Bartaman Patrika
আমরা মেয়েরা
 

সমাজ সংস্কারক বিদ্যাসাগর
ও বিধবা বিবাহ প্রচলন

বাংলা সাহিত্যের প্রসার, সংস্কৃত সাহিত্যের সহজসরল অনুবাদ নারী শিক্ষা বিস্তারে বহু প্রবন্ধ লিখে সমাজে আলোড়ন তুলেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। নারীর সম্মান ও আত্মমর্যাদা রক্ষার্থে সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন তিনি। সমাজে বিধবা বিবাহ প্রচলন করে বিদ্যাসাগর বিশেষভাবে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
এই বিধবা বিবাহ প্রচলন নিয়ে একটি ঘটনার উল্লেখ করা প্রয়োজন। ছোটবেলায় রাইমণি নামে খেলার সঙ্গিনী ছিল বিদ্যাসাগরের। রাইমণিকে ভালোবাসতেন তিনি। রাইমণির খুব অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। কিছু বছর পরে বিধবা হয়ে একমাত্র সন্তান গোপালকে নিয়ে নিজের গ্রাম বীরসিংহে ফিরে আসে রাইমণি। বিদ্যাসাগরও গ্রামে ফিরে একদিন খোঁজ নিতে গিয়ে দেখেন রাইমণি শুকনো মুখে দাঁড়িয়ে আছে। সেদিন ছিল একাদশী। সারাদিন রাইমণির উপবাসের করুণ চিহ্ন প্রত্যক্ষ করে বিদ্যাসাগরের মনে একদিকে যেমন বৃষ্টির মতো কান্না ঝরছিল তেমনি অন্যদিকে আগুনও জ্বলছিল। তিনি অনুভব করেছিলেন হিন্দু বাল্য বিধবাদের বৈধব্য যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে হলে প্রয়োজন তাদের পুনর্বিবাহ। শুরু হয় বিদ্যাসাগরের লাগাতার আন্দোলন।
রামমোহন রায় জ্বলন্ত চিতার আগুন থেকে বিধবাদের ফিরিয়ে এনেছিলেন। কিন্তু সংসার আর সমাজের নির্মমতায় তারা প্রতিদিন দগ্ধ হচ্ছিল। সেই চিতার আগুন নেভানোর উদ্দেশ্যে বিধবা বিবাহের কাজে নিজেকে সম্পূর্ণ সমর্পণ করতে এগিয়ে এলেন বিদ্যাসাগর।
তিনি বুঝেছিলেন ধর্মের, সমাজের শাস্ত্রের গোঁড়ামি শাস্ত্র দিয়েই ভাঙতে হবে। শাস্ত্র ঘেঁটে ‘পরাশর সংহিতা’ থেকে বিধবা বিবাহের পক্ষে অকাট্য যুক্ত পেলেন। সেই যুক্তির নিরিখে বিধবাদের বিয়ের পক্ষে দুটি বই লিখলেন। এছাড়াও পত্র-পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে বিধবা বিবাহের সপক্ষে জনমত গঠন ও সেইসঙ্গে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন। আইনের মাধ্যমে বিধবা বিবাহকে বৈধ করার লক্ষ্য নিয়ে ৯৮৭ জনের সই সংগ্রহ করে বিদ্যাসাগর আবেদনপত্র জমা দিলেন তৎকালীন ভারত সরকারের কাছে। তাঁর আবেদনপত্রের প্রবল বিরোধিতা করলেন সনাতন পন্থী হিন্দুরা। রক্ষণশীল সমাজের নেতা রাধাকান্ত দেবের নেতৃত্বে ৩৬,৭৬৩ জনের সই সংগ্রহ করে পাল্টা আবেদনপত্র ভারত সরকারকে জমা দিলেও বিদ্যাসাগরের যুক্তির কাছে হার মানল বিরোধীদের আবেদন।
রাধাকান্ত দেব কলকাতার শোভাবাজার রাজবাড়িতে পণ্ডিতসভা ডাকলেন। সেখানে তীব্র বাদানুবাদ হল বিদ্যাসাগর ও পণ্ডিত ব্রজনাথ বিদ্যারত্নের মধ্যে। বিদ্যাসাগর শাস্ত্রের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন পণ্ডিতরা তা প্রমাণ করার জন্য জোর সওয়াল করলেন। তবু ব্যর্থ হলেন তাঁরা। রাধাকান্ত দেব এই বিধবা বিবাহে সমর্থন না করলেও বিদ্যাসাগরের যুক্তিতে মুগ্ধ হয়ে এক জোড়া শাল তাঁকে দেন। অবশেষে ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই হিন্দু বিধবা বিবাহ বৈধ বলে আইন পাশ হল। সেই পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামবাংলায় নানা আলোচনা, সভা হতে লাগল। এছাড়া ব্যঙ্গ, কবিতা, নাটক, নকশা, গল্প, পালা-গান রচনা হল।
বাংলাদেশের যেন এক নতুন যুগের সৃষ্টি হল। যাঁরা সমাজের ভয় করত তাঁরাও এগিয়ে এসে বিধবা বিবাহকে সমর্থন জানান। উমেশ চন্দ্র মিত্র লিখলেন বিধবা বিবাহ নাটক। প্রথমে সিঁদুর পাটির গোপাল মল্লিকের বাড়ি, পরে পাইকপাড়ার রাজবাড়িতে সেই নাটকের অভিনয় হল। যার উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন কেশবচন্দ্র সেন। বিধবা বিবাহ নাটকের অভিনয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন ব্রাহ্মধর্মাবলম্বীরা। নাটক বেশ কয়েকবার দেখেন স্বয়ং বিদ্যাসাগর।
তাঁর উদ্যোগেই আয়োজিত হয় শ্রীশচন্দ্র-কালিমতীর ঐতিহাসিক বিধবা বিবাহ। যা ছিল ভারতে প্রথম। ১৮৫৬ সালের ৭ ডিসেম্বর, বাংলা ১২৬৩ সালের ২৩ অগ্রহায়ণ বিবাহ আসর নির্দিষ্ট হয়েছিল কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি।
কালিমতী ছিল বাল্য বিধবা। বাল্য বিধবাদের জীবনধারণ ছিল মৃত্যুযন্ত্রণার চেয়েও বেশি। সেই সময় অকাল বৈধব্য ছিল মেয়েদের জীবনে নিত্যসঙ্গী। তখনই বাল্য বিধবাদের ওপর খাদ্যাখাদ্য নিয়ে নানা বিধিনিষেধের পাশাপাশি পোশাক, অলঙ্কার পরার কড়াকড়ি থাকত। তবে সবচেয়ে নিষ্ঠুরতা ছিল অমাবস্যা, পূর্ণিমার উপবাস ও নির্জলা-একাদশী পালনের মতো পাশবিক নিয়মকানুন।
বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ থাকাকালীন সেই কলেজের মেধাবী ছাত্র ছিল শ্রীশচন্দ্র। শ্রীশচন্দ্র ২৬ বছর বয়সে বাল্য বিধবাকে পুনর্বিবাহ করার মতো কাজে ব্রতী হন।
বাংলার লাটসাহেব স্যার ফ্রেডেরিক হ্যালিডেও এই বিবাহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঐতিহাসিক ঘটনাটির সাক্ষী হিসাবে। এ ছাড়া বিবাহ বাসর উজ্জ্বলতর হয়েছিল প্যারিচাঁদ মিত্র, কালিপ্রসন্ন সিংহ, শম্ভুনাথ পণ্ডিত, রাজা প্রতাপচন্দ্র সিংহ, রাজা দিগম্বর মিত্র, বিচারক হরচন্দ্র ঘোষ, দ্বারিকানাথ মিত্র প্রমুখের উপস্থিতিতে।
বিধবার বিয়ে দিয়ে এক অসাধ্যসাধন করলেন বিদ্যাসাগর। আর কোনও ক্রমেই বিধবা বিবাহ বন্ধ করতে না পেরে হিন্দু সমাজপতিরা রাগে অন্ধ হয়ে শ্রীশচন্দ্রকে সমাজ থেকে পতিত ঘোষণা করেন। এদিকে ধর্মান্ধরা আইনের বিচারে হেরে গিয়ে বিদ্যাসাগরকে রাতের অন্ধকারে কলকাতার ঠনঠনিয়ার কাছে গুন্ডাদের দিয়ে মারার চেষ্টা করে। কিন্তু বিদ্যাসাগরের সঙ্গী বীরসিংহের লাঠিয়াল শ্রীমন্ত সেই গুন্ডাদের হটিয়ে দেয়।
বিদ্যাসাগর গোটা নারীসমাজকে পথ দেখিয়ে নিজেও কিন্তু পিছিয়ে থাকলেন না। নিজের একমাত্র ছেলে নারায়ণ চন্দ্রর বিয়ে দিয়েছিলেন ভবসুন্দরী নামে এক বিধবার সঙ্গে। গ্রামের প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা বিয়েতে না এলেও বিদ্যাসাগরের সংগ্রাম সফল ও সার্থক হয়েছে। বিদ্যাসাগর বলেছিলেন— ‘আমি দেশাচারের নিতান্ত দাস নহি, নিজের বা সমাজের মঙ্গলের নিমিত্ত যাহা উচিত বা আবশ্যক বোধ হইবে তাহা করিব, লোকের বা কুটুম্বের ভয়ে কদাচ সঙ্কুচিত হব না।’ রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন— তাঁর দেশের লোক যে যুগে বদ্ধ হয়ে আছেন। বিদ্যাসাগর সেই যুগকে ছাড়িয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার প্রমাণ বিদ্যাসাগরের জীবনে ছড়িয়ে আছে।
বিধবা বিবাহ প্রচলনের পাশাপাশি তাদের দুরাবস্থা থেকে বাঁচানোর জন্য হিন্দু ফ্যামিলি অ্যানুয়িটি ফান্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বিদ্যাসাগর। সারা জীবন কঠোর সংগ্রামী, স্বাজাত্যভিমানী, কোনও কারণেই আপোস না করা— এই চরিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন বিদ্যাসাগর। ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই তাঁর জীবনাবসান ঘটে।
অরূপকুমার ভৌমিক
 পাতার ছবি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে
27th  July, 2019
স্ত্রীর উন্নতিতে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েন স্বামী 

