Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

শান্তিগোপাল
হাততালির পিছনে এক যন্ত্রণার জীবন 

অভিনয়ের তাগিদে যাত্রায় এলেও শুরুটা কিন্তু একেবারেই ভালো হল না তাঁর। যাত্রায় হাতেখড়ি রয়েল বীণাপাণি অপেরায় হলেও বীরেন্দ্রনাথ পালের অভিনয়ের হাতেখড়ি আরও অনেক আগেই। যদিও এ নামে তিনি বিখ্যাত নন। মানুষ তাঁকে এক ডাকে চেনেন শান্তিগোপাল নামে। মনের ভিতর অভিনয়ের নেশা সেই কৈশোর থেকেই। আবৃত্তি আর বাগবাজারের পাড়ায় মাচা বেঁধে চলছিল অভিনয়। একদিন যোগাযোগ হল নাট্যকার ও নির্দেশক অমর ঘোষের সঙ্গে। তাঁর একটি নাট্যদল ছিল। নাম তার ‘উদয়াচল’। সেখানে অভিনয় করলেন প্রতিমূর্তি, সাইক্লোন, রাহু, হাঁচি, পথের পাঁচালি প্রভৃতি নাটকে। করলেন হ্যামলেট নাটকও। সেই নাটকে তিনি পলোনিয়াস চরিত্রটিতে অভিনয় করেছিলেন।
গ্রুপ থিয়েটারের সেই মানসিকতা নিয়ে তিনি একদিন যাত্রায় চলে এলেন। রয়েল বীণাপানি অপেরায় করলেন বিপ্লবী সন্তান, দস্যুকন্যা, ভাগ্যের বলি। কিছুই যেন ঠিকভাবে মেলাতে পারছিলেন না। নাটকের স্কুলিং ভেঙে যাত্রার স্কুলিং শিখতে লাগলেন একটু একটু করে। ডাক পেলেন নট্ট কোম্পানিতে। সেখানেও তেমন খ্যাতি জুটল না। কখনও এক নম্বর, কখনও দু’ নম্বর আবার কখনও বা তিন নম্বর শিল্পী হয়ে অভিনয় করছিলেন। মন তাঁর চাইছিল অন্য কিছু। একটু পরীক্ষা কি যাত্রা নিয়ে করা যায় না? শুধুই পৌরাণিক আর ঐতিহাসিক পালার গড্ডালিকায় ভেসে যেতে হবে? এই সময় তাঁকে উৎসাহিত করেছিলেন অভিনেতা শিব ভট্টাচার্য। তিনি ছিলেন শান্তিগোপালের ফ্রেন্ড, ফিলোজফার অ্যান্ড গাইড। শান্তিগোপাল চলে এলেন তরুণ অপেরায়। সঙ্গে এলেন শিববাবুও। কিছুদিন পর দলটাকে লিজ নিলেন। সোনাই দীঘি করলেন। দলে তখন ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ, দিলীপ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এরপর তরুণ অপেরায় এলেন পান্না চক্রবর্তী ও চিত্রা মল্লিক। মনোমালিন্যে দল তেমন চলল না। সিজনের মাঝপথেই পান্না-চিত্রা দল ছেড়ে চলে গেলেন। পরের বছর দলে নিলেন সুজিৎ পাঠক এবং অজিত সাহাকে। তেমন ব্যবসা হল না। ঠিক করলেন বাজেট কমাতে হবে। দামি শিল্পীর বদলে ভালো এবং নতুন আঙ্গিকের নাটক দিয়ে মানুষের মন জয় করতে হবে। করলেন ঘুম ভাঙার গান। পালা লিখেছেন এক নতুন নাট্যকার। শম্ভু বাগ। কিছুটা ব্যবসা হল। এরপর হাতে এল শম্ভু বাগের হিটলার পালাটি। মন চাইছিল তাঁর পালাটি আসরস্থ করতে। কিন্তু বাণিজ্য সংক্রান্ত ভাবনা পিছু টান দিচ্ছিল। বেশ কয়েকদিন পরপর মিটিং চলল। কেউ কেউ বললেন, ‘দাদা নতুন ধরনের এমন পালা কি গ্রাম বাংলার মানুষ নেবেন?’ আবার কেউ বললেন, ‘একঘেঁয়ে পালা দেখে মানুষ ক্লান্ত। নতুন এই পালা মানুষের ভালো লাগবেই।’ কপাল ঠুকে নেমে পড়লেন। এমন পালা পরিচালনা করবেন কে? শান্তিগোপালের মনে পড়ল অমর ঘোষের কথা। একসময়ে তাঁর কাছে নাটকের অনেক কিছু শিখেছেন। একদিন অমর ঘোষকে গিয়ে সব কথা বললেন। বললেন, ‘এতদিন একধরনের পালা করে তেমন লাভ হয়নি। বাজারে অনেক দেনা হয়ে গিয়েছে। তাই একটু রিস্ক নিয়েই একটা নতুন ধরনের পালা নামাচ্ছি। নাম হিটলার। আপনাকে ডিরেকশন দিতেই হবে। নতুন পালার সঙ্গে একটু নতুন আঙ্গিকও চাই।’
অমর ঘোষের নির্দেশনায় পালা নামল। শান্তিগোপাল অমানুষিক পরিশ্রম করলেন হিটলারের চরিত্রের নির্মমতা ফুটিয়ে তুলতে। যাত্রাপালায় নতুন টেকনিকের ব্যবহার হল। মাইক্রোফোনের ব্যবহার হল। মাইক্রোফোনের সাহায্যে গোলাগুলির আওয়াজ, যুদ্ধে আহত মানুষের আর্ত চিৎকার শোনানো হতো। এছাড়া মঞ্চের উপর রস্ট্রাম ব্যবহারও প্রথম হল। মঞ্চের উপর আরও একটি উঁচু মঞ্চ। অভিনয়ের পাশাপাশি শান্তিগোপালের রূপসজ্জাও নজর কাড়ল। ওই পালায় লুসি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বর্ণালী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘কী ধৈর্য এবং সময় নিয়ে উনি মেক আপ করতেন। নিঁখুত রূপসজ্জার জন্য কত চেষ্টা করেছেন। অবাক হয়ে আমরা দেখতাম, ওই মুখের মধ্য কীভাবে একসঙ্গে ফুটে ওঠে কখনও হিটলার, কখনও লেনিন, কখনও মাও সে তুং আবার কখনও বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দ। আমরা তাঁর অভিনয় দেখতাম। শান্তিবাবু যখন ‘আমি সুভাষ’ পালায় হাত মুঠো করে উপরের দিকে ছুঁড়ে বলতেন, তোমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব, তখন আমাদের সকলের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠত।’
সেই সাহসী পদক্ষেপ বৃথা যায়নি। হিটলার সুপার ডুপার হিট হল। আজ পর্যন্ত যাত্রায় কোনও পালা ২০০০ রজনী অতিক্রম করেনি। সাহস বাড়ল। তাঁর মনে হল যাত্রায় নতুন যুগ এল। এই নতুন যুগে নতুন ভাষ্যে মানুষের কাছে লোকশিক্ষাকে পৌঁছে দেওয়ার সময় উপস্থিত। একে একে নামল লেনিন, কার্ল মার্কস, নেপোলিয়ন, স্তালিন, আমি সুভাষ, রাজা রামমোহন, ওথেলো, মাও সে তুং, বিদ্রোহী সন্ন্যাসী, এবার তদন্তের পালা, সিপাই মিউটিনি, বিপ্লব বহ্নি, আট ঘণ্টার লড়াই, শত্রু রক্ত যুদ্ধ, আগুন জ্বেলে দিল প্রভৃতি পালা। মঞ্চ কাঁপছে হাততালিতে। মানুষের চোখে মুগ্ধতা। মনে তৃপ্তি। সমাজতান্ত্রিক ভাবনার বীজ বুনে দিচ্ছেন তিনি গ্রামের মানুষের মনে। তখন এক বামপন্থী নেতা বলেছিলেন, ‘আমাদের দশজন নেতার বক্তৃতায় যে কাজ হতো, তার লক্ষ গুণ কাজ হতো শান্তিগোপালের একটি পালায়।’ সমাজতান্ত্রিক নানা পালার মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের চোখে এঁকে দিলেন বামপন্থার রোমান্টিসিজম। যাত্রা গবেষক দিবাকর ভৌমিকের মতে, ‘সেদিন বামপন্থীদের গ্রামবাংলা জয় করার ক্ষেত্রে অনেকটাই কাজ করেছিল শান্তিগোপালের পালাগুলি।’
