Bartaman Patrika
রঙ্গভূমি
 

স্টার থিয়েটার আবার গড়ে দিতে হবে,
এই শর্তে ভোটে দাঁড়াতে রাজি হয়েছিলাম 

প্রবীণা অভিনেত্রী মাধবী মুখোপাধ্যায়ের যাত্রা শুরু থিয়েটারের মঞ্চ থেকেই। ৫০ টাকা মাইনেতে কাজ করতেন মিনার্ভা থিয়েটারে। পুরনো সেই দিনের নানা স্মৃতি ও আজকের থিয়েটার সম্পর্কে তাঁর মনোভাব জানালেন সঞ্জীব বসুকে।

 খুব ছোট্ট বয়সেই তো আপনি থিয়েটার জগতে এসেছেন? সেটা কোন সময়ের কথা?
 ১৯৪৭ সালে যখন আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেই আমার স্টেজে আসা। আমরা তখন উত্তর কলকাতায় থাকতাম, বাগবাজারের দিকে। মায়ের সঙ্গেই নাটক দেখতে যেতাম। আমার তখন ছয় সাত বছর বয়স। সেই সময় শিশিরকুমার ভাদুড়ীর ‘সীতা’ নাটক বহুবার দেখেছি। সেই নাটক দেখে দেখে সংলাপগুলো আমার মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। তারপর এই নাটকের এক অভিনেত্রী যখন অসুস্থ হয়ে পড়লেন তখন আমার মা শিশিরকুমার ভাদুড়ীকে বলেছিলেন আমার মেয়েকে যদি ওই চরিত্রে নেওয়া যায়। শিশিরবাবু বলেছিলেন ওইটুকু মেয়ে, ও কি কথা বলতে পারবে? মা বলেছিলেন, হ্যাঁ হ্যাঁ পারবে একবার নিয়েই দেখুন। তখন এই নাটকের যিনি প্রম্পটার ছিলেন তিনি আমাকে ডেকে বললেন এসো তো দাদু , এই কথাগুলো বলতো। আমি সেই ডায়লগগুলো বলতে পেরেছিলাম। এভাবেই আমি শিশিরকুমার ভাদুড়ীর শ্রীরঙ্গম থিয়েটারে প্রথম অভিনয় করি। আর এই সীতা নাটকে আশ্রম বালিকার চরিত্র অভিনয়ের মাধ্যমেই আমার থিয়েটার জীবনের শুরু। তারপর শিশিরবাবুর সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছি।
 এরপরেই কি কম্বিনেশন নাইট হয়েছিল?
 হ্যাঁ, এরপর একটা কম্বিনেশন নাইট হয়। সেই নাটকের নাম ‘দুই পুরুষ’। আমি শ্যামার ছোটবেলার চরিত্রে করেছি। এই নাটকের নায়ক ছিলেন ছবি বিশ্বাস। বিমলার চরিত্রে অভিনয় করতেন প্রভা দেবী। সরযূবালা করতেন কল্যাণী, জহর গঙ্গোপাধ্যায় করতেন সুশোভন, নরেশ মিত্র করতেন গুপীচাঁদ, এছাড়াও অহিন্দ্র চৌধুরী, নির্মলেন্দু লাহিড়ীর মতো শিল্পীরা অভিনয় করতেন। নাটকের একটা দৃশ্যে ইন্দুবালা দেবীর একটা গান ছিল। গান শেষ হতেই দর্শকেরা চিৎকার করে বলছেন আর একটা আর একটা। তখন জমিদারবেশী নির্মলেন্দু লাহিড়ী বাঈজিরূপী ইন্দুবালাকে বললেন, বাঈজি ওঁরা আরেকটা গান শুনতে চাইছে , তুমি আরেকটা গান গাও।
 পেশাদারী থিয়েটারে কবে এলেন?
 এই কম্বিনেশন নাইটের পরেই প্রভাদেবী আমাকে নিয়ে গেলেন পেশাদারী মিনার্ভা থিয়েটারে। সেখানে পরিচালক ছিলেন ছবি বিশ্বাস। তিনিই নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করতেন। নাটকের নাম ‘ধাত্রীপান্না’। এই নাটকের নায়িকা ছিলেন সরযূবালা দেবী। এছাড়া একটা বিশাল চরিত্রে অভিনয় করতেন প্রভাদেবী। এই নাটকে আমার চরিত্র ছিল ধাত্রি পান্নার ছেলে কনক। রেগুলার শো হত এই নাটকের। সেই থেকেই আমি মিনার্ভা থিয়েটারে একটানা দশ বছর অভিনয় করেছি।
 তখনকার দিনে কত টাকা পেতেন?
 যখন মিনার্ভা থিয়েটারে যোগ দিলাম তখন আমার মাইনে ছিল পঞ্চাশ টাকা। তখন যিনি মালিক ছিলেন তাঁর একটা চালের মিল ছিল। তিনি আমাকে বলতেন তুমি দুটো বড়ো বড়ো থলি নিয়ে আসবে। আমি থলে নিয়ে যেতাম উনি সেই থলি দুটো ভর্তি করে চাল দিয়ে দিতেন। তখন আমাদের আর্থিক অনটন ছিল। তাই দুটো শো করতাম। যেমন সাড়ে ৯ টা পর্যন্ত বাংলা থিয়েটার করতাম, তারপর হিন্দি থিয়েটার। টিপু সুলতান হিন্দিতে মঞ্চস্থ হত। এই নাটকে আমি টিপু সুলতানের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করতাম। সে সময় আমি ছেলে এবং মেয়ে দুই চরিত্রেই অভিনয় করতাম। এভাবেই আমি দীর্ঘদিন থিয়েটারে অভিনয় করেছি। তখনকার দিকপাল অভিনেতাদের মধ্যে এমন কেউ ছিলেন না যাঁর সঙ্গে আমি অভিনয় করিনি। এঁদের প্রত্যেকের কাছথেকেই আমি অনেক শিক্ষা পেয়েছি। তখন সব পেশাদারী থিয়েটার চলত। এমনি থিয়েটার হতো না। অবশ্য প্রথমে শিশিরবাবু আর নরেশ মিত্র ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হলে গ্রুপ থিয়েটার করেছিলেন। কিন্তু ওঁরা শিল্পীই ছিলেন। ব্যবসাটা ভালো বুঝতেন না। তাই শেষকালে তাঁরা থিয়েটারের ষ্টেজটা আর ধরে রাখতে পারেননি। ষ্টেজটা হাতছাড়া হয়ে গেল। শ্রীরঙ্গম নাম বদলে করা হল বিশ্বরূপা।
 তখনকার থিয়েটারের সঙ্গে আজকের থিয়েটারের তফাৎ কী?
 তখনকার দিনে নাটকের যে স্ট্যান্ডার্ড ছিল সেটা অনেক ওপরের দিকের। আজকে সেই স্ট্যান্ডার্ডটা তো গ্রুপ থিয়েটারে কিছুতেই পাওয়া যায় না। তখন তো মাইক্রোফোন ছিল না। কিন্তু লাস্ট বেঞ্চে যিনি বসে আছেন তাঁকেও ডায়লগটা শোনাতে হত। আজকে তো প্রফেশনাল ষ্টেজটাই তুলে দিল। সরকারই তুলে দিয়েছে। তখনকার দিনে শিল্পী তৈরি হওয়ার জায়গাই ছিল প্রফেশনাল ষ্টেজ। গ্রুপ থিয়েটার খুব ভালো, সেটা না হয় ঠিক আছে। কিন্তু গ্রুপ থিয়েটারে একজন বা দু’জন খুব ভালো অভিনয় করেন। তাঁদের একটা মাপজোপ করা থাকে যে চার পা হাঁটবে আর পাঁচ পা পিছবে। প্রফেশনাল ষ্টেজে কিন্তু তা নয়। যাঁর যাঁর তাঁর তাঁর মতো। কে কার থেকে ভালো করবে সেটার কিন্তু একটা কম্পিটিশন সব সময় লেগেই থাকত। কাজেই গ্রুপ থিয়েটার ও প্রফেশনাল থিয়েটারের অনেক তফাৎ। একসময় শম্ভু মিত্র এবং উৎপল দত্তের দুটো দুই রকম গ্রুপ থিয়েটার ছিল। শম্ভু মিত্রের থিয়েটারে যেটা ছিল সেটা হচ্ছে আর্টিস্টদের প্রাধান্য। আর উৎপল দত্তের থিয়েটারে ছিল সবাই রাজা। এই নাটকের চরিত্রগুলি দেখে মনে হবে না যে একে কম দেখব ওঁকে কম দেখব। এখানে একটা গ্রুপ কাজ করত। প্রত্যেকটা চরিত্রেরই একটা আলাদা আলাদা মজা আছে। সকলেই কিন্তু মঞ্চে দাঁড়িয়ে কিছু না কিছু কাজ করছে। প্রত্যেককে দিয়েই কাজ করানো হত। এই দুটো থিয়েটারই সে সময় খুব ভালোভাবে চলত। আমি উৎপল দত্ত এবং শম্ভু মিত্রের প্রায় সব নাটকই দেখেছি। এখন সবাই থিয়েটার করছে কিন্তু ওই জায়গাটায় কেউ পৌঁছতে পারছে না। আগে যেমন শিশির ভাদুড়ীর ‘আলমগীর’ নাটক অন্তত পক্ষে আমি ১৫ থেকে ১৬ বার দেখেছি। প্রত্যেকবারই মনে হয়েছে যেন আজকেই নাটকটা প্রথম দেখছি। একজন শিল্পী তাঁর চরিত্রটাকে কত রকম ভাবে ভাঙতে পারেন, গড়তে পারেন আজকের থিয়েটারে কিন্তু সেই মজাটা নেই। এখনকার থিয়েটার হচ্ছে একই রকমভাবে ডায়লগ বলা। আজকে যেমন ভাবে বলছে কালকেও তেমন বলছে। কোনও ভাঙা-গড়া নেই। তখনকার দিনে স্টাইল অব অ্যাক্টিংটাই আলাদা হত প্রতিদিন। সেই জন্যই একটা নাটক একশবার দেখলেও মনে হত না যে পুরনো নাটক দেখছি।
 আপনি আজকের নাটক দেখেন?
 হ্যাঁ আমি সময় পেলেই আজকের দিনের নাটক দেখি। সম্প্রতি সায়কের একটা নাটক দেখেছি। একসময় কিন্নরী নামে একটা নাটক ছিল সেই নাটকে কিন্নরী উড়ে যাচ্ছে। সেই উড়ে যাওয়াটা মঞ্চে দেখানো হত। মঞ্চে ঝর্ণা বইছে এমন ভাবে মনে হত দেখে মনে হত ঝর্ণার জলটা আমার গায়ে চলে আসবে না তো। আজকের থিয়েটারে এসব নেই।
 সিনেমায় এলেন কীভাবে?
 মিনার্ভা থিয়েটারে আত্মদর্শন নামে একটা নাটক হত। সেই নাটকে আমার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করতেন শ্যাম লাহা। শ্যাম লাহাই আমাকে নিয়ে গেলেন প্রেমেন্দ্র মিত্রের কাছে। দুই বেয়াই নামে ছবি তৈরি হচ্ছিল তখন। সেটায় অভিনয় করলাম।
 থিয়েটার থেকেই তো সিনেমায় গেলেন। দুটির তফাৎ বুঝতে অসুবিধে হয়নি?
 এখানে একটা ব্যাপার হয়েছিল। যখন দেখতাম নাটকের অভিনয় করার সময় কোনও চরিত্র সংলাপ বলতে ভুল করছে তখন আমি টুক করে প্রম্পট করে দিতাম। এই ছবিতে একটা ঝগড়ার সিন হচ্ছিল। তো একজন বারবার ডায়লগ ভুলে যাচ্ছিল। তখন আমি টুক করে তাঁর ডায়লগটা ধরিয়ে দিচ্ছিলাম। তখন ডিরেক্টর প্রেমেন্দ্রবাবু বলতেন কাট কাট কাট... এই কথার মানে তো আমি বুঝতে পারছিলাম না। তো প্রেমেনবাবু আমাকে ডেকে বললেন মাধু ওই দ্যাখো তোমার মাথার ওপর কী ঝুলছে। আমি দেখলাম সত্যিই মাথার ওপর কী একটা ঝুলছে। তিনি বললেন ওটা হচ্ছে মাইক্রোফোন। ওটাকে বুম বলে। তুমি এখানে যা বলবে তা সব রেকর্ড হয়ে যাবে কাজেই তুমি আর কিছু বলবে না। ওঁরা ডায়লগ ভুল করলে আমিই সেটা কেটে দেবো। এইভাবেই একটা একটা করে আমাকে শিখতে হয়েছে।
 সেদিনের থিয়েটার হলগুলো আজকে হারিয়ে যাচ্ছে কেন? আপনার কী মনে হয়?
 আমার মনে হয় থিয়েটার হল গুলো হারিয়ে যাচ্ছে ভালোবাসার অভাবে। আজকের থিয়েটারে অদ্ভুত একটা ব্যাপার হচ্ছে টাকা। টাকার পেছনেই সবাই ছুটছে। টাকা ছাড়া যেন আর কিছু নেই। এ প্রসঙ্গে তখনকার একটা নাটকের কথা আমি বলতে পারব। নাটকের নাম বামন অবতার। সেখানে ৩০ জন লোক এসেছেন নাটক দেখতে। তাই সেদিন আর নটক মঞ্চস্থ হল না। এই যে নাটক হল না তার ফলে শিল্পীদের মাইনেও দিতে পারল না। তো মাইনে পেলো না দেখে কি শিল্পীরা সেই দল ছেড়ে চলে গেলেন? না, তাঁরা কিন্তু সেই দল ছেড়ে চলে যাননি। এখনকার থিয়েটারে এসব নেই। এখন যদি কোনও নাট্যদল শিল্পীদের টাকা না দেয় শিল্পীরা কি সেই দলে থাকেন? থাকেন না। তাই উভয়েরই একটা সংঘবদ্ধতা চাই। গ্রুপ থিয়েটারে যারা ভালো অভিনয় করবেন তাঁদের দিতে হবে পেশাদারী মঞ্চ। সেই পেশাদারী মঞ্চ আজকের দিনে কোথায়? নেই তো। তাই শিল্পীদেরও একটা ফ্রাসট্রেশন আছে। আমি বলতে চাইছি এই যে নদী, নালা, ঝর্ণা এগুলো কোথায় গিয়ে পড়বে? সমুদ্রে। তো আজকের থিয়েটারে সমুদ্র কোথায়? সমুদ্র তো নেই। ফলে থিয়েটার চলছে না বলেই হলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা কেন হচ্ছে সেই জায়গাটা একটু খুঁজে দেখতে হবে সকলকে। থিয়েটারের উন্নতির জন্য জাতীয় নাট্যশালা চেয়েছিলেন শিশির ভাদুড়ী, শম্ভু মিত্র, কিন্তু জাতীয় নাট্যশালা কখনও হয়নি।
 আপনি তো বিদেশের থিয়েটার দেখেছেন?
 হ্যাঁ, আমি যখন বিদেশে যাই তখন কিন্তু বিদেশের থিয়েটার দেখি। সেখানে ১৫ বছর, ২৭ বছর, ২৮ বছর ধরে এক একটা নাটক চলছে। কিন্তু আমাদের দেশে কেন চলে না? এটা নিয়ে সবাই একটু ভাবুক না। সমস্যা খুঁজে দেখুক না। বিদেশের বাঙালি সমাজ আমার কাছে জানতে চাইলে আমি বলি আমাদের দেশের থিয়েটার শেষ হয়ে গিয়েছে। সেই থিয়েটার আর নেই। প্রফেশনাল থিয়েটার বলতে কিছু নেই। এখন গ্রুপ থিয়েটার আছে। গ্রুপ থিয়েটার হয়।
 আমাদের রাজ্যে কিছু কিছু চেষ্টা হচ্ছে...
 হ্যাঁ আমি ব্রাত্য বসুর নাটক দেখেছি। উনি চেষ্টা করছেন মোহিত মৈত্র মঞ্চটাকে ঘিরে কিছু করার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ওই হলটা সকলের চেনাজানা নেই। একটু অজানা জায়গায় মানুষ হাঁটতে একটু ভয় পায়। কিন্তু এটা খুব একটা বড় কথা নয়। আমার মনে হয় ধীরে ধীরে সেটা ঠিক হয়ে যাবে।
 দু’ দিনের জন্য হই হই করে থিয়েটার করা আর থিয়েটারকে দীর্ঘদিন বাঁচিয়ে রাখার মধ্যে তফাৎ আছে কি?
 নিশ্চই তফাৎ আছে। আমি অবশ্য মুর্খ মানুষ। কিন্তু তবু আমার মনে হয় লেবেদেফের হাত ধরেই বাংলা থিয়েটার আরম্ভ হয়। লেবেদেফ একজন মিউজিক্যালম্যান ছিলেন। এর আগে আমাদের দেশে যাত্রার প্রচলন ছিল। লেবেদেফ বাংলা থিয়েটার গড়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু তিনি কখনও ভাবেননি এটা টিকিয়ে রাখা যাবে কি না। সুদূরের ভাবনাটা ভাবেননি। তিনি একটা স্টান্ট দেখাবার কথা ভেবে ছিলেন, সেই স্টান্ট দিয়েই চলে গিয়েছেন। তখনকার দিনের সফেসটিকেটেড্‌ লোকেরা লেবেদেফের থিয়েটার দেখে থিয়েটার থিয়েটার করে চেঁচিয়ে ছিলেন। কিন্তু থিয়েটারকে টিকিয়ে রাখার কথা একবারও কেউ ভাবলেন না। কেউ কখনও ভাবলেন না দেখেই আজ বাংলা থিয়েটারের এই দুর্দশা।
 অভিনয় শিল্পে অর্থনৈতিক সমস্যা বড় হয়ে উঠছে কেন?
 আজকের দিনে প্রত্যেকটা মানুষের মধ্যেই টাকার হিসেবটা চলে এসেছে। কেন এই টাকার হিসেবটা এসেছে? এসেছে আমাদের সমাজ ব্যবস্থার জন্য। আজকে যে আলুর দাম চার টাকা, কালকে সেই আলুর দাম আট টাকা। শিল্পীরা কী করবেন? তাঁরা তো দিশেহারা হয়ে যাচ্ছেন। আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থার জন্যই মানুষ আজ দিশেহারা হয়ে যাচ্ছেন। যার এফেক্ট শিল্পের ওপরেও পড়ছে , সাহিত্যের ওপরেও পড়ছে, সবকিছুর ওপরেই পড়ছে।
 স্টার থিয়েটার যখন পুরে গেল তখন তো আপনি সেখানে অভিনয় করতেন?
 হ্যাঁ, স্টার থিয়েটারে যখন আমরা ‘ঘটক বিদায়’ করছি তখন স্টার থিয়েটার পুড়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হল। রঞ্জিতমল কাংকারিয়া বললেন, এই জায়গাটা যদি আমাকে দেওয়া হয় তাহলে আমি এখানে একটা ষ্টেজ বানিয়ে দেব। তখন রবি ঘোষ, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং আমি এই তিনজনে মিলে আমরা গেলাম মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর কাছে। ওঁকে বিষয়টি বলেছিলাম কিন্তু তখন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বললেন ওটা আপনার ভাবার দরকার নেই। কলাকুশলীদের জন্য অভিনেতৃ সংঘ আছে তাঁরা টাকা দেবে। কিন্তু সরি টু সে অভিনেতৃ সংঘ একটা টাকাও দেয়নি। প্রডিউসার অনুপ গুপ্ত এবং স্বপন সেনগুপ্ত এঁরাই কিন্তু কলাকুশলীদের ছয় সাত মাস ধরে টাকা দিয়ে গিয়েছেন। তারপর একটা সময় বললেন বউদি আর পারছি না। এরপর তো আর ওঁদের কিছু বলা যায় না। কতদিনই বা ওঁরা ঘর থেকে টাকা দেবে? তখন আমরা বাধ্য হয়ে বিজন থিয়েটারে ‘ঘটক বিদায়’ নাটকটা আবার মঞ্চস্থ করলাম। সেখানেও হাউসফুল হয়েছিল। এর পরেও আমি অনেক নাটকে অভিনয় করেছি। যেমন বিন্দুর ছেলে, জননী ইত্যাদি। জননী নাটকটা তপন থিয়েটার ভালো চলেছিল।
 হঠাৎ ভোটে দাঁড়ানোর পিছনে কী কারণ ছিল?
 আসলে কারণটা হল তখন কলকাতার মেয়র ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয়। ওঁকে বললাম আপনার কাছে আমাদের একটাই চাহিদা। আমাদের স্টার থিয়েটার তৈরি করে দিতে হবে। স্টার তৈরি হলে আপনি যা বলবেন আমরা তাই করব। উনি বললেন আপনাকে যাদবপুরে বুদ্ধদেববাবুর এগেনস্টে ভোটে দাঁড়াতে হবে। আমি এক দুই তিন করে সময় নিয়ে ভেবে দেখলাম বুদ্ধদেববাবুর এগেনস্টে ভোটে দাঁড়ালে আমি তো হারবই। ফলে আমার যেখানে জায়গা আমি সেখানেই থাকব। একবার শুধু ভোটে দাঁড়িয়ে একটু ঘুরে আসা। সেটা করলে অন্ততপক্ষে স্টার থিয়েটারটা তো তৈরি হয়ে যাবে। হলও তাই। তবে এমনভাবে ওঁরা স্টার থিয়েটার গড়লেন যে সেখানে থিয়েটার করাই যায় না। তাই আজ সেখানে আর থিয়েটার হচ্ছে না।
 একসময় আপনার তো অনেক বামপন্থী বন্ধু ছিল তাই না?
 এখনও প্রত্যেক বামপন্থী বন্ধুদের সঙ্গে আমার খুব ভালো যোগাযোগ আছে। জ্যোতিবাবু যখন মারা গেলেন তাঁর দশদিন আগেও আমি জ্যোতিবাবুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। ওঁকে দেখতে গিয়ে আমার একটা অদ্ভুত ফিলিং হল যে ফিল্মস্টার এবং মিনিস্টারের কোনও তফাৎ নেই। যতদিন চেয়ারে বসে আছি ততদিনই সব আছে। চেয়ার থেকে সরে গেলে তখন কেউ নেই। সেইদিন জ্যোতিবাবুকে দেখে এসে আমার মনে ভীষণ কষ্ট হল। কাজের জায়গা থেকে সরে গেলে তাঁর আর কোনও গুরুত্ব থাকে না। শেষ সময়ে আমাদের সকলের জায়গাগুলোই এক।
 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কী বলবেন?
 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার মানুষ। যার কোনও চাহিদা নেই। আমরা যে দুর্গা পূজা করি সেই দুর্গা কিন্তু প্রত্যেকের শক্তি থেকেই সৃষ্টি। দুর্গার একটা মাথা কিন্তু দশটা হাত। এই দশটা হাত কিন্তু স্বচ্ছ, সুন্দর সঠিক হওয়া দরকার। এইটুকু আমি ফিল করেছি।
04th  November, 2018
নাট্য পত্র-পত্রিকা

ব্রাত্যজন নাট্যপত্র
 প্রকাশিত হল ‘ব্রাত্যজন নাট্যপত্র’-র দ্বাদশ সংখ্যা। এটি নাট্য বিষয়ক এমন একটি পত্র যা হাতে পাওয়ার জন্য অনেকেই হা পিত্যেশ করে বসে থাকেন। এবারের সংখ্যার অনেক আকর্ষণের মধ্যে শুরুতেই যেটির কথা বলা উচিত তা হল, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার।
বিশদ

04th  November, 2018
একনায়কের শেষরাত আঙুল তোলে গণতন্ত্রের দিকে 

একনায়ক—শব্দটা শুনলেই আমাদের অনুভূতিতে একটা ধাক্কা লাগে। জন্ম নেয় একটা বিতৃষ্ণা, ভয়, ক্রোধ, হতাশা। কারণ, একনায়ক বললেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে কতকগুলো ছবি। হিটলার, গ্যাস চেম্বার, কনসেনট্রেশন ক্যাম্প, মুসোলিনি, ইদি আমিন, গণহত্যা ইত্যাদি।   বিশদ

29th  October, 2018
চিত্রশিল্প ও নাটক অনুপ গিরির প্রদর্শনী 

প্রয়াত খালেদ চৌধুরি নাটকের সেট ডিজাইনের কাজটিকে নামকরণ করেছিলেন ‘মঞ্চচিত্রণ’ বলে। কারণ, এই দেশখ্যাত শিল্পী উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন যে নাটকের মঞ্চ নির্দেশনার কাজটিও পেইন্টিংসের মতোই।  বিশদ

29th  October, 2018
শহরে একক অভিনয়ের আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব 

থিয়েটারের শহর কলকাতা। থিয়েটার নিয়ে নানান পরীক্ষা নিরীক্ষার আঁতুরঘর এই শহর। সে বাদল সরকারের থার্ড থিয়েটার থেকে শুরু করে মনোলগ যাই হোক না কেন! একক অভিনয়ের যাত্রা শুরুও এই শহর থেকে। তৃপ্তি মিত্র করলেন ‘অপরাজিতা’। পরে সেই নাটকই মারাঠি ভাষায় করলেন রোহিনী হাত্তাঙ্গাদি। একক অভিনয় বললেই আমাদের মনে পড়ে যায় ‘নাথবতী অনাথবৎ’, ‘কথা অমৃতসমান’। এই শহরেই অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছিলেন ‘নানা রঙের দিন’ (যদিও সঠিক অর্থে একক অভিনয় নয়, নাটকের শেষদিকে একটা ছোট্ট চরিত্রে দেখা যেত রাধারমণ তপাদারকে), ‘তামাকু সেবনের অপকারীতা’ (বেতার নাটক) প্রভৃতি একক অভিনয়।   বিশদ

29th  October, 2018
সাসপেন্স ও মনস্তত্বের টানটান যুগলবন্দি প্লে হাউস 

হিউম্যান সাইকোলজির বিচার বিশ্লেষণ করা সহজ নয়। পর্দায় বা মঞ্চে তা তুলে ধরাও বেশ কঠিন। এই দুরূহ কাজটি সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় তাঁর নির্দেশিত ‘প্লে হাউস’ নাটকটিতে।  বিশদ

29th  October, 2018
এই সময়ে বড় বেশি প্রাসঙ্গিক বিসর্জন নাটক

 কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত ‘বিসর্জন’ নাটকটির মধ্যে দিয়ে একটি বার্তা দিয়েছেন। যে বার্তাটি আজও এই উন্মত্ত পৃথিবীতে প্রাসঙ্গিক। বিভিন্ন সময়ে বহু অভিনীত নাটকটি সম্প্রতি নতুন আঙ্গিকে আবার মঞ্চস্থ হল মিনার্ভা থিয়েটারে।
বিশদ

22nd  October, 2018
নতুন সৃষ্টিতেই এগিয়ে যাক ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের প্রয়াস

সৃষ্টির আদিকাল থেকেই পুঁজিপতিদের হাতে সমাজ পরাস্ত হচ্ছে, তাও সৃষ্টি থেমে থাকেনি। প্রজাপতি ব্রহ্মা যখন সৃষ্টির কাজ প্রায় শেষ করেছেন তখন তার মাথায় একটা নতুন ভাবের উদয় হয়েছিল, নতুন এক প্রাণী সৃষ্টির ভাব। আর এই সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়েই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প অবলম্বনে ‘ঘোড়া’ নাটকটি সম্প্রতি মঞ্চস্থ হল তপন থিয়েটারে।
বিশদ

22nd  October, 2018
ভানু সুন্দরীর পালা ও তোতার কাহিনী

 ৮ই অক্টোবর মিনার্ভা থিয়েটারে মঞ্চস্থ হল চাকদাহ নাট্যজন এর দুটি নাটক। প্রথমটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের রোমিও এন্ড জুলিয়েট-এর ছায়া অবলম্বনে ‘ভানু সুন্দরীর পালা’ চাকদাহ নাট্যজনের একটি নিরীক্ষাধর্মী প্রযোজনা। বাংলাদেশের হাজার বছরের নাট্য আঙ্গিককে আশ্রয় করে তৈরি করা হয়েছে এই নাটকটি।
বিশদ

22nd  October, 2018
নকশাল আন্দোলনের পটভূমিতে এক ভালোবাসার রূপকথা

 ১৯৭০-৭১ সালের অশান্ত কলকাতা। নকশাল আন্দোলন যখন শহরের সমাজকে ছারখার করে দিচ্ছে তখনও কিছু মানুষ স্বপ্ন দেখে। নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন। আর এই নকশাল আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তর কলকাতার এক বেশ্যাপল্লির ভালোবাসার গল্প নিয়ে নাটক ‘অন্য ভূবন’ সম্প্রতি মঞ্চস্থ হয়ে গেল শিশির মঞ্চে।
বিশদ

22nd  October, 2018
মহাজনের বৈঠা 

গত ১লা অক্টোবর অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসে অভিনীত হল ঐহিক নাট্যগোষ্ঠির নিবেদন ‘মহাজনের বৈঠা’। নাটকটি ভবা পাগলার (ভবেন্দ্রমোহন চৌধুরি) জীবনকে অবলম্বন করে। পরিচালনা করেছেন অরিন্দম রায়। নাটকটির সংলাপও তাঁরই। মুখ্য চরিত্র অর্থাৎ ভবা পাগলার চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন তিনিই।   বিশদ

15th  October, 2018
প্রশাসনিক অন্তঃসারশূন্যতাকে সজোরে চড় কষায় ‘একটি গাছ একটি প্রাণ’ 

আমাদের দেশে লালফিতের বাঁধন কতটা পোক্ত তা নিয়ে আমাদের সবারই প্রায় অল্পবিস্তর অভিজ্ঞতা আছে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে আমলাতন্ত্র কীভাবে জাঁকিয়ে বসেছে তা নিয়ে অতীতে অনেক থিয়েটার, সিনেমা হয়ে গিয়েছে।   বিশদ

15th  October, 2018
মী র জা ফ র দর্শককে বিদ্ধ করবে, বিহ্বলও

কালিন্দী ব্রাত্যজনের নবতম প্রযোজনা দেখে এলেন সাহানা নাগচৌধুরি  বিশদ

15th  October, 2018
নাচে-গানে-অভিনয়ে জমজমাট থিয়েলাইটের ব্রাহ্মণ ও ব্রাহ্মণী 

আজ থেকে ১১১ বছর আগে দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার মশাই ছোটদের কথা ভেবে লিখেছিলেন ‘ঠাকুরমার ঝুলি’। গ্রাম বাংলার নানা রূপকথা, উপকথার একটি সংকলন এটি। এখন যাঁরা মধ্যবয়স্ক তাঁরা তো বটেই সম্ভবত হাল আমলের ছেলেমেয়েরাও এইসব গল্প পড়েছে বা বড়দের মুখে শুনেছে।  বিশদ

01st  October, 2018
নিউ টাউন স্কুলে দর্শিল সাফারির নাটক 

দর্শিল সাফারি নামটি প্রায় সবারই চেনা। আমির খান অভিনীত ও পরিচালিত ‘তারে জমিন পর’ ছবিতে তার অভিনয় সবার নজর কেড়েছিল। এখন অবশ্য সে অনেক বড় হয়ে গিয়েছে এবং নাটকে অভিনয় করছে।  বিশদ

01st  October, 2018
একনজরে
  সংবাদদাতা, কান্দি: বুধবার গভীর রাতে বড়ঞা থানার কুলি গ্রামে ভস্মীভূত হয় ছ’টি দোকান। খবর পেয়ে কান্দি থেকে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নেভায়। এই ...

 নিজস্ব প্রতিবেদন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ৬টি ম্যাচ পরে তিনি গোল পেলেন। এই পর্বে মোট ২০টি শট বিপক্ষের গোল লক্ষ্য করে নিয়েও তিনি ছিলেন অভুক্ত। দীর্ঘ ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: একদিকে অতিরিক্ত রিচার্জ ভ্যালুর বাড়তি সুবিধা প্রদান, অন্যদিকে এই ব্যবস্থায় জোনের একেবারে প্রান্তিক জায়গাগুলিকেও যুক্ত করায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলে অসংরক্ষিত টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে মোবাইল টিকেটিং ব্যবস্থার জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। ...

 ওয়াশিংটন, ৮ নভেম্বর (পিটিআই): দীপাবলি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, এই আলোর উৎসব ভারত-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনকে প্রতিফলিত করতে এক বিশেষ সুযোগ এনে দেবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

অত্যধিক পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতা। বাহন বিষয়ে সতর্কতা প্রয়োজন। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় অগ্রগতি বিষয়ে সংশয় বৃদ্ধি। আধ্যাত্মিক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৯৩: হুগলি নদীতে পৌঁছালেন ব্যাপ্তিস্ত মিশনারি মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম কেরি
১৮৬১: কানাডায় টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠে সরকারিভাবে নথিভুক্ত প্রথম ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়
১৮৭৭: ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা’র রচয়িতা মহম্মদ ইকবালের জন্ম
১৯৬০: জার্মান ফুটবলার আন্দ্রে ব্রেহমের জন্ম
১৯৭৪: ইতালির ফুটবলার আলেকজান্দ্রো দেল পিয়েরোর জন্ম
১৯৮৯: বার্লিন দেওয়ালের পতন
২০০৫: ভারতের দশম রাষ্ট্রপতি কে আর নারায়ণনের মৃত্যু
২০১১: নোবেল পুরস্কার জয়ী হরগোবিন্দ খুরানার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৪ টাকা ৭৩.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৬০ টাকা ৯৬.৯৩ টাকা
ইউরো ৮১.৭০ টাকা ৮৪.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  November, 2018
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০,৬৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,১৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  November, 2018

দিন পঞ্জিকা

২৩ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া ৩৮/৪৮ রাত্রি ঘ ৯/২০। নক্ষত্র-অনুরাধা ৩৬/৫৩ রাত্রি ঘ ৮/৩৫, সূ উ ৫/৪৯/১২, অ ৪/৫১/৪৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ঘ ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে।
২২ কার্তিক ১৪২৫, ৯ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ঘ ৯/১৩/৫৭। অনুরাধানক্ষত্র রাত্রি ঘ ৯/২২/৫৭। সূ উ ৫/৪৯/১১, অ ৪/৫১/১৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/৩৩/২০ মধ্যে ও ঘ ৭/১৭/২৮ থেকে ঘ ৯/২৯/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২/২৯ থেকে ২/৩৮/৫৩ মধ্যে ও ৩/২৩/২ থেকে ৪/৫১/১৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩/১০ থেকে ঘ ৯/১০/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৬/১১ থেকে ৩/১৩/৩৭ মধ্যে ও ৪/৫/২৮ থেকে ৫/৪৯/৫০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৪/৪৩ থেকে ৯/৫৭/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৭/২৯ থেকে ঘ ১১/২০/১৫ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৪৭ থেকে ঘ ৯/৪৩/১ মধ্যে। আজ ভ্রাতৃদ্বিতীয়া।
 
এই মুহূর্তে
গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত পুলিস 
সল্টলেক করুণাময়ীতে গভীর রাতে জলসা থামাতে গিয়ে প্রহৃত হলেন দুই ...বিশদ

04:59:28 PM

৭৯ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:52:11 PM

চায়না ওপেনে হার কিদাম্বি শ্রীকান্তের 

03:34:00 PM

১৭ নভেম্বর মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 

03:29:00 PM

মুর্শিদাবাদে প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ 
বৃহস্পতিবার রাতে মুর্শিদাবাদের গোদাপাড়া গ্রামে এক প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মারার অভিযোগে ...বিশদ

03:25:00 PM

মুর্শিদাবাদের শেরপুর মোড়ে দেড় কুইন্টাল গাঁজা সহ গ্রেপ্তার ৪ 
বৃহস্পতিবার রাতে খড়গ্রাম থানার শেরপুর মোড়ে প্রায় দেড় কুইন্টাল গাঁজা ...বিশদ

03:21:00 PM