স্ত্রীর আয় বেশি বলে স্বামীকে হীনম্মন্যতা ও নিরাপত্তার অভাবে ভুগতে দেখার দৃশ্য বলিউডের অনেক ছবিতেই রয়েছে। ‘অভিমান’ থেকে শুরু করে ‘ম্যায়, মেরি পত্নী ওউর ওহ’র মতো ছবিতে এমন ঘটনা দেখা যায়। যুক্তরাজ্যের বাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের গবেষণাতেও এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় ছয় হাজার দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়।  
বিশদ

11th  January, 2020
গ্র্যামির মনোনয়নে নারীরাই জয়ী 

কিছুদিন আগে অবধিও সঙ্গীত বিশ্বে ছিল পুরুষের জয়-জয়কার। দু’বছর আগে তাই গ্র্যামির মঞ্চে বলা হয়েছিল, ‘নারীরা জেগে ওঠো, চিৎকার করে অস্তিত্বের জানান দাও।’ ২০২০ সালের গ্র্যামি মনোনয়নে দেখা গেল, নারীরা জেগে উঠেছে, চিৎকার করেছে। সেই চিৎকারে বর্ণময় হয়ে উঠেছে চারপাশ। 
বিশদ

11th  January, 2020
আশালতা চতুষ্পাঠীতে মেয়েরা সংস্কৃত পড়ছেন 

উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হাসনাবাদ রেল স্টেশনের পাশে অধ্যক্ষ অনিলকুমার দাশের ‘আশালতা চতুষ্পাঠী’তে মুসলিম, আদিবাসী, হিন্দু, তফসিলি ও খ্রিস্টান মহিলারা খুব আগ্রহ সহকারে সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা করছেন। 
বিশদ

11th  January, 2020
শেষ পৌষের বাউলমেলায় 

মাধবের মন্দিরে একসময় আশালতা দাসী, কর্তাল ঠুকে গাইতেন, ‘ওপারে বন্ধু আমার/এপারেতে স্বজন/ মনের ভিতর তুই আমার অতি আপনজন’! সেই ইতিহাসের অজয় নদ! তার তীরে বীরভূমের ইলামবাজারের অদূরে, প্রাচীন কেন্দুলী গ্রাম। এ অঞ্চলের অন্ত‌্যজ শ্রেণীর মেয়েরাও গাইত মাটির গান। 
বিশদ

11th  January, 2020
নবনীতার আলো 

নবনীতা দেবসেনের গল্প, ভ্রমণ বা কবিতায় মন ডুবিয়ে বাস্তবের থেকে বহু বহু দূরে পাড়ি জমান পাঠকরা। তাঁর জন্মদিনের প্রাক্কালে তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য
বিশদ

11th  January, 2020
নারী পাইলটকে স্বাগত জানাল ভারতীয় নৌবাহিনী 

প্রথমবারের মতো কোনও নারী পাইলটকে স্বাগত জানাল আমাদের দেশের নৌবাহিনী। সাব-লেফটেন্যান্ট শিবাঙ্গী নামের ওই নারী যখন একটি বিমানের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেন, তখন তা আমাদের দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলেই ধরে নেওয়া হয়েছে। 
বিশদ

04th  January, 2020
নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মেয়েরা অবহেলার শিকার

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছেলে ও মেয়ের চিকিৎসায় হাসপাতালে কোনও পার্থক্য হয় না। তবু তীব্র নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত মেয়ের মৃত্যু বেশি হয়। অন্যদিকে ছেলেশিশু ভর্তি হয় বেশি। গবেষকরা বলছেন, হাসপাতালে ভর্তি করাতে পরিবার ছেলেদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকতে পারে।  
বিশদ

04th  January, 2020
সর্বকালের সেরা আফ্রিকান কৃষ্ণাঙ্গ কোটিপতি নারী 

যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন জগতের খুব পরিচিত মুখ ওপরাহ্‌ উইনফ্রে। মিসিসিপির নিভৃত পল্লিতে ১৯৫৪ সালের ২৯ জানুয়ারি অবিবাহিত এক মায়ের ঘরে জন্ম তাঁর। কেরিয়ারের শুরুতে টেলিভিশন উপস্থাপিকা হিসেবে আগমন তাঁর। আর তাতেই বাজিমাত করেন। ১৯৮০-র দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।  
বিশদ

04th  January, 2020
আপসহীন শর্বরী 

বেশ কয়েক বছর আগের ঘটনা, কলকাতা হাইকোর্টে তখনকার প্রধান বিচারপতি জে.এন. প্যাটেল স্বয়ং কথা বলতে চাইলেন সি.আই.ডি-র ইনস্পেক্টর শর্বরী ভট্টাচার্যের সঙ্গে। প্রধান বিচারপতির ডাক পেয়ে শশব্যস্ত হয়ে ছুটলেন শর্বরী। আর্দালি প্রথমে তাঁকে চেম্বারে ঢুকতে দিতে চাননি কিন্তু হাইকোর্টেরই এক আইনজীবীর নজরে পড়ে যান তিনি। 
বিশদ

04th  January, 2020
নারী মনের নানা দিক 

নারী মনের ওপর বয়সের প্রভাব পড়ে বিভিন্ন সময়। একদম অল্প বয়সে যখন সে বালিকা তখন তার মন থাকে চঞ্চল, উচ্ছল। এরপর কৈশোর আসে। মেয়েদের শরীরে তখন বদল ঘটে। হরমোনের প্রভাব পড়ে শরীর ও মনে। এরপর যৌবন। তখন মনের আবেগ ও শরীরের তেজ সবচেয়ে বেশি থাকে। তারপর ক্রমশ বার্ধক্য গ্রাস করে নারী মনকে।  
বিশদ

04th  January, 2020
লিঙ্গবৈষম্য ও সংস্কার 

ঘটনা এক: সান্ধ্যকালীন এক অনুষ্ঠান বাড়িতে উপস্থিত হয়েছে লোপা। মাঝ বয়েস ছুঁই ছুঁই লোপা এক কন্যাসন্তানের জননী। হাসি, মজা, কথাবার্তায় মহিলা মহলে উপস্থিত বেশ কয়েকজন নীল ষষ্ঠীর ব্রত উপবাসের কথা বলছিলেন। পুত্রসন্তানের জননী বলে কোথাও যেন কৌলীণ্য বেশি তাদের। 
বিশদ

28th  December, 2019
নিজের জ্ঞান সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান সুপর্ণা 

চীনে এবার মিসেস ইউনিভার্স ২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে। গ্র্যান্ড ফাইনাল হবে ৩০ ডিসেম্বর। তার আগেই কলকাতার থেকে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন সুপর্ণা মুখোপাধ্যায়। তিনি এই বিষয়ে বর্তমান পত্রিকাকে নানা কথা জানালেন। 
বিশদ

28th  December, 2019
নারীর সম্মান রক্ষায় কল্পতরু শ্রীরামকৃষ্ণ 

আজকের দিনে নবজাগরণের অন্যতম অঙ্গ হল নারীর ন্যায্য অধিকার সচেতনতার আন্দোলন। সমাজের সকল স্তরে নারীর অবমাননা আজকের দিনে এমন এক চরম অবস্থায় পৌঁছেছে যে তার আমূল সংস্কার একান্তভাবে প্রয়োজন। আমাদের আর্য সভ্যতার উষালগ্নে বৈদিক যুগ ছিল নারীর স্বর্ণযুগ, সেই যুগে নারী ছিল উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। 
বিশদ

28th  December, 2019
 কলকাতার বড়দিন ও শতাব্দীপ্রাচীন গির্জা

 কলকাতার বড়দিনে যে সব শতাব্দীপ্রাচীন চার্চ গির্জায় মানুষের ঢল নামে সেই সম্পর্কে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দক্ষিণ কলকাতার খিদিরপুরে যে সব শতাব্দীপ্রাচীন চার্চ গির্জা যুগ যুগ ধরে হিন্দু মুসলমানের মসজিদের পাশাপাশি অবস্থান করে সম্প্রীতির সাক্ষ্য বহন করে চলেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সেন্ট স্টিফেন্স চার্চ।
বিশদ

21st  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: যে রাধে সে যেমন চুলও বাঁধে, তেমনি যিনি চোর-ডাকাত-অপরাধীর পিছনে ছুটে বেড়ান, তিনি আবার সাহিত্যচর্চাও করেন। হরিরামপুর থানায় কর্তব্যরত পুলিস কর্মী তাপস মণ্ডল ডিউটির চাপ সামলেও সামান্য যেটুকু অবসর পেয়েছেন, তাতেই একটি বই লিখে ফেলেছেন।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখতে ব্যর্থ মোহন বাগান কর্তারা। তাঁরা আনতে পারলেন না নতুন ইনভেস্টর কিংবা স্পনসর। শেষ পর্যন্ত এটিকের সঙ্গে সংযুক্তিকরণের পথেই হাঁটতে হল ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৬ জানুয়ারি: শুধুমাত্র নামের আদ্যক্ষর ব্যবহার করে টিকিট বুকিং করা যাবে না। দিতে হবে পুরো নাম এবং পদবি। দালালরাজ আটকাতে এবার টিকিট ...

ইসলামাবাদ, ১৬ জানুয়ারি (পিটিআই): নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ডের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গেলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশারফ। পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, মোশারফের হয়ে ৯০ পাতার পিটিশন দাখিল করেছেন তাঁর আইনজীবী। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

গুরুজনের চিকিৎসায় বহু ব্যয়। ক্রোধ দমন করা উচিত। নানাভাবে অর্থ আগমনের সুযোগ। সহকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪১: মহান বিপ্লবী সুভাষচন্দ্র বসুর মহানিষ্ক্রমণ
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯. ২০ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.১৯ টাকা ৯৪.৫৮ টাকা
ইউরো ৭৭.১০ টাকা ৮০.৮৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০, ৩৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮, ৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৮, ৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ মাঘ ১৪২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ২/৪০ দিবা ৭/২৮। চিত্রা ৪৭/৪ রাত্রি ১/১৩। সূ উ ৬/২৩/৭, অ ৫/৯/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৩২ গতে ১০/৪১ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ২/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/৪ গতে ১১/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৭ মধ্যে। 
২ মাঘ ১৪২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ১২/৪/১৯ দিবা ১১/১৫/২৬। হস্তা ০/৩/৫ প্রাতঃ ৬/২৬/৫৬ পরে চিত্রা নক্ষত্র দং ৫৬/৯/৪১ শেষরাত্রি ৪/৫৩/৩৪। সূ উ ৬/২৫/৪২, অ ৫/৮/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ১২/৫৫ গতে ২/২৩ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৪৭ মধ্যে ও ৩/৪৪ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৫৫ গতে ১১/৪৭/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/২৮/৮ গতে ১০/৭/৪৩ মধ্যে । 
মোসলেম: ২১ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত ৩৬ রানে জিতল 

09:55:34 PM

অস্ট্রেলিয়া ২৩৫/৫ (৪০ ওভার), টার্গেট ৩৪১ 

08:50:02 PM

অস্ট্রেলিয়া ১৫১/২ (২৬ ওভার), টার্গেট ৩৪১

07:46:57 PM

অস্ট্রেলিয়াকে ৩৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

05:12:00 PM

নির্ভয়া কাণ্ড: দোষীদের ফাঁসি ১ ফেব্রুয়ারি 
নির্ভয়া কাণ্ডে চারজন দোষীদের ফাঁসি ২২ জানুয়ারির বদলে হবে ১ ...বিশদ

05:08:00 PM

ভারত ২৪৯/৩ (৪০ ওভার) 

04:25:39 PM