Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

সেকালের পুজো 

তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 

সে ছিল এক অন্য কলকাতা— সেখানে কলুপাড়া, ডোমপাড়া, হাঁড়িপাড়া, গয়লাপাড়া, হাতিবাগান, বাদুড়বাগান, চালতাবাগান, হালসীর বাগান— ছিল অঞ্চলের নাম। সেই সাবেক কলকাতাতেও ছিল দুর্গাপুজো। সমাজের ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষকে না শামিল করলে সেকালের দুর্গাপুজো পূর্ণতা পেত না।
তখন দুর্গাপুজো মূলত জমিদারবাড়ি কিংবা উচ্চবিত্ত মানুষদের বাড়িতেই হতো। তখনকার দিনে এই পুজো উপলক্ষে ভট্টাচার্য ব্রাহ্মণ আর ‘টুলো’ অধ্যাপকরা ‘বার্ষিকী’ বা পার্বণী পেতেন। কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচার নক্সায়’ এই পার্বণী পাওয়ার চমৎকার বর্ণনা আছে। দুর্গাপুজোর বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই এই ‘পার্বণী’ দেওয়া শুরু হয়ে যেত। যে জমিদার বাড়িগুলিতে পুজো হতো, সে সব বাড়ি গিজগিজ করত ব্রাহ্মণ- পণ্ডিতদের ভিড়ে! বাড়ির ‘বাবু’টি তসরের কাপড় পরে তাঁর সেরেস্তায় বসে থাকতেন একটা গদির উপর। তাঁর ডানদিকে বসত তাঁর দেওয়ান টাকা আর সিকি-আধুলির তোড়া নিয়ে, দেওয়ানের সামনে খোলা থাকত একটা খাতা। ‘বাবু’র বাঁ দিকে বসতেন সভাপণ্ডিত। এই সভা-পণ্ডিতের কাজ ছিল বিচার করে স্থির করা কোন ব্রাহ্মণ প্রকৃতই এই ‘পার্বণী’ নেবার অধিকারী আর কে তা নন। যদি কেউ গত একবছর বিধবা-বিবাহের সভায় যেতেন, সেখানকার ‘প্রণামী’ গ্রহণ করতেন, কিংবা কোনও ‘অখাদ্য’ খেয়ে ফেলতেন, তাহলে ‘পার্বণী’ পাওয়ার অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত হতেন। অনেকে ‘পার্বণী’ পাবার লোভে ‘দিব্যি’ গেলে বলতেন যে তাঁরা তেমন কোনও ‘অসিদ্ধ’ কাজ গত একবছরে করেননি! কিন্তু সেকথা বিশ্বাস না হলে সভা-পণ্ডিত খাতা থেকে তাঁর নাম কেটে দেবার হুকুম দিতেন। বঞ্চিত ব্রাহ্মণরা তখন রেগে পৈতে ছিঁড়ে ‘অভিশাপ’ দিতে দিতে চলে যেতেন!
মুদি সারাবছর গৃহস্থকে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগান দেয়। তাই বছরে দু’বার তাকে ‘উটনো’ মেটানো হতো। একবার চড়কের সময়, আর একবার দুর্গাপুজোর সময়। পুজোর সময় ‘উটনো’ মেটানোকে বলা হতো ‘ঢাকে-ঢোলে চুকানো।’ মুদিও যেন ফাঁকিতে না পড়ে এবং তারও যেন পাওনাগন্ডা সব মিটে যায় পুজোর আগে, সেইজন্যই সেকালের সমাজে ছিল এমন ব্যবস্থা।
কৃষ্ণপক্ষের নবমীতে অনেকের বাড়ি ‘কল্পারম্ভ’ হতো। তারপর থেকে রোজই চলত সংক্ষিপ্ত পুজো এবং চণ্ডীপাঠ। যাঁদের বাড়িতে প্রতিমাপুজো হতো না, তাঁদেরও কিন্তু এই ক’দিন রোজ বাড়িতে চণ্ডীপাঠ করাতে হতো— এমনি ছিল সেকালের নিয়ম।
মা দুর্গার সিংহের মুখ নিয়েও সেকালের কলকাতার নানারকম চল ছিল। শাক্তবাড়ির সিংহের মুখ হতো সাধারণ। কিন্তু গোঁসাইবাড়ির সিংহের মুখ হতো ‘ঘোটক-মুখী’। সেকালে মা দুর্গার সাজ হতো মাটির গয়নায়। অনেক পরে ‘ডাকের সাজ’ এবং ‘শোলার সাজ’-এর প্রচলন হয়েছিল। শুধু কি সাজ? মা দুর্গার দুপাশে কার্তিক গণেশের দিকনির্ণয় নিয়েও ছিল দুই বাংলার দু’রকমের প্রথা। পশ্চিমবাংলায় দেবীর ডানদিকে গণেশ, বাঁদিকে কার্তিক, আবার পূর্ববঙ্গে-এর ঠিক উল্টো। কোথাও আবার লক্ষ্মী-সরস্বতীর জায়গা নিতেন জয়া-বিজয়া কিংবা রাধাকৃষ্ণ।
দুর্গাপুজোর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হল দেবীর ‘মহাস্নান’। শঙ্খজল, গঙ্গাজল, উষ্ণজল, গন্ধজল, রজতজল, স্বর্ণজল, মুক্তাজল, বৃষ্টিজল, নির্ঝরজল ইত্যাদি এই নানান জলে ‘দেবী’র মহাস্নানের সময় সেকালে বিভিন্ন রাগ বাজানোর চল ঩ছিল— যেমন ‘বৃষ্টিজল’-এ মহাস্নানের সময় ললিত রাগ ও বিজয়বাদ্য, ‘নির্ঝরজল’-এ মহাস্নানের সময় বরাড়ী রাগ ও শঙ্খবাদ্য প্রভৃতি। কলাবউ স্নান করাতে নিয়ে যাবার সময় পুরোহিত, তন্ত্রধারক, বাড়ির আচার্য, ব্রাহ্মণ, গুরু, সভা-পণ্ডিতের পেছনে বাড়ির ‘বাবু’টিকে সপারিষদ যেতেই হতো। সেই যাত্রায় ‘বাবু’র মাথার ওপর লাল সার্টিনে মোড়া রুপোর ‘রামছাতা’ ধরা হতো।
মহাষ্টমীর সন্ধিপুজোয় একশো আটটি ঘিয়ের প্রদীপ এখনও অবশ্য জ্বালানো হয়, কিন্তু এর পাশাপাশি আরও দু’রকম প্রথা ছিল যা আর আজকাল সচরাচর দেখা যায় না— ‘মানসপূর্তি’তে বাড়ির মহিলারা মাথায় করে সরা নিয়ে তাতে ধুনো পোড়াতেন, আর বাড়ির পুরুষরা ‘মানসপূর্তিতে’ বুক চিরে রক্ত দিতেন।
সেকালে বাড়ির পুজো থেকে বারোয়ারি পুজো সবেতেই মূল নৈবেদ্য ছিল ‘আগা-তোলা মন্ডা’ বা ‘দুর্গামন্ডা’। কাঠের বারকোশের ওপর সাজানো এই মন্ডার ওজন হতো প্রায় দেড় মন। নবমীতে হতো বলি। ছাগল, মোষ, ঘোড়া, মাগুরমাছ, সুপুরি, আখ, কুমড়োর পাশাপাশি পিটুলি দিয়ে শত্রুর প্রতিকৃতি তৈরি করে ‘বলি’ দেওয়ারও রেওয়াজ ছিল সেকালে। ‘বলি’র পর সেই বাড়ির লোক পাঁঠা, মোষ বা ঘোড়ার কাটা মুণ্ডু মাথায় নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরত! এটাই ছিল রীতি। বাড়ির বয়স্ক ঠাকুরদা তাঁর সমবয়সি বন্ধু এবং নাতিপুতিদের সঙ্গে নিয়ে সেই বলির ‘মুণ্ডু’ যাত্রার সঙ্গে সঙ্গে যেতেন গান করতে করতে। এই গানকে চলিত কথায় বলা হতো ‘কাদা মাটি’র গান। বৃদ্ধ ঠাকুরদার হাতে থাকত একটি খাতা। তাতে লেখা থাকত গান, পাছে গাইতে গাইতে কথা ভুলে যান, তাই এই ব্যবস্থা। এই গানকে ‘খেউড়’ গানও বলা হতো। সেকালে বড় মানুষের বাড়ির পুজোর নিমন্ত্রণে গেলে নিমন্ত্রিতকে প্রণামীর টাকা দিতে হতো সেই বাড়ির পুরোহিতের হাতে। শুধু হাতে ঠাকুর দর্শন করে চলে আসার প্রথা ছিল না। কিছু কিছু জায়গায় বাড়ির ‘বাবু’টি স্বয়ং জরির মছলন্দ পেতে সামনে আতরদান, গোলাপ-বাস সাজিয়ে বসে থাকতেন দোকানের পোদ্দারদের মতো ‘ওঁৎ’ পেতে। এই প্রণামীর টাকাকে সেই জন্য বলা হতো ‘ওঁৎ করা টাকা।’ অনেকে নিজেরা না গিয়ে এই টাকাটা ছেলেপুলেদের হাতে দিয়েও পাঠিয়ে দিতেন। সন্ধে বেলা এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ছোট ছেলেমেয়েদের বাড়ির ঝি বা চাকর ঠাকুর দেখাতে নিয়ে গেলে তাদের এক সরা ‘জলপান’ দেওয়ার চল ছিল।
প্রতিমা দর্শন করতে মুসলমানরাও আসতেন। এই তথ্য আমরা পাই স্বামী বিবেকানন্দের মেজ ভাই মহেন্দ্রনাথ দত্তের ‘কলিকাতার পুরাতন কাহিনী ও প্রথা’ গ্রন্থে। স্থানীয় মুসলমানরা এসে তিনবার মা দুর্গাকে ‘সেলাম-সেলাম-সেলাম’ বলে চলে যেতেন।
প্রত্যেক বাড়িতে লোক খাওয়ানো হতো। ভাত, পাঁচরকম তরকারি, দই আর পায়েস। শাক্ত ব্রাহ্মণ বাড়ি হলে মাছও দেওয়া হতো, কায়স্থ বাড়ি হলে ছিল লুচির চল। দুই বাংলায় আরও দুটি বিপরীত প্রথা ছিল। পশ্চিমবঙ্গে দশমীপুজোয় দেবীকে দেওয়া হতো ‘দধিকর্মা’। পূর্ববঙ্গে দেওয়া হতো পান্তাভাত আর কচুর শাক।
আমরা হয়তো মনে করি নাচগান করতে করতে প্রতিমা বিসর্জনে নিয়ে যাওয়া হয়তো একালেই হয়েছে, কিন্তু না, এই প্রথা বহু পুরনো। যার উল্লেখ আছে জীমূতবাহনের ‘কালবিবেক’ গ্রন্থে। শবরজাতির মতো সারা দেহকে লতাপাতা দিয়ে সাজিয়ে, সারা গায়ে কাদা মেখে নাচ-গান করা হতো বলেই বিজয়া দশমীর এই উৎসবকে বলা হতো ‘শবরোৎসব’। শুধু নাচ-গানই নয়, গ্রাম্যভাষায় একে অন্যকে গালমন্দ করাও এই শবরোৎসবের অঙ্গ। শোভাযাত্রায় অনেক সময় ‘খাস-গেলাস’-এর ঝাড় হতো। মাটির ছোট ছোট মোমবাতি রাখার একরকম বাতিদান হতো, তার মাঝখান থেকে উপর-নীচে দুটো এক ইঞ্চি করে চোঙা থাকত। অভ্রর গেলাস তৈরি করে লাল কাগজের পাড় দিয়ে গেলাসটার উপর দিক ও নীচের দিক জুড়তে হতো। দেখতেও বাহারি হতো, আবার অভ্রটাও পড়ে যেত না। সেই অভ্রর গেলাসটা খুরির উপর আঠা দিয়ে বসান হতো। আর তার ভেতর একটি মোমবাতি থাকত এবং এই মাটির খুরিটা একটা বাখারির, ডাল বা ডান্ডার উপর আটকানো হতো। এইভাবে আট বা দশটা ডাল দিয়ে একটা ‘ঝাড়’ হতো। প্রতিমা নিয়ে গঙ্গায় বাইচ খেলানোরও চল ছিল ‘বাবু’দের মধ্যে। বজরার ছাতে শৌখিনবাবুরা খ্যাম্‌টাউলি ও বাঈজি সঙ্গে নিয়েও প্রতিমা নিরঞ্জনে যেতেন।
বিজয়ার দিন প্রতিমা নিরঞ্জনের পর চণ্ডীমণ্ডপে ফিরে পূর্ণ ঘটকে প্রণাম করে ‘শান্তিজল’ নেওয়াই শুধু নয়, সেই সঙ্গে ‘ঘটজল’ ও ‘কাঁচাহলুদও’ খেতে হতো। তারপর হতো শুভ বিজয়ার কোলাকুলি। ছোটরা বিজয়ার দিন পাড়ার বয়স্ক ব্রাহ্মণদের খালি হাতে কিন্তু প্রণাম করতে পারত না, প্রণামী দিতেই হতো। বড়রা সে প্রণামী যেমন নিতেন, তেমনি ছোটদের হাতে তুলে দিতেন নারকোল-ছাবা ও অন্যান্য নারকোলের মিষ্টি। বিজয়ার কোলাকুলিতে এবং প্রণামে ছানার মিষ্টি খাওয়ার নিয়ম ছিল না। কলাপাতায় ‘দুর্গানাম’ লিখতে হতো তারপর, এবং সিদ্ধি মুখে দিতেই হতো সবাইকে। তবেই ঘটত শুভ বিজয়ার পরিসমাপ্তি।
05th  October, 2019
ভয়টা নিয়ে তো বাঁচা যায় না

এখন সবাইকে নিরাপত্তার জন্য বাড়িতেই থাকতে হবে। খুব প্রয়োজন ছাড়া বেরনো যাবে না। এটা মেনে-বুঝে চলা ছাড়া গতি নেই। আর সবচেয়ে বড় কথা, বাচ্চাদেরও সেটা ভালো করে বোঝানোটা খুব জরুরি। হঠাৎ এসে বললাম, লকডাউন হয়েছে, সবাই বাড়িতে থাকো। 
বিশদ

30th  May, 2020
 রান্নাবান্নাটা শিখিয়ে দিল লকডাউন

সাত ছুঁই-ছুঁই ছেলে উপমন্যুকে নিয়ে অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষই বা কেমন আছেন?
বিশদ

30th  May, 2020
মুক্তির হাত 

কিছু দিন আগে একই ভাবে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ক্যাপ্টেন স্বাতী রাভাল, এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং ৭৭৭-এর পাইলট। করোনা-সঙ্কটের মধ্যে ইতালির রাজধানী রোমে আটকে থাকা ২৬৩ জন ভারতীয়কে এয়ারলিফ্ট করে দিল্লি ফিরিয়ে এনেছেন তিনি।  বিশদ

23rd  May, 2020
মানুষের পাশে 

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাননি। নিজে নিজের মতো করে চেয়েছেন এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। নয়ডার ২২-এর তরুণী আরুষি বৈষ্ণব। অর্থনীতির এই ছাত্রীর বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি রয়েছে।   বিশদ

23rd  May, 2020
দেশের জন্য 

তরুণী গবেষক মিনাল দাখাভে ভোঁসলে— দু’মাস আগেই সংবাদপত্রের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছিলেন পুনে শহরের এই ভাইরোলজিস্ট। শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রা থেকে অভিনেত্রী সোনি রাজদান, মিনালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এখন সবাই।  বিশদ

23rd  May, 2020
নব আনন্দে জাগো  

বিশ্ব জুড়ে এক অন্য পরিবেশ। তবু তারই মধ্যে ভালো থাকবেন কীভাবে? নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন তিন বিশিষ্টনারী। তাঁদের সঙ্গে কথা বললেন কমলিনী চক্রবর্তী।  
বিশদ

11th  April, 2020
শতাধিক পুত্র কন্যার মা
নৃত্যশিল্পী অলকানন্দা 

মাতৃরূপী একজন প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী, যিনি ছয় দশকের বেশি সময় ধরে নৃত্য পরিবেশন করে চলেছেন। যাঁর বহু সন্তান পথভ্রষ্ট হওয়ার পরেও তঁার সাহচর্যে এসে নতুন জীবন পেয়েছে। বিভিন্ন বয়সের এই সন্তানদের ‘মা’ অলকানন্দা রায়ের ক্ষেত্রে সমাজসেবিকা খুবই ছোট একটা খেতাব।   বিশদ

28th  March, 2020
এগারো রেস্তোরাঁর মালিক জয়ন্তী 

বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা জয়ন্তী কাঠালে পেশায় একজন সফট্ওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। ৪০ বছর বয়সি এই মহিলা চাকরি করে নিজের সন্তানকে সময় দিতে পারতেন না। তাই মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়ছিলেন। তারপরই একদিন সিদ্ধান্ত নেন, খাবার হোম ডেলিভারি শুরু করবেন। 
বিশদ

28th  March, 2020
রাতে নারীদের নিরাপত্তায় বেশি
আলোকিত রাস্তা চেনাবে গুগল ম্যাপ 

এবার গুগল ম্যাপে যুক্ত হতে চলেছে নতুন ফিচার। গুগলের তরফে জানানো হয়েছে, রাতে অন্ধকার রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেক মহিলাই সমস্যায় পড়েন। তাদের সাহায্য করতে নতুন ফিচার আনছে গুগল ম্যাপ। 
বিশদ

28th  March, 2020
নারীর স্বভাব 

একটা প্রচলিত ধারণা আছে যে, মেয়েদের মনে নাকি জিলিপির প্যাঁচ। মেয়ে মানেই কূট-কচালিতে সিদ্ধহস্ত। সুযোগ পেলেই কমবয়েসি বিবাহিত মেয়েরা স্বামী-শ্বশুরবাড়ির নিেন্দ করে। আর বয়স্ক শাশুড়িরা সময় পেলেই বাড়ির বউয়ের নিন্দে-মন্দ করে।  
বিশদ

28th  March, 2020
একটি স্কুলে সারা বছরের খাবার পাঠালেন লোপেজ 

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডধারী পপ গায়িকা জেনিফার লোপেজের দরদি মানুষ হিসেবে পরিচিতি রয়েছে। সুযোগ পেলেই মানুষের সেবায় এগিয়ে আসেন তিনি। এবার আমেরিকার টেনেসির একটি স্কুলে এক বছরের খাবার অনুদান দিয়েছেন ৫০ বছর বয়সি এই তারকা। এই উদ্যোগে তাঁকে সহায়তা করেছেন তাঁর বন্ধু অ্যালেক্স রড্রিগেজ।  
বিশদ

21st  March, 2020
‘সুপার মম’-এর প্রেরণায় দিকে দিকে খুলছে মাতৃদুগ্ধের ব্যাঙ্ক 

মাতৃদুগ্ধ প্রয়োজন। অথচ শিশুর আসল মা শরীর অসুস্থ থাকায় শিশুকে দুগ্ধ পান করাতে অপারগ। অথবা অন্য কোনও কারণেই হোক, কোনও শিশুর মাতৃদুগ্ধ প্রয়োজন অথচ তা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাহলে উপায়? 
বিশদ

21st  March, 2020
ছয় নারী নভোচারীকে মঙ্গলগ্রহে পাঠাচ্ছে নাসা 

মঙ্গলগ্রহে যাচ্ছে মানুষ। আর সেই যাত্রার জন্য মোট ১৩ নভোচারীকে বাছাই করেছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি টেক্সাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নভোচারীদের নাম ঘোষণা করে। ‘নাসা’ জানিয়েছে, ২০৩০ সালে ১৩ নভোচারীকে নিয়ে মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে নাসা’র মহাকাশযান। 
বিশদ

21st  March, 2020
নারী জাগরণে আদিবাসী মেয়েদের অংশগ্রহণ 

শান্তিনিকেতনে সুব্রত বসু ও সুনীপা বসুর তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠিত প্রকৃতি ভবনের নাম সত্যিই উল্লেখযোগ্য। তবু তাঁদের গড়া প্রকৃতি ভবনের এই জাদুঘরের বর্ণনা ও ব্যাখ্যা এই প্রতিবেদনের মূল উদ্দেশ্য নয়। এই পুণ্যভূমিতে লোকচক্ষুর অন্তরালে যে কাজ প্রায়শই হয় তাই নিয়ে কথা বলাই এই প্রতিবেদনের আলোচ্য বিষয়। 
বিশদ

21st  March, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলতেই শহরে লকডাউনকে আঁটোসাঁটো করল দিনহাটা পুর প্রশাসন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য শহরে বন্ধ করে দেওয়া হল অটো, টোটো ও বাইক চলাচল।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর নীচে দেওয়া হল।  ...

 মাদ্রিদ, ১ জুন: করোনার ধাক্কা সামলে স্প্যানিশ লিগের পরিবর্তিত সূচি ঘোষণা করল লিগ কমিটি। ১১ জুন সেভিয়া ডার্বি দিয়ে বন্ধ হওয়া লিগ শুরু হবে। ঘরের মাঠে সেভিয়া মুখোমুখি হবে রিয়াল বেতিসের। ১৩ জুন মাঠে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নির্ধারিত সময়েই রাজ্যে বর্ষা ঢুকছে
আন্দামান ও নিকোবরে বর্ষা এসেছিল আগেই। এবার নির্দিষ্ট সময়েই ভারতের ...বিশদ

08:06:27 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে স্বীকৃতি লাভ। ...বিশদ

08:06:15 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ...বিশদ

08:02:00 AM

উত্তর প্রদেশে করোনা আক্রান্ত আরও ২৯৬, মৃত ৫ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৯৬ জন। ...বিশদ

01-06-2020 - 09:21:40 PM

মুম্বইয়ে করোনা আক্রান্ত আরও ১৪১৩, মৃত ৪০ 
মুম্বইয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৪১৩ জন। মৃত ...বিশদ

01-06-2020 - 09:12:55 PM

গুজরাটে করোনা আক্রান্ত আরও ৪২৩, মৃত ২৫ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২৩ জন করোনা আক্রান্ত ...বিশদ

01-06-2020 - 08:55:01 PM