তাঁর বিভিন্ন পালায় নানা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বর্ণালী বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তিগোপাল সম্পর্কে তিনি মুগ্ধ। তাঁর কথায়, ‘শান্তিবাবু ছিলেন দলের টপ এবং মালিক। দুই ভূমিকাতেই তিনি অত্যন্ত বড় মাপের ছিলেন। সব সময় নতুন কিছু ভাবতে ভালোবাসতেন। আমরা যখন পালা করতে যেতাম তখন আমাদের সাজপোশাক আর মেক আপের ট্রাঙ্কের সঙ্গে আলাদা একটা ট্রাঙ্ক থাকত। সেই ট্রাঙ্ক ভর্তি বই থাকত। সময় পেলেই তিনি সেই বই পড়তেন এবং পরের পালা সম্পর্কে চিন্তাভাবনা করতেন।’
কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। দেনায় একবারে ডুবে গেলেন। বাণিজ্যিক ব্যর্থতা তাঁকে নিয়ে গেল খাদের একেবারে কিনারায়। সে এক যন্ত্রণার কাল। আলোর মঞ্চ থেকে অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া একজন শিল্পীর কাছে কতটা যে যন্ত্রণার, সে কেবল তিনিই বোঝেন।
কেমন ছিল সেই সময়টা? তাঁর ছেলে অনির্বাণ পালের মুখ থেকেই শুনেছিলাম। ‘বাবা যখন পেশাদারী জগৎ থেকে সরে এসেছিলেন তখন তাঁর বয়স ৫৫ বছর। কিন্তু পাগলের মতো চেষ্টা করতেন কীভাবে অভিনয় করা যায়। মানুষের দোরে দোরে ঘুরতেন। তখন কত নতুন নতুন ভাবনা বাবার মাথায় ঘুরত। সেগুলিকে রূপ দিতে চাইতেন। কিন্তু সেরকম সহযোগিতা কোথাও পাননি। তৎকালীন রাজ্য সরকারের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করেছিলেন। রাজ্য সরকার ২৫ হাজার টাকা অনুদান মঞ্জুর করেছিল। কিন্তু ওই টাকায় দল করা সম্ভব নয়। তাই সেই টাকা তিনি নিতে অস্বীকার করেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন আরও ২০ বছর অভিনয় করতে। তাই অ্যামেচার দল খুলে অভিনয় করতেন। প্রথম হিটলার করেছিলেন ৩৩-৩৪ বছর বয়সে। আবার ৭২ বছর বয়সেও অ্যামেচার দলে হিটলার করেছিলেন। যাঁরা আগের হিটলার দেখেছিলেন, তাঁরা বলেছিলেন, ‘শান্তিবাবু মনে হচ্ছে আপনি যেন সেই আগের হিটলার।’
জীবনের শেষ এক বছর তাঁর যাত্রায় বিতৃষ্ণা এসে গিয়েছিল। কেউ যাত্রার কথা বললে রেগে যেতেন।
শান্তিগোপাল একটা যুগ। সময়ের এক স্পর্ধিত বার্তা। তিনি যে ইতিহাস তৈরি করে গিয়েছেন, তা সহজে ভোলা যাবে না। 
18th  May, 2019
প্রকৃত জ্ঞানীর মতোই নিরহঙ্কার এবং আড়ম্বরহীন মানুষ ছিলেন সলিলদা

প্রয়াত হলেন নাট্যব্যক্তিত্ব সলিল বন্দ্যোপাধ্যায়। উঁচুপদে চাকরির লোভ সম্বরণ করে আজীবন থিয়েটারের সেবা করে এসেছেন। ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নিজের দল ‘থিয়েট্রন’। প্রথম নাটক ‘প্রথম পার্থ’। তাঁর নির্দেশিত ‘বিসর্জন’, ‘অসংগত’, ‘খেলাঘর’ প্রভৃতি নাটকগুলি জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল। স্মৃতিচারণ করলেন সংগ্রামজিৎ সেনগুপ্ত।
বিশদ

08th  June, 2019
ভালো প্রযোজনার ইচ্ছেই সম্বল

 প্রত্যন্ত একটি গ্রামে বাবা মায়ের সঙ্গে বাস অভির। একটি অখ্যাত অনামী স্কুলে অভির পড়াশোনা। কিন্তু স্কুল যাই হোক না কেন পড়াশোনায় অভি অত্যন্ত ভালো আর কৃতী ছাত্র হওয়ার সুবাদে গ্রামের মানুষ তাকে একটু অন্যরকমভাবে দেখে। অর্থাৎ ভালোছেলের মর্যাদায় ভূষিত অভি। অভির গৃহশিক্ষক (নাটকে ব্যবহৃত নাম মাস্টারমশাই) অভির আদর্শ।
বিশদ

08th  June, 2019
অন্যায় ও মনস্তত্ত্ব

  মনস্তত্ত্ব আর আবেগ দুটি অত্যন্ত জটিল বিষয়। যার ব্যাখ্যা করা সহজ নয়। কারণ এই দুটি বিষয়ের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। তাই যখন মানুষ ভুল করে, তখন তার কাজের একটা ব্যাখ্যা থাকে নিজের কাছে। যেটা সে অন্যদের বোঝাবার চেষ্টা করে। কিন্তু সে বুঝতে পারে না যে তার ছোট্ট একটা ভুল অন্য একজনের কত বড় ক্ষতি করে দিতে পারে।
বিশদ

08th  June, 2019
বাংলা থিয়েটারকে জাতে তুলেছিলেন রামকৃষ্ণ

তখন বাংলা থিয়েটারের অভিনেত্রীরা আসতেন পতিতালয় থেকে। ফলে সাধারণ মানুষ থিয়েটারে আসা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। বাংলা থিয়েটার সমাজে অপাংক্তেয় হয়ে পড়েছিল। সেখান থেকে থিয়েটারকে জাতে তোলেন রামকৃষ্ণ পরমহংস। কীভাবে, তা লিখেছেন ডা. শঙ্কর ঘোষ।
বিশদ

08th  June, 2019
পড়াশুনো না জেনেও ইংরেজিতে সংলাপ বলতেন

 যাত্রাভিনেত্রী বর্ণালী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস।
বিশদ

01st  June, 2019
অন্ধ পুত্রস্নেহ আর লোভ, দুই-ই ভয়ংকর

মনুষ্যত্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশ প্রেম, ভালোবাসা ও ক্ষমাশীলতাকে কেন্দ্র করে শতাধিক বছর আগে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘সাজাহান’। নাটকের মধ্যে একদিকে যেমন ক্ষমতালোভী, প্রতিহিংসাপরায়ণ পুত্রের জঘন্য অপরাধ তুলে ধরা হয়, অন্যদিকে তেমনই অত্যাচারের শিকার হওয়া স্নেহশীল আবেগপ্রবণ পিতার ক্ষমাশীলতাও পরিলক্ষিত হয়।
বিশদ

01st  June, 2019
মহাকাব্যের আড়ালে

  কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এক গ্রামীন পালা। বেশ উত্তেজনাময় দৃশ্য। একদিকে ভীমের হুঙ্কার, আর অন্যদিকে দুর্যোধনের আস্ফালন। দুই মহারথীর গদাযুদ্ধের আহ্বান। দর্শকরাও বেশ উত্তেজিত। ভীম অর্থাৎ ধর্মের কাছে অধর্মের প্রতীক দুর্যোধনের বিনাশ দেখার জন্য যখন তারা উদগ্রীব, ঠিক তখনই বাঁধল গোল। বিশদ

01st  June, 2019
 বিপজ্জনক ৫০

বিশ্বজুড়ে এক অদ্ভুত আঁধার নেমে এসেছে। পরমতঅসহিষ্ণুতা, পরধর্মঅসহিষ্ণুতা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। গণতন্ত্রের পীঠস্থান বলে ভাবা হতো যে দেশটিকে, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের মানুষ তাদের শেষ আশ্রয়স্থল বলে ভাবত যে দেশটিকে সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও অভিবাসন নীতিতে কড়া পদক্ষেপ করছে।
বিশদ

01st  June, 2019
অন্ধ পুত্রস্নেহ আর লোভ, দুই-ই ভয়ংকর

মনুষ্যত্বের সবচেয়ে বড় প্রকাশ প্রেম, ভালোবাসা ও ক্ষমাশীলতাকে কেন্দ্র করে শতাধিক বছর আগে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় লিখেছিলেন তাঁর বিখ্যাত নাটক ‘সাজাহান’।
বিশদ

25th  May, 2019
মহাকাব্যের আড়ালে

 কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এক গ্রামীন পালা। বেশ উত্তেজনাময় দৃশ্য। একদিকে ভীমের হুঙ্কার, আর অন্যদিকে দুর্যোধনের আস্ফালন। দুই মহারথীর গদাযুদ্ধের আহ্বান। দর্শকরাও বেশ উত্তেজিত। ভীম অর্থাৎ ধর্মের কাছে অধর্মের প্রতীক দুর্যোধনের বিনাশ দেখার জন্য যখন তারা উদগ্রীব, ঠিক তখনই বাঁধল গোল।
বিশদ

25th  May, 2019
পড়াশুনো না জেনেও ইংরেজিতে সংলাপ বলতেন

যাত্রাভিনেত্রী বর্ণালী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে লিখেছেন সন্দীপন বিশ্বাস। বিশদ

25th  May, 2019
 মুক্তাঙ্গনে কমেডি ড্রামা ফেস্টিভ্যাল

সম্প্রতি টালিগঞ্জ রঙ্গ ব্যঙ্গ অদ্বিতীয়ার আয়োজনে, ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক-এর আর্থিক সহায়তায় কমেডি ড্রামা ফেস্টিভ্যাল হয়ে গেল মুক্তাঙ্গনে। হাসতে ভুলে যাওয়া মানুষদের কাছে একগুচ্ছ হাসির নাট্যসম্ভার উপহার দিলেন তাঁরা। ৬ দিন ব্যাপী এই হাসির নাটকের অনুষ্ঠানে প্রতিদিন দুটি করে মজাদার কমেডি ড্রামা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বিশদ

25th  May, 2019
নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মনোগ্রাহী প্রযোজনা 

গত ১৭ই এপ্রিল গিরিশ মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গড়িয়া কৃষ্টি প্রযোজিত নাটক ‘কালপুরুষ’। সাতের দশকের বামপন্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সমরেশ মজুমদারের কাহিনী অবলম্বনে এই নাটক।  বিশদ

18th  May, 2019
রহস্য, রোমাঞ্চ, উত্তেজনায় টানটান নাটক
 

ঝিনুকের জন্মদিনে সকলেই এসেছে। নাচ,গান পার্টি সবই হচ্ছে। তবুও ঝিনুকের মন পড়ে আছে তাঁর বাবার পথের দিকে।আজ কী উপহার আনবে তার বাবা? সকলের যখন চলে যাওয়ার সময় তখন তার বাবা, দিগন্ত পত্রনবিশ ঝিনুকের জন্য ইয়া বড় এক বাঘ নিয়ে ঢুকলেন। ঝিনুকের সে কী আনন্দ বাঘ পেয়ে!  বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: জলপাইগুড়ি কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা মৎস্য চাষিদের তেলাপিয়া মাছের চাষ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু কেন বিজ্ঞানীরা এই মাছের চাষ থেকে চাষিদের বিরত থাকতে বলছেন?  ...

বিএনএ, বাঁকুড়া: এনআরএসের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল থেকে কর্মবিরতি শুরু করলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন সকাল থেকে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক থাকলেও ...

 পবিত্র ত্রিবেদি, কলকাতা: বর্ষায় জল জমার দুর্ভোগ থেকে এবারও রেহাই মিলছে না বিধাননগর পুরসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গার বাসিন্দাদের। সল্টলেকে জল না জমলেও বিধাননগর পুরসভার বাকি অংশে এই সমস্যা এলাকাবাসীর যন্ত্রণার কারণ হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 
এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM