Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

রংমহল ছাড়েননি 

মঞ্চে যাঁর আবির্ভাব মুহূর্তে দর্শকদের অনাবিল হাস্যরসে ভাসিয়ে নিয়ে যায়, সেই বিরল ক্ষমতার অধিকারী শিল্পী জহর রায়। জন্ম শতবর্ষে সেই মহান শিল্পীকে স্মরণ করেছেন
ড. শঙ্কর ঘোষ।

সামনেই দুর্গাপুজো। ফি বছর মা আসেন পতিগৃহ থেকে পিতৃগৃহে। তেমনই একবার দুর্গা মর্তে আসার প্রাক্কালে পতিদেব মহাদেবের কাছে আর্জি জানালেন যে তিনি মর্তবাসীর দুঃখ-দুর্দশা সইতে পারছেন না। মহাদেব এমন কিছু করুন যাতে মর্তের লোকেদের দুর্গতি দূর হয়। দুর্গার মন রাখতে মহাদেব মর্তবাসীর জন্য একটি গোলক প্রেরণ করলেন, যেটি সোনা দিয়ে গড়া। তবে এতে মুশকিলও আছে। যে এই গোলকটি পাবে, সে যখন অন্য কাউকে সেই গোলকটি দেবে, তৎক্ষণাৎ এই দু’জনের চিত্ত পরিবর্তিত হবে। দুর্গা শুনে বললেন এ তো ভয়ঙ্কর ব্যাপার। মহাদেব আশ্বস্ত করে বললেন এই চিত্ত পরিবর্তন সাময়িক। ঘটনাচক্রে জমিদার নীলরতনবাবুর জামাই তস্য চাকরকে নিয়ে পুজোর ছুটিতে জমিদারবাড়িতে আসার পথে, সেই গোলকটি ভৃত্যের নজরে আসে। গোলকটি তুলে জমিদার জামাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া মাত্র ওই দুটি মানুষের চিত্ত পরিবর্তিত হয়। ভৃত্যটি তখন নিজেকে ভাবে জামাই আর জামাই ভাবে সে যেন ভৃত্য। এই অবস্থায় এরা জমিদার বাড়িতে এলে সকলেই ধন্ধে পড়ে যায়। কে জামাই কে ভৃত্য। ইতিমধ্যে কোন ফাঁকে সেই গোলকটি জমিদারবাবুর বাড়ির মেঝেতে গড়িয়ে পড়ে। সেটি নজরে আসে জমিদার বাড়ির ঝি তরলার। তরলা তা তুলে দেয় জমিদার নীলরতন বাবুর হাতে। ব্যস। জমিদার তখন নিজেকে ভেবে নেন তিনি এ বাড়ির ঝি। আর ঝি তরলা মনে করতে থাকে সে হল জমিদার। জমিদার ও ঝিয়ের চিত্ত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নাটকটির ইন্টারভ্যাল। যে নাটকের কথা বলছিলাম, তার নাম ‘সুবর্ণ গোলক’। কাহিনীকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। নাট্যরূপ দেন সন্তোষ সেন। রঙমহল থিয়েটারে (৬৫/১ বিধান সরণী) এই নাটকের যাত্রা শুরু ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। দমফাটা হাসির নাটকের মূল স্থপতি জহর রায়। তিনি এ নাটকে জমিদার নীলরতনবাবু। ইন্টারভ্যালের দৃশ্যটিতে তিনি যেভাবে ধুতির কোঁচা খুলে ঘোমটা
দিয়ে বাড়ির পরিচারিকা হয়ে যান, সে অভিনয় যিনি একবার দেখেছেন তাঁর পক্ষে বিস্মৃত হওয়া দুঃসাধ্য। ইন্টারভ্যালের পর সমস্ত স্টেজ জুড়ে জহর রায় যে ধুন্ধুমার কাণ্ড করলেন, দর্শকদের পক্ষে সিটে বসে থাকাই দুরূহ হয়ে ওঠে। পুরো প্রেক্ষাগৃহ জুড়ে, শুধু হাসির বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এই কাহিনী নিয়েই মানু সেনের পরিচালনায় ‘সুবর্ণ গোলক’ সিনেমা তৈরি হয়েছিল। সেখানে নীলরতনবাবু হয়েছিলেন সবার প্রিয় উৎপল দত্ত। কিন্তু সবিনয়ে জানাই যাঁরা জহর রায়ের নীলরতন দেখেছেন তাঁরা এ তুলনার মধ্যে যাবেনই না। রঙমহলের টিকিট কাউন্টারের মাথায় পোস্টার লাগিয়ে ঘোষণা করা হয়েছিল, এ নাটক দেখতে বসে যিনি না হেসে থাকতে পারবেন, তাঁকে পুরস্কৃত করা হবে। বলাবাহুল্য সে পুরস্কার কারও ভাগ্যেই জোটেনি।
জহর রায়ের নাটকের প্রতি ভালোবাসা একেবাবে ছোটবেলা থেকে। প্রবাসী পিতার চাকরির সূত্রে পুত্র জহর যখন পাটনায় রয়েছেন, সেই সময়ে পাটনার প্রবীণ হাস্যকৌতুক শিল্পী অজিত চট্টোপাধ্যায় আমন্ত্রিত শিল্পী হিসাবে গেলে, তাঁর সঙ্গে জহর রায় পরিচিত হন। অজিতবাবুই তখন জহর রায়কে কলকাতায় নিয়ে আসেন এবং রঙমহল থিয়েটারে যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেন। সালটি ছিল ১৯৫৪। সেই থেকে ১৯৭৭ সালের ১ আগস্ট জহর রায় মারা যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এই রঙমহল থিয়েটারের সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। মঞ্চ বদল করেননি। শেষ অভিনীত নাটক ‘অপরিচিত’। তিনি নাটকটির পরিচালক এবং ভুজঙ্গ রায় চরিত্রের অভিনেতাও বটে। রঙমহলের ওপর বয়ে যাওয়া ঝড় ঝাপটা তিনি সামলেছেন বারে বারে। রঙমহলে তাঁর প্রথম মঞ্চাভিনয় ‘দূরভাষিণী’ নাটকে নকুলের চরিত্রে। তিনি যখন যোগ দিলেন তখন সবেমাত্র রঙমহলের মালিকানা পরিবর্তিত হয়েছে। ‘প্রাচী’ সিনেমার মালিক জীতেন বোস এবং ‘জ্যোতি’ সিনেমার মালিক ভিটল ভাই মানসাটা রঙমহলের দায়িত্ব নিলেন। পরপর কয়েকটি নাটকে জহর রায় অভিনয় করলেন এই মঞ্চে। যার মধ্যে রয়েছে শেষ লগ্ন (গোবিন্দ), কবি (বিপ্রপদ), মায়ামৃগ (শ্যামাপদ), এক মুঠো আকাশ (রঘু), সাহেব বিবি গোলাম (বিধু সরকার) প্রভৃতি।
১৯৬২ সালে রঙমহলে আবার সংকট ঘনিয়ে আসে। থিয়েটার হলের দুই মালিক জীতেন বোস আর ভিটল ভাই মানসাটা ঠিক করলেন রঙমহল থিয়েটার বন্ধ করে সেখানে সিনেমা হল চালু করবেন। একথা জানতে পেরে রঙমহলের শিল্পী ও কর্মীবৃন্দ ধর্মঘট শুরু করেন এবং মালিকপক্ষের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদে মুখর হন। থিয়েটারের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন অজিত চট্টোপাধ্যায়, জহর রায় এবং সরযূবালা দেবী। শেষ পর্যন্ত ড. প্রতাপচন্দ্র চন্দ্রের মধ্যস্থতায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। ডাঃ রায়ের উদ্যোগেই রঙমহল থিয়েটারটিকে শিল্পী কলাকুশলী ও কর্মীদের হাতেই পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সমবায় ভিত্তিতে এরপর রঙমহল থিয়েটার পরিচালিত হতে থাকে। জহর রায় সমবায় ভিত্তিক (Co-operative) থিয়েটারের তরফে পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, সঙ্গে অভিনেত্রী সরযূবালা দেবী। বাংলা থিয়েটারের ইতিহাসে এ এক অত্যন্ত স্মরণীয় ঘটনা। ড. দর্শন চৌধুরী জানাচ্ছেন, ‘মালিকানা ভিত্তিক সাধারণ রঙ্গালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম একটি রঙ্গালয় সমবায় প্রথায় পরিচালিত হতে থাকে, শিল্পী-কলাকুশলী-কর্মীরা যার সদস্য।’
সমবায় প্রথায় প্রথম যে নাটকটি অভিনীত হল তাঁর নাম ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’। জহর রায় অভিনয় করলেন মতি চাকরের। সমবায় প্রথায় পরিচালিত রঙমহল থিয়েটারে পরপর সফলভাবে নাটক অভিনীত হতে থাকল। প্রায় প্রতিটি নাটক দর্শক আনুকূল্য লাভে ধন্য হল। জহর রায় গুরুত্ব দিলেন হাস্যরস প্রধান নাটকে। যার মূল কাণ্ডারী তিনি নিজেই। সব রেকর্ড ভাঙল ‘আমি মন্ত্রী হব’ নাটকটি। এর যাত্রা শুরু ১৯৬৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। নাট্যকার সুনীল চক্রবর্তী। পরিচালক জহর রায়। তখন সারা ভারত জুড়েই চলেছে আয়ারাম গয়ারামদের রাজ, যাঁরা মন্ত্রী হওয়ার লোভে দল বদল করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেন না। তেমনই এক চরিত্র যদু দত্ত, যিনি ভোটে দাঁড়াতে চলেছেন স্রেফ মন্ত্রী হবেন বলে এবং দু’হাতে টাকা লুটবেন বলে। সেই চরিত্রের শিল্পী
জহর রায়। সহজেই অনুমেয় যে মঞ্চ জুড়ে যদু দত্ত কী কী কাণ্ডই না ঘটাবেন। তার দু-একটি নমুনা তুলে ধরি। বক্তৃতা তৈরি করতে বসে বলেন, ‘আমি কোনও রাম-শ্যাম-যদু-মধু নই যে আজ এ দলে, কাল ও দলে নাম লেখাব।’ তারপর নিজেই ঢোক গিলে বললেন ‘আ! আমার নামের মধ্যেই তো যদু ঢুকে বসে আছে।’ যদু দত্তের পোলিং এজেন্ট পতিতপাবন হয়েছেন হরিধন মুখোপাধ্যায়। তিনি এসে যদুকে বললেন, ‘স্যার ওই নতুন বাড়ির টয়লেট আপনাকে উদ্বোধন করতে যেতে হবে।’ শুনেই যদু বলেন, ‘আমি যাব টয়লেট উদ্বোধন করতে বল কি পতিতপাবন?’
পতিতপাবন আশ্বস্ত করে বললেন, ‘ওই বাড়িতে চল্লিশজন ভোটার আছে।’ এবারে সম্মতি মিলল যদু দত্তের ‘অতগুলি ভোটার, তবে তো আমি যাবই টয়লেট উদ্বোধন করতে।’ যাওয়ার প্রস্তুতির সময় ড্রাইভারকে ডেকে ডেকে হন্যে হয়ে যাওয়ার পর ড্রাইভার আসামাত্র খেঁকিয়ে বলে ওঠেন, ‘তোকে জুতো মেরে মেরে লম্বা করে দেব’। ড্রাইভারের দিকে তাকিয়ে দেখেন ড্রাইভার এমনিতেই ছ-ফুটের ওপর লম্বা। অগত্যা নিজের কথা নিজেই ফিরিয়ে নেন, ‘তেকে আর জুতিয়ে কাজ নেই’। বক্তৃতা মঞ্চে নির্দ্বিধায় যদু দত্ত বলতে পারেন, ‘রবীন্দ্রনাথ সাধে কি আমাদের বলেছিলেন হে ভারত তুলিও না দরিদ্র ভারতবাসী আমার ভাই, মূর্খ ভারতবাসী আমার ভাই’, দশর্কদের মধ্যে থেকে গুঞ্জন উঠলে, পতিতপাবন যদু দত্তকে সাংশোধন করাতে উঠলে যদু দত্ত বলেন, ‘আমার কাছে রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দ সবাই এক।’ এমন ভোট প্রার্থীর কী দশা হবে তা দর্শকেরা উপভোগ করেছেন চূড়ান্তভাবে। নাটকের মধ্যে সংলাপ বদল হামেশাই তিনি করতেন। শুনলেন কোনও নেতা হয়তো এ নাটক দেখতে এসেছেন; তখন যদু দত্তের বক্তৃতার মধ্যে এই সংলাপ ঢুকিয়ে দিতেন; ‘একটু বৃষ্টিতে প্রচণ্ড জল দাঁড়িয়ে গেলে আপনারা ভাববেন না, আমি রাস্তায় রাস্তায় নৌকোর ব্যবস্থা করে দেব’। দর্শকদের সঙ্গে নেতাও যে এটি উপভোগ করেছেন তাতে সন্দেহ নেই।
এল নতুন নাটক ‘বাবা বদল’। মনোজ মিত্রের ‘কেনারাম বেচারাম’ নাটকের ছায়া অবলম্বনে। বাড়ির কর্তা বেচারাম (হরিধন মুখোপাধ্যায়) নিখোঁজ। খোঁজ খোঁজ রব পড়ে গেল। দু’নম্বরি বাবাকে (মৃত্যুঞ্জয় মুখোপাধ্যায়) হাজির করলেন দালাল নগেন পাঁজা (জহর রায়)। সেই শুরু হল হুলস্থুল কাণ্ড। এক একটা ঘটনায় দর্শকদের হাসি আর থামতে চায় না। বাড়ির নাতনি দাদুকে অর্থাৎ ওই দু’নম্বরি বাবাকে জিজ্ঞাসা করলে, ‘বলো দাদু সামনের ওই গাছটা কী গাছ?’ দু’নম্বরি মানুষটি কীভাবে এর সদুত্তর দেবে! মুশকিল আসান নগেন পাঁজা হাজির। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে জানলার ধারে যেতেই দু’নম্বরি মানুষটি উত্তর দেওয়ার রসদ খুঁজে পেলেন, ‘ওই গাছটা, ওই গাছটা, ওটা হল ল্যাংড়া আমের গাছ।’ এরকম অজস্র ঘটনায় ভরপুর ‘বাবা বদল’ নাটক। সম্পত্তি হাতানোর নানান ফিকিরে নগেন পাঁজারূপী জহর রায় মাত করে দিলেন।
অন্যান্য শিল্পীদের প্রতি জহর রায়ের দরদ ভোলবার নয়। তিনি নিজে ‘শিল্পী সংসদ’-এর সভ্য, অনুপকুমার ‘অভিনেত্রী সঙ্ঘের’ সভ্য। তবু অনুপকুমারের নাটক ‘সম্রাজ্ঞী নুরজাহান’ যখন অভিনয় চলাকালীন ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হলে আগুন লাগায় বন্ধ হয়ে যায়, তখন জহর রায় অনুপকুমারদের নিজে নিয়ে এলেন রঙমহলে ওই নাটক মঞ্চস্থ করার জন্য। রঙমহলে ‘সম্রাজ্ঞী নুরজাহান’ নাটকের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালের ১৪ এপ্রিল। এর আগে পরে জহর রায় যেসব নাটকগুলিতে অভিনয় করলেন রঙমহলে, সে তালিকায় আছে কথা কও, স্বীকৃতি, নাম বিভ্রাট, টাকার রং কালো, প্রতিমা, অতএব, নন্দা, আলিবাবা, অনন্যা, সেমসাইড প্রভৃতি। রঙমহলে তাঁর শেষ অভিনীত নাটক ‘অপরিচিত’। কাহিনীকার সমরেশ বসু। জহর রায়ই পরিচালক। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে রঙমহলের শিল্পী-কলাকুশলী-কর্মীদের সমবায় প্রথার অস্তিত্বও শেষ হয়ে যায়।
জহর রায় যে সাংগঠনিক দায়িত্ব নিয়ে অজিত চট্টোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় রঙমহল চালাচ্ছিলেন, শেষের দিকে তা বিভিন্ন কারণে বিঘ্নিত হতে থাকে। হতোদ্যম জহর রায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন, দায়িত্ব পালনেও আর মন দিতে পারছিলেন না, নানানরকম রোগে ভুগছিলেন। অবশেষে জীবন মঞ্চ থেকে বিদায়। কৌতুক রসাত্মক প্রচুর নাটকের অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা থিয়েটারের হাস্যরসের মরাগাঙে জোয়ার এনে দিয়েছিলেন জহর রায়। সেই অমর শিল্পীর জন্মের শতবর্ষে (জন্ম: ১০/৯/১৯১৯) তাঁকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম।
তথ্যঋণ: ‘বাংলা থিয়েটারের ইতিহাস’ ড. দর্শন চৌধুরী  
12th  October, 2019
গিরিশ মঞ্চে সাজাহান 

গোপীমোহন সব পেয়েছিল আসর সম্প্রতি গিরিশ মঞ্চে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা সাজাহান নাটকটি মঞ্চস্থ করল। উপলক্ষ ছিল তাদের ৬৬তম বর্ষ উদযাপন। সাজাহানের চরিত্রে অভিনয় করেন সুব্রত ভট্টাচার্য।  বিশদ

14th  March, 2020
রামধনু নাট্যোৎসব 

বরানগর রামধনু নাট্যোৎসব এবার তৃতীয় বর্ষে পা রাখল। আগামী শুক্রবার ২০ মার্চ বরানগর রবীন্দ্রভবনে দুপুর ১২টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বর্ষীয়ান নাট্যব্যক্তিত্ব গৌতম মুখোপাধ্যায়। নাট্যোৎসবটি চলবে ২২ মার্চ পর্যন্ত। মোট ১৬টি নাট্যদল এবার এই উৎসবে অংশ নিচ্ছে, তারমধ্যে বেশিরভাগই মফস্সলের। 
বিশদ

14th  March, 2020
পুশকিনের জীবন নিয়ে নাটক 

আগামী ২১ মার্চ বিশ্ব কবিতা দিবস। দু’শো বছর আগে ওইদিনই জন্ম হয়েছিল বিশ্ববন্দিত রাশিয়ান কবি আলেকজান্দার পুশকিনের। আর তাঁর জীবনদীপ নেভে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে। জারের রাজকর্মচারী দান্তেসের সঙ্গে ডুয়েল লড়তে গিয়ে নিহত হন পুশকিন। অনেকে বলেন মৃত্যু, অনেকে বলেন হত্যা।  
বিশদ

14th  March, 2020
আনন্দজীবন নাট্যোৎসব

দিনাজপুর কৃষ্টি আয়োজিত সাতদিনের আনন্দজীবন নাট্যোৎসব হয়ে গেল কুশমন্ডিতে। ২০ থেকে ২৬ জানুয়ারি এই উৎসবে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিদিনই দিনাজপুরের পাশাপাশি অন্যান্য জেলা থেকে আগত দলগুলির একটি করে নাটক মঞ্চস্থ হয়। উৎসবের প্রথমদিনে স্থানীয় বিধায়ক নর্মদা রায় প্রদীপ জ্বালিয়ে শুভ সূচনা করেন।  
বিশদ

14th  March, 2020
এ নাটক এক সমকালীন দলিল যা দর্শককে ভাবায় 

সময়টা বড়ই ভয়ঙ্কর। ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতির কারবারিরা যে যার মত করে ঘুঁটি সাজাতে তৎপর। ধর্ম নামক বস্তুটিকে সামনে রেখে চলছে গরিব-বড়লোকের শ্রেণীবিন্যাস আর চিরকালীন সংঘাত। ঠিক এই সময়ে দাঁড়িয়ে ‘কালিন্দী নাট্যসৃজন’-এর নতুন প্রযোজনা ‘মন সারানি’ চমকে দেয়।
বিশদ

14th  March, 2020
কমলকুমারের গল্পের দুঃসাহসিক মঞ্চায়ন 

কমলকুমার মজুমদারকে ‘দুঃসাহসী লেখক’ বলে অভিহীত করেছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বাক্যগঠন, শব্দ, ক্রিয়াপদ, কমা, পূর্ণচ্ছেদের ব্যবহার সবই ছিল চলতি রীতির থেকে আলাদা। এমনকী আলাদা ছিল তাঁর ভাষাও। সাধুভাষার ব্যবহার, অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার তাঁর লেখাকে করে তুলেছিল অন্য সবার থেকে আলাদা, ফলে হয়তো দুরূহও।  
বিশদ

14th  March, 2020
নান্দীকারের নাট্যোৎসব একটি প্রতিবেদন 

অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস মঞ্চে নান্দীকারের ছত্রিশতম নাট্যমেলা অনুষ্ঠিত হল গত ডিসেম্বর মাসের ষোলো থেকে পঁচিশ তারিখ পর্যন্ত। নান্দীকারের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখেই সমাপ্ত হল তাদের এই নাট্যোৎসব। 
বিশদ

07th  March, 2020
প্রসেনিয়ামের থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল 

প্রসেনিয়াম’স আর্ট সেন্টার ও বিভাবন যৌথ উদ্যোগে গত ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর এক থিয়েটার উৎসবের আয়োজন করে। তাদের নিজস্ব সেন্টারে আয়োজিত এই উৎসবে ১১টি নাট্যদলের থিয়েটার মঞ্চস্থ হয়। 
বিশদ

07th  March, 2020
দ্বাদশ থিয়েলাইট নাট্যোৎসব 

থিয়েলাইট নাট্যদলের নাট্যোৎসব এবছর বারোয় পা দেবে। বিগত বছরগুলিতে এই উৎসব ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন জেলায় করা হতো। এবছর সেই ধারায় ব্যতিক্রম ঘটতে চলেছে। এবছর উৎসব হবে কলকাতাতেই।  
বিশদ

07th  March, 2020
সাথী হারা ভালোবাসা ফিরিয়ে দেয় যাত্রার স্বাদ 

২৪তম যাত্রা উৎসব হয়ে গেল ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চে। এই উৎসবের উল্লেখযোগ্য যাত্রাপালা ছিল বিশ্বভারতী অপেরার প্রযোজনায় ‘সাথী-হারা ভালোবাসা’। আর পাঁচটি প্রেম কাহিনীর মতোই একটি রোমান্টিক প্রেমের গল্প এটি। ভালোবাসার জন্য একজন মানুষ সবকিছুই করতে পারে।  
বিশদ

07th  March, 2020
গা ছমছম কী হয় কী হয়!
রহস্য নাটকের সার্থক মঞ্চায়ন

সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পশ্চিমবঙ্গ। প্রচণ্ড ঝড়জলের এক রাত। কার্শিয়াংয়ের এক সদ্য চালু হওয়া হোটেল ড্রিমল্যান্ডে একে একে জড়ো হয় রহস্যময় কয়েকজন বোর্ডার। একজন নাকউঁচু মহিলা মিস কাজল দত্ত, যিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি অফিসার। 
বিশদ

07th  March, 2020
এনএসডি-র আদিরঙ মাতিয়ে দিল দ্বারোন্দা 

ইউক্যালিপটাসের সুউচ্চ গাছগুলোর মাথায় মেঘমুক্ত পশ্চিমাকাশে ধ্রুবতারাটা জ্বলজ্বল করছিল। শেষ লগ্নে এসেও শীত তার দাপট জানান দিচ্ছে তীব্র হিমেল হাওয়ায়। তবু বোলপুরের দ্বারোন্দা গ্রামের মুক্ত প্রান্তরে মানুষের ভিড় কম নয়। চলছে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা (এনএসডি) আয়োজিত ‘আদিরঙ’ অর্থাৎ আদিবাসী রঙ্গোৎসব।  
বিশদ

22nd  February, 2020
প্রেমের ঘেরাটোপে শয়তানের পদচারণা 

আ কনফেশন অব সাইকোফেনিক— আলোচনাটা এভাবে শুরু করা যায়। জালের ঘেরাটোপের মধ্যে শুরু হয় নাটক। একটি অন্তরঙ্গ ঘরে, কুলকুল জলের শব্দে, জালের মধ্যে গাঢ় বেগুনি আলোয় ভেসে ওঠে কতকগুলি বিমূর্ত হাত। একপাশে যুগল অন্তরঙ্গ হয়ে চুম্বনরত ও তাদের ঘিরে পুলিসবেশী ডাক্তার ও নার্সের পদচারণা।  
বিশদ

22nd  February, 2020
ভাষা দিবসে এনআরসি বিরোধী নাট্য 

শুধুমাত্র মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে একটা দেশ স্বাধীনতার স্বাদ উপলব্ধি করতে পেরেছিল। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করে। যা গোটা বিশ্বে পালিত হয়। 
বিশদ

22nd  February, 2020
একনজরে
সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: বাবা পেশায় দিনমজুর। আয় আছে, নেই সঞ্চয়। দিন আনা, দিন খাওয়া পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও একদিন ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজেকে দেখতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাসপাতালের দরজায় দরজায় ঘুরে প্রায় বিনা চিকিৎসায় তরতাজা ছেলেকে হারানো বাবা-মা অবশেষে ন্যায়ের প্রতীক আদালতের দরজায় মাথা কুটে সামান্য হলেও বিচার পেলেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: সোমবার গভীর রাতে আরামবাগ শহরের কালীপুরে তৃণমূলের পতাকা ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসক দলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই ওই কাজ করেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এফসিআইতে বিভিন্ন পদে চাকরির টোপ দিয়ে এ রাজ্যের পঞ্চান্ন জন বেকার যুবকের কাছ থেকে পৌনে এক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। তারাতলা থানা এলাকার ব্রেস ব্রিজের বাসিন্দা প্রতারিত সুবোধকুমার সিংয়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সম্প্রতি তদন্তে নেমেছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পড়শির ঈর্ষায় অযথা হয়রানি। সন্তানের বিদ্যা নিয়ে চিন্তা। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেমে বাধা।প্রতিকার: একটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: সাহিত্যিক অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম
১৯০৩: রাজনীতিক কে কামরাজের জন্ম
১৯০৪: রুশ লেখক আস্তন চেকভের মৃত্যু
১৯৫৪: আর্জেন্তিনার ফুটবলার মারিও কেম্পেসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৬ টাকা ৭৬.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৩ টাকা ৯৬.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৮ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১, ৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২, ০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী ৪৩/৯ রাত্রি ১০/২০। ভরণী ২৯/৭ অপঃ ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৫/৪/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২০/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৩ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।  
৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী রাত্রি ৮/৪৩। ভরণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/৭। সূযোদয় ৫/৪, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৪ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।
২৩ জেল্কদ  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে ষষ্ঠ অশোকনগরের অস্মি চৌধুরি চিকিৎসক হতে চায় 
মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে অশোকনগর বাণীপিঠ ...বিশদ

01:46:07 PM

বিহারে রাজভবনের ২০ জন কর্মী করোনায় আক্রান্ত 

01:36:04 PM

মাধ্যমিকে সপ্তম চন্দননগরের সুহা ঘোষ ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে চায় 

01:35:35 PM

৭০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

01:32:50 PM

মাধ্যমিকে দশম জুনায়েদ হাসান চিকিৎসক হতে চায় 

01:29:42 PM

ময়নাগুড়িতে  ব্যারিকেড করে বিজেপির মিছিল আটকাল পুলিস 

01:27:50 PM