Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

নারীর নিরাপত্তায় সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকা 

ঘটনা এক
অফিস থেকে ফিরতে সেদিন একটু বেশিই঩ দেরি হয়ে গিয়েছিল অন্তরার। তার কাজটাই এমন। সময়ের ঠিক থাকে না। সেদিন বড় রাস্তায় ক্যাবের জন্য অপেক্ষা করার সময় কোথা থেকে একটা গাড়ি সামনে এসে দাঁড়ায়। নেমে আসে জনা দুই-তিন বীরপুঙ্গব। শুরু হয় অশ্লীল বাক্যবাণ। তার ওপরে হাত ধরে টানাটানি। পরিস্থিতি বুঝেই একদম শুরুতেই ১০০ ডায়াল করায় সে যাত্রায় রক্ষা পেয়েছিল অন্তরা। রাগে, দুঃখে, অপমানে, ভয়ে ঠকঠক করে কাঁপছিল সে, নিজের শহরে নিজের নিরাপত্তাহীনতার কথা ভেবে।

ঘটনা দুই
সন্ধেবেলায় বন্ধুর সঙ্গে স্কুটারে চেপে বেরিয়েছিল সোহিনী। পথে, পাশ দিয়ে যাওয়া অটোর ভেতর থেকে উড়ে এল কটূক্তি। প্রতিবাদ করায় মারধর। সঙ্গে শাসানি, হুমকি আর অকথ্য ভাষার গালিগালাজ। এরপর অভিযোগ জানানো হলেও চলে চাপান-উতোর, ন্যায়-অন্যায় বিচার, সোহিনীর পোশাক নিয়ে বিতর্ক। একবিংশ শতাব্দীতে প্রযুক্তির ধ্বজা ওড়ানোর সময়ে দাঁড়িয়েও একজন মেয়ের পথ চলাতে নিরাপত্তার কতটা অভাব সেটা এই ঘটনা থেকে সহজেই অনুমেয়।

ঘটনা তিন
কিশোরী কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বাবা-মা বাসে উঠেছেন। চলন্ত বাসের সামনে বসা দুই যুবকের অশালীন আচরণ, কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি এবং শেষে মা-মেয়ের ছবি মোবাইল বন্দি করায় ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়। মায়ের চিৎকারে ও বাসের লোকজনের সম্মিলিত প্রতিবাদে রক্ষা পান কিশোরী কন্যাটি। এখন শহরে কি গ্রামে দিনের আলো বা রাতের অন্ধকারে মেয়েরা নিরাপদ নয় একেবারেই। আজও ভাবলে শিউরে ওঠে কিশোরী কন্যা ও তার মা।
খবরের কাগজ খুললেই শিরোনামে নারীর ওপর নেমে আসা জঘন্য সব লাঞ্ছনার ঘটনা প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত আমাদের চোখে পড়ে। শুধু রাতবিরেতেই নয়, দিনের আলোয়, দুপুরে, সন্ধে সব সময় ঘটে চলেছে একটার পর একটা ঘটনা। শুধু অন্তরা, সোহিনীই নয়, অপর্ণা, আরতি, অনিন্দিতা, দেবস্মিতা অথবা করুণা, মালতী, ভজা বা পচা বা ক্যাবলার মা এছাড়া ছোট ছোট দুধের শিশু দিয়া, হিয়া, রিয়া এরাই বা কতটা নিরাপদ?
স্কুলে, কলেজে, পথে, ঘাটে, বাসে, ট্রামে, ট্রেনে, প্লেনে, কর্মক্ষেত্রে এমনকী নিজের বাড়িতেও কতটা নিরাপদ মেয়েরা? সবসময়ই একজন নারী নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। আজও সমাজে মেয়েদের দুর্বল ভাবা হয়। সমাজে, সংসারে মাথা উঁচু করে বাঁচার ক্ষেত্রে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায় এই সমস্ত প্রতিকূল পরিস্থিতি। মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকাই বা কতটা? কী ব্যবস্থা গ্রহণ করলে নারী নিরাপদ থাকবে? নাকি এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা? সমাজ বা রাষ্ট্রের দায়ই বা কতটা? কী ব্যবস্থা নিয়েছে বা নিচ্ছে সমাজ? এই সমস্ত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন সমাজতত্ত্ববিদ ডঃ পার্থসারথি দে।
 সমাজে মেয়েদের নিরাপত্তার অভাববোধ করা কতটা সঙ্গত?
 নিরাপত্তার অভাব বা নিরাপত্তাহীনতা যদি একজনের মধ্যে দানা বাঁধে তাহলে সেটা ধীরে ধীরে সমাজে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে বিষয়টাকে যদি আমরা দেখি, সমাজে তো আমরা সবাই চলাফেরা করছি। কখনও যদি দু-চারটে ঘটনা ঘটে তার ওপর ভিত্তি করে তো আমরা সাধারণীকরণ করতে পারি না। তবে হ্যাঁ, যদি সেটা নিরন্তর ঘটতে থাকে অনেক মেয়ের ওপর বারবার, তখন বলা যায় বিষয়টা সমাজের ওপর গাঢ় ছায়া ফেলেছে। তখন সেটা দূর করার বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা অবশ্যই করতে হবে। পাশাপাশি এটাও বলব যে, পুরুষদের নিরাপত্তার অধিকার তো একচেটিয়া হতে পারে না, মহিলাদেরও সমান অধিকার আছে সমাজে। তো সেই কারণে নিরাপত্তাহীনতার বোধটা মহিলাদের মধ্যে না থাকাই বাঞ্ছনীয়। মহিলারাও সব পেশায়, সব কাজে এগিয়ে আসছেন সমস্ত বাধা-বিপত্তি দূরে ঠেলে। সমাজের বুকে ঘটে চলা বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে একসঙ্গে গাঁথার ভাবনা থেকে দূরে থাকাই উচিত। এই ধরনের ঘটনা কাঙ্ক্ষিত নয়। একশো জন মহিলার মধ্যে হয়তো একজনের সঙ্গে কোনও একদিন অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটল এখন সেইটা ধরে নিয়ে যদি মহিলারা পিছিয়ে যান বা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন সেটাও ঠিক নয় একেবারেই। তবে আবারও বলছি মেয়েদের ওপর ঘটে চলা অপরাধমূলক কোনও একটি ঘটনাও কাম্য নয় একেবারেই।
 কী করে সমাজে মেয়েদের অবস্থানের উন্নতি ঘটবে?
 মেয়েদের অবস্থার উন্নতি ঘটার ক্ষেত্রে মেয়েদের পরিবারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। লিঙ্গবৈষম্য শুরু হয় পরিবার থেকেই। এটা কাটানোর জন্য সামাজিক শিক্ষা খুব জরুরি। মানসিকতার আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। পুরুষ ও নারীর সমানাধিকার এই ভাবনা তৈরি করার পিছনে বাবা-মা, দাদু-ঠাকুমা, কাকা-পিসি সহ পরিবারের প্রত্যেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আবহমানকাল ধরে প্রথম পরিবারেই শুরু হয় মেয়েদের খাটো করার পদ্ধতি। একই পরিবারে ভাই-বোন দু’জন থাকলে ছেলেটিকে খাওয়া, খেলা, পড়া, আদর-আহ্লাদে প্রাধান্য দেওয়ার মানসিকতা দেখা যায়। এই মনোভাবের পরিবর্তন ভীষণভাবে দরকার। তবেই ছোট থেকে কন্যাসন্তানটির বোধ, ভরসা, বিশ্বাসের জায়গা তৈরি হবে। এছাড়া সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আরেক বিষয় উল্লেখ করা দরকার, সেটা হল গ্রাম এবং শহরে এই দুই ক্ষেত্রেই মহিলাদের সমান গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। গ্রামীণ মহিলাদের শুধু শিক্ষা নয়, স্বনির্ভর করতে হলে প্রশিক্ষণ জরুরি। সমাজ ও রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে আইন, নিয়ম-কানুন নিয়ে। যে কোনও বয়েসের মহিলাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে তাই নয়, মেয়েটি যাতে শারীরিক নিগ্রহ বা লাঞ্ছনার শিকার হলেও প্রতিবাদের মনোবল অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে সেই মানসিকতা তার মনে গড়ে তুলতে হবে পরিবারের লোকজনদের। ভয়ে, লজ্জায় নয়, দৃঢ় মনোভাব নিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার সাহসের শিক্ষা আসবে পরিবার থেকেই।
 আজও সমাজে মেয়েদের দুর্বল ভাবা হয়। এই ধারণা কতটা সঠিক?
 এমন ভাবনাই ভুল। সমাজের বুকে যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই ধারণার বদল দরকার। মেয়েরা তো সব পেশায়, সব ক্ষেত্রে ছেলেদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দৌড়ে বেড়াচ্ছে। ছেলেদের তুলনায় শারীরিক পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তাদের আটকানো যাচ্ছে কি? শুধু দৌড়ে বেড়াচ্ছে বলা বোধহয় ভুল হবে নিজেদের সফল হিসেবে প্রমাণও করেছে মেয়েরা। তাহলে তাদের দুর্বল ভাবার কারণটা কী? এই মানসিকতার পরিবর্তন বাঞ্ছনীয়।
 মেয়েদের আত্মসচেতনতা কতটা জরুরি?
 ভীষণ জরুরি। এর পিছনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবদান খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটি মেয়ে আত্মসচেতন হলে তবেই পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। এর জন্য কিছু সংস্থা, সংগঠন, সমাজের অন্য অংশের মানুষ, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় এবং রাষ্ট্রের পরিকল্পনা প্রয়োজন। গ্রামের মেয়েদের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র আর্থিক সহায়তা দিয়ে উন্নতি ও সচেতনতা সম্ভব নয়। সামাজিক শিক্ষা এবং বার্তারও প্রয়োজন। গ্রামীণ সমাজ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতাও দূর করতে হবে।
 আর্থিক স্বনির্ভরতা মেয়েদের কতটা নিরাপত্তার অনুভূতি জোগায়?
 অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জোগায়। মেয়েরা যদি আর্থিক দিক থেকে স্বয়ম্ভর হয় তাহলে নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা অনেকটা সাহস পায়। প্রতিকূল পরিস্থিতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো বা মোকাবিলা করার জোর আপনিই আসে। বাইরের জগতের সঙ্গে যোগাযোগ মেয়েদের মনের প্রসার ঘটায়। শুধু তাই নয়, অনেক সময়ই দেখা যায় নিজের জীবন সম্পর্কে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারার মনোবল ও আত্মপ্রত্যয় স্বনির্ভরতা থেকেই আসে।
 সমাজে ও সংসারে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হলে বিশেষ কী কী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার?
 (১) প্রতিটি মেয়েকে শিক্ষা দিতে হবে। অর্থাৎ শিক্ষার অধিকার বাস্তবায়িত করতে হবে। (রাইট টু এডুকেশন)।
(২) সচেতনতার প্রশিক্ষণ দিতে হবে। (অ্যাওয়ারনেস ট্রেনিং)
(৩) কী শহরে অথবা গ্রামে বিভিন্ন মহিলাদের বয়স অনুযায়ী হাতে-কলমে প্রশিক্ষিত করতে হবে। বয়স্ক শিক্ষা (অ্যাডাল্ট এডুকেশন) জরুরি।
(৪) প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মেয়েদের সহায়ক নানা ব্যবস্থা যে সমাজ ও রাষ্ট্রের আছে এটা মেয়েদের জানা জরুরি।
 মেয়েরা নাকি লাইসেন্স নেওয়া বন্দুক কিনছে। এটা কি আদৌ জরুরি? নাকি বাড়াবাড়ি চিন্তা?
 না, এটা একেবারেই সমর্থনযোগ্য নয়। বন্দুক মানে তো আরেকটা হিংস্রতার জন্ম দেওয়া। তার জন্য রাষ্ট্রের ব্যবস্থা রয়েছে, পুলিস আছে। তারা লাইসেন্স নিয়ে ব্যবহার করবে। গ্রামের ক’টা মেয়ে এটা পারবে? ধরা যাক, একটি ছেলে অভব্য আচরণ করল তাহলে সেই মেয়েটি নিরাপত্তার জন্য তাকে গুলি করে মেরে দেবে? তাহলে তো একটা অন্যায় আরেকটা অন্যায়ের জন্ম দেবে। এগুলো পশ্চিমী ধারণা। আমাদের দেশে এর থেকে অনেক ভালো পদ্ধতি রয়েছে। নিরাপত্তার জন্য বন্দুক না রেখে মেয়েরা বরং ক্যারাটে, জুডো শিখুক।
 মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য, উন্নতির জন্য সমাজ কী ব্যবস্থা নিয়েছে বা নিচ্ছে?
 ভারতবর্ষের সামাজিক যে পরিকাঠামো, যে ঐতিহ্য আর সংস্কৃতি রয়েছে তাতে সব সময় যে মহিলাদের খুব খারাপ অবস্থা ছিল তেমনটা নয়। স্বাধীনতার পর থেকে মহিলাদের অবস্থার ক্রমশ উন্নতি হয়েছে। এরও পরে একবিংশ শতাব্দীতে এসে সামাজিক, রাজনৈতিক অথবা অর্থনীতিতেও মহিলাদের অংশগ্রহণ দেখবার মতো। সমস্ত কঠিন শিক্ষাও দেয় তাদের সহজাত দক্ষতায়। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে অর্থনীতিবিদ, সোশ্যাল প্ল্যানার, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, এয়ার ক্রাফট পাইলট এবং অনেক ধরনের এমন পেশা যেগুলোয় পুরুষদের একচেটিয়া আধিপত্য ছিল, সেই সব পেশা যেমন যুদ্ধবিমান পরিচালনা এবং আর্মিতে মহিলাদের স্কোয়াড তৈরি হয়েছে। কোনও ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই তারা। এই যে সমাজের সর্বস্তরে মহিলাদের উত্তরণ এর পেছনে কোনও না কোনওভাবে রাষ্ট্র এবং সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনও নানা সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলেই এসব সম্ভব হয়েছে।
তনুশ্রী কাঞ্জিলাল মাশ্চরক 
19th  October, 2019
শুধু লোকাচারে বিয়েকে
বেঁধে ফেললেই বিপদ

একটি বিবাহবিচ্ছেদের মামলাকে কেন্দ্র করে গৌহাটি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অজয় লাম্বা ও বিচারপতি সৌমিত্র শইকিয়া রায় দিয়েছেন, হিন্দু এয়োস্ত্রীর শাঁখা-সিঁদুরে ভূষিত না থাকার অর্থ নিজেকে ‘অবিবাহিত’ মনে করা। এই রায় কি আদৌ সমর্থনযোগ্য? বিশ্লেষণ করলেন সমাজতত্ত্ববিদ বুলা ভদ্র। বিশদ

11th  July, 2020
নাম বদলালে কালোর
কদর হবে নাকি ?

এত উন্নতি। তবু আজও নারীর রূপের বিচার হয়, গুণের কদর হয় না। তাই তো কালো মেয়ের বাবা- মায়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে। কোনও প্রসাধনী সামগ্রীর নাম পাল্টে গেলে সেই মেয়েদের ভাগ্য বদলাবে কি? প্রশ্ন তুললেন অন্বেষা দত্ত।
বিশদ

11th  July, 2020
এমসিসির প্রথম
মহিলা-প্রেসিডেন্ট 

ঐতিহ্যবাহী মেরিলেবন ক্রিকেট ক্লাবে (এমসিসি) ২৩৩ বছরের ইতিহাসে প্রথম মহিলা-প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ক্লেয়ার কনর। ইংল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দলের সাবেক এই অধিনায়ক ২০২১ সালের ১ অক্টোবর মর্যাদাপূর্ণ এই পদে বসতে চলেছেন।
বিশদ

11th  July, 2020
মধ্যপ্রদেশের সেরা কন্যা 

অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়াশোনার জন্য প্রতিনিয়ত লড়াই চালাতে হয়েছে রোশনি ভাদোরিয়াকে। শুধু সরকারি স্কুলে পড়বে বলে ২৪ কিলোমিটার পথ রোজ সাইকেল চালিয়ে যাতায়াত করেছে সে। অবশেষে এই খাটুনির ফলও পেয়েছে সে।
বিশদ

11th  July, 2020
সবার অনুপ্রেরণা হয়ে উঠব,
সেটাই ছিল আমার স্বপ্ন: শিবাঙ্গী  

লেফটেন্যান্ট শিবাঙ্গী হিসেবেই তিনি পরিচিত। পদবি ব্যবহারে বড্ড আপত্তি। নামই বরং হয়ে উঠুক পরিচয়, ক্ষতি কী? তবে গত ডিসেম্বর মাস থেকে তাঁর পরিচয়ের পরিধি আর একটু প্রসারিত। তিনি এখন লেফটেন্যান্ট শিবাঙ্গী, ভারতীয় নৌসেনার প্রথম মহিলা পাইলট।  বিশদ

04th  July, 2020
পেশার দুনিয়ায় প্রথা ভেঙে প্রথমা
বাঁধা গতে নয়, এগিয়ে যেতে চাই নিজের পছন্দে: হর্ষিণী কনহেকর  

মেয়েদের সম্পর্কে পুরনো ধারণাগুলো একে একে পাল্টে দিতে আমরা মেয়েরাই পারি। ভিন্নধর্মী দু’টি পেশায় নিযুক্ত দু’জন মহিলার তেমনই পদক্ষেপ সম্পর্কে জানালেন কমলিনী চক্রবর্তী। 
বিশদ

04th  July, 2020
এখন মেয়েরা 

এখন সময় মানবিকতার। করোনা সঙ্কটে কাউকে কাছে টানা যায় না ঠিকই, কিন্ত পাশে থাকা যায়। যেসব মানুষ লকডাউনের কারণে অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে পড়ে গিয়েছেন, তাঁদের পাশে বিত্তবানদের দাঁড়ানো উচিত।  বিশদ

04th  July, 2020
নাচেই মুক্তির দিশা 

শুধু নাচ শেখানো নয়। নাচকে আত্মবিশ্বাস ফেরানোর কাজে লাগাতে চেয়েছিলেন তিনি। পাচার হয়ে যাওয়া মেয়েদের বেঁচে থাকাকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন। তাই নির্যাতনে কুঁকড়ে গিয়ে একদিন যাঁদের জীবন থমকে গিয়েছিল, তাঁরাই আজ অগ্রণী। ৩০ জুলাই, আর্ন্তজাতিক মানব-পাচার বিরোধী দিবস। তার আগে কলকাতা সংবেদের সোহিনী চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলেছেন অন্বেষা দত্ত। 
বিশদ

04th  July, 2020
বিশ্বের সেরা সুন্দরী ঠাকুমা
ভারতের আরতিদেবী 

সম্প্রতি ইউরোপের দেশ বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় শেষ হল ‘গ্র্যান্ডমা আর্থ ২০২০-র আসর। বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী ঠাকুমার মুকুট উঠেছে ভারতীয় মহিলা আরতি চাটলানির মাথায়। এই পুরস্কার এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলার মাথায় উঠল। চলতি বছর (২০২০) ১৯ থেকে ২৩ জানুয়ারি বুলগেরিয়ায় এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।  
বিশদ

27th  June, 2020
৯০ বছর বয়সে ব্যবসায়
হাতেখড়ি বৃদ্ধার 

৯০ বছরের মায়ের সঙ্গে গল্প জুড়েছিলেন মেয়ে। বৃদ্ধা মা এখন ভালো করে হাঁটতে পারেন না, চোখের দৃষ্টিও আগের চেয়ে অনেক ঝাপসা। মায়ের কী করতে ভালো লাগে? ৯০ বছর কাটানোর পর জীবনটাকে কীভাবে দেখেন তিনি? এইসব নিয়ে কথা এগোচ্ছিল। কথা প্রসঙ্গেই মাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন মেয়ে, তাঁর জীবনে কোনও আক্ষেপ রয়েছে কি না।  
বিশদ

27th  June, 2020
মহিলাদের মধ্যে বেকারত্ব বাড়ছে লকডাউনের জন্য 

দীর্ঘ লকডাউনের ফলে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। রোজগার বন্ধ হয়েছে বহুজনের। তার মধ্যে মহিলারা যতটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, পুরুষরা ততটা হননি। অন্তত পরিসংখ্যান তাই বলছে। এই বিষয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা করেছেন র‌্যাশেল লেভেনসন ও লায়লা ও’কেন।  বিশদ

27th  June, 2020
সঙ্কটে দাম্পত্য, বাড়ছে নারী নির্যাতন
বন্দি ঘরের মধ্যে বেড়েছে হিংসা, আমরা চেষ্টা করেছি পাশে থাকার 

লকডাউনের অনেক অসুবিধার মধ্যে শিরোনামে এসেছে বাড়িতে দাম্পত্য অশান্তি, মনোমালিন্য থেকে শুরু করে পুরোদস্তুর নির্যাতন বেড়ে যাওয়ার ঘটনা। মহিলা এবং শিশুরাই যার প্রাথমিক শিকার। ২০-৩১মার্চের মধ্যে (লকডাউনের প্রথম সপ্তাহ) চাইল্ডলাইন ১০৯৮এ সারা দেশ থেকে ৯২ হাজার এসওএস কল গিয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশন শুধু এপ্রিলেই ৩১৫টি পারিবারিক হিংসার অভিযোগ পেয়েছে। পরিসংখ্যানগুলোর গ্রাফ কিন্তু এখনও উর্ধ্বমুখী। এ ব্যাপারে সমাজকর্মী অনুরাধা কাপুরের সঙ্গে আলোচনায় কমলিনী চক্রবর্তী এবং অন্বেষা দত্ত।  
বিশদ

27th  June, 2020
সঙ্কটে দাম্পত্য, বাড়ছে নারী নির্যাতন
ক্রমশ বাড়ছে অন্তর্দ্বন্দ্ব, নড়বড়ে হচ্ছে বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত

লকডাউনের অনেক অসুবিধার মধ্যে শিরোনামে এসেছে বাড়িতে দাম্পত্য অশান্তি, মনোমালিন্য থেকে শুরু করে পুরোদস্তুর নির্যাতন বেড়ে যাওয়ার ঘটনা। মহিলা এবং শিশুরাই যার প্রাথমিক শিকার। ২০-৩১মার্চের মধ্যে (লকডাউনের প্রথম সপ্তাহ) চাইল্ডলাইন ১০৯৮এ সারা দেশ থেকে ৯২ হাজার এসওএস কল গিয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশন শুধু এপ্রিলেই ৩১৫টি পারিবারিক হিংসার অভিযোগ পেয়েছে। পরিসংখ্যানগুলোর গ্রাফ কিন্তু এখনও উর্ধ্বমুখী। এ ব্যাপারে সমাজতত্ত্ববিদ অভিজিৎ মিত্রের সঙ্গে আলোচনায় কমলিনী চক্রবর্তী এবং অন্বেষা দত্ত।  
বিশদ

27th  June, 2020
যোগাসনে সুস্থ মন 

এই অনিশ্চিত সময়ে ভালো থাকুন যোগাসনে। পরামর্শ দিলেন
যোগবিদ রাজশ্রী চৌধুরী। 
বিশদ

20th  June, 2020
একনজরে
লখনউ: গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগী তথা আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। ধৃতের নাম শশীকান্ত ওরফে সোনু পাণ্ডে। তাকে জেরা করে এনকাউন্টারের দিন পুলিসের ...

সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: বাবা পেশায় দিনমজুর। আয় আছে, নেই সঞ্চয়। দিন আনা, দিন খাওয়া পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও একদিন ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজেকে দেখতে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হাসপাতালের দরজায় দরজায় ঘুরে প্রায় বিনা চিকিৎসায় তরতাজা ছেলেকে হারানো বাবা-মা অবশেষে ন্যায়ের প্রতীক আদালতের দরজায় মাথা কুটে সামান্য হলেও বিচার পেলেন। ...

সংবাদদাতা, মালদহ: মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আধুনিক ট্রমা কেয়ার সেন্টারটি নভেম্বর মাস নাগাদ চালু হতে পারে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরেই এই বিশেষ চিকিৎসা কেন্দ্রটি চালু করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পড়শির ঈর্ষায় অযথা হয়রানি। সন্তানের বিদ্যা নিয়ে চিন্তা। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেমে বাধা।প্রতিকার: একটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: সাহিত্যিক অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম
১৯০৩: রাজনীতিক কে কামরাজের জন্ম
১৯০৪: রুশ লেখক আস্তন চেকভের মৃত্যু
১৯৫৪: আর্জেন্তিনার ফুটবলার মারিও কেম্পেসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৬ টাকা ৭৬.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৩ টাকা ৯৬.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৮ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১, ৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২, ০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী ৪৩/৯ রাত্রি ১০/২০। ভরণী ২৯/৭ অপঃ ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৫/৪/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২০/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৩ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।  
৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী রাত্রি ৮/৪৩। ভরণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/৭। সূযোদয় ৫/৪, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৪ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।
২৩ জেল্কদ  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে ষষ্ঠ অশোকনগরের অস্মি চৌধুরি চিকিৎসক হতে চায় 
মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে অশোকনগর বাণীপিঠ ...বিশদ

01:46:07 PM

বিহারে রাজভবনের ২০ জন কর্মী করোনায় আক্রান্ত 

01:36:04 PM

মাধ্যমিকে সপ্তম চন্দননগরের সুহা ঘোষ ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে চায় 

01:35:35 PM

৭০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

01:32:50 PM

মাধ্যমিকে দশম জুনায়েদ হাসান চিকিৎসক হতে চায় 

01:29:42 PM

ময়নাগুড়িতে  ব্যারিকেড করে বিজেপির মিছিল আটকাল পুলিস 

01:27:50 PM