Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

সেকালের পুজো 

তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 

সে ছিল এক অন্য কলকাতা— সেখানে কলুপাড়া, ডোমপাড়া, হাঁড়িপাড়া, গয়লাপাড়া, হাতিবাগান, বাদুড়বাগান, চালতাবাগান, হালসীর বাগান— ছিল অঞ্চলের নাম। সেই সাবেক কলকাতাতেও ছিল দুর্গাপুজো। সমাজের ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষকে না শামিল করলে সেকালের দুর্গাপুজো পূর্ণতা পেত না।
তখন দুর্গাপুজো মূলত জমিদারবাড়ি কিংবা উচ্চবিত্ত মানুষদের বাড়িতেই হতো। তখনকার দিনে এই পুজো উপলক্ষে ভট্টাচার্য ব্রাহ্মণ আর ‘টুলো’ অধ্যাপকরা ‘বার্ষিকী’ বা পার্বণী পেতেন। কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচার নক্সায়’ এই পার্বণী পাওয়ার চমৎকার বর্ণনা আছে। দুর্গাপুজোর বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই এই ‘পার্বণী’ দেওয়া শুরু হয়ে যেত। যে জমিদার বাড়িগুলিতে পুজো হতো, সে সব বাড়ি গিজগিজ করত ব্রাহ্মণ- পণ্ডিতদের ভিড়ে! বাড়ির ‘বাবু’টি তসরের কাপড় পরে তাঁর সেরেস্তায় বসে থাকতেন একটা গদির উপর। তাঁর ডানদিকে বসত তাঁর দেওয়ান টাকা আর সিকি-আধুলির তোড়া নিয়ে, দেওয়ানের সামনে খোলা থাকত একটা খাতা। ‘বাবু’র বাঁ দিকে বসতেন সভাপণ্ডিত। এই সভা-পণ্ডিতের কাজ ছিল বিচার করে স্থির করা কোন ব্রাহ্মণ প্রকৃতই এই ‘পার্বণী’ নেবার অধিকারী আর কে তা নন। যদি কেউ গত একবছর বিধবা-বিবাহের সভায় যেতেন, সেখানকার ‘প্রণামী’ গ্রহণ করতেন, কিংবা কোনও ‘অখাদ্য’ খেয়ে ফেলতেন, তাহলে ‘পার্বণী’ পাওয়ার অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত হতেন। অনেকে ‘পার্বণী’ পাবার লোভে ‘দিব্যি’ গেলে বলতেন যে তাঁরা তেমন কোনও ‘অসিদ্ধ’ কাজ গত একবছরে করেননি! কিন্তু সেকথা বিশ্বাস না হলে সভা-পণ্ডিত খাতা থেকে তাঁর নাম কেটে দেবার হুকুম দিতেন। বঞ্চিত ব্রাহ্মণরা তখন রেগে পৈতে ছিঁড়ে ‘অভিশাপ’ দিতে দিতে চলে যেতেন!
মুদি সারাবছর গৃহস্থকে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগান দেয়। তাই বছরে দু’বার তাকে ‘উটনো’ মেটানো হতো। একবার চড়কের সময়, আর একবার দুর্গাপুজোর সময়। পুজোর সময় ‘উটনো’ মেটানোকে বলা হতো ‘ঢাকে-ঢোলে চুকানো।’ মুদিও যেন ফাঁকিতে না পড়ে এবং তারও যেন পাওনাগন্ডা সব মিটে যায় পুজোর আগে, সেইজন্যই সেকালের সমাজে ছিল এমন ব্যবস্থা।
কৃষ্ণপক্ষের নবমীতে অনেকের বাড়ি ‘কল্পারম্ভ’ হতো। তারপর থেকে রোজই চলত সংক্ষিপ্ত পুজো এবং চণ্ডীপাঠ। যাঁদের বাড়িতে প্রতিমাপুজো হতো না, তাঁদেরও কিন্তু এই ক’দিন রোজ বাড়িতে চণ্ডীপাঠ করাতে হতো— এমনি ছিল সেকালের নিয়ম।
মা দুর্গার সিংহের মুখ নিয়েও সেকালের কলকাতার নানারকম চল ছিল। শাক্তবাড়ির সিংহের মুখ হতো সাধারণ। কিন্তু গোঁসাইবাড়ির সিংহের মুখ হতো ‘ঘোটক-মুখী’। সেকালে মা দুর্গার সাজ হতো মাটির গয়নায়। অনেক পরে ‘ডাকের সাজ’ এবং ‘শোলার সাজ’-এর প্রচলন হয়েছিল। শুধু কি সাজ? মা দুর্গার দুপাশে কার্তিক গণেশের দিকনির্ণয় নিয়েও ছিল দুই বাংলার দু’রকমের প্রথা। পশ্চিমবাংলায় দেবীর ডানদিকে গণেশ, বাঁদিকে কার্তিক, আবার পূর্ববঙ্গে-এর ঠিক উল্টো। কোথাও আবার লক্ষ্মী-সরস্বতীর জায়গা নিতেন জয়া-বিজয়া কিংবা রাধাকৃষ্ণ।
দুর্গাপুজোর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হল দেবীর ‘মহাস্নান’। শঙ্খজল, গঙ্গাজল, উষ্ণজল, গন্ধজল, রজতজল, স্বর্ণজল, মুক্তাজল, বৃষ্টিজল, নির্ঝরজল ইত্যাদি এই নানান জলে ‘দেবী’র মহাস্নানের সময় সেকালে বিভিন্ন রাগ বাজানোর চল ঩ছিল— যেমন ‘বৃষ্টিজল’-এ মহাস্নানের সময় ললিত রাগ ও বিজয়বাদ্য, ‘নির্ঝরজল’-এ মহাস্নানের সময় বরাড়ী রাগ ও শঙ্খবাদ্য প্রভৃতি। কলাবউ স্নান করাতে নিয়ে যাবার সময় পুরোহিত, তন্ত্রধারক, বাড়ির আচার্য, ব্রাহ্মণ, গুরু, সভা-পণ্ডিতের পেছনে বাড়ির ‘বাবু’টিকে সপারিষদ যেতেই হতো। সেই যাত্রায় ‘বাবু’র মাথার ওপর লাল সার্টিনে মোড়া রুপোর ‘রামছাতা’ ধরা হতো।
মহাষ্টমীর সন্ধিপুজোয় একশো আটটি ঘিয়ের প্রদীপ এখনও অবশ্য জ্বালানো হয়, কিন্তু এর পাশাপাশি আরও দু’রকম প্রথা ছিল যা আর আজকাল সচরাচর দেখা যায় না— ‘মানসপূর্তি’তে বাড়ির মহিলারা মাথায় করে সরা নিয়ে তাতে ধুনো পোড়াতেন, আর বাড়ির পুরুষরা ‘মানসপূর্তিতে’ বুক চিরে রক্ত দিতেন।
সেকালে বাড়ির পুজো থেকে বারোয়ারি পুজো সবেতেই মূল নৈবেদ্য ছিল ‘আগা-তোলা মন্ডা’ বা ‘দুর্গামন্ডা’। কাঠের বারকোশের ওপর সাজানো এই মন্ডার ওজন হতো প্রায় দেড় মন। নবমীতে হতো বলি। ছাগল, মোষ, ঘোড়া, মাগুরমাছ, সুপুরি, আখ, কুমড়োর পাশাপাশি পিটুলি দিয়ে শত্রুর প্রতিকৃতি তৈরি করে ‘বলি’ দেওয়ারও রেওয়াজ ছিল সেকালে। ‘বলি’র পর সেই বাড়ির লোক পাঁঠা, মোষ বা ঘোড়ার কাটা মুণ্ডু মাথায় নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরত! এটাই ছিল রীতি। বাড়ির বয়স্ক ঠাকুরদা তাঁর সমবয়সি বন্ধু এবং নাতিপুতিদের সঙ্গে নিয়ে সেই বলির ‘মুণ্ডু’ যাত্রার সঙ্গে সঙ্গে যেতেন গান করতে করতে। এই গানকে চলিত কথায় বলা হতো ‘কাদা মাটি’র গান। বৃদ্ধ ঠাকুরদার হাতে থাকত একটি খাতা। তাতে লেখা থাকত গান, পাছে গাইতে গাইতে কথা ভুলে যান, তাই এই ব্যবস্থা। এই গানকে ‘খেউড়’ গানও বলা হতো। সেকালে বড় মানুষের বাড়ির পুজোর নিমন্ত্রণে গেলে নিমন্ত্রিতকে প্রণামীর টাকা দিতে হতো সেই বাড়ির পুরোহিতের হাতে। শুধু হাতে ঠাকুর দর্শন করে চলে আসার প্রথা ছিল না। কিছু কিছু জায়গায় বাড়ির ‘বাবু’টি স্বয়ং জরির মছলন্দ পেতে সামনে আতরদান, গোলাপ-বাস সাজিয়ে বসে থাকতেন দোকানের পোদ্দারদের মতো ‘ওঁৎ’ পেতে। এই প্রণামীর টাকাকে সেই জন্য বলা হতো ‘ওঁৎ করা টাকা।’ অনেকে নিজেরা না গিয়ে এই টাকাটা ছেলেপুলেদের হাতে দিয়েও পাঠিয়ে দিতেন। সন্ধে বেলা এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ছোট ছেলেমেয়েদের বাড়ির ঝি বা চাকর ঠাকুর দেখাতে নিয়ে গেলে তাদের এক সরা ‘জলপান’ দেওয়ার চল ছিল।
প্রতিমা দর্শন করতে মুসলমানরাও আসতেন। এই তথ্য আমরা পাই স্বামী বিবেকানন্দের মেজ ভাই মহেন্দ্রনাথ দত্তের ‘কলিকাতার পুরাতন কাহিনী ও প্রথা’ গ্রন্থে। স্থানীয় মুসলমানরা এসে তিনবার মা দুর্গাকে ‘সেলাম-সেলাম-সেলাম’ বলে চলে যেতেন।
প্রত্যেক বাড়িতে লোক খাওয়ানো হতো। ভাত, পাঁচরকম তরকারি, দই আর পায়েস। শাক্ত ব্রাহ্মণ বাড়ি হলে মাছও দেওয়া হতো, কায়স্থ বাড়ি হলে ছিল লুচির চল। দুই বাংলায় আরও দুটি বিপরীত প্রথা ছিল। পশ্চিমবঙ্গে দশমীপুজোয় দেবীকে দেওয়া হতো ‘দধিকর্মা’। পূর্ববঙ্গে দেওয়া হতো পান্তাভাত আর কচুর শাক।
আমরা হয়তো মনে করি নাচগান করতে করতে প্রতিমা বিসর্জনে নিয়ে যাওয়া হয়তো একালেই হয়েছে, কিন্তু না, এই প্রথা বহু পুরনো। যার উল্লেখ আছে জীমূতবাহনের ‘কালবিবেক’ গ্রন্থে। শবরজাতির মতো সারা দেহকে লতাপাতা দিয়ে সাজিয়ে, সারা গায়ে কাদা মেখে নাচ-গান করা হতো বলেই বিজয়া দশমীর এই উৎসবকে বলা হতো ‘শবরোৎসব’। শুধু নাচ-গানই নয়, গ্রাম্যভাষায় একে অন্যকে গালমন্দ করাও এই শবরোৎসবের অঙ্গ। শোভাযাত্রায় অনেক সময় ‘খাস-গেলাস’-এর ঝাড় হতো। মাটির ছোট ছোট মোমবাতি রাখার একরকম বাতিদান হতো, তার মাঝখান থেকে উপর-নীচে দুটো এক ইঞ্চি করে চোঙা থাকত। অভ্রর গেলাস তৈরি করে লাল কাগজের পাড় দিয়ে গেলাসটার উপর দিক ও নীচের দিক জুড়তে হতো। দেখতেও বাহারি হতো, আবার অভ্রটাও পড়ে যেত না। সেই অভ্রর গেলাসটা খুরির উপর আঠা দিয়ে বসান হতো। আর তার ভেতর একটি মোমবাতি থাকত এবং এই মাটির খুরিটা একটা বাখারির, ডাল বা ডান্ডার উপর আটকানো হতো। এইভাবে আট বা দশটা ডাল দিয়ে একটা ‘ঝাড়’ হতো। প্রতিমা নিয়ে গঙ্গায় বাইচ খেলানোরও চল ছিল ‘বাবু’দের মধ্যে। বজরার ছাতে শৌখিনবাবুরা খ্যাম্‌টাউলি ও বাঈজি সঙ্গে নিয়েও প্রতিমা নিরঞ্জনে যেতেন।
বিজয়ার দিন প্রতিমা নিরঞ্জনের পর চণ্ডীমণ্ডপে ফিরে পূর্ণ ঘটকে প্রণাম করে ‘শান্তিজল’ নেওয়াই শুধু নয়, সেই সঙ্গে ‘ঘটজল’ ও ‘কাঁচাহলুদও’ খেতে হতো। তারপর হতো শুভ বিজয়ার কোলাকুলি। ছোটরা বিজয়ার দিন পাড়ার বয়স্ক ব্রাহ্মণদের খালি হাতে কিন্তু প্রণাম করতে পারত না, প্রণামী দিতেই হতো। বড়রা সে প্রণামী যেমন নিতেন, তেমনি ছোটদের হাতে তুলে দিতেন নারকোল-ছাবা ও অন্যান্য নারকোলের মিষ্টি। বিজয়ার কোলাকুলিতে এবং প্রণামে ছানার মিষ্টি খাওয়ার নিয়ম ছিল না। কলাপাতায় ‘দুর্গানাম’ লিখতে হতো তারপর, এবং সিদ্ধি মুখে দিতেই হতো সবাইকে। তবেই ঘটত শুভ বিজয়ার পরিসমাপ্তি।
05th  October, 2019
নারী-উন্নয়নই আমার লক্ষ্য: সুনীরা চামারিয়া 

ফিকি (এফএলও)-র চেয়ারপার্সন সুনীরা চামারিয়া জানালেন সমাজে মেয়েদের অবস্থার পরিবর্তন করাই তাঁর অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু কীভাবে? তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনায় কমলিনী চক্রবর্তী।   বিশদ

19th  September, 2020
ব্যাঘ্রবাহিনীর কন্যা তিনি 

সিংহের ওপরে মা দুর্গাকে দেখেছেন তো অনেকেই। কিন্তু বাঘের ওপরে আসীন মা? উত্তর কলকাতার কুণ্ডুবাড়িতে গেলে দর্শন পাবেন ব্যাঘ্রবাহিনী দুর্গার। করোনা সংকটে এই বছর জাঁকজমক কিছুটা কম হলেও পুজো হচ্ছে। এবার তাঁদের শারদোৎসব ১২ বছরে পা দিচ্ছে। বাঘের সঙ্গে মা দুর্গার মেলবন্ধনের গল্পটা শোনালেন বাড়ির গিন্নি সুচন্দ্রা কুণ্ডু। লিখেছেন অন্বেষা দত্ত।  বিশদ

19th  September, 2020
 রন্ধনে লক্ষ্মীলাভ

ঘরে রেঁধে বেড়েই ক্ষান্ত দেননি তাঁরা। বরং নিজেদের হেঁশেল থেকেই শুরু করেছেন ব্যবসা। তেমনই কিছু ঘরোয়া রন্ধন ব্যবসায়ীর কথা শোনালেন কমলিনী চক্রবর্তী। বিশদ

12th  September, 2020
 বাঙালির ঘরের মেয়ে দুর্গা

মহালয়ার শুভক্ষণ সমাগত। সপ্তাহ পার হলেই পিতৃপক্ষের শেষ, দেবীপক্ষের শুরু। লোকবিশ্বাসে দেবী আরাধনার সূচনা হয়ে যায় মহালয়ার দিন থেকেই । লিখেছেন পূর্বা সেনগুপ্ত। বিশদ

12th  September, 2020
 এখন মেয়েরা

 জনপ্রিয় ব্রিটিশ গায়িকা এলি গোল্ডিং সম্প্রতি তাঁর উপবাসের কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি উপবাসের রুটিন শুরু করেছিলেন ১২ ঘণ্টা দিয়ে, সেটা বাড়াতে বাড়াতে এখন ৪০ ঘণ্টায় পৌঁছে গিয়েছে। ২ দিনের কাছাকাছি সময় তিনি কিচ্ছুটি খান না! কেবল জল আর অন্য কোনও পানীয় এই ৪০ ঘণ্টার উপবাসে তাঁর সঙ্গী। বিশদ

12th  September, 2020
মায়েদের ভালো রাখতে 

অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের পুষ্টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মায়ের যথাযথ পুষ্টি না হলে সন্তানের বৃদ্ধিও ঠিকমতো হবে না। তাই এই অবস্থায় কী কী বিষয় খেয়াল রাখবেন, তা নিয়ে বিশদ জানালেন গাইনোকলজিস্ট অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায়।  বিশদ

05th  September, 2020
ছোটবেলা থেকেই গড়ে দিতে হবে মেয়েদের স্বাস্থ্য 

শৈশব থেকেই কন্যাসন্তানের ডায়েটে গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ সে-ই পরবর্তীতে সংসারের কর্ত্রী, ভাবী মা। তার স্বাস্থ্যের ভিত মজবুত হওয়া দরকার। লাইফস্টাইল ও ডায়েট কনসালট্যান্ট রূপশ্রী চক্রবর্তীর পরামর্শ শোনাচ্ছেন সোমা লাহিড়ী।  বিশদ

05th  September, 2020
বয়স বাড়ুক তবু ছন্দ আনুন জীবনে 

মধ্যবয়সে পৌঁছে মহিলাদের অধিকাংশই অবসাদ আর অপুষ্টির শিকার হয়ে পড়েন। কীভাবে সুস্থ জীবন কাটাবেন পঞ্চাশোর্ধ্বরা? পরামর্শে গাইনোকলজিস্ট ডাঃ সুভাষ বিশ্বাস ও ডায়েটিশিয়ান সুদেষ্ণা মৈত্র নাগ।  বিশদ

05th  September, 2020
এখন মেয়েরা 

ফের সংসারের লড়াইয়ে নামতে চান জারকা
কয়েক মাস ধরেই ভীষণ কষ্টে ভুগেছেন জারকা। কাটা নাকের ক্ষত যেন আরও দগদগে হয়ে উঠেছিল মনের তীব্র কষ্টে। বুঝেই উঠতে পারছিলেন না, কোন দোষে জীবন এমন শাস্তি দিল তাঁকে।  
বিশদ

29th  August, 2020
প্রথা-ভাঙা কাজে মেয়েরা নেই কেন?

জুলির (নাম পরিবর্তিত) কথা দিয়েই শুরু করা যাক। জুলির বাড়ি দমদম বিমানবন্দরের কাছে। ছোটবেলায় যখন ওদের টালির চালের কান ঘেঁষে আকাশে এরোপ্লেন উড়ে যেত, তখন জুলি ভাবত, ‘ইস আমি যদি প্লেন চালাতে পারতাম, আমিও পাখির মতো আকাশে উড়তাম’।  
বিশদ

29th  August, 2020
দুর্গম পাহাড়ে নারীর বিপ্লব 

গোটা দেশের গড় আয়ু প্রায় ৬৭। কিন্তু সে দেশেই ছড়িয়ে রয়েছে এমন এক প্রদেশ, যেখানকার মানুষের গড় আয়ু ১২০ বছর! শুধু তা-ই নয়, এই প্রদেশের মেয়েরা তলে তলে ঘটিয়ে ফেলছেন এক বিরাট বদল। কেমন তার রূপরেখা? জানালেন মনীষা মুখোপাধ্যায়। 
বিশদ

29th  August, 2020
অনলাইন বক্সিংয়ে কাশ্মীরের তরুণীর সোনা জয় 

‘খেলো ইন্ডিয়া’ অনলাইন বক্সিং প্রতিযোগিতায় সোনা জয় করেছেন কাশ্মীরের শ্রীনগরের মার্শাল আর্ট খেলোয়াড় রুবা শাবির। জম্মুর লুডিয়ানায় অনুষ্ঠিত জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন রুবা। 
বিশদ

22nd  August, 2020
ভারতীয় উপমহাদেশে বন্যার্তদের
জন্য সহায়তা গ্রেটা থুনবার্গের 

ভারত সহ আশপাশের দেশে বন্যার্তদের জন্য ১ লক্ষ ইউরো অর্থ সাহায্য করেছে জলবায়ু পরিবর্তনকর্মী, সুইডিশ কিশোরী গ্রেটা থুনবার্গ। ২০ জুলাই গ্রেটা ‘প্রাইজ ফর হিউম্যানিটি’ পুরস্কারে ভূষিত হয়। এই পুরস্কারের অর্থমূল্য এক মিলিয়ন বা ১০ লক্ষ ইউরো।
বিশদ

22nd  August, 2020
কমলা রঙের দিনগুলি 

সম্ভাব্য মহিলা ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কমলা হ্যারিস তিন নম্বরে হলেও অশ্বেতাঙ্গ এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা হিসেবে তিনিই প্রথম। পেশায় আইনজীবী এবং সুবক্তা কমলা আদালতের চোখা সওয়ালের মতোই রিপাবলিকান পার্টির নেতাদের সঙ্গে সমান তালে তর্ক করেন। তবু আমেরিকার সুশীল সমাজ কমলাকে স্রেফ একজন ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী’ হিসেবে দেখছে না। বরং আমেরিকা তাঁকে দেখে প্রশ্ন করছে ‘আর ইউ ফ্রম ইন্ডিয়া’? কমলা কি ‘অতিথিবৎসল’ আমেরিকাকে, ‘বহুজাতিবাদ’-এর আমেরিকাকে চিরস্থায়ী করতে পারবেন? প্রশ্ন তুললেন শুভঙ্কর মুখোপাধ্যায়। 
বিশদ

22nd  August, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রানাঘাট: রানাঘাটে জাতীয় সড়কের ধার থেকে চুরি যাওয়া একটি লরি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে উদ্ধার করল পুলিস। বুধবার রাতে পায়রাডাঙায় জাতীয় সড়কের ধারের একটি পেট্রল পাম্পের পাশ থেকে ১২ চাকার ওই লরিটি চুরি যায়।  ...

রোম: ইতালিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিলেন রাফায়েল নাদাল। তবে ফাইনালে উঠেছেন নোভাক জকোভিচ। এর আগে রোমের এই টুর্নামেন্টে ন’বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন স্প্যানিশ তারকা নাদাল।   ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সঙ্গে নিতে হবে বিপ্লব মিত্রকে। কলকাতায় বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফ থেকে জেলা নেতৃত্বকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ...

লন্ডন: করোনা রুখতে কঠোর জরিমানার পথে হাঁটতে চলেছে ব্রিটেন। সেল্ফ আইসোলেশনে না থাকলে করোনা আক্রান্তকে ১০ হাজার পাউন্ড জরিমানা করা হবে বলে শনিবার ঘোষণা করেছে বরিস জনসন সরকার।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এনআইএ-র জালে আরও ২ জঙ্গি
এনআইএ-র জালে ধরা পড়ল আরও ২ সন্দেহভাজন জঙ্গি। ধৃত আল-কায়দা ...বিশদ

09:34:00 AM

হাতি সাফারি আপাতত বন্ধ থাকবে 
কোভিড-১৯ আবহে জঙ্গল খোলার ১৫ দিন পর রিভিউ মিটিংয়ে পরিস্থিতি ...বিশদ

09:33:21 AM

নজরুল তীর্থের ওপেন এয়ার থিয়েটার খুলছে 
স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সুখবর দিচ্ছে নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। লকডাউন ...বিশদ

09:33:05 AM

বোধোদয়! স্কুটি চুরি করেও ফেরত দিয়ে গেল চোর 
এ যেন উলটপুরাণ। চুরি করে নিয়ে গিয়েও শেষমেশ তা ফেরত ...বিশদ

09:30:00 AM

ফেসবুক ইন্ডিয়াকে ফের সমন 
নয়াদিল্লি: বিদ্বেষমূলক পোষ্ট ইস্যুতে ফেসবুককে চূড়ান্ত সমন পাঠাল দিল্লি বিধানসভার ...বিশদ

09:30:00 AM

মহারাষ্ট্রে বহুতল ভেঙে মৃত ১০ 
মহারাষ্ট্রের থানেতে বহুতল ভেঙে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হল। এখনও ...বিশদ

09:15:34 AM