Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

আমি চপল ভাদুড়ী
না চপলরানি!

 একসময় নারী চরিত্রে পুরুষদের অভিনয় করাটাই ছিল রেওয়াজ। সেই যুগের শেষ জীবিত প্রতিনিধি চপল ভাদুড়ীর সঙ্গে কথা বললেন সঞ্জীব বসু।

 আপনি তো বিখ্যাত পরিবারের ছেলে? কোথায় জন্মেছিলেন?
 আমি ১৯৩৯ সালে কলকাতার কালী দত্ত স্ট্রিটে জন্মেছি। তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। আমার মা প্রভাদেবী সেকালের মঞ্চ ও সিনেমার খ্যাতিমান অভিনেত্রী ছিলেন। আমার জ্যাঠামশাই ছিলেন শিশিরকুমার ভাদুড়ী। শিশিরকুমারের দ্বিতীয় ভাই তারাকুমার ভাদুড়ী ছিলেন আমার বাবা। তিনিও সিনেমায় অভিনয় করতেন। আমার বোন বিখ্যাত মঞ্চাভিনেত্রী, সুগায়িকা কেতকী দত্ত।
 তার মানে আপনি শিশিরবাবুকে দেখেছেন, আর তাঁর শ্রীরঙ্গম?
 আগে তো নাম ছিল নাট্যনিকেতন, শিশির জ্যাঠামশাই হলটা লিজ নিয়ে নাম পাল্টে রাখলেন শ্রীরঙ্গম। রায়টের সময় অনেক স্টেজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় শ্রীরঙ্গম হলে শরৎচন্দ্রের ‘বিন্দুর ছেলে’ নাটক হত। তাতে অমূল্যর ছোট বয়সটা একটি ছেলে অভিনয় করত। সে অসুখের কারণে একদিন আসতে পারেনি। তখনকার দিনে শিশির ভাদুড়ী, অহিন্দ্র চৌধুরী, ছবি বিশ্বাস, রাণীবালা, সরযূবালা দেবীর মতো অনেক নামকরা অভিনেতা অভিনেত্রী অভিনয় করতেন। আমি নিয়মিত তাঁদের অভিনয় দেখতাম। দেখে দেখেই ডায়লগ, কমপজিশন সবই আমার মাথার মধ্যে ছিল। সেদিন যখন অভিনয় শুরু হতে ২০ মিনিট বাকি তখন মা আমাকে ডেকে বললেন, আজকে এই নাটকে বিন্দুর ছেলের পার্টটা তুই করতে পারবি? আমি বললাম, হ্যাঁ পারব। যখন পর্দা উঠলো তখন কিন্তু আমার অভিনয় করতে ভয় করল না। এই প্রথম আমি মঞ্চে অভিনয় করলাম। পারিশ্রমিক হিসেবে আমাকে পাঁচ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাটা ওড়াতে ওড়াতে আমি বাড়ি ফিরেছিলাম।
 শিশিরবাবুর কোনও স্মৃতি?
 তখনও বিশ্বযুদ্ধ চলছে। এই সময় আমরা শ্রীরঙ্গমে থাকতাম। এর ভেতরে একটা বিরাট বাড়ি ছিল। ভিতরের এই অংশটাকে সবাই ভিতর বাটি বলত। শিশিরজ্যাঠার আলাদা একটা ঘর ছিল এই শ্রীরঙ্গমে। দুপুরবেলা আমরা কখনও ঘুমোতাম না। একদিন দুপুরে জ্যাঠামশাই বললেন, তুমি কবিতা বলতে পার? বললাম, হ্যাঁ পারি। তারপর শোনালাম রবীন্দ্রনাথের কথা ও কাহিনী থেকে... ‘পঞ্চ নদীর তীরে/ বেণী পাকাইয়া শিরে...’ উনি ইজি চেয়ারে শুয়ে শুয়ে পুরো কবিতা শুনে বললেন, খুব সুন্দর হয়েছে। গলাটা তোমার মায়ের মতোই।
 আপনার মেয়ে সেজে অভিনয় শুরু হল কীভাবে?
 আমার বড় ভগ্নিপতি ইস্টার্ন রেলওয়েতে চাকরী করতেন শিয়ালদা ডিভিশনে। উনি একদিন বললেন তুই যদি মেয়ে সেজে অভিনয় করতে পারিস তাহলে তোর একটা চাকরির ব্যবস্থা করতে পারি। একজন পুরুষ হয়ে মেয়ে সাজব সেটা আমি ঠিক মেনে নিতে পারছিলাম না। আবার তখনকার দিনে রেলে একটা চাকরি হওয়া মানে বিরাট ব্যাপার। তখন আমার মা মারা গিয়েছেন। বাড়িতে রোজগেরে বলতে একা ছোড়দি। টাকার অভাবে আমার পড়াশুনো বন্ধ। বাড়ি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। একটা চাকরি হলে ভালোই হয়। কাজেই আমি বললাম, কী নাটক? তিনি বললেন আলিবাবা নাটকে মর্জিনার পার্ট। তা জ্যাঠার আমলে শ্রীরঙ্গম থিয়েটারে আলিবাবা এতবার অভিনীত হয়েছে যে সেটা দেখে দেখে আমার মাথায় মর্জিনার পার্টটা ছবির মতো আঁকা ছিল। প্রতিটি গানই আমার মুখস্ত।
 তাহলে শেষপর্যন্ত চাকরি হল?
 আমাকে দেখে ওঁদের পছন্দ হল। ১৬দিন রিহার্সালের পর আমাকে মেয়ে সাজিয়ে দিল। চুল, সাজ পোশাক, গয়নাগাটি পরে যখন আয়নার সামনে দাঁড়ালাম আমি তো নিজেকে চিনতেই পারছিলাম না! আমাকে এত সুন্দর দেখাচ্ছিল যে ছেলেরা আমার দিকে হাঁ করে তাকিয়ে ছিল। এই অভিনয় করে সাতদিনের মধ্যে আমার চাকরি হয়েছিল।
 সেই চাকরি ছাড়লেন কেন?
 আমার কাজ ছিল চেনম্যান। মানে চেন ধরে জমি মাপার কাজ। কিন্তু আমাকে বাইরে বেরোতে দেওয়া হত না। আমি অফিসে বসেই কাজ করতাম। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নর্থ এর আন্ডারে ছিলাম। তিনি রিটায়ারের সময় বললেন চপল তুমি ভদ্রঘরের ছেলে, একাজ আর কতদিন করবে! তুমি যদি চাও বেলেঘাটা ওয়ার্কশপে তোমাকে একটা ব্যবস্থা করে দিয়ে যেতে পারি। এরফলে ভবিষ্যতে তুমি ফোরম্যান হয়ে যেতে পার। কিন্তু কিছু বন্ধুবান্ধব বলল... না না না, তুমি ও কাজ করতে যেও না চপল। তাহলে তোমার শরীর থাকবে না। তুমি অভিনেতা, অভিনয়ই কর। ওঁদের কথা শুনেই আমি সাহেবকে বললাম না স্যার, আমি এই চাকরি করতে পারব না। তিনি বলেছিলেন, এটা তুমি ভুল করলে চপল। এখনও তাই এক এক সময় ভাবি সেই চাকরিটা করলে আমার জীবনটাই অন্যরকম হয়ে যেত।
 তারপর থেকেই নারীবেশে অভিনয়জীবন শুরু?
 সেই সময় পুরুষেরাই নারী চরিত্রে অভিনয় করত। তো আমিও নারী চরিত্রে অভিনয় করা শুরু করলাম। টাটা, আসানসোল, বর্ধমান ইত্যাদি জায়গা থেকে স্ক্রিপ্ট ও অ্যাডভান্স টাকা পাঠিয়ে দিত। এইভাবে প্রচুর শো করতে করতে একদিন দেওঘরে অনুকূল ঠাকুরের আশ্রমে অভিনয়ের সময় একটি ছেলের সঙ্গে আলাপ হয়। সেই ছেলেটি বলল, তুমি পেশাদারী যাত্রা দলে এস। বেশি টাকা মাইনে পাবে। ভাবলাম আমি কি পারব! আশ্বিন থেকে টানা জ্যষ্ঠী মাস পর্যন্ত কাজ। এই আটমাস বাড়ির সঙ্গে কোনও সম্পর্কই থাকবে না। যাত্রায় তখন ছবিরানীর খুব নাম ডাক। শুনলাম এই ছবিরানীর পরিবর্তেই নট্ট কোম্পানিতে আমাকে অভিনয় করতে হবে। তো গেলাম নট্ট কোম্পানিতে। মাখনলাল নট্ট আমাকে পছন্দ করলেন। এটাই আমার প্রথম যাত্রায় অভিনয়।
 যাত্রার হাত ধরেই আপনি চপলরানি হয়ে উঠলেন?
 হ্যাঁ, এই যাত্রা জগতে চপলরানি হয়ে উঠতে আমাকে সাহায্য করেছিলেন তিনজন। পালাকার ব্রজেন দে, নট্ট কোম্পানির ম্যানেজার সূর্যকুমার দত্ত এবং মাখনলাল নট্ট। আমাকে নিয়েই একের পর এক যাত্রাপালা তৈরি হতে লাগল। চাঁদসুলতানা, দেবী মহীয়সী কৈকেয়ী, সুলতানা রিজিয়া। ১৯৬৬ সালের পর বাদানুবাদ হলে নট্ট কোম্পানি ছেড়ে দিয়ে যোগ দিলাম নবরঞ্জন অপেরায়। এই সময়ে আমি নবরঞ্জন, সত্যম্বর অপেরা ইত্যাদি দলে অভিনয় করছি।
 উত্তমকুমার আপনার অভিনয় দেখতে এসেছিলেন?
 হ্যাঁ, একদিন উত্তমকুমার আমাদের নবরঞ্জন অপেরার ‘মাইকেল মধুসূদন’ যাত্রাপালা দেখবেন বলে এসেছিলেন রবীন্দ্রসদনে। অভিনয়ের পর আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি বিয়ে করেছ? বললাম না। উনি বললেন, বাঃ তুমি মা নও, বাবাও নও কিন্তু ঐ নাড়ি ছেঁড়া আর্তনাদ করে কান্না আর ঐরকম শরীরী ভঙ্গি কী করে করলে? এরপর তিনি বললেন, বলো তুমি আমার কাছে কী চাও? আমি ওঁর পায়ের ধুলো মাথায় নিয়ে বললাম আপনি আমাকে আশীর্বাদ করুন যাতে আমি আরও ভালো অভিনয় করতে পারি। তখন উত্তমবাবু আমাকে দু’ হাত দিয়ে টেনে নিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। তখন তো আর সেলফি ছিল না। কিন্তু আমার হৃদয়ের সেলফিতে সেই ছবি আজও জ্বলজ্বল করছে। সেটা কেউ কোনও দিন ডিলিট করতে পারবে না। এরপর যখন একসময় যাত্রায় প্রচুর মেয়েরা এসে গেল তখন ওঁরা বলল, চপলদা আপনাকে আর রাখতে পারছি না। ৭২ কি ৭৩ সাল হবে ঠিক মনে করতে পারছি না, আমি যাত্রা করা ছেড়ে দিলাম।
 এরপর কী হল?
 এবার আমি আর কোনও উপায় খুঁজে পেলাম না। সময়টা ৭৪ কি ৭৫ সাল হবে। আমি যেন কোথায় চলে গেলাম। একটানা ২০ বছর আমি অভিনয় ছাড়া ছিলাম। এই ২০ বছর আমার জীবনে ভয়ংকর দৈন্য দশা গেছে। আমাদের বাড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। এখানে ওখানে বাড়ি ভাড়া করে থাকতে হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এতটাই দুঃসময় ছিল যে সেটা কাউকে বলার মতো নয়। তাই সেই প্রসঙ্গটা বাদ রাখছি।
 ২০ বছর পর ফিরে কোথায় উঠলেন?
 আবার ফিরে এলাম ছোড়দি কেতকী দত্তের কাছে। তখন ছোড়দি বললেন, দ্যাখ চপল জল ছাড়া যেমন মাছ বাঁচে না। তেমনই অভিনয় ছাড়া অভিনেতারাও বাঁচতে পারে না। তাই বলছি তোর জীবনে এমন একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। এবার তুই দেখ অন্য কিছু করে জীবনটাকে দাঁড় করাতে পারিস কিনা। এই তখনই আমি শীতলা পালার গান শুরু করলাম। যেটা ওই রাস্তাঘাটে, বস্তিতে, মন্দিরে, এখানে ওখানে হয়। যে পালার কোনও স্ক্রিপ্ট নেই। এই শীতলা গান করেই আমি আবার নিজের জীবিকা নির্বাহ করতে আরম্ভ করলাম। এভাবেই চার ঘণ্টা পাঁচ ঘণ্টা খেটে ৪০ কি ৫০ টাকা রোজগার করতাম। খুব সম্ভবত ৯৪ সাল হবে। রাত দুটো তিনটের সময় হেঁটে বাড়ি ফিরতাম।
 আপনি তো বিদেশেও গিয়েছেন শো করতে?
 হ্যাঁ। সিগাল মিডিয়া আর্ট এম্পোরিয়ামের নবীন কিশোরের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছিল। উনি আমার শীতলা পালার অনেক ছবি তুলে দেশ বিদেশে পাঠালেন। সেখান থেকে অনেকেই আমাকে আর্থিক সাহায্য পাঠাতেন। আমাকে তাঁরা স্বচক্ষে দেখতেও চেয়েছেন। কিন্তু সব দেশে যাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি। শুধু কানাডায় গিয়ে ২০ দিন ছিলাম। সেখানে প্রতিটি শোতে তিনশ জন দর্শক আমার অভিনয় দেখেছেন। তারপর দিল্লি গেলাম, মুম্বই গেলাম শীতলা পালা করতে। পৃথ্বী থিয়েটারে অভিনয় করলাম।
 রমনী মোহন করেও আপনি তো খ্যাতি পেয়েছেন?
 হ্যাঁ, রমণী মোহন নাটকে অভিনয় করে আমি যত পুরস্কার পেয়েছি আচ্ছা আচ্ছা দল তেমন পুরস্কার পায়নি। এরপর ‘আভাস’ দলে ‘সুন্দর বিবির পালা’ নাটকে অভিনয় করছি। আমি বেশ কয়েকটি সিনেমা ও সিরিয়ালেও অভিনয় করেছি। যেমন কৌশিক গাঙ্গুলির ‘উষ্ণতার জন্য’, ‘আরেকটি প্রেমের গল্প’ ইত্যাদি।
 চপল ভাদুড়ী আজ বৃদ্ধাশ্রমে কেন?
 হ্যাঁ, তবে বৃদ্ধাশ্রমটা ঘেন্না করার মতো জায়গা নয়। এটা শান্তির নীড়। যদিও আমি নিজে অবিবাহিত। তবু সংসার এমনই একটা জায়গা যেখানে অশান্তি হয়ই। তাই আজ আমি হরি ঘোষ ষ্ট্রিটের বৃদ্ধাশ্রমে।
 এই জীবন সায়াহ্ন্যে দাঁড়িয়ে আপনার নিজের সম্পর্কে কী মনে হয়?
 সব শেষে আমার মনে হয়, আমি কে? আমি কি চপল ভাদুড়ী? নাকি চপলরানি? এখনও সেটা বুঝতে পারলাম না ।
04th  May, 2019
গিরিশ মঞ্চে সাজাহান 

গোপীমোহন সব পেয়েছিল আসর সম্প্রতি গিরিশ মঞ্চে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা সাজাহান নাটকটি মঞ্চস্থ করল। উপলক্ষ ছিল তাদের ৬৬তম বর্ষ উদযাপন। সাজাহানের চরিত্রে অভিনয় করেন সুব্রত ভট্টাচার্য।  বিশদ

14th  March, 2020
রামধনু নাট্যোৎসব 

বরানগর রামধনু নাট্যোৎসব এবার তৃতীয় বর্ষে পা রাখল। আগামী শুক্রবার ২০ মার্চ বরানগর রবীন্দ্রভবনে দুপুর ১২টায় এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বর্ষীয়ান নাট্যব্যক্তিত্ব গৌতম মুখোপাধ্যায়। নাট্যোৎসবটি চলবে ২২ মার্চ পর্যন্ত। মোট ১৬টি নাট্যদল এবার এই উৎসবে অংশ নিচ্ছে, তারমধ্যে বেশিরভাগই মফস্সলের। 
বিশদ

14th  March, 2020
পুশকিনের জীবন নিয়ে নাটক 

আগামী ২১ মার্চ বিশ্ব কবিতা দিবস। দু’শো বছর আগে ওইদিনই জন্ম হয়েছিল বিশ্ববন্দিত রাশিয়ান কবি আলেকজান্দার পুশকিনের। আর তাঁর জীবনদীপ নেভে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে। জারের রাজকর্মচারী দান্তেসের সঙ্গে ডুয়েল লড়তে গিয়ে নিহত হন পুশকিন। অনেকে বলেন মৃত্যু, অনেকে বলেন হত্যা।  
বিশদ

14th  March, 2020
আনন্দজীবন নাট্যোৎসব

দিনাজপুর কৃষ্টি আয়োজিত সাতদিনের আনন্দজীবন নাট্যোৎসব হয়ে গেল কুশমন্ডিতে। ২০ থেকে ২৬ জানুয়ারি এই উৎসবে মোট আটটি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিদিনই দিনাজপুরের পাশাপাশি অন্যান্য জেলা থেকে আগত দলগুলির একটি করে নাটক মঞ্চস্থ হয়। উৎসবের প্রথমদিনে স্থানীয় বিধায়ক নর্মদা রায় প্রদীপ জ্বালিয়ে শুভ সূচনা করেন।  
বিশদ

14th  March, 2020
এ নাটক এক সমকালীন দলিল যা দর্শককে ভাবায় 

সময়টা বড়ই ভয়ঙ্কর। ধর্মের সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনীতির কারবারিরা যে যার মত করে ঘুঁটি সাজাতে তৎপর। ধর্ম নামক বস্তুটিকে সামনে রেখে চলছে গরিব-বড়লোকের শ্রেণীবিন্যাস আর চিরকালীন সংঘাত। ঠিক এই সময়ে দাঁড়িয়ে ‘কালিন্দী নাট্যসৃজন’-এর নতুন প্রযোজনা ‘মন সারানি’ চমকে দেয়।
বিশদ

14th  March, 2020
কমলকুমারের গল্পের দুঃসাহসিক মঞ্চায়ন 

কমলকুমার মজুমদারকে ‘দুঃসাহসী লেখক’ বলে অভিহীত করেছিলেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর বাক্যগঠন, শব্দ, ক্রিয়াপদ, কমা, পূর্ণচ্ছেদের ব্যবহার সবই ছিল চলতি রীতির থেকে আলাদা। এমনকী আলাদা ছিল তাঁর ভাষাও। সাধুভাষার ব্যবহার, অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার তাঁর লেখাকে করে তুলেছিল অন্য সবার থেকে আলাদা, ফলে হয়তো দুরূহও।  
বিশদ

14th  March, 2020
নান্দীকারের নাট্যোৎসব একটি প্রতিবেদন 

অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস মঞ্চে নান্দীকারের ছত্রিশতম নাট্যমেলা অনুষ্ঠিত হল গত ডিসেম্বর মাসের ষোলো থেকে পঁচিশ তারিখ পর্যন্ত। নান্দীকারের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখেই সমাপ্ত হল তাদের এই নাট্যোৎসব। 
বিশদ

07th  March, 2020
প্রসেনিয়ামের থিয়েটার ফেস্টিভ্যাল 

প্রসেনিয়াম’স আর্ট সেন্টার ও বিভাবন যৌথ উদ্যোগে গত ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর এক থিয়েটার উৎসবের আয়োজন করে। তাদের নিজস্ব সেন্টারে আয়োজিত এই উৎসবে ১১টি নাট্যদলের থিয়েটার মঞ্চস্থ হয়। 
বিশদ

07th  March, 2020
দ্বাদশ থিয়েলাইট নাট্যোৎসব 

থিয়েলাইট নাট্যদলের নাট্যোৎসব এবছর বারোয় পা দেবে। বিগত বছরগুলিতে এই উৎসব ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিভিন্ন জেলায় করা হতো। এবছর সেই ধারায় ব্যতিক্রম ঘটতে চলেছে। এবছর উৎসব হবে কলকাতাতেই।  
বিশদ

07th  March, 2020
সাথী হারা ভালোবাসা ফিরিয়ে দেয় যাত্রার স্বাদ 

২৪তম যাত্রা উৎসব হয়ে গেল ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চে। এই উৎসবের উল্লেখযোগ্য যাত্রাপালা ছিল বিশ্বভারতী অপেরার প্রযোজনায় ‘সাথী-হারা ভালোবাসা’। আর পাঁচটি প্রেম কাহিনীর মতোই একটি রোমান্টিক প্রেমের গল্প এটি। ভালোবাসার জন্য একজন মানুষ সবকিছুই করতে পারে।  
বিশদ

07th  March, 2020
গা ছমছম কী হয় কী হয়!
রহস্য নাটকের সার্থক মঞ্চায়ন

সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পশ্চিমবঙ্গ। প্রচণ্ড ঝড়জলের এক রাত। কার্শিয়াংয়ের এক সদ্য চালু হওয়া হোটেল ড্রিমল্যান্ডে একে একে জড়ো হয় রহস্যময় কয়েকজন বোর্ডার। একজন নাকউঁচু মহিলা মিস কাজল দত্ত, যিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি অফিসার। 
বিশদ

07th  March, 2020
এনএসডি-র আদিরঙ মাতিয়ে দিল দ্বারোন্দা 

ইউক্যালিপটাসের সুউচ্চ গাছগুলোর মাথায় মেঘমুক্ত পশ্চিমাকাশে ধ্রুবতারাটা জ্বলজ্বল করছিল। শেষ লগ্নে এসেও শীত তার দাপট জানান দিচ্ছে তীব্র হিমেল হাওয়ায়। তবু বোলপুরের দ্বারোন্দা গ্রামের মুক্ত প্রান্তরে মানুষের ভিড় কম নয়। চলছে দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা (এনএসডি) আয়োজিত ‘আদিরঙ’ অর্থাৎ আদিবাসী রঙ্গোৎসব।  
বিশদ

22nd  February, 2020
প্রেমের ঘেরাটোপে শয়তানের পদচারণা 

আ কনফেশন অব সাইকোফেনিক— আলোচনাটা এভাবে শুরু করা যায়। জালের ঘেরাটোপের মধ্যে শুরু হয় নাটক। একটি অন্তরঙ্গ ঘরে, কুলকুল জলের শব্দে, জালের মধ্যে গাঢ় বেগুনি আলোয় ভেসে ওঠে কতকগুলি বিমূর্ত হাত। একপাশে যুগল অন্তরঙ্গ হয়ে চুম্বনরত ও তাদের ঘিরে পুলিসবেশী ডাক্তার ও নার্সের পদচারণা।  
বিশদ

22nd  February, 2020
ভাষা দিবসে এনআরসি বিরোধী নাট্য 

শুধুমাত্র মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে একটা দেশ স্বাধীনতার স্বাদ উপলব্ধি করতে পেরেছিল। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ ইউনেসকো ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস হিসেবে চিহ্নিত করে। যা গোটা বিশ্বে পালিত হয়। 
বিশদ

22nd  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: বৃহস্পতিবার মালদহে তিনজনের মৃত্যু হল বজ্রপাতে। তাঁরা হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের বাসিন্দা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতরা হলেন বিনু ওঁরাও (৫৫), সুলতান আহমেদ (২৩) ও মিঠু কর্মকার (৩৩)। বিনুর বাড়ি বাইশা গ্রামে। সুলতানের বাড়ি নারায়ণপুর গ্রামে ও মিঠুর বাড়ি দক্ষিণ ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাসখানেক হল চালু হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কোভিড হাসপাতাল। চালু হয়েছে করোনা রোগীদের সুপার স্পেশালিটি ব্লক বা এসএসবি বাড়ি। কিন্তু, এরই মধ্যে কোভিডে মৃত ব্যক্তির মোবাইল উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছে মেডিক্যালের সিকিউরিটি অফিসারের ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনার দাপটে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরা পেশাদার ব্যক্তিদের জীবিকার সংস্থান করে দিতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এঁদের জন্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে নিয়োগকারী সংস্থা, রাজ্য সরকার এবং বণিকসভাগুলিকে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনে দেশের সর্বত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি আটকে রয়েছে। ব্যতিক্রম নয় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তাদের চিন্তা বাড়িয়েছে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রথম তৈরি হতে চলা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম

04th  June, 2020


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৪ টাকা ৭৬.৪৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.১৩ টাকা ৯৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৩.২২ টাকা ৮৬.৩১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ৪৯/২৮ রাত্রি ১২/৪২। অনুরাধা নক্ষত্র ২৯/৩১ অপঃ ৪/৪৪। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৩২। অমৃতযোগ দিবা ১২/১ গতে ২/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২২ মধ্যে পুনক্ষ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ১/১। অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৬ গতে ২/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ১১/৩৬ মধ্যে কালরাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/১৬ মধ্যে।
১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আজকের রাশিফল  
মেষ: শেয়ার বা ফাটকাতে লাভ হবে। বৃষ: ব্যবসায় শুভ। মিথুন: কর্মে ...বিশদ

07:51:23 AM

ভক্তকূলকে ব্রাত্য রেখেই এবার পুরীতে শুরু জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা
করোনা সংক্রমন ঠেকাতে এই প্রথম ভক্তকুলকে ব্রাত্য রেখে ১৪৪ ধারা ...বিশদ

07:35:00 AM

রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২৮৩
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৬৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

04-06-2020 - 07:02:37 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৩৭৩, মৃত ১২ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১,৩৭৩ জন। মৃত্যু ...বিশদ

04-06-2020 - 07:01:52 PM

কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২৫৭, মৃত ৪ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

04-06-2020 - 06:51:26 PM

বাংলাদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ২,৪২৩, মৃত ৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ২,৪২৩ জন। ফলে ...বিশদ

04-06-2020 - 06:04:57 PM