Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

বাংলা থিয়েটারকে জাতে তুলেছিলেন রামকৃষ্ণ

তখন বাংলা থিয়েটারের অভিনেত্রীরা আসতেন পতিতালয় থেকে। ফলে সাধারণ মানুষ থিয়েটারে আসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। বাংলা থিয়েটার সমাজে অপাংক্তেয় হয়ে পড়েছিল। সেখান থেকে থিয়েটারকে জাতে তোলেন রামকৃষ্ণ পরমহংস। কীভাবে, তা লিখেছেন ডা. শঙ্কর ঘোষ।

দিনটি ছিল ১৮৮৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার। স্টার থিয়েটারে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব সপার্ষদ গিরিশচন্দ্রের ‘চৈতন্যলীলা’ নাটক দেখতে এসেছেন। হাতিবাগানের মুখে যে স্টার থিয়েটার আমরা দেখি, এই স্টার থিয়েটার সেটি নয়। এর ঠিকানা ছিল ৬৮ নম্বর বিডন স্ট্রিট। বর্তমান সেন্ট্রাল এভিনিউ ও বিডন স্ট্রিটের উত্তরদিকের সংযোগস্থলে এই মঞ্চটি ছিল। এখন সেখান দিয়ে সেন্ট্রাল এভিনিউ’র রাস্তা চলে গেছে। দক্ষিণেশ্বর থেকে এসে উঠেছিলেন মহেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখান থেকে স্টার থিয়েটারে। এই প্রসঙ্গে গিরিশচন্দ্রের আত্মজীবনীতে যে তথ্য পাই, ‘চৈতন্যলীলা হইতেছে, আমি থিয়েটারের বাহিরের Compund-এ বেড়াইতেছি, এমন সময়ে মহেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক একজন ভক্ত আমায় বলিলেন, ‘পরমহংস থিয়েটার দেখিতে আসিয়াছেন, তাঁহাকে বসিতে দাও ভাল, নচেৎ টিকিট কিনিতেছি।’ আমি বলিলাম, ‘তাঁহার টিকিট লাগিবে না, কিন্তু অপরের টিকিট লাগিবে’। এই বলিয়া তাঁহাকে অভ্যর্থনা করিতে অগ্রসর হইতেছি, দেখিলাম, তিনি গাড়ী হইতে নামিয়া থিয়েটারের Compound মধ্যে প্রবেশ করিয়াছেন; আমি না নমস্কার করিতে করিতে তিনি অগ্রে নমস্কার করিলেন, আমি নমস্কার করিলাম, পুনর্বার তিনিও নমস্কার করিলেন, আমি আবার নমস্কার করিলাম, পুনর্বার তিনিও নমস্কার করিলেন। আমি ভাবিলাম, এই রূপই তো দেখিতেছি চলিবে। আমি মনে মনে নমস্কার করিয়া তাঁহাকে উপরে লইয়া আসিয়া একটি Box-এ বসাইলাম ও একজন পাখাওয়ালা নিযুক্ত করিয়া দিয়া শরীরের অসুস্থতা বশতঃ বাড়ি চলিয়া আসিলাম।’
থিয়েটার শুরু হল। ঠাকুর নাটক দেখতে দেখতে প্রায়ই ভাবসমাধিস্থ হয়ে পড়ছেন। থিয়েটার শেষের পর ভক্তেরা ঠাকুরকে নিয়ে গেলেন মঞ্চের পাশে অফিসঘরে। জনৈক ভক্ত জিজ্ঞাসা করলেন,‘কেমন লাগল নাটক?’ ঠাকুর জবাব দিলেন, ‘আসল নকল সব এক হয়ে গেছে।’ একে একে সবাই ঠাকুরকে প্রণাম করতে এলেন। চৈতন্যলীলার চৈতন্যরূপিণী নটী বিনোদিনী যখন এসে দাঁড়ালেন, ঠাকুর তাঁর পায়ের ওপর পড়তে যাচ্ছিলেন, ভক্তেরা অবশ্য ঠাকুরকে ধরে ফেলেছিলেন। বিনোদিনী তাঁকে প্রণাম করতেই ঠাকুর আশীর্বাদ করে বললেন, ‘মা তোর চৈতন্য হোক।’ মাথায় হাত দিয়ে বললেন, ‘বল মা, হরি গুরু, গুরু হরি।’
এমন অভিনব ঘটনার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে। কারণ সেই সময়ে কোনও ভদ্রঘরের মেয়েরা থিয়েটার পাড়ায় এসে অভিনয় করেননি। সকল অভিনেত্রীরাই এসেছেন নিষিদ্ধপল্লি থেকে। সাধারণ রঙ্গমঞ্চের প্রথম দিকে পুরুষেরাই নারী চরিত্রগুলিতে অভিনয় করতেন। মধুসূদন দত্তের পরামর্শে বেঙ্গল থিয়েটারেই প্রথম নারী চরিত্রে অভিনেত্রীদের প্রবেশ ঘটে। যখন ভদ্রঘরের মেয়ে পাওয়াই যাবে না তখন পতিতালয় থেকেই অভিনেত্রীদের আনা হতো। ফলে সেদিন থেকে ভদ্র শিক্ষিত সমাজ থিয়েটারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক চুকিয়ে দিলেন। এমনকী থিয়েটারের নটেরা পর্যন্ত সমাজে অপাংক্তেয় হয়ে পড়লেন। এখানেই শেষ নয় কেশবচন্দ্র সেনের ‘সুলভ সমাচার’ পত্রিকার ১২৮১ বঙ্গাব্দের ১ পৌষ সংখ্যায় লেখা হল; ‘যাত্রার পরিবর্তে নাটক অভিনীত হইতে দেখিয়া আমরা মনে করিয়াছিলাম যে এতদিনের পর বিশুদ্ধ আমোদ আস্বাদ করিবার উপায় হইল। কিন্তু সে আশায় ছাই পড়িল। বেশ্যাদ্বারা অভিনয় করাইলে, নাট্যমন্দির আর বিশুদ্ধ আমোদের স্থল রহিল না।’ শুধু কি তাই ঠাকুরের খুব কাছের মানুষ রামচন্দ্র দত্ত ঠাকুরের সর্বক্ষণের সঙ্গী থাকলেও, থিয়েটারের যাননি, অশুচিতার ভয়ে। রাস্তার যে ফুটপাতে থিয়েটার আছে, সে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতেন না স্বয়ং নরেন্দ্রনাথ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, যিনি নারীর কল্যাণ কর্মে সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তিনিও থিয়েটারের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন এই অপরাধের জন্য।
সেই ভয়ঙ্কর পরিবেশে ঠাকুর এলেন, দেখলেন, আশীর্বাদ করলেন বিষবৃক্ষের বীজ যে অভিনেত্রী সম্প্রদায় তাঁদের একজনের মাথায় হাত রেখে। মহাপ্রভুর ভূমিকায় নটী বিনোদিনীর অন্তর আলোড়নকারী অভূতপূর্ব ভাবদ্যোতক সাত্ত্বিক অভিনয় ঠাকুরকে এতখানি অভিভূত ও আত্মহারা করে তুলেছিল যে, তাৎক্ষণিক মুহূর্তে ঠাকুরের দৃষ্টিতে আসল-নকল সব এক হয়ে গিয়েছে। শুধু গিরিশচন্দ্র ঘোষ কেন, বঙ্গ রঙ্গমঞ্চেরই পরমপ্রাপ্তি ঘটেছে এই ‘চৈতন্যলীলা’ নাটক থেকে। ঠাকুর সেদিন বিনোদিনীকে যে আশীর্বাদ করেছিলেন তা বিশেষ এক শিল্পীর প্রতি নয়, নবজাত রঙ্গমঞ্চেরই প্রতি গুরুর অসীম আশীর্বাদ। ভদ্র সমাজের, বিশেষ করে ব্রাহ্ম সমাজের ঘৃণায় জর্জরিত শিল্পীকুল সেই আশীর্বাণী থেকে আপন কর্তব্য ও অধিকারের নির্দেশ খুঁজে পেয়েছেন। এই শিল্পীরা যে সমাজেরই অবিভাজ্য অংশ এবং সমাজের কল্যাণ সাধনে লোকশিক্ষা দানের মাধ্যম রূপে নাটকের ভূমিকা সম্পর্কে তাঁদের দায়িত্ব সম্বন্ধে সচেতন হয়ে উঠেছেন। তাই তো শিল্পীকুল অপরিসীম শ্রদ্ধায় ঠাকুরকে গ্রহণ করেছেন মঞ্চের গুরুরূপে, দেবতারূপে। এই পরিপ্রেক্ষিতে গিরিশচন্দ্রের ‘চৈতন্যলীলা’ নাটকের অভিনয় সেইসব নীতিবাগিশ সমাজপতিদের যোগ্য প্রত্যুত্তরই দিয়েছে। শিল্পী তিনি যে সমাজভুক্তই হোন না কেন, অভিনয়ের ক্ষেত্রে তাঁর নৈপুণ্যই মোদ্দা কথা। তাই নিঃসন্দেহে বলা চলে বঙ্গ রঙ্গমঞ্চেরই ইতিহাসে ‘চৈতন্যলীলা’ এক নব অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
ঠাকুর দেহ রাখার পর রামচন্দ্র দত্ত স্থাপিত যোগোদ্যান তাঁর অস্থি প্রতিষ্ঠার দিন শোভাযাত্রার পুরোভাগে এসে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী সমাজ। তাঁরা উদার কণ্ঠে গেয়েছিলেন ‘চৈতন্যলালী’ নাটকের গান; ‘হরি মন মজায়ে লুকালে কোথায়’। ব্রাহ্মসমাজ প্রভাবিত গোঁড়ামি থেকে মুক্ত হয়ে নরেন্দ্রনাথ দেখতে গিয়েছিলেন ‘চৈতন্যলীলা’। তাঁর কণ্ঠে তখন ‘চৈতন্যলীলা’ নাটকেরই গান; ‘রাধা বই আর নেইকো আমার রাধা বলে বাজাই বাঁশী।
মানের দায়ে সেজে যোগী
মেখেছি গায় ভস্মরাশি।’
রঙ্গমঞ্চের বদ্ধ পরিবেশ থেকে ‘চৈতন্যলীলা’র গান ছড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের পথে প্রান্তরে। ভাবতে অবাক লাগে সামান্য একটি নাটকের ভাব প্রেরণা কতভাবে কত মানুষের অন্তরে বৈরাগ্যের দীপ জ্বালাতে সক্ষম হয়েছিল।
শ্রীরামকৃষ্ণ ৬৮ নম্বর বিডন স্ট্রিটের স্টার থিয়েটারে যে নাটকগুলি দেখেছেন সেগুলি হল চৈতন্যলীলা, প্রহ্লাদচরিত, নিমাই সন্ন্যাস, দক্ষযজ্ঞ, বৃষকেতু ও বিবাহ বিভ্রাট। প্রথম পাঁচটি গিরিশচন্দ্রের লেখা, শেষেরটি রসরাজ অমৃতলাল বসু’র লেখা। যে বিনোদিনীকে তিনি প্রাণ ভরে আশীর্বাদ করেছেন, উপরিউক্ত নাটকগুলির সবক’টিতে তিনি অভিনয় করেছেন; ‘চৈতন্যলীলা’য় নিমাই, ‘প্রহ্লাদচরিতে’ প্রহ্লাদ, ‘নিমাই সন্ন্যাসে’ চৈতন্য, ‘দক্ষযজ্ঞে’ সতী, ‘বৃষকেতু’তে পদ্মাবতী, ‘বিবাহ বিভ্রাটে’ (বিলাসিনী কারফরমা)। ‘প্রহ্লাদচরিত’ দেখতে এসে ঠাকুর গিরিশকে বলছেন; ‘বা! তুমি বেশ লিখেছে না!’ গিরিশ প্রত্যুত্তরে বললেন, ‘মহাশয়, ধারণা কই? শুধু লিখে গেছি।’ ঠাকুর বললেন, ‘না, তোমার ধারণা আছে। সেই দিন তো তোমায় বললাম ভিতরে ভক্তি না থাকলে চালচিত্র আঁকা যায় না।’ অভিনয় যে লোকশিক্ষার প্রধান বাহন, একথা ঠাকুর মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন, মানতেন। অভিনয়ে একসঙ্গে অনেক মানুষকে উদ্দীপিত করে তোলা যায়। গিরিশচন্দ্র রঙ্গমঞ্চের সঙ্গে সারাজীবন যুক্ত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে লোকশিক্ষা বিতরণ করুক, ঠাকুর সর্বদা সে সম্বন্ধে গিরিশচন্দ্রকে উৎসাহ দিয়েছেন। গিরিশ একবার বললে; ‘মনে হয়, থিয়েটারগুলো আর করা কেন।’ বাধা দিয়ে শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘না না, ও থাক, ওতে লোকশিক্ষা হবে।’ গিরিশচন্দ্রের কাছে ঠাকুর হয়ে উঠেছিলেন অবতার পুরুষ। একদিন ঠাকুরই গিরিশকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘তুমি আমার মধ্যে কি দেখেছ?’ গিরিশচন্দ্র নতমস্তষ্ককে করজোড়ে বলেছিলেন, ‘ব্যাস বাল্মীকি যাঁর ইয়ত্তা করতে পারেননি, আমি তাঁর কী বলতে পারি?’ এই অচল অটল বিশ্বাসে বিশ্বাসী ছিলেন মহাকবি গিরিশচন্দ্র। গিরিশচন্দ্র আরও অভিভূত এই কারণে যে, যে অভিনেত্রী সমাজ হীন, ঘৃণিত ছিলেন, পতিতপাবন তাঁদেরই একজনকে শ্রীচরণে স্থান দিয়েছেন। গিরিশচন্দ্রের স্বীকারোক্তির উল্লেখ করি,’ অনেকে আজীবন তপস্যা করিয়া যে মহাফললাভে অসমর্থ হয়, সেই চতুর্বর্গ ফলস্বরূপ শ্রীশ্রীপরমহংসদেবের পাদপদ্ম বিনোদিনী লাভ করিয়াছে।’
08th  June, 2019
প্রকৃত জ্ঞানীর মতোই নিরহঙ্কার এবং আড়ম্বরহীন মানুষ ছিলেন সলিলদা

প্রয়াত হলেন নাট্যব্যক্তিত্ব সলিল বন্দ্যোপাধ্যায়। উঁচুপদে চাকরির লোভ সম্বরণ করে আজীবন থিয়েটারের সেবা করে এসেছেন। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নিজের দল ‘থিয়েট্রন’। প্রথম নাটক ‘প্রথম পার্থ’। তাঁর নির্দেশিত ‘বিসর্জন’, ‘অসংগত’, ‘খেলাঘর’ প্রভৃতি নাটকগুলি জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। স্মৃতিচারণ করলেন সংগ্রামজিৎ সেনগুপ্ত।
বিশদ

08th  June, 2019
ভালো প্রযোজনার ইচ্ছেই সম্বল

 প্রত্যন্ত একটি গ্রামে বাবা মায়ের সঙ্গে বাস অভির। একটি অখ্যাত অনামী স্কুলে অভির পড়াশোনা। কিন্তু স্কুল যাই হোক না কেন পড়াশোনায় অভি অত্যন্ত ভালো আর কৃতী ছাত্র হওয়ার সুবাদে গ্রামের মানুষ তাকে একটু অন্যরকমভাবে দেখে। অর্থাৎ ভালোছেলের মর্যাদায় ভূষিত অভি। অভির গৃহশিক্ষক (নাটকে ব্যবহৃত নাম মাস্টারমশাই) অভির আদর্শ।
বিশদ

08th  June, 2019
অন্যায় ও মনস্তত্ত্ব

  মনস্তত্ত্ব আর আবেগ দুটি অত্যন্ত জটিল বিষয়। যার ব্যাখ্যা করা সহজ নয়। কারণ এই দুটি বিষয়ের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই যখন মানুষ ভুল করে, তখন তার কাজের একটা ব্যাখ্যা থাকে নিজের কাছে। যেটা সে অন্যদের বোঝাবার চেষ্টা করে। কিন্তু সে বুঝতে পারে না যে তার ছোট্ট একটা ভুল অন্য একজনের কত বড় ক্ষতি করে দিতে পারে।
বিশদ

08th  June, 2019
পড়াশুনো না জেনেও ইংরেজিতে সংলাপ বলতেন

 যাত্রাভিনেত্রী বর্ণালী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস।
বিশদ

01st  June, 2019
অন্ধ পুত্রস্নেহ আর লোভ, দুই-ই ভয়ংকর

মনুষ্যত্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশ প্রেম, ভালোবাসা ও ক্ষমাশীলতাকে কেন্দ্র করে শতাধিক বছর আগে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘সাজাহান’। নাটকের মধ্যে একদিকে যেমন ক্ষমতালোভী, প্রতিহিংসাপরায়ণ পুত্রের জঘন্য অপরাধ তুলে ধরা হয়, অন্যদিকে তেমনই অত্যাচারের শিকার হওয়া স্নেহশীল আবেগপ্রবণ পিতার ক্ষমাশীলতাও পরিলক্ষিত হয়।
বিশদ

01st  June, 2019
মহাকাব্যের আড়ালে

  কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এক গ্রামীন পালা। বেশ উত্তেজনাময় দৃশ্য। একদিকে ভীমের হুঙ্কার, আর অন্যদিকে দুর্যোধনের আস্ফালন। দুই মহারথীর গদাযুদ্ধের আহ্বান। দর্শকরাও বেশ উত্তেজিত। ভীম অর্থাৎ ধর্মের কাছে অধর্মের প্রতীক দুর্যোধনের বিনাশ দেখার জন্য যখন তারা উদগ্রীব, ঠিক তখনই বাঁধল গোল। বিশদ

01st  June, 2019
 বিপজ্জনক ৫০

বিশ্বজুড়ে এক অদ্ভুত আঁধার নেমে এসেছে। পরমতঅসহিষ্ণুতা, পরধর্মঅসহিষ্ণুতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গণতন্ত্রের পীঠস্থান বলে ভাবা হতো যে দেশটিকে, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের মানুষ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল বলে ভাবত যে দেশটিকে সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও অভিবাসন নীতিতে কড়া পদক্ষেপ করছে।
বিশদ

01st  June, 2019
অন্ধ পুত্রস্নেহ আর লোভ, দুই-ই ভয়ংকর

মনুষ্যত্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশ প্রেম, ভালোবাসা ও ক্ষমাশীলতাকে কেন্দ্র করে শতাধিক বছর আগে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘সাজাহান’।
বিশদ

25th  May, 2019
মহাকাব্যের আড়ালে

 কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এক গ্রামীন পালা। বেশ উত্তেজনাময় দৃশ্য। একদিকে ভীমের হুঙ্কার, আর অন্যদিকে দুর্যোধনের আস্ফালন। দুই মহারথীর গদাযুদ্ধের আহ্বান। দর্শকরাও বেশ উত্তেজিত। ভীম অর্থাৎ ধর্মের কাছে অধর্মের প্রতীক দুর্যোধনের বিনাশ দেখার জন্য যখন তারা উদগ্রীব, ঠিক তখনই বাঁধল গোল।
বিশদ

25th  May, 2019
পড়াশুনো না জেনেও ইংরেজিতে সংলাপ বলতেন

যাত্রাভিনেত্রী বর্ণালী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস। বিশদ

25th  May, 2019
 মুক্তাঙ্গনে কমেডি ড্রামা ফেস্টিভ্যাল

সম্প্রতি টালিগঞ্জ রঙ্গ ব্যঙ্গ অদ্বিতীয়ার আয়োজনে, ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক-এর আর্থিক সহায়তায় কমেডি ড্রামা ফেস্টিভ্যাল হয়ে গেল মুক্তাঙ্গনে। হাসতে ভুলে যাওয়া মানুষদের কাছে একগুচ্ছ হাসির নাট্যসম্ভার উপহার দিলেন তাঁরা। ৬ দিন ব্যাপী এই হাসির নাটকের অনুষ্ঠানে প্রতিদিন দুটি করে মজাদার কমেডি ড্রামা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিশদ

25th  May, 2019
নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মনোগ্রাহী প্রযোজনা 

গত ১৭ই এপ্রিল গিরিশ মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গড়িয়া কৃষ্টি প্রযোজিত নাটক ‘কালপুরুষ’। সাতের দশকের বামপন্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সমরেশ মজুমদারের কাহিনী অবলম্বনে এই নাটক।  বিশদ

18th  May, 2019
রহস্য, রোমাঞ্চ, উত্তেজনায় টানটান নাটক
 

ঝিনুকের জন্মদিনে সকলেই এসেছে। নাচ,গান পার্টি সবই হচ্ছে। তবুও ঝিনুকের মন পড়ে আছে তাঁর বাবার পথের দিকে।আজ কী উপহার আনবে তার বাবা? সকলের যখন চলে যাওয়ার সময় তখন তার বাবা, দিগন্ত পত্রনবিশ ঝিনুকের জন্য ইয়া বড় এক বাঘ নিয়ে ঢুকলেন। ঝিনুকের সে কী আনন্দ বাঘ পেয়ে!  বিশদ

18th  May, 2019
শান্তিগোপাল
হাততালির পিছনে এক যন্ত্রণার জীবন 

অভিনয়ের তাগিদে যাত্রায় এলেও শুরুটা কিন্তু একেবারেই ভালো হল না তাঁর। যাত্রায় হাতেখড়ি রয়েল বীণাপাণি অপেরায় হলেও বীরেন্দ্রনাথ পালের অভিনয়ের হাতেখড়ি আরও অনেক আগেই। যদিও এ নামে তিনি বিখ্যাত নন।   বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
 দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১১ জুন: রাজ্যের ভোট পরবর্তী হিংসা এবং আইনশৃঙ্খলার ক্রমাবনতির অভিযোগ তুলে এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দেবে বিজেপির সংসদীয় প্রতিনিধি দল। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত হয়েছেন শীলা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন এমেরিটাস শীলা গৌতম। গত ৮ জুন তিনি পরলোক গমন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি শীলা ফোম তৈরি করেন, যা ক্রমশ সফল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ...

গ্রেম স্মিথ : অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান অস্ত্র পেস বোলিং। ওভালে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর, ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে অজিদের এই অস্ত্র কাজ করেনি। অন্য ম্যাচে ভয়ঙ্কর মূর্তিতে আবির্ভূত হলেও মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্সের মতো বোলাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের উপর বিন্দুমাত্র ত্রাসের সঞ্চার করতে ...

  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 
এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM