  September, 2019
পুজোর ফুলের যন্ত্রণা
বিশ্বজিৎ মাইতি

 বিশ্বজিৎ মাইতি: হাওড়া‑খড়্গপুর রেলওয়ে শাখার বালিচক স্টেশন। মার্চ মাসের এক শুক্রবারের সকালে বেশ কয়েকজনকে ধরেছেন টিটি। বিনা টিকিটে ট্রেন সফর। তাঁদের মধ্যে এক যুবকের হাতে গোটা চারেক বস্তা। হাতে একগুচ্ছ ব্যাগ। গাল ভর্তি দাড়ি। উসকো-খুসকো চুল। পরনে নানান দাগে ভর্তি জামা ও হাফপ্যান্ট। করুণ চোখে আচমকাই নিজের মানিব্যাগ টিটির মুখের সামনে দেখিয়ে ধরা গলায় বলল, ‘স্যার একটা টাকাও নেই। পুরো শরীর চেক করে দেখুন...।
বিশদ

22nd  September, 2019
ভো-কাট্টা

বিশ্বকর্মা পুজোর সঙ্গে ঘুড়ি ওড়ানোটা সমার্থক হয়ে গিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো মানেই আকাশজোড়া ঘুড়ির আলপনা। অসংখ্য ঘুড়ির ভেলায় যেন স্বপ্ন ভাসে। বহু কৈশোর আর যৌবনের মাঞ্জায় লেগে আছে ঘুড়ি ওড়ানোর স্মৃতি। যে ছেলেটা কোনওদিন সকাল দেখেনি, সেও বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে সূর্য ওঠার আগেই ঘুড়ি-লাটাই নিয়ে ছাদে উঠে যায়।  
বিশদ

15th  September, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: শুক্রবার মাথাভাঙা-১ ব্লকের নয়ারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের গেন্দুগুড়িতে ১০০ দিনের কাজে মাটির রাস্তা তৈরি করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন শ্রমিকরা প্রায় এককিমি রাস্তার কাজ শুরু করেন।  ...

সংবাদদাতা, পূর্বস্থলী: পূর্বস্থলীর বাঁশদহ বিলেও এবার পরিযায়ী পাখিদের আগমন শুরু হয়েছে। ওই বিলের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কচুরিপানার উপর পরিযায়ী পাখিদের বিচরণ করতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, চার থেকে পাঁচটি প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে এসেছে।  ...

ওয়াশিংটন, ১৩ ডিসেম্বর (পিটিআই): ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই অসমে তিনজনের প্রাণ গিয়েছে। অসম ছাড়াও দেশের নানা রাজ্যে সাধারণ মানুষ ওই আইনের বিরোধিতায় রাস্তায় নেমে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উপর ফের চাপ বাড়াল আমেরিকা।   ...

 কোচি, ১৩ ডিসেম্বর: শুক্রবার আইএসএলের অ্যাওয়ে ম্যাচে কেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে দু’গোলে এগিয়ে গিয়েও ২-২ গোলে ড্র করল জামশেদপুর এফসি। এদিন কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে জামশেদপুরকে এগিয়ে দেন পিটি। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৪: অভিনেতা ও পরিচালক রাজ কাপুরের জন্ম
১৯৩১: কুমিল্লায় বিপ্লবী শান্তি ঘোষ ও সুনীতি চৌধুরি ম্যাজিস্ট্রেট স্টিভেনসকে হত্যা করেন
১৯৩৪: পরিচালক শ্যাম বেনেগালের জন্ম
১৯৫৩: ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় বিজয় অমৃতরাজের জন্ম
১৯৫৭: হাওড়া এবং ব্যান্ডেলের মধ্যে প্রথম চালু হল বৈদ্যুতিক ট্রেন 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৬/২৯ দিবা ৮/৪৭। পুনর্বসু ৫৭/৮ শেষরাত্রি ৫/৩। সূ উ ৬/১১/৫৯, অ ৪/৪৯/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫১ গতে ২/৩৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/৩২ গতে উদয়াবধি। 
২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, দ্বিতীয়া ৮/৪৯/১৯ দিবা ৯/৪৫/২৯। আর্দ্রা ২/৫১/২২ দিবা ৭/২২/১৮, সূ উ ৬/১৩/৪৫, অ ৪/৫০/১০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ৯/৫২ মধ্যে ও ১২/২ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩১ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৪৬ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৩/১৮ মধ্যে ও ৩/৩০/৩৭ গতে ৪/৫০/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩০/৩৭ মধ্যে ও ৪/৩৩/১৮ গতে ৬/১৪/২৯ মধ্যে। 
১৬ রবিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে বিক্ষোভকারীদের ইটের ঘায়ে জখম হাওড়া সিটি পুলিসের ডিসি সাউথ জোন 

11:38:53 AM

মুরারইতে রেল অবরোধের জেরে বাঁশলৈ স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়েছে ডাউন শতাব্দী এক্সপ্রেস 

11:26:10 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুরারইতে রেল ও পথ অবরোধ

10:59:00 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে অবরোধ

10:45:00 AM

সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ট্রেন অবরোধ 
সকাল থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে চলছে ...বিশদ

10:35:00 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন: উত্তর ২৪ পরগনার নানা জায়গায় অবরোধ
গতকালের পর শনিবার সকাল থেকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে রাজ্যের ...বিশদ

10:21:00 AM