Bartaman Patrika
প্রচ্ছদ নিবন্ধ
 

মা দুর্গা-মা কালী, নো কম্পিটিশন 

এই সময়টা প্রতি বছরই জেগে ওঠে একে অপরের বিরোধী ক্যাম্প। কেউ বলে মা দুর্গা সেরা। কারও আবার সওয়াল মা কালীর পক্ষে। কিন্তু তিনি যে একই মায়ের দুই রূপ। মা দুর্গা এবং মা কালী, দু’জনেই ভক্তগণের হৃদয়ের সিংহাসনে বসে আছেন যুগ যুগ ধরে। লিখলেন শংকর

 তথ্যাভিজ্ঞ মহলে কার্তিকের বড়ই বদনাম। ড্যাডাং ড্যাডাং ড্যাংলা, কার্তিক বড় ক্যাংলা, একবার আসে মায়ের সঙ্গে, একবার আসে একলা। অথচ সিনিয়র দেবদেবীরা যে একই পথ ধরে চলেন, তা পঞ্জিকাপাঠকরা ভালোভাবেই জানেন। কার্তিক-জননী দুর্গার বিরুদ্ধেও এই অপপ্রচার চলে, তবে তাঁর জনসংযোগ সর্বোচ্চস্তরে, তিনি বছরে কয়েকবার ভক্তজনদের ভবনে আবির্ভূতা হন, তবে প্রতিবারই বিভিন্ন নামে। কখনও তিনি দুর্গতিনাশিনী দুর্গা, কখনও জগদ্ধাত্রী, কখনও বা কালী।
অনেক সরলমনা ভক্ত বিশ্বাস করেন না যিনি দুর্গা তিনিই কালী, তাঁদের ধারণা দু’জনের মধ্যে প্রবল প্রতিযোগিতা। পবিত্র এই ভারতভূমিতে কার মার্কেট শেয়ার অথবা ভক্ত সংখ্যা বেশি, তা নিয়ে কিছু কিছু গবেষণা প্রতি বছর এই সময় হয়। দুর্গাবিরোধী ক্যাম্প বলে থাকেন, মহিষাসুরমর্দিনী রূপে এই দেবীর চারদিনব্যাপী দাপট, কিন্তু তাঁর কাস্টমাররা এই সেদিন পর্যন্ত হাই-ইনকাম গ্রুপে সীমাবদ্ধ, তাঁর পুজো করা ট্যাঁকের জোর না থাকলে সম্ভব হতো না। দুর্গার মার্কেট শেয়ার যে দেবী কালিকা থেকে অনেক কম, তার স্ট্যাটিসটিকাল প্রমাণ—বাংলার কোনও জনপদেই স্থায়ী দুর্গাবাড়ি দেখতে পাবেন না, অথচ সকলের প্রিয় কালীবাড়ি সর্বত্র ছড়ানো। বাংলার বাইরে যেখানেই বাঙালির পদার্পণ ঘটেছে, সেখানেই গাঁটের কড়ি খরচ করে দে, দত্ত, দাঁয়েরা, বোস, ঘোষ, মিত্রদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একটা কালীবাড়ি প্রতিষ্ঠা করে মাকে স্মরণ করেছেন। গ্রামগঞ্জের যে কোনও পুরুতমশাইকে জিজ্ঞেস করুন, তাঁরা বলবেন দশপ্রহরণধারিণীর তুলনায় শ্যামামায়ের পুজোর সংখ্যা একশোগুণ বেশি। তবে ইদানীং পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে, সেকেলে বনেদি বাঙালি পরিবারের অবক্ষয়ের সঙ্গে তাল রেখে বারোয়ারি পুজোর ঢল নেমেছে, মা দুর্গার নামে চাঁদা তোলার রেওয়াজ উঠেছে এবং সেই সঙ্গে ঘাগু ব্যবসাদাররা সুবিশাল সংখ্যার খরিদ্দারদের মনোরঞ্জনের জন্য বিজ্ঞাপনখাতে দুর্গাপূজা মণ্ডপে প্রয়োজনীয় টাকা ঢালছেন। বিপণনের প্রতিযোগিতায় মা কালী বেশ পিছিয়ে পড়েছেন এবং কেউ কেউ চাইছেন একরাত্রির পুজোকে এক্সটেন্ড করে চার দিনে টানতে না পারলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
প্রচার বিশারদরা পঞ্জিকা প্রণেতাদের সঙ্গেও গোপন আলোচনা চালাচ্ছেন ব্র্যান্ডিং সম্বন্ধে। আগে যা ছিল দুর্গাপূজা তা প্রথমে হল দুর্গোৎসব, তারপর আনন্দময়ীর আগমন, তারপর স্রেফ শারদোৎসব, যাতে সব পয়সাওয়ালা পরিবার তাঁদের ধর্মবিশ্বাস যাই হোক, এই সিজনে শপিংমলে এবং ই-মেলে টু’পাইস খরচা করতে পারেন। গণমাধ্যমের পরিচালকরাও এঁকে স্বাগত জানাচ্ছেন এই জন্য যে, কেকের সাইজ যত বড় হবে ততই ভোগ্যপণ্যের মার্কেট বিস্তারিত হবে।
‘বি আর বি’ বলে একটি ইংরেজি শব্দ এখন ম্যানেজমেন্ট গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে চালু হয়েছে—বিজনেস রিভিউ বোর্ড—কোন উদ্যম কেমনভাবে চলছে মাঝে মাঝে তার হিসেব-নিকেশ করা, যাতে বৃহত্তর বিপদ আসার আগেই তার সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়। মা দুর্গার বড় পরিবার, তাঁর ছেলেমেয়ে এবং শুভানুধ্যায়ীরা সবসময় সঙ্গে রয়েছেন, এমনকী তাঁর পরমশত্রু মহিষাসুর নিধন হওয়ার পরেও তাঁর সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে। কিন্তু মা কালী বড়ই একাকিনী, মর্তের সব মানুষ তাঁর রূপগুণ ও মানসিকতা পছন্দ করেন না, তাঁর স্বামীও সারাক্ষণ তেমন অ্যাকটিভ নন, কোনওরকমে বিনা প্রতিবাদে শুয়ে আছেন, আর বুকের উপর এক রণরঙ্গিণী রমণীকে পা ফেলতে বাধা দিচ্ছেন না। কেউ কেউ ভাবছেন, ইনি স্বর্গের অরিজিন্যাল দেবী তো? না তাঁর কোনও অনার্য ইতিহাস রয়েছে?
অনেকে বিখ্যাত বই কালিকাপুরাণের উপর এতদিন সরল মনে নির্ভর করে এসেছেন। কিন্তু সম্প্রতি নজরে এল এক হিন্দুধর্ম বিশ্বকোষে বলা হচ্ছে—অতি অক্ষম হাতের রচনা। সাহিত্যিক মূল্য শূন্য। অপাঠ্য। তবে অনেক খবর রয়েছে। যেমন ‘‘রাজা কৃষ্ণচন্দ্র প্রজাদের বাধ্য করেছিলেন কালীপূজা করতে, ফলে প্রতি বৎসর ১০ হাজার কালীপূজা হতে পারে।’’ শাক্তেরা একে আদ্যাশক্তি মনে করেন। ‘‘চার হাত, ডান দিকে দু’হাতে খট্টাঙ্গ ও চন্দ্রহাস এবং বাঁ-দিকে দু’হাতে চর্ম ও পাশ। গলায় নরমুণ্ড, দেহে ব্যাঘ্রচর্ম, বড় বড় দাঁত; রক্তচক্ষু, বিস্তৃত মুখ, স্থূল কর্ণ; বাহন কবন্ধ।’’ আরও বর্ণনা—কালীর উগ্র ও শান্ত দুটি রূপ আছে। ভদ্রকালীর রূপ শান্ত ও সুন্দর। আবার কোনও কোনও পুরাণে তিনি উগ্ররূপা। তাঁর নানা রূপ—সিদ্ধকালী, ভদ্রকালী, গুহ্যকালী, শ্মশানকালী, রক্ষাকালী, মহাকালী। জ্যৈষ্ঠে তিনি ফলহারিণী এবং মাঘে রটন্তীকালী।
কালীর কালোরূপ নিয়ে নানা বইতে নানা আলোচনা, যা আজকালকার মধ্যবিত্তরা আর তেমন খোঁজ রাখেন না। কোনও কোনও পুরাণে তিনি ‘শ্যামল জলদাভা’, আবার তপস্যায় তপ্তকাঞ্চনাভা। পদ্মপুরাণে উল্লেখ করেছেন পণ্ডিতরা—গৌরীগর্ভে থাকাকালীন ব্রহ্মা রাত্রিদেবীকে পাঠিয়ে দিয়ে গৌরীদেবীকে কৃষ্ণবর্ণ করে দেন। গল্পটা একসময় ভক্তমহলে ঘুরত—শিব একদিন উপহাস করেন, সঙ্গে সঙ্গে বচসা; শিব আরও কিছু কটূক্তি করেন, উন্মাদিনী কালী তখন তপস্যাতে বেরিয়ে পড়েন। যথা সময়ে ব্রহ্মা এসে বর দেন—নায়িকা কালো খোলস ছেড়ে গৌরী হন।
কালীর ইতিহাস জানবার জন্য পণ্ডিত হওয়ার প্রয়োজন হতো না, লোকমুখে বহুল প্রচারিত ছিল তাঁর জীবনকথা। অনেকেই ইংরেজি না জেনেও বলত, চিদম্বরম মন্দিরে তিনি প্রধানা দেবী, মহীশূরে তিনি চামুণ্ডী, কাঞ্চীতে কামাক্ষী, মাদুরাতে মীনাক্ষী এবং কর্ণাটকে মূকাম্বিকা।
