Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

এসো মা লক্ষ্মী বসো ঘরে 

ননীবালার কথা: আশ্বিনে মা আসেন। তার রেশ মিটতে না মিটতেই দু-দিন পরেই তো মেয়ে আসবে। তাঁকে আবাহনেরও কম আয়োজন নাকি! বর্ষা শেষ হয়ে ভাদ্র পড়তেই ভাঁড়ার ঘরের ঝাড়া-বাছা রোদে দেওয়ার ধুম। পুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দেন। মুড়কি, নাড়ু, মোয়া, তিল-তক্তি পরম যত্নে একা হাতে তৈরি করেন বাঁড়ুয্যেবাড়ির কর্তামা—ননীবালা দেবী। ননীবালা নামটা এখন তিনি প্রায় ভুলতে বসেছেন। তার শ্বশুরবাড়িতে তিনি সবার বড় আদরের আর সম্ভ্রমের কর্তামা। মা লক্ষ্মীর কৃপায় বাঁড়ুয্যে পরিবারের হাঁকডাকই আলাদা। সবাই এক ডাকে চেনে। মা লক্ষ্মী চঞ্চলা। তাই তাঁকে ধরে রাখার জন্য আরাধনায় লক্ষ্মীপুজোর দিনে কাজ কি একটা? আর কাজে বিন্দুমাত্র গাফিলতি একেবারেই পছন্দ করেন না তিনি। ননীবালার হাতের নাড়ু একটা বিশেষ ব্যাপার। হাতে বাগিয়ে ধরে রাখা যায় না, এতবড় তার সাইজ! আনন্দনাড়ু, নারকেলনাড়ু, মুগের নাড়ু, মুড়কির মোওয়া সবই বাঁড়ুয্যেবাড়ির বিখ্যাত। তা সেই নাম কি আর এমনি হয়েছে, আগাগোড়া নিজের হাতে করে তৈরি করেন বলেই না এদিক-ওদিক হতে পারে না। মা লক্ষ্মীর ভোগের জন্য গঙ্গাজল ছিটিয়ে আনুষঙ্গিক সমস্ত কাজে নিজে হাত লাগান। আর আলপনা দেওয়া, মা লক্ষ্মীকে সাজানো, গয়নাগাটি পরানো বাড়ির মেয়ে বউরা যার যার দায়িত্ব পালন করলেও তদারকিতে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি মেলে সেই কর্তামা-ই। লক্ষ্মীর আপ্যায়ন, আয়োজনে, আরাধনায় তাঁকে বেঁধে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা ননীবালার। দেবী চঞ্চলা। তবে রাগী নন। লক্ষ্মী মানে শ্রী, সুরুচি, লক্ষ্মী সম্পদ আর সৌন্দর্যের দেবী। শাস্ত্রে এও বলা আছে, কোজাগরী পূর্ণিমা রাতে মা লক্ষ্মী ধনধান্যে ভরিয়ে দিতে ভক্ত গৃহে পুজো নিতে আসেন। তাই তো পরমযত্নে নিষ্ঠাভরে কলাপাতায় টাকা, ধান, পান, কড়ি, হলুদ আর হরীতকী দিয়ে মায়ের সামনে দেন। আলাদা করে কুনকেতে ধানের সঙ্গে দেন সোনা আর রুপো। মঙ্গলঘট পেতে, আলপনা এঁকে জোড় হাতে ছড়া কাটেন কমলে কামিনীকে আহ্বানের। ‘আঁকিলাম পদ দুটি, তাই মাগো নিই লুটি/ দিবারাত পা দুটি ধরি, বন্দনা করি/ আঁকি মা গো আলপনা, এই পূজা বন্দনা।’
এ সব কি ননীবালা আজ থেকে সামলাচ্ছেন? সেই যখন ঘোমটা টানা বউ হয়ে এসেছিলেন তখন শাশুড়ি মা নিজে হাতে করে শিখিয়েছিলেন। প্রসাদে ফলমূল, নাড়ু-মুড়কি ছাড়াও থাকে খিচুড়ি, সাত থেকে ন’রকম ভাজা, লাবড়া, চাটনি, পায়েস, লুচি, সুজি। কথিত আছে, লক্ষ্মীপুজোর দিন দেবী রাতে খোঁজ নেন। কে জেগে আছে? আকাশে কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ অকৃপণভাবে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। সারারাত জেগে ননীবালা দেবীর থেকে আশীর্বাদ চেয়ে নেন। সন্তানসন্ততির দুধে ভাতে থাকার আকূল কৃপা প্রার্থনা তাঁর। অনাগত ভবিষ্যৎ পরিপূর্ণ হোক। ভালো হোক। আলোর হোক।
মালতীর কথা: ‘এসো মা লক্ষ্মী, বসো ঘরে/ আমার এ ঘরে থাকো আলো করে।...’ আপন মনে গুনগুন করে মালতী, আজ আশ্বিনের পূর্ণিমা। কত যে কাজ এই লক্ষ্মীপুজোর দিনে। যদিও সামান্যই আয়োজন তার। স্থানাভাবে ঘরের কোণের ছোট্ট আসনেই মালতী ঘট পাতে। ভক্তিভরে সামান্য উপচারে সাজায় গৃহকোণ। ফুল, একটা দুটো ফল, বাতাসা আর গতবারের চড়কের মেলায় কেনা ছোট পিঁড়িতে ঝাঁপি এঁকে চাল পিটুলির আলপনা দেয়। তবে হ্যাঁ, বড় যত্নে আঁকে সে এই আলপনা, বাবুর বাড়ির কর্তামাকে দেখেছে কেমন সুন্দর করে ধানের শীষ, পেঁচা, ফুল, লতাপাতা আঁকে। বাজার আগুন আর তার টানাটানির সংসারে একটু একটু করে সম্বৎসর জমিয়ে রাখা টাকা দিয়ে এবার প্রথম ভোগ দেবে মা লক্ষ্মীকে। যৎসামান্য আয়োজন। খিচুড়ি, পাঁচভাজা আর পায়েস। মালতী বহুদিনের হেলে পড়া টালির চালটাকে অ্যাসবেসটাসে ছেয়েছে। সবই লক্ষ্মী মায়ের কৃপায়। এখন ভরা শ্রাবণে চাল চুঁইয়ে আর জল পড়ার ভয় নেই। আগে আকাশের মুখ ভার দেখলে মালতীর মুখ কালো হতো। আর এখন বৃষ্টির বাজনা শুনতে তার বেজায় সুখ। পূর্ণিমার আলোয় আজ মালতীর উঠোন ঝলমলে। চাঁদ বাটি উপুড় করে জ্যোৎস্না ঢেলে দিচ্ছে। সমস্ত পৃথিবী জুড়ে শুধুই আলো। কোথাও এতটুকু আঁধার নেই। দু-হাত জোড় করে প্রার্থনা করে মালতী এসো মা কমলা, হয়ো না হয়ো নির্দয়া, পাই যেন তব অপার করুণা...
নন্দিনীর কথা: ঝাঁ-চকচকে এগারো তলার ফ্ল্যাটের বারান্দা থেকে বাইরের পৃথিবীটাকে বড় মায়াবী লাগে। সন্ধেবেলায় বারন্দায় দাঁড়িয়ে রবিঠাকুর গুনগুন করে নন্দিনী। ‘গায়ে আমার পুলক লাগে চোখে ঘনায় ঘোর।’ তার উত্তর কলকাতার শ্বশুড়বাড়ির কথা মনে পড়লে শিউরে ওঠে সে। বারোয়ারি কলতলা, শ্যাওলা ধরা উঠোন আর আরশোলাদের স্বর্গরাজ্য তেল চিটচিটে রান্নাঘর। উত্তর কলকাতার এঁদোগলি থেকে এই বারোতলার স্বর্গরাজ্য। সবই তো কমলে কামিনীর কৃপায়। প্রতি বৃহস্পতিবার নিয়ম করে লক্ষ্মীর পাঁচালি পড়লেও কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন বিশেষ আয়োজন থাকে তার। বেতের ছোট ঝুড়িতে ধান ভর্তি করে তার উপর দুটো রুপোর সিঁদুর কৌটো লাল চেলি দিয়ে মুড়ে দেবীর রূপ হিসেবে কল্পনা করা হয়। আড়ি লক্ষ্মী ইনি। নন্দিনীর শ্বশুড়বাড়ির নিয়ম। গোটা ফ্ল্যাট আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। সন্ধের পরে অতিথি অভ্যাগততে তার ঘর ভরে উঠবে। অনেক কিছুর আয়োজন। ভোগে মাছ দেওয়া হয় মা লক্ষ্মীকে দৃষ্টি ভোগ হিসেবে। আনন্দে আবেগে প্রজাপতির মতো উড়ে বেড়াচ্ছে নন্দিনী। তবে মুখে থাকছে দেবী বন্দনা।
‘দক্ষিণ হস্তে বরমুদ্রা দিতেছে অভয়
ধ্যান করি তোমায় মাগো, রহ সর্বময়।’
তনুশ্রী কাঞ্জিলাল মাশ্চরক 
12th  October, 2019
মানুষ চেনা খুব কঠিন: অন্বেষা হাজরা 

মেয়েটির ভূত দেখার খুব ইচ্ছে। তাই সে ভূত দেখার জন্য যখন তখন হানাবাড়িতে হানা দেয়। কিন্তু ভূতের বদলে সেখানে দেখা মেলে শুধুমাত্র চোরের। মেয়ের ভূত দেখার তাড়নায় অতিষ্ঠ হয়ে বাড়ির লোক মেয়েটিকে বলে যে, তাকে ভূতের বাড়িতেই বিয়ে দেবে। যেখানে শাশুড়ি হবে শাকচুন্নি আর ননদ হবে পেতনি। 
বিশদ

02nd  November, 2019
বিদ্যাসাগরের বিধবারা 

বঙ্গবিধবাদের জগন্নাথধাম ‘পালানো’ সম্পর্কে এই বর্ণনা পাওয়া যায় ১৮৪৯ সালের ‘সম্বাদ রসরাজ’ পত্রিকায়— ‘নগরেতে হইয়াছে গেল গেল রব।/ পলাইয়া ক্ষেত্রে যায় নরনারী সব।।/ কাহারো পলায়ে গেল বিধবা বহুড়ী।/ এর বাড়ি তার বাড়ি খুঁজিছে শাশুড়ী।।’  
বিশদ

02nd  November, 2019
মা দুর্গার আর এক অন্য রূপ জ গ দ্ধা ত্রী

মা জগদ্ধাত্রী মহাশক্তির প্রতীক, তিনি সর্বস্থানে বিচরিত, তিনি চির শাশ্বত। তাঁর ধ্যান মন্ত্রে পাওয়া যায়,
সিংহ স্কন্ধ সমারূঢ়াং নানালঙ্কার ভূষিতাং।
চতুর্ভুজাং মহাদেবীং নাগ যজ্ঞোপবীতিধারিণীং...
নারদাদ্যৈ মুনিগণৈঃ সেবিতাং ভবসুন্দরীয়।।  বিশদ

02nd  November, 2019
যুগে যুগে ভা ই ফোঁ টা 

‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমদুয়ারে পড়ল কাঁটা’— বোনেরা এই মন্ত্র উচ্চারণে কপালে চন্দনের ফোঁটা দিয়ে তাদের ভাইদের দীর্ঘায়ু কামনা করে। এই নিয়ম যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু এখন তো প্রায় সবাই একা একা বড় হচ্ছে। তাই আগেকার মতো ভাইফোঁটা সবাই কি পালন করতে পারে? নাকি ভাইফোঁটা হারিয়ে যাচ্ছে? 
বিশদ

26th  October, 2019
ডুব দে রে মন কালী বলে 

জব চার্নকের শহরে উত্তর থেকে দক্ষিণ অজস্র কালীবাড়ি রয়েছে। কোনও কালীবাড়ি সম্ভ্রান্ত পরিবারের রানির হাত ধরে, কোনওটা বা ফিরিঙ্গি সাহেবের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। সারাবছর যে নিয়মই থাকুক না কেন দীপান্বিতা অমাবস্যায় অর্থাৎ কালীপুজোর বিশেষ দিনে কীভাবে পূজিত হন কলকাতার বিখ্যাত সব মন্দিরের মাতৃমূর্তি?
বিশদ

26th  October, 2019
মা কালী ও তন্ত্রসাধনা 

তন্ত্র সাধনার দেশ ভারতবর্ষ। সেই সুপ্রাচীন কাল থেকে ভক্ত তার সিদ্ধিলাভের জন্য তন্ত্র সাধনা করে আসছেন। যে সব দেব-দেবীর উদ্দেশ্যে তন্ত্র সাধনা হয়ে থাকে তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দেবী হলেন কালী। বিভিন্ন উদ্দেশ্যে সাধক-সাধিকারা মা কালীর নানা রূপের সাধনা করেন। তন্ত্র সাধনা খুবই গুপ্ত ও কঠিন সাধনা। 
বিশদ

26th  October, 2019
দেবী কালিকার দেশমাতৃকা রূপ 

জাতীয়তাবাদের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয় ‘মা’ শব্দটি। মাতৃশক্তি এমনই বৈশিষ্ট্য সমন্বিত যে মাতৃজাতির সৃষ্টি না হলে দেশকে বা ভগবানকে মাতৃজ্ঞানে অর্চনা করার অধিকারী আমরা হতাম না। বিশ্বাত্মবোধ, জাতীয়তাবাদ ও স্বদেশপ্রেম চিরন্তনী এই ত্রিধারা শাশ্বত ভারতে মাতৃবন্দনার বিশ্বরূপ। দেশমাতারূপে মহাশক্তি মহামায়া মহাকালিকাকে প্রত্যক্ষ করা সেই প্রেরণারই জীবন্ত প্রতিমা। 
বিশদ

26th  October, 2019
টেনিস তারকা অ্যাশলে বার্টি 

ফরাসি ওপেনে এবারকার মেয়েদের সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন অ্যাশলে বার্টি। ছেচল্লিশ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২৩ বছরের অস্ট্রেলীয় তরুণীর ফরাসি ওপেন জয়! ইতিহাস গড়লেন বার্টি। রোলাঁ গারোজে চেক কন্যা মার্কেতা ভন্ড্রোসোভাকে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে জয়ী হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেটার রিকি পন্টিংয়ের দেশ কুইন্সল্যান্ডের মেয়ে বার্টি।  
বিশদ

19th  October, 2019
নারীর নিরাপত্তায় সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকা 

মেয়েটি যাতে শারীরিক নিগ্রহ বা লাঞ্ছনার শিকার হলেও প্রতিবাদের মনোবল অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে সেই মানসিকতা তার মধ্যে গড়ে তুলতে হবে পরিবারের লোকজনদের। ভয়ে, লজ্জায় নয়, দৃঢ় মনোভাব নিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার সাহসের শিক্ষা আসবে পরিবার থেকেই।
বিশদ

19th  October, 2019
ভারত-সুন্দরী সুমন রাও একজন সমাজসেবীও 

২০১৯ সালের ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া’ হলেন রাজস্থানের সুমন রাও। এছাড়া, ছত্তিশগড়ের শিবানী যাদব ‘ফেমিনা মিস গ্র্যান্ড ইন্ডিয়া’ আর বিহারের শ্রেয়া শঙ্কর ‘মিস ইন্ডিয়া ইউনাইটেড কনটেস্ট’ খেতাব জিতেছেন। সম্প্রতি মুম্বইয়ের ওয়ার্লির সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।  
বিশদ

19th  October, 2019
ক্যারাটেতে সাফল্য এনেছে তারকেশ্বরের মেয়ে বৃষ্টি 

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে হুগলি জেলার তারকেশ্বরের পার্শ্ববর্তী মুক্তারপুর গ্রামের পঞ্চদশী বৃষ্টি মণ্ডল। এবছর ১৬ আগস্ট ভদ্রেশ্বরের তেলেনিপাড়া এম জি বিদ্যাপীঠে অনুষ্ঠিত ৬৫তম চন্দননগর মহকুমা স্কুল ক্যারাটে চ্যাম্পিয়ানশিপে মেয়েদের বিভাগে (অনূর্ধ্ব ১৭) দ্বিতীয়স্থান দখল করে মহকুমা ক্রীড়া মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে সে।  
বিশদ

19th  October, 2019
কঠোর মায়েদের সন্তানের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয় 

বেড়ে ওঠার বয়সে আপনার মা কি খুব কঠোর ছিলেন? তিনি কি আপনাকে ঘর পরিষ্কার করতে, বাড়ির কাজ করতে এবং প্রতিনিয়ত ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে বলতেন? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ সন্তানই এমন পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে মায়েরা ছিলেন আমাদের চিরশত্রু! 
বিশদ

12th  October, 2019
লক্ষ্মীর পাঁচালি গৃহিণীদের
সুখী সংসারের উপদেশ দেয় 

আমাদের বাড়ির হোম মিনিস্টার বলা যায় বাড়ির গৃহবধূ বা গৃহিণীদের। প্রতি বৃহস্পতিবার আমাদের বাংলার ঘরে ঘরে গৃহলক্ষ্মীর পুজো ও পাঁচালি পাঠ সেই পুরানো দিন থেকে আজ পর্যন্ত চলে আসছে। বলা যায় আমাদের সমাজের অন্দরমহলের সবচেয়ে জনপ্রিয় দেবী হলেন লক্ষ্মী। 
বিশদ

12th  October, 2019
বিজয়া দশমী 

দশমী তিথিতে সকাল বেলায় নির্ঘণ্ট অনুযায়ী পুরোহিত আচমন ভূতাপসারণ প্রভৃতি করে পঞ্চোপচারে দেবীর পুজো করেন। ওই দিন দেবীকে পান্তাভাত, কচুর শাক (নুন ছাড়া) ভোগ দেওয়া হয়। যাঁরা অন্নভোগ দেন না তাঁরা চিঁড়ে, মুড়কি, খই, বাতাসা, দই প্রভৃতি ভোগ দেন।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
 ইস্তানবুল, ৭ নভেম্বর (এএফপি): ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীর অনেক ‘হাঁড়ির খবর’ ফাঁস করে দিয়েছে নিহত জঙ্গিনেতা আবু বকর আল বাগদাদির স্ত্রী রানিয়া মাহমুদ। এমনটাই দাবি ...

 বিএনএ, বারাকপুর: বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের গড় ভাটপাড়া পুরসভার আরও পাঁচ বিজেপি কাউন্সিলার তৃণমূলের দিকে পা বাড়িয়ে রাখলেন। তাঁরা যে কোনও দিন ঘরে ফিরতে পারেন ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকে পঞ্চম শ্রেণীর আসা বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে। সরকারের এই পরিকল্পনা কার্যকর করতে স্কুলগুলিতে যে অতিরিক্ত ক্লাসরুমের বন্দোবস্ত করতে হবে, তার ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসা সূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬২- সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি পুরুষ ওস্তাদ আলাউদিন খাঁর জন্ম।
১৮৯৫- জার্মান পর্দাথবিদ উইলিয়াম কনরাড রঞ্জন এক্স রে আবিষ্কার করেন।
১৯১০ - ওয়াশিংটনের নির্বাচনে প্রথম কোনও মহিলা ভোট দেন।
১৯২৭- রাজনীতিক লালকৃষ্ণ আদবানির জন্ম
১৯৩৬ - প্রখ্যাত হিন্দী কথাসাহিত্যিক মুনশি প্রেমচাঁদের মৃত্যু
১৯৪৭ – সঙ্গীতশিল্পী ঊষা উত্থুপের জন্ম
১৯৭৬ - ক্রিকেটার ব্রেট লি’র জন্ম
২০১৭ – ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হয়





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৮ টাকা ৭২.৬৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.১২ টাকা ৯৩.৪৫ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৪ টাকা ৮০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৬/৩০ দিবা ১২/২৫। পূর্বভাদ্রপদ ১৫/৫৯ দিবা ১২/১২। সূ উ ৫/৪৮/২৭, অ ৪/৫২/২১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৭/১৭ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ২/৩৯ মধ্যে পুনঃ ৩/২৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৪ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৬ গতে ৩/১৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৬ গতে ৯/৪৩ মধ্যে। 
২১ কার্তিক ১৪২৬, ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, একাদশী ১৫/৫৮/১৯ দিবা ১২/১২/৪৩। পূর্বভাদ্রপদ ১৭/৫৮/২৫ দিবা ১/০/৪৫, সূ উ ৫/৪৯/২৩, অ ৪/৫৩/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৪ মধ্যে ও ৭/২৭ গতে ৯/৩৬ মধ্যে ও ১১/৪৫ গতে ২/৩৭ মধ্যে ও ৩/২০ গতে ৪/৫৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৩৯ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৫০ গতে ৩/২২ মধ্যে ও ৪/১৫ গতে ৫/৫০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫/২১ গতে ৯/৫৮/২০ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৮/২০ গতে ১১/২১/১৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৭/১৬ গতে ৯/৪৪/১৭ মধ্যে। 
১০ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকাল অযোধ্যা মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট

09:17:50 PM

এবার হকি বিশ্বকাপ ভারতে
২০২৩ সালে পুরুষদের এফআইএইচ হকি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে ভারত। ...বিশদ

05:08:38 PM

পদত্যাগ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী
 মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। সরকার গড়ার ...বিশদ

05:01:39 PM

আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হল এবছরের আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম উৎসবের

05:01:00 PM

বর্ধমান স্টেশনে পদপিষ্ট হয়ে জখম বহু
বর্ধমান স্টেশনে ৪ ও ৫ নম্বর প্লাটফর্মের মাঝে ফুটওভারব্রিজে ওঠানামা ...বিশদ

04:54:00 PM

গান্ধী পরিবারের এসপিজি নিরাপত্তা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের: সূত্র 

03:53:10 PM