Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

সেকালের পুজো 

তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 

সে ছিল এক অন্য কলকাতা— সেখানে কলুপাড়া, ডোমপাড়া, হাঁড়িপাড়া, গয়লাপাড়া, হাতিবাগান, বাদুড়বাগান, চালতাবাগান, হালসীর বাগান— ছিল অঞ্চলের নাম। সেই সাবেক কলকাতাতেও ছিল দুর্গাপুজো। সমাজের ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষকে না শামিল করলে সেকালের দুর্গাপুজো পূর্ণতা পেত না।
তখন দুর্গাপুজো মূলত জমিদারবাড়ি কিংবা উচ্চবিত্ত মানুষদের বাড়িতেই হতো। তখনকার দিনে এই পুজো উপলক্ষে ভট্টাচার্য ব্রাহ্মণ আর ‘টুলো’ অধ্যাপকরা ‘বার্ষিকী’ বা পার্বণী পেতেন। কালীপ্রসন্ন সিংহের ‘হুতোম প্যাঁচার নক্সায়’ এই পার্বণী পাওয়ার চমৎকার বর্ণনা আছে। দুর্গাপুজোর বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই এই ‘পার্বণী’ দেওয়া শুরু হয়ে যেত। যে জমিদার বাড়িগুলিতে পুজো হতো, সে সব বাড়ি গিজগিজ করত ব্রাহ্মণ- পণ্ডিতদের ভিড়ে! বাড়ির ‘বাবু’টি তসরের কাপড় পরে তাঁর সেরেস্তায় বসে থাকতেন একটা গদির উপর। তাঁর ডানদিকে বসত তাঁর দেওয়ান টাকা আর সিকি-আধুলির তোড়া নিয়ে, দেওয়ানের সামনে খোলা থাকত একটা খাতা। ‘বাবু’র বাঁ দিকে বসতেন সভাপণ্ডিত। এই সভা-পণ্ডিতের কাজ ছিল বিচার করে স্থির করা কোন ব্রাহ্মণ প্রকৃতই এই ‘পার্বণী’ নেবার অধিকারী আর কে তা নন। যদি কেউ গত একবছর বিধবা-বিবাহের সভায় যেতেন, সেখানকার ‘প্রণামী’ গ্রহণ করতেন, কিংবা কোনও ‘অখাদ্য’ খেয়ে ফেলতেন, তাহলে ‘পার্বণী’ পাওয়ার অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত হতেন। অনেকে ‘পার্বণী’ পাবার লোভে ‘দিব্যি’ গেলে বলতেন যে তাঁরা তেমন কোনও ‘অসিদ্ধ’ কাজ গত একবছরে করেননি! কিন্তু সেকথা বিশ্বাস না হলে সভা-পণ্ডিত খাতা থেকে তাঁর নাম কেটে দেবার হুকুম দিতেন। বঞ্চিত ব্রাহ্মণরা তখন রেগে পৈতে ছিঁড়ে ‘অভিশাপ’ দিতে দিতে চলে যেতেন!
মুদি সারাবছর গৃহস্থকে সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগান দেয়। তাই বছরে দু’বার তাকে ‘উটনো’ মেটানো হতো। একবার চড়কের সময়, আর একবার দুর্গাপুজোর সময়। পুজোর সময় ‘উটনো’ মেটানোকে বলা হতো ‘ঢাকে-ঢোলে চুকানো।’ মুদিও যেন ফাঁকিতে না পড়ে এবং তারও যেন পাওনাগন্ডা সব মিটে যায় পুজোর আগে, সেইজন্যই সেকালের সমাজে ছিল এমন ব্যবস্থা।
কৃষ্ণপক্ষের নবমীতে অনেকের বাড়ি ‘কল্পারম্ভ’ হতো। তারপর থেকে রোজই চলত সংক্ষিপ্ত পুজো এবং চণ্ডীপাঠ। যাঁদের বাড়িতে প্রতিমাপুজো হতো না, তাঁদেরও কিন্তু এই ক’দিন রোজ বাড়িতে চণ্ডীপাঠ করাতে হতো— এমনি ছিল সেকালের নিয়ম।
মা দুর্গার সিংহের মুখ নিয়েও সেকালের কলকাতার নানারকম চল ছিল। শাক্তবাড়ির সিংহের মুখ হতো সাধারণ। কিন্তু গোঁসাইবাড়ির সিংহের মুখ হতো ‘ঘোটক-মুখী’। সেকালে মা দুর্গার সাজ হতো মাটির গয়নায়। অনেক পরে ‘ডাকের সাজ’ এবং ‘শোলার সাজ’-এর প্রচলন হয়েছিল। শুধু কি সাজ? মা দুর্গার দুপাশে কার্তিক গণেশের দিকনির্ণয় নিয়েও ছিল দুই বাংলার দু’রকমের প্রথা। পশ্চিমবাংলায় দেবীর ডানদিকে গণেশ, বাঁদিকে কার্তিক, আবার পূর্ববঙ্গে-এর ঠিক উল্টো। কোথাও আবার লক্ষ্মী-সরস্বতীর জায়গা নিতেন জয়া-বিজয়া কিংবা রাধাকৃষ্ণ।
দুর্গাপুজোর একটি বিশেষ অনুষ্ঠান হল দেবীর ‘মহাস্নান’। শঙ্খজল, গঙ্গাজল, উষ্ণজল, গন্ধজল, রজতজল, স্বর্ণজল, মুক্তাজল, বৃষ্টিজল, নির্ঝরজল ইত্যাদি এই নানান জলে ‘দেবী’র মহাস্নানের সময় সেকালে বিভিন্ন রাগ বাজানোর চল ঩ছিল— যেমন ‘বৃষ্টিজল’-এ মহাস্নানের সময় ললিত রাগ ও বিজয়বাদ্য, ‘নির্ঝরজল’-এ মহাস্নানের সময় বরাড়ী রাগ ও শঙ্খবাদ্য প্রভৃতি। কলাবউ স্নান করাতে নিয়ে যাবার সময় পুরোহিত, তন্ত্রধারক, বাড়ির আচার্য, ব্রাহ্মণ, গুরু, সভা-পণ্ডিতের পেছনে বাড়ির ‘বাবু’টিকে সপারিষদ যেতেই হতো। সেই যাত্রায় ‘বাবু’র মাথার ওপর লাল সার্টিনে মোড়া রুপোর ‘রামছাতা’ ধরা হতো।
মহাষ্টমীর সন্ধিপুজোয় একশো আটটি ঘিয়ের প্রদীপ এখনও অবশ্য জ্বালানো হয়, কিন্তু এর পাশাপাশি আরও দু’রকম প্রথা ছিল যা আর আজকাল সচরাচর দেখা যায় না— ‘মানসপূর্তি’তে বাড়ির মহিলারা মাথায় করে সরা নিয়ে তাতে ধুনো পোড়াতেন, আর বাড়ির পুরুষরা ‘মানসপূর্তিতে’ বুক চিরে রক্ত দিতেন।
সেকালে বাড়ির পুজো থেকে বারোয়ারি পুজো সবেতেই মূল নৈবেদ্য ছিল ‘আগা-তোলা মন্ডা’ বা ‘দুর্গামন্ডা’। কাঠের বারকোশের ওপর সাজানো এই মন্ডার ওজন হতো প্রায় দেড় মন। নবমীতে হতো বলি। ছাগল, মোষ, ঘোড়া, মাগুরমাছ, সুপুরি, আখ, কুমড়োর পাশাপাশি পিটুলি দিয়ে শত্রুর প্রতিকৃতি তৈরি করে ‘বলি’ দেওয়ারও রেওয়াজ ছিল সেকালে। ‘বলি’র পর সেই বাড়ির লোক পাঁঠা, মোষ বা ঘোড়ার কাটা মুণ্ডু মাথায় নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরত! এটাই ছিল রীতি। বাড়ির বয়স্ক ঠাকুরদা তাঁর সমবয়সি বন্ধু এবং নাতিপুতিদের সঙ্গে নিয়ে সেই বলির ‘মুণ্ডু’ যাত্রার সঙ্গে সঙ্গে যেতেন গান করতে করতে। এই গানকে চলিত কথায় বলা হতো ‘কাদা মাটি’র গান। বৃদ্ধ ঠাকুরদার হাতে থাকত একটি খাতা। তাতে লেখা থাকত গান, পাছে গাইতে গাইতে কথা ভুলে যান, তাই এই ব্যবস্থা। এই গানকে ‘খেউড়’ গানও বলা হতো। সেকালে বড় মানুষের বাড়ির পুজোর নিমন্ত্রণে গেলে নিমন্ত্রিতকে প্রণামীর টাকা দিতে হতো সেই বাড়ির পুরোহিতের হাতে। শুধু হাতে ঠাকুর দর্শন করে চলে আসার প্রথা ছিল না। কিছু কিছু জায়গায় বাড়ির ‘বাবু’টি স্বয়ং জরির মছলন্দ পেতে সামনে আতরদান, গোলাপ-বাস সাজিয়ে বসে থাকতেন দোকানের পোদ্দারদের মতো ‘ওঁৎ’ পেতে। এই প্রণামীর টাকাকে সেই জন্য বলা হতো ‘ওঁৎ করা টাকা।’ অনেকে নিজেরা না গিয়ে এই টাকাটা ছেলেপুলেদের হাতে দিয়েও পাঠিয়ে দিতেন। সন্ধে বেলা এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ছোট ছেলেমেয়েদের বাড়ির ঝি বা চাকর ঠাকুর দেখাতে নিয়ে গেলে তাদের এক সরা ‘জলপান’ দেওয়ার চল ছিল।
প্রতিমা দর্শন করতে মুসলমানরাও আসতেন। এই তথ্য আমরা পাই স্বামী বিবেকানন্দের মেজ ভাই মহেন্দ্রনাথ দত্তের ‘কলিকাতার পুরাতন কাহিনী ও প্রথা’ গ্রন্থে। স্থানীয় মুসলমানরা এসে তিনবার মা দুর্গাকে ‘সেলাম-সেলাম-সেলাম’ বলে চলে যেতেন।
প্রত্যেক বাড়িতে লোক খাওয়ানো হতো। ভাত, পাঁচরকম তরকারি, দই আর পায়েস। শাক্ত ব্রাহ্মণ বাড়ি হলে মাছও দেওয়া হতো, কায়স্থ বাড়ি হলে ছিল লুচির চল। দুই বাংলায় আরও দুটি বিপরীত প্রথা ছিল। পশ্চিমবঙ্গে দশমীপুজোয় দেবীকে দেওয়া হতো ‘দধিকর্মা’। পূর্ববঙ্গে দেওয়া হতো পান্তাভাত আর কচুর শাক।
আমরা হয়তো মনে করি নাচগান করতে করতে প্রতিমা বিসর্জনে নিয়ে যাওয়া হয়তো একালেই হয়েছে, কিন্তু না, এই প্রথা বহু পুরনো। যার উল্লেখ আছে জীমূতবাহনের ‘কালবিবেক’ গ্রন্থে। শবরজাতির মতো সারা দেহকে লতাপাতা দিয়ে সাজিয়ে, সারা গায়ে কাদা মেখে নাচ-গান করা হতো বলেই বিজয়া দশমীর এই উৎসবকে বলা হতো ‘শবরোৎসব’। শুধু নাচ-গানই নয়, গ্রাম্যভাষায় একে অন্যকে গালমন্দ করাও এই শবরোৎসবের অঙ্গ। শোভাযাত্রায় অনেক সময় ‘খাস-গেলাস’-এর ঝাড় হতো। মাটির ছোট ছোট মোমবাতি রাখার একরকম বাতিদান হতো, তার মাঝখান থেকে উপর-নীচে দুটো এক ইঞ্চি করে চোঙা থাকত। অভ্রর গেলাস তৈরি করে লাল কাগজের পাড় দিয়ে গেলাসটার উপর দিক ও নীচের দিক জুড়তে হতো। দেখতেও বাহারি হতো, আবার অভ্রটাও পড়ে যেত না। সেই অভ্রর গেলাসটা খুরির উপর আঠা দিয়ে বসান হতো। আর তার ভেতর একটি মোমবাতি থাকত এবং এই মাটির খুরিটা একটা বাখারির, ডাল বা ডান্ডার উপর আটকানো হতো। এইভাবে আট বা দশটা ডাল দিয়ে একটা ‘ঝাড়’ হতো। প্রতিমা নিয়ে গঙ্গায় বাইচ খেলানোরও চল ছিল ‘বাবু’দের মধ্যে। বজরার ছাতে শৌখিনবাবুরা খ্যাম্‌টাউলি ও বাঈজি সঙ্গে নিয়েও প্রতিমা নিরঞ্জনে যেতেন।
বিজয়ার দিন প্রতিমা নিরঞ্জনের পর চণ্ডীমণ্ডপে ফিরে পূর্ণ ঘটকে প্রণাম করে ‘শান্তিজল’ নেওয়াই শুধু নয়, সেই সঙ্গে ‘ঘটজল’ ও ‘কাঁচাহলুদও’ খেতে হতো। তারপর হতো শুভ বিজয়ার কোলাকুলি। ছোটরা বিজয়ার দিন পাড়ার বয়স্ক ব্রাহ্মণদের খালি হাতে কিন্তু প্রণাম করতে পারত না, প্রণামী দিতেই হতো। বড়রা সে প্রণামী যেমন নিতেন, তেমনি ছোটদের হাতে তুলে দিতেন নারকোল-ছাবা ও অন্যান্য নারকোলের মিষ্টি। বিজয়ার কোলাকুলিতে এবং প্রণামে ছানার মিষ্টি খাওয়ার নিয়ম ছিল না। কলাপাতায় ‘দুর্গানাম’ লিখতে হতো তারপর, এবং সিদ্ধি মুখে দিতেই হতো সবাইকে। তবেই ঘটত শুভ বিজয়ার পরিসমাপ্তি।
05th  October, 2019
টেনিস তারকা অ্যাশলে বার্টি 

ফরাসি ওপেনে এবারকার মেয়েদের সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন অ্যাশলে বার্টি। ছেচল্লিশ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২৩ বছরের অস্ট্রেলীয় তরুণীর ফরাসি ওপেন জয়! ইতিহাস গড়লেন বার্টি। রোলাঁ গারোজে চেক কন্যা মার্কেতা ভন্ড্রোসোভাকে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে জয়ী হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেটার রিকি পন্টিংয়ের দেশ কুইন্সল্যান্ডের মেয়ে বার্টি।  
বিশদ

19th  October, 2019
নারীর নিরাপত্তায় সমাজ ও রাষ্ট্রের ভূমিকা 

মেয়েটি যাতে শারীরিক নিগ্রহ বা লাঞ্ছনার শিকার হলেও প্রতিবাদের মনোবল অক্ষুণ্ণ রাখতে পারে সেই মানসিকতা তার মধ্যে গড়ে তুলতে হবে পরিবারের লোকজনদের। ভয়ে, লজ্জায় নয়, দৃঢ় মনোভাব নিয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার সাহসের শিক্ষা আসবে পরিবার থেকেই।
বিশদ

19th  October, 2019
ভারত-সুন্দরী সুমন রাও একজন সমাজসেবীও 

২০১৯ সালের ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া’ হলেন রাজস্থানের সুমন রাও। এছাড়া, ছত্তিশগড়ের শিবানী যাদব ‘ফেমিনা মিস গ্র্যান্ড ইন্ডিয়া’ আর বিহারের শ্রেয়া শঙ্কর ‘মিস ইন্ডিয়া ইউনাইটেড কনটেস্ট’ খেতাব জিতেছেন। সম্প্রতি মুম্বইয়ের ওয়ার্লির সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।  
বিশদ

19th  October, 2019
ক্যারাটেতে সাফল্য এনেছে তারকেশ্বরের মেয়ে বৃষ্টি 

নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছে হুগলি জেলার তারকেশ্বরের পার্শ্ববর্তী মুক্তারপুর গ্রামের পঞ্চদশী বৃষ্টি মণ্ডল। এবছর ১৬ আগস্ট ভদ্রেশ্বরের তেলেনিপাড়া এম জি বিদ্যাপীঠে অনুষ্ঠিত ৬৫তম চন্দননগর মহকুমা স্কুল ক্যারাটে চ্যাম্পিয়ানশিপে মেয়েদের বিভাগে (অনূর্ধ্ব ১৭) দ্বিতীয়স্থান দখল করে মহকুমা ক্রীড়া মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে সে।  
বিশদ

19th  October, 2019
কঠোর মায়েদের সন্তানের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হয় 

বেড়ে ওঠার বয়সে আপনার মা কি খুব কঠোর ছিলেন? তিনি কি আপনাকে ঘর পরিষ্কার করতে, বাড়ির কাজ করতে এবং প্রতিনিয়ত ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে বলতেন? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ সন্তানই এমন পরিবারে বড় হয়েছি যেখানে মায়েরা ছিলেন আমাদের চিরশত্রু! 
বিশদ

12th  October, 2019
এসো মা লক্ষ্মী বসো ঘরে 

ননীবালার কথা: আশ্বিনে মা আসেন। তার রেশ মিটতে না মিটতেই দু-দিন পরেই তো মেয়ে আসবে। তাঁকে আবাহনেরও কম আয়োজন নাকি! বর্ষা শেষ হয়ে ভাদ্র পড়তেই ভাঁড়ার ঘরের ঝাড়া-বাছা রোদে দেওয়ার ধুম।  
বিশদ

12th  October, 2019
লক্ষ্মীর পাঁচালি গৃহিণীদের
সুখী সংসারের উপদেশ দেয় 

আমাদের বাড়ির হোম মিনিস্টার বলা যায় বাড়ির গৃহবধূ বা গৃহিণীদের। প্রতি বৃহস্পতিবার আমাদের বাংলার ঘরে ঘরে গৃহলক্ষ্মীর পুজো ও পাঁচালি পাঠ সেই পুরানো দিন থেকে আজ পর্যন্ত চলে আসছে। বলা যায় আমাদের সমাজের অন্দরমহলের সবচেয়ে জনপ্রিয় দেবী হলেন লক্ষ্মী। 
বিশদ

12th  October, 2019
বিজয়া দশমী 

দশমী তিথিতে সকাল বেলায় নির্ঘণ্ট অনুযায়ী পুরোহিত আচমন ভূতাপসারণ প্রভৃতি করে পঞ্চোপচারে দেবীর পুজো করেন। ওই দিন দেবীকে পান্তাভাত, কচুর শাক (নুন ছাড়া) ভোগ দেওয়া হয়। যাঁরা অন্নভোগ দেন না তাঁরা চিঁড়ে, মুড়কি, খই, বাতাসা, দই প্রভৃতি ভোগ দেন।  
বিশদ

05th  October, 2019
চণ্ডীতে দেবী দুর্গার প্রকাশময়ী মূর্তি 

দেবী বন্দনার সামগ্রিক বিকাশটি নিহিত আছে শ্রীশ্রীচণ্ডীতে। প্রথম, মধ্যম ও উত্তর ভেদে আদ্যাশক্তি মহামায়া চণ্ডিকা তিন রূপে প্রকাশিতা। গুণ ও কর্ম ভেদে তিনি কখনও মহাকালী, কখনও মহালক্ষ্মী, কখনও বা মহাসরস্বতী রূপে প্রকাশিতা।
বিশদ

05th  October, 2019
মহিলা মৃৎশিল্পী
মনের টানে ঠাকুর গড়েন মালা পাল 

কুমোরটুলির এক জায়গায় বসে সবাই যখন ঠাকুর গড়ত, মুগ্ধ হয়ে দেখত মেয়েটি। আর মনে মনে ভাবত সেও একদিন ঠাকুর গড়বে। সেই মতো মেয়েটির যখন চোদ্দো বছর বয়েস, তখন সে বাবার স্টুডিওতে এসে বাবার সঙ্গে ঠাকুর গড়া শুরু করে।  বিশদ

28th  September, 2019
ম হা ল য়া র মধুর সুর 

মহালয়া মানে পিতৃপক্ষের সমাপ্তি আর দেবীপক্ষের সূচনা। শারদীয়া দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন হল মহালয়া। মহালয়ার ভোর মানেই দূরত্ব ছাপিয়ে আসা আলো। প্রত্যেক বাঙালিরই মহালয়া নিয়ে নানা স্মৃতি। আজ এই প্রযুক্তি অধ্যুষিত সময়ে দাঁড়িয়েও এই একটা দিনেই আমবাঙালি রেডিওতে মাতে। আগের রাতে ধুলো ঝেড়ে বের হয় বাবা বা ঠাকুরদার পুরনো রেডিও সেটটি।   বিশদ

28th  September, 2019
পার্লারে পার্লারে পুজোর প্যাকেজ 

পুজোর আগে লাস্ট মিনিটে সাজ-সাজেশনে রয়েছে বিভিন্ন পার্লারের আকর্ষণীয় অফার। পুজোর পাঁচটা দিন তাক লাগিয়ে দিন বন্ধুদের। হয়ে উঠুন পুজোর সেরা সুন্দরী। আর যাঁরা এখনও পার্লারমুখো হননি তাঁরাও করে নিন মেকওভার।  বিশদ

28th  September, 2019
মহাপূজার আঙিনায় হোম 

যজ্ঞানুষ্ঠান বৈদিক কর্মের অঙ্গ। অগ্নিকে প্রতীকরূপে উপাসনার প্রথা আদিকাল থেকে। এর উৎপত্তিস্থল ঋগ্বেদ। দেবতার অভিলাষে হব্যাদি যে কোনও অর্ঘ্যদান করতে গেলে অগ্নিতেই তা উৎসর্গ করতে হয়।   বিশদ

28th  September, 2019
আবাসনের পুজোয় মেয়েরাই সর্বেসর্বা 

শহর আর শহরতলি জুড়ে গড়ে উঠছে অসংখ্য আবাসন। সেখানে পুজোর ব্যবস্থাপনায় অগ্রণী ভূমিকা মেয়েদেরই। কয়েকটি আবাসনের মহিলা মহলের সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন সোমা লাহিড়ী।  বিশদ

28th  September, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: সোমবার দুপুরে সালকিয়ার বাঁধাঘাটে একটি তুলোর গুদামে আগুন লাগে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে দমকলের চারটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গেলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ...

জয়পুর, ২১ অক্টোবর: আগামী আইপিএল মরশুমের জন্য রাজস্থান রয়্যালসের প্রধান কোচের দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। সোমবারই রাজস্থানের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এ কথা ঘোষণা করা হল। তিন বছরের চুক্তি।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ২১ অক্টোবর: ‘ইভিএমের যে বোতামই টিপুন, ভোট সোজা গিয়ে পৌঁছবে পদ্মফুলে। ভোট মেশিনে আমরা সেরকমই ব্যবস্থা করে রেখেছি।’ হরিয়ানার এক বিজেপি বিধায়কের এই বিতর্কিত মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আয়ুর্বেদ নিয়ে প্রচারের অভাব রয়েছে। আয়ুর্বেদ পাশ করার পর শুধুমাত্র আয়ুর্বেদিক মেডিক্যাল অফিসারের সরকারি চাকরি ছাড়াও যে আরও অজস্র কাজের ক্ষেত্র রয়েছে, সে সম্পর্কেও প্রচারের অভাব রয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৫৪: কবি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যু
১৯৮৮: অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার জন্ম
২০০৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের মৃত্যু,
২০০৮: চন্দ্রায়ন-১-এর সূচনা  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ কার্তিক ১৪২৬, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, নবমী ৫৪/৪৪ রাত্রি ৩/৩৩। পুষ্যা ২৭/২৫ অপঃ ৪/৩৯। সূ উ ৫/৩৯/২৯, অ ৫/৩/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ১০/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৫ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১/২৮ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৪/৫০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/৫ গতে ৮/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১২ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩৮ গতে ৮/১২ মধ্যে। 
৪ কার্তিক ১৪২৬, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার, নবমী ৪৪/০/৪৮ রাত্রি ১১/১৬/৩০। পুষ্যা ১৯/৫৪/৫১ দিবা ১/৩৮/৭, সূ উ ৫/৪০/১১, অ ৫/৪/১১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৭ গতে ১০/৫৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৮/১৯ মধ্যে ও ৯/১৯ গতে ১১/৪৬ মধ্যে ও ১/৩০ গতে ৩/১৩ মধ্যে ও ৪/৫৭ গতে ৫/৪১ মধ্যে, বারবেলা ৭/৫/৪১ গতে ৮/৩১/১১ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৭/৪১ গতে ২/১৩/১১ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৩৮/৪১ গতে ৮/১৩/১১ মধ্যে। 
২২ শফর 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৫ জানুয়ারির মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে বিধি, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র 
সোশ্যাল মিডিয়াতে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য, ফেক নিউজ, ট্রোলিং ও দেশ বিরোধী ...বিশদ

06:43:00 PM

কংগ্রেস ছাড়লেন নভজ্যোত সিং সিধুর স্ত্রী নভজ্যোত কাউর

04:15:00 PM

শব্দবাজির দৌরাত্ম্য রুখতে কাটোয়ায় ট্রেনে তল্লাশি আরপিএফের 
দীপাবলিতে শব্দবাজির দৌরাত্ম্য রুখতে কাটোয়া স্টেশনে একাধিক লোকাল এবং এক্সপ্রেস ...বিশদ

03:48:03 PM

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন পাকিস্তানের, বালাকোট সেক্টর সীমান্তে গোলাগুলি 

03:33:23 PM

ইন্দাসে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষ, জখম ২ 

03:24:00 PM

রায়গঞ্জে একটি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি 
রায়গঞ্জ শহরের হালদারপাড়াতে একটি বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ...বিশদ

02:36:00 PM