আরও একটি বই বহু কাহিনীর আকরগ্রন্থ। লেখক হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য, সেখানে একটি পরিচ্ছেদের নাম ‘দশমহাবিদ্যা’। এখানে বলা হচ্ছে—কালী বা শ্যামা ‘লোমাশ্চীত সমগ্রাঙ্গী পীনোন্নত পয়োধরা’, আরও সংযোজন—তিনি মুক্তকেশা বিবস্ত্রা। আদিকালের লেখকরা বর্ণনা করেছেন শুম্ভ-নিশুম্ভের সেনাপতি চণ্ড-মুণ্ডের সঙ্গে যুদ্ধকালে দেবীর কোপ-কলুষিত মুখ থেকে বিনির্গতা হলেন অতি ভয়ঙ্করী কালী। তিনি করালবদনা, লৌহময়, যষ্টিধারিণী, নরমালাভূষিতা—ব্যাঘ্রচর্ম পরিহিতা, শুষ্ক যাঁর দেহের মাংস, অতি ভয়ঙ্করী—বিশাল বিস্তৃত মুখমণ্ডিতা—লকলকে জিহ্বার দ্বারা ভীষণা, কোটরগত চক্ষুবিশিষ্টা কালী—গর্জনের দ্বারা সমস্ত দিক পূর্ণ করতে করতে আবির্ভূতা হলেন।
দেবীর বর্ণনার শেষ নেই। দেশে দেশে কালে কালে তাঁকে নিয়ে নানা উপাখ্যান জনমানসে স্থান পেয়েছে, যা পরবর্তী সময়ে পণ্ডিতরা সানন্দে লিপিবদ্ধ করে গিয়েছেন। হংসনারায়ণবাবু তাঁর বইতে উল্লেখ করেছেন সুকুমার সেনের, খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে তিনি নাকি ‘চর্চা’ বা ‘চর্চিতা’ নামে পরিচিতা ছিলেন। খ্রিস্টীয় সপ্তম শতাব্দীতে তিনি চামুণ্ডা নামে পূজিতা। বলা হচ্ছে বীরভূম, বর্ধমানের কোথাও কোথাও তিনি এখনও পূজিতা। এই দেবীর ধ্যানমন্ত্রে দেবী মেঘের মতো শ্যামবর্ণা, ত্রিনয়না, নগ্না, মুণ্ডমালা ভূষিতা, নতস্তনী, চণ্ডমুণ্ডর সংহার করে নৃত্য করছেন, পদতলে শিব ও মহাকাল।
বিশেষজ্ঞদের আরও ব্যাখ্যা রয়েছে চামুণ্ডা ও কালী প্রসঙ্গে। যদিও কোনও কোনও পুরাণে কালী শুষ্কমাংসা, কোটরপ্রবিষ্টা চক্ষু, তথাপি কালী প্রতিমায় প্রায় সর্বত্রই দেবী পীনোন্নত পয়োধরা, তিনি যৌবনমত্তা—যৌবনাভরণ্যোজ্জ্বলা। তিনি একই সঙ্গে সৃষ্টি ও ধ্বংস কার্যে নিরতা। অপরদিকে চামুণ্ডা প্রকৃতই ভয়ঙ্করী—মাংসবর্জিতাদেহা।
কালীপূজা পদ্ধতি সম্বন্ধে যাঁরা আরও ভালোভাবে জানতে চান, তাঁদের পক্ষে অতি প্রয়োজনীয় বইটির নাম ‘পুরোহিত দর্পণ’। এই গ্রন্থের নানা সংস্করণ এখনও বই পাড়ায় পাওয়া যায়, বিশেষ করে আকর্ষণীয় দেবীর ধ্যান, যার শুরু একসময় নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ পরিবারের অনেকেই জানতেন—‘ওঁ করালবদনাং ঘোরাং মুক্তকেশীং চতুর্ভুজাং।’ এই মহামেঘপ্রভা শ্যামা অবশ্যই দিগম্বরী। এই পীনোন্নত পয়োধরা অবশ্যই শ্মশানালয়বাসিনী, কিন্তু তিনি সুখপ্রসন্নবদনা ও সর্বকামার্থ সিদ্ধিদাত্রী। মূলমন্ত্র উচ্চারণ করে কীভাবে দক্ষিণাকালীকে ‘দেবি ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ’ বলে আবাহন করতে হয়, তা পুরোহিত দর্পণে বিস্তারিতভাবে লেখা আছে। সেইভাবে জানা যায় কীভাবে নিবেদন করতে হয় পাদ্য, অর্ঘ্য, আচমনীয়, মধুপর্ক, বস্ত্র, আভরণ, গন্ধ, পুষ্প, বিল্বপত্র, ধূপ, দীপ এবং নৈবেদ্য ইত্যাদি।
যাঁরা আরও জানতে আগ্রহী, তাঁদের অবশ্যপাঠ্য মহর্ষি মার্কণ্ডেয় কথিত কালিকাপুরাণম্‌। যাঁরা এই পুরাণকে তেমন গুরুত্ব দিতে চান না তাঁদের মনে রাখা প্রয়োজন, বঙ্গদেশে শ্রীদুর্গার যে ধ্যানমন্ত্র প্রচলিত আছে তা এই কালিকাপুরাণের অংশ।
মুণ্ডুমালিনী বিবসনা কালীর শাস্ত্রীয় বিবরণের খোঁজ করতে গিয়ে বঙ্গভূমিতে এই দেবীর বিপুল সংখ্যক ভক্তের উত্থান-পতনের প্রসঙ্গ থেকে কিছুটা দূরে সরে এসেছি। ভক্তজনের বাইরে এই করালবদনী দেবীর স্বীকৃতি আজও বোধহয় তেমন মেলেনি। যেসব বিদেশি ভারত সংস্কৃতিকে মনেপ্রাণে ভালোবেসেছেন, তাঁদের অনেকেই কালীর রহস্যে প্রবেশ করতে সফল হননি, তাঁর বিতর্কিত ভূমিকা সম্বন্ধে তাঁরা অনেকেই মুখ খোলেননি। একমাত্র ব্যতিক্রম বোধহয় বিবেকানন্দ তনয়া সিস্টার নিবেদিতা, তিনি এই বিতর্কিত দেবীর ইতিহাসে প্রবেশ করবার আন্তরিক প্রচেষ্টা করেছেন। এ বিষয়ে তাঁর একটা বই ইংরিজিতে প্রকাশিত হয়েছে। বিদেশ থেকে এদেশে এসে তিনি দুটি স্মরণীয় বক্তৃতা দিয়েছিলেন, একটি কলেজ স্ট্রিটের অ্যালবার্ট হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৯, দ্বিতীয়টি কয়েকমাস পরে ২৮ মে ১৮৯৯ কালীঘাটের কালীমন্দিরে।
শতাব্দীর বেশি সময় ধরে শত্রু-মিত্র দুই মহলের অনুরাগীরা এই দুটি স্মরণীয় বক্তৃতার গভীরে প্রবেশের বিরামহীন চেষ্টা চালিয়েছেন, তবু বলা যায় কালীর তাৎপর্য ব্যাখ্যায় এই দুটি বক্তৃতা আজও তুলনাহীন, মা কালীকে বোঝার জন্য এর থেকে গভীর প্রচেষ্টা আজও বোধহয় পশ্চিম দেশে হয়নি।
কালীঘাট মন্দিরে নিবেদিতা-ভাষণের স্মরণীয় অংশ হল শ্রোতাদের প্রশ্নমালা। বহুযুগ ধরে যেসব প্রশ্ন মানুষের মনে জমে ছিল তার সোজাসুজি উত্তর দিতে ইংরেজ তনয়া নিবেদিতা দ্বিধা করেননি। এক এক সময় মনে হয়, কালীরহস্য সম্বন্ধে এর থেকে বিস্ময়কর প্রচেষ্টা আজও হয়নি। কৌতূহলী পাঠক-পাঠিকারা নিবেদিতা রচনার এই অংশগুলি আজও পড়ে দেখতে পারেন।
ভয়াল ভয়ঙ্করী কালীর রূপ নানা ভুল বোঝাবুঝি সত্ত্বেও কেন বাঙালি মানসে প্রবেশ করে বহুজনের হৃদয় সিংহাসনে স্থান পেয়েছিল তার হিসেব-নিকেশ মাঝে মাঝে হয়েছে। স্বয়ং নিবেদিতা এই প্রসঙ্গে রামপ্রসাদ, রামকৃষ্ণ ও দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণীর উল্লেখ করেছেন। সাম্প্রতিক কালের বিশ্লেষণেও কিছু নতুন খবর পাওয়া যাচ্ছে—শ্রীরামকৃষ্ণের প্রিয় সঙ্গীতের সংগ্রহে দেখা যাচ্ছে শ্যামা মায়ের ছড়াছড়ি—‘কালী মা কি এক কল করেছে।’ শ্রীরামকৃষ্ণের প্রিয় একটি গান—‘ত্রিসন্ধ্যা যে বলে কালী, পূজা সন্ধ্যা সে কি চায়, সন্ধ্যা তার সন্ধানে ফেরে, কভু সন্ধি নাহি পায়। গয়া গঙ্গা প্রভাসাদি কাশী কাঞ্চী কেবা চায়।
কালী কালী বলে আমার অজানা যদি ফুরায়।
মা দুর্গা ও মা কালী দু’জনেই এ দেশের ভক্তজনের হৃদয় সিংহাসনে বসে আছেন বহুশত বছর ধরে। এঁদের মধ্যে ভোট নেই, কে কত ভক্তজনের সমর্থন পেলেন তা জানবার অহেতুক কৌতূহলও নেই। একালের এক ইংরিজি মিডিয়াম ছাত্র সরল মনে যা বলল তাই সত্যি—‘মা দুর্গা ইজ মা দুর্গা, মা কালী ইজ মা কালী! এঁদের মধ্যে নো কম্পিটিশন!’

 ছবি ও গ্রাফিক্স: সোমনাথ পাল
 সহযোগিতায়: স্বাগত মুখোপাধ্যায়
04th  November, 2018
আজাদ হিন্দ

স্বাধীনতার আগে শপথ নিয়েছিল সেই সরকার। আজাদ হিন্দ... শপথ নিয়েছিলেন নেতাজি। স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। ভারতে না থেকেও। মুক্ত করতে চেয়েছিলেন দেশকে বিদেশি শাসনের কবল থেকে। পূর্ণ হল সেই আজাদ হিন্দ সরকারের ৭৫ বছর।
বিশদ

28th  October, 2018
কোজাগরী
রজত চক্রবর্তী

রজত চক্রবর্তী: বড়দা উঠোনের এক কোণে বসে নারকোল ছাড়াচ্ছে। তালের আঁটিগুলো বাগানের কোণে কালো কালো পড়েছিল। সেগুলো তুলে এনেছি আমি আর ভাই। আঁটিগুলোর লম্বা মোটা শেকড়। দু’জনের হেঁইও হেঁইও টান। হাতময় শনের নুড়ির কালো কালো শ্যাওলা চুল, সোঁদা গন্ধ। শক্ত সেই আঁটি দায়ের ঘায়ে দু’ভাগ হয়ে গেল।
বিশদ

21st  October, 2018
প্রসেনজিৎও ঋতুপর্ণার
শৈশবের পুজো

এনটি-ওয়ান স্টুডিওর মেকআপ রুমে হাইপাওয়ার বাল্বের আলো ঠিকরে আসছে আর বড় আয়নার উল্টোদিকে খাকি উর্দি পরে বসে রয়েছেন টলিপাড়ার ব্যস্ততম নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। চলছে তাঁর নতুন ছবি ‘বিদ্রোহিনী’র শ্যুটিং। মেক আপ পর্ব চলাকালীন ছেলেবেলার দুর্গাপুজো শুনেই থমকে গেলেন। চোখ বলছে, এ যুগের চারুলতাকে নস্টালজিয়া চেপে ধরেছে। তিনি পিছিয়ে যাচ্ছেন বেশ কয়েক দশক। বিশদ

14th  October, 2018
ইসরো কথা 

রাহুল দত্ত: ১৯৫৮ সালে নাসা প্রতিষ্ঠার ১৪ বছর। ১৯৬৩। চাঁদে লোক পাঠিয়ে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল আমেরিকা। সেই সঙ্গে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল রাশিয়ার মহাকাশে পদার্পণের একচ্ছত্র আধিপত্য। যখন আন্তর্জাতিক স্তরে এ নিয়ে তুমুল হইচই চলছে, ঠিক তার এক বছর আগে কিন্তু দক্ষিণ ভারতের তিরুবনন্তপুরমের অদূরে থুম্বাতে শুরু হয়ে গিয়েছে মহাকাশচর্চা।  বিশদ

07th  October, 2018
নাসার অন্দরে 

চাঁদের মাটিতে প্রথম পা দেওয়া নিল আর্মস্ট্রং... রূপকথা এক লহমায় এসে গিয়েছিল মানুষের হাতের মুঠোয়। নাসা। মহাকাশ গবেষণায় বিশ্বকে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়া মার্কিন সংস্থা। ১ অক্টোবর ছিল তারই ৬০ বছর পূর্তি। 
বিশদ

07th  October, 2018
বঙ্গে মহাত্মা
সমৃদ্ধ দত্ত

 যে বঙ্গ তাঁকে একদিন ফিরিয়ে দিয়েছিল, পরে সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল তঁার সাফল্যযাত্রা। তাঁর প্রকৃত ভারতদর্শন শুরু এই বাংলা থেকেই। মহাত্মা গান্ধীর জন্ম সার্ধশতবর্ষের প্রাক্কালে সেই সংযোগেরই স্মৃতিচারণ...। বিশদ

30th  September, 2018
হরেক হ্যাকিং
দেবজ্যোতি রায়

ঘটনা এক: দুপুরে টেবিলে খেতে বসে মোবাইল ফোন বেজে উঠল সুভাষবাবুর। অচেনা নম্বর দেখে হ্যালো বলতেই অপর প্রান্ত থেকে জবাব এল, ‘আমি ব্যাঙ্ক থেকে বলছি। সম্প্রতি আপনি মোটা অঙ্কের টাকা তুলেছেন?’ ফোন ধরে স্ত্রীকে সুভাষবাবু জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ছেলের স্কুলের ফি’র জন্য ৪০ হাজার তুলেছেন।
বিশদ

23rd  September, 2018
হেঁচকি 
শ্যামল চক্রবর্তী

চোর যে সাধু হতে পারে সেই প্রথম জানলাম! একটা বিড়ি... বিড়ি না, বিড়ির ধোঁয়া। বিস্ফারিত চোখে দুম করে বিড়ি ধরিয়ে টানতে গিয়ে আচমকা অনেকটা ধোঁয়া গিলে ফেলেছে সাধুচরণ।
বিশদ

16th  September, 2018
দত্তক প্রাণী
অরূপ দে

ব্যাঘ্রপতি শিবাকে বাঁপাশে ফেলে কিছুদূর এগিয়ে একটু মোড় ঘুরলেই জিরাফের বিরাট খাঁচাটা। সংখ্যা এখন নেহাত কম নয়! সদস্য বাড়তে বাড়তে দশে গিয়ে ঠেকেছে। জিরাফদের চারণ উপভোগ করতে করতেই নজরে এল বোর্ডটা—The Female Giraffe (Lakhmi) has been adopted by SBI... বেশ লেগেছিল।
বিশদ

09th  September, 2018
শিক্ষাগুরু
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মাঠের গা ঘেঁষে পাঁচিল। আর পাঁচিল টপকালেই রাস্তা। ছোট্ট জমায়েতটা মাঠের উপর। জমায়েত বললে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যায়! জনা পাঁচেক। একজন আগে এক লাফে পাঁচিল টপকে রাস্তায় নেমে গেল। এবার অর্ডার এল... ‘ব্যাগগুলো দে’। একটা ব্যাগ উড়ে চলে এল রাস্তায়। সেও আজহারউদ্দিনের মতো ক্যাচ লুফে নিল।
বিশদ

02nd  September, 2018
ছাতা গাথা 
কল্যাণ বসু

‘পুতিনামব্রেলা’। এটিই কি বছরের অন্যতম সেরা শব্দ? এই শব্দটির জন্মস্থান মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়াম। জন্মকাল ১৫ জুলাই, ২০১৮। জন্মদাতা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বিশদ

26th  August, 2018
রাষ্ট্রনেতা 
সমৃদ্ধ দত্ত

সারল্য। রসবোধ। বাগ্মীতা। বিপক্ষকেও সম্মান করার ক্ষমতা। স্বাধীনতার আগে থেকে দেশের প্রতি, মানুষের প্রতি নিবেদিত প্রাণ। প্রকৃত অর্থে রাষ্ট্রনেতা। শ্রদ্ধার্ঘ্য অটলবিহারী বাজপেয়িকে।
বিশদ

19th  August, 2018
দেশছুট
সমৃদ্ধ দত্ত

প্রথমে ভাবা হয়েছিল, হরিয়ানার কুরুক্ষেত্রের এই রিফিউজি ক্যাম্পে ১ লক্ষ লোক থাকবে। সেইমতো একটা এস্টিমেট হল। কিন্তু দেখা গেল, প্রকৃতপক্ষে উদ্বাস্তু ঢুকছে অনেক বেশি। বিস্ময়কর দক্ষতায় অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলছে আর্মি। একদিনের মধ্যে শয়ে শয়ে টেন্ট খাটিয়ে ফেলছেন তাঁরা।
বিশদ

12th  August, 2018
মিউজিয়মের অলিন্দে
রজত চক্রবর্তী

 ১৮৫৭ সাল। ময়দানের গাছে গাছে আকাশধোয়া মরা-রোদের আলস্য। বিকেল একটু পরেই গড়িয়ে পড়বে রাঙা গোধূলির কোলে। রাইটাররা ঘোড়ার গাড়িতে বেরিয়ে পড়বে ঘরমুখো রাইটার্স বিল্ডিং থেকে। লালদিঘির পাশে তাঁদের জুড়িগাড়ির সার। ঘোড়ারা নাল দিয়ে তাল ঠুকছে।
বিশদ

05th  August, 2018
একনজরে
 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: একদিকে অতিরিক্ত রিচার্জ ভ্যালুর বাড়তি সুবিধা প্রদান, অন্যদিকে এই ব্যবস্থায় জোনের একেবারে প্রান্তিক জায়গাগুলিকেও যুক্ত করায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলে অসংরক্ষিত টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে মোবাইল টিকেটিং ব্যবস্থার জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই আলোর উৎসব ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনকে প্রতিফলিত করতে এক বিশেষ সুযোগ এনে দেবে। ...

বিএনএ, জলপাইগুড়ি: লোকসভা ভোটের মুখে জলপাইগুড়িতে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল তীব্র হয়ে উঠেছে। দলের জেলা সভাপতিকে সরানোর দাবিতে দলের একাংশের ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যেই এসটি-এসসি সেলের জেলা সভাপতি বদল নিয়ে দলে জোর চর্চা ছড়িয়েছে। ...

 নিজস্ব প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ৬টি ম্যাচ পরে তিনি গোল পেলেন। এই পর্বে মোট ২০টি শট বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে নিয়েও তিনি ছিলেন অভুক্ত। দীর্ঘ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 
এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM