Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

দেবী দুর্গা ও নবপত্রিকা

নবপত্রিকা দেবী দুর্গারই রূপ। তাঁর পূজার মাধ্যমে আমরা দেবীরই আরাধনা করি। আবার তাঁকেই লোকাচারে কলাবউ হিসেবে কল্পনা করা হয়। নবপত্রিকার মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব বিশ্লেষণে নন্দিনী ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী।

দুর্গাপুজোর রীতি ও পদ্ধতিগুলো আমরা পুরাণ পরবর্তীকাল থেকেই খুঁজে পাই। এবং সেখানে আমরা দেখি ষষ্ঠীর দিন যখন বেলগাছের তলায় দেবী দুর্গার বোধন হয় সেখানে নবপত্রিকা রাখা থাকে। হলুদ সুতো ও শ্বেত অপরাজিতা লতা দিয়ে ন’টি গাছের কাণ্ডকে একত্রিত করা থাকে। তাকেই দুর্গার প্রতীক হিসেবে মানা হয়। কিন্তু কেন নবপত্রিকাকে দুর্গার প্রতীক রূপে ধরা হয় তার বিশ্লেষণ করতে গেলে নবপত্রিকার মূলে যেতে হবে, জানালেন পুরোহিত নন্দিনী ভৌমিক। তিনি বললেন, ‘এখন আমরা এই নবপত্রিকাকে কলাবউ নামে চিনি। তারও আবার একটা কারণ রয়েছে, যে ন’টি গাছের উল্লেখ নবপত্রিকায় করা হয়েছে তার মধ্যে কলাগাছটিই সবচেয়ে বড় ও উল্লেখযোগ্য বলে একে কলাবউ বলা হয়। কিন্তু আসলে কোন কোন গাছ নবপত্রিকার মধ্যে রয়েছে তা একটু না জানলে দেবী দুর্গার সঙ্গে নবপত্রিকাকে মেলানো যাবে না। 
নবপত্রিকা অর্থাৎ, কলা, হলুদ, জয়ন্তী (জায়ফল), বেল, ডালিম, অশোক, মান, ধান, কচু। একটু খুঁটিয়ে দেখলেই বুঝবেন এই যে ন’টি গাছের সঙ্গে একটা সুষম আহারের যোগ রয়েছে। ধান অর্থাৎ ভাত। এছাড়া আছে দু’টি সব্জি— কচু ও মানকচু। এই দু’টির মধ্যে আয়রন বেশি আছে বলেই হয়তো এই দু’টিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অথবা এমনও হতে পারে যে এই দু’টি গাছের খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি হয় বলেও এদের ধরা হয়েছে। তারপর রয়েছে দু’টি মশলা হলুদ ও জায়ফল। সেক্ষেত্রেও কিন্তু একটা সমতা বজায় রাখা হয়েছে। হলুদ বাঙালির সব রান্নাতেই ব্যবহৃত হয়। পুরাণের যুগ থেকেই আমরা তাকে অ্যান্টিসেপ্টিক বলেও মানি। আর বাঙালির মুখে সুস্বাদু খাবার একটু বেশিই রোচে। তাই অন্য মশলাটি জায়ফল। তারপর কিছু ফলের কথা দেওয়া রয়েছে, কলা, বেল ও ডালিম। এই ফলগুলো সবই আমাদের শরীরের পক্ষে খুব উপকারী। বিশেষত ডালিম মহিলাদের জন্য বিশেষ উপকারী বলে ধরা হয়, কারণ এই ফল খেলে রক্তবৃদ্ধি হয়। এবং সবশেষে অশোকের কথায় আসা যাক। সুষম আহার খাওয়ার পরও যদি কারও কোনও ঘাটতি থাকে, কোনও অসুখ করে তাহলে অশোক রাখা হয়েছে, যা সর্বরোগরহিতা। এই গাছটি ঔষধির কাজ করে। তাই এই নবপত্রিকার মধ্য‌ একটা সুষম আহারের সমাহার পাওয়া যায়। এবং সেই কারণেই একে মা দুর্গার সঙ্গে এক করা হয়। মা যেমন আমাদের সব দুঃখ, শোক নাশ করেন, আমাদের ভালো রাখেন ঠিক তেমন ভাবেই নবপত্রিকাও আমাদের আগলে রাখে। আর সেই কারণেই নবপত্রিকাকে দেবী দুর্গা আখ্যা দেওয়া হয়।’  
এখন প্রশ্ন হল শ্বেত অপরাজিতা দিয়ে নবপত্রিকাকে বাঁধা হয় কেন? এই বন্ধনের সঙ্গেও কিন্তু দেবীর অন্তরঙ্গ যোগ রয়েছে। অপরাজিতা ফুল ও লতা শিব এবং দুর্গার অত্যন্ত প্রিয় হিসেবে বর্ণিত, জানালেন নন্দিনী। তিনি বললেন, নীল অপরাজিতা ফুলকে নীলকণ্ঠও বলা হয়। শিবের নামেই তার নামকরণ। আর সেই ফুলেরই আর এক ধরন শ্বেত অপরাজিতা। তার সঙ্গেও দেবী দুর্গার যোগ রয়েছে। দুর্গাপুজোয় অপরাজিতা ফুল লাগে। দশমীতে অপরাজিতা পুজো হয়। ফলে দেবী দুর্গা এবং অপরাজিতা ফুল ও লতা একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই এই লতাটি নবপত্রিকা বাঁধার জন্য ব্যবহৃত হয়। আর হলুদ সুতোর ব্যবহারের তাৎপর্যও রয়েছে। আমাদের ধর্ম অনুযায়ী মঙ্গলদায়ী রং এটি। বিয়ের কার্ডে আগেকার দিনে হলুদের ফোঁটা লাগানো হতো। বিয়ের আচারের অন্যতম গাত্রহরিদ্রা বা গায়ে হলুদ। ফলে এই রংটি আমাদের ক্ষেত্রে শুভ। এছাড়াও হলুদ স্বাস্থ্যের প্রতীক। ফলে তার ব্যবহার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 
এবার সপ্তমীর কথায় এলেন নন্দিনী। এখনকার রীতি অনুযায়ী সপ্তমীর সকালে কলাবউ স্নান একটা বড় অনুষ্ঠান, বললেন তিনি। আসলে দেবীর মহাস্নান দুর্গাপুজোর একটা বড় অংশ। তা রোজকার পুজোপদ্ধতির মধ্যেই রয়েছে। সেভাবেই নবপত্রিকা স্নানও দুর্গাপুজোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিটি গাছের জন্যই আলাদা স্নান মন্ত্র রয়েছে। জলশঙ্খ দিয়ে নবপত্রিকার স্নান করানোর সময় সেই মন্ত্র পড়া হয়। তবে এখন অবশ্য পুরোটাই কলাবউ স্নানে রূপান্তরিত। স্নানের পর নবপত্রিকার একটু সাজগোজেরও উল্লেখ রয়েছে পুরাণ পরবর্তী বিভিন্ন গ্রন্থে। দেবী দুর্গাকে তো আমরা কন্যা রূপে আরাধনা করি, বাড়ির মেয়েকে যেমন সাজানোর রীতি থাকে ঠিক তেমনই নবপত্রিকার সাজের উল্লেখ পাওয়া যায়। এবং এই যে সাজ এটা কিন্তু বিবাহিত বউয়ের মতোই সাজ। তাতে লাল পাড় শাড়ি, ঘোমটা সবই দেখা যায়। আর যেহেতু কলাগাছটাই এই নবপত্রিকার মূল ও একমাত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেহেতু তাকে লাল পাড় শাড়ি পরিয়ে সাজানোর মাধ্যমে বউয়ের আদল দেওয়া হয়। সেটাই বাঙালি রীতি মতে কলাবউ। এটা সম্পূর্ণ লোকাচার। নবপত্রিকা কিন্তু আদৌ গণেশের বউ নয়। পুরাণ পরবর্তী মত অনুযায়ী এটি ন’টি গাছ যাদের দেবীর পাশে রাখা হয় পুজো দেওয়ার জন্য। এবং নবপত্রিকা দেবী দুর্গা বলেই এই পুজো দেওয়ার রীতি উল্লেখ করা হয়েছে। মা আমাদের পুষ্টিদাত্রী, আর সেখানেও গাছের সঙ্গে মায়ের একটা বড় মিল রয়েছে। গাছ থেকেই যেহেতু আমরা পুষ্টি পাই, তাই তাকেই দেবীমাতৃকা রূপে পুজো করা হয়। পুজো চলাকালীনও কিন্তু নবপত্রিকার আলাদা আলাদা পুজো রয়েছে। প্রতিটি গাছকে দেবী দুর্গার এক এক রূপ হিসেবে কল্পনা করে পুজো করা হয়। কলা গাছে রয়েছেন ব্রহ্মাণী, হলুদ গাছে রয়েছেন দুর্গা, জয়ন্তী গাছে রয়েছেন কার্তিকী, বেল গাছে রয়েছেন শিবা, ডালিম গাছে রয়েছেন রক্তদন্তিকা, অশোক গাছে রয়েছেন শোকরহিতা, মান গাছে রয়েছেন চামুণ্ডা, ধান গাছে লক্ষ্মী এবং কচু গাছে রয়েছেন কালিকা। দুর্গার এই ন’টি রূপ কল্পনা করা হয় বলেই নবপত্রিকা সাক্ষাৎ দুর্গা। পুজোর প্রতিদিন যতবার দেবী দুর্গার ষোড়শোপচার পুজো হয় ততবারই নবপত্রিকার পঞ্চোপচার পুজো হয়। দীপ, ধূপ, গন্ধ, পুষ্প ও নৈবেদ্য সাজিয়ে সেই পুজো করার রীতি রয়েছে। সেটা নবমী পর্যন্ত করা হয়।
নবপত্রিকার এই যে কলাবউ হয়ে ওঠা, সেটা ঠিক কবে এবং কেন তা সঠিক বলা যায় না, জানালেন নন্দিনী ভৌমিক। তিনি বলেন, ‘কলাবউ নিয়ে একটা অনুমান শুধু করা হয়। বাঙালির দুর্গাপুজোর সূচনা তো জমিদারদের হাত ধরে, সেখানেই নবপত্রিকা থেকে কলাবউয়ের রূপান্তর বিশেষভাবে চোখে পড়ে। কলাগাছ সবচেয়ে বড় এবং কলাপাতা একটু নুইয়ে থাকে। অনেকটা ঘোমটা দেওয়া নববধূর মতো। সেই থেকেই কলাবউয়ের প্রচলন। আর যেহেতু নবপত্রিকা গণেশের পাশে, দেবী দুর্গার ডান দিকে অবস্থান করেন, তাই হয়তো গণেশের বউ হিসেবে তাকে কল্পনা করে নেওয়া হয়েছে। এটা একটা ভ্রান্ত অভ্যাসও বলা যেতে পারে।’ দুর্গাপুজো ঘিরে বাঙালিরা একটা ঘরোয়া আবহ তৈরি করেছি। দুর্গা আমাদের বাড়ির মেয়ে। পুজোর চারদিন সে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসে, ছেলেমেয়ে নিয়ে। এই যে পারিবারিক একটা চিত্র, এর সঙ্গেও কলাবউ দারুণ খাপ খেয়ে গিয়েছে। আর সেই কারণেও হয়তো আমরা নবপত্রিকাকে কলাবউয়ে রূপান্তরিত করতে দ্বিধা করিনি। এর মধ্যে একটা আদুরে ব্যপার আছে। দুর্গাপুজো বাঙালির মিলন উৎসব। পারিবারিক মিলনক্ষেত্র তৈরি হয় দুর্গাপুজোকে ঘিরে। সারা বছর যে যেখানেই থাকুক না কেন, পুজোর সময় সকলে একত্রিত হয়। এই যে মিলনোৎসবের আবহাওয়া সেখানেও মায়ের এই চার সন্তান এবং পুত্রবধূ নিয়ে মর্ত্যে বিরাজ করাটা যেন ভীষণ মানানসই হয়ে গিয়েছে। এইসব কারণেই হয়তো নবপত্রিকা আমাদের কল্পনায় কলাবউ হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে একটা আকর্ষণ, একান্নবর্তী পরিবারের প্রতি আমাদের ভালোবাসা সবকিছুই যেন জড়িয়ে রয়েছে। তবে এগুলো সবই আমাদের অনুমান মাত্র। এর কোনও প্রমাণ কিন্তু আমাদের কাছে নেই। 
দুর্গাপুজোর মাধ্যমে বাঙালি জীবনে প্রাণের সঞ্চার ঘটে। মহামিলনের উৎসব এই পুজো। এর মধ্যে দিয়েই আমরা মাতৃ আরাধনা করি। দেবী দুর্গার রূপমাধুরী আমাদের মনে আনন্দ জাগিয়ে তোলে। একই সঙ্গে নিজেদের সমর্পণ করি মায়ের পায়ে। যিনি আমাদের রক্ষা করেন, আমাদের দুঃখ দূর করেন, সব অসুখ থেকে বাঁচিয়ে রাখেন, তিনিই তো দুর্গা, দুর্গতিনাশিনী। 
 
01st  October, 2022
‘দায়িত্ব সামলেও 
স্বপ্নপূরণ করা যায়’

পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ‘বৌদি ক্যান্টিন’ থেকে পুজোর ভোজ সার্ভ করছেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। রান্না দিয়ে স্বপ্নপূরণের গল্প শোনালেন স্বরলিপি ভট্টাচার্য-কে। বিশদ

01st  October, 2022
৩৫৩ বছর পার করল 
ভোজেশ্বর পাল চৌধুরী বাড়ির পুজো

মাতৃ আরাধনার রীতিনীতি কিন্তু এক এক জায়গায় এক এক রকম। বাড়ির পুজোর কথা বলতে গেলে যৌথ পরিবার ভেঙেছে। মহিলারা আর অন্তঃপুরবাসিনী নন। ঘরের বাইরেও তাঁদের কর্মজগৎ হয়েছে। বাইরের জগতে পা রেখেছেন তাঁরা। বিশদ

01st  October, 2022
দুর্গাপুজোর  মাহাত্ম্য

দুর্গাপুজোয় মহাস্নান, পুজো, বলিদান আর হোম এই চারটি অনুষ্ঠান সমন্বিত হয় বলেই এই পুজোকে মহাপুজো বলা হয়। বিশ্লেষণ করলেন  চৈতন্যময় নন্দ।
বিশদ

24th  September, 2022
নারীর হাতে 
ঢাকের বোল

ঢাকে কাঠি পড়লেই পুজোর আনন্দে মেতে ওঠে মন। কিন্তু এই বোল কি শুধুই পুরুষের হাতে খোলে? মোটেও না। মহিলারাও রয়েছেন এই পেশায়। তাঁদের কথায় কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

17th  September, 2022
মায়ের যতনে

দুর্গামূর্তির গায়ে মাটির প্রলেপ পড়ে গিয়েছে। এবার রং আর সাজগোজ বাকি। বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে মায়ের সাজ বিষয়ে জানালেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

10th  September, 2022
আমি তোমারই মাটির কন্যা

হাত দু’টি যেন বিরাম পায় না তাঁর। বলা ভালো, তিনিই তাদের বিরাম দেন না। ঈশ্বরকে সাকার করেন অদিতি চক্রবর্তী, করেন আরও অসংখ্য কাজ। শারদোৎসবের আগে তাঁর সঙ্গে কথায় অন্বেষা দত্ত।
বিশদ

03rd  September, 2022
দুই নারী সংগ্রামী সংসারী

বাঘের খপ্পর থেকে বেঁচে ফিরেছেন স্বামী। বাধ্য হয়ে সংসারের হাল ধরেছেন স্ত্রী। সুন্দরবনের প্রত্যন্ত দুই গ্রাম্যবধূর লড়াইয়ের কাহিনি লিখলেন স্বরলিপি ভট্টাচার্য।   বিশদ

27th  August, 2022
এখন মেয়েরা

মহিলাদের উন্নয়নের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে মধ্যপ্রদেশ পর্যটন দপ্তর। মহিলাদের স্বনির্ভরতার উদ্দেশ্যে তারা রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন ধরনের হোম স্টে শুরু করেছে। এই ধরনের হোম স্টে মূলত মহিলা দ্বারা পরিচালিত। শুধু তা-ই নয়, হোম স্টে সংলগ্ন কিছু হ্যান্ডিক্র্যাফট বাজারও শুরু করেছে মধ্যপ্রদেশ পর্যটন দপ্তর। বিশদ

27th  August, 2022
শিশুদের নিয়ে শিশুদের জন্য

নন্দনা সেন। অনাথ ও গরিব শিশুদের দেখভালের কাজে সক্রিয় সবসময়। ‘ফর বেটার টুমরো’ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত তিনি। একটি সাক্ষাৎকারে কাজ নিয়ে তাঁর অনুভূতির কথা জানালেন কমলিনী চক্রবর্তীকে।
বিশদ

20th  August, 2022
বন্দুকবাজ মেয়ে

হুগলি জেলার ছোট্ট এক মফস্সল থেকে উড়ান শুরু বঙ্গতনয়া মেহুলি ঘোষের। ২০২২-এ শ্যুটিং বিশ্বকাপে সোনা জয়। এখন লক্ষ্য প্যারিস ওলিম্পিকস। তাঁর সঙ্গে আলাপচারিতায় মনীষা মুখোপাধ্যায়।
বিশদ

20th  August, 2022
বিপ্লবীদের প্রেরণার  উজ্জ্বল
অগ্নিশিখা শ্রীমা সারদা দেবী

বিপ্লবী ছেলেদের আগলে রেখেছিলেন মা সারদা। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তিতে লিখছেন পূর্বা সেনগুপ্ত। বিশদ

13th  August, 2022
বীণা দাস
সশস্ত্র সংগ্রামের বিপ্লবী নেত্রী 

 

১৯৩২ খ্রিস্টাব্দের ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট হলে বক্তৃতা দিতে উঠেছেন অবিভক্ত বাংলার তৎকালীন রাজ্যপাল স্যার ফ্রান্সিস স্টানলি জ্যাকসন। সেই জ্যাকসন যিনি ক্রিকেটার হিসাবে কুড়িটা টেস্ট ম্যাচ খেলে ইংল্যান্ডকে অনেক জয়ের মুকুট পরিয়েছিলেন। বিশদ

13th  August, 2022
গণেশ জননী

১৪ বছর বয়স থেকে হাতি ধরতে ওস্তাদ। আজও হাতির সঙ্গেই কাটে অধিকাংশ সময়। ‘ওয়ার্ল্ড এলিফ্যান্ট ডে’-র আগে জঙ্গুলে জীবনের দীর্ঘ কাহিনি ভাগ করে নিলেন পার্বতী বড়ুয়া। লিখেছেন স্বরলিপি ভট্টাচার্য।   বিশদ

06th  August, 2022
এখন মেয়েরা
 

নানা রূপে নারকেল: নারকেল দিয়ে তেল বানিয়ে তা থেকে নানারকম প্রসাধনী বানান বিদিশা বসু। পাশাপাশি নারকেলের খোলা দিয়ে বানিয়ে ফেলেন অন্দরসজ্জার বিভিন্ন সামগ্রী।  বিশদ

06th  August, 2022
একনজরে
শুক্রবার আইএসএল অভিযান শুরু করছে ইস্ট বেঙ্গল। প্রতিপক্ষ কেরল ব্লাস্টার্স। বুধবার কোচি পৌঁছনোর কথা ইভান গঞ্জালেস-শৌভিক চক্রবর্তীদের। ইস্ট বেঙ্গলের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। শনিবার কোচ ...

ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করেছে রাশিয়া। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে আনা খসড়া নিন্দা প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থাকল ভারত। তবে অবিলম্বে আলোচনার মাধ্যমে হিংসা বন্ধের দাবি জানিয়েছে ভারত।  ...

আগস্ট থেকে শুরু হয়েছিল একটু একটু করে দাম কমা। অক্টোবরেও রেশনে কেরোসিনের দাম কমতে চলেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি এ মাসে কেরোসিনের যে ‘ইস্যু প্রাইস’ নির্ধারণ ...

পঞ্চমীর রাতে ডোমকলে রাজ্য সড়কে বেপরোয়া বাইক দুর্ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বাইকের আর এক আরোহী গুরুতর জখম হয়েছেন। বেপরোয়া বাইক চলাচল রুখতে শনিবার থেকে কড়া ব্যবস্থা নিল মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিস। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

যে কোনও কর্মেই একটু বাধা থাকবে। তবে উপার্জন মন্দ হবে না। ললিতকলায় ব্যুৎপত্তি ও স্বীকৃতি। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস
ভারতে গান্ধী জয়ন্তী
পথশিশু দিবস 
১৭৯০: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আদমশুমারি শুরু হয়
১৮১৪: সমাজ সংস্কারক দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৮৬৬: হিন্দু সন্ন্যাসী ও রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী অভেদানন্দর জন্ম
১৮৬৮: কলকাতায় জেনারেল পোস্ট অফিস উদ্বোধন হয়
১৮৬৯: মহাত্মা গান্ধীর জন্ম
১৮৮৯: অভিনেতা ও নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর জন্ম
১৯০৪: দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্ম
১৯০৬: শিল্পী রাজা রবি বর্মার মৃত্যু
১৯১৭: কবি অক্ষয়চন্দ্র সরকারের মৃত্যু
১৯২৪: বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক তপন সিংহের জন্ম
১৯৫০ - কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিকের জন্ম
১৯৬২: ‘টারজান’ খ্যাত হলিউড তারকা জো লারার জন্ম
১৯৭২: মুম্বই তথা তৎকালিন বোম্বেতে ভারতের প্রথম টেলিভিশন কেন্দ্র চালু হয়
১৯৯৬ : মাদার তেরেসা আমেরিকার সম্মানিক নাগরিকত্ব লাভ করেন



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮০.৭৮ টাকা ৮২.৫৩ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৫৪ টাকা ৯২.৭৬ টাকা
ইউরো ৭৮.৫৬ টাকা ৮১.৫৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৮,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৯,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ আশ্বিন, ১৪২৯, রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২।  সপ্তমী ৩৩/১০ রাত্রি ৬/৪৮। মূলা নক্ষত্র ৫০/৫১ রাত্রি ১/৫৩। সূর্যোদয় ৫/৩১/৫২, সূর্যাস্ত ৫/২০/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৩/১৯ গতে ৮/৪০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৪৭ গতে ৯/২৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫১ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪৬ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে। 
১৫ আশ্বিন, ১৪২৯, রবিবার, ২ অক্টোবর, ২০২২। সপ্তমী রাত্রি ৬/২২। মূলা নক্ষত্র রাত্রি ২/২৬। সূর্যোদয় ৫/৩২, সূর্যাস্ত ৫/২২। অমৃতযোগ দিবা ৬/২৬ গতে ৮/৪২ মধ্যে ও ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৪ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৮ মধ্যে ও ২/১৮ গতে ৫/৩২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৩১ গতে ৪/১৬ মধ্যে। 
৫ রবিউল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শারদ শুভেচ্ছা ও ছুটি
দেবীর আবাহনে গোটা বাংলা মেতেছে উৎসবের আনন্দে। শারদোৎসব উপলক্ষে ‘বর্তমান’-এর সকল ...বিশদ

04:00:00 AM

সাংসদ পদ ছাড়লেন খাড়্গে
কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কংগ্রেস নেতা ...বিশদ

01-10-2022 - 02:42:50 PM

দিল্লিতে পিইউসি ছাড়া মিলবে না তেল
২৫ অক্টোবরের পর থেকে দূষণ নিয়ন্ত্রণের ছাড়পত্র  ছাড়া দিল্লিতে পাওয়া ...বিশদ

01-10-2022 - 02:32:37 PM

চিকিৎসক নীলরতন সরকার ও সঙ্গিতজ্ঞ শচীনদেব বর্মণের জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন মন্ত্রী অরূপ রায়

01-10-2022 - 01:21:00 PM

ভারতে বন্ধ করা হল পাকিস্তানি সরকারের টুইটার অ্যাকাউন্ট

01-10-2022 - 12:54:30 PM

ভারতীয় সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল আমেরিকা
ইরান থেকে তেল কেনার জন্য একটি ভারতীয় কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ...বিশদ

01-10-2022 - 12:42:02